এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ২০:২৪375840
  • আচ্ছা এরকমভাবে ভাবা যায়না ?

    পিতৃতন্ত্র ও তার অত্যাচার এগুলোকে প্রথমেই একশভাগ সত্যি বলে মেনে নিয়ে একটা মডেল শুরু করা যাক। পিতৃতন্ত্রের অত্যাচারে মেয়েরা শিক্ষা এবং বাইরের জগতের এক্সপোজার থেকে হাজার হাজার বছর দূরে সরে থেকেছেন এটাও তাহলে সত্যি। এবার মানুষ লজিক এবং জ্ঞান আহরণ করে তার চারপাশের সঙ্গে সংঘাতের মাধ্যমে। যেহেতু মেয়েদের এক্সপোজার কম ওই ওই কারণে হাজার হাজার বছর ধরে, তাই বাইরের বৃহৎ জগতের সঙ্গে সংঘাত কম তাই তাদের চিন্তাজগতে আদৌ উন্নতি ঘটেনি তাই তাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় লজিক ব্যাপারটা আদৌ কী ? ! মানে, পর পর পিতৃতন্ত্রের দুষ্টুমি স্বীকার করে নিয়ে তো এরকমই দাঁড়াচ্ছে, নাকি ? ! এক্ষেত্রে ধরে নিচ্ছি যে "ছেলে " রা পিতৃতন্ত্রের বাহক, এবং আমরা সিস্টেমের মধ্যে থেকে সিস্টেম কে দেখছি।

    আবার ভাবা যাক, পিতৃতন্ত্র যেহেতু এতটাই শক্তিশালী, সুতরাং চারপাশে চিন্তা ভাবনা -দর্শন সবই আসলে পিতৃতন্ত্রের কারসাজি। কাজেই ছেলে -মেয়ে -কিম্মেয়ে -কিম্পুরুষ নির্বিশেষে সবাই শয়তান পিতৃতন্ত্রের জালে বন্দী, আলাদা করে ছেলে বলে কিছু নেই, মেয়েরাও পিতৃতান্ত্রিক, সবাই একই করাপ্টেড অত্যাচারী লজিক সিস্টেমের আন্ডারে, কাজেই "ছেলেরা কেন ঠিক করে দেবে " এই প্রশ্নটার ও কোনো মানে নেই কারণ "মেয়েরা " ঠিক করলেও একই জিনিস হবে। আসলে যাঁরা "ঠিক " করে দিচ্ছেন তাঁরা জাস্ট সামাজিকভাবে বেশি স্বীকৃত ভয়েস, তাছাড়া কিছুই নয়, তাই আলাদা করে "মেয়েদের ব্যাপার মেয়েদের ঠিক করতে দেওয়া হোক " কথাটাও অর্থহীন কারণ, আমরা সবাই জানি ছেলে -মেয়ে -কিম্মেয়ে -কিম্পুরুষ নির্বিশেষে সবাই শয়তান পিতৃতন্ত্রের জালে বন্দী। এক্ষেত্রে সিস্টেম টাকে বাইরের গ্রহ থেকে এসে দেখলুম।

    গাল দেন তো দ্যান :) দুটোর মধ্যে কোনটা ঠিক ! ? :):)
  • cb | ১৩ মার্চ ২০১৭ ২০:২২375839
  • মৃদুল বাবুর লেখাটা বহুবার পড়েও বুঝতে পারলাম না। আমি কি আবাল? নাকি উনি?

    এত ভেগ যুক্তির চর্চা করলে সাধরণ পাঠককে অ্যালিয়েনেট করা ছাড়া আর কোন কাজের কাজ দেখতে পাচ্ছি না
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৭ ২০:১০375838
  • * মানে এই লজিক দেওয়া নিয়ে।
  • | ১৩ মার্চ ২০১৭ ২০:০৩375837
  • যে এন ইউ তে আবার একজন দলিতের আত্মত্যা।
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ২০:০১375836
  • :) :) :) :)
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৫৯375835
  • হ্যাঁ, মেয়েদের কোনটা বিষয়, কী করা উচিত এগুলোও ঠিক করে দেবে ছেলেরা। মানে এই সব বক্তব্য অনুযায়ী। এর এক সিম্পিল লজিক আমি বের করেছি। কারণ হল এই ঠিক করে দেওয়াটা ছেলেদের সাবজেক্ট এরিয়া। মেয়েদের না। সিম্পুল। এটাই মনে হয় এঁদের লজিক। ঃ)
    এবার তাহলে একটাই কথা বলতে হয়। মানে একটাই লজিক দেওয়া যায়। এই কথাগুলো যাঁরা বলেন, লজিক তাঁদের এরিয়া/সাবজেক্ট নয় :P
  • de | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৫৮375834
  • দলিত ছাত্রদের ওপরে এই অত্যধিক চাপ কিন্তু উত্তর ভারতে বেশী। মহারাষ্ট্রে দলিতরা বেশ পাওয়ারফুল, সবাই সমঝে চলে।
  • de | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৫৩375833
  • পাই- অনেক ধন্যযোগ! আজকাল ফেবুতে যাবার মোটে সময় হয় না - এছাড়াও আপিসে নিয়মবিধি জারি হয়েচে ফেবু ইঃ ইউজের। কোত্থেকে কি লিখবো/বলবো, আর তার কি মানে হবে, এইসব ভেবে যাওয়াই ছেড়েচি!

    এই লেখা প্রসঙ্গে, কোনটা মেয়েদের সাবজেক্ট আর কোনটা নয়, সেটা মেয়েদের ঠিক করতে দিলেই ভালো হয় না? ছেলে-মেয়ে বাদে আরো তো অনেক রকমের মানুষ আছেন, তাঁদের জন্যও কিছু বিধি ঠিক করা আছে? নাকি তাঁদের ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না!
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪২375832
  • জে এন উ তে ছাত্রের সুইসাইড। সেই রোহিতের কেসের মতন মনে হচ্চে। এদিকে দলিতরা নাকি বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন ! কোথায় যে কী চলছে !

    When equality is denied everything is denied. There is no Equality in M.phil/phd Admission, there is no equality in Viva – voce, there is only denial of equality, denying prof. Sukhadeo thorat recommendation, denying Students protest places in Ad – block, denying the education of the Marginals".
    This was Krish Rajini's last post before committing suicide. Yet another Dalit PhD scholar's life is lost."
    via Dalel Benbabaali

    https://www.facebook.com/muthukrishanan.jeevanantham
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৮:৪৭375831
  • কেকে, কুমুদি কি এটা নিয়ে এখানে লিখেছিলে ? কেউ লিখেছিল বলে আবছা মনে হচ্ছে। যাহোক, কী মত এটা নিয়ে ? আর ঋজুতার বই নিয়েও একটা আলোচনা হয়েছিল, কোথায়, মনে আছে কারুর ?

    http://www.nytimes.com/2002/07/07/magazine/what-if-it-s-all-been-a-big-fat-lie.html
  • alok | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৮:০৬375830
  • কলকাতায় কোনো ভালো সাইকোলোজিস্ট বা সাইক্রিয়াটিস্ট এর সন্ধান দিতে পারেন কেউ?
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১২:১০375829
  • দেদি, এই সেই মৃদুল দাশগুপ্তর মেয়েদের কবিতা লেখা নিয়ে বক্তব্য সংক্রান্ত বিতর্কের শুরুটা। এরপর প্রচুর তর্কবিতর্ক, লেখালেখি হয়েছে।

    "সেবন্তী ঘোষ
    এই কদিন আগে। শান্তিনিকেতনে কবিতা উৎসবে রাত আড্ডায় এক খ্যাতিমান পুরুষ কবি মেয়েদের কবিতা বিষয়ে নানা কথা বললেন। ওই সেই ক্লিশে পুরনো কথা। মেয়েরা বিষয় মাত্র! কবিতা মেয়েরা মোটেই লিখতে পারে না! যে শুনছে, সেই অল্প বয়সী কবি মেয়েটি চড়বড় করে রাগে ফুটছে যেমন একসময় আমি ফুটতাম। সে সময় নানা নামের ফাঁক দিয়ে বেরোতো থাকতো, সে কি!! অপরাজিতা রাধারানী দেবী, কবিতা সিংহ, দেবারতি মিত্র, গীতা চট্টোপাধ্যায়, নবনীতা দেব সেন, সুতপা ও মল্লিকা সেনগুপ্ত, সংযুক্তা চৈতালীরা কি অদৃশ্য! পরে আর এসব মুখে বলিনা। বলে কি হবে? আমার পাশের কবি পুরুষ বন্ধুটিও মনে মনে ভাবে মেয়েদের মধ্যে এ বেশ লিখছে! বা এর আগে এরকম লেখে এমন কুড়িজন মহিলা কবি আছে! কদিন আগে আমার বিষয়ে এমন শুনলাম ও বটে! এ যেন ক্রিকেট খেলতে নেমে দ্বাদশ ব্যক্তি হয়ে থাকা! আরে দূর আমরা কি এসব কোটা টোটা ভেবে লিখতে যাই নাকি? লেখা পড়ার সময় অতো ছেলের লেখা মেয়ের লেখা পাঠক এসব ভাবে নাকি? ভাবে পরে। যখন সে লেখাটা পড়ছে, ভালো লাগছে, তখন সে নিজের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছে, নিজের আবেগ আর লেখায় একটা সেতু তৈরি হচ্ছে। নিজের বলতে না পারা কথা কবিতার মধ্যে দিযে তার হয়ে কথা বলে দিচ্ছে। এসবের মধ্যে লিঙ্গ পরিচয়টি কই?
    শান্তিনিকেতন পড়ার সময় সুবর্ণরেখা থেকে আনতবজ্রা কিনেছিলাম। উফ্! কি বিনিদ্র রজনী কেটেছে সে বই নিয়ে! ভুতুম ভগবান পড়েছি একই উত্তেজনায়। তখন এই দুই কবির কাউকেই চোখে দেখিনি। দুটি বই দুই পুরুষ কবির হলেও যা মনে হত, দুই নারী কবির হলেও তাই!
    আগেও প্রিয় প্রথিতযশা কবি পুরুষরা মেয়েদের কবিতা নিয়ে লঘু মন্তব্য করেছেন। করুন। মেয়েদের তাতে কিস্যু যায় আসে না। আমরা আপনাদের কবিতা পড়বো। আমরা আমাদের মতোই লিখবো। আমরা অনেকেই লেখককে লেখক মনে করি। কবির কাপড় সরিয়ে দেখিনা, যেভাবে জন্মের পর শিশুর লিঙ্গ পরিচয় দেখায়, হাসপাতালে!

    মৃদুল দাশগুপ্ত
    আমিই সেই ব্যক্তি, সুতপা সেনগুপ্ত উবাচ‌— মননে অতি আতুর, কবিত্বক্ষমতাহীন মানুষটি ! শান্তিনিকেতন থেকেই ফিরে সেবন্তী ফেসবুকে যে পোস্টটি দিয়েছেন, তার উত্তর দিতে সঙ্গে সঙ্গে দিতে পারিনি পারিবারিক কিছু দুর্যোগের ব্যস্ততায়। এবার নতমস্তকেই জানাচ্ছি, আমি হাজির।
    সুস্পষ্টভাবেই বলছি, মেয়েরা কবিতা লিখতে পারে না— আমার বক্তব্য অমন সহজ সিধেসাদা ছিল না। যে আমার কৈশোরে বনদেবীর মত হাজির হয়েছিলেন কুহকের ঘোর ছড়িয়ে দেবারতিদি, নীল সবুজের অপরূপ ঢেউয়ের ভেতর বিভোর করে দিয়েছিলেন রুচিরা শ্যাম,‌ বা তাঁদের ঈষৎ আগের অকালপ্রয়াত মঞ্জুলিকা দাশ, সুরাইয়া খানমের অল্প কিছু কবিতায় মন হু হু করে উঠেছিল, আজ সে কথা ভুলে যাই কী করে! ‌আমাদের কবিতা প্রয়াসের সূচনার পর সত্তর আশির সীমান্তে এসেছেন যেন ঘন মেঘের ভেতর সোনালি রেখা এক ঝাঁক কিশোরী কবিতা প্রয়াসী, আবির্ভাবকালে আমি তাঁদের কুর্নিশ জানালেও তো তাঁদেরই কেউ কেউ এখানে আক্রমণোদ্যত। ভুলি কী করে অকাল প্রয়াত মল্লিকার চল্লিশ চাঁদের আয়ুর জ্যোৎস্নাপ্লাবিত পুলক, অপাবৃতার হারানো মণির দ্যুতি! এঁদেরও পরে উত্তরপাড়ার অনিন্দিতা আমাকে মুগ্ধ বিস্মিত করছেন, বর্ণালী কোলে, বর্ধমানের, ওকে তো আমি কোলে তুলে নিতে চাই।‌‌
    তা হলে আমি খামোখা কেন বলতে যাবো মেয়েরা কবিতা লিখতে পারে না! কী বলেছি আমি? যা বলেছি, তা ওইদিন শুধু শান্তিনিকেতনে নয়, অনেকদিন ধরেই বলছি। বলছি, কবিতা মেয়েদের বিষয় নয়। Rpt. কবিতা মেয়েদের বিষয় নয়।
    জ্ঞান, বিদ্যা, বিজ্ঞান, শিল্প থেকে শুরু করে রণাঙ্গন জল স্থল মহাকাশ এই পৃথিবীর বিবিধ বিষয়ে মেয়েরা পুরুষের সমকক্ষতা প্রমাণ করেছে, করে চলেছে। কবিতা রচনার প্রয়াস একটি আত্মধ্বংসী প্রক্রিয়া। স্থিতির বিরুদ্ধে দ্রোহ, স্বাভাবিকতার বিপরীতে যাওয়া। বিষয়টি এই যুগ সেই যুগ, একাল সেকাল, এদেশ সেদেশ, এ সমাজ সে সমাজ- এসবের এক্তিয়ারে নেই। বিষয়টি প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে। একটি পুরুষ, বাইরে বেরিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার সংঘাত জেগে যায়। দিকে দিকে তার দ্রোহ, জীবনভর সহস্র অপমান থেকে, আঘাত থেকে কবিতার পুরুষ অনুপ্রেরণা নিংড়ে আনে। দগ্ধ হয় সে, বিদ্ধস্ত হয়। বিশৃঙ্খল হয়। দগ্ধ, বিশৃঙ্খল পুরুষ- সে তো রূপবান। তোমাকে তো এর বেশি বলতে হবে না সেবন্তী, তুমি তো তাকে দেখেছো।
    একটি মেয়ে, জন্মের পর থেকে সে তো সুস্থিতির বাহিকা। বাড়ির বাইরে একা যেই সে একা পা বাড়ায় শরীর জুড়ে তার জেগে ওঠে নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা, সেই আদিম কাল থেকে সর্বদেশে, সব সমাজে। তবে কিনা কবিতা রচনার প্রয়াস--- কখনও কখনও কোনও মেয়ে কবিতা প্রয়াসে অই স্থিতি ভেঙে,শরীরী সতর্কতা অতিক্রম করে, ঐশ্বর্য অলঙ্কার অতিক্রম করে কবি হয়ে জ্বল জ্বল করেন।
    দগ্ধ, বিশৃঙ্খল পুরুষ--- রূপবান। দগ্ধ, বিশৃঙ্খল নারী, রূপ ঝরে যায় তার, স্থিতি নড়ে যায়।
    হোমার, দান্তে, কালিদাস, শেকসপিয়র,রবীন্দ্রনাথ-- ঊর্ধ্বাকাশের এই তালিকায় কোনও অপরূপার নাম নেই। সাফো বা সিলভিয়া এঁদের সঙ্গে তুলনীয়া নন।ঊর্ধ্বাকাশের এই তালিকায় দূর ভবিষ্যতে হয়ত আসবে তুমি নারী, অর্ধেক আকাশ।"
  • de | ১৩ মার্চ ২০১৭ ১০:২৮375828
  • আইডিয়ালোক ঃ))))

    কিন্তু আইনস্টাইনই তো বোমের বিপদ সম্বন্ধে বেশী ভেবেছিলেন আর সেই চিঠি লিখেছিলেন। তাতে অবশ্য বোম্বানানো আরো ত্বরাণ্বিত হয়েছিলো - সে আলেদা কথা!
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৭:১৫375826
  • সবাইকে
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৭:১৫375827
  • সবাই দোলপূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানাই। আর সবার জন্য রইল এক বারকোশ কচুরি আর এক চাঙারি জিলিপি। ঃ-)
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৫:১৮375825
  • চুপি চুপিই বা কেন? বোম তো প্রায় "ওরে বাপ রে, বানাতেই হবে, নইলে কেউ বাঁচবো না, ফিলোসফি পরে কপচাস, আগে আমাদের শ্রাদ্ধটা হয়ে যেতে দে" কায়দায় বানানো হল, চার্জও করা হল, তবে তখন যুদ্ধ চলছিল। সবই যাকে বলে প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে।
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:৪৬375824
  • সেতো অবসসই। রিস্ক এর কোনো তুলনাই হয়না দুটো ক্ষেত্রে।

    কিন্তু ধরুন রুজভেল্ট এসে আইনস্টাইন কে চুপিচুপি বলছে, তুমি যদি চাও তো সী লেভেলের কয়েক কিলোমিটার নীচে বোম্ব চার্জ করে 11 রিখটারের একটা আর্থকোয়েক ঘটাবো। তারপর মেপে দেখো বোলো দিনের দৈর্ঘ্যে কত মাইক্রোসেকেন্ড পরিবর্তন এসেছে। আইনস্টাইন কি হাতেকলমে হিসেবে কষার সুযোগ ছেড়ে দিতেন ? :)
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:৩২375823
  • যে কোনো তাত্ত্বিক ব্যাপারই তো অপ্রত্যক্ষ। তত্ত্ব গাণিতিক কৌশলে বা যুক্তিপরম্পরা দিয়ে কিছু কিছু ব্যাপার প্রেডিক্ট করে মাত্র। সেইগুলো সত্যি সত্যি ঘটে কিনা সেটা মেলাতে পারলে তবে তত্ত্ব গৃহীত হয়।
    জড়জগতের ব্যাপারে প্রেডিক্ট করায় আইনস্টাইনের ততটা রিস্ক ছিল না, মিললে মিলবে না মিললে নাই। কিন্তু অব্জার্ভ করে দেখতে গিয়ে বা এক্সপেরিমেন্ট করে দেখাতে গিয়ে লাখ লাখ প্রাণ যাবে, সেইরকম ক্ষেত্রে রিস্ক অনেক বেশি। কারণ আমাদের জগতে তো মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি। এ তো আর পুনর্জন্ম আইডিয়া দিয়ে ক্ষতি মুছে দেওয়া যায় না, যে ওদের মারলে তাতে বয়েই গেল, ওরা আবার তোমার পেয়ারের লোকেদের ছেলেপিলে হয়ে জন্মালো।
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:৩০375822
  • "আইডিয়ালোক " ব্যাপক :):):):)
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:২৪375821
  • এখন পরলোকের আইডিয়ালোকে গিয়ে এরা দু'জনে গলা জড়াজড়ি করে হেসে তারপরে আর না পেরে গড়াগড়ি খাচ্ছে। ওখানে তো সব হাতে রইল পেন্সিল, নিধন টিধন কিসুই কিসু না, সবই আইডিয়ামাত্র।
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:১৭375820
  • এরা দুজনেই কিন্তু মানসিকভাবে একজায়গায় এক :) আইনস্টাইন যা ভাবছেন সেটা "প্রত্যক্ষ " মডেল নয়। ফিউচার ডিজাইন করছেন। যদি সোলার এক্লিপ্স অন্য কথা বলতো লোকে আইনস্টাইনকে গালাগাল দিতো। সেই রিস্ক নিয়েই তিনি ভাবছেন।

    হিটলার যখন ভাবছেন তিনিও একটা ইউজেনিক্স এর মডেল ডিজাইন করছেন যে এইভাবে সমস্ত বড় রক্ত নিকেশ করে বেস্ট দের বেছে নিলে একদিন সবার চেয়ে সেরা মডেলে পৌঁছনো যাবে !! তিনিও "প্রত্যক্ষ " দেখেন নি। জাস্ট ভেবেই লেগে পড়েছেন :)

    এবার একজনের ভাবনায় শুধু খাতা -পেন্সিল হলেই চলে আরেকজনের লাগে নিধনযজ্ঞ, সে কী আর করা যাবে :) কিন্তু মজার এই যে ইতিহাসের একটা সময়ে দাঁড়িয়ে দুজন ই "প্রত্যক্ষ " থেকে বেরিয়ে ভাবার চেষ্টা করছেন।
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৪:১২375819
  • যে যার নিজস্ব ওয়ার্ল্ডলাইনে আছেন আরকি। নিজের মনের হিসেবে যার যার নিজস্ব স্থানকালে। হিউম্যান ব্রেইন তো সোজা কথা নয়, ঐটি যখন সবার ঘাড়ের উপর একটি করে আছে, সবারই সম্ভাবনা আছে ভালো বা মন্দ যাই হোক চিন্তাভাবনা করার আর তারপর সেগুলোকে রূপায়িত করার। এখন কে কীভাবে করবে, কতটা করবে বা করবে না, সেসব নির্ভর করে ব্যক্তিটির আর তার চারপাশের পরিস্থিতির উপরে। কারুর মন আর পরিস্থিতি তেমন ছিল, সে আবিষ্কার করে ফেললো মহা মহা, একাই বার করে ফেললো দুই রিলেটিভিটি। আবার কারুর মন আর পরিস্থিতি এমন ছিল সে মহা ধড়পাকড় মারদাঙ্গা লাগিয়ে হাজারে হাজারে মানুষ সাবাড় করল। বাস্তবে এরা বেশি দূরেও ছিল না একজন আরেকজনের থেকে, স্থানে ও কালে। অথচ মানসিকভাবে কত দূর স্থানকালে !
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:৪৫375818
  • কে কিসে ভোগে তো জানিনে। তবে ভারতবর্ষের শিক্ষাক্রমে দর্শন (মানে পাশ্চাত্য, ঢপের জিনিস নয় ) না থাকার কারণে প্রজন্মের পর প্রজন্ম লেখক ও শিল্পীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এইটুকু মনে হয়। এনাদের দশ দিই কীকরে ? কাওকে হয়তো দেখে মনে হচ্ছে আরে এতো মহামূর্খ, তারপর দেখি সে যা কথা বলছে এগুলো একুইনিয়াস বলেছিলো সেই হাজার হাজার বছর আগে। আরেকজন কে মনে হলো উদগাণ্ডু, দেখি সে একচুয়ালি ফ্রয়েডের মডেলে ভাবছে। তো এনাদের কাওকেই বুধদ্ধিহীন প্রাণী হিসেবে ভাবতে পারছিনা যখন বাইরের গ্রহ থেকে এসে দেখছি, বুধ্ধিহীন হলে ওই মডেল টাও ভাবতে পারতেন না। আসলে, শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা। এইযে ২০১৭ সালে জন্মালুম, আমার মাথার মধ্যে যদি কয়েক হাজার বছরের দর্শনের ইভোলিউশন নাই জড়ো হলো তাহলে হলো টা কী। কেও কেও ফাঁকি দিয়ে একদম আধুনিক ভার্সনটা জামার মতো গায়ে পরে নেন, কিন্তু সে ধরা পরে যায়। যাঁরা সেটা না করে হয়তো সতেরোশো বছর আগের একটা গিঁটে আটকে পরে আছেন, তিনি হয়তো আপনার চোখে অতি ছাগল, কিন্তু ভাবুন সেই সতেরোশো বছর আগে জন্মালে সেই ব্যাটা কীরকম নাম করতো ?

    ভারী মজা লাগে এই ভেবে ও বোধ হয় যে আমরা সবাই মোটেই এক সময়ে দাঁড়িয়ে নেই দৃশ্যত হলেও বস্তুত।
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:৩৭375817
  • আহা রে মনে হয় ব্যাটারা ইন্সিকিউরিটিতে ভোগে। একে অম্বল, তায় ইন্সিকিউরিটি, জোড়া সাঁড়াশি।
  • Ekak | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:৩৩375816
  • আরে, আগের প্রজন্মের লোকজন যাদের বলতে আটকায়না, তারা যা বলেন। নারী হলো স্থিতি -পুরুষ অস্থিতি। কাজেই কবিতার আত্মধ্বংসী প্রক্রিয়া নারীকে রূপহীন করে, পুরুষ কে নির্মাণ করে। সেই বাবা আদম কে জামানা কা ফিলোসফি। এর থেকে অলমোস্ট কেও মুক্ত নয়, উনি বলে দিয়েছেন এক্কেরে :):):)
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০৩:০১375815
  • আইনস্টাইন-রোজেন ব্রিজ আর আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন প্যারাডক্স পাঠাইয়া দেই। কোয়ান্টামে ক্লাসিকালে খিচুড়ি ডিম্ভাজা খাইবেন। ঃ-)
    কিন্তু উনি বলেছেন কী? ঃ-)
  • একক | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০২:১৪375814
  • হ্যা, ঐটাই ভালো হবে। ওনাকে কোয়ান্টামের একটা বই পাঠায়ে দ্যান। তাতে যদি দ্বন্দের ধন্ধ কাটে :)
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০১:৪৯375813
  • কোয়ান্টাম কোয়ান্টাম কোয়ান্টাম। আমাদের। ঃ-)
    কী বলেছেন মৃদুল দাশগুপ্ত? খুঁজে পেলাম না।
  • lcm | ১৩ মার্চ ২০১৭ ০১:১৭375812
  • মাল্টি পার্টি ডেমোক্রেসি-তে এটা ন্যাচারাল - ডিভাইড এন্ড রুল।
  • dc | ১২ মার্চ ২০১৭ ২৩:৫৪375811
  • হ্যাঁ প্যাঁচা থিওরিটা অ্যাপ্রেশিয়েট হয়েছে। তবে মনে পড়লো, আবাপতে এক সময়ে এনিয়ে প্রচুর লিখতো আর দিদিও এক সময়ে খুব ক্ষোভ দেখাতেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত