এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:৫১380070
  • নানা আসোলে ইমরানের একটা ফেস বুক পোস্ট কে নিয়ে ওর সঙ্গে একটু ঝগড়া করছি, আর কৌশিক ঐ পোস্ট লাইক করেছে কে একটু গালামন্দ করছি। ভীষণ রেগে গেছিলাম সকালে, এখন একটু চা খেয়ে ঠান্ডা হয়েছি ঃ-)))
  • pi | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:৩৫380069
  • হানুদাকো গুস্সা কিঁু আতা হ্যায়?

    আর সম্বিত পাত্রকা দাবড়ানি খাওয়া দেখকে বহোত মজা পায়া হ্যায়।
  • ঘচাং ফু: | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:২৯380068
  • কোনটাকো কী কেস বোলতা হ্যায়? #হিন্দিঘন্ট জাননা হ্যায় তো সম্বিত পাত্র কো জিজ্ঞাসা করো। সংযুক্তা বসু উসকা কানে ধরে সমঝা দিয়া হ্যায়।
  • pi | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:২৩380067
  • এটা কী কেস?
  • ঘচাং ফু: | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:১২380066
  • হনুকো কেয়া রাগ হুয়া হ্যায়? সকাল সকাল ইতনা রাগ করকে কেন পোস্ট করতা হ্যায়? রবিবার সকালবেলা লুচি খা লো, রাগ মাত করো।

    #হিন্দিঘন্ট #HindiGhonto
  • h | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৮:০৫380065
  • ইমরান, আমি প্রচন্ড খচে যাচ্ছি বাল, ফেসবুক টা গুরু না, সেখানে এই বাজারে এতো খচে গিয়ে বিরক্তি প্রকাশ না করলেই মঙ্গল, আমি এতো রেগুলার ডিসক্লেমার দিতে পারবো না মাইরি। আর এই কৌশিকে র লাইকের কোন মূল্য নাই। এতো পড়াশুনো করে আদ্ধেক আদ্ধেক নন কমিটাল কথা বলে। তাইলে ফুল পোবোন্দো লিখুক। আমার কৌশিকের উপরে রাগ বেশি হয়, কারণ কৌশিক অ্যাপোলিটিকাল না, আমাদের থেকে সব বেশি বোঝে, মাথা পরিষ্কার অনেক দূর দেখতে পায়, প্রকৃতপক্ষে দার্শনিক মানুশ, সব ঠিকাছে, কিন্তু ঝামেলা হল বাজে হাফ কক ঢ্যামনামো টা গেলো না। ভাই ড্রাইভে যাবি ড্রাইভে যা, নইলে ব্যাকফুটে স্কোয়ার কাট কর, এক্সপ্ল্যানেশনের দায় না নিয়ে এই সব মন্তব্যের অথবা অন দ্য রাইজ নকিং এর কোন মানে হয় না।
  • aranya | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৬:৪০380064
  • বন্য প্রাণী যেভাবে কমে যাচ্ছে, আমার অরণ্যচারী বান্ধবকুল প্রায় সবাই এখন বার্ড ওয়াচার

    চতুস্পদ -প্রেমটা কিছুতেই কাটাতে পারছি না
  • avi | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৬:৩৫380063
  • পাখির কথা আর বলবেন না। সভ্যতার এক নম্বর অভিশাপ।
  • Atoz | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৬:২৯380062
  • আর পাখি? সে তো আরও ভালো। কাছে যাবার আগেই ফুড়ুৎ করে উড়ে যায়। ঃ-)
  • aranya | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০৫:১৭380061
  • 'তারপর ধরুন পশু। মানে হিংস্র পশুর কাছে গিয়ে তার আচার ব্যাবহার নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয় না। কারন মুখের কাছে আপনার মত রসালো খাদ্য পেলে তার স্বাভাবিক আচার ব্যবহার পাল্টে যেতে বাধ্য। '

    - বাচ্চা থাকলে আরেক ফ্যাচাং, মা ভল্লুকী ক্যামন বিতিকিচ্ছিরি ভাবে তেড়ে আসে, খাবার ইচ্ছে না থাকলেও
  • | ০৯ জুলাই ২০১৭ ০১:২৭380060
  • অজানা নয় কিছুই তবে তাও নজরে আসার পরে মনটা ঘুলিয়ে উঠে বড় খারাপ হয়ে গ্যালো।
    এখানে পোস্ট করা সবাই আই আই টিয়ান নাও হতে পারেন কিন্তু বক্তিমের ঝোঁক আর ঝাঁঝ দেখে স্রেফ চমকে গেলাম।
    কবর থেকে বার করেও খুন করতে চাওয়ার লোকের অভাব নেই!!
    ধরে ধরে কাউন্টার করার না আছে সময় বা ইচ্ছে। এরা পাল্টাবে এমন আশাও রাখিনা। রিপোর্ট এবিউজ করেই বা কী! গ্রুপ ভ্যানিস হবে, মনগুলো তো নয়!!

    https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1914174892127367&id=1437637926447735
  • ঋক | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৮:০৮380059
  • পকেটমার ছাগল হয়না, জিন্সটা চিবিয়ে খেতে পারতো অবশ্য
  • T | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৭:৫৯380058
  • সিংগল k র জয় হোক অবশ্যই। প্রশ্নোত্তরে মোহিত হয়ে পড়ে যেইরম কাব্য পাচ্চে সেই অনুযায়ী পীড়ের উদ্দেশ্যে একটি 'হা ক্রৌঞ্চ' মাফিক লাইন নিবেদন করি,

    এখানে বাঘ মিটার মেপে হাঁটে

    পরাঙ্মুখ সবুজ নালীঘাসেদের কথা ভেবে পীড় একে পূর্ণতা দেবেন আশা করি কারণ নট নেসেসারিলি ইহা দমদির অভয়ারণ্য ট্যুরে গাইডের প্রতি কোশ্চেন। সুধীজনেরা বুঝবেন আশা করি। সুতরাং

    এখানে বাঘ মিটার মেপে হাঁটে
  • pi | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৭:৩৫380057
  • ছাগলের কথা যখন এলই তখন এটাও থাক। একজন পোস্ট করেছেন। ডোনা গাঙ্গুলির কভার পিকচার সহ।

    'শ্রীমতী ডোনা গাঙ্গুলী মহাশয়ার প্রতিঃ

    ওনার কভার ফোটো দেখে আমার মনে হল—

    আমরা আপনাদের আদর্শ মনেকরি। আপনি যৌথ পরিবারে থেকেও এক মৌলিক পরিবারের নিদর্শন আপনার কভার ফটোতে ডিসপ্লে করেছে যেমন আজকাল অধিকাংশ বধূদের প্রতিফলন। আজকাল খুব কম মহিলারা নিজের শ্বশুর শ্বাশুরিকে তার নিজের পরিবারের অংশ মনে করেন। তার স্বামী সন্তানের বাইরে শ্বশুরবাড়ির অন্যকারোকে ধর্তব্যের মধ্যে রাখেন না। অতগুলো ছবির মধ্যে এক কোনে সৌরভ স্যারের বাবা মায়ের স্হান দেওয়া যায় না। যা দেখে আপনার অনুসরণকারিণীরা প্রভাবিত হয়। ক্ষমা করবেন।'
  • pi | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৬:৫৫380056
  • সবই তো দিব্বি হল কিন্তু ছাগলটা পকেটকামড়ি করল না, এ কেমন ছাগল?
  • ঋক | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৫:৩৮380055
  • একটা লোকের সাথে কাজ ছিলো ডিএলেফে, ছুটির দিন ল্যাদ কাটিয়ে বেরিয়ে মাঝরাস্তায় টেক্সট এলো আমার শরীর খারাপ স্যার আজ হবে না প্লিজ পার্ডন মি। হতভাগাকে ইচ্ছে করছিলো জিওর এক জিবির পরের অবস্থায় উবের বুক করার দায়িত্ব দিতে।
    ইকো পার্কের কাছে ঝপাং করে নেমে গেলুম আহা ভাড়া দিয়েই রে ভাই।
    হাঁটতে আমি খুব পারি আর একা একা হেঁটে চষে বেড়ানো আমার নেশা। রোদ আছে ভালোই, এদিকে ফাঁকা মাঠ অনেক এখোনো। মন মেজাজ ঝরঝরে হয়ে যাচ্ছে। একটা ক্রেন কাদায় দাঁড়িয়ে মজাসে কাদা তুলছে হাতল দিয়ে দিয়ে। আমায় একটু ভালাতে দেবেনা না? রাস্তা ঘাট কি ঝকঝকে এদিক্টায় রে, কেউ হিসি করে পিক ফেলে প্লাস্টিক ফেলে নোংরা করে রাখেনি। গাছে ছাওয়া মসৃন ফুটপাথ। তাঁবু খাঁটিয়ে রাস্তা বানাবার লোকজন রয়েছে, রান্না চলছে। এরকম তাঁবুর মধ্যে থাকতে কেমন লাগে? এর চেয়ে গাছের নীচে থাকলে তো আরামে থাকা যেত। কাশফুল ফোটা শুরু হয়েছে। একজন লোক দেখি গাছের নীচে ঘাসের আসনে আরাম করে বসে টিফিন ক্যারিয়ার থেকে ঝোল মাখা ভাত খাচ্ছে। সকাল এগারোটায় ঝোল ভাত খেতে আমার খুব খারাপ লাগলেও এরকম ঘাসে বসে খেতে হয়ত খারাপ লাগবে না।
    সোজা না গিয়ে বাঁ দিকের ফাঁকা রাস্তাটায় ঢুকলাম। বাস যায় না এ রাস্তায় গাড়ি, টোটো এক দুটো সাইকেল। ছুটির দিন বেজায় ফাঁকা সব। এমনকি ঝিঁঝিঁ্র ডাক শোনা যায় কান পাতলে। পুকুর পারে খেজুর গাছের তলায় ঝিম হয়ে বসে আছি। একটা বউ দূরে কলাবাগানের পাশ দিয়ে গরু নিয়ে যাচ্ছে।
    কিচ কিচ করে চড়াই ডাকছে, সাদা ফুলে ভোমরা উড়ছে। একটু এগিয়ে জলা আছে। হাফপ্যান্টুল পড়ে টেরি আর গোঁফ বাগিয়ে মাছ ধরছে। কি।মাছ ধরলে ভাই? শোল ল্যাটা?
    - হ্যাঁহ বড় মাছ নাই।
    পার্থেনিয়ামের ভয় অগ্রাহ্য করে প্রাণ ভরে বুনো গন্ধ নিচ্ছি, আকাশে গোঁত খেয়ে একটা শালিক আর একটা এরোপ্লেন উড়ছে। আরে একটা বাদামি ঠোঁটের, সাদা ডানার কি পাখি এটা? বেজায় রোদ্দুর। গরমেদেশে ভদ্দরলোক সেজে থাকা দায়। এই পুকুরে একটা ডাইভ মারার দম আমার নেই।কিচিরমিচির শব্দ নিয়ে, কলকে ফুলে ভোমরার ওড়াউড়ি, পাগলা কোকিলের ডাক, মাছরাঙার ডাইভ দেখতে দেখতে তেতে ওঠার রাস্তা ধরে এগিয়ে যাচ্ছি.....

    হঠাৎ দেখি ফাঁকা মাঠের মাঝে একফালি একটা চা এর দোকান। ভারী হতশ্রী চা এর দোকান। আর্ধেক বিস্কুটের কৌটো খালি। উনুন অব্দি নেই চা বানানোর, ফ্লাস্কে ভরা চা। একটা নুয়ে পড়া বুড়ো মানুষ দোকানে বসে আছে আনমনে। 'কাকা চা দেবে নাকি'?
    -কেন দেবোনা বাবা, বোসো।
    অজস্র বার ফোটা গুড় মিষ্টি গুঁড়ো চা। খেতে খেতে গল্প হলো বলেই খাওয়া যায় সে চা।
    -বাস ধরবে?
    -না না হেঁটে যাবো।
    -তাহলে বেরিয়ে পড়ো। মেঘ করেছে খুব বৃষ্টি এলো বলে।
    সত্যিই তাই। এগোতে এগোতে আকাশের রঙ বদলে গেলো। হাওয়া দিলো দমকা। সিটি সেন্টারের উলটো দিকের বাসস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছি বৃষ্টি এলো। বাস স্ট্যান্ডটা টিনের চালের। মুড়ি ভাজার আওয়াজের মতো বৃষ্টির শব্দ, হু হু বাতাস শুনছি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ একটা ছাগল দেখি গুটিশুটি মেরে আমার জিন্সের কোন ঘেঁসে দাঁড়িয়েছে। ভাগ বলতে গিয়েও সামলে নিলাম, বেচারা এ বৃষ্টিতে যাবেই বা কোথায়।
    বৃষ্টি একটু কমতে ফের এগোচ্ছি। গাড়ির প্যাঁ পোঁ আওয়াজ, চিনার পার্কের কাছটা গোবরের গন্ধে ম ম করছে, জলে গোবরে মিশে গেছে। একজন ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করতে করতে যাচ্ছে।
    পরের অটোতে আর না উঠে আমি ফের হাঁটা লাগালাম। চুপ্পুস বৃষ্টি নেমেছে আবার। হাঁ করে করে বৃষ্টি খাচ্ছি দেখে তুমুল বৃষ্টিতে রাস্তার মাঝে দেখে লোকজন তাকাচ্ছে। আমার বয়েই গেল তাতে। গান গাইতে গাইতে অঝোর বৃষ্টিতে ফাঁকা রাস্তা ধরে হাঁটছি.....
  • | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৪:১০380054
  • :-))))
    না না দেরী হওয়াতে কিচ্ছু অসুবিধে হয় নি। আমি এক্ষুণি কিনছি না। বেশ বেসিক কী কী জানিতে হইবে তা জানা গেল। বেশ এবার দেখি মার্কেটে কিরম কী পাওয়া যায় কেমন দাম তাদের ইত্যাদি।

    থ্যাঙ্কু অনেক।
  • k | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৩:৫০380053
  • আমি দেখেছি এটি আটশো নশো টাকার 10x21 মনোকুলার আর একটি ম্যাগনিফাইং লেন্স থাকলেই এদিককার কাজ মোটামুটি একরকম হয়ে যায়।
  • সিংগল k | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৩:৪৩380052
  • এই যে ম্যাগনিফিকেশন ও ডায়ামিটারের সংখ্যাদুটি, সেগুলো বেশী হলে ভাল বললাম বটে কিন্তু যথেচ্ছে বেশী হলে কিছু কিছু অসুবিধা দেখা দেয় – প্রথমত দাম বেড়ে যায়, দুই – ওজন বেড়ে যায়, আকারেও বেঢপ হয়। আর তৃতীয়তঃ বেশী মোটা লেন্স বানানোর ফলে কালার অ্যাবারেশন শুরু হয়। লক্ষ্যবস্তুর বাইরের আউটলাইনে রামধনু রং দেখা দেয়। (এইরে! পশ্চিমবঙ্গে বাস করে রাম ধনু বলে ফেল্লাম। রংধনু, রংধনু। গোস্তাকী মাফ্) এর ফলে কাককে ময়ূরের মত লাগে, এবং একটানা বেশীক্ষন বাইনোকুলারের মধ্যে দিয়ে তাকিয়ে থাকা যায় না। ভাল দূরবীনের একটা বৈশিষ্ট্য হল যে তার মধ্যে দিয়ে দীর্ঘক্ষন তাকিয়ে থাকা যাবে, চোখ ধরে আসবে না, মাথা ব্যাথা করবে না। এর জন্য শুধু লেন্সের কোয়ালিটিই নয় বাইনোকুলারের আরো একটি স্পেসিফিকেশন দেখে নেওয়া উচিত, সেটি হল – আই রিলিফ। বাইনোকুলার, মনোকুলার, বিশেষতঃ রাইফেল স্কোপের ক্ষেত্রে আই রিলিফের গুরুত্ব অপরিসীম। বাজে সস্তা (পড়ুন চীনা) বাইনোকুলারে আই রিলিফ খুব কম থাকে। ফলে ঠুলির মধ্যে একেবারে চোখ গুঁজে ধরলে তবেই ওপাশের ছবি দেখা যায়। আই রিলিফ যত বেশী তত ভাল। চোখে চশমা থাকলে সেটা না খুলেই বেশী আই রিলিফওলা স্কোপে চোখ রাখতে পারবেন। এমনকি পুরো ফীল্ড দেখার দরকার না হলে উঁকি দেবার মত করেই দরকারী লক্ষ্যবস্তু একঝলক দেখে নিতে পারবেন। ব্যবহার করলেই এর সুবিধা বুঝবেন। আই রিলিফ সাধারনত মিলিমিটারে লেখা থাকে, মানে আইপীস থেকে ক মিলিমিটার দূরে আপনার চোখের মনিটি রাখতে হবে। 11mm, 12mm এরকম আই রিলিফ থাকে ভাল বাইনোকুলারে।

    বাইনোকুলার দেখবেন দুরকম হয়, এক হল সামনের দিকটা ছড়ানো ফানেলের মত, আর দুই হল সামনের দিকটা গোলালো ভোঁতামত, কিন্তু বেশ ফিউচারিস্টিক স্কাইফাই চেহারা। গোলালো মালটা মূলত মিলিটারী ইউজের জন্য তৈরী হয়েছিল। ফানেলের মত মুখে বিশাল অবজেক্টিভ লেন্স থেকে আলো রিফ্লেক্ট করে আপনার অবস্থান শত্রুর কাছে এক্সপোজ করে দেবে বলে ঐ কমপ্যাক্ট আঁটোসাঁটো চেহারা। এগুলোর অবজেক্টিভ লেন্সটা বেজায় ছোট এবং একটু ভেতরে ঢোকানো। এর আকার ছোট হলেও পাওয়ারফুল হয় লম্বাগুলোর মতই, কারন দুটো পরোপ্রিজম বসিয়ে আলোকে বেশী পথ অল্প জায়গার মধ্যে ট্রাভেল করিয়ে আইপীস আর অবজেক্টিভের মধ্যে ডিস্ট্যান্স বাড়ানো হয়। তাই লম্বায় কম কিন্তু চওড়ায় সামান্য বেশী। কমপ্যাক্ট গুলোর অসুবিধা হল- এক তো একগাদা লেন্স আর একগাদা ফাউ প্রিজম থাকায় ফাঙ্গাস পড়লে জান কয়লা হয়ে যায়। তার ওপর খুলে ক্লীন করলে ফেকটরী সেটিংএ ঠিকমত বসাতে পারে না ম্যানুয়ালী। তার ওপর অবজেক্টিভটা ছোট বলে ফীল্ড অভ ভিশনটাও ফানেলমুখোগুলোর তুলনায় অনেকটা কম। জটিলতা বেশী বলে দামও একটু বেশী। তবে কমপ্যাক্টের সুবিধা হল হাল্কা, সামনের দিকটা ছোট বলে উল্টোদিক থেকে কারও চোখে পড়ার কম সম্ভাবনা। ইত্যাদি।
    এই পরোপ্রিজম দেওয়া বাইনোকুলার ঢাউসও হয় আজকাল। সেগুলো মারাত্মক পাওয়ারফুল। কিন্তু এতগুলো প্রিজম আর লেন্সের (এবং ততোধিক ফাঙ্গাসের) মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে আপনার চোখে আসার আগেই আলোর ইন্টেন্সিটি অনেকটা কমে যায়। সেটা একটা বাজে ব্যাপার, কারন কম আলোয় কিছুই দেখতে পাবেন না, বা বেশী আলোয়ও দেখবেন ঠিক যেন পরিস্কার আসছে না ছবি, কিছুটা সিল্যুয়েটমত হয়ে যাচ্ছে। তাই স্রেফ বেশী পাওয়ারফুল বাইনোকুলারের দিকে না ছুটে ঠিক যতটা দরকার ততটা পাওয়ারফুল বাইনোকুলারই কেনা উচিত। যাতে গ্লাস কম্পোনেন্টের সংখ্যা মিনিমাম হয়।

    এই যে এত সহজে বলে দিলাম যতটা পাওয়ারফুল দরকার ততটা কেনা উচিত। তো কতটা দরকার সেটা আপনি বুঝবেন কি করে? নভিশ হলে তো বুঝবেন না কিছুতেই। এক্সপিরিয়েন্স মেকস এ ম্যান/উওম্যান পারফেক্ট। নভিশরা বাইনোকুলিং করতে গিয়ে দেখেছি কেবল হাতড়ে হাতড়ে একটা নব খোঁজে যেটা ঘুরিয়ে কোন কিছুকে জুম করে কাছে বা দুরে নেওয়া যায়, এক কথায় ফীল্ড অব ভিশন বাড়ানো কমানো যায়। কিন্তু কোনো বাইনোকুলারেই এরকম কোন নব থাকে না। কারন বাইনোকুলারমাত্রেই হল ফিক্সড ফোকাল লেঙ্গথের যন্ত্র। তাতে জুম করা যায় না। ফলে আপনি বেশী পাওয়ারফুল বাইনোকুলার বেশী দাম দিয়ে কিনে হয় বিন্দুর মত পাখি দেখতে পাবেন বা শুধু দেখবেন স্ক্রীন জুড়ে পাখির শুধু চোখটুকু বা ঠোঁটটুকুই দেখা যাচ্ছে। আপনি ক্যামেরার মত কম্পোজ করে ঠিক যতটা ফ্রেম দেখতে চান সেটুকু দেখা বাইনোকুলারে সম্ভব না। তাই আপনি কতদূর থেকে কত বড় মাপের লক্ষ্যবস্তু বা প্রাণী দেখবেন সেটা বুঝে বাইনোকুলার কেনাটা দরকার। এবং সেটা প্রায় অসম্ভব। কারন সেটা আপনার ক্ষেত্রে ভ্যারিয়েবল। আপনি জাহাজের ক্যাপ্টেনও না, সেনার ফীল্ড মার্শালও না, আপনার বাইনোকুলারটি রাইফেলের স্কোপও না, যে রেঞ্জ ফিক্সড।
    তাই প্রচুর ক্যালকুলেশন করে জেনে বুঝে অশ্লেষা মঘা মেনে বাইনোকুলার কিনলেও ডিসস্যাটিসফ্যাকশন গ্যারান্টিড।

    এমন বাইনোকুলারও পাওয়া যায় যাতে জুম করা যায়। আমার নিজেরটিই সেই গোত্রের। তবে তার দাম বেশী এবং বেশী এলিমেন্ট থাকায় মেনটেন করার এবং ফাঙ্গাস ধোয়ানোর খরচও বেশী। কোনো কোম্পানীর ১০ টা বাইনোকুলারের মডেল থাকলে তার মধ্যে মাত্র একটি বা দুটি এই জুম বাইনোকুলার হয়। গায়ে লেখা না থাকলে জুম কিনা সেটা বোঝার উপায় হল – স্পেসিফিকেশনে এভাবে লেখা থাকবে- 8-16x40. তার মানে এই বাইনোকুলারটির ম্যাগনিফিকেশন হল আট থেকে ষোলগুন, এবং ডায়ামিটার ফর্টি। আটগুনের কম ছোট করে যদি হাতি দেখতে চান তবে কিন্তু দেখতে পাবেন না। শুধু শুঁড়টা কি কানটাই আসবে। সমস্ত বাইনোকুলারের স্পেসিফিকেশনে দেখবেন ক্লোজেস্ট ফোকাসিং ডিস্ট্যান্সও মেনশন করা থাকে। তার চেয়ে কাছের কোন বস্তুতে আপনি ফোকাস করতে পারবেন না। তাই এটা যত কম হয় ততই ভাল। ধরুন ৩মিটারের বদলে ২০ মিটার হলে আপনাকে অন্তত কুড়ি মিটার দূরে থাকতে হবে লক্ষ্যবস্তু থেকে। যত কাছ অব্ধি ফোকাস করা যায় ততই ভাল।

    এছাড়া আর কি বলি বলুন তো!! স্পেসিফিকেশনে দেখছি লেন্স কম্পোজিশন আর কোটিংএর প্রকৃতিও লেখা থাকে। লেন্স কম্পোজিশন মানে কটা এলিমেন্ট কটা গ্রুপ। যত বেশী হবে তত মেনটেন করা ঝামেলা, ছবির কোয়ালিটিও ফল করবে। আর কোটিং এর প্রকৃতি মানে হল নানারকম কস্মিক ও আকস্মিক রশ্মি থেকে আপনার চোখকে বাঁচানোর জন্য নামী দামী কোম্পানীরা লেন্সের ওপর নামী দামী কোটিং লাগায়। সেটার দামও নিয়ে নেয়। কিন্তু আপনার যে খুব একটা কাজে আসে তা বলতে পারব না। কারন কয়েকবার ওয়াশ করালেই ওসব কোটিং ফোটিং ফাঙ্গাসের সঙ্গে সঙ্গেই হাওয়া হয়ে যায়।

    এবারে ঠিক করে ফেলুন কি কিনবেন। আমি বলব জীবনে একবারই তো কিনবেন, একটু রেপুটেড কোম্পানীর ভাল মালই কেনা উচিত। চাইনিজ আনব্র্যান্ডেড মাল একেবারে রদ্দি। রাশান মাল, যেমন জেনিথ কিয়েভ ইত্যাদি বেশ ভাল ও সস্তা। কিন্তু রামভারী আর ব্যবহারে ভারী অসুবিধে। বেস্ট হচ্চে জাপানী বা জার্মান কোম্পানীর মাল। সে মেড ইন যাই হোক। ওরা কোয়ালিটি কন্ট্রোল করে।

    আমি লাস্ট পোস্টে মনোকুলারের কথা বলেছিলাম। আসলে বাইনোকুলার মানে হচ্ছে দুটো মনোকুলার একটা অ্যাডজাস্টেবল ব্রীজ দিয়ে জোড়া দেওয়া। বাইনোকুলার হলে ডিস্ট্যান্স বুঝতে কিছুটা সুবিধা হয়। মানে দুটি বস্তুর পারস্পরিক ডিস্ট্যান্স। মানে একটু থ্রিডি ভিশন পান। যেটা মনোকুলারে একেবারেই সম্ভব না। কারন ওটা একচোখে দিয়ে একচোখেই দেখতে হয়। একচোখে বাইনোকুলার ভিশন সম্ভব না তা তো জানেন। তবে মনোকুলার খুব ছোট, ক্যারি করার খুব সুবিধে। খুব সস্তা। দামী বাইনোকুলার কিনলে যেরকম ডিসস্যাটিসফ্যাকশন গ্যারান্টীড সেরকম সস্তা অথচ ব্র্যান্ডেড মনোকুলার কিনলে স্যাটিসফ্যাকশন গ্যারান্টীড।
    খুব নামী কোম্পানীর দামী বাইনোকুলার কেনার পরে কিছুদিন ব্যবহার করার পরে দেখবেন যখন জুনিয়ারদের কারো জন্মদিনে খেলনা বাইনোকুলার গিফট করতে যাচ্ছেন, তখন সেই পঞ্চাশ টাকার বাইনোকুলারটাও আপনার বাইনোকুলারের চেয়ে পাওয়ারফুল এবং ব্রাইট। এটাই সত্য এটাই দুনিয়া। দামীটার পেছনে টাকা না ঢাললে এই রিয়েলাইজেশন আপনার কক্ষনো হবে না।
  • সিংগল k | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১৩:৪২380051
  • একটু দেরী করে ফেললাম। কিন্তু বেটার লেট দ্যান নেভার, এখানে দিয়ে যাচ্ছি দমদির বাইনোকুলারের গাইডটা -

    ক্যাপিটাল টি দার সঙ্গে সম্পূর্ন একমত যে দূরবীন আলস্য উদ্রেককারী যন্ত্র। কাছেগিয়ে সরেজমিনে দেখে আসাই ভাল। কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান বা জৈবিক হিংস্রতার কারনে অনেক বস্তু বা প্রাণী খুব কাছে গিয়ে নিরীক্ষণ করার সুযোগ পাওয়া যায় না।
    ধরুন অকূল সমুদ্রে জাহাজ থেকে দিগন্তের কোনকিছু একটু খুঁটিয়ে দেখতে চান। তো সেক্ষেত্রে তো গিয়ে দেখে আসা সম্ভব নয়, সে আপনি যতই কর্মবীর গোলগাল সাঁতারু হোন না কেন। দূরবীন সেখানে লাগবেই। তারপর ধরুন পশু। মানে হিংস্র পশুর কাছে গিয়ে তার আচার ব্যাবহার নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয় না। কারন মুখের কাছে আপনার মত রসালো খাদ্য পেলে তার স্বাভাবিক আচার ব্যবহার পাল্টে যেতে বাধ্য। আমিনিয়া নিজাম সাবিরের সামনে দিয়ে হাঁটলে আমাদের যেমন মনোবৈকল্য ঘটে তেমনটি আরকি।

    তা বাইনোকুলারের স্পেসিফিকেশন দেখতে গেলে দেখবেন দুটি সংখ্যা লেখা থাকে একটি ছোটহাতের x দিয়ে আলাদা করা। যেমন ধরুন 8x40 বা10x50 ইত্যাদি। আপনারা জানেন নিশ্চয়ই, তাও ক্লীয়ার করে দি প্রথম সংখ্যাটা হল ম্যাগনিফিকেশন। 8x মানে আটগুন ম্যাগনিফিকেশন। যার দিকে বাইনোকুলারটি তাক করবেন সেটি আটগুন বড় দেখাবে। সংখ্যাটা যত বেশী ততগুন বড় দেখাবে। 10x মানে দশগুন বড়। বেশী বেশী দূরের জিনিস দেখতে গেলে এই প্রথম সংখ্যাটা বেশী হওয়া দরকার সেটা বুঝতেই পারছেন।
    আর দ্বিতীয় সংখ্যাটা হল অব্জেক্টিভ লেন্সের ডায়ামিটার। সেটা ইন্ডিকেট করে যে আপনি ফীল্ড অব ভিশন কতটা পাবেন। মানে কতটা ছড়ানো জায়গা ওর মধ্যে দিয়ে দেখতে পাবেন। খালি চোখে যেমন সামনের দিকটা প্রায় ১৮০ ডিগ্রি দেখতে পান, বাইনোকুলারে ঐ দুটো কৌটোর মত জিনিসে চোখ লাগিয়ে তো সেরকম ১৮০ ডিগ্রি দেখার আশা করা উচিত না। তবু কতটা দেখতে পাবেন সেটা ঐ লেন্সের ডায়ামিটারই কিছুটা ঠিক করে দেয়। যত বেশী তত বড় ফীল্ড কভার করবে। তত ভাল।

    মেরিন/নট্যিক্যাল বাইনোকুলারগুলোতে প্রথম সংখ্যাটা ততটা ইম্পর্টান্ট নয়। কার পৃথিবীর গোলত্বের জন্য মোটামুটি চার নটিক্যাল মাইলের চে বেশী দূরের জিনিস দৃষ্টিসীমার নিচে চলে যায়। (চার নটিক্যাল মাইল..- ঠিক বললাম কিনা কে জানে! সিরিয়াসলি জানতে চাইলে মিলিয়ে নেবেন) তাই নেভিগেশন্যাল বাইনোকুলারের ক্ষেত্রে চার নটিক্যাল মাইলের মধ্যে দেখার মত পাওয়ার হলেই কাজ চলে। বরং সেখানে দিগন্তটা অনেক বিস্তৃত এবং গাছ বাড়ি বা পাহাড়ের বাধাহীন বলে ফীল্ড অব ভিশনটা বেশী হলে ভাল, অনেকটা জায়গা একঝলক তাকিয়েই কভার করা যায়। এই চার নটিক্যাল মাইলের মধ্যে কিভাবে সমুদ্রে লক্ষ্যবস্তু উঠে আসে বা দিগন্তের নিচে নেবে যায় সেটি দেখতে চাইলে প্রখ্যাত প্রবাসী সমুদ্রবিদ শ্রী সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের "তুমি অন্য কথা বল তুমি অন্য সুরে গাও" চিত্রগীতিটির সেকেন্ড হাফটি পর্যবেক্ষন করুন।
  • T | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১১:২৯380049
  • দূরবীন একপ্রকার আলস্য। ত্যাগ করুন। হেঁটে কাছে গিয়ে দেকুন।
  • | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১১:২৫380048
  • সেইটেও বলে দেবেন তাইলে
  • k | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১১:০৩380046
  • তবে আগেই পস্টো বলে দিই, আমার পছন্দ কিন্তু বাইনোকুলার নয়, মনোকুলার। সস্তা, হাল্কা, ছোট্ট, মেনটেনেন্সও ঝক্কিহীন।
  • Rabaahuta | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১১:০৩380047
  • ঘুম ভেঙ্গে যায় হলুদ হুলোর হুন্কারে-

    এইরকম একটা পদ্য লিখেছিলাম স্কুলে পড়তে।
  • সিংগল k | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১১:০০380045
  • ইয়ে মানে দূরবীক্ষণ সম্পর্কে তো আমার আইডিয়া তেমন চাঁছাছোলা নয়, রাইফেল স্কোপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তাও দুকথা কইতে পারতাম। যাহোক আমার নিজের একটি মেরিন গ্রেড ভারিক্কি ওলিম্পাস দূরবীক্ষণ আছে। তার ব্যবহারিক সুবিধা অসুবিধা আর আমার ব্যক্তিগত এক্সপিরিয়েন্স কিছু শেয়ার করব নাহয়।
    আধ ঘন্টাটাক টাইম দিন, তারপর লিখে যাচ্ছি।
  • de | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১০:৫৫380044
  • আমরা বুকিং ডট কম থেকে খাবার-দাবার সহকারে ফরচুন হোটেলে থাকলাম - খুবই পছন্দ হোলো। তবে ওখানে ফ্যালাটও ভাড়া পাবা যায়। সে সব সুলুক-সন্ধানও জেনে এয়েচি -
  • T | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১০:৫০380042
  • আহা, আশীর্ব্বাদ করি।
  • | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১০:৫০380043
  • এই কেলোদাদা আমায় একটা সস্তায় পুষ্টিকর দুরবীন সাজেস্ট করেন তো। দাবী খুব বেশী নয় এই জঙ্গলের দিকে গেলে সাইটিঙের জন্য। খুব দুর্ধর্ষ কিছু নয়, মোটামুটি গোছের হলেই চলবে।

    আর কি কি দেখা উচিৎ দুরবীন কেনার সময় সেইসব বেসিক একটু বলে দেবেন, কেমন।
  • pi | ০৮ জুলাই ২০১৭ ১০:৪৭380041
  • আর তার নিজের বাচ্চারা বাঁচেনা কেউ, কিন্তু দত্তক বাচ্চারা সব বেঁচে গেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত