এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:৫৯374700
  • :)
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:৪৭374699
  • অ্যাঁ?
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:৩১374697
  • এই বারুজ্যে গুলোর শো অফ করার রোগ তাই ডুবলো। মুখুজ্যে হোলে সব পয়্সা কান্থার তলায় থাক্তো কেও জানতো না। আর ভ্টচাজ হলে তো আগেই কোনোভাবে থিওরাইজ করে ফেল্তো। শাল বারুজ্যে দশ পোয়্সা হোয়্তো খেয়েচে আদোতে, ফোন পেন স্যুট কিনে উড়িয়েচে দশ লাখ
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:৩১374698
  • এই বারুজ্যে গুলোর শো অফ করার রোগ তাই ডুবলো। মুখুজ্যে হোলে সব পয়্সা কান্থার তলায় থাক্তো কেও জানতো না। আর ভ্টচাজ হলে তো আগেই কোনোভাবে থিওরাইজ করে ফেল্তো। শাল বারুজ্যে দশ পোয়্সা হোয়্তো খেয়েচে আদোতে, ফোন পেন স্যুট কিনে উড়িয়েচে দশ লাখ
  • T | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৪৬374696
  • কোথায় ইয়েচুরি আর কোথায় ঋতব্রত। এসেফাই এর সাধারণ সম্পাদক কিনা ঐরম আলুভাতে মার্কা বক্তব্য রাখে। বিভিন্ন টক শো তে কথা বলে পুরো মুলো মাফিক। বুদ্ধবাবুর স্তেঁহধন্য বলে অ্যাদ্দুর উঠেছেন নইলে একে কে লিডার বলে মানে।
  • aka | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:২২374695
  • ঋতব্রত একখানি লস্ট কেস। ওর বক্তব্য শুনেছি, অনেক কথা বলে কিন্তু শেষে কি বলল বোঝা যায় না। এদ্দিন রাজ্যসভা টভা করল, ইয়েচুরীকে দেখেও শিখল না।
  • sch | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৪৯374694
  • avi, আমার মেইল আই ডি [email protected]
  • Arpan | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩১374693
  • তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল ঋতব্রতকেই রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন দিতে হয় কেন? ইংরেজি বলতে পারেন বলে? আইপ্যাড নিয়ে কেরামতি দেখাতে পারেন বলে? কোনটা কারণ?
  • শেখর | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৩৮374692
  • ঋতব্রতর কান্ডকারখানা দেখে মনে পড়ল যে নিজেকে না পাল্টিয়ে যারা দুনিয়া পাল্টানোর বাণী বিতড়ন করেন তাদের তো এরকমই করার কথা ়
  • .. | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৩২374691
  • কমোডে হাগু করা কমুনিসরা এরকমই হয়!
  • avi | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৩১374690
  • Sch, আপনার মেইল আই ডি বা অন্য কোনো যোগাযোগের মাধ্যম দিন, জানাচ্ছি।
  • pi | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৪৫374689
  • এখানেও রইল, পুরন্দরের পোস্ট।

    'রাজ্যসভার এমপি এবং এসএফআই-এর প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক ঋতব্রত ব্যানার্জি নিয়ে সম্প্রতি কিছু ঘটনা ঘটেছে যা নিয়ে পোস্ট দিতে বাধ্য হচ্ছি। ইতিমধ্যে ঘটনাটি মিডিয়াতে চলে এসেছে এবং এর ফলে সিপিএম-এর ভাবমূর্তির বেশ ভালো রকম ক্ষতি হতে চলেছে।

    প্রথমেই বলে দি বিষয়টা কি যাতে যাঁরা এখনও জানেন না তাঁরা বুঝতে পারেন। কয়েকদিন আগে ঋতব্রতকে নিয়ে একটা পোস্ট দেখা যায় সিপিএম-এর কিছু কমিউনিটিতে যেখানে ঋতব্রতর দামি পেন, ফোন, ঘড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করা নিয়ে কটাক্ষ করেন পার্টির সমর্থক বলে পরিচিত একজন। পোস্টটিতে আরও অনেকেই কমেন্ট করে যে ঋতব্রতর জীবন যাপন পার্টির হোলটাইমার সুলভ নয়। ঋতব্রত সেই সমালোচনায় ক্ষুব্দ হয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন জায়গায় হুমকি দেয় যে যাঁরা এসব চর্চা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ও। যাঁরা ঋতব্রতর সমালোচনা করছিলো তাদের মধ্যে একজন পার্টি সদস্যের অফিসে এইচআরের কাছে চিঠি যায় ঋতব্রত ব্যানার্জির ইমেল আইডি থেকে। সেই মেলে বলা হয় যে "আমি একজন রাজ্য সভার এমপি, আপনাদের একজন কর্মী আমাকে নিয়ে কুৎসা করছে ফেসবুকে (hate speech) এবং আমি ঠিক করেছি যে আইনি ব্যবস্থা নেবো।" ওই পার্টি কর্মীর চাকরি চলে যেতে বসেছে, ছোট কোম্পানি তাই অফিস থেকে কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাইছে না, সেই যুবককে রেসিগ্নেশন দিতে বলা হয়েছে। (ঋতব্রতর বিরুদ্ধে পোস্টের স্ক্রিনশট এবং ঋতব্রতর করা ইমেলের স্ক্রিনশট পোস্টের কমেন্টে দিলাম।)

    গোটা বিষয়ের দুটো দিক আছে। এক হলো ঋতব্রতর বিরুদ্ধে যে প্রথম অভিযোগ যে সে বিলাসবহুল জীবনযাপন করে যা বাম আদর্শের সাথে মেলে না। ঋতব্রতর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রথম নয়। অনেকদিন ধরেই কানে নানান কথা আসছিলো যেমন তাঁর বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ বা হোটেলে খাওয়ার অভ্যাস (অনেক ক্ষেত্রেই অন্যের ঘাড় ভেঙে), ছাত্র ফেডারেশনের রাজ্য কনফারেন্সে গিয়ে গাড়ির ব্যবস্থা না থাকায় ফিরে চলে আসার হুমকি দেওয়া, দামি ব্র্যান্ড ছাড়া জামাকাপড় না পরা, দামি ফোন (একটা ব্ল্যাকবেরি অন্যটা আইফোন), আইপ্যাড, আইওয়াচ ব্যবহার করা, ইত্যাদি। একবার দুবার এই নিয়ে আমিও পার্টির কর্মীদের বলেছি "ঋতব্রতকে দেখলাম একটা প্রত্যন্ত গ্রামে মিটিং করবার ছবি দিয়েছে যেখানে আইপ্যাড নিয়ে কিছু কেরামতি দেখাচ্ছে, এতে সাধারণ মানুষের সাথে দূরত্ব তৈরী হবে না?" অনেক পার্টি কর্মী এতে একমতও হয়েছেন, তাঁদেরও এসব মনে হয়েছে। হরেকৃষ্ণ কোঙার, প্রমোদ দাসগুপ্ত, বিনয় চৌধুরী, নৃপেন চক্রবর্তী, এমন কি হালফিলের বিমান বসু বা মানিক সরকার যেরকম জীবনযাপন করেন তার থেকে এর ফারাকটা সকলের কাছেই স্পষ্ট। বছর খানেক আগে এবি বর্ধন মারা গেলে দেখা যায় ওনার সারা জীবনের সঞ্চয় একটা স্যুটকেস ভর্তি জামাকাপড়, একটা আলমারি ভর্তি বই, আর একটা ছাতা, ব্যাস। জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর খদ্দরের ধুতি পাঞ্জাবি ছেড়ে সিল্কের ধুতি পাঞ্জাবি পরেছিলেন বলেও শোনা যায় যে পার্টিতে গুঞ্জন উঠেছিল এবং তিনি সেটা আন্দাজ করে নিজে পার্টির অন্যদেরকে ডেকে বলেন যে "বোন পাঁচটা সেট বানিয়ে দিয়েছে তাই পরেছি, খুব চোখে লাগলে বলুন আর পরবো না।" বলছি না যে পার্টির নেতা মানেই কৃচ্ছসাধন করতে হবে কিন্তু যেখানে একটা সাধারণ স্মার্টফোনে কাজ হয় সেখানে আইফোনের কি খুব প্রয়োজন? মিটিংয়ের মধ্যে আইপ্যাড বের করে গরিব মানুষজনকে তাক লাগিয়ে দেওয়ার কি খুব দরকার? একজন পার্টির সর্বক্ষণের কর্মীর এতো টাকা আসেই বা কোথা থেকে? হয়তো উপহার, কিন্তু উপহারের পেছনেও তো কারণ থাকে। এরপর বিএমডাব্লিউ গাড়ি করে ঘুরলেও তো কিছু বলার থাকবে না।

    এইবার আসা যাক দ্বিতীয় দিকটায়, এটা অনেক বেশি গুরুতর। ফেসবুকে সমালোচনা করার জন্যে নিজের এমপি পদ ব্যবহার করে যদি একজনের চাকরি ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরী করা হয়, যদি তাকে উকিলের ভয় দেখানো হয় তাহলে ঋতব্রতর তো অম্বিকেশ মহাপাত্র বা কানহাইয়া কুমারকে নিয়ে মুখ খোলারই কোনো জায়গা থাকে না! ফ্রিডম অফ স্পিচ নিয়ে উনি এতো বড় বড় কথা বলেছিলেন জেএনইউ বিতর্কের সময় পার্লামেন্টে, সেসবে তো তিনি নিজেই বিশ্বাস করেন না তার মানে! একজন রাজ্য সভার এমপি হয়েই তিনি রাষ্ট্রশক্তির আস্ফোলন দেখাচ্ছেন, তিনি যদি ভবিষ্যতে এই রাজ্যে মন্ত্রী হন তাহলে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই তো ভয় পাওয়ার কারণ থাকছে! ঋতব্রত বলেছেন যে তার নামে "hate speech" দেওয়া হয়েছে। "hate speech" কিন্তু অপরাধ, আইনের চোখে। কারুর জামাকাপড়ের অথবা আসবাবের বাহুল্য নিয়ে বলা যদি "hate speech" হয় তাহলে নরেন্দ্র মোদির দশ লাখি স্যুট নিয়ে বলাও তো "hate speech"! অর্থাৎ সেই অপরাধে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক ইয়েচুরিও দোষী! এই ফেসবুকে বহু বিজেপি ও তৃণমূলের নেতাদের বাপ্ ঠাকুরদা উদ্ধার করেছি, তথাগত রায়ের মতো নেতার ওয়ালে গিয়ে যাচ্ছেতাই হ্যারাস করেছি, মমতা বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে খিল্লি করে আনন্দবাজারে লিখেছি এই নাম থেকেই। কই একবারের জন্যও তো এনারা কেউ চাকরি খাওয়ার কথা বলেনি? কেউ কর্মক্ষেত্রে চিঠি দেয়নি, কেউ পুলিশ বা আইনজীবীর কাছে যায়নি। অথচ যাঁরা গণতন্ত্র নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার, তাদের নেতার সমালোচনা করলে কেরিয়ার খোয়াতে হচ্ছে? সিপিএমের কত বড় ভাবমূর্তির ক্ষতি হলো এতে?

    আসলে নিজেদের দলের মধ্যে গণতন্ত্রকে টুঁটি টিপে মেরে, নেতাদের তেল মেরে যারা নেতা হয়েছে তাঁরা সেই অভ্যাসটা পার্টির বাইরেও চালাচ্ছে। এইরকম এলিমেন্টদের যদি তাড়াতে না পারে দল তাহলে এই দলের কোনো আশাই নেই মানুষের বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার।'
  • b | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:২৬374688
  • কি হয়েছে? ঋতব্রতর?
  • sch | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৪৮374687
  • অভি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাই জরুরী দরকার। একটু কন্ত্যাক্ট ডিটেইলস পাওয়া যাবে
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২০374685
  • দ, হ্যা ঃ)
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২০374686
  • সেটা নিয়েই বলা হচ্ছে। প্রথমটা পরেও দেখা যায়, দ্বিতীয়টা এখুনি দেখতে হবে। মার্চ মাসে পার্লামেন্ট মার্চে ঋত কোন অধিকারে "সকলের জন্যে শিক্ষা, শিক্ষান্তে কাজ"এর দাবী তুলবে?

    কাল রাতে আমার ওয়ালেও দিয়ে দিয়েছি।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১৬374684
  • আমি ব্ল্যাঙ্কির দেওয়ালে পুরন্দর ভাটের পোস্টটা দেখলাম এখুনি। আর ঋতব্রতর প্রোফাইল মনে হয় ডিঅ্যাকটিভেটেড।

    যাই হোক, প্রথমটার চেয়েও দ্বিতীয়টা আমার কাছে অনেকগুণ বেশী গুরুতর অভিযোগ।
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১৩374683
  • এখুনি নেই (মানে, জানি না বা খবর পাইনি)। তবে ক্ষোভ যে হারে ছড়িয়েছে, তাতে আশা রাখছি।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:০৫374682
  • জেনইউয়ের প্রফকে বক্তৃতা দিতে ডাকাও অ্যান্টি ন্যাশনাল। এদিকে ঋতব্রতর কেসের কোনও আপডেট আছে কী? (থাকার চান্স অবশ্য কোটি ভাগের এক ভাগ)

    http://theladiesfinger.com/nivedita-menon-jodhpur/
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৯374681
  • কেন? নিজেই নিজেকে বারবার মনে করান?
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৩374680
  • সোশল জস্টিস নিয়ে পাই এর পোস্ট প্রোসোঙ্গে, এইটে আমার ঘড়ের দেয়ালে লেকা থাকে মোটা কোরে।
  • সিকি | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫১374678
  • কী অসম্ভব বিরক্তিকর!
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫১374679
  • The road to hell is paved with good intentions :)
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৫374677
  • কোনও ব্যক্তির কাজের জন্য তার চেহারা ধরে টানাটানি করাটা অসভ্যতা, ইতরামি। সেটার সাথে কোনও অসুখকে জড়িয়ে দেওয়াটাও চরম অসভ্যতা। আর ব্যক্তির পেছনে, তার অগোচরে অন্যত্র কথা বলে, চুকলি কেটে বেড়ান অবশ্য অধিকাংশ মানুষেরই ফেভারিট পাসটাইম।

    এবার এইগুলো লেখার জন্য ধারাবাহিক গালি আরো খাব জানি, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে, বেঁকিয়ে চুরিয়ে ধারাবাহিক গালিগালাজ চলতেই থাকবে। কি আর করা।
  • pi | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৫374676
  • হ্যাঁ, এবং নতুন সংজ্ঞা চলে এসেছে 'ভিক্টিম ব্লেমিং' এর। আগে জানতাম, কোন অপরাধ ঘটে থাকলে সেই অপরাধের জন্যও ভিক্টিমের দায় আছে বলা হলে ভিক্টিম ব্লেমিং বলা হয়। যেমন ঐ ছোটো পোশাক বা রাতে বাইরে থাকার জন্য ধর্ষণ না মোলেস্টেশন হয়েছে বললে বলা হয়। সেটা অবশ্যই ভিক্টিম ব্লেমিং মনে করি।
    কিন্তু গত দু'বছর ধরে দেখছি, কোন মেয়ের দ্বারা সেক্স্যুয়াল কোন কারণে অভিযুক্ত কারোর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই সেটা ভিক্টিম ব্লেমিং হয়ে যাবে, অভিযুক্তকারিণীর কথা শেষ কথা, অভিযুক্তের কথা শোনা মানেই মিসোজিনিস্ট হয়ে যাওয়া, ঘৃণ্য ভিক্টিম ব্লেমিং এর ঘৃণ্য সমর্থক হয়ে যাওয়া, এই মর্মে এই গত ক'বছর ধরে কত পোস্ট দেখলাম ! এমনকি অভিযুক্তকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেমিং শেমিং, খাপ পঞ্চায়েত নিয়ে আপত্তি জানালেও সেটা হয়ে যাবে রিগ্রেসিভনেস, এমনকি এও বলতে শুনেছি যে মোলেস্টেশনের সমর্থক ! আরেক ট্রেন্ড হল, নাম না করে কাউকে কাউকে নিয়ে এরকম অভিযোগ ভাসিয়ে দেওয়া। সেও একই রকম আপত্তিকর লাগে। কারণ, এক তো অনেকেই গেস করতে পারে, বাকিরা এর ওর নামে ভাবতে থাকে বা সেই নিয়ে স্পেকুলেশন। কোন ক্ষেত্রে ঘটনা নিয়ে লোকের আপত্তি থাকলে সে নিয়ে লিখতেই পারে, কিন্তু লক্ষ্য যখন ব্যক্তিই, তখন স্পষ্ট করে লেখা যায়।
    আরো ইন্টারেস্টিং হল, এরকম সিরিয়াস অভিযোগ নিয়ে যেখানে লিখিতভাবে পুলিশে বা কোন সেলে অভিযোগ করা যেতে পারে, সেগুলো কিন্তু করা হয়না, বহু ক্ষেত্রেই ! ফেবুতে খাপ পঞ্চায়েত বসিয়েই কাজ শেষ এরই এক্সট্রিম উদাঃ দেখলাম সুশীল মাণ্ডির কেসে। ছেলেটি কোথায় আছে, বেঁচে আছে কিনাও জানা নেই। এর আগে যাদের নিয়ে খাপ বসেছে, তারা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকেই চিরতরে বিদায় নিয়েছে দেখেছি। কী মানসিক অবস্থায় আচে জানিনা। সুশীল ফিজিক্যালিই নিখোঁজ।
    এখন সুশীলের পরিবার এই খাপের সদস্যদের নামে এফ আই আর করায় পরিস্থিতি জটিল। এদিকে মেয়েটি ও তার বন্ধুরা ফেবুতেই নাকি যা করার করেছে, অফিশিয়ালি কোন অভিযোগ করেনি।
    কিন্তু যা ট্রেন্ড দেখেছিলাম, এ হওয়ারই ছিল। এই ভয়টাই ছিল।
  • * | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৪০374675
  • খুব চাপের। একজন অভিযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে দোষী প্রমাণিত হয়। যদিও আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়া বিচারের আগেই বিচার(পড়ুন নিদান) করে ফেলে। আমরা বলি "খাপ পঞ্চায়েত", অথচ কী আশ্চর্য নিজেরাই আবার অন্য-কোথাও সেই খাপ পঞ্চায়েত বসাই।

    হয় গলাগলি না হলে গালাগালি। মাঝামাঝি কিছুই কী নেই?
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:১০374674
  • এড়িয়ে চলি যতটা পারা যায়। মুশকিল হল, অন্য যারা ওরকম না, তারা এই সব এলিমেন্টকে জেনেবুঝে তোল্লা দেয়। এইটা আরো খারাপ লাগে। এই দেখা গেল বয়কট করবে বলে ভীষণ হৈহল্লা, তারপরে বয়কটকারীদের মধ্য থেকেই কেউ কেউ গিয়ে গলা ধরে কলা খাচ্ছে ঐ এলিমেন্টের। এইটা আরো বেশি বিচ্ছিরি লাগে।
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৬:৩৭374673
  • লেখকের লেখার পাশে ছবির লিন্ক অমার বোকা বোকা লাগে। লেখকের নামে হাইপর্লিন্ক থাকবে, ক্লিক কোর্লে তার ছোবি, পরিচিতি পাবো, এটা স্ট্যান্ডর্ড ডিসাইন।
  • একক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৬:৩২374672
  • ওরোকোম লোক বাস্তোবে অনেক আছে। ওমুকের সঙ্গে শুয়ে এলুম বা তোমুক লোকটি "আসোল" এ কেমোন সব খপোর এনে দেবে। এ ধরনের জনতা কে এরিয়ে চলি, কারন এই প্র্যকটিস এমন এক মানসিকতার উপর দান্রিয়ে, যদি গালাগাল ও দেন, এদের ব্রাউনি বাড়বে বৈ কমবে না। রমনীমোহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওআ তো একশ্রেনির কবি লেখকের কাছে একাদেমি পুরস্করের চেও বড় এফ্রোডেসিআক, এবঙ্গ সেটা পেতে বানিয়ে মিথ ছড়াতে পিছ্পা নন। মুশ্কিল হোলো এই নোর্দমর জলে দান্রিয়ে থপথপ কল্লে নিজের কেডস নোঙ্গরা ছর কিছুই হোয় না।
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৫:০২374671
  • আর একটা কথাও জানানো দরকার। দে দি কে অনেক ধন্যবাদ জানাই। দে দি র বক্তব্য অন্ধকারে আলোর মত।
    অনেক শুভেচ্ছা রইল, দে দি। ঃ-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত