এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাই | ০৩ জুন ২০১৭ ১০:৫৫379290
  • কোরালম কিমাশ্চার্যম কেয়াবাতম।
  • k | ০৩ জুন ২০১৭ ০৮:৩০379289
  • আর কোরালম্ ??
    লালম্ নীলম্ সফ্টম কোরালম্!
  • pi | ০৩ জুন ২০১৭ ০৭:১৯379288
  • জলপুষ্পম হেরিয়া চমৎকৃতম।
  • Du | ০৩ জুন ২০১৭ ০৪:২৬379287
  • তাও আম্রিগার কোম্পানীগুলো ভাবে না যে নতুন রাজাই শেষ রাজা।
  • k | ০৩ জুন ২০১৭ ০১:৪০379286
  • মত্সম ইল্লে
    ইদে জলপুষ্পম্
  • Ishan | ০৩ জুন ২০১৭ ০১:৩৩379285
  • মৎস্যম সুন্দরম। অতীব সুন্দরম।
  • সিংগল k | ০৩ জুন ২০১৭ ০০:০১379284
  • এই রইল পাইদিদির জন্য তাইল্যান্ডের কটি স্লাইড -





    এখানে রইল আরো কটি চিত্র-
    https://postimg.org/gallery/2xc6s3rme/
  • সিকি | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:৪৪379283
  • আসলি ভিডো এইটা -



    চরম দিয়েছে।

    আর কেলোদাদার মোয়ার গপ্পো আজই প্রথম পড়লাম। অসাম শালা হয়েছে :)
  • k | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:৪৩379282
  • সে সব তো ৩৫মিমি স্লাইড, মাউন্ট করা। ডিজিটাইজ না করে এখানে দোব কি করে ?
    আপনাকে বরঞ্চ সেই তাইল্যান্ডের স্লাইডগুলো কিছু কিছু দিয়ে যাই। এখানেই লটকে দিই, কি বলেন ?
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:১৬379281
  • ঠিক আছে। স্লাইডগুলোই এখানে দিয়ে যাবেনখন।
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:১৫379280
  • ইদানীংকালে সত্যি যে জুজুটা দেখলাম, সে হল ভাঙরে। ওহো, সরি চাইছি। ভাঙড়ে।
  • সিংগল k | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:১৪379279
  • @ পাইদিদি
    আর ট্রানস্ক্রিপ্ট।
    বক্তৃতা মাথায় উঠেছে, খালি পুরোনো স্লাইড হাতড়াচ্ছি। জানিনা প্রোজেক্টর চাইলে পাব কিনা। ট্রাম্পসায়েব তো আমার বোলচাল বন্ধ করে দিয়েছে, শুধু ছবি দেখিয়েই কাজ সারব ভাবছি, বিচারের ভার দর্শকের বিবেচনার ওপরেই ছেড়ে দেব।
  • S | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:০৯379278
  • সোয়াইন ফ্লু নিয়ে তো সত্যিই অনেক বন্দোবস্ত হয়েছিলো।
  • সিংগল k | ০২ জুন ২০১৭ ২৩:০৬379277
  • দেখলেন ডিডিদার কান্ডটা!
    কিরকম পোদোর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দুধ কে দুধ পানি কে পানি আলাদা করে নিলেন, দেখলেন সেটা! ডিডিদার পালকটি পর্যন্ত ভিজল না। ডিডিদা নিজে চরম পরমহংস।
    আমি ও আমার যেসব বন্ধুরা এট্টু জুজু ধুয়ে করে খেতাম তাদের তো ভাতপানি মারা যাবার জোগাড় এক্কেবারে। গ্লোবাল ওয়ারমিং আর সী লেভেল রাইজ ওলারা কাল থেকে এক ধাক্কায় সংখ্যালঘু হয়ে পড়ল। এখন দিদিই ভরসা, যদি উনি ইমামভাতার মত কিছুমিছু একটা ভাতা চালু করেন তো আমরা প্রাণে বাঁচি। নইলে এনভায়রনমেন্ট নিয়েই যদি কারো মাথাব্যথা না থাকে তবে আর আমাদের দিয়ে লোকে তার ইমপ্যাক্ট এ্যাসেসমেন্ট করাবেই বা ক্যানো। ট্রাম্পসায়েব তো খুব বুক বাজিয়ে বললেন কাল থেকে আমেরিকার সব কয়লাখনি খুলে যাবে, মাইনারের চাকরীতে আর অন্নাভাব থাকবে না। কিন্তু আমাদের মত জুজুওলজীর লোকেদের কি হাল হবে তা কি উনি ভেবে দেখেছেন? দুবেলা দুটি ডিম জোটানোই মুস্কিল হয়ে যাবে যে।
  • Ishan | ০২ জুন ২০১৭ ২২:৫৮379276
  • কিমাশ্চর্যম জনস্বাস্থ্যম।
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২১:৫৬379275
  • মার্গারেট চান, হু র ডায়রেক্টর জেনেরল, চৈনিক।

    অনেকে মিলে ভয় না পেলে হয়তো সত্যিই সামলানো যেত না। সামলানোর জন্য তো অনেক বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছিল, এমনি এমনি ফ্লু ফ্লু আওয়ে, এমনটাতো নয়। জিকা নিয়েও তাই। আমাদের মিটিং এর একটা সেশনে ডঃ চান এর সারপ্রাইজ ভিসিট ছিল, এসে জিকা নিয়ে অনেক কিছু বললেন। শুনলে জুজু মনে হতে পারে। কিন্তু কন্ট্রোলে আনার জন্য যে কী পরিমাণ কাজ করা হয়েছে, ভাবা যায়না। পাবলিক হেল্থের কাজকর্ম এরকমই, কাজ করা হলে সে কাজের মর্ম কেউ বোঝেনা, না হলে তখন বোঝে।
  • dd | ০২ জুন ২০১৭ ২১:৩৯379273
  • আরে ধুদ্ধুর। আমি মোট্টে "গ্লোবাল ওয়ারামিং" এর ডিনায়ার নই। আমি জুজুবাদের বিরোধী।

    জুজুবাদ হচ্ছে -ঐ যে - মাঝে খুব উঠেছিলো - বল্লো যে আল্পসের বরোপ আর বছোর কুরি পরেই শুকায়ে যাবে বা গংগার সাক্ষাত গংগাপ্রাপ্তি হবে - সেও আর বছর পঁচেশের মধ্যেই। পরে দ্যাখা গ্যালো কোনো বিজ্ঞানীই এসব ক্লেইম করে নি। কোথাও হয়তো একজন টুরিস্ট গাইড বা ওরকম কেউ বলেছেন। তো হয়ে গ্যালো। সবাই মিলে মহা ক্যালোর ব্যালোর শুরু হয়ে গ্যালো। ওটাই জুজুবাদ।

    সোয়াইন ফুলু/চিকেন ফুলু নিয়েও তাই। WHO'র এক কর্ত্তা - এক বার্মিজ মহিলা - তার মুখ ভর্তি হাসি। সগর্বে কইলেন যে সোয়াইন ফ্লু এমনি প্যানডেমিক লেভেলে চলে গ্যাছে আর আটকানো যাবে না। যাও সব নিজ নিজ কাজে। শেষের কদিন একটু ধম্মোটম্মো করো হে। এইসব। ঠাকুর বলেছেন, পোদোরে। এটাই জুজু। পোদো বলে আর টিঁকতে পাচ্ছি না। গ্লোবাল ওয়ার্মিং'এ পাছুতে ক্ষী চুলকাচ্ছে গো।

    গ্লোবাল ডিওয়ার্মিং চলুক। আমি ক্যানো রাগ কর্বো ?
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২১:৩৬379272
  • এদিকে এই শো টা লাইভ মিস করে গেলাম!

    সম্বিত পাত্রের এরকম বেইজ্জতির শো ! লোকটা এমন পাঁকাল মাছগিরি করে, কিছু বলা যায়না, খুব খুশি হয়েছি এবার।
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২১:২৭379271
  • সোমবারে ট্রাম্প্সাহেব আর জুজুবাদ নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে দিন বরং। ট্রান্সক্রিপ্টটা জুজুবাদের টইতে লিখে দেবেন খন ঃ)
  • | ০২ জুন ২০১৭ ২১:০৯379270
  • :-))

    সোংবারে আমরাও জম্পেশ করে পরিবেশ দিবস পালন করব হ্যাঁ।
  • pi | ০২ জুন ২০১৭ ২০:৪৮379269
  • কেলোদা, ঃ))
    এদিকে আমি পোস্ট পুরো পড়ার আগেই উপর উপর এত অ্যালগি দেখে ভাবছিলাম, নির্ঘাত অ্যালগো থেকে কোনভাবে অ্যালগি হাজির করেছেন।

    অ্যালগো > অ্যালগা > অ্যালগি, কী কী দিয়ে হবে ?
  • Ishan | ০২ জুন ২০১৭ ২০:২৭379268
  • মুষ্টিদূরভাষম পয়োমুখম।

    এটা সাধু তেলুগু।
  • Ishan | ০২ জুন ২০১৭ ২০:২৬379267
  • শৈবালম স্ত্রীলিংগম। আন্না আন্না।
  • mila | ০২ জুন ২০১৭ ২০:১৪379266
  • @sm - এই সমস্যা আমার বাবা মা দুজনের ফোন এই হচ্ছে
    ইটা হলে সঙ্গে সঙ্গে ভোডাফোন এর অনলাইন সাপোর্ট এ চ্যাট এ বলছি, ওরা ডিএক্টিভেট করছে আর টাকা ফেরত দিচ্ছে
  • T | ০২ জুন ২০১৭ ১৯:৩৩379265
  • :)
  • সিংগল k | ০২ জুন ২০১৭ ১৮:৫৫379264
  • ট্রাম্পসায়েব দিয়েছেন পোকিতিপেমীদের নাকে ঝামা ঘষে। গ্লোবাল ওয়ারমিং এর জুজুবাদ এক্কেবারে নিপাত গেচে। চাদ্দিকে হাহাকার পড়ে গিয়েছে একেবারে। ডিডিদা নিশ্চয় বেজায় খুশী হয়েছেন। হয়ত বা ওলড মঙ্কই খুলে বসেচেন এক বোতল। বত্তোমান পরিস্থিতিতে ডিডিদার মহামূল্যবান মতামত জানতে চাই।
    চীনাদের আর আমাদের ট্রাম্পসায়েব তাঁর বক্তৃতায় এত হ্যাটা করলেন, অথচ দুই দেশের নেতারাই নেতিয়ে রয়েছেন। কোত্থেকে পর্শুদিন রাজা হওয়া ফ্রান্সের নেতা দেখলুম বেশ তেড়েফুঁড়ে উঠেচেন। এদিকে যদি বলি ছাতি দু ইঞ্চি কম হোক ক্ষতি নেই কিন্তু ইয়ং নেতা চাই, তাহলেও বিপদ তাজা ইটালিয়ান নেতা ধরিয়ে দেবে হয়তো। আমও যাবে ছালাও যাবে। ভারি মুস্কিল হল দেখচি।

    এদিকে সোমবারে আমাকে একটা বক্তৃতা দিতে ডেকেছিল, কি বলব বুঝে পাচ্ছি না, সব কেঁচে গন্ডুষ করতে হবে। কোন মানে হয়!

    পাইদিদির ধোষা আর ধোষাই শুনে হেসে বাঁচিনে। আমাদের মোয়ার সেই বিখ্যাত গল্পটি মনে নেই আপনাদের ? গুরুতে দশবার বলেছি অন্তত। সারমর্ম এইরকম - এমেসসির ফাইনালে মোয়া স্যারদের তেল মেরে মেরে কোনভাবে শিওর হয়েছে যে মেরিন বায়োলজিতে মেরিন এ্যালগি র ওপর একটা কোশ্চেন আসছেই। বেচারা মোয়ার দুর্বলতা কিন্তু মেরিন বাইওলজিতে নয়, ইংরাজীতে। বামেরা ইংরাজী তুলে দেবার আগের জমানার ছেলে হয়েও মোয়ার ঐ সমস্যা। হয়ত বা মোয়াদের কথা ভেবেই জ্যোতিবাবুরা ইংরাজী তুলে দিয়েছিলেন। যাকগে। ইংরাজীতে বাক্য গঠন করতে পারে না বলে মোয়াকে কমাদাঁড়ি শুদ্দু উত্তর মুখস্ত করতে হয়। সেরকম করেই সে এমেসসি পর্যন্ত দিব্যি উঠে এসেছে। কষ্ট করে লীক্ করা প্রশ্নটির উত্তরও যাকে তাকে দিয়ে লেখাতে ওর মন চায় না। শেষে এসে আমাকে ধরল উত্তর লিখে দেবার জন্য। ওকে বোঝালাম- দ্যাখ্ সবাই এমনিতেই জানে মেরিন অ্যালগি এবার আসবেই। ইউসুফবাবু পেপারসেটার তো, ওঁর বিদ্যের দৌড় ওর বেশী নয়। তাই সবাই ওটা লিখবে। আমি তোকে বরং মেরিন বায়োফাউলিং বা হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট ইকোলজির ওপর চমত্কার সব নোট বানিয়েছি সেগুলো দিচ্ছি দুটোর একটার ওপর বড় কোশ্চেন থাকবেই, হাল্কা করে লিখলেই পোচ্চুর নম্বর পাবি। তবু মোয়ার কেবল ঝুলোঝুলি, না মেরিন অ্যালগি তার চাইই। বানিয়েও দিলাম, আমার আর কি।
    পরীক্ষার দিন মোয়া সাজিয়ে গুছিয়ে বসেছে, দুজন বসার মত ডেস্কের একপ্রান্তে আমি, প্যাসেজ পার করেই ওপারে মোয়া, পেছনে বায়োপন্ডিত ও নিঃস্বার্থ অনির্বান। মোয়ার ডেস্কের দূরের প্রান্তে জয়। চক্রবুহ্য যাকে বলে, সেন্টেন্স যদি ভুলেও যায়, চোথা যদি নাও বের করতে পারে তো কুছ পরোয়া নেহি, আমরা কেউ না কেউ ওকে রেস্কিউ করবই।
    প্রশ্ন পেয়ে দেখি ইউসুফবাবু এম্নি কোশ্চেন সেট করেছেন যে কি বলব। মোয়ার অ্যালগি না লিখে উপায় নেই। ওনার পেয়ারের ছেলেদের ওসব ফাউলিং আর হাউড্রোথার্মাল ভেন্ট ভাল আসে না বলে দুটোই দিয়েছেন টীকা লিখতে। ব্যাজার হয়ে এলগির উত্তর লেখা শুরু করেছি, ততক্ষন মোয়া কোশ্চেন পড়ছিল। দু লাইন লিখতেই মোয়ার আর্তনাদ। - অ্যাঁ .. এল না!! লেখা থামিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে মোয়াকে জিজ্ঞেস করলাম - কি এল না রে? সবই তো আছে। মোয়ার শুধু হাত পা ছুঁড়ে চীত্কার - মেরিন এলগি এল না!! আমি বেরিয়ে ইউসুফবাবুকে দেখে নেব। আমি হাঁ হয়ে বললাম এল না কই রে! প্রথম কোশ্চেনটাই তো তোর মেরিন এ্যালগি, আমি তো এক প্যারা লিখে ফেল্লাম রে! এল না কি বলছিস তুই, তোর কোশ্চেন পেপার কি আলাদা প্রিন্ট নাকি? মোয়া আর্তচীত্কার করে উঠল, মেরিন অ্যালগি কোথায়! এ তো 'অ্যালগা'। আমি তো শুনে হাঁ, মোয়ার পেছনে অনির্বান তো শুনেটুনে খাতা কলম ছুঁড়ে ফেলে খ্যা খ্যা করে হাসতে লেগেছে। রকম সকম দেখে ইনভিজিলেটররা টের পেয়েছেন পেছনে সমস্যা কিছু একটা হয়েছে। অশোকবাবু ডায়াস থেকে নেবে - কি হয়েছে মোয়া? কেলোকে বিরক্ত করছ কেন? সমস্যা হলে আমাদের বলো। ইত্যাদি বলতে বলতে এগিয়ে আসছেন। আমি দেখলাম মহা মুস্কিল, এর মধ্যে কে মোয়াকে সিংগুলার প্লুরাল বোঝাবে। আমার মাথায় ধাঁ করে এল, দুম করে বলে দিলাম- আরে অ্যালগার স্ত্রীলিঙ্গ হল অ্যালগি, তাও জানিস না? লেখ্ লেখ্। ও আমাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করত, এক কথায় বুঝে গেল ব্যাপারটা, শুধু জিজ্ঞেস করল - অানসার টা তোর নোটের হুবহু কপি হবে তো? ততক্ষনে অশোকবাবু প্রায় আমাদের কাছে পৌঁছে গেছেন, ডায়াসে ইউসুফবাবুও বিচলিত হয়ে উঠেছেন, পাছে তাঁর কোশ্চেনে কোন ভুলভ্রান্তি থেকে যায়। আমি শুধু মোয়াকে বললাম - হুবহু লেখ। এক্কেবারে টো টো।
    ব্যাস্ মোয়াকে রোখে কে, ঘাড় গুঁজে লিখতে শুরু করেছে। অশোকবাবুর শত প্রশ্নেও কোন জবাব দেয় না, সেনটেন্স গুলিয়ে যাবে যে। আমি তো নির্বিকারই লিখছিলাম, তেমনই লিখছি, আমারো প্রায় দেড় প্যারা লেখা হয়ে গেছে। পেছনে অনির্বান তো ততক্ষনে হাসতে হাসতে হেঁচকি তুলতে শুরু করে ফেলেছে। ওর খাতা কলম সব ফ্লোরে গড়াগড়ি খাচ্ছে। অশোকবাবু আর ইউসুফবাবু অনির্বানকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।

    পাইদিদির ধোষা আর ধোষাই শুনেও মোয়ার অ্যালগা আর অ্যালগি মনে পড়ল।
  • sm | ০২ জুন ২০১৭ ১৮:৫৪379263
  • ভোডাফোন অসম্ভব চোরামী শুরু করেছে। বার বার বিভিন্ন এপ্স যেমন কিনা বলিউড মুভি,গেম এসব ডাউনলোড করা হয়েছে বা একটিভেট হয়ে গেছে বলে ৫ থেকে শুরু করে ৭০ টাকা অবধি কাটছে। বার দুই তিন লোক্যাল ভোডাফোন সেন্টারে গিয়ে কমপ্লেন করেছি যে এসব কিছু আমি ডাউনলোড করিনি।ওরা টাকা ফেরত দিয়েছে। এবং ওই এপ্স দি একটিভেট করে দিয়েছে। সঙ্গে এ ও বলছে, ট্রাই এর নিয়মানুসারে ক্যাপচা ছাড়া এসব কিছুই একটিভেট হয় না।
    কিন্তু জিন্দেগী তে এর জন্য ক্যাপচা সাইন করি নি।
    কারো কি এই বিষয়ে ভালো জানকারী আছে?
  • de | ০২ জুন ২০১৭ ১৮:২১379262
  • পরিবর্তন হোক, সেই তো আশা- -

    আর কোন বাবাকে এমনি দিন দেখতে না হয় - ঠিকুজি মিলে গেলেই মেয়ের বিয়ে দিয়ে না দেন বাপেরা -

    http://www.anandabazar.com/national/if-i-reserved-dowry-money-my-may-daughter-remained-alive-1.622028?ref=hm-new-stry

    টাকা খরচ করে মেয়েকে লেখাপড়া না শিখিয়ে কি সেই টাকা পণের জন্য জমিয়ে রাখলে ভাল হত? মর্গের বাইরে দাঁড়িয়ে হাহাকার করে ওঠেন আইআইটি দিল্লির আত্মঘাতী ছাত্রী মঞ্জুলা দেভকের বাবা। মঙ্গলবার ক্যাম্পাসের ভিতরে নালন্দা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার হয় মঞ্জুলার ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করেন মেধাবী ওই তরুণী।

    ঠিকুজি মিলে যাওয়ায় ২০১৩ সালে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী রাজেশ ভিরহার সঙ্গে তড়িঘড়ি মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন বাবা মনোজ কুমার দেভক। আগাগোড়া তুখোড় ছাত্রী মঞ্জুলা ইন্দৌরের একটি কলেজ থেকে বি টেক করেন। গোল্ড মেডেলও পান। এরপর দিল্লি আইআইটি থেকে এম টেক করে পিএইচডি করছিলেন তিনি। বিয়ের সময় লেখাপড়া নিয়ে কোনও আপত্তি তোলেনি রাজেশের পরিবার। কিন্তু দিন কয়েক পরেই শুরু হয় অশান্তি। লেখাপড়া ছেড়ে মঞ্জুলাকে ভোপালে চলে আসার জন্য চাপ দিতে থাকে তারা। বছর দুয়েক আগে রাজেশ চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করার জন্য স্ত্রীর থেকে চাপ দিয়ে ২৫ লাখ টাকা আদায় করার চেষ্টা করেন। অশান্তি চরমে উঠলে গত বছরও অবসাদে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন মঞ্জুলা। বাবা তাঁকে বিবাহ-বিচ্ছেদের পরামর্শ দেওয়া হলেও পরিবারের বদনামের ভয়ে তাতে রাজি ছিলেন না মঞ্জুলা।

    সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাসে শেষবার দেখা যায় মঞ্জুলাকে। ও দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাইকে ব্লক করে দেন তিনি। নালন্দা অ্যাপার্টমেন্টের এক বাসিন্দা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মঞ্জুলার ঘরের ভিতর থেকে আওয়াজ শুনে বেরিয়ে আসেন তিনি। ভাঙা জানলা দিয়ে তিনিই প্রথম মঞ্জুলাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
  • nilanjan sayed | ০২ জুন ২০১৭ ১৭:৫৫379261
  • আপনি খোশবাসপুর রোডে দাঁড়িয়ে থাকলে আপনি একটি মেয়েকে দেখতে পাবেন, স্কুটি নিয়ে ছুটে চলেছে।পিছনে তার দশ বছরের পুত্র।স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে।
    মেয়েটির নাম নাজমা।
    খুব জোরে স্কুটি চালায় নাজমা।ওর স্বামী অসুস্থ।সংসারের যাবতীয় কাজ, বাইরের ভেতরের সব ও একা হাতে সামলায়।

    আপনি যদি রণগ্রাম ব্রিজে দাঁড়িয়ে থাকেন তাহলে একটি মেয়ে কে সাইকেল চালিয়ে আসতে দেখবেন,মুখে ক্লান্তির ছাপ।মেয়েটির একটি কন্যা আছে।
    এই মেয়েটিকে আপনি গোকর্ণ গ্রামীন ব্যাংকে লম্বা লাইনে দেখতে পাবেন।
    একা ও বহরমপুর ও কান্দি যায়, কখনও কন্যার বই কিনতে কখনও সংসারের জিনিসপত্র কিনতে।
    স্বামী অ্যাক্সিডেন্টে আহত হয়ে বাড়িতে বসে আছে।
    মেয়েটির সংগ্রাম মুখী জীবন শুরু হয়েছে।
    এই মেয়েটির নাম সনজিদা।

    আপনি দ্বারকা নদীর বাঁধে থাকুন,দেখতে পাবেন সুফিয়া,রাবেয়া,তানজিরা ইত্যাদি অজস্র মেয়েদের,যারা সাইকেলে চেপে আসছে।তাদের সাইকেলের পিছনের সিটে বয়স্ক পুরুষ মানুষ দের বসে থাকতে দেখবেন।তারা নির্দ্ধিধায় নিয়ে আসে।আবার তিনজন কে চাপিয়ে নিয়েও আসতে দেখা যাবে।সামনে, পেছনে মহিলা,নিজের সিটে পিছনে একটি বাচ্চা মেয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় রয়েছে।

    রণগ্রাম ব্রিজ পেরিয়ে আরো এগিয়ে গিয়ে ঘনশ্যামপুর বলে একটি জায়গা রয়েছে।সেখানে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল রয়েছে।কোটি টাকা খরচ করে এই স্কুল তৈরি হয়েছে।সেখানে শনিবারে যদি যান সন্তানদের মা দের দেখবেন।বাবাদের দেখা যাবেনা।রাবেয়া,জুম্মাতন,আশমিনা ইত্যাদি মায়েদের নাম গুলো বেশি পাবেন।
    এই মায়েদের বাড়ি যান দেখতে পাবেন সন্তানদের লেখা পড়ার জন্য কতটা চিন্তিত,উৎকন্ঠিত।
    আমি যেসব মায়েদের সঙ্গে পরিচিত তাদের সবার মাত্র একটি করে সন্তান।এবং এই মায়েদের বাড়ি একে বারে প্রত্যন্ত গ্রামে।সেখানে গেলে মনে হবে আমি আরেকটা পৃথিবীতে এসেছি।মনে হবে মূল সভ্যতা থেকে আমি হারিয়ে গেছি।
    সেখানে মায়েরা কি যত্ন নিয়ে মেয়েকে লেখা পড়া শেখাচ্ছেন।

    আরেক টি বাড়ির কথা বলি।দোতলা,পাকা রাস্তার ধারে
    বাড়িটা।আশে পাশে কোন বাড়ি নেই।নির্জন ফাঁকা জায়গায় একটি মাত্র বাড়ি।
    এই বাড়িতে এক মহিলা বাস করেন।তাঁর তিন সন্তান।দুটি কন্যা,একটি ছেলে।স্বামী বাইরে থাকেন।
    এই মহিলারও সংগ্রাম মুখী জীবন।আপনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলে দেখতে পাবেন মহিলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন বাসের অপেক্ষায় কখনও কন্যাকে নিয়ে, কখনও একা, কান্দি যাবেন।
    নাম হয়তো আঞ্জুমানা বেগম বা সানজিরা বেগম হতে পারে।

    সমাজে কোথাও পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা?মনে হচ্ছে না আগের ধারণা গুলো কে ভেঙে চুরে সমাজ আপন পথে চলেছে?এই পথ টাকে রুদ্ধ করে দেবার ক্ষমতা কারুর নেই?
    আপনাকে আরেকটি গল্প বলি।যদিও এটি গল্প নয়, সত্যিকার ঘটনা।
    ধরা যাক মেয়েটির নাম নাসিমা।লেখা পড়া জানে না।বিয়ে হল একটি ছেলের সাথে,বেশ ধূম ধাম করে। একমাস পরে পাড়ার মেয়েরা বলাবলি করতে লাগল,'নাসিমা স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে এসেছে।স্বামীর ভাত খেল না।'
    গ্রামে 'ভাত খেলনা,ভাত দেয়নি' শব্দ গুলো খুব শুনতে পাওয়া যায়।
    নাসিমার বাবা মাও মেয়েকে স্বামীর বাড়ি পাঠাতে পারলেন না।শেষে পাড়ায় সভা বসল,নাসিমাকে স্বামীর বাড়ি পাঠানোর জন্য চাপ দিল।
    নাসিমা কিন্তু অনড়,শেষে চীৎকার করে অশ্লীল ভাষায় জানিয়ে দিল স্বামী যৌন অক্ষম।
    সবাই কান বন্ধ করেছে,'এই চুপ চুপ।'সভা ভণ্ডুল হয়ে গেল।
    সমাজে নিভৃতে একটা পরিবর্তন আসছে।এই পরিবর্তন আসছে একেবারে স্বাভাবিক পথে, যে পথ কে রুদ্ধ করার কোন ধর্মের বাবার ক্ষমতা নেই।

    সমাজ পাল্টাচ্ছে,সেটা মেনে নেওয়া উচিত।এটাও মেনে নেওয়া উচিত আঞ্জুমানারা আগের অবস্থায় নেই।পরিবর্তন আসছে।পায়ের তলার মাটি শক্ত হচ্ছে সেটা
    স্বীকার করা উচিৎ।
    কিছু মানুষ এই পরিবর্তন কে স্বীকার করেন না।তাঁরা
    অনেক টা রিপ ভ্যান উইঙ্ক্যালের মত।ভাবেন সেই পুরোন জীবন চলছে। সেই মত করে কথা বলেন....
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত