এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সাতমার পালোয়ান | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২২:২৭375690
  • রোমা পাস যে কোনো মেট্রো স্টেশনে পাওয়া যাবে। কিন্তু রোমের মেজর দ্রষ্টব্য হেঁটেই দেখতে হবে। কারণ প্রায় প্রতি চকে, প্রতি গলিতে কিছু না কিছু আছে।
  • সাতমার পালোয়ান | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২২:২৪375689
  • ফ্লোরেন্সের মিউজিয়ামগুলো দেখতে আড়াই দিন লেগে যাবে, কিন্তু অতদূর গিয়ে টাসকান ভ্যালী না গেলে মিস করবে।
  • pi | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২১:২৯375687
  • পঞ্জাবকেজরী
  • anag | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২১:২৯375688
  • সিবি, আপনার শিবিরে যোগ দিলুম। শিগ্গির anag@synopsys এ রোমা পাসের বৃত্তান্ত পাঠিয়ে দিন।

    দে, আমার কাছে ফ্লোরেন্স ৩ দিন আছে, ভেনিস ২ দিন, মিলান ১ দিন আর রোম সাড়ে তিন দিন। দেখি কি হয়। আমার ছেলে হেবি অলস, সে কি করবে বোঝা যাচ্ছে না।
  • Arpan | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২১:১৫375686
  • আনন্দবাজারের পাতাতেই তো মনে হয় সব কটা এক্সিট পোলের সামারি করা আছে।

    বিপদে আপদে ঘরের ঠাকুর ফেলে হিন্দুর স্মরণ নিলে হবে?

    সে যাক, পাঞ্জাবে মনে হয় কেজরি এসে গেল।
  • pi | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২০:২৯375685
  • এদিকে এই এতসব হবার এবং করতে হবার ভয়েই আজ অব্দি আমি ড্রাইভিং শিখে ওঠার সাহস করতে পারলুম না।
    আমার রেকর্ড সংখ্যাক সাইকেল আকসিডেন্টের পরে অবশ্য বন্ধুরাও পই পই করে শিখতে বারণ করে দিয়েছিল। জনস্বার্থে।

    এছাড়াও আমার মনে হয় না চালানৈ ভাল। কারণ আমার ধৈর্য নেই। কোথাও কোন গাড়ি নেই, অথচ অটোমেটিকালি রেড সিগন্যাল, এসবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে আমার কেমন একটা অসুস্থ লাগে। আমি চালালে মনে হয় এমতাবস্থায় গাড়ি না চালিয়ে থাকতেই পারব না। আর তাছাড়া, তাছাড়া, আমার বরাবরই খুব দৌড়ে রাস্তা পার হবার নেশা, হু হা চলন্ত গাড়ির মধ্যে কাটিয়েকুটিয়ে। আমার মত অনেক লোকজন আছে ভাবলেই হাত আর স্টিয়ারিং এ দিতে সাহস হয়না !
  • pi | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২০:০২375683
  • টই খুলে দিলাম।

    সব সামারি এখনি দেওয়া যাবেনা, কারণ ইউপির রেজাল্ট আসেনি সব।
  • Ishan | ০৯ মার্চ ২০১৭ ২০:০০375682
  • পোলগুলোর একটা সামারি পাওয়া যাবে? এত ঘুরে ঘুরে পড়তে পারছিনা।
  • pi | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:৫৫375681
  • পঞ্জাবে তো কং আর আপের পুরো উনিশ বিশ দেখাচ্ছে !
  • S | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪১375680
  • তাই যেন হয়। লেকিন এইবারে মন বলছে বিজেপি জিতবে।
  • dc | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:৩৯375679
  • আসল রেজাল্ট বেরোতে দিন, এক্সিট পোল অনেক সময়েই ভুলভাল হয়।
  • tathagata chattaraj | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:৩৮375678
  • সেই সময় কলকাতায় মেট্রো রেল চালু হয়নি,মোবাইল ফোনের নাম ও কেউ শোনেনি। বাস ট্রামে বাদুড়ঝোলা ভীড় হোত খুব। এইরকম একটা বাস থেকে ভিড় ঠেলেঠুলে নেমেই নিলয় এর বুক ধবক করে উঠলো। ভুল করে ও নেমে পড়েছে সিএ আইলান্ড স্টপে। প্রায় এক বছর আগের এইরকম একটা বিকেলের কথা মনে পড়ে গেল। নিজের উপর রাগে ওর মনে হল ঠাস ঠাস করে নিজের গালেই চড় মারে। নিজেকে একটু সামলে নিয়ে দেখলো সামনে একটা এসটিডি বুথ আছে, ঢুকে ফোন করল চয়নকে।বেশ খানিকক্ষণ রিং হওয়ার পর চয়ন ফোনটা তুললো। নিলয় এর গলার আওয়াজ শুনেই চেঁচামেচি লাগিয়ে দিলো, এতো দেরী করছিস কেন? নিলয় ভুল জায়গায় নেমে পড়েছে শুনেই একপ্রস্থ গালাগালি দিল। কোন মতে ওকে থামিয়ে পনেরো মিনিটের মধ্যে যাচ্ছে বলে তাড়াতাড়ি ফোনটা কেটে দিলো। আর একটু হলে জায়গার নামটা জানতে চাইতো, আরো আওয়াজ খেতে হত তাহলে চয়ন এর কাছে।
    ঘড়ির দিকে তাকালো নিলয়, পাঁচটা বাজে সবে, কিন্তু আলো কমে গেছে বেশ। আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখলো পশ্চিমদিকে কালো মেঘ অনেকটা উঠে এসেছে।এত অন্যমনস্ক ছিল বুঝতেই পারেনি,মনে হয় ঝুব তাড়াতাড়ি কালবৈশাখী আসছে। এ বছর এর প্রথম কালবৈশাখী। জোরে পা চালালো নিলয়। যত তাড়াতাড়ি হয় এখান থেকে এগিয়ে যেতে হবে। মিনিট পনেরো হাটতে হবে চয়নের বাড়ি যেতে।
    খানিকদূর হেটে আচমকা চোখ চলে গেলো বাঁ দিকের গলিটার দিকে। বুকের ভিতরটা কেমন খালি হয়ে গেলো নিলয়ের, নিমেষের মধ্যে যেন একটা বছর পিছিয়ে গেলো ও, ঠিক এরকম একটা বিকেল, সবে গরম পড়েছে, বসন্তের রেশ পু্রো মিলিয়ে যায়নি। হায়ার সেকেণ্ডারির আগে শেষ অঙ্ক কোচিং সেরে ও আর মধুমিতা বেড়িয়েছে হাউসিং থেকে।মধুমিতাই বলল চল হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি অবধি যাই তুই ওখান থেকে বাস পেয়ে যাবি।
    নানারকম কথা বলছিল মধুমিতা... নিলয় এর কানে বেশিরভাগ কথাই ঢুকছিল না। ওর মধ্যে তখন ঝড় বইছে এতদিনের চেপে রাখা কথাটা বলবে কি বলবে না ঠিক করে উঠতে পারছিলনা।গত দুবছর ধরে কোচিং এ পড়ছে।কতদিন এই রাস্তা ধরে হেঁটেছে দুজনে,মধুমিতার বাবা নেভিতে চাকরি করেন,বেশিরভাগ সময় জাহাজে থাকেন। মা আর ও থাকে, মাঝে মাঝে কাকা এসে দেখাশোনা করে যান। ওর মাকে দেখেছে নিলয়,এই বয়সেও অসাধারণ দেখতে। মধুমিতার বয়সে ওর থেকেও বোধহয় সুন্দরী ছিলেন। মধুমিতার গলায় ঘোর কেটে গেলো নিলয়ের,
    ‘কি ভাবছিস এতো ? ‘
    হাল্কা হাসি লেগে আছে ওর মুখে ফসা মুখটা রোদ লেগে লালচে হয়ে আছে একটু,টিকালো নাকের ডগার উপর দু’তিনটে ঘামের বিন্দু ঠোঁটের উপর তিলটা হাসির সাথে একটু কাঁপছে।
    বোকার মত নিলয় বলল, কিছু না।
    এবার হাসিটা জোর হল,’তোকে কি বললাম বল তো তাহলে?’ নিলয় খেই হারিয়ে চোখ নামিয়ে নিলো।
    প্রথম যেদিন আলাপ হয়েছিল সেই দিনটার কথা মনে পড়ে গেল,সবে কোচিং এ ঢুকেছে,স্যার ওই ব্যাচের সবাইকে একসাথে ডেকেছিলেন।মোট সাত জনের ব্যাচ, নিলয় যখন ঢুকলো শুধু চয়ন বসেছিল।দুজনে গল্প শুরু করেছে, একটা চটির শব্দ পেয়ে নিলয় চোখ ঘোরাতেই নিশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছিল...সাদা সালোয়ার কামিজ, ফসা ঘামে ভেজা মুখ আর ঠোঁটের উপর তিল,চোখ সরাতে পারছিলনা, চয়নের গুতো খেয়ে সম্বিত ফিরেছিল ওর...তারপর কতদিন ওর বাড়িতে গেছে কাকিমার সাথে গল্প করেছে কিন্তু সারাক্ষণ বুকের মধ্যে একটা ভূমিকম্প হয় ওর।
    যেদিন চয়নের পায়ে লাগলো খেলতে গিয়ে,হাঁটু ফুলে ঢোল, হাটতে পারছে না, নিলয় রিক্সা নিয়ে চয়নকে তুলে সোজা মধুমিতার বাড়ি,বাড়িতে কাকিমা নেই দেখে দুজনেই একটু অসবস্তিতে পড়ে গিয়েছিল,কিন্তু মধুমিতার মধ্যে কোন সংকোচ ছিল না, চয়নের অবস্থা দেখে নিজেই ফ্রিজ থেকে বরফ বার করে চয়নের প্যান্ট তুলে হাটুতে বরফ লাগাতে লাগলো...একটু পর চয়নের ব্যাথা একটু কমতে ওকে দিয়ে একটা ট্যাক্সি ডাকিয়ে দুজন কে তুলে দিলো। ট্যাক্সির ভাড়া ও দিয়ে দিতে চাইছিলো,লজ্জার খাতিরে আর নিতে পারে নি দুজনেই।
    কখন সিএ আইল্যান্ড এর সামনে চলে এসেছে নিলয় খেয়াল করে নি, মধুমিতা ও মনে হয় ওকে আনমনা দেখে চুপ করে গেছে।হটাৎ ঘোর কেটে মধুমিতার দিকে তাকিয়ে দেখলো মাথা নিচু করে একমনে হাটছে, কিছু জিজগাসা না করে বললো বাড়ি যা, আমিও বাস এ উঠি।
    মধুমিতা হটাৎ ওর চোখে চোখ রেখে বললো তুই এতক্ষণ কি ভাবছিলি বল তো? আমায় কিছু বলবি?
    অঙ্ক স্যরের কাছে সেদিন পরীক্ষা ছিলো,নিলয়ের পড়াশুনো তখন মাথায় উঠেছে,সারাক্ষণ ওই মুখটা ভাসে চোখের সামনে। কিছুতেই দুটো সহজ অঙ্ক মেলাতে পারছিলনা, উসখুশ করে এক বার চয়ন একবার মধুমিতার খাতার দিকে উঁকি মারছিল। কিন্তু কেউই পাত্তা না দিয়ে নিজেদের মত করে শেষ করে খাতা দিয়ে দিল স্যরকে। সেদিনও বেরিয়ে মধুমিতা ওকে ডেকেছিল ওর সাথে যাওয়ার জন্য। ওর চোখদুটো থেকে আগুন ঝড়ে পড়ছিল,
    ‘তুই কি করছিস বলতো?’
    ‘কেন?’
    ‘পড়াশুনো করছিস না কেন?’
    ‘পারছিনা...মন বসছে না।‘
    ‘কেন?’
    ‘মাথাটা কেমন জট পাকিয়ে আছে।‘
    ‘তুই একেবারে পাগলা...সব ছেড়ে পড়াশুনো কর...না হলে নিজেই মরবি’
    নিলয় মনে মনে বলল এমনি ই তো মরে আছি।
    মধুমিতা সোজা ওর দিকে তাকালো, ‘যখন যেটা করার তখন সেটাই করতে হয়, বাকি ভাবনা সরিয়ে ভাল করে পড়‘ বলে সোজা গলির মধ্যে ঢুকে গেল।
    মধুমিতা কিছু বলবে কিনা জিজ্ঞাসা করতে নিলয়ের মনে হল কেউ যেন ওর বুকটা খামচে ধরেছে, তাহলে কি মধুমিতা ও ওর থেকে ওই কথাটাই শুনতে চাইছে?
    চারপাশ এক অপরূপ হলদেটে আলোয় ভরে গেছে, সামনের ফুটপাতের পলাশ গাছ এর টকটকে লাল ফুল গুলো তে যেন হলুদ এর ছোয়া লেগেছে,সেই কনে দেখা আলোর মাঝে নিলয়ের মনে আর কোন সংকোচ রইল না।
    ‘আমি তোকে ভালবাসি’।
    পলকের মধ্যে মধুমিতার চোখ জলে ভরে উঠলো নিচের ঠোঁটটা দাত দিয়ে কামড়ে কোনমতে কান্না চেপে ভাঙা গলায় বললো
    ‘ তুই আমার খুব ভালো বন্ধু তোকে এইভাবে আমি ভাবতে পারবো না’।
    তারপর নিমেষ এর মধ্যে পিছন ফিরে প্রায় দৌড়ে গলির মধ্যে ঢুকে গেল। সেই শেষ দেখা।
    তারপর হায়ার সেকণ্ডারি শেষ হয়েছে, রেজাল্ট বেরিয়েছে, নিলয় জানতো খুব খারাপ রেজাল্ট হবে,সেটাই হয়েছে, কোনরকম এ ফাস্ট ডিভিশন। অনেক কষ্ট করে মণীন্দ্র কলেজে ভরতি হয়েছে অঙ্ক নিয়ে বাড়িতে বাবা মা কথা বলা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। সামনে এখন একটাই রাস্তা খোলা আছে,যে করে হোক এবার জয়েন্ট এ চান্স পেতেই হবে।কিন্তু পড়তে বসলেই সারাক্ষণ ওই ঠোঁট আর ছোট্ট তিলটা চোখের সামনে ভাসছে। নিলয় বুঝতে পারছে এবার ও কিছু হবে না।

    এক ফোঁটা বৃষ্টি চোখের পাতার উপর পড়তেই নিলয়ের ঘোর টা কেটে গেল। কখন চয়ন এর আবাসন এর সামনে এসে গেছে ও খেয়াল ই করেনি। আজ একেবারে আসার ইচ্ছা ছিল না নিলয়ের কিন্তু চয়নকে মুখের উপর না বলতে পারে না কিছুতেই। সত্যি বলতে চয়ন না থাকলে ও কোথায় ভেসে যেত নিজেও জানে না। কতদিন কতকিছু করবে ভেবেছে শুধু চয়ন সারাক্ষণ আগলে রেখেছে ওকে।
    সেদিন মধুমিতা চলে যাওয়ার পরে পাগলের মত ঘুরতে ঘুরতে গঙ্গার ধারে বসেছিল,জোয়ার এর জল এ পায়ের পাতা দুটো তখন ঢেকে গেছে, কি অমোঘ টান স্রোতের খালি মনে হচ্ছিলো নিজেকে ভাসিয়ে দেয় ওই স্রোতের টানে তখন হটাৎ কোথা থেকে চয়ন এসে উপস্থিত,ওকে নিয়ে বাড়িতে দিয়ে এসেছিল। আসলে ওই জায়গায় অনেকদিন আড্ডা মেরেছে ওরা এর আগে। ঠিক আন্দাজ করে চলে এসেছিল ঠিক সময়ে।
    তারপরেও কতদিন কেটে গেল, সারাক্ষণ শুধু একটাই ভাবনা কাজ করেছে ওর মধ্যে যদি আর একবারও দেখা হোত,শুধু বন্ধু হিসেবেই নয় থাকত, দেখা ত হোত...চয়ন কে বললেই খুব রহস্য করে এড়িয়ে গেছে কিন্তু নিলয় ভালমত জানে ওর সাথে মধুমিতার যোগাযোগ আছে। মাঝেমাঝে রাগ ও হয়েছে চয়নের উপর কিন্তু কিছু করার নেই।

    চয়নের বাড়ির সামনে এসে সম্বিত ফিরল নিলয়ের।বেল বাজাতেই দরজা খুললো চয়ন। চটিটা খুলতে গিয়ে এক জায়গায় চোখ আটকে গেল ওর, একটু খটকা লাগলো।
    ‘কি রে কোথায় ছিলি এতক্ষণ?’-চয়ন জিংজ্ঞাসা করল
    ‘এই একটু আটকে গেছিলাম’-এড়িয়ে গেল নিলয়
    ‘ডেকেছিস কেন বল’?
    ‘তুই মধুমিতা কে মাথা থেকে সরিয়ে ঠিক কবে পড়াশুনো করবি বলতো...মাসিমা খুব চিন্তা করছেন’
    ‘ঠিক করব...তোকে ভাবতে হবে না’
    ‘তোকে তো এটা ভুলতে হবেই, তুই কি সারাজীবন এইভাবে কাটাবি? পাগল হয়ে যাবি তো’
    ‘তুই এতো চাপ নিচ্ছিস কেন?
    ‘তুই যেভাবে চলছিস সেটা ঠিক নয় বলে, সামান্য একটা ঘটনা নিয়ে নাটক করছিস।‘
    ‘দ্যাখ চয়ন সবাই এক কথা বলছে, হয়ত ঠিক বলছে, কিন্তু আমি মধুমিতা কে ভুলতে পারবোনা।‘
    ‘তোকে ঠিক রাস্তায় আসতেই হবে...বাড়ির কথা ভাববি না?’
    উত্তর দিতে গিয়ে নিলয়ের চোখ সামনের দরজার সামনে স্থির হয়ে গেল।
    সেই ঠোঁট আর ছোট্ট তিল্ আর সাদা সালোয়ার...চোখে কালবৈশাখী...হটাৎ মনে হোল বিদ্যুৎ চমকালো,
    ‘আমি তো আছি তোর জন্য, তুই শুধু পড়াশুনো কর’।
    বাইরে তখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি নেমেছে।
  • S | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:৩৭375677
  • ইউপিতে আচ্ছে দিন আসছে। অনেক দিন পরে। অতেব মোদি আর অমিত ভাই আবার হিরো হয়ে গেলো।
  • dc | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৯:০১375676
  • কিন্তু চারটে * কেন? (আগে খেয়াল করিনি)
  • cb | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৮:৪৫375675
  • ৩ দিনের রোমা পাস ক্রয় করুন। কাজে দেবে
  • b | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৮:৩৮375674
  • sch, না না, আপনি ব্যবহার করবেন কেন? ঐ কথাগুলো ওনারশিপ আমারই। তবে আপনি শাস্তির ব্যপারে অনেকক্ষেত্রে চরমপন্থী, সে বিষয়ে আমি একমত হই না। এই ক্ষেত্রে একমত। এই আর কি।
    ("কথা" না বলে "ভাবনা" লিখলে ঠিক লেখা হত বোধ হয়।)।
  • de | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৮:৩১375673
  • রোমে সত্যিই এতো দেখার আছে - যতই সময় নিয়ে যাও সময় কম পড়ে। হেঁটে হেঁটে পায়ে কড়া পড়ে গেছিলো - তবে এতো সুন্দর শহর, পরিশ্রমটা গায়ে লাগে না!

    ইটালিতে ফ্লোরেন্স, ভেনিস, সিসিলি - সব এক সে বড়কর এক!
  • de | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৮:২৮375672
  • কালকের ড্রাইভিংগরিমার কন্টিন্যুয়েশন - এই হ্যান্ডব্রেক আমি খুব একটা ইউজ করতাম না আগে। এই গুরুর পাতায় অজ্জিতবাউকে জিগিয়ে হ্যান্ডব্রেকের ইউজ শেখা আমার। এখন বম্বের সার্পেন্টাইন ট্রাফিকে বড়ো কাজে লাগে।

    এটা অ্যাকনলেজমেন্ট সেকশনে যাবে - ঃ)
  • sch | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৬:৪৫375671
  • -----------------------------------------------------------------------------------------------
    name: b mail: country:

    IP Address : 24.139.196.6 (*) Date:08 Mar 2017 -- 08:45 PM

    আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে ঐ ঘাড়ের উপর উঠে আসা বো****গুলোর পা** চাবকে লাল করে দিতাম। (একটু স্চ মার্কা কথা হয়ে গেলো, তার আর কি করা)
    ----------------------------------------------------------------------------------------------------

    b - একটু দেখাবেন যে এই ধরণের শব্দগুলো মানে যে গুলো আপনি ***** দিয়ে লিখেছেন - আমি কোথায় ব্যবহার করেছি গুরুর পোস্টে।
  • সিকি | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৬:২০375670
  • কড়াক্কড় বাজ পড়ছে। তুমুল বৃষ্টি।
  • সাতমার পালোয়ান | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৫:৪৬375668
  • সিয়েনা প্রভিন্স, ইস্পেশ্যালি ভ্যাল ডি'অর্সিয়া। কয়েকটা ছোট টাউন হল পিয়েনজা, সান ক্যুইরিকো ডি'অর্সিয়া ইত্যাদি।

    আমি একবার বার খেয়ে একটা সর্ষে লিখতে শুরু করেছিলুম, তাপ্পর আবার মাটিতে নেমে এলুম বলে লেখা হয়নি :-p
  • anag | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:৫৬375667
  • যাচ্ছি ঃ-) সিন্কে টেরে তো টাসকানি - না কি?
  • সাতমার পালোয়ান | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:১৯375665
  • ফ্লোরেন্স যাও বস্‌, ভুলবা না। পারলে একটা দিন টাসকানি।
  • anag | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:১৯375666
  • লসাগুদা, নম্বর টা এখনো থাকলে সময় করে পাঠিয়ে দেবেন। কিন্তু এই মুহূর্তে আপনারা আরো কিছু গুরুতর বিষয় আলোচনা করুন, না হলে তার পাশে রোম সংক্রান্ত বেহালা বাজাতে পারব কি করে?
  • anag | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:১৪375664
  • অপ্পন, আমার মত বুড়ো ও ক্যাবলাদের জন্যে হোটেলই ভাল। আমি তিন রাত থাকব, একদিন নেপলস যেতে পারি। রোমের ফুটবল ক্লাব্গুলোকে দেখতে পেলে ভাল হয়, দেখি।

    টি, করছি আবার।
  • lcm | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:০৬375663
  • ভ্যাটিকান আর কলোসিয়াম ইত্যাদি - গাইডেড টুর করা হল - এসবের পরে এক্দিন পুরো হাতে, সন্ধেবেলা প্লেন। সকালে এক রোমান ট্যাক্সিওয়ালার সঙ্গে ডিল হল, সারাদিন আমাদের ঘুরে ঘুরে দেখাও, ইচ্ছেমতন এদিক ওদিক ঘোরাও, তোমাদের শহর তোমরাই ভালো জানো (আমাদের সঙ্গে একটা ছোট্ট লিস্ট ছিল) - যেখানে খুশি থামো, আমরা থামতে বললে সেখানেও থামো। ফোন নাম্বার দিয়ে দিয়েছিল, খুঁজে না পেলে ফোন করার জন্য। খাওয়া দাওয়াও হল। কম কথা বলে, কিন্তু ভারী সুইট ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি। ইটালিয়ান ট্যাক্সিওয়ালা হেব্বি ঘুরিয়েছিল সেদিন।
  • T | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১৩:৩৯375662
  • অ্যাঁ! কই কোনো মেইল পাই নি তো। btitas অ্যাট ntu.edu.sg তে আরেকবার পাঠাইবেন নয়তো titas1979 অ্যাট জিমেল।
  • dc | ০৯ মার্চ ২০১৭ ১২:৫২375661
  • হোয়েন ইন রোম, লিভ লাইক দ্য রোমানস ডু।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত