এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২০ জুলাই ২০১৭ ০৩:৪২380310
  • প্রকৃত অপরাধী তাহলে কে বা কারা? মেয়েটি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়ে গিয়েছে এটা তো ঘটনা।
    এই ব্যাপারটার যতক্ষণ না নিষ্পত্তি হবে, ততক্ষণ তো-
  • aranya | ২০ জুলাই ২০১৭ ০৩:৩৮380309
  • অন আ সেকেন্ড থট, ক্ষুদিরামের ফাঁসীর দিন ফাঁসী নিয়ে একটা সিনেমা বেরোলে হয়ত বেশি লোক দেখবে, সেদিক থেকে আইডিয়াটা ভাল। শুধু কিছু পারিপার্শ্বিক প্রমাণ, যেগুলো ও বিতর্কিত, তার ওপর নির্ভর করে হয়ত একজন নিরপরাধ লোককে মৃত্যুদন্ড পেতে হয়েছে, বিশেষ করে গরিব মানুষদের ক্ষেত্রে এমন বিচারের নামে প্রহসন হয়ে থাকে - এই ব্যাপারটা যত বেশি জনের কাছে পৌঁছয়, তত ভাল
  • aranya | ২০ জুলাই ২০১৭ ০৩:২৪380308
  • পাই এর লিংক থেকে দেবারতির দীর্ঘ ফেবু পোস্ট-টা পড়লাম। উনি কয়েকবার লিখেছেন 'প্রমাণিত অপরাধী'। এই পয়েন্ট-টাকেই কাউন্টার করা উচিত।

    বই-টা (এবং আশা করি সিনেমাটাও) সেটাই তুলে ধরেছে, যে ধনঞ্জয়, নিরপরাধ-ও হতে পারেন, তার সম্ভাবনা খুবই বেশি
  • aranya | ২০ জুলাই ২০১৭ ০৩:১৫380307
  • ক্ষুদিরাম-এর ফাঁসীর দিন রিলিজ করলে, সেটা একটা প্ল্যানড মুভ, প্রযোজক/পরিচালকের পক্ষ থেকে, ক্ষুদিরাম-কে নিয়ে বাঙালী সেন্টিমেন্টের ফায়দা তোলার জন্য।

    ধনঞ্জয় নিরপরাধ ছিলেন, চক্রান্ত করে ফাঁসী দেওয়া হয়, তদন্ত ও বিচার কোনটাই ঠিকভাবে হয় নি - এটা একটা খুবই বাস্তব সম্ভাবনা। কিন্তু ক্ষুদিরাম-এর সাথে তার তুলনা কোনভাবেই আসে না।

    ক্ষুদিরাম সত্যিই অপরাধ করেছিলেন, ভুলক্রমে হলেও দুজন সিভিলিয়ান-কে মেরেছিলেন। কিন্তু দেশের স্বাধীনতার জন্য অত কম বয়েসের একটি কিশোরের যে আত্মত্যাগ, মৃত্যুকে তুচ্ছ করার সাহস - তার জন্যই বাঙালী তাকে মনে রেখেছে। ধনঞ্জয়ের তেমন কোন গুণ বা কাজের কথা জানা যায় না।

    ব্যবসায়িক স্বার্থে, ক্ষুদিরাম সংক্রান্ত সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিয়ে তার ফাঁসীর দিন এই সিনেমা রিলিজ করলে সঙ্গত কারণেই লোকে ক্ষুব্ধ হতে পারে।
  • pi | ২০ জুলাই ২০১৭ ০১:১৫380306
  • কত সব বিচিত্র দাবি লোকজনের।নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে কাজ না করে এই রহস্য নিয়ে কাজ কেন হবে ?
  • pi | ২০ জুলাই ২০১৭ ০০:২৫380305
  • এডিট করে তো আর জুড়তে দিচ্ছে না। দেওয়ালে জুড়ে একটা পোস্ট দিলাম।
  • গবু | ১৯ জুলাই ২০১৭ ২২:১৫380304
  • পাই দিদি, আপনি যে পোস্টটিতে দেবারতির পোস্ট শেয়ার করেছেন, ওটা তেই এডিট করে গুরুর বইয়ের লিংকটা দিলে ভালো হয়। সবাই হেড লাইনই দেখে কিনা।
  • | ১৯ জুলাই ২০১৭ ২১:৩৮380303
  • সবাইকে এত পাত্তা দেবারই বা কি আছে? যে মহিলা ভেন্ট আউট করছেন করতে থাকুন না। কালকেই আরেকটা ইস্যু আসবে ব্যাস!
  • Ishan | ১৯ জুলাই ২০১৭ ২১:১৯380302
  • আমি ওই জন্যই একটা টই খুললাম। এই পোস্টটা ফেসবুকেও করেছি।
  • Ami kichhu jani na kintu | ১৯ জুলাই ২০১৭ ২০:২৩380301
  • এইটা হোয়াটসয়াপেও ঘুরছে, আমিও সেইসব গ্রুপে আছি। গুরুচন্ডা৯ ঐ বই ছাপিয়েছে আর তাদের সঙ্গে আমার ঘুণাক্ষরেও সম্পর্ক আছে জানলে আমাকেও ধরে পিটিয়ে দেবে মনে হচ্ছে লোকজনের প্রতিক্রিয়া দেখে ঃ/
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৭ ২০:০৬380300
  • এদিকে ইনি ধনন্জয়কে নিয়ে যা নয় তাই লিখে যাচ্ছেন, কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়া আর সেটা ভাইরাল হয়ে চলেছে!
    লোকজনের কী রাগ!

    ক্ষুদিরামের ফাঁসির দিন কেন রিলিজ কেন সেনিয়েও কী রাগ!

    https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=741968962654829&id=539747119543682
  • সুকি | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৯:০১380299
  • আমি গত সপ্তাহে এইখান থেকে ফুল, চকোলেট আর কার্ডঃ

    https://www.cityflowers.co.in/

    এবং এখান থেকে কেক পাঠিয়েছি কলকাতায়ঃ

    https://www.winni.in/

    কেকের স্বাদ ভালো এবং ফুলের কোয়ালিটি ভালো বলে ফিডব্যাক পেয়েছি। ফ্রী ডেলিভারী ওপট করেছিলাম, সকাল ১০টায় ডেলিভারী দিয়ে গ্যাছে যেই দিন চেয়েছিলাম সেই দিন।
  • | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৮:৪৯380298
  • ব্যাধের নামটা খেয়াল করবেন। জরা..
    প্রভাসে কৃষ্ণের চিতাভস্ম সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়ার পরে তা নাকি ভাসতে ভাসতে বহু যুগ পরে এসে ঠ্যাকে। পূবদেশের এক সমুদ্র শহরে। পুরীতে। সেই হলো জগন্নাথ বিগ্রহের মধ্যে স্থাপিত ব্রহ্মবস্তু।তবে সে অন্য আর এক বিশাল গল্প।
    এই বস্তু আদতে হতে পারে বুদ্ধের দাঁতও।
  • Du | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৮:১৮380297
  • ধন্যযোগ সিকি।
  • সিকি | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৭:২৯380296
  • দুর্যোধনকে নিজের দৃষ্টি দিয়ে ইনভিন্সিবল করতে চেয়েছিলেন গান্ধারী। সেইজন্য দুর্যোধনকে নগ্ন হয়ে এসে তাঁর সামনে দাঁড়াতে বলেছিলেন। কিন্তু পথে কৃষ্ণর সাথে দেখা। তিনি নগ্ন দুর্যোধনকে দেখে বললেন, আজ বাদে কাল তুমি রাজা হতে চলেছো, এইভাবে নগ্ন হয়েযাওয়া কি তোমায় শোভা পায়? হলেই বা উনি তোমার মা, তুমি তো দুধের খোকাটি নও, কী বিচ্ছিরি লাগছে বলো তো!

    দুর্যোধন এই কথায় লজ্জা পেয়ে কোমরে এক টুকরো বস্ত্রখণ্ড জড়িয়ে নেন। ফলে গান্ধারীর দৃষ্টির তেজে দুর্যোধনের সারা শরীর ইনভিন্সিবল হয়ে যায়, ঐ কোমরের অংশটুকু বাদে। গান্ধারী জিজ্ঞেস করে জানেন এটা কৃষ্ণের চাতুরি।

    পরে দ্বৈপায়ন হ্রদের ধারে যুদ্ধে ঐখানেই গদা মেরে দুর্যোধনকে হত্যা করেন ভীম। সেই শোক ভুলতে পারেন নি গান্ধারী।

    শোক প্রকাশ করতে এসেছিল যখন পাণ্ডবরা, কৃষ্ণকে সাথে নিয়ে, ধৃতরাষ্ট্রের কাছে এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল লোহার ভীম, অজ্জিনাল ভীমকে ধৃতরাষ্ট্রের কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয় নি। ধৃতরাষ্ট্রের শরীরে ছিল একশো হাতির বল, আলিঙ্গনের ছলে তিনি ধরলেন আর লোহার ভীম চুরচুর হয়ে ভেঙে গেল। পরে ধৃতরাষ্ট্র অবশ্য ভুল বুঝতে পেরে আসল ভীমকে জড়িয়ে ধরেন এবং তার কোনও ক্ষতি করেন নি।

    গান্ধারীর সামনে কৃষ্ণ আসতে ভয় পাচ্ছিলেন। এই একটি মানুষকে তিনি অসম্ভব ভয় পেয়েছিলেন। গান্ধারীর তেজের কথা তিনি জানতেন। তাও সামনে আসেন, এবং কাপড়ের পট্টির ফাঁক দিয়ে গান্ধারী কৃষ্ণের পায়ের বুড়ো আঙুল দেখতে পান। তাঁর দৃষ্টির তেজে কৃষ্ণের পায়ের বুড়ো আঙুল কমজোর হয়ে যায়। কৃষ্ণকে তিনি অভিশাপ দেন, যে শোক তুমি আমাদের দিয়েছো, সেই শোক তুমি আরও বড় স্কেলে পাবে। যদুবংশ ধ্বংস হবে।

    যদুবংশ ধ্বংস হয় মুষলপর্বে।

    পরে ব্যাধ ঐ বুড়ো আঙুলেই তির মেরে কৃষ্ণকে হত্যা করে।
  • Du | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৭:০০380295
  • কৃষ্ণকে পশুর মতো মরার শাপ দিয়েছিলেন কি গান্ধারী? কারনটা কি ছিল? ডিডিদা বা অন্য কেউ বলবেন?
  • de | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৫:০৭380294
  • বাঙালী মায়েদের কি বদনাম!
  • hmm | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১৩:০২380292
  • আমি অনলাইন এ কোলকাতাতে ফ্লাওয়ার বকে কেক আর কার্ড পাঠাতে চাই। কেউ কি কোনো রিলায়েবল সাইটের নাম বলতে পারবেন ??এমন সাইটের নাম বলুন যারা এই 3te জিনিস পাঠায়। ।থাঙ্কস ইন অ্যাডভান্স।
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১২:৪৬380291
  • অ, এই সূর্য ইন্দ্রের চাকার গল্পের মিলটা ইন্টারেস্টিঙ্গ তো!
  • de | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১২:৪৪380290
  • রথের ওপর লাফালেই চাকা দাববে - বিসওয়াস কত্তে শিখুন!
  • সুপারম্যানের আন্ডি | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১১:৫১380289
  • কৃষ্ণের মুকুট কী শিরস্ত্রাণের ওপরে পরা ছেল, না শিরস্ত্রাণ, মুকুটের ওপরে পরা ছেল?
  • নিউটন | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১১:১৯380288
  • কিন্তু কৃষ্ণ কি করে রথে বসে পা দিয়ে রথের চাকা দাবিয়ে দিল?
  • | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১১:০৭380287
  • কর্ণ (বসুসেন) বড় হয়েছিলেন সূত অধিরথের ( বিশেষণমূলক- যে আধা রথি) বাড়ি। সূত ওই যুগে ছিলেন গপ্প বলিয়ে, সারথি এবং কাঠের কাজ জানা মানুষ।রথের রিপেয়ার করতে জানতেন এরা। কর্ণ ছোট্টো থেকে রথ সারাতে, রথের চাকা পাল্টাতে দেখেছেন। চারণেরা যে কর্ণকে যার মৃত্যু রথের চাকা বসে হবে ( পূর্বননির্দ্ধারিত) তাকে অধিরথের বাড়ি বড় করবেন এ আর আশ্চর্য কী। এমন ব্যাকক্যাল্কুলেটেড কূট এই আশ্চর্য রচনায় আরও আছে।
    এবারে আর এক দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ভেবে দেখবেন যে মহাভারতের প্রধান পুরুষ চরিত্রেরা প্রায় সব্বাই বৈদিক দেবতার প্রচ্ছায়া। কর্ণ খোদ সূর্যদেবের আর অর্জুন খোদ ইন্দ্রের। আদতে মেজর ক্যারেক্টার সব্বাই আদিত্য বা সোলার ডেইটি।
    ঋকসংহিতায় আখ্যান খুঁজে পাবেন যেখানে দেখবেন ইন্দ্র সূর্যদেবের রথের চাকা হাপিস করে দিয়েছিলেন। এই মীথ কি করে তৈরি হয় তার সম্ভাব্য কারণ পন্ডিতেরা বলেন এমন- আকাশে সোলার ডিস্ক মাত্র একটা। এবার রথের চাকা তো দুটো আর সূর্যদেব তো রথেই চড়েন।তার এক চাকাকে খুঁজে নেওয়া হলো একটা ডিস্কে।অন্যটা কোথায়?নিশ্চয়ই মেঘের আড়ালে। তার মানে নির্ঘাত ইন্দ্রের কারসাজি।
    বহু বৈদিক উপাখ্যান হাল্কা মোচড় দিয়ে মহাভারতের অণুগল্পগুলো তৈরি হয়েছে। এই অর্জুন আর কর্ণের যুদ্ধ যখন চারণ দ্যাখাবেন তখন তাতে কর্ণের শেষটা যখন পূর্বনির্ধারিত তখন তার শেষ সময়ে যে রথের চাকায় চিত্তির হবে এতে আর আশ্চর্য কী!!
    ভালো কথা বিষ্ণু নিজের আদিত্য তাই কৃষ্ণের সেই সুদর্শন চক্র যে আদতে কালচক্র এবং সূর্যের সেই সোনালি ডিস্কাসের আর এক রূপ তা নিশ্চয়ই বুঝছেন। মায় মন্থনে পাওয়া সেই কৌস্তুভমণিও সেই জ্বলন্ত সূর্যেরই আর এক অভিজ্ঞান।
  • aranya | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১০:৪৪380286
  • থ্যাংকস
  • aranya | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১০:১৮380284
  • কর্ণসংহার-এর লিংক চাই
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১০:১৬380283
  • আরে, এই লেখাটা মিস করে গেছি দেখছি। পড়তে হচ্ছে।

    কিন্তু সারথি গায়েব রহস্য নাহয় বুঝলাম, রথীরা ছিলেন না, সেও বুঝলাম। কিন্তু পদাতিক, অশ্বারোহী, আর কেউ আশেপাশে ছিলেন না ? সাধারণ সৈনিক ? বড়দের যুদ্ধ হলে কি ছোটরা সবাই রণাঙ্গন ছেড়ে দিতেন ? এরকম শতাব্দীর স্পেক্টাকল মার্কা যুদ্ধ দেখতে দর্শকের মত ভিড়ও করতেন না ?

    রামায়ণ মহাভারত ব্যাদে সব ছিল। মোবাইল যে কেন ছিলনা ? থাকলে আজ ইতিহাস অন্যরকম হত।
  • dd | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১০:০৮380282
  • ও হো। আর অর্জুন এর আগেই কর্ণের পার্শ্বরক্ষক আর পৃষ্ঠ রক্ষক চার রথীকে একেবারে ঘচাং ফু (কোনো নিক বিশেষকে এ ব্যাপারে কটাক্ষ করছি না কিন্তু, যাস্ট একটা ক্রিয়াপদ) করে দিয়েছিলেন। কর্ণের কাছে আর রথীরা কেউ ছিলো না। ব্যাচারা।
  • dd | ১৯ জুলাই ২০১৭ ১০:০৫380281
  • আমি জানি, আমি জানি।

    আমি বোলবো, আমি বোলবো।

    দ্যাখেন, এই গুচর পাতাতেই আমার মহতী ব্লগ "ছাবা" হয়েছিলো, কর্ণসংহার নামে। সেই মহতী নিন্বন্ধে আমি সেই কবেই উল্লেখ করিচি এই রহস্যের কথা।

    অর্জুনের রথকে পা দিয়ে দাবিয়ে দিলেন শ্রীকৃষ্ণ। ফলে এক ভয়ানক তীর অর্জুনের গলা না কেটে স্রেফ তার মুকুটটাকে একটু ধেবড়ে দিলো। কৃষ্ণও এক লাফে রথে থেকে নেমে চাকা ধরে মারো টান করে আবার রথকে চালু করলেন।

    আর ও দিকে শল্য ? কর্ণের সারথি ? তাঁর কী হোলো? একেবারে চুপ মহাভারত। হঠাৎ করে শল্য একেবারে উধাও হয়ে গেলো। স্রেপ ভ্যানিস। আবার কর্ণ মারা গেলে শল্যকে খুঁজে পাওয়া যায়। ভগ্ন রথে শল্য দুর্য্যোধনকে গিয়ে বললেন ' স্যার, কতোই তো ট্রাই কল্লেম। কিন্তু ...."। কিন্তু কর্ণের রথ মাটীতে বসে গেলে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। শল্য কি সিপিএম ছিলেন ?

    এটা একটা রহস্য। আনসলভড।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত