এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ২২:২০377910
  • দিব্যি লেখাটা। আমাদের একটা এরকম মেরুন রঙের চামড়ার ব্যাগ ছিল। অনেকদিন পর কিছু কিছু জায়গা ছিঁড়ে যাওয়ায় অক্ষত চামড়া মুচিকে দিয়ে সেলাই করিয়ে আরেকটা ছোট ব্যাগ তৈরী হয়েছিল। সেযুগে যেকোনো জিনিস ফেলে দেওয়ার আগে বিস্তর রিফু করা হত। কিন্তু ছোট ব্যাগটা নিয়ে আর কোথাও যাওয়া হয় নি। আমি মাঝে মাঝে আলমারির মাথা থেকে নামিয়ে হাত বুলিয়ে নিতাম।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৫৩377909
  • :(
  • Sanchayita Biswas | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:২৪377908
  • মুহূর্তকথা১
    আমরা খুব একটা বেড়াতে যেতাম না।গরমের ছুটি বা পুজোর সময় কাশ্মীর-রাজস্থান-পুরী যাইনি কখনো।আমার বাবা সারা সপ্তাহ বাড়ি থেকে গার্ডেনরিচ যাতায়াত করে বেড়াতে যাওয়ার কথা ভাবতেও চাইতেন না।তাই ছুটির পরে ইস্কুল খুললে সবাই যখন গল্প করতো বেড়াতে যাবার,আমি তখন খাতার শেষ পাতায় ছবি আঁকতাম কালো কালির পেন দিয়ে…নদীর মাঝে একটা চর…তাতে একটা ন্যাড়া গাছ…গাছের ডালে পাখির বাসা…মা পাখি খাওয়াচ্ছে ছোট ছোট তিনটে ছানাকে…দূরে দিগন্তে তালগাছের সারি…।

    বছরে এক আধবার মামা-মাসির বাড়ি যেতাম দুই-তিনদিনের জন্যে।একটা শ্যাওলা রঙের ব্যাগ ছিল আমাদের।চেন টেনে ছোট বড়ো করা যেত।ওটা যখনই আলমারীর মাথা থেকে নামাতো বাবা,আনন্দের লহর বয়ে যেত দুই ভাইবোনের মনে।তাড়াতাড়ি দুটো বাড়ি-পরার জামা আর দুটো ভাল জামা খুঁজতে বসতাম ব্যাগে ঢোকাবো বলে।কোথাও যাবার সময় আরেকটা জিনিসও বার করা হতো…মেটে লাল রঙের একটা কাঁধে ঝোলানো জলের বোতল।এই জিনিসটা আমার ভারী প্রিয় ছিল।এটা বইবার দায়িত্বও ছিল আমার।সারা রাস্তা আগলাতে আগলাতে যেতাম বোতলটাকে।জল তেষ্টা পেলে বাবা বোতলটার লাল রঙের কাপ-ঢাকনা সরিয়ে সাদা একটা ছিপি-ঢাকনা খুলে জল ঢেলে দিতো কাপ-ঢাকনায়।ট্রেনের দুলুনির সাথে তালে তালে খেতাম জল…কখনো ছলকে পড়তো জামায়।…

    সেদিন দোতলার ল্যান্ডিঙের স্টোররুম খুলেছিলাম কি একটা খুঁজতে।এটা ওটা সরাতে সরাতে দেখি জলের বোতলটা বসে আছে ব্যাগটার গায়ে গা ঠেকিয়ে।খুব একটা বদলায়নি সে,শুধু কাঁধে নেবার স্ট্র্যাপটার একটা অংশের বুননটা খুলে গেছে।কাপ-ঢাকনাটায় আজও বাবা-বাবা গন্ধ। আসলে শেষবার যখন বাবা হাসপাতালে ভর্তি হলো,ওরা দু'জনেও তো গিয়েছিলো বাবার সঙ্গে।সাততলার জানলা দিয়ে কিভাবে রাস্তার দিকে মায়ের অপেক্ষায় চেয়ে থাকতো বাবা,ওরা তো সেটা দেখেছে।ওরা তো জানে নিঃসঙ্গ বিছানায় বসে নভেম্বরের আকাশে বুভুক্ষের মতো সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে অবশ্যম্ভাবী প্রস্থানকে মেনে নেবার অসহায়তা…তারপর একরাশ অপরিচিত যন্ত্র আর ততোধিক অপরিচিত মানুষদের মধ্যে একা একা চলে যাওয়া…।চলে যাবার তাড়ায় বাবা কিছুই গুছিয়ে নিতে পারেনি…জামা,গেঞ্জি,সোয়েটার,গামছা,লুঙ্গি,টুথব্রাশ,চিরুনী,থালা-বাটি,ওষুধ…সব্বাইকে নিয়ে একটা ওম ওম সোনালী ডিসেম্বরের বিকেলে ওরা দু'জনে ফিরে এসেছিল…মাথা নীচু করে…।পশ্চিমের রোদটা জানলার গ্রীলের নকশা আঁকছিল ওদের লজ্জিত শরীরে।পাশের ঘরে মুহ্যমান মায়ের মাথার কাছে বসে আছে কোনো শুভাকাঙ্খী।অন্য কোথাও চলছে জমায়েত আত্মীয়দের আড্ডা।ব্যাগের গায়ে হেলান দিয়ে বসে আছি…হাতে একটা ভাঁজ করা সাদা কাগজ…তাতে নিঃশেষিত বাবার কাঁপা কাঁপা হস্তাক্ষরে অসংখ্যবার নিজের নাম লিখতে চাওয়ার প্রয়াস…বাইরে কুবোপাখি ডাকছে…
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:২৪377907
  • কেকে ডায়াবিটিস নিয়ে খুব সুন্দর লিখেছিল একটি টইতে।কারো টইটির নাম মনে আছে?
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৫১377906
  • কী ই ই সুন্দর গল্প ছোটাইএর।
    সকাল থেকে ভয়ানক খিঁচড়ে থাকা মেজাজ ভাল হয়ে গেল।
    এমন কত গল্প যে মনে পড়ে!!!
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:০১377905
  • হে হে কি সব কান্ড মান্ড যে হোতো আর সেফটি ইত্যাদির কোনো বালাই ছিল না সেকালে।

    আজ ছুটি। অয় কিছু লিখব বলে ভাবছিলাম, কনসেনট্রেট করতে পারলাম না। তাই খানিক লিলুয়া বাতাস-
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:৩৩377904
  • ক্ষী সুন্দর ফুরফুরে হাওয়া ছোটাইয়ের গপ্পে -

    কলকাতায় যাঁরা পি এইচডি করেন তাঁদের সবার এমন ভালো ভালো গপ্পো থাকে -
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:১৯377903
  • বা, 'এবারে বাড়ির কুকার, হাতে হাতে ঘুগনি'। :)
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৫০377902
  • শেষ পোস্টের প্রথম লাইনে সিনিয়ররা' বাদ গেছে। শেষ লাইনে একটি ল অক্ষর বাদ গেছে। গুরু জনেরা বুঝে নেবেন।
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:২৩377901
  • ঘুগনির দিনে দিব্যি 'জরুরী কাজে' বোস ইন্স্টিটিউট পাড়ি দিলেন দুপুর দুপুর। আমরা কজন জুনিয়র পড়লাম মহা ফাঁপরে। ওদিকে প্রেশার কুকারে ঘুগনি চাপানো হয়ে গেছে। আমাদের বলা হয়েছে ৪টের সময় ওখানে চলে যেতে। আমরা কইলাম, না, বেজায় কাজ পড়ে গেছে, একটু পরে যাব। এই বলে ল্যাবের জাবতীয় বীকার ফ্লাস্ক ধোয়াধুয়ি করতে লাগলাম। হঠাৎ দেখি, দরজায় ন-হাতে কাগজের বাটিতে ঘুগনি-'দ্যাখো তো কেমন হয়েছে? আর নুন দেব? ঝাল?'

    বন্ধু ম র মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল-সে বাঘা স্টাইলে, 'একটু হাত ধুয়ে আসতে হয়' বলে স্যাট করে বেরিয়ে গেল।আর আসে না। এদিকে আমি,'ও এলে খাবো' বলে যাচ্ছি আর দরদরিয়ে ঘামছি। এমন সময় হাসি হাসি মুখে ম-র প্রবেশ-' ন তোমার ফোন, তোমার ফোন।'

    ফোন ধরতে লাইব্রেরি আর অফিসঘরে যেতে হত-সে সব দোতলায়। ন নিচে যেতেই ম বলল,'দাঁড়িয়ে দেখছ কি, জানলা দিয়ে ফেলে দাও শিগ্গির'। আমি আগাপাশতলা না ভেবেই দুবাটি ঘুগনি তিনতলা থেকে জানলা গলিয়ে নিচে, বাটিশুদ্ধ।

    ন ইতিমধ্যে ফিরে এসে বলল, 'কই কেউ তো ফোন করে নি, তুমি ভুল শুনেছিলে ম। ওমা একি তোমাদের খাওয়া হয়ে গেল এত তাড়াতাড়ি? কেমন হয়েছে? একি বাটি কই গেল?'
    'ও তো আমরা ট্র্যাশে ফেলে দিয়েছি'-আমরা কিছু দোমড়ানো কাগজ টিস্যু গ্লাভস দেখাতে থাকি।
    ইতিমধ্যে নিচ থেকে তুমুল হই হই-কে বা কারা নিচে কি ছুঁড়েছে, কার জামায় পড়েছে।আমাদের মুখ পাংশু- কোনো শক্তিমান কাকের ওপর দোষ চাপানো যুক্তিযুক্ত ও শোভন হবে কি না ভাবছি। পরে ম বলেছিল-ও-ও তাই ভাবছিল-কাক না চিল।

    পরের বছর, আবার 'ফসল তোলার' সময় এল। তখন অপেক্ষাকৃত সিনিয়র আমরা ঘুগনির নেমন্তন্ন আসতেই বললাম,'ঐ দিন তো বোস ইন্সটিটিউট যাচ্ছি।
    ন সলজ্জ হেসে বল,' ভয় পেও না, এবারে বাড়ি থেকে প্রেশার কুকার আনছি।'
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:০৭377900
  • ন কাজ করত বায়োফার্টিলাইজার নিয়ে অন্য ল্যাবে। ফার্টিলাইজার বানিয়ে 'ফিল্ড ট্রায়াল' দিত-ছোলার গাছ তুলে তার দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপত। সে কিছুদিন কানাডায় কাজ করে এসেছে। কথায় কথায় স্বপক্ষে যুক্তি দেখাতো-'কানাডায় আমরা ওরমই করতাম'।
    সেবারে হল কি-ন র কি খেয়াল হল, 'ফসল তুলে' আমাদের ঘুগনি বানিয়ে খাওয়াবে-আমরা জুনিয়ররা খুবই খুশি-আমাদের দিনরাত খিদে পায়। কিন্তু সিনিয়ররা এসে বললেন, 'রান্ন্নাটা কোথায় হবে ভেবে দেখেছ আশা করি'।
    ন-র জবাব,'কেন প্রেশার কুকারে?'
    সিনিয়ররা-'নতুন কিনলে কবে?'
    ন-কেন, আগেরটা তো ঠিকই আছে।

    আমাদের হাড় হিম, চক্ষু ছানাবড়া-ঐ পুরাতন কুকার তাতে কতশত ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়াকে সেদ্ধ করা হয়েছে-স্টেরিলাইজ করা হয়, ধুয়ে নেবে, সবই ঠিক.. কিন্তু কুকারে ঘুগনি! তার ওপর সিনিয়ররা বললেন, 'স্পোর টোর থাকলে তো চিত্তির।'
    ন -কে এসব বললেই হত কিন্তু কানাডার কথা ভেবে সবাই পিছিয়ে গেল।
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:৫৯377899
  • কুমুদিদি,
    বন্ধুত্বের গল্পটা বরং দেখা হলে বলব। আজ অন্য একটা গল্প বলি। এই গপ্পোটা করেছিলাম প্রায় এক যুগ আগে, মজলিশে।

    তো গপ্পটা এই রকম-

    বহুযুগ আগে আমি যে ল্যাবে কাজ করতাম সেটি ছিল যাকে কয় ঘটনাবহুল। যেমন আমি জয়েন করার দুদিনের মধ্যে একজস্ট ফ্যানখানা নিজের কুঠুরি ছেড়ে আমার দিকে ধেয়ে এল, সাতদিনের মধ্যে ছাদের পলেস্তারা ঝুপঝাপ মাথায় ঝরে পড়তে লাগল-ফলস্বরূপ ল্যাবে মেরামতির কাজ শুরু হ'ল, আমাদের কাজকম্মো-ও শিকেয় উঠল। সেই সময় বিবিধ কেমিকাল এদিক ওদিক সরানো হচ্ছিল, পুরাতন কেমিকাল ফেলে টেলে দেওয়াও হচ্ছিল।
    তখন বর্ষাকাল। আমরা কজন দোতলায় লাইব্রেরিতে বসে, ল্যাব তিনতলায়। এমন সময় বিকট শব্দে তিনতলা থেকে বিকট শব্দে বোমার আওয়াজ-দুম দুম দুম দুম ফট। সে তো মহাকান্ড মহা হুড়োহুড়ি-লাইব্রেরিয়ান বলেন সমস্ত সুইচ নেবাও, অধ্যাপক বলেন ঝাঁপ দাও, সিনিয়র বলেন, দমকলের নম্বরটা কত..
    তারপর আওয়াজ টাওয়াজ কমলে, আমরা কজন জুনিয়র পাটিপে টিপে তিনতলায় গিয়ে দেখি-ছাদের খোলা জায়্গায় বিস্তর শিশি বোতল-খালি, আধখালি। একটি বোতল-মুখ খোলা-লেখা ক্যালিয়াম-বৃষ্টির জল চুঁইয়ে ঢুকেছে... অতঃপর ছ্হত্রের দল বাকি পটাশিয়াম ছাদের জমা জলে ছুঁড়ে ছুঁড়ে ব্যাং বোমা খেলতে লাগল আর বাকিরা তুই থুলি না মুই থুলি করতে ব্যস্ত রইলেন।

    তো এই ল্যাবে ছিল একখান অটোক্ল্যাভ-স্টেরিলাইজ টাইজ করার জন্য। সিনিয়ররা এর পাশাপাশি কিনেছিলেন এক ঢাউস সাইজ প্রেশার কুকার-অল্প জিনিস স্টেরিলাইজ করতে হলে, লোড্শেডিং হলে বা অটোক্লেভ খারাপ হলে ( প্রায়ই হত কারণ জল না ভরে সুইচ অন করার লোকের অভাব ছিল না)আমরা সেটি ব্যবহার করতাম। পুরোনো হয়ে গেলে নতুন কুকার কেনা হত।
    আমাদের ঘটনাবহুল ল্যাবে নতুন কুকার কেনা হলেই তাতে মাংস রান্না করে উদ্বোধন হ'ত। বানসেন বার্নারের ওপর ট্রাইপড তার ওপর তারজালি, তার ওপর লগবগ করছে বিশাল দেহী কুকার, মাংসের খোশবাইতে ম ম, এক এক করে সবাই নুন ঝাল টেস্ট করছে..আহা!
    আমাদের দেখাদেখি অন্য ল্যাবেও প্রেশার কুকার কেনা হয়েছিল। গপ্পোটা অন্য ল্যাবের কুকার নিয়েই।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:১৭377898
  • পিস্তাও চলতে পারে, ঐ নামে গানও আছে।
  • d | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:১৫377897
  • কেন হনুর প্রচন্ড রেগেমেগে দেওয়া 'ইপিস্তা' নামটা খারাপ কি বাপু!``
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:০২377896
  • না কিছুটা স্তেঁহ মিশে থাকত। ওইজন্য 'থ'। বলেছি না, লোকে খুব হিংসে কত্ত আমায়। হি হি হি হি।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:০০377895
  • ঠ্যাঁটাস! ঃ)
  • প্রবঞ্চক পানকৌড়ি | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৫৩377894
  • ইংলিশ মিডিয়াম হলে ঠিঠ্যাস বলা উচিত।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৪৯377893
  • সে খুব কায়দা করে 'থিথাস' এইরকম কিছু বলত। ইংলিশ মিডিয়াম। ওঁর ফলোয়ার্সরা খুবই হিংসে কত্ত আমায়।
  • de | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৩৭377892
  • কিরকম কিৎকিৎ য়ের মতো শুনতে!
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৩৪377891
  • জনতা আমাকে সাজেস্ট করেছিল নামটা 'ৎিৎাস' এইভাবে লিখতে। মনে পড়ল আমার চারবছরের ইলেক্ট্রিক্যালের ল্যাব পার্টনার সেই বান্ধবী ওই ভাবেই ডাকত। তো পাঁজরের কথা ভেবে আর লিখলুম না।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১২:০৭377890
  • হ্যাঃ, পাই নামটাই সেরা।
  • dc | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১১:১৫377889
  • রাউল গান্ধী নামটা তো অনেকদিন ধরেই মার্কেটে চলছে। মাইকেল রহস্য অবশ্য আগে শুনিনি। কিন্তু ওই পোস্টটার আসল জায়গা আগামীর অবয়ব টই।
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১১:০০377888
  • কুমুদিদি,
    আমরা এখন পঞ্চাশ ছুঁতে চলেছি। সে গলা আর কি আছে?
    আর বন্ধুত্বের গল্পটা পরে কোনদিন।
    ইতি ছোটাই।
  • pi | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৫৯377887
  • এটা তো যাতা ! :P

    আমি সারা স্কুলজীবন দিদিমণিদের কাছে মোটামুটি ঈশিতা হয়েই থেকেছি। নিজের নাম কী হলে ভাল হয়, এনিয়ে যেহেতু জ্ঞান হওয়া ইস্তক আমার মাথাব্যথার অন্ত ছিল না, সেখানে নিজের নাম বা জুটে ঈশিতা কোনোটাই তেমন পছ্ন্দ না হওয়ায় কাছাকাছি শুনতে আর কী ভাল নাম হতে পারে, তাই নিয়ে প্রচুর অভিধান আর গল্পের বই ঘেঁটেছিলাম। ঈষিকা খারাপ লাগেনি, কিন্তু মানেটা পছন্দ হয়নি, বোধ্হয় হাতির চোখ ছিল। হাতির চোখ হবার ইচ্ছে ছিল না। ঈশা মোটামুটি পছন্দ হয়েছিল। তারপর অনেক ভেবেচিন্তে ইস্তা। যদিও এটার কোন মানে নেই। কিন্তু বন্ধুরা মাঝেসাঝে তাড়াতাড়িতে সত্যিকারের ঈশিতাকে এই নামে ডাকত, সেই শুনেই বোধ্হয় এসেছিল। এছাড়াও তিস্তা বেশ পছন্দের নাম ছিল, যদিও খুব কমন এই গ্রাউণ্ডে বাদ দিয়েছিলাম। তো, এত ভেবেচিন্তে মা বাবার কাছে দরবার করেছিলান, এফিডেভিট করে নাম ইস্তা করে দাও। মন্জুর জয়নি তো দেখাই যাচ্ছে। পদবী এফিডেভিটের সময়ও খুব হাত নিশপিশ করেছিল, কেউ রাজি হল না। শেষে এই নামে জিমেইল আকাউন্ট খুলে তাও কিছুটা শান্তি পেলাম।
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৫৩377886
  • ইন্দিরা ও ইন্দ্রাণীর আলাপের গল্প হোক।
  • kumu | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৫২377885
  • আহা,ব্যাঙ্গালোরের রঙ্গস্থালা(ঠিক লিখলাম নামটি?) প্রেক্ষাগৃহে এঁর গান অসাধারণ লাগবে।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৪২377884
  • :))
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৪০377883
  • টি, ঐ ভুল আরো অনেকে করে। ওর বিয়েতে স্বয়ং পুরুতমশাই ইন্দিরার বদলে ইন্দ্রাণী বলে যাবতীয় মন্ত্রপাঠ করে গেলেন। আমি সামনেই বসা।
  • T | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৩৫377882
  • না না, নামটা ইন্দিরা হবে। ভুল লিখেছি।
  • i | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৩৪377881
  • কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় কালমৃগয়া হয়-আমি তখন নিতান্ত বালিকা-ইন্দিরা আমার থেকে এক বছর এর বড় হবে। ওর ঋষিকুমার শুনে বিশেষ করে তুই আয় রে কাছে আয় আমি তোরে সাজিয়ে দি শুনে আমি সেই বয়সে মুগ্ধ হই-সে মুগ্ধতা আজও কাটে নি।

    কালমৃগয়া ইউটিউবে পেয়ে যাবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত