এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Rabaahuta | ২৯ আগস্ট ২০১৭ ০০:৪১381060
  • কি সুন্দর একা হাইকিঙ্গ!
  • i | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ১৫:৩৪381059
  • কন্যার কিছু পাগলামি শেয়ারিলামঃ





    ছোটাই
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:১৭381058
  • আচ্ছা
  • i | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:১৫381057
  • স্লীপিং অন জুপিটার উপন্যাস-কাজেই ঐ গুরুকে নিয়েই গোটা গল্প তা নয়।
  • i | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:১৩381056
  • একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গুরু যাঁর অনেক সমাজকল্যাণকর প্রকল্প-তার মধ্যে একটি অনাথ আশ্রম-সেখান থেকে বাচ্চাদের বিদেশে দত্তক নেওয়া হত-তার আগে গুরুর সেই সব বাচ্চাদের সঙ্গে লীলাখেলা -
    স্লীপিং অন জুপিটারে এরকম ছিল
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:০৪381055
  • স্লীপিং অন জুপিটার কি কোন স্বঘোষিত গড ম্যান-কে নিয়ে লেখা?
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:০৩381054
  • আমেদ খান চলে গেলেন, ইবে-র বিখ্যাত পঞ্চ পান্ডবের শেষজন। চুনীর- দেখা খালি পায়ে বেস্ট ড্রিবলার, পিকে-র দেখা ভারতীয় ফুটবলে শ্রেষ্ঠ ফরোয়ার্ড। আমার ধারণা ছিল অর্জুন তো পেয়েছেনই, পদ্মশ্রীও পেয়েছেন। কিছুই পান নি, আজকের কাগজে পড়লাম।

    খেলা দেখে মুগ্ধ হয়ে সুইডেনের টিম নিতে চেয়েছিল, বাবা যেতে দেন নি। গ্রেট লস
  • i | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৭:০১381053
  • কিছুকাল আগে এই ভাটিয়ালিতেই স্লীপিং অন জুপিটার বইটির কথা লিখি। রামরহিং সিংএর ঘটনায় সে বই আবার মনে এলো।
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৬:৪৬381052
  • সেশ গেমে যখন ২০-২০, তখন কি পরিমান চাপ - ভাবাই যায় না
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৬:৩৪381051
  • সিন্ধুর ম্যাচ-টা কেউ দেখল? সর্বকালের সেরা ম্যাচ - বলেছেন মেয়েদের জাতীয় কোচ।
    ২১-১৯, ২০-২২,২২-২০ ওকুহারার পক্ষে, স্কোর দেখেই বোঝা যায় কত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে
  • aranya | ২৮ আগস্ট ২০১৭ ০৬:৩২381050
  • পাই-এর এই পোস্টগুলো পড়লে এত ভাল লাগে। কিছু লোক এখনও কাজ করছেন, অন্য মানুষের জন্য ..
  • pi | ২৭ আগস্ট ২০১৭ ২৩:৫২381049
  • বলব কি না বলব করে বলেই ফেলি। সন্কোচের কারণ অবশ্য যথেষ্টই আছে।এটা অতীব লজ্জারই ব্যপার যে গতকালের আগে অব্দি আমি রক্ত দিইনি। তবে বলা ভাল, দেওয়া হয়ে ওঠেনি।

    এদিকে ছোট থেকেই দাদা যা যা করে আমারও করা চাই। দাদা সংস্কৃত, ইতিহাস, জ্যামিতি করত বলে তিন চার বয়স থেকেই সেসব পড়ার জন্য ব্যাকুল ছিলাম, দাদার বই টেনে সেসব প্রচুর মন দিয়ে পড়তামও। দাদা খুব ডিম খেতে ভালবাসত বলে আমিও ডিম খেতে ভালবাসতে শুরু করলাম ইত্যাদি প্রভৃতি। তো সেই দাদা একবার খড়গপুরের হোস্টেল থেকে শনিবার বাড়ি এসে বলে আগেরদিন রাতে আসেনি, কারণ রক্ত দিয়ে এসেছে। প্রথমবার মা একটু চিন্তা করেছিল, নেগেটিভ ব্লাড বলে। তারপর তো রুটিন হয়ে গেল। দাদা ক্যাম্পাসে তিন চারমাস বাদে বাদেই রক্ত দিত। সেই থেকে আমারও দাদার মত রক্ত দেবার শখ। বিশেষ করে দাদার মতই নেগেটিভ ব্লাড যখন। আরো রেয়ার। তাই আরো দরকার পড়ে বলে সেই কবে থেকে শুনছি!

    সুযোগ এল টুয়েল্ভ নাগাদ, এফ এম এ চেয়েছিল, নেগেটিভ ও ব্লাড।
    ফোন করে কথা বলে টলে পরেরদিন শুনি দরকার নেই, যোগাড় হয়ে গেছে।

    তার পরের কেসে একটি বাচ্চা ছিল, ক্যান্সার পেশেন্ট। মনে আছে।
    অনেকদিন অব্দি ভুলতে পারিনি, কেমন একটা হন্ট করত। দিতে যাব, সব ঠিকঠাক, ফোনে জানলাম, আবারো, আর দরকার নেই, কারণ এবার বাচ্চাটাই আর নেই।

    খুবই অদ্ভুতভাবে আরো একবার দেব বলার পরে এই ঘটনা ঘটে। বাচ্চা না, তবে আবারো ক্যান্সার।

    আবার দেওয়া আরেন্জ করছি ভাবলেও এরপর অস্বস্তি হত। আবার এরকম কিছু শুনব ভাবলে! ক্যান্সার শুনলে আর এগোতাম না।

    যাহোক, এসব কাটিয়ে ওঠার পরের ফেজে দুবার রিজেক্টেড হয়েছিলাম আন্ডারওয়েট বলে, তারপর তো জন্ডিস হয়ে কেস জন্ডিস। আম্রিগায় গিয়ে আমাদের ইন্স্টির অতবড় ব্লাড ব্যান্ক দেখে উৎসাহিত হয়ে ফর্মালিটি পূরণ করতে গিয়ে দেখি বিদেশী এশিয়ানরা ওদেশে কয়েকবছর না কাটালে রক্ত নেবেনা! তারপরে তো দেখি জন্ডিস হয়েছিল বলে ফ্যাকড়া! যদিও ২০০১ এর জন্ডিসের জন্য এতদিন না নেবার কথা নয়, অন্যেরা বলেছিলেন।
    দেশে ফেরার পরে মেডিক্যাল কলেজেরই রক্তদান শিবিরে দিতে গিয়ে পুরো মানা শুনে চলে আসতে হয়েছে। নেগেটিভ ও ব্লাড গ্রুপ, একবার দিলে তো তিন মাস দিতে পারবেনা, নাম ধাম জানিয়ে এমারজেন্সির জন্য রেখে দাও ইত্যাদি।
    তো তাই রেখেছিলাম। রেখেছিলাম যে যা লিস্ট বানাত, তাতে। রাজীবদাদের মিশন আরোগ্যর ডাটাবেসেও। অটোমেটিক এস এম এস ও চলে এসেছে বেশ কয়বার।কিন্তু প্রতিবারই কোলকাতায় দরকার আর আমি।অন্যখানে!
    ভাবলাম আর সুযোগই পেলাম না।

    এদিকে ডিব্রুগড়ে গিয়ে আলাপ আশুদার সাথে। আলাপের আগেই শুনেছিলাম ওনার অত্যাশর্য কাণ্ডকারখানা। অসমের যখন যেখানে গেছেন, পুরো নিজের উদ্যোগে, পুরো শুণ্য থেকে ব্লাড ডোনেশন ফোরাম বানিয়ে ফেলে একের পর এক রক্রদান শিবির, সচেতনতা শিবির। হ্যাq, ওনার কাছেই শুনি কত কিছু কীভাবে। দেখে শুনে দিতে বা নিতে হয়, আর শুনি সেসব না মানার ফলে কত ভয়াবহ পরিণামের কাহিনি। এইডস পাকড়িয়ে পরিবার শেষ হয়ে যাবার ঘটনা। রক্ত না থাকলে, না পাওয়া গেলে কী হয়, সেসব কথাও। আর শুনি, প্রয়োজনের তুলনায় এখনো কত অপ্রতুল, এখনো কত সিস্টেমেটিক ভাবে অর্গানাইজড ব্যবস্থা থাকা দরকার, সে ব্যাপারে। শুনি, প্রায় কেউই সেসব নিয়ে নিয়মিতভাবে কোন সেঅতাপ গড়ায় এগিয়ে আসেন না শুনে হা হুতাশ। আর তার মধ্যেই শুনি ওনার এক এক করে চারশো শিবির করার কাহিনি, ওনার নিজের বার পন্চাশেক বার রক্ত দেওয়ার কথা।
    সেসব দুবছর আগে। তারপর তো চলেই এলাম ডিব্রুগড় থেকে।
    প্রিয়মদের ব্লাডমেটস, রাজীবদাদের কেইএমেস বা গুরু কি অন্যত্র আসা রক্ত চাই এর পোস্ট এখানে ওখানে শেয়ার করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারিনি। কেন, তো লিখ্লামই।

    কাল দুপুরে হঠাৎ আশুদার ফোন। ডিব্রুগড় এসে করতামই। তো ফোন পেয়ে ভালই হল।
    তো, ফোন ছিল রক্ত নিয়ে।
    আশুদার মত মানুষের তত্বাবধানেই প্রথম দেওয়ার সুযোগ হল, এতো বড় পাওনা বটেই, তবে আসল পাওন হবে কাল গোলাপির পেটের টিউমার অপারেশন সফল হলে। সেই অরুণাচল সীমানার গ্রাম থেকে এতদিন পেটের ব্যথায় ভুগে ভুগে অবধেষে এখানে এসে অব্স্ট্রাক্টিভ জণ্ডিস ধরা পড়ার পরে অপারেশন তড়িঘড়ি, তাই রক্ত জোগাড়েও তড়িঘড়ি। গ্রামে একটা ছোট সেলুন চানো গোলাপির স্বামী এই নিয়ে তো পুরৈ বিভ্রান্ত। ব্লাড ব্যান্কে নেই, কোথা থেকে আসবে ও নেগেটিভ?
    সবই যোগাড় করলেন,
    আগে বহুবারের মতউ, আশুদা, পিয়ালীরা। এখ্হানে ওনাদের তৈরি ফূরাম।
    না থাকলে কী যে হত!
    এত শিবের গীত গাওয়াও সেজন্য। এরকম কিছু জায়গয় জায়গায় তৈরি করা, ডেটাবেস থাকা, শিবিরের আয়োজন করা, সচেতনতা ছড়ানো, এসব একটু অর্গানাইসড ভাবে যদি করা যেত, অনেকে মিলে উদ্যোগ নিয়ে!
  • পাই | ২৭ আগস্ট ২০১৭ ১৬:০৮381047
  • দেখার ইচ্ছে রইল।

  • পাই | ২৭ আগস্ট ২০১৭ ১৫:৩৮381046
  • খোরাকের কোন কমতি নাই। ইচ্ছে করেই কি এসব আটভাট বকে, সিরিয়াস ইস্যুগুলো চাপা দিতে?
    নইলে এতটা বাজে বকাও সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে সম্ভব?

    http://calcuttanews.tv/rams-arrows-were-like-isros-missiles-says-gujarat-cm-vijay-rupani/
  • পাই | ২৭ আগস্ট ২০১৭ ০৯:১৩381045
  • তাই হবে বোধহয়।
  • aranya | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ২২:৫৯381044
  • রাবার বুলেট, জলকামান এসব আজকাল আর ব্যবহার হয় না? না কি দাম বেশি?
  • h | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১৯:১৯381043
  • যদি পুলিশ বা আর্মির গুলিতে লোকে মরে থাকে, এবঙ্গ জেনেরাল ভক্ত দের গুন্ডা গর্দি তে না মরে থাকে, তাহলে এই খবর টার কনফারমেশন কোথায় পাওয়া যাবে?
  • সিকি | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১৫:৪২381041
  • যারা মরেছে কাল, সবাইই পুলিশ বা আর্মির গুলিতে। অবাধ র‌্যাম্পেজ চলেছিল। ইনকাম ট্যাক্স অফিস, রেলস্টেশন, পেট্রল পাম্প, এমনকি সবজি বেচার ঠেলাও রেহাই পায় নি তাণ্ডবের থেকে। সব আগুনে আহুতি দেওয়া হয়েছে। পরের পর মিডিয়ার ওবি ভ্যান আগুনে জ্বলেছে।

    আজ আর্মি ডেরায় ঢুকেছে। বেশ কিছু এ কে ফর্টি সেভেন পাওয়া গেছে শুনলাম। ডেরার গার্ড নাকি ঢোকার সময়ে বাধা দিতে গিয়ে ডিআইজি-কে থাপ্পড় মেরে বসেছে। তার নামে দেশদ্রোহের কেস লাগানো হয়েছে।
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১৫:১৩381040
  • আচ্ছা, কুমুদি গেল কই !
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১১:৩২381039
  • এবঙ্গ অনুজাদির পোস্টে আরেকটু স্পষ্ট।

    'এই যে হাসপাতাল, ইস্কুল, কলেজ, বিবাহ অভিযান, বন্যাত্রাণ, এসবের জন্য তো মেলা টাকা লাগার কথা। সে সব আসে কোত্থেকে ? আর কতগুলো মেয়ে লাইন করে দাঁড়িয়ে আজকালকার থিয়েটারের বিবেক তথা কোরাস দলের মত, তোতাপাখীর গলায় গিলিয়ে দেওয়া সংলাপ আউড়ে গেল, অমনি তা তাদের মনের কথা ধরে নিতে হবে ? যে মেয়েটি প্রথম অটলবিহারী বাজপেয়ী কে বেনামী চিঠি লিখেছিল, তার ভার্শন কিন্তু আলাদা ছিল। সে জানিয়েছিল ডেরা র সমস্ত মেয়েরা ( যাদের সাধ্বী বলা হয়) আসলে গুরুর যৌনদাসী। তাদের কোনো স্বাধীনতা নেই। তাদের ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয়। এই মেয়েটির দাদা ডেরা য় সেবকের কাজ করত। তাকেও খুন করে ফেলা হয়। সিবিআই এর কাছে প্রথমে মোট পাঁচটি মেয়ে মুখ খুলেছিল। পরে প্রচন্ড ভয়ে তাদের তিনজন হোস্টাইল হয়ে যায়। শেষ অবধি দু জনের বয়ান অনুযায়ী মামলা শুরু হয়। নানা নেশার জিনিসের ব্যবসা, ব্লু ফিল্ম তৈরি ইত্যাদি র ও অভিযোগ করেছে তারা। মন্ত্রী নেতা সরকারী আমলা দের কিনে রাখা, নিজের রাজকীয় জীবন যাপন, হেলিকপ্টারে চড়ে ঘোরা, ইত্যাদির পেছনে ও যে বিপুল অর্থব্যয়, তাই ই বা আসে কোত্থেকে ? সাধারণ মানুষ, অসহায় গরীব মানুষ শুধু যে উপকৃত হলেই সমর্থন জানায়, তাই ই নয়। তাদের সমর্থন আসে ভয় থেকে, অন্ধবিশ্বাস থেকে, কুসংস্কার থেকে। আর এসবের ওপরেই টিঁকে আছে আমাদের গণতন্ত্র।'
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১১:২৯381038
  • মানসের একটা পোস্টও পড়লাম। কিছুটা স্পষ্ট হল।

    'এতক্ষণে আপনার টাইমলাইন নিশ্চয় রাম রহিম সিং বাবার খবরে ভরে উঠেছে। খিল্লি চুটকি থেকে রাগ দুঃখ হতাশা।।।। ৩২ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছে রেপ চার্জের আসামি এই বাবা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে। বিজেপির সাক্ষী মহারাজ এই গোলমালের জন্য আদালতকেই দোষী ঠাউরেছেন সেটাও নিশ্চয় দেখে নিয়েছেন!! তবে এসবের মাঝেও একটা ভিডিও দেখে দু চার কথা লিখতে ইচ্ছে করলো।
    ভিডিওতে কতকগুলো ছাত্রী, তারা এই রাম রহিম বাবা পরিচালিত কলেজে পড়ে এবং হোস্টেলে থাকে তারা এক এক করে এই রেপিস্ট গুরুজীকে ডিফেন্ড করে নানারকম যুক্তি দিয়ে যাচ্ছে! এই নিয়েই কিছু বলার আছে। এমনিতে এই দেশটাকে বুঝতে গেলে হিন্দি সিনেমার একনিষ্ঠ ভক্ত হলে অনেকটা কাজ দেয়। মানে পালসটা অলমোস্ট ধরা যায়। তবে আঁতেল সিনেমার কথা বলছি না, ওই প্রকাশ মেহেরা, মনমোহন দেশাই মার্কা ছবি দেখলেই হবে। মানে ডাকাতি করছে খুন করছে কিন্তু গরীব মেয়ের বিয়ের টাকা দিয়ে দিচ্ছে টাইপের হিরো আরকি।একালের রবিনহুড। ভেবে দেখবেন আমাদের আশেপাশে নেতা বা জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি সবই কিন্তু এই টাইপেরই। অপরাধী হতে পারে কিন্তু গরীবের ভগবান হু হু বাওবা।
    এই গুরমিত রাম রহিম সিং ইনসান বাবার জীবনটাও খুঁটিয়ে দেখলে এই সেক্স মলেস্টার এর সমর্থনে লাখো মানুষের জড়ো হওয়ার রহস্য বুঝতে পারবেন। রাম রহিম হলো ডেরা সাচ্চা সৌদা নামক ধর্মীয় এবং সামাজিক সংস্থার তৃতীয় গুরু। এই কাল্টটি তৈরি হয় ১৯৪৮ সালে মস্তানা বালুচীস্থানী নামে এক সুফির হাতে। নিম্নবর্গের মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে সর্ব ধর্ম সমন্বয় এর বার্তা দিয়ে হিন্দু মুসলিম উভয় জাতের মধ্যে থেকে শিষ্য বানিয়ে তারা জনপ্রিয় হয়।নেশা ও মদ্যপান বিরোধী প্রচার, গরীব মেয়েদের গনবিবাহের আয়োজন করে এরা নিয়মিত। বালুচীস্থানীর পর প্রধান হন শাহ সতনাম সিং, তার পরে ১৯৯০ সালে এই রাম রহিম। এদের ডিজস্টার ম্যানেজমেন্ট এর বড় দল আছে। উত্তরাখন্ডের বন্যার সময় এদের ৭০০০০ হাজার জনের দল কাজ করেছিল। ৪০০ সিটের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চালায় এই ডেরা সাচ্চা সৌদা।পাঞ্জাবের ড্রাগ এডিক্টদের জন্য রিহাবিলেটেশন সেন্টার চালায়। বিগত কয়েক বছরে কয়েক হাজার যৌনকর্মীকে উদ্ধার করে বিয়ে দিয়েছে এরা। স্কুল কলেজ হোস্টেল তো আছেই! তার সাথে আছে প্রবল রাজনৈতিক উচ্চাশা। ৫০ বছরের বাবা রাম রহিম পরজীবনের তোয়াক্কা না করে নিজেই হিরো সেজে গোটা পাঁচেক সিনেমা বানিয়ে ফেলেছেন। সেখানে তিনি সুপারম্যান হনুম্যান থেকে রজনীকান্ত একাধারে সবই। এদেশে সিনেমার পর্দার হিরো হিরোইনরা ভোটে জিতে নেতা হয়ে যান।এই রাম রহিম বাবাজী নেতা তৈরি করেন। আগে কংগ্রেস এর ঘনিষ্ঠ ছিলেন, বিগত কয়েকটি ইলেকসানে ভক্তদের সরাসরি বিজেপিকে ভোট দিতে বলে দিয়েছেন। তো এই হেন মহাপুরুষ এর মামুলি ধর্ষনের জন্য বিচার ভক্তরা মেনে নেবে কেন!ফলে যা হবার তাই হয়েছে।এই রেপ কেসের খবর করা সাংবাদিক খুন হয়েছেন, সাক্ষী জোগাড় করা মুশকিল হয়েছে, তদন্তকারী অফিসারদের উপর কিরকম প্রেশার ছিল কল্পনা করতেই ভয় হয়!

    এটা পাওয়া এবং পাইয়ে দেবার দেশ। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক ন্যায়, সমানাধিকার,আইনের শাসন এখানে আপনার ন্যায্য অধিকার নয় মশাই।।। ও সব নেতারা যদি দয়া করে দেয় তো কৃতজ্ঞ থাকুন। যান, ফেসবুকে গরম খেয়ে পেট গরম না করে জলমুড়ি খেয়ে শুয়ে পড়ুন। জয় হিন্দ।'
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ১১:২২381037
  • শমীক সরকারের একটা পোস্ট পড়লাম। সব তো পুলিশের গুলিতে মৃত্যু মনে হচ্ছে।
    বাবার ভক্তও শুনলাম হততদরিদ্র মানুষ্জন। উসকিয়ে নামিয়েছে বলছে স্বাতী লিখেছে দেখলাম। এই বাবা কি তুকতাক ঝাড়ফুঁক করেন? এত ভক্ত কীসের টানে?
    ------
    'কালকে দুটো গণমৃত্যুর খবর আছে আমাদের আশেপাশে। আরাকান-এ বাঙালিদের মুক্তি ফৌজ মায়ানমার সেনা পোস্টে হামলা চালায়। সংবাদে এসেছে, এই হামলায় ৭১ জন মারা গেছে। ডিটেলটা হলো, ১২ জন পুলিশ-মিলিটারি মারা গেছে। ৫৯ জন বাঙালি জঙ্গী। অর্থাৎ, হামলায় ৭১ জন মারা গেছে বলাটা ঠিক না। পালটা হামলায় বললে তাও কাছাকাছি হতো। এগুলো কুকুরকে পিটিয়ে মারার আগে তাকে 'কামড়েছে' বদনাম দেবার ভদ্দরলোকি স্টাইল। হ্যাঁ, মায়ানমার থেকে বাঙালি তাড়ানোর অফিসিয়াল নয়া পর্যায় (ক্লিয়ারেন্স অপারেশন) শুরু হয়েছে কয়েক সপ্তাহ আগে।

    শিখ-জাঠ দেশেও কাল ডেরা সাচা সৌদা মতাবলম্বীদের হিংসায় ৩২ জন মারা গেছে। সম্ভবতঃ সবাই মারা গেছে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে। কোর্ট বলে দিয়েছিল, প্রাণ খুলে গুলি চালাতে পারে পুলিশ সিয়ারপি আর্মি। এখনও অবদি বিভিন্ন বাড়ি গাড়িতে আগুন লাগানো ঢিল ছোঁড়া ছাড়া ডেরার লক্ষ লক্ষ অনুগামীর হিংসার অন্য কোনো রূপের কথা আজকের কাগজে আমি পেলাম না। আপনারা পেয়েছেন কি?'
  • | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৯:৫২381036
  • এই সময়ে লিখেছে কে যে মারা গেছে ভক্ত না সাধারণ মানুষ ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।

    তবে কাল বিজেপি আইটি সেলের ট্রোলগুলো ফেবুতে ছিল না, সবগুলো মনে হয় বাসে গাড়ীতে আগুন দিতে গেসল। আর অন্নব কাউস্বামী খুব খচেছে। ওর চ্যানেলের গাড়ী ভেঙে দিয়েছে নাকি পুড়িয়ে দিয়েছে। ৎি দেখছিল ওর নাচন কোঁদন
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৯:১২381034
  • দলিতদের মধ্যে ? ঠিক কী কী কারণে ?

    আর কাল যাঁরা মারা গেছেন, পুলিশের গুলিতে না ভক্তদের তাণ্ডবে ? এখানে টিভি নেই, কিছু বুঝছিনা।
  • aranya | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৯:১২381035
  • ওরে ব্বাপ, কি গান
  • b | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৯:০৬381033
  • দলিতদের মধ্যে বোধ হয় পোচুর ফলোয়ার।

    অরণ্যদা নাম শোনেন নি? তবে গান শুনুন।
  • সত্যি | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৯:০০381032
  • এই সব বাবা রা যে কী মুলো ঝুলিয়ে ভক্তদের গাধা বানিয়ে তাদের টাকায় আয়েশ করেন, বুঝি না। (বুঝলে আর রোজগারের চিন্তা করতাম না)
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১৭ ০৮:২৮381031
  • এই রামরহিম কী প্রিচ করেন যে এত ভক্ত ? রামরহিম মানে কি ঈশ্বর আল্লা তেরো নামের লাইন ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত