এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sswarnendu | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৪০380401
  • h এর 01:57 PM এর পোস্টে সহমত। কিন্তু হানুদা কি নিজেরই লেখায় শেষ লাইনের শুরুতে 'আপাতত' শব্দটা খেয়াল করলেন? চন্দ্রিল আসলে যা নিয়ে লিখেছে, আপাতত সেইটা নিয়ে কথা বলার মত পরিস্থিতিই নেই, এখন এই মেকী 'আহারে'-গুলোই অনেক, এইটুকুই ঢের, এই যুক্তিতে আমারও সমর্থনই আছে, কিন্তু এই 'আপাতত'-গুলোই কিন্তু বলছে যে আমরাও মনে করি এই বিষয়টা কথা বলার ও সমালোচনা করার বিষয়ই, শুধু দেশের আজকের যা পরিস্থিতি, তাতে মিসটাইমড।

    a কে,
    তফাত আছে বলে মনে হয় কিন্তু। ২০০৩ বিশ্বকাপে যারা এই নিয়ে রিয়াক্ট করছিল সব্বাই ( বা অন্তত গরিষ্ট অধিকাংশ) দীর্ঘদিন ও সারাবছর ক্রিকেট ম্যাচ দেখত। এখন বহু লোকে রিয়াক্ট করছে যারা এই বিস্বাকাপের আগে মেয়েদের ক্রিকেট আদৌ কখনো দেখেনি, দেখত না, এমনকি মেয়েদেরও যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয় তাও জানত না এমন লোকও আছে। ( লোকজন রে রে করে তেড়ে আসার ভয়ে আগেভাগে জানিয়ে যাই, আমার এই কথাগুলো নেহাতই যা ঘটছে দেখে লেখা, আমি ছেলেদের ক্রিকেট, মেয়েদের ক্রিকেট কোনোরকম ক্রিকেটই দেখিনা ও খবরও রাখি না। তাই ক্রিকেটীয় ব্যাপার নিয়ে আদৌ কোন উৎসাহ নেই। কোহলি বাজে খেললে অনুষ্কা-কে জড়িয়ে লোকে আজেবাজে মন্তব্য করে দেখেছি। আমার মনে হয় বস্তুত সেই একই মানসিকতার উল্টোপিঠ এই গণ 'আহারে' 'ওয়েল ডান' বলার শিভ্যালরি-টা, যা আসলে 'শিভ্যালরি' টাইপ জিনিসই, শুধু পলিটিক্যাল কারেক্টনেসের নামে বিল কেটে। আবারো, আজ যা পরিস্থিতি তাতে আপাতত শিভ্যালরি-ই বা কম কি, হানুদার এই যুক্তিতে আমার খুব বিরোধিতা নেই। )
  • d | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৩৭380399
  • পিপল রেস্পেক্ট হিম? রিয়্যলি?
    আই ডাউট!
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:০৯380398
  • আই ডোন্ট আন্ডারস্ট্যান্ড, হি ইজ আ টাওয়ারিং ফিগার, পিপল রেস্পেক্ট হিম, হিজ ওয়ার্ড ক্যান মিন সো মাচ টু সো মেনি পিপল, হি ইজ টকিং কম্প্লিট ক্র্যাপ। বাট এনিওয়ে হি হ্যাজ দ্য রাইট টু।
  • a | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৩:৫৯380397
  • আর চোন্দিল বোধহয় ভুলে গেছে ২০০৩ এর বিস্বকাপের ফাইনালে হারকেও লোকে এরকম নজরেই দেখেছিল।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৩:৫৭380396
  • প্রকৃতপক্ষে আমি চাই, মেকি প্রগতিশীলতায় ভরে যাক দেশ, আমি চাই মুসলমান দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে দেখানোর ব্যাপারে, মুসলমান দের অ্যাপিজমেন্ট হচ্ছে এসব বলতে লোকে লজ্জা পাক, চক্ষুলজ্জার কারণে কম্প্লেক্স এ থাকতে দিক, চক্ষুলজ্জার কারণে বাড়ি ভাড়া দিক মুসলমান দের, নেহাৎঅ ই লোকে কি মনে করবে বলে দলিত দের খুন করা বন্ধ করুক। অন্তত তার বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারে অংশ নিক। আপাতত তাতেও সন্তুষ্ট হবো।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৩:৫১380395
  • চন্দ্রিল এর এই লেখাটা সলিড বাজে লেগেছে, আমার। পিছন পাকামি মাত্র। একট স্পোর্ট কে একটা টিম একটা উচ্চতায় পৌছে দিল, তাতে এই কার প্রশংসা আসলে প্রশংসা না এই সব ন্যাকামির কোন মানে হয় না। টিম টা দাবী করে নি তারা ভীষণ নারী দের উদ্ধারে নেমেছে। যারা সমর্থন করেছে, তারা কেউ কাউকে দয়া দেখাচ্ছে না এম্নিতেও, প্যাম্পার্ড ছেলেদের টিম এর বদলে এরা অ্যাকচুয়ালি ভালো খেলেছে, সেটা প্রশংসা করেছে লোকে। ধরা যাক নিজেদের প্রগতিশীল দেখানোর জন্য কিছু লোক এটা করেছে। তো নিজেদের প্রগতিশীল দেখা তে গিয়ে ভ্রুণ হত্যা বন্ধ হলে আপত্তি কিসের আছে। একটা জিনিস বড় করে প্রচার হচ্ছে মানেই, ইতিহাস ভূগোল না দেখে, তার মধ্যে ভ্যালু জাজমেন্ট করতে হবে, এটার কোন অর্থ হয় না। পপুলার মানেই নিন্দাযোগ্য, এটা যদি পপুলারিটির উচ্চতম প্ল্যাটফর্মে বসে কেউ মনে করে, তাহলে তাকে গর্দভ ছাড়া কি বলবো। এই যুক্তি তে জে এন ইউ তে ট্যাংক বসানোর বিরুদ্ধে কথা বলা বন্ধ করতে হয়, কারণ এটা কে এমনকি টাইম্স অফ ইন্ডিয়া ও সমর্থন করছে না। এডিটর'স নোট লিখে জানিয়েছে সেটা। তো কি করব। কি বলবো, না আই তিয়েনামেনে ট্যাংক ঠেকাই নি, আমি মার খাওয়া কাশ্মিরী ছাত্র নই, অতএব প্রতিবাদ করে লাভ নেই, কারণ আমার প্রতিবাদ প্রকৃত কিনা বুঝতে পারছি না। একেবারে গন্ডমুর্খের মত লিখেছেন, এত নামী একজন লোক। যাক কি আর করা। লিখেছেন নিজের পয়সায়, নিজের বিচার অনুযায়ী, কার কি বা বলার আছে। রিজয়েন্ডার লেখা উচিত, ভারতীয় টিম এর ম্যানেজার এর।
  • sp | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৩:২৩380394
  • থ্যান্কু রবাহুত।
  • Rabaahuta | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১২:২৫380393
  • থ্যান্কিউ এসপি!

    আমি এখান থেকে করলাম- পাসপোর্ট আর ভোটার আইকার্ডের সই করা স্ক্যান আপলোড করে-

    https://ssup.uidai.gov.in/web/guest/update
  • sp | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১২:১৭380392
  • @রবাহুতঃ আধার এর সঙ্গে PAN জোড়া আছে কিনা এইখানে দেখে নিতে পারেন - https://incometaxindiaefiling.gov.in/e-Filing/Services/LinkAadhaarHome.html

    আধারে তথ্য পালটানো কি ভাবে করেছিলেন যদি একটু অলোকপাত করেন এই অধমের জন্য তো ভাল হয়, আমার ঠিকানা পালটানোর দরকার।
  • de | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১২:১৩380391
  • এটা পছন্দই হোলো -

    http://www.anandabazar.com/editorial/respect-for-women-and-compassion-to-women-is-not-the-same-1.647355?ref=hm-ft-stry-6

    "আজকাল তরল ফেমিনিজ্ম একটু বাড়তির দিকে। ফুটফুটে পলিটিকাল কারেক্টনেসের একটা হাওয়া উঠেছে, তাতে ‘ওরে মেয়েরাও কিন্তু ছেলেদের সমান’ ফুকারি উঠে নিজের পুণ্যপয়েন্ট কিছু বাড়িয়ে নেওয়ার সস্তা বাতাসা যে পারছে কুড়োচ্ছে। তাতে এমনিতে অসুবিধে নেই। বরং সমাজ সুস্থতার দিকেই ঢলে পড়ার সম্ভাবনা। মুশকিল হল, বেসিক অশিক্ষা থেকে আচমকা নৈতিক ঠিকতার পানে ডাইভ মারলে, প্রাণপণ পুরুষতান্ত্রিকতা থেকে যান্ত্রিক নারী-তোল্লাইয়ের দিকে তুড়িলাফ কষালে, কিছু হাস্যকর মুদ্রা ও দোষ অবশ্যম্ভাবী, তাতে পরনের কাপড় একটু বিপজ্জনক ভাবে উড়ে যায়। সম্প্রতি মেয়েদের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ হল, কোনও বারই তা বিশেষ পাত্তা পায় না, এ বার মিডিয়া একেবারে হুড়িয়ে কভার করল, সবাই বেশ হাতটাত নেড়ে কথা বলতে লাগল, বিশ্বকাপ জেতার পর নারী ক্রিকেটাররাও মিনিমাগনা ফ্ল্যাট পাবেন এমন সিনারি তৈরি হল। ‘ছেলেদের ক্রিকেট নিয়ে মাতামাতি করলে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে মাতামাতি না-করার অধিকার কোথায়’ গোছের রাঙাচোখে অনেকেই তাকাতে লাগলেন। তার পর হল বিশ্বকাপ ফাইনাল। বৃষ্টি-বাদলা, রোববার সন্ধে, অতএব অনেকেই মুড়িফুড়ি মেখে জাঁকিয়ে দেখতে বসলেন। জেতা ম্যাচ ভারত একেবারে যাচ্ছেতাই ভাবে মাঠে ছেড়ে দিয়ে এল। এখন ক্রিকেট সকলেই বোঝেন, যে খেলা অনায়াসে তালুবন্দি করে হাসতে হাসতে জেতা যায়, সে ম্যাচ হেরে বসতে গেলে যে কতটা বিচ্ছিরি খেলতে হয়, স্রেফ টেনশনে দম আটকে নিজেই নিজেকে হারাতে হয়, তা টের পেতে কারও আর কমেন্ট্রি-নির্ভর হতে হয় না। এই হার দেখার পর কী হল? সব্বাই করুণা-ছলছল পোজে বলতে লাগলেন, আহা গো, তাতে কী হয়েছে, এত দূর যে গিয়েছিল, এই কি যথেষ্ট নয়? কেউ টুইট করলেন, তোমরাই আসলে চ্যাম্পিয়ন! কেউ এমনকী বললেন, না-হারলে জেতার আনন্দ বোঝা যায় না! পর দিন মিডিয়ার হেডলাইন দেখেও মনে হল, সবাই সান্ত্বনার আঙুল বুলিয়ে দিতে পারলে বাঁচে। আহা ননীপুতুলকে বোকো না গো, যথেষ্ট চেষ্টা করেছে, মেয়েকে আমার বড়কা সন্দেশ দাও।

    এই যদি ছেলেদের ক্রিকেটে, ভারতীয় ক্রিকেট দল, ৪৪ বলে ৩৮ করতে হবে আর হাতে সাত উইকেট আছে এই অবস্থায় ম্যাচ হেরে ফিরত? ২৮ রানে ধড়াধ্ধড় বাকি উইকেট হারিয়ে চলে আসত? কী হত? প্রায় দাঙ্গা। ছ্যারছেরিয়ে খিস্তি, র‌্যান্ডম কুশপুতুল পোড়ানো। কেউ বলত অমুকের মুন্ডু লাও, কেউ বলত নির্ঘাত টাকা খেয়েছে, কেউ চেঁচিয়ে ফাটিয়ে দিতঃ রিভিউ চাইতে দেরি হয়ে গেল বলে রিভিউ পেল না, এমন ক্রিকেটার জাতীয় টিমে ঢোকে কী করে? বাড়িতে ইট-পাটকেলও পড়ত, পুলিশ দিয়ে ম্যানেজ করতে হত। না, এগুলো খুব ভাল বা উচিত প্রতিক্রিয়া বলছি না। অবশ্যই এগুলো জঘন্য অসভ্যতা। কিন্তু যেটা বোঝা যেত, লোকে খেপে আকুল হয়ে গেছে, হতাশা আর ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে পথঘাট সর্বত্র। কিন্তু মেয়েরা হেরে যাওয়ার পর কারও রাগ নেই কেন? মুখচোখ লাল হয়ে যাওয়ার বদলে সবার ঠোঁট মায়া, অনুকম্পায় যথাযথ থরথর কেন? কারণ, মেয়েরা হেরে গেলে আসলে কিছু এসে যায় না। মেয়েরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলে তা আমাদের মনে স্লাইট গর্ব আর হইহইয়ের সঞ্চার করত অবশ্যই, কিন্তু না হওয়ায় কণামাত্র এতোলবেতোল ঘটেনি। মেয়েদের ক্রিকেটের প্রতি আমাদের না আছে প্যাশন, না আছে সমীহ, একটা সস্নেহ প্রশ্রয় আছে মাত্র। ম্যাচ হারার পর টিভি বন্ধ করে দেওয়ার বদলে আমরা অন্য চ্যানেলে ফিল্মের গান দেখেছি, সকালে কাগজ পড়ে মিডিয়ার সুরে সুর মিলিয়ে চুকচুক করেছি, ইইস, বেচারা! ওরা কিন্তু খুব ভাল। আমার কিন্তু ভীষণ গর্ব হচ্ছে।

    মেয়েদের প্রতি এই যে আহা সোনুমোনু অ্যাপ্রোচ, এটাই নারীকে (ও নারীবাদকে) সবচেয়ে অপমান করে। যদি আমরা মেয়েদের সমান ভাবতাম, তা হলে তাঁরা খারাপ খেললে তেড়ে গালাগাল দিতাম। টুইট করতামঃ হতাশ করলে হে, অথবা, ধুত্তোর চোকার কোথাকার! এমন একটা ভাব দেখাতাম না যে রানার্স হয়েই তোমরা আমাদের উদ্ধার করেছ। পরাজিতকে আসলি চ্যাম্পিয়ন বলে মেলোড্রামার সুইচ অন করতাম না। খেলার রিপোর্ট করার সময়, সমালোচনার খোঁচাগুলো যথাসম্ভব প্রলেপ দিয়ে রেখেঢেকে, ‘আহা তাতে কিসের ক্ষত, এই করেছ এই না কত’ দরদে গলে পড়তাম না। এই গ্রেস দিয়ে দেখাটাই মেয়েদের সবচেয়ে ছোট করে। তাদের লড়াইকে হীন করে। সন্তান রেজাল্ট নিয়ে বাড়ি আসার পর যদি ‘আরে, অংকে তো আর একটু হলেই পাশ করে গেছিলি রে! বিরিয়ানি আন!’ বলি, তা তার ফেল করাকে চূড়ান্ত ঘা কষায়। ছেলেরা যা করলে আমরা যাচ্ছেতাই বলতাম, মেয়েরা তা করলে আমরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছি— এর মধ্যেই আছে সেই মানসিকতাঃ ছেলেরা যা পারে, তা মেয়েদের দ্বারা আসলে হয় না। ওরা দুধভাত।

    সমান ভাবে দেখা খুব সহজ নয়। অনেক ওপর থেকে ভুরু কুঁচকে একটু ঝিঁক মেরে নজর করে, তার পর লোক-দেখানো সমান-সমান খেলতে গেলে, অনুগ্রহের সুরটা চট করে ধরা পড়ে যায়। মেয়েরা যদি সমান হয়, তবে তাদের দিকে স্ট্রেট সমান-চাউনি দাও, দাক্ষিণ্য নয়। যদি মেয়েদের ক্রিকেটকে মর্যাদা দিতে হয়, তবে তাকে মাথায় হাত বুলিয়ে ফাউ ফুচকা দিয়ো না। মিডিয়া থেকে ভিআইপি, সাধারণ লোক থেকে কলরব হোক, সবাই যদি সিমপ্যাথির খোসায় ক্রমাগত হড়কে যাও, তা হলে বোঝা যাবে, আসলে মেয়েদের সমান ভাবছিলে না, বরং নিজেকে মহৎ ভাবার খেলায় নেমেছিলে। মেয়েদের কথা ভেবে মেয়েদের ধন্য করে দিচ্ছিলে।

    এই এক্সট্রা হাততালি ও কৃপা-ল্যাবেঞ্চুস ছিটিয়ে নিজের পিঠ-চাপড়ানোর অভ্যাস আমাদের মজ্জায়। রিয়েলিটি শো-তে অন্ধ প্রতিযোগী ভাল গাইলে আমরা লাফাই, রাশি রাশি নম্বর দাও! আমরা যে দিন তাকে সেই নম্বর দিতে শিখব, ওই গান এক চক্ষুষ্মান ব্যক্তি গাইলে এগজ্যাক্টলি যত পেত, সে দিন তাকে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাব। তাকে সমান মর্যাদা দেব। সে দিন তাকে ‘অন্ধ গায়ক’ না ভেবে, ‘গায়ক’ ভাবব। কেউ বলতে পারে, সে যে চক্ষুষ্মানের তুলনায় বেশি প্রতিকূলতা ঠেলে এল? সে জন্য তাকে বাহবা দেব, কিন্তু গানকে বেশি নম্বর দেব না, তা হলে তা তার গানকে ছোট করবে, তার কৃতির ঠিক মূল্যায়ন হবে না। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ কাকে বলে? যখন সেই আচরণ, মানুষটি নারী, স্রেফ এই জন্যই তাকে ছোট করে। যদি আমি নারীর প্রতি এমন আচরণ করি, যা, সে নারী, শুধু এই জন্যই তাকে বড় করে, তা-ও বৈষম্যমূলক। মেয়ে মাত্রেই বড্ড ভাল বলে চেঁচালে, তা নারীবাদের বিরোধিতাই, কারণ, মানুষটিকে মানুষ না ভেবে ‘মেয়ে’ ভাবা হল। তার কাজটা কী, তা তালির যোগ্য না দুয়োর যোগ্য, তা না দেখে, তার লিঙ্গ কী, সে দিকে চোখ ফেড়ে তাকিয়ে থাকা হল। এই উঁচাই-খেলার সুবিধে হল, অন্য ক্ষেত্রে সহজে নীচে দলে দেওয়া যায়। নারীকে সমান ভাবা মানে তাকে দেবী ভাবা নয়, কম্পালসরি অকলুষ ভাবা নয়, বরং জানা, তারও দোষ আছে, গুণ আছে, খুশকি ব্রণ মাহাত্ম্য নীচতা আছে, হুবহু পুরুষের মতোই। তার কোনও বাড়তি অপমান প্রাপ্য নয়, বাড়তি সম্মানও। সিনেমায় নেগেটিভ নারীচরিত্র দেখলেই যারা ‘হু-ই নারীবিদ্বেষ’ বলে আঙুল তুলে চিল্লায়, তারা নিজ গামবাটপনাকে জলদি প্রগতিশীলতায় চুবিয়ে ফাঁকি-ট্রফি তুলতে চায়। অবশ্য শিক্ষিত হতে ব্যস্ত থাকলে, ফেসবুকে ক্যাচি নারীবাদ ফলানো পোস্টগুলো করত কখন!"
  • Rabaahuta | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১২:০৯380390
  • আধার কার্ডের ব্যবস্থা তো দেখি খুব ঝটপট। দু সপ্তাহের মধ্যে হয়ে গেল, তথ্য পালটানোর ছিল, তাও হয়ে গেল, ঐ মেরেকেটে হপ্তা দুইয়ের মধ্যেই।

    কিন্তু এ তো শুধু পরিচয়পত্র, নাগরিকত্বের প্রমান নয়, লেখা আছে দেখলাম। ভোটারকার্ড কি দোষ করেছিল কে জানে।
    এটা অবশ্য কোন নতুন প্রশ্ন না।

    এদিকে আবার প্যানের সঙ্গে জুড়েছিলাম কিনা বেমালুম ভুলে গেছি।
  • b | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১১:৫২380389
  • এবং এগুলোর আড়ালে ক্রমে ক্রমে ফিক্সড/টার্ম ডিপোসিটে কমে যাওয়া সুদের হার, পাবলিক এডুকেশন থেকে সাবসিডি তুলে নেওয়া এসব খবরগুলো স্রেফ চাপা পড়ে যায়।
  • লাফিং গ্যাস | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১১:৪৫380388
  • একটার পর একটা হুজুগের মিছিল চলে। কিছুদিন চলল জেএনইউ নিয়ে জমাটি নাটক, তারপর এলো ইভিএম মেশিন পালা, তারপর তিন তালাক, তারপর গোরক্ষার নামে খুন, তারপর আধার প্রাইভেসি ইস্যু। আর নানান খুচরো হুজুগ তো আছেই, মহাগুন মডার্ন, কিরিকেট, দীনানাথ বাত্রা, চীন সীমান্ত, সেন্সর বোর্ড। একটার পর একটা হুজুগের ঢেউ ওঠে, মেলাতে না মেলাতে আরেকটা এসে হাজির হয়। দিব্যি সময় কাটে।
  • dd | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১০:৩২380387
  • দীপংকরের কথাই আমারো মনে হয়। একটা পাগোল ছাগোলের কথা অ্যাতো ইম্পর্ট্যান্স দিয়ে খবরের কাগজে ক্যানো ছাপানো হয়? নেহাৎই হুযুক ? বাইটের প্রত্যাশা?

    না একটা ডাস্টবিনে ফেলার খবর কে আরো চাগিয়ে তুলে ক্রমশঃ এইসবের ও এইসব লোকের মান্যতা আদায় করা।
  • lord krishna | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১০:২৯380386
  • বাত্রা শুধু একটি নাটকেস হলে কেউ এসব নিয়ে মাথা ঘামাতো না। বাত্রা আরএসএসের বেশ ক্ষমতাশালীদের একজন। অর্গানাইজারের সাইটে dinanath batra সার্চ করুন, অনেক খবর পাবেন। ওয়েন্ডি ডনিগার, গুজরাত আর হরিয়ানার স্কুল পাঠ্য এসব তো এর মধ্যেই দেখেছেন মনে হয়।

    দাঙ্গা করাও বিজেপির অফিসিয়াল পলিসি নয়, গোখাদকদের হত্যা করাও নয়। অফিসিয়াল পলিসি নয় বলে বালিতে মুখ গুঁজে কি বাঁচবেন?
  • pi | ২৫ জুলাই ২০১৭ ০৯:৫২380385
  • টিভিতে অলোচনা হচ্ছে। পবিত্র সরকার বলছেন। উনিও সিরিয়াসলিই নিয়েছেন। তার কারণ, দীননাথ বাটরার সুপারিশ বেশ কয়েকটা রাজ্যে নেওয়া হয়েছে।
    সরকার, সিপিএম ও সিরিয়াসলি নিয়ে বিরোধিতা করেছে আর এই নিয়ে প্রোগ্রাম নেবে বলছে।

    এখন শন্খ ঘোষের প্রতিবাদ দেখাচ্ছে।

    আরো যা যা সব সুপারিশ এসেছে শুনলাম!!
  • দীপঙ্কর | ২৫ জুলাই ২০১৭ ০৯:৩৫380384
  • বিজেপি-rss ক্রমাগত যেটা করে চলেছে এই ধরনের ইস্যু গুলিকে হঠাৎ করে প্রচার মাধ্যমে এনে দেওয়া। দেশ জুড়ে এইসব নিয়ে যত হইচই হবে দেশের মানুষের মধ্যে পোলারাইজেশন বাড়বে। সেটাই মুখ্য।
  • dd | ২৫ জুলাই ২০১৭ ০৯:০৭380383
  • অ্যাক্চুয়ালি শুধু সোস্যাল মিডিয়াই নয়, কলকতার কাগজেও দেখি ফ্রন্ট পেজে বিশাল করে বাত্রা বাবুর খবর দেওয়া হয়েছে।

    নিঁখুত খবর তো জানি না তবে এক ঝলক উইকি দেখে মনে হচ্ছে এই বাত্রা এক সময়ে আর এস এসের শিক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক ছিলেন। এখন নেই। এখন অন্য কোনো একটা মঞ্চ টঞ্চ গড়ে সেটার হত্তা কত্তা হয়েছেন। এবং অতি মোজাটোজা টাইপের সাজেশন পাঠায়।

    এই সময় পড়ে মনে হচ্ছে মন্ত্রক (কোন মন্ত্রক জানি না) একটা ওপেন ইন্ভাইট করেছিলেন সাজেসনের জন্য। ৭০০ সাজেশন জমা পড়েছে পাঠ্য পুস্তকের রদবদলের জন্য। বাত্রা বাবুর টাও তার একটি।

    এটি আর এস এসের আপিসিয়াল স্ট্যান্ড নয়। বিজেপির'ও নয়। মন্ত্রকের ডিসিসন তো নয়ই। কিন্তু এই হিস্টিরিয়া কিসের? সৌমিত্র বসু দেখছি কম পড়ে নাই।
  • Rabaahuta | ২৪ জুলাই ২০১৭ ২২:৫৮380382
  • “an attempt has been made to show a rift between nationality and humanity by citing thoughts of Rabindranath Tagore”. এটা তো পড়েছি।
    আরেকটু ডিটেল খুজছিলাম।
  • PM | ২৪ জুলাই ২০১৭ ২২:০৪380381
  • দ্রী কিছু লিখলে জনতা আজকাল বিচ্ছিরি খিল্লি করছে। ফলে দ্রুত পরিবর্তনশীল দুনিয়া কে দেখার একটা দৃষ্টিকোন থেকে বন্চিত হচ্ছি ঃ(

    আচ্ছা এই "কালীদা" র সোর্স টা কি? বাংলাদেশের জনতাও দেখি আজকাল কালীদাকে ডাকাডাকি করছে :D
  • Atoz | ২৪ জুলাই ২০১৭ ২০:৩৬380380
  • অনেকদিন দ্রি কে দেখি না। দ্রি, ভালো আছেন?
  • de | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১৮:২৫380379
  • রবিঠাকুর - মির্জা গালিব - কেউ বাদ যান্নি -
  • সিকি | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১৮:২০380376
  • indianexpress.com/article/india/dina-nath-batra-again-he-wants-tagore-urdu-words-off-school-texts-4764094/
  • Rabaahuta | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১৭:৪৫380375
  • বাত্রাবাবু ঠিক কি বলেছেন? কোট আনকোট কোথাও পাওয়া যাচ্ছে? রবীন্দ্রনাথের টেক্স্ট নিয়ে আরকি।
  • dr | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১৫:২২380374
  • হায়, বড়ো দেরী হয়ে গেলো যে। অখাদ্য খে ' পেটে ছানি পরে গ্যাচে। মগজে অন্ধকার বিদিশার নেশা।কানেও কম
    শুনি - এটা একটা ভালো।

    আদারোয়াইস

    ধূর শালা, জীবনেও এই ফোন থেকে লিখবৈ না। এক ঘন্টা চলে গেলো লাইফ থেকে।
  • kumu | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১৩:৪৮380373
  • পাই,যত তাড়াতাড়ি পারি লিখব।
  • pi | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১০:৩৬380371
  • নীলান্জন সৈয়্দ লিখেছেন এটা। সত্যি এই প্রচণ্ড ক্ষতিকর রং চং নিয়ে কোন কথাই হয়না। কত বিষ এ রোজ খাচ্ছি আর কতজনের ক্যান্সার ব অন্য রোগ এসভ কারণে কে জানে। জানানোর কোন চেষ্টাও সেভাবে চোখে পড়েনা।

    ও কুমুদি, কবে লিখবে!!
    ---

    'অনেকে পোলাও ভাতে জাফরান রং ব্যবহার করেন।কিন্তু মুশকিল হচ্ছে অনেকে পোলাও ভাতে চার টাকা দামের কামধেনু ব্যবহার করেন।অথচ মজার ব্যাপার প্যাকেটের উল্টো দিকে জ্বল জ্বল করে লেখা আছে-
    for industrial use only not for human consumption.
    আসল জাফরানের অনেক দাম।দশ গ্রাম জাফরান রঙের দাম আজ থেকে বাইশ বছর আগে ৫০০ টাকা ছিল।আজ ভেবে দেখুন এখন তাহলে কত দাম হবে।
    এই চার টাকা দামের 'জাফরান 'রং আমার জন্মের পর থেকে ব্যবহার দেখে আসছি।
    অথচ এই নিয়ে কোন আলোচনা নেই।
    এই কামধেনু ব্যবহার পোলাও ভাতে ব্যবহার বিপজ্জনক....একটু ভেবে দেখবেন....'
  • pi | ২৪ জুলাই ২০১৭ ১০:৩৬380372
  • neelaanjan soiyd likhechhen eTaa. satyi ei prachaND xatikar ra`m cha`m niye kon kathaai hayanaa. kata bishh ze roj khaachchhi aar katajaner kyaansaar baz any rog esav kaaraNe ke jaane. jaanaanor kon cheshhTaao sebhaabe chokhe parhenaa.

    o kumudi, kabe likhabe!!
    ---

    'অনেকে পোলাও ভাতে জাফরান রং ব্যবহার করেন।কিন্তু মুশকিল হচ্ছে অনেকে পোলাও ভাতে চার টাকা দামের কামধেনু ব্যবহার করেন।অথচ মজার ব্যাপার প্যাকেটের উল্টো দিকে জ্বল জ্বল করে লেখা আছে-
    for industrial use only not for human consumption.
    আসল জাফরানের অনেক দাম।দশ গ্রাম জাফরান রঙের দাম আজ থেকে বাইশ বছর আগে ৫০০ টাকা ছিল।আজ ভেবে দেখুন এখন তাহলে কত দাম হবে।
    এই চার টাকা দামের 'জাফরান 'রং আমার জন্মের পর থেকে ব্যবহার দেখে আসছি।
    অথচ এই নিয়ে কোন আলোচনা নেই।
    এই কামধেনু ব্যবহার পোলাও ভাতে ব্যবহার বিপজ্জনক....একটু ভেবে দেখবেন....'
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত