এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৭ ০০:৩০375270
  • ইউপি, পাঞ্জাব আর গোয়া তিনটে ইলেকশানের ফলের জন্যই আমিও অপেক্ষা করছি। তিনটেতেই যদি বিজেপি হারে তো খুব ভালো হবে। ইউপিতে বিজেপি হারলেও সেটা একটা টার্নিং পয়েন্ট হবে। আর বিজেপি জিতলে ভয়াবহ হবে।
  • pi | ০১ মার্চ ২০১৭ ০০:২১375269
  • বক্তব্যটা পড়তে পড়তে আনন্দ পটবর্ধনের অর অন্দ এঅে থেকে পাকিস্তানের স্কুলের মেয়েদের বলা কথাগুলো মনে পড়ে গেল। সাধারণ পাকিস্তানি লোকজনের কথাও। কথাগুলো এরকমই ছিল।
  • S | ০১ মার্চ ২০১৭ ০০:১৭375268
  • এই লেখা নিয়ে এতো হট্টগোলের কি আছে? এতো খুবই সুন্দর মিষ্টি একটা চিঠি। যেকোনো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন লোকের এইটাইতো দাবী। আইডিয়াল সলিউশন। আসল জীবনে হবে কিনা সেটা অন্য কথা। আমি সিওর যারা গন্ডগোল করছে তাদের বেশিরভাগ এই চিঠি পড়েইনি। লোকে এই চিঠিতেও দেশোদ্রোহিতা দেখতে পাচ্ছে? চারদিকে যা দেখছি - আর ভালো লাগেনা। কোথায় যে পালাই। মাঝে মাঝে মনে হয় একটা ঘরে নিজেকে বন্ধ করে থাকি।

    আর ইউপির ইলেকশনে বিজেপি জিতবেই। আমি চাইনা, তাই আরো জিতবে। বিগত কয়েক বছরে এইটাই হচ্ছে।
  • pi | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:৪৭375267
  • ভীষণভাবে তো চাইছিই হারুক, এখন মনে হচ্ছেও হারবে।
    হ্যাঁ, এই মিউনিসিপাল নির্বাচনে বিজেপি ভাল ফল করার পরেও। তবে অমৃতলাল তো নই। দেখা যাক।
  • Ekak | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:৩৭375266
  • হ্যাঁ এরা যেভাবে ইনসিকিওর হয়ে পড়েছে তাতে হারছে কিনা জানিনা, এটলিস্ট হারার ভয় পাচ্চে এটকু নিশ্চিত।
  • pi | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:৩৬375265
  • মেয়েদের পেলেও না। পাবার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। না পেলেও টেনে আনে। আক্রমণে সুবিধে বা সুখ হবে বলে। অনেক দেখেই বলছি।
  • Ishan | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:৩২375264
  • তবে ইউপি এলেকশনটার জন্য অপেক্ষা করেছি। আর পাঞ্জাব। পোল যাই বলুক, গাট ফিলিং হচ্ছে বিজেপি হারছে ইউপিতে। নইলে শেষ মুহূর্তের এই পোলারাইজেশনের দরকার পড়তনা। হারটার জন্য অপেক্ষা করে আছি। অনেক বল গড়াতে শুরু করবে, একবার হারলে।
  • Ishan | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:২৮375263
  • আমি বরখাকে ঠিক বা ভুল বলিনি। বললাম পলিটিকালি এবিভিপি আসলে "গুন্ডা" এবং "মেয়েদের যে সম্মান করে বলে সেটা করেনা" -- এটায় ফোকাস করা উচিত। অখিলেশ, কেজরি, এদের।

    আর ব্যক্তিগতভাবে বিজেপি কোনো বিবাদী কন্ঠস্বরকেই সহ্য করে বলে মনে করিনা। কনাহাইয়া কুমার, উমর খলিদ, রোহিত ভেমুলা, হাতের কাছে জ্বলন্ত উদাহরণ। মেয়েদের পেলেও অবভিয়াসলি ছেড়ে দেয়না। তখন অ্যাটাকটা একটু অন্যরকম হয়। সেক্সুয়াল অ্যাঙ্গল টা বেশি থাকে। যেটাকে ওরা দুর্বলতা বলে মনে করে, সেখানেই হিট করে। এই তো।
  • pi | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:০৫375262
  • সম্পূর্ণ বক্তব্যটা এই দেখলাম। আগে কয়েকলাইন দেখেছিলাম।

    খুবই ভাল লাগল। থাকুক। যদি আমার মত কেউ পুরোটা না পড়ে থাকেন।

    "Hi. My name is Gurmehar Kaur. I am from Jalandhar, India. This is my dad, Captain Mandeep Singh (photograph). He was killed in the 1999 KARGIL WAR.
    I was 2 years old, when he died. I have very few memories of him. I have more memories of how it feels to NOT have a father! I also remember how much I used to hate Pakistan and Pakistani because they killed my dad. I use to hate Muslims too, because I thought all Muslims are Pakistanis.
    When I was 6 years old, I tried to stab a lady in a burkha, because for some strange reason, I thought she was responsible for my father's death. My MOTHER held me back and made me UNDERSTAND that, Pakistan did not kill my dad, war killed him.
    It took me a while to know but today I do. I have learnt to let go off my hate.
    It was not easy but it's not difficult. If I can do it, so can you.
    Today I am a soldier too, just like my DAD. I fight for peace between India and Pakistan. Because if there was no war, my father would still be here. I am making this video because I want the governments of both countries to stop pretending and SOLVE the PROBLEM.
    If France and Germany can be friedns after 2 WORLD WARS, If Japan and USA can put their past behind, then why cant we? Majority of regular Indians and Pakistanis want peace, not wars.
    I am questioning the caliber of LEADERSHIP of both nations. We cannot dream of becoming a first world country with third world leadership. Please pull your socks up, talk to each other and get the job done. Enough state sponsored terrorism! Enough state sponsored spies! Enough state sponsored hatred! Enough people have died on both sides of the border! Enough is Enough! I wish to live in a world where there are no Gurmehar Kaurs who miss their dad.
    I am not alone, there are many more like me.
    #ProfileForPeace"
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২৩:০০375261
  • থাকুন না। কে মানা করেছে?
  • Ekak | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৫৪375260
  • সবই যদি এতো বালের এবং অর্থহীন ভয়েরিজম তাহলে উত্তেজিত তিড়িং বিড়িং ছেড়ে মহাবোধিতে থাগলেই হয় :)
  • pi | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৪৮375259
  • একেবারেই তাই।

    আর চাড্ডিরা যেহেতু রাখঢাক রাখেনা, তাই তাদের কিছু পোস্ট ফলো করলে কি গ্রুপ দেখলে এটা বুঝতে আদৌ অসুবিধে হবার কথা নয়।
  • | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৪৬375258
  • ঠিক। চাড্ডিরা মুখোশ ফুখোশের ধার ধারেনা বলে মেয়েদের 'আসলি জাগা' দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আর পলিশড মুখোশওয়ালারা সুবিধেমত বলে। নইলে মেয়েরা বললে বেশ বড় অংশেরই জ্বলে। ভালমতই জ্বলে।
  • Pi | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩৬375257
  • মেয়েরা বললে চাড্ডিদের অবশ্যই বেশি জ্বলে। অনেকেরই। হাতে অরম উদা দেখেছি।বরখা ভুল কিছু বলেননি।
  • Ishan | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩৪375255
  • তবে ইউপি ইলেকশন নিয়ে অর্পণের অবসারভেশন ১০০% ঠিক। পোলারাইজেশনটা বিজেপির দিক থেকে তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে। লোকে অবশ্য বিপদ আঁচ করলে তবেই এমন আঁকুপাকু করে, তাও ঠিক। :-)

    এর পাল্টা হিসেবে এবিভিপির গুন্ডামি, নারীজাতির প্রতি সম্মানের অভাব, এসবের দিকে কনসেন্ট্রেড করলে ফল ভালো হবে। বরখার মতো, অকারণ জেন্ডার সেনসেশন তৈরি বস্তুত ক্ষতি করবে। তবে বরখা তো রাজনীতি করছেন না। সেটা করছেন কেজরি, অখিলেশরা। এই দুজনের বুদ্ধির উপর আমার ভরসা আছে। লাইনের উপর ভরসা নেই, কিন্তু বুদ্ধির উপর আছে, এই আর কি। দেখা যাক, এঁরা কী করেন।
  • | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩৪375256
  • আমি মাঝেমধ্যে প্যাসিভ অ্যাগ্রেসিভ স্ট্যাটাস দিয়ে উল্টো জ্বালাই :-))
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩১375253
  • আমার একজন বন্ধু শ্যায়ালদা স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলেও স্ট্যাটাস আপডেট দিতো।

    আমি ফেসবুক সম্পর্কে নির্মোহ হয়ে গেছি। একবার লগ ইন করি, প্রচুর ঝাঁট জ্বালানো আবালসুলভ ন্যাকার হদ্দ পোস্ট দেখে ফর ফর করে পাতা নামিয়ে দেখে নিই, আবার চুপ চাপ করে লগ আউট করি।
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:৩১375254
  • আমার একজন বন্ধু শ্যায়ালদা স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলেও স্ট্যাটাস আপডেট দিতো।

    আমি ফেসবুক সম্পর্কে নির্মোহ হয়ে গেছি। একবার লগ ইন করি, প্রচুর ঝাঁট জ্বালানো আবালসুলভ ন্যাকার হদ্দ পোস্ট দেখে ফর ফর করে পাতা নামিয়ে দেখে নিই, আবার চুপ চাপ করে লগ আউট করি।
  • Ishan | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:২৪375252
  • "আমেরিকা ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি, করেছে আমেরিকা রাষ্ট্র।" -- এ তো খুব চালু কথা। এবং খাঁটি কথা। যেমন, "ইন্ডিয়া শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতেনি, জিতেছে ভারতীয় ক্রিকেট টিম" -- এও খাঁটি কথা। ভারতীয় ক্রিকেট টিম বা ভারতীয় রাষ্ট্রকে আমরা চালু ভাষায় "ভারত" বলি, কিন্তু ভারত আর ভারতীয় ক্রিকেট টিম যে এক নয়, সেটাও জানি।

    যুদ্ধের বাজারে, এই ভেদাভেদটা মুছে যায়। বা, বলা ভালো মুছে দেবার জন্যই, যুদ্ধ। তখন যে, যা করছে সবই "দেশ" এর অ্যাকাউন্টে। যেকোনো অ্যাজেন্ডার যেকোনো বিরোধিতাই "দেশবিরোধিতা"। জনসমড়নও প্রচুর জোটে, বলাবাহুল্য। এইসব সময়েই তো বেসিক জিনিসটা স্মরণ করানো উচিত, যে, রাষ্ট্র একটি আলাদা এনটিটি। ক্রিকেট টিম একটি আলাদা এনটিটি। এদের পক্ষে প্রচুর সমর্থন থাকতে পারে, কিন্তু এরা "দেশ" না। সেইজন্য বিপক্ষেও প্রচুর মতামত থাকতে পারে, এবং সেটা "দেশবিরোধী" না।

    এইটা তো গুরমুখের খুব ভালো করে তুলে ধরেছিলেন। "পাকিস্তান" দেশটি তাঁর বাবাকে মারেনি, যেমন মারেনি "ভারত" দেশটি। দুটো রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ তাঁর বাবাকে খতম করেছি। গুরুমুখের বক্তব্য হল, দুটো রাষ্ট্রের মধ্যে এই টানাপোড়েন দুটো "দেশ"এর মধ্যে টানাপোড়েন না। দুটো "দেশ"এর ক্ষতিই করে। ইমপ্লিসিটলি, এইটাই বলা ছিল বক্তবে, যেটার সঙ্গে আমি বহুলাংশে সহমতও বটে।

    বীরেন্দ্র শেবাগ উল্টো মতটা তুলেছেন। "রাষ্ট্র", "দেশ", "ক্রিকেট টিম" সবই তাঁর কাছে এক। সেটা একটা ভ্যালিড ভিউ। ট্রোল ফোল বলার মানে নেই, কিন্তু গাম্বাটপনা নিঃসন্দেহে। ফার্স্ট পোস্টও সেই গাম্বাটপনার শিকার হয়েছে দেখে দু"খ পেলাম। কী কার করা যাবে, রাজত্বটাই ক্রমশ গাম্বাটদের হয়ে উঠছে।
  • sinfaut | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২২:১২375251
  • বালের বেশি কানেক্টেড। চাদ্দিকে ফরফর করে পাতা উড়ছে আর তাতে রাশিরাশি স্ট্যাটাস আপডেট, চেক ইন, ইটিং বিরিয়ানি, গাদাগাদা ছবি আর ভিডিও। আর লোকে ভ্যয়ের সুখে চাখছে। পুরোটাই ফিকশন ফর্মে। টাইপিত অক্ষরে বা ডিএসএলারে। আর যখন রাস্তায় দেখছে একটা লোক কাতরাচ্ছে, মনে মনে ভাবছে, আরে এটা তো দেখেছি ইয়ার, স্যাড ইমোট ও করেছি। ফিলিং নস্টালজিক উইথ পাড়ার বন্ধু আপডেট দিচ্ছি অথচ তাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ নেই ৫ বছর। এই হচ্ছে কানেক্টেড। এর সাথে এমপ্যথিরও কুনো সম্পর্ক নাই, কম্প্যাশনেরও না। সবটাই যাত্রাপালা। এখন যাত্রাটা সোশালি অ্যাক্শেপ্টেড হয়ে সবার সুবিধা হয়ে গেছে।
  • Ekak | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:১৯375250
  • ওক্কে, মেসেজ করবো .। আমি ইভিনিং এ কয়েক ঘন্টা বাদে ফ্রি।
  • Ekak | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:১৮375249
  • অতিরিক্ত কানেক্টেড হলে তো বিচ্ছিন্ন হবেই। চারপাশের বাজোয়োর্ড গুলো খেলায় করো। মজাটা ফুটে বেরোবে গুটিবসন্তের মতো :) এখন দেখি লোকে খুব বলছে "এম্প্যাথি" র কথা। এম্প্যাথি ইস দ্য ওয়ার্ড যেখান থেকে সমস্যা আসে। এম্প্যাথি ক্যাননোট এন্ড ডাজন্ট সল্ভ এনি প্রব্লেম ইন দিস এজ। তুমি যখন আমার থেকে প্রয়োজনীয় মাত্রায় দূরে তখন তুমি এম্প্যাথি দেখাতে পারতে। সেটা কাজ করতো। কারণ দূরত্ব তার খারাপ দিকটাকে ব্যালান্স করেছে। কিন্তু দুটো মানুষ যখন বড্ডো বেশি কানেক্টেড তখন আর এম্প্যাথি খাটেনা। তখন এম্প্যাথি আইদার পারপেট্রেটর এর জন্ম দেয় যে আমার সমস্যাকে নিজের সমস্যা ভেবে এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে সমাধান করতে অপারগ ( ডাক্তার নিজেই রোগ বাঁধিয়ে বসলে বা নিজের শরীর এ পেইন অনুভব করলে যা হবে ) বা আমার স্বাভাবিক স্পেসে ঢুকে যাচ্ছে ( প্রোএক্টিভ প্যারেন্টিং ) অথবা যন্ত্রনা সামলাতে পারবেনা বলে তার ব্রেইন কোপিং মেকানিজম তৈরী করে তাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে, তাই সে রাস্তায় বা খবরের কাগজে বীভত্স্যতা দেখেও উত্তাপহীন। দুটো একই জায়গা থেকে এসেছে, একেবারেই আলাদা না। এটা হলো লিগ্যাসি মডেল অফ এম্প্যাথির, বর্তমান কানেক্টেড ওয়ার্ল্ডভিউ এর সঙ্গে মিলে তৈরী হয় বিষাক্ততা। বিচ্ছন্নতা -সিনিসিজম -সোশ্যাল জাস্টিস এর নামে মবিং সব কিছুর উৎস এই এম্প্যাথি।

    হাইলি কানেক্টেড মডেল যেখানে কিনা আমি ও তুমি একদম নাকের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি সেখানে একমাত্র কাজ করতে পারে কম্প্যাশন। যার মধ্যে এটাচমেন্ট নেই কিন্তু ইনক্লুসিভ। এটা আস্তে যথেষ্ট দেরি আছে। আগামী কয়েক দশক মনে হয় এই এম্প্যাথির উৎপাত চলবে যেখান থেকে জন্ম নেবে হাজার হাজার পারপেট্রেটর এবং বিচ্ছিন্ন সত্বা। কোপিং মেকানিজম আলাদা বলে দুটো আলাদা মনে হবে কিন্তু উৎস একই।
  • T | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:১৬375248
  • একক, মনে হয় সামনের শনিবার কলাতে পারব। সময় পেলে জানিও।
  • Arpan | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:১৩375247
  • তা হবে। আমার তো মনে হল কার্গিল শহিদের পরিবারের কেউ অ্যান্টি এবিভিপি স্ট্যান্ড নিচ্ছে এইটা বিজেপির আঁতে লেগেছে। অতএব রিজিজুর ওই ট্যুইট।
  • T | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:০৮375246
  • তো ক্ষমতাকে যদি সিধে করতে হয় তো সবদিক দিয়ে সমস্তরকম ভাবে ব্যতিব্যস্ত (সিকি বানানটা কি ঠিক হ'ল ?) করে রাখতে হবে যাতে পালটা সে মাত না করতে পারে। গুরমেহেরের বক্তব্য তো আদতে ছোটবেলার যুদ্ধ নয় শান্তি চাই জাতীয়। সবাই এতো রোজই বলচে, কিন্তু দুম করে সেনসেশন হয়ে গেল বা ভাইরাল। এটা জরুরী ছিল। এইরম ভাবে নানানদিক দিয়ে ঘিরে ধরতে হবে। অ্যাবসার্ডিটি এবং ইম্পসিবিলিটি তো নিয়ে আসতেই হবে। এই কিছু লোক যেমন উড়তে শুরু করে দিল। দুঃখী প্রলেতারিয়েত, খাচ্চে দুঃখ কচ্চে প্যাঁক মূলক কবিতা লিখছে আর রাতের আঁধারে উড়ে মাথায় গুমুত ঢেলে দিচ্ছে। এইরমও চলবে। আক্রমণ সবদিক দিয়েই স্বাগত, সে 'ওভারসিমপ্লিফিকেশন' হলেও :)।
  • dc | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২১:০৫375245
  • দ এর পোস্ট পছন্দ হল।

    "আম জনতা যুদ্ধ চায় না", এটাও একটু...

    ...ওয়েট ফর ইট...

    ...ওভারসিম্প্লিফিকেশান।

    এবার পালাই।
  • T | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৫৯375244
  • ডিসঅর্ডার মানে ডিসকানেক্টেড :), আবার 'ডিসকানেক্টেড' হইল গিয়া বাংলা সাহিত্যের সেন্সে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভোলিউশন যে ধাক্কা দিয়েছিল তার থেকে শতগুণ বেশী ধাক্কা এসেছে কম্যুনিকেশনের ঘুঁষিতে। প্রত্যেকেই কানেক্টেড (ডিসির পছন্দ হবে :)) এবং একই সাথে বিচ্ছিন্ন। আবাপর কান্নাকাটি মনে করে দ্যাখো, মহানগর আবার নির্মম। চোখের সামনে পথচারীকে মরতে দেখলেন শতাধিক মানুষ। এই জাতীয়। এইরকম হওয়ার ছিল তো। দলবেঁধে ম্যামথ শিকারের দিন তো আর নেই। এইটাই এই সময়ের পাঞ্চ, এই সেন্সে বলছি। বর্তমান ক্ষমতার বৃত্ত কি সেটা বুঝতে পারছে না ভেবেছ। তো কৌশল বদলাচ্ছে।
  • Ekak | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৫৭375243
  • হ্যা, শর্ট সাইটেড হলে অবস্যই উপরতলার লাভ। যেমন ধরো ভারতবর্ষ শর্টসাইটেড হয়ে পাখতুন দের সঙ্গে মিলে মিলিটারি একটিভিটি কমিয়ে দিলে চীনের লাভ। এখন ওই যে লাভ ক্ষতির ধারণা ওটাই তো আবার পাওয়ার মডেল থেকে আসা। আমরা চাই বা না চাই এর মধ্যে আছি। তোমার যুক্তিতে ভুল নেই। তাহলে কোন দিকে যাবা ? :):) খুপি ইন্টারেস্টিং টাইম !! এখানে দাঁড়িয়ে "সব যুদ্ধ বন্ধ হোক " বলাটাও হাস্যকর আবার, বলা জরুরি। ইউ মাস্ট সীক ফর ইম্পসিবিলিটিস এন্ড এবসার্ডনেস। সেটা যারা, চলো সবাই মিলে যুদ্ধে ঝাঁপাই বলছে তাকে ব্যালান্স করবে।
  • T | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৪৮375242
  • ইন্ডিড ইউটিলিটি শব্দটা খুবই ফাঙ্কি। এদিকে শর্ট সাইটেড এটিটিউডও কিন্তু পাওয়ার স্ট্রাকচারকে সাহায্য করতে পারে। ফর এগজাম্পল, গুজবের ডায়নামিক্স। প্রত্যেকেই গুজব ছড়াচ্চে বা সিদ্ধান্ত নিচ্চে লোকাল ছোট্ট বৃত্তে। একসময় 'দুম করে' পুরোটাই প্রতিষ্টিত সত্য হয়ে দাঁড়ায় বা মান্যতা পেয়ে যায়। ট্রিগারিং ইভেন্টগুলো অ্যামনভাবে যদি ডিজাইন করা যায় তো পাওয়ার স্ট্রাকচার আরো শক্তিশালী হবে। ঘটনা হচ্চে এই পুরো খেলায় তুমি অংশগ্রহনকারী মাত্র। তুমি খেলছ তোমার ইউটিলিটি অনুযায়ী কিন্তু ইউটিলিটি বা মেকানিজমটি ডিজাইন হয়েচে অ্যামনভাবে যে যত বেশী শর্ট সাইটেড হবে তত হায়ারার্কির উপরতলার লাভ। সে মেকানিজমে সূক্ষ্ম ভাবে পে অফ নির্ধারণ করা হয়, কখনো ইন্সটিট্যুশনাল লেভেলের মতৈ, ট্রিভিয়াল...যাকে বলে গ্র্যান্ড ডিজাইন, কিন্তু তুমি ভাবছ যাক গে 'আপাতত' এই সিমের এই অফারটাতো নিয়ে নিই...

    যা ত্তারা ঠিক সময়ে থিয়োরী গুলো মনে পড়ে না।
  • | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ২০:৪৭375241
  • "আম জনতা যুদ্ধ চায় না" --- হ্যাঁ ডায়রেক্ট ইমপ্যাক্ট হবার চান্স থাকলে চায় না। না থাকলে অন্যের অ্যাকাউন্টে (সীমান্ত সেনারা ইত্যাদি) দিব্বি চায়। তাছাড়া যুদ্ধ বেশ ভাল একখান ইন্ডাস্ট্রিও বটে। কাজেই অনেকে চয় তো বটেই। তারা আম জনতার অংশও বটে। চায়ের দোকানে টোকানে লোকের সাথে এমনিই গপ্পসপ্প করে দেখো সিকি।

    আর বরখা খুব ভুল কিসু বলেন নাই। এইটে গুরমেহের কুড়ি না বলে কোনও খোকা বললে "কে ওর মাথা খাচ্ছে" টাইপ কমেন্ট আসত না। রিজিজু অন্য কিছু বলত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত