এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৮ মে ২০১৭ ০৮:১৩378720
  • ঐ বাবার কথা মত সাজানো ঘটনা না হলে আর ভাল ব্যাপার কীসে ? যে ছেলে বাবা মায়ের কথায় নিজের প্রেমিকা বা বৌ কে ছেড়ে দেয়, যোগাযোগ অব্দি রাখে না, তাকে জোর করে কেড়ে এনে লাভটাই বা কী ! মানে ঐ 'অধিকার আদায়ের গল্প' হলে এভাবে কীসের অধিকার আদায় করা যায় বুঝিনা।
    ডিভোর্স দিতে না চাওয়া নিয়েও এই ব্যাপারটা বুঝিনা। কেউ থাকতে না চাইলে জোর করে আটকানো কীসের ? আর পুরোটাই অর্থনৈতিক অধিকারের ব্যাপার হলে, সেটা সেভাবেই প্রোজেক্ট করা হোক।
  • s | ১৮ মে ২০১৭ ০৭:২০378719
  • ব্যপক। মেয়েটিকে সাবাস। পাশে আছি।
  • pi | ১৮ মে ২০১৭ ০৭:১৪378718
  • 'হিন্দী ভাষার আগ্রাসন যে মূল উদ্দেশ্যের ফ্ল্যাগশিপ, সেই কালচারাল মনোলিথ নির্মাণকে আটকানো ভীষণ দরকার। গেরুয়া হাফপ্যান্ট বানানোর ইন্ডাস্ট্রি পশ্চিমবঙ্গ হতে পারে না। তো, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র বাংলা ভাষাকে প্রমোট করা উচিত। যত তাড়াতাড়ি এই মুভ তৈরী করা যায় তত ভালো।'

    টি এর এই পোস্টে ক। কিন্তু বান্গ্লাদেশের ব্যাপারটা ঠিক কী বললি বুঝ্লাম না।
  • s | ১৮ মে ২০১৭ ০৬:৪৪378717
  • মব্যা নিয়মিত হিন্দিতে বক্তৃতা দিলে হিন্দি ভাষা অচিরেই উঠে যেত, বাংলাকে আর আইন করে বাধ্যতামুলক করার প্রয়োজন হত না।
  • T | ১৮ মে ২০১৭ ০৪:৫৭378716
  • এবং আরো একটা ব্যাপার হানুদাকে ভেবে দেখতে অনুরোধ করব যে অন্যান্য বেশ কিছু ভাষা কিন্তু মূলতঃ রাষ্ট্রক্ষমতার ভাষা। আমি জানি না এরকম উদাহরণ যেখানে বাংলা ভাষাকে প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে অপ্রেসনএর জন্য। কারণ আমাদের ভাষা তো শুধুমাত্র মুখের বুলি নয় তার টেক্সট সাংস্কৃতিক বহুস্বরকে প্রমোট করে, অন্ততঃ উদারবাদের স্থান আছে। শাসকের ভাষা হয়ে যায় নি এখনো। বিগত একশোবছরের ইতিহাস তো সাক্ষ্য। তো বাংলা পড়তে বলার সাথে আধিপত্যবাদকে যতটা অ্যাসোসিয়েট করা যায়, তার থেকে অনেক বেশী করা যায় হিন্দীকে। সে আমি ওরা কিস্যু কবিতা লেখেনি বা ঐ তো রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ঢপের বচ্চন সায়েবের ব্যারিটোন কবিতা ইত্যাদি এইসব বলে হ্যাটা দিচ্ছি না :), কিন্তু এ তো সত্য। যে পরিমাণ কবি রয়েছে, লাইন দিয়ে দাঁড় করালে কলকাতা থেকে ইজিপ্ট অবধি চলে যাবে:)। বিরোধীতার ভাষা হিসেবেও একটা ক্রেডিবিলিটিতো রয়েছে।
  • T | ১৮ মে ২০১৭ ০৪:৪৩378715
  • মমতার অবর্তমানে গোটা পার্টিটাই উঠে যাবে অথবা কাছাখুলে কংগ্রেস নয়তো বিজেপিতে যোগদান করবে। কিন্তু লেফট পার্টি তখনও টিকে থাকবে। যদিও লড়াইটা হবে এখনকার থেকেও কঠিন। বিজেপির হাতে একবার গেলে সর্বনাশ করে ছেড়ে দেবে, বিশেষতঃ তেত্রিশ পার্সেন্ট মুসলিমদের জায়গায়। আসামের মতো পরিস্থিতি হতে কতক্ষণ। তো সে অবস্থায় ভাবো একবার ভোট চাইতে গেছো এই বলে যে, দেখুন দরিদ্র ভারতবাসী আমার ভাই, আমরা মেহনতী শ্রমিকের পক্ষে। সে পালটা দেবে যে, যে বিহারীগুলো চটকলে কাজ করে তাদেরও পক্ষে নাকি! তা হলে আসুন। তো বলতে চাইছি, একবার মনোলিথ নির্মাণ হয়ে গেলে বর্তমান সময়ে সে ভাঙা খুব কঠিন, কারণ ইতিহাস প্রাক মোবাইল রেভোলিউশন যুগে আলাদা রকম ছিল। ভবিষ্যতে অন্যজনের অন্যস্বর বাঁচানোর জন্যেই আপাতত এই বাংলা ভাষার গজের চালটুকু খেলা দরকার।
  • T | ১৮ মে ২০১৭ ০৪:২৯378714
  • আমি ঠাট্টা করছি কোথায়। বাংলা ভাষা পড়ানোর সাথে দাঙ্গা আটকানোর কোরিলেশন থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। কিন্তু আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ ভাষাজনিত একটা রাজনৈতিক দখলদারি মানসিকতাকে আপাতত তো আটকাতেই হবে। হিন্দী ভাষার আগ্রাসন যে মূল উদ্দেশ্যের ফ্ল্যাগশিপ, সেই কালচারাল মনোলিথ নির্মাণকে আটকানো ভীষণ দরকার। গেরুয়া হাফপ্যান্ট বানানোর ইন্ডাস্ট্রি পশ্চিমবঙ্গ হতে পারে না। তো, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র বাংলা ভাষাকে প্রমোট করা উচিত। যত তাড়াতাড়ি এই মুভ তৈরী করা যায় তত ভালো।

    মাল্টিকালচারালিজম না থাকলে বিরোধীতার অন্যতম প্ল্যাটফর্মই হারিয়ে যায় সে তো একশোবার। জনমানস থেকে উঠে আসা বিরোধীতা মানুষের মধ্যে থেকেই মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু যেটা সরকার স্পনসর্ড, তার পালটা দিতে হলে অন্য উপায় কি।

    আরেকটা ব্যাপার যেটা মনে হয়। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সিচ্যুয়েশন দেখো। হিন্দীর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ফলোড বাই ভারতীয় পণ্যের বাজারদখল, ওদের দেশের মানুষকে আরো বেশী খেপিয়েছে। এরপর একটা সময় আসবে যখন স্রেফ ভারতবিরোধীতাই ক্রমশঃ এদের একটা এক্সট্রিম এন্ডে নিয়ে যাবে এবং এরা তখন আরো বেশী করে ওয়াহাবিজম অ্যাক্সেপ্ট করতে বাধ্য হবে। সৌদির রিসেন্ট ইনভেস্টমেন্ট যেমন। তো এই কালচারাল ভাবে কোণঠাসা এলাকা অনেক বেশী রিজিড নিজেদের ভাষার প্রতি। এরকম উদাহরণ তো আমাদের পশ্চিমবঙ্গেও দেখা যাচ্ছে। শুধুমাত্র রঞ্জন ঘোষালের ফেসবুক পোস্টের বিরুদ্ধে যাঁরা লিখছেন তাঁঁদের সবার ছেলেমেয়েরা কি বাংলা মিডিয়ম বা বাংলা পড়ছে? নট নেসেসারিলি। তো ভাষা সংক্রান্ত নিজেদের অস্তিত্ব কোথাও আঘাত পাচ্ছে বলেই রেজিস্ট্যান্সটা আসছে। তোমার দাবী মতন এই রেজিস্ট্যান্সটুকুন আরো জঙ্গী হওয়া আটকাতে গেলে, মাল্টিকালচাল এবং উদারতা প্রমোট করতে গেলে প্রাথমিক আঘাতটাই আটকাতে হবে।
    ফলে পূর্বেই বিনাশ প্রয়োজন।
  • h | ১৮ মে ২০১৭ ০৪:০২378713
  • আমি অবশ্য টি এর মতই ঠিক ইয়র্কির মুডে নেই। এই বিষয় টা নার্ভ রেকিং।
  • h | ১৮ মে ২০১৭ ০৪:০১378712
  • কে জানে তুমি হয়তো বেটার গ্রাউন্ড সিচুয়েশন জানো। আমিও কিছুটা জানি। সামান্য হলেও। অবশ্য এই ক্লেম টা অনেকেই করে থাকে। আমরা আসলে কেউ ই কিসু জানি না ঃ-)))) আশংকা আর স্পেকুলেশন।

    এমনিতে কোন যুক্তি নেই অবশ্য। ১৯০৫ এর পরে ন্যশনালিজম দিয়ে ১৯৪৬, ৫২, ৬২ কিছুই আটকনো যায় নি বাংলায়, আসামে ১৯৭৪, ৭৭,৭৯ আটকানো জায় নি, আবার ৯২ ও আটকানো যায় নি, এখন ও সেই অত্যাচার চলছে।

    বাংলা দের্শের লিল্বেরেশন টা অন্য দেশ এবং স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল এটা মনে রাখা দরকার।

    আসলে কিছুই না এই বিচিত্র বিশ্বাসের মূলে রয়েছে, একটা জেনুইন আশংকা সেটা না বোঝার কারণ নেই, আর একটা অসহায়তা যে বাম পার্টি উঠে গেছে, অত বারা ভেবে লাভ নেই, মমতা যা পারছে করুক এবং অ্যাসামশন টা হল, সিপিএম ভেঙ্গে লোকে বিজেপি তে গেছে, তৃণমূলে সে ভাঙন দিদি একা রুখে দেবে, ক্ষমতার লোভে উচ্চ বর্ণ হিন্দু লোকাল নেতারা এই কমিউনাল মোবিলাইজেশনের বাইরে থাকবে। অন্য জায়গার কথা হয়তো অত ভালো ভাবে জানি না, বীরভোমের অভিজ্ঞতা এবং খবর আলাদা। গোটা গ্যাং বিজেপি তে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। যেখ্কানে যত বিরোধীহীন তত আশংকা বেশি।
  • Atoz | ১৮ মে ২০১৭ ০৩:৫৪378711
  • মহাব্যোমে তখন সঙ্গীত শোনা যাবে, "সাম্য সমীক্ষপন্থা"
    ঃ-)
  • T | ১৮ মে ২০১৭ ০৩:৩৭378710
  • বিশ্বমানবতার জয়গান গাওয়ার সময় প্রচুর পাওয়া যাবে। কে না জানে যে সেই বৃহত্তর আলোকপথের শেষে সবাই একে অপরকে জড়িয়ে ধরবেন এবং মিটিং এর আগে চোখের জল মুছবেন, কিন্তু কিছু আশু কর্তব্য না করলেই নয়। সারা দেশ জুড়ে যখন এক ভোট এক রাম এর চর্চা হচ্ছে সেখানে এই পালটা প্রতিরোধটুকুন দরকার।
  • h | ১৮ মে ২০১৭ ০৩:২৬378709
  • না মানে বাঙালী অবাঙালী র মারা মারি করা টা অনেক জেলা বা অঞ্চলেই এখন একটা রীতি। আসানসোলে, এই সব বোকা বোকা ঝগড়া তেই বিজেপি সিট পেয়েছে। আর এই পয়লা বৈশাখের মিছিল টিছিল, (রামনবমীর মিছিলের পাল্টা) খানিকটা তাও থিক ই আছে, কিন্তু ১৯০৫ এর পর থেকে বাঙালী ন্যাশনালিজম দিয়ে কমিউনালিজম এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় নি, বাংঅলা দেশের লিবেরেশন কে না ধরলে।

    যদিও সব বিজেপি বিরোধী স্টেপ ই ভালো লাগে, তবে এদিয়ে মমতার দলের নেতাদের একটা সিগনিফিকন্ট অংশের বিজেপি তে যাওয়া আটকাবে কিনা সন্দেহ আছে। স্পেকুলেট করতে ইচ্ছে করছে না, সিনিকাল। পয়সা দিয়ে, তোলাবাজি করতে দিয়ে রাখা দলের ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাণীর গভীরে অন্য আকরষণী কাজ করে, এখন সেটা কদ্দিন করবে জানি না।

    বিজেপি কংগ্রেসে আমলে বলতাম, খুনী গুন্ডার থেকে চোর ভালো, মানে ৯০ দশকে, এখন খুনী গুন্ডা 'এবং' চোরের থেকে কে যে ভালো ঃ-))))))))))))))))))))))
  • T | ১৮ মে ২০১৭ ০৩:২৫378708
  • বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মুভ, কোনো সন্দেহই নেই। কিন্তু দরকারী। একশো শতাংশ সমর্থন করি।
  • Atoz | ১৮ মে ২০১৭ ০০:৪২378707
  • বুদ্ধি, বুদ্ধি, চমৎকার বুদ্ধি। ঃ-)
  • Ishan | ১৮ মে ২০১৭ ০০:৪১378706
  • নেহাৎই পোলারাইজেশনের রাজনীতি হলেও ঠিকই আছে। ভিপি সিং কোনোকালেই 'সামাজিক ন্যায়' এ বিশ্বাস করতেন বলে মনে হয়নি আমার (নেহাৎই পার্সোনালি মনে হয়নি)। কিন্তু কমন্ডলের বিরুদ্ধে ঠিক সময় মন্ডল এনেছিলেন। এও তেমনই হতেই পারে। নাও পারে অবশ্য।
  • j | ১৮ মে ২০১৭ ০০:২৯378705
  • দু দি - একদম বুলস আই

    এই ট্রেন্ডটা বেশ সযত্নে লালিত হচ্ছিল, মমতা ঠিক সময়ে মার্কেটে ছেড়ে দিল

    নেঃ চুরি চামারি ভোটলুঠ ভুলে যা ব্যাটা, এক তিনোধারীকবি যে কিনা ভাঙরে গুলি জাস্টিফাই করে সেও নাকি এই উপলক্ষে কাল কোথাও একটা হাঁটতে বলছে
  • Du | ১৭ মে ২০১৭ ২৩:১৯378704
  • এটা কি হঠাত করে বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা জাতীয়তা নিয়ে আবেগ জোটানোর জন্য? মানে আমি তৃতীয় ভাষা হিসেবে হলেও একটু বাংলা যেন পড়ে সেটা সাপোর্ট করি কিন্তু হঠাত করে এই বিলের ধান্দাটা বুঝতে চাইছি। ছাত্র ফেডারেশনের দাবি মানার জন্য তো করেনি নিশ্চয়ি।
  • h | ১৭ মে ২০১৭ ২৩:১৫378703
  • অর্পণ ঃ-)))), বাল। তুমি আছো ক্যামোন।
  • Arpan | ১৭ মে ২০১৭ ২৩:০৩378702
  • আরে কিছু না হোক শীর্ষেন্দু তো পড়বে। ঃ |
  • Atoz | ১৭ মে ২০১৭ ২৩:০২378701
  • বার্মুডা ট্রাঙ্গেলে নতুন করে বিমান নিঁখোজ এর খবরটা কি সত্যি? নাকি বানানো?
  • h | ১৭ মে ২০১৭ ২২:১২378700
  • বাংলা ভাষা জোর করে পড়ানো হলে যদি বাংলা বইয়ের কদর বাড়তো তাহলে হয়েই গেছিল, লোকে ওয়ার্ক এডুকেশন এর মত করে পাশ দেবে এই আর কি।
  • h | ১৭ মে ২০১৭ ২২:০৭378699
  • এটা কোন কাজের কথাই না, এই বাংলা সবাই কে পড়তে হবেটা। অন্য ভাষাভাষী লোকজন কি করবে। আর এই রিয়াকশন টাও ওটিটি, ওভার দ্য টপ। বাড়াবাড়ি।

    আমি এই বাঙালী ন্যাকামো টা বুঝি না। ইংরেজি শেখানো হচ্ছে না বলে সবাই এস ইউ সি আই সহ ঝুলে পড়লো। তো ভালো করলো, কিন্তু আসল যেটায় চেপে ধরা উচিত ছিল তখনকার সরকার কে, সেটা হল, বস বাংলায় ভালো উচ্চ শিক্ষার বই, সরকারী কাজকর্মের রীতি চালু করছো না, কেন, মাতৃ ভাষা মাত্রি দুগ্ধ এসব অশোক মিত্র কমিশন বলবে, আর সরকারী কাজকর্ম চলবে ইংরেজি তে, কোনো বাংলা ফর্ম থাকবে না এটা তো চলতে পারে না। অল্প এগো লো, কিন্তু আন্দোলনের মুখটা রইলো ইংরেজি না শিখলে চাকরি পাওয়ার সুযোগ, উচ্চ শিক্ষার অসুবিধে টা দূর করার কোন উদ্যোগ সেভাবে হল না। সেটা হলনা। সস্তায় রাজনীইতি হল। এর পরে শুরু হল সুনীল গাঙ্গুলি দের আন্দোলন, সব দোকান কে বাংলা সাইনবোর্ড লাগাতে হবে, এটা কোনো কথাই না। যার যা ইচ্ছে লাগাবে। ঘটনা হল, বিভিন্ন দেশী ভাষায় সাইনবোর্ড লাগানো উচিত, সেটায় জোর না দিয়ে পশ্চিম বঙ্গ কে শুধু বাঙালীর বাড়ি ধরে নিয়ে এসব করা হল সস্তার রাজনীতি হল। এখন ও সেটা হচ্ছ্হে। ভারতের অঙ্গরাঅজ্য, অনেক ভাষার লোক আছে, সবার কথা সুবিধে অসুবিধে মাথা রাখা উচিত। এগুলো জাস্ট সস্তায় হাত্তালি কুড়োনোর উপায়। সরকারী কাজ ইত্যাদি তে বাংলার ব্যবহার তিরিশ চল্লিশ বছররের তুলনায় অল্প বেড়েছে। সেদিকে কারো নজর নেই।
  • dc | ১৭ মে ২০১৭ ২১:২৮378698
  • আপের ব্যপারে একটা ভারি অদ্ভুত খবর পড়লাম। ওরা নাকি দিল্লীর সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম মাইনে ৩০% বাড়িয়েছে, কিন্তু ভোটের আগে সেটা পাবলিসাইজ করেনি ট্রেডার লবির চাপে। কি অদ্ভুত!

    https://kafila.online/2017/05/16/the-elephant-in-the-room-silence-on-class-issues-in-indian-politics-sanjay-kumar/
  • pi | ১৭ মে ২০১৭ ২১:১৯378697
  • গর্গর এই পোস্টটা দেখলাম।

    '

    *শেয়ার করার অনুরোধ রইল*

    আজ যখন বাংলার আপামর বাঙালী বাংলাকে ইস্কুলে আবশ্যিক করার সিদ্ধান্তকে দুই হাত তুলে সাধুবাদ জানাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বাংলার বুকে বসে হিন্দি-দিল্লীর দালাল হবার উপসর্গ চিনুন। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার কলকাতা সংস্করণে ও টেলিগ্রাফে এই নিয়ে কদিনে একাধিক "খবর" বেরিয়েছে - সবকটাতেই বলা হচ্ছে "ব্যাপক" অসন্তোষ ও ক্ষোভের কথা। টেলিগ্রাফ বা টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে গালমন্দ করার আগে বুঝতে হবে এই কাগজের জন্য কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গের খবর যারা করেন, তারা কারা? তারা কোন বোর্ডে পড়েছেন? তারা তাদের কলকাতা অপিসে নিজেদের মধ্যে কোন ভাষায় কথা বলে? গত ৫ বছরে এরা কটা বাংলা বই পড়েছে? এদের ফেসবুক প্রোফাইলে শেষ কবে বাংলায় কোন পোস্ট দেখেছেন? এরা বাংলায় কোন রাজনৈতিক শক্তিকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করেন? এরা যেসব রিপোর্ট লিখেছে সেখানে উঠে এসছে এমন সব দিল্লী বোর্ডের স্কুলের "ক্ষোভ" যাদের বিজ্ঞাপন এরা বড় করে ছেপে টাকা কামায়। সেইসব স্কুলগুলিকে চিনে রাখুন। নর্থ পয়েন্ট ইংলিশ একাডেমী (এখানে বোধহয় শেক্সপিয়র হবার শিক্ষা দেওয়া হয়) স্কুলের এক অভিভাবক বলছেন - আমি তো দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে আমার ছেলে অর্চিস্মানকে হিন্দি দিয়েছি ইংরেজির সাথে কারণ আমি ভালো বাংলা জানিনা এবং অকে সেটা পড়াতে পারব না ( অর্চিস্মান কিন্তু বাঙালী নাম - বক্তব্য যার তিনি প্রবাসী ছিলেম - জামশেদপুরে বড় হয়েছেন -তাই হিন্দিই জানেন - কি স্বাভাবিক না? এটাই কিন্তু বাংলায় অস্বাভাবিক বানিয়েছে এরা -এমনই দ্বিচারিতা যে এই কাগজই একই প্রতিবেদনে বলে ভিন রাজ্যের ছাত্রদের সমস্যার কথা - জিজ্ঞেস করে না কেন অর্চিস্মানের মা জামশেদপুরে থাকার ফলে হিন্দি পড়তে বাধ্য হয়েছেন - অর্চিস্মানের মায়ের বাবামা কি প্রতিবাদ করেছিলেন আজ যেমন অর্চিস্মানের মা করছেন? তফাৎটা কি? )। অবাঙ্গালী শীতল মিমানি সারদার সন্তান পড়ে হোলি চাইল্ড ইংলিশ একাডেমীতে। ইনি বলছেন হিন্দি তাঁর মাতৃভাষা তাই সন্তানকে ইংরেজি ও হিন্দি দিয়েছেন, বাংলা ভাষা প্রাদেশিক, বাংলার বাইরে কাজে লাগবে না, ইত্যাদি। অবাঙ্গালী শ্রীমতী সারদা যে রাজ্য থেকে আগত, সেখানে তাঁর মাতৃভাষা হিন্দি না পড়ার সুযোগ আছে অহিন্দিভাষীদের? নেই। এমন কোন হিন্দিভাষী রাজ্য নেই যেখানে হিন্দি না পড়ে কেউ ঈশকুল পাশ করতে পারবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বাংলার ক্ষেত্রে লজিক সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর নিজের রাজ্যে তাঁর মাতৃভাষা সকলের আবশ্যিক আর এই বাংলার তাঁর হিন্দি মাতৃভাষা বাদ না দিয়েই বাংলা পড়ার ক্ষেত্রে তাঁর সমস্যা। ইনি কাকে ভোট দেন এই বাংলায়? থাক, সেদিকে আর গেলাম না। এক্ষেত্রে রিপোর্টারের নাম আস্থা আগরওয়াল। ইনিই বা কাকে ভোট দেন এই বাংলায় বসে? থাক, সেদিকেও আর গেলাম না। ও হ্যাঁ, আগের রিপোর্টটি, যেটি মহাশ্বেতা নামক এক প্রবাসী বাঙ্গালিনীর (অধুনা বঙ্গবাসী), সে ক্ষেত্রেও রিপোর্টার একজন আগরওয়াল। ক্লাস ৮এর পরে বাংলা পরানর বিরোধিতা করেছে সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রিন্সিপাল (হিন্দি নিয়ে কিন্তু করেননি যেটি ১২ ক্লাস অবধি পড়তে হবে )। বাংলা যে বোঝা হবে, তা জানিয়েছেন দিল্লী বোর্ডের ঈশকুল মডার্ন হাই স্কুলের প্রিসিপাল। বিডি মেমোরিয়াল ইস্কুলের প্রিন্সিপাল একই কথা বলেছেন। আরও বলেছেন যে আমাদের ইক্সুলে যাদের বাবামায়ের বদলির চাকরি, তারা কর্ণাটকে গেলে এখানে বাংলা শিখে কি লাভ? যেটা উনি ছেপে গেলেন যে কর্ণাটকে কন্নড় আবশ্যিক। অর্থাৎ বদলি হয়ে কর্ণাটকে গেলে আবশ্যিক ভাবে কন্নড় শিখবে, কিন্তু এই বাংলায় এখন বসে আবশ্যিক বাংলা শেখা ঠিক না। হেরিটেজ স্কুলবলছে যে তাদের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী পাশ করে পশ্চিম বাংলা ত্যাগ করে (আমাদের রাজ্যটা সাময়িক হোটেল আর কি), তাই বাংলা কেন? এদের প্রিন্সিপাল অবাঙালী সীমা সাপ্রু সাথে এও বলেছেন যদি বাংলা হিন্দির মত "আধুনিক" হত, তাহলে ভালো হত (প্রসঙ্গত "হেরিটেজ" মানে সংস্কৃতি - এখানে সংস্কৃতিটা কি এবং কার, তাঁর শ্রেণিগত-ভাষাগত চরিত্র কি, হেরিটেজের এই প্রিন্সিপাল এবং বাংলা যাদের কাছে সাময়িক হোটেল, তারা কোন দলে ভোট দেয়?পাঠকেরা আসা করি সবকিছুই জানেন ও বোঝেন। টেলিগ্রাফ রিপোর্টে দিল্লী বোর্ডের স্কুলের জন্য অনেক সহমর্মিতা, ভাষা চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না, ইত্যাদি - সাথে রিপোর্টে কিন্তু বলা যে সিবিএসই শ্বকুলে হিন্দি আর ইংরেজি, এদুটি পড়তেই হয়। সেখত্রে টেলিগ্রাফ এতদিন হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্নতোলেনি কেন? মজার। আবার দুঃখেরও। এই কাগজের মালিক যারা, তাদের আরেক কাগজ আনন্দ বাজার পত্রিকা - একমাত্র বাংলা কাগজ যারা প্রথম পাতায় বাংলা আবশ্যিক করার খবরটি ছাপেনি। এই সব মিলিয়ে কি বুঝলেন? এই সকল বয়ানে যা প্রকট, তা হল এলিটের স্বার্থে ঘা লেগেছে। যারা এই সময়ে এই সিদ্ধান্তের শ্রেণী চরিত্র বুঝছেন না, তাদের জন্য হিন্দিতে বিপ্লবী শ্লোগানই মানায়। আমি বুঝলাম, ভীমরুলের চাকে ঢিল পড়েছে এই সিদ্ধান্তে। যারা পশ্চিম বঙ্গ কে সাময়িক পাপোশ হিসেবে ব্যবহার করতে চান ভাগার আগে, তারা ভাবিত। তবে তারা এক সময় না এক সময় ভাগবেনই। এটাই তাদের স্বপ্ন। আমারও রইল শুভেচ্ছা। শুভস্য শীঘ্রম। আপনারা বাংলা থেকে বাঁচবেন। বাংলা আপনাদের থেকে বাঁচবে।'
  • pi | ১৭ মে ২০১৭ ২০:০৩378695
  • অভির চ্যাটের পোস্টটা ইন্টারেস্টিঙ্গ।একটা প্রচলিত ধারণা আছে এরকম মেসেজ খালি মেয়েরাই পেয়ে থাকে।
  • T | ১৭ মে ২০১৭ ১৯:৫৪378694
  • শুনেছিলাম রঞ্জনবাবু আইয়াইএসসি এমই এবং পিএইচডি :)। সঠিক জানি না অবশ্য।
  • Ishan | ১৭ মে ২০১৭ ১৯:২২378692
  • ঐযাঃ উনি আমার লিস্টিতে নাই কেন।
  • dc | ১৭ মে ২০১৭ ১৯:২২378693
  • "১৯৭৪ সালে, পেইন্টিং শিক্ষা, নাটকের প্রতি আগ্রহ, পারফর্মিং আর্ট অধ্যয়নে তাঁরা একসাথে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ১৯৮০ সালের ২৭ এপ্রিল, তাঁরা বিয়ে করেন"

    ব্যাপারটা কি? তাঁরা কি অধ্যনে যথেষ্ট ব্যস্ততা দেখাতে পারেন নি? আর অধ্যয়নেই যদি ব্যস্ত হয়ে পড়ে থাকেন তাহলে বিয়ে করার সময় পেলেন কিভাবে? এদিকে অধ্যয়ন ওদিকে বিয়ে, এসব কিন্তু ভালো ছাত্র-ছাত্রীর লক্ষন নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত