এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Rabimba Karanjai | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:১৯376800
  • সবশেষে ঈপ্সিতা দির প্রশ্ন: "আর গুগলের কাজের চাপ আম্রিগায় দেশের চেয়ে এত বেশি ? দেশের প্রচুর আইটি র লোকের কাছে তো শুনেছি দেশে চাপ বেশি !"

    কাজ ব্যক্তি নির্ভর। আমার Apple এর বন্ধুদের কোনোদিন এ রাত ৯ তার আগে অফিস থেকে বেরোতে দেখিনা এবংহ সকালেও আগেই যাই. ফেইসবুক বা উবের এ তার বেশি। কাজ বেশিরভাগ সময় এই নিজের ওপর ডিপেন্ড করে. আমি নিজে ভারতে থাকতে সকাল ৭:৩০ তাই গিয়ে রাত ১১ তার আগে বাড়ি ফেরার কথা ভাতে পারতাম না. ইন্টার্নশীপ এর সময় মেন্টর ঘর ধরে ৫ তাই বলতো বাড়ি যায়. মাঝে তও ১-১.৫ ঘন্টা গপ্পো করতাম। তাও আমি at the end of 3 months বেশি প্রোডাকটিভ ছিলাম আবিষ্কার করেছি। কারণ, ওখানে কাজ না করলেও কেউ কিছু বলতোনা, শুধু পরের বার আর কেউ ঘুরেও তাকাতোনা, বা আবার আস্তে বলতোনা পরের বছর বা পাবলিকেশন বা পেটেণ্ট এর "প" অবধি ও যেতোনা।
    কাজ সব জাগায় যেমন এক হয়না, আমরাও সেরকম সব জাগায় এক ভাবে কাজ ও করিনা (বা এক্সপেক্ট ও করিনা)
  • Rabimba Karanjai | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১৪:১২376799
  • পরে দেখলাম। একটু অবাক হলাম না. হয়েই থাকে এরকম, অনেক। আমি maslow এবং ইত্যাদি আলোচনায় না গিয়ে খুব নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট তুলতে চাই.

    ১. পুরো লেখাটাই লেখিকার একটি realization আছে. এবং তা হলো "I couldn’t keep up.". গুগল এ সেটা হওয়া স্বাভাবিক, যদিনা আপনি আপনার কাজ ভালোবাসেন, প্যাশনেট হন, এবং কাজ তাকে কাজ বা চ্যালেঞ্জ ও না, একটা বন্য জন্তু হিসেবে দেখেন জেক আপনি পোষ মানিয়েই ছাড়বেন। যাই হোকনা কেন. ভুল বললাম, কাজ না, বলা উচিত "প্রব্লেমস" গুলোকে যার আপনি "সল্যুশন" design করবেন। গুগল, MSR এরা বাকি আর পাঁচটা কোম্পানি এর মতো না. এখানে যারা কাজ করে, প্রত্যেকে যোগ্য ব্যক্তি (মোস্টলী) এবং সেই যোগ্য দেড় মধ্যেও অনেকেই তুখোড় ব্যক্তি। When everyone is special, no one is. কিন্তু গুগল বা এসব জাগার মাহাত্য আছে, তার মধ্যেও স্পেশাল-তর, তম থাকে। এবং এক্সেল করতে হলে সেখানেই করতে হবে.

    একটা উদাহরণ দিচ্ছি, এককালে একটি বহুজাতিক কোম্পানি এর প্রাচীনতম রিসার্চ ল্যাব এ কাজ করার সময় আমার মেন্টর এর উপাধি দেখেছিলাম "মাস্টার ইনভেন্টর". তিনি সেই উপাধি আগেই পেয়েছিলেন। পরে জানতে পেরেছিলাম সেখানে সেই উপাধি পেতে গেলে কাউকে >৬০ তা পেটেণ্ট পেতে হয়. উনি আমি চলে আসার পর গুগল এ join করেন। ১ বছর পরে আমার ৩ মাসের কাজ শেষ করে পেটেণ্ট ফাইল এর ঝক্কি পেরিয়ে ফাইনাল প্রেসেন্টেশন দিছিলাম, বাইরের অন্য টীম এর ও অনেকেই ছিল. আমার মেজাজ খুব খারাপ ছিল কোনো কারণে এবং নিজেকে খুব "হনু" ভাবতাম।এক শান্ত স্নিগ্ধ বৃদ্ধ আমায় কিছু খুব টেকনিকাল প্রশ্ন করেন। এমন কিছু প্রশ্ন এবং সেই ডাটা স্ট্রাকচার তা নিয়ে যা পেটেণ্ট এর পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ রোলে প্লে করছিলো। আমি দম্ভের বসে খুব রুডলি আনসার করেছিলাম। তিনি খুব শান্ত ভাবে শুনে গেছিলেন। কিছু বলেন নি. পরে বেরিয়ে করিডোর দিয়ে হাটতে গিয়ে হল অফ ফেম এ তার ছবি দেখে পড়তে গেছিলাম। জানতে পেরেছিলাম, তার নাম তিনি খান তিনেক থিয়োরী দিয়েছেন যা বহুল চর্চিত। তার অসংখ্য কাজ এবং পুরস্কার এর মধ্যে উল্লেখ হচ্ছে তাকে RDBMS এর দ্বিতীয় জনক বলা যাই (জনক যাকে বলে তিনিও ওনার সঙ্গে এই একই বহুজাতিক এর এই ল্যাব এর এই করিডোর দিয়েই কাজ করে হেটে যেতেন) এবং তিনি গোডেল prize winner. যারা জানেন না, গোডেল থিওরিটিক্যাল কম্পিউটেশন এর নোবেল এর তুল্য উপাধি। তার পরেই humble হতে শিখেছিলাম।

    মোরাল: It's not always easy to keep up. And it's better to accept it and try to learn (always). নাহলে ওনার মতো লোকের কোনো দরকার ছিলোনা আমার মতো এক ইন্টার্ন এর কাজের প্রেসেন্টেশন দেখতে আসার।

    ২. Not all jobs are rewarding. And reward varies by what you can achieve. লেখিকার প্রোফাইল কোনো ভাবেই বলেন স্পষ্ট ভাবে যে তার রোলে কি ছিল গুগল এ. তার মাস্টার্স এর বিষয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার এবং তার প্রথম চাকরি গুগল এর আগে বিসনেস এনালিস্ট হিসেবে ম্যানহাটান এসোসিয়েটস এর সঙ্গে। গুগল এ টেকনিকাল ম্যানেজার এর কি কাজ জানিনা। কিন্তু সাধারণত (মাইক্রোসফট এবং আমাজন এ) টেকনিকাল ম্যানেজার দেড় কাজ হয় ডেভেলপমেন্ট টীম এর সাথে এবং ম্যানেজার দেড় মাঝের gap তা বোঝা। "The whole point of having a technical Project Manager is to have someone in the role who can evaluate the project schedule, resources, and control through a more technical lens than the typical PMO-type resource.

    In practice, that means you should be having technical discussions of scope and objectives with the team. The goal of these discussions isn't to drive architecture or tactical coding decisions, but rather to be able to accurately assess the progress of the project through visibility into the deeper technical layers and to control technical-scope issues that arise." একটা গুগল সার্চ ও আপনাকে তাই বলবে এবং এক্ষেত্রে আমার চেনা বন্ধুরাও আছে. সুতরাং এই কাজ সবার "rewarding enough" নাও মনে হতে পারে। আমার সঙ্গেই এক বন্ধু পড়াশুনা করছে কারণ সে এডোবি এ যা কাজ করছিলো, তার মনে হয়নি সেটা ইম্পরট্যান্ট এনাফ। যদিও আমার আগে থেকে তার এডোবি টেই একটা পেটেণ্ট এবং পেপার ও আছে. Rewards are different based on people

    ৩. লেখিকা যে যে পয়েন্ট গুলো লিখেছেন, তার কোনোটাই মানুষের আনন্দ পাওয়ার জন্যে যথেষ্ট নাও হতে পারে। সামান্য এক ছাত্র হয়েও আমি এবং আমাদের দলের সবাই একচোখে বলে দেব she does not knwo what she wants. আমরাও অনেকেই তা জানিনা, তাই আমরা এক্সপেরিমেন্ট করি. যা ভালো লাগে তা করি. এবং তার জন্যে সময় বার করি. দরকার পড়লে রাতের পর রাত জাগ্। নিজের হৰি pursue করার জন্যে সময় কেউ দেয়না। বার করে নিতে হয়. আমরা ক্লাস নিয়ে, ক্লাস করে, রিসার্চ (কাজ নয়, সেটা ঢের সোজা, করেছি বলেই বলছি ) করে, advisor এর কাজ করে রান্না করে, গিটার বাজিয়ে, গান করে, প্রেম করে, পোকেমন ধরে যদি তাও ক্রেডিট কার্ড এর ওপর নির্ভর করে বেঁচে থেকে এতক্ষন ধরে বসে এই লেখা লিখতে পারি। হবি প্রজেক্ট নামিয়ে তার টক্ দিতে পারি। নিজের প্যাশন তা ইডেন্টিফাই করতে পারলে তিনিও পারবেন। বিদেশে থাকা সুখের নয়. সেটা সবার জন্যেও নয়.

    ৪. অসুবিধা যা দেখতে পেলাম তা হচ্ছে টাকা। সেটাও ডিপেন্ড করছে কাজ এবং role এর ওপরে। গুগল এ একজন MS স্টুডেন্ট লেভেল ৩ তে ঢোকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রোলে এ গেলে। তার অ্যাভারেজ স্যালারি বে এরিয়া তে ৯০-১১০k. কাজ এবং টিম এর ওপর নির্ভর করে. সঙ্গে ৫০k থাকে ৪০১. পিএইচডি হলে সে ঢোকে লেভেল ৪ এ যার অ্যাভারেজ স্যালারি ১৪০-১৮০k. সঙ্গে ওই একই ৫০k ৪০১. এবং গুগল গড় অনুপাতে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর কোম্পানি দেড় মধ্যে সর্বোচ্চ মাইনে দেয়. বানিয়ে বা অনুমান নির্ভর বলছিনা। পাবলিশড ডাটা আছে. আর দু সপ্তাহে ভালো করে ব্লগ পোস্ট করে দেব.

    ওভারঅল আমি এমন কিছু দেখলাম না যেটাকে বলা যাই "ইভিং ড্রিম লাইফ" বরং উল্টোটাই মনে হলো. The feeling of not belonging.

    আরো অনেক কিছু লেখা যাই. অনেক কিছু লেখার আছে. কিন্তু আগে দেখি লোকেরা কি বলে.

    প্রসঙ্গত: মূল আর্টিকেল টা এটা: http://www.khaanebhidoyaaron.com/single-post/2017/02/19/Why-I-Moved-Back-To-India-after-10-Years-in-USA-Part-1
  • S | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১৩:১৮376798
  • কলেজে আমার এক ক্লাসমেট/বন্ধু ছিলো। তার কাজই ছিলো সারা কলেজের যেখানেই গন্ডগোল হোক না কেন, সেখানে পৌঁছে যাওয়া, আর কোনোকিছু না জেনে দেখে কাউকে না কাউকে কেলিয়ে দেওয়া। মানে বাওয়াল হচ্ছে জাস্ট আনরিলেটেড টু হিম, সেখানেও তাকে দেখতে পাওয়া যেতো।
  • dc | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১৩:১৩376797
  • "রুয়ান্ডায় তো রেডিও থেকে হয়েছিল বলছে।" - এটা আমিও ভাবছিলাম, আমার পোস্টটা করার পরে। মানে সেই সভ্যতার অভিশাপে চলে যাচ্ছে ঃ( বেসিকালি মানুষ একটি হিংস্র এবং ইর‌্যাশনাল প্রাণী, যা টুল পায় সেটাকেই মারপিটের কাজে লাগায়।
  • Pi | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১৩:০৫376796
  • রুয়ান্ডায় তো রেডিও থেকে হয়েছিল বলছে। তাহলে মিডিয়া জিনিসটাই যাতা বলুন।

    তবে কিছু কাজের জিনিসের আদানপ্রদান যোগাযোগ ছাড়া এই হোয়া তো ছোট ছোট সিক্ত্রেট গ্রুপে নাম ধাম ছাড়া পোস্টের পর পোস্ট শেয়ার ট্রেণ্ডটাই বিপজ্জনক লাগে। ব্যক্তিগত পরিবারিক বা নেহাত কেজো ব্যাপার ছাড়া এটাকে অন্য কিছুর মাধ্যম ভাবতেই অদুবিধে হয়।
  • ভারতই সব ভাষা ও সভ্যতার শিকড় | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১২:৫৮376795
  • প্রাচীন যদুবংশীয়রা পিরামিড আবিষ্কার করেন। যদুবংশীয় ঋষি কহিপ্তষ্যর নামেই মিশর দেশের নাম ঈজিপ্ট (Aegyptus) হয়। যদু বংশীয়রাই সেখানে সূর্যদেবতার পূজা চালু করেন
  • avi | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১২:৩৩376794
  • উহহহ, এই মাসলো নিয়ে আমাদের রচনাধর্মী উত্তর লিখতে হত। সে এক ভয়ানক ব্যাপার।
  • dc | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১২:১৩376793
  • সোশ্যাল মিডিয়া জিনিসটাই যাতা।
  • এত্তা পিজে আছে :) | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১২:০৪376792
  • প্রশ্ন : প্রেমের সঙ্গে ম্যাসলোর পিরামিড কীভাবে সম্পর্কিত ?
    উত্তর : খেতে পেলে শুতে চায়।
  • সিকি | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৫৯376790
  • সেশে এই দিন দেখতে হল? ভাটের পাতায় ম্যাসলোর পিরামিড নিয়ে চর্চা?
  • Arpan | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৫২376789
  • আমার তো নিচের দুটো লেভেলের স্টেবিলিটি নিয়েই ঘোরতর সন্দেহ আছে।
  • S | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৪৭376788
  • আমার আবার সবকটি লেভেলেই কিছু কিছু জিনিস বাকি আছে। যেমন ঘুম। আমার মনে হয় ওটা অ্যাচিভ করতেই আমার বাকি জেবন চলি যাবে।
  • Ekak | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৪৫376787
  • আমার ও তাই। একদম ট্যাকার পিছুনে ছোটার মোড এ আছি নিজেরই সেলফ এস্টিম এর চক্করে। কাজেই কোনো মহৎ চিন্তা বা উপদেশ কানে ঢোকেনা :)
  • dc | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৪২376786
  • হ্যাঁ এই পিরামিডটা ঠিকই আছে। আমার সেল্ফ এস্টিম নীড এখনো ফুলফিল হয়নি, তাই আমি এখনো মরালিটি ফরালিটি নিয়ে মাথা ঘামাইনা।
  • S | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:৩৬376785
  • প্রথমত এটা মুলতঃ মেটিরিয়ালিস্টিক ওয়ার্ল্ডের জন্য অ্যাপ্লিকেবল - মানুষের অ্যাম্বিশন নিয়ে। এই মডেল অনুযায়ী লোকেদের প্রথম নীড চরিতার্থ করার পরে সেকেন্ড নীড চরিতার্থ করার চেস্টা করে ইত্যাদি।

    আর এখানে সেল্ফ-অ্যাক্চুয়ালাইজেশন মানে আমি আপনি যে রকম ভাবি সেরকম খুবেকটা ফিলোজফিকাল ব্যাপার নয় বলেই মনে হয় (যদিও মাস্লো নিজে ফিলজফার ছিলেন)। এর মানে হলো আপনি নিজেকে অমর করে রাখতে কি করছেন? নিজে এমন কাজ করলেন যে লাইব্রেরি আপনার নামে করা হলো ইত্যাদি।

    ফাইনালি এটা একটা মডেল, তাও নট বেসড অন স্ট্যাটিস্টিকাল অ্যানালিসিস; র‌্যাদার বেসড অন অ্যানেকডোটাল ওবজারভেশনস। আর আলতামিরা গুহায় যে গুহামানুষটি বাইসন এঁকেছিলেন তাঁকে বোধয় কোনো মডেলেই ফেলা যাবেনা।
  • Ekak | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১১:২৭376784
  • ম্যাসলোর পিরামিডের মতো লিনিয়ার হায়ারার্কি মেনে বাস্তব চলেনা। রিয়ালিটি ইস মেসি। বুঝতে সুবিধে হবে বলে একটা হায়ারার্কি মডেল করা হয়েছে।

    দ্বিতীয়ত, "বেসিক নিড " মানে এখানে একটা কালেকটিভ ঠিক করে দেওয়া নিড না। সেই মানুষটা যদি ফীল করে সে শ্যাসিয়েটেড তাহলেই ওপরের লেয়ার তাকে টানবে। একজন ছোলাওয়ালা ছোলা বেচে যা রোজগার করলো তাতে শ্যাসিয়েটেড। এবার সে একটা খেঁদি বৌ জোটালো। অন্য কারো সঙ্গে তুলনা না করে, বেশি চাহিদা না রেখে খ্যাঁদা খেঁদি বেশ সংসারপত্তি কল্লো। ফের শ্যাসিয়েটেড। এবার একটা বয়েসে গিয়ে ডাউন বর্ধমান লোকাল ছোলাওয়ালা সমিতির সভাপতি হলো। ফের শ্যাসিয়েটেড। তাই একদিন, ছোলা বেচা ছেড়ে ভগবানদাস বাবাজির আখড়ায় গিয়ে খোঁজোনি বাজিয়ে নাচতে লাগলো। লোকজনকে ডেকে ডেকে বললো ছোলা বেচে কী জীবন যাবে, তাঁর নাম কীর্তন ইত্যাদি।

    তো, এই পুরো প্রোগ্রেশনে সে, যেকোনো একটা লেভেলে শ্যাসিয়েটেড না হলেই সেখানে ঘুরে মরে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে পারতো। হয়তো বিরিয়ানি খাবে বলে ছোলার জায়গায় আপেল বেচতে গেলো। এতে সে পরের লেভেলে যেতে দেরি করে ফেলবে। আবার ছোলাওয়ালা সমিতির সভাপতি তে শ্যাসিয়েটেড না হয়ে রাজ্য সভাপতির দিকে ছুটতে পারতো। আবার দেরি করে ফেলবে। ঝটপট একেকটা লেভেলের অপটিমাম তার মতো করে রিচ করেছে বলে পরের লেভেল-এ চলে গিয়ে সেলফ একচুয়ালাইজেশন লাভ হয়েছে। এর সঙ্গে সে ছোলাওয়ালা গরিব না সিইও বড়োলোক তার সম্পর্ক নেই।

    একচুয়ালি ম্যাসলো পিরামিড একটা বেসিক জিনিস বলেনা। তা হলো সেলফ এস্টিম আর সেলফ একচুয়ালাইজেশনের সাইকল। ওটা একটা বেলুনের ভেতরের আর বাইরের প্রেসারের মতো। একেবারে বেস লেভেল থেকেই শুরু হয়ে যায়। এবার যার যেমন ব্যালান্স। গরিব -বড়োলোক হচ্ছে বেলুনটার সাইজ। সেটা ম্যাসলো বলেনা। ম্যাসলো বলে বেলুন টা চাপ মেন্টেন করে কদ্দুর অবধি আকাশে ভেসে উঠবে।
  • pi | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৩376783
  • বেসিক নিড পূর্ণ হয়নি, এরকম বহু গরীব ব্যক্তিরই তো সেল্ফ আকচুয়ালাইজেশন ( এটার বাংলা কী হবে ? ) থাকে !
  • lcm | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৫376782
  • ভারতই সকল ভাষা ও সভ্যতার শিকড় | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:৩৬376781
  • আব্রাহাম, যাকোব, মোশি সকলেই যদুবংশীয় ছিলেন। নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা করতেন বলিয়াই আব্রাহামের নাম আব্রাহাম হইয়াছে। আর নোয়াহ, যোনাহ র ঘটনা মৎস পুরাণে বর্ণিত
  • প্রবঞ্চক পানকৌড়ি | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:৩২376780
  • বাব্বা, এ পুরো ম্যাঞ্জার লোক। খুঁজে বের করতে হল এ কোন পিরামিড।
  • Arpan | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:০৬376779
  • ম্যাসলোর পিরামিডে ওপরে উঠতে মঞ্চায় সবার।
  • Ekak | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:০১376778
  • ঘর ওয়াপসি বোধহয় :):)
  • প্রবঞ্চক পানকৌড়ি | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৯:৫৮376777
  • কোশ্নো হল মিডিয়া কি এই প্রথম কাউকে সিলিকন ভ্যালী, গুগুল।মুগুল ছেড়ে ভারতে ফিরতে দেখলো? এত হাইপ কিসের?
  • Ekak | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৯:৪১376776
  • পড়েছি মূল লেখাটা। আদৌ কাজের চাপ জনিত সমস্যা বলে মনে হয়নি। সার্টেইন এজ -ইনাফ প্রস্প্যারিটি এচিভ করার পর একটা একসিস্টেন্সিয়াল ক্রাইসিস আসে, উনি সেটাই বলেছেন। এটলিস্ট, আমার তাই মনে হয়েছে পড়ে।
  • pi | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৯:১৭376775
  • http://www.businessinsider.in/why-this-google-engineer-gave-up-on-silicon-valley-and-moved-back-to-india/articleshow/57707322.cms

    এনার লেখা নাকি এখন ভাইরাল। একটা জিনিস পড়ে অদ্ভুত লাগল, সেটা রিপোর্টিং এর কারণেও হতে পারে। একবার লিখেছে যে গুগলের কাজের চাপে কোনো সময়ই নেই, তাই কোন সম্পর্কে যেতে পারেননি, এখনো সিংগল। আবার লিখেছে, বে এরিয়ার ভারতীয়দের নিয়ে প্রচুর ইভেণ্ট অর্গানাইজ করতেন। তো, তাতে তো প্রচুর সময় লাগার কথা !
    আর গুগলের কাজের চাপ আম্রিগায় দেশের চেয়ে এত বেশি ? দেশের প্রচুর আইটি র লোকের কাছে তো শুনেছি দেশে চাপ বেশি !

    মূল পোস্টটাও পেলাম। পরে সময় করে পড়ে দেখতে হবে, এগুলৈ বলেছেন কিনা নাকি রিপোর্টিং এর সমস্যা।
    https://www.linkedin.com/pulse/why-i-moved-back-india-after-10-years-usa-nupur-dave
  • avi | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৮:৩৩376774
  • আচ্ছা। দেখছি।
  • Atoz | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৮:০৪376773
  • স্যান, তাহলে আর কী করা? ঃ-( অন্য কবিতা দিয়ে দাও। ঃ-)
  • 4z | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৮:০২376772
  • অভি, [email protected] এ মেল করলেও হবে।
  • 4z | ২৯ মার্চ ২০১৭ ০৮:০০376771
  • অভি,

    কালিপুর/ধুপঝোরা/পানিঝোরা/নেওড়া ক্যাম্প - এই চারটে লোকেশনের মধ্যে যে কোন দুটোতে যাওয়া যাবে। বাকি ডিটেলস এর জন্য একটু [email protected] এ মেল করতে পারবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত