এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • i | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৩০382830
  • টি,
    বেশ গল্প। উৎসবের স্পেশালের লেখা এখনও পড়ি নি। লিখব পরে পড়ে।

    আচ্ছা এস্‌, আমার কথায় কিছু মনে করবেন না। বৃদ্ধ ব্যক্তি, বুঝতেই পারছ্হেন, কিঞ্চিৎ বাজে বকে থাকি।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:২০382829
  • না ছোটাই দি। আমাদের এখানে এখনো রিলিজ করেনি।
  • | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১৯382828
  • সে যদি বলেন ত আমি রাত সাড়ে নটার পর মথুরা রোড ধরে হেঁটে হেঁটে আপিস থেকে সরিতা বিহার ফিরেছি একলা, গুরগাঁওতে একলা রাত এগারোটায় হেঁটে বাড়ি ফিরেছি। মাঝ্রাত্তিরে আইএসবিটি এসে এটা সেটা ধরে বাড়ি ফিরেছি, ভোররাতে অন্ধকারের মধ্যে সিক্স সিটার চড়ে বাস আড্ডায় হাজির হয়েছি কোনোদিনই কোনো বাজে অভিজ্ঞতা হয় নি। কিন্তু আমার হয় নি বলে ত আর।সইত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১৬382827
  • তো, তখন বাবু বললেন যে উনি যথোচিত রেস্পেক্ট সহকারে মসজিদের ভেতরের কারুকার্য দেখছিলেন। এমন সময় নমাজ শুরু হয়ে যায়। ভেতরে প্রচুর 'ওদের' কে দেখে ইনি ঘাবড়ে যান এবং ভীড়ের মধ্যে কি করবেন ভেবে না পেয়ে একই সারিতে নমাজ পড়তে বসে যান। পাক্কা পঁয়তাল্লিশ মিনিট ধরে নামাজ পড়েচেন।
    -- তো, ফোনটা ধরলে না ক্যানো? আজব!
    -- কি বলব ভাই! তুমি তো ফোন করছিলে, এদিকে সেটার আওয়াজ শুনে চাদ্দিকে সবাই কটমট করে দেকচে। তাই ভয়ের চোটে আর ধরিনি।

    গল্প শেষ। আমার আর জামা মসজিদ দ্যাখা হয়নি। ঢ্যাঁড়শ কোথাকার।
  • | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১৩382826
  • উফ একসাথে পুরোটা টাইপাও না খোকা। দু লাইন তিন লাইন লিখে চলেছে
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১২382825
  • তো, রেগেমেগেই বলেছি, আরে ছিলে কোথায়। ভাস্কর্য করছিলে নাকি! এদিকে এরা কান নিয়ে অস্থির। যদিও সুজয়দা এসে পড়াতে আদ্দেক মিলিয়ে গেছে।
  • Atoz | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১১382823
  • মথুরা বৃন্দাবনও যে ঐখানেই, সেইটা জেনে আরো আনন্দ হয়েছিল। মীরাবাঈ ভজন গাইছেন,আকবর এসে ছদ্মবেশে শুনছেন, বাড়ি থেকে বেরিয়ে হেঁটে হেঁটে এসে পড়েছেন বীরবলের সঙ্গে। দুজনেই ছদ্মবেশে।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১১382824
  • তো, ধরেও না কেউ ফোন। মোটামুটি এইবার কিছু একটা করতে হবে ভেবে বেশ ধমকেই উঠেছি একপ্রকার। এই কাঠি ফাঠি লেকে ভাগো সব। কান ঠিক হ্যায়। সাফ নেহী চাহিয়ে। এবং সেই সময়ই সুজয়দা পশ্চিমদিকের দরজা দিয়ে হাসিমুখে বেরিয়ে এলো। ঘড়িতে দেখলাম ছ টা পনেরো মতন। হতভাগা কাঁহিকা। আমার দ্যাখাটা বরবাদ করে দিল।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৯382822
  • এদিকে রীতিমতো ভীড় জমে গ্যাচে। প্রত্যেকেই আমাকে কাঠি কত্তে চাইছে। এই উটকো বিপদের সামনে পড়ে আমি ভাবলুম এই গোলমালে কেউ যদি ক্যামেরার ব্যাগটা আন্দাজ করে তুলে নিয়ে চম্পট দেয় তো জাস্ট ফ্যাল ফ্যাল করে দেখতে হবে। আরে সুজয়দা বেরোও ভাই, গেলে কোথায়। রিরিরিং রিরিরিং।
  • i | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৮382819
  • আমিও তাই জানতাম-দিল্লি আগ্রা মথুরা বৃন্দাবন-দিল্লির দরজা দিয়ে বেরিয়ে আগ্রায় পড়্লাম, তাজমহলের খিড়কি দিয়ে মথুরা, জাস্ট পাশেই বৃন্দাবন। অ্যাকচুআলি এখনও তাই জানি। তবে আগ্রার দরজাটা খুঁজে পাই নি।

    টির গল্পটা হোক।
    ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস দেখলে টি?
  • Atoz | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৮382820
  • বন্যা কোন্নগরেও হয়েছিল। আটাত্তুরের বন্যা। খুবই ভয়ানক বন্যা। তবে জল নেমে গেল কয়েকদিনেই।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৮382821
  • হ্যাঁ, আরেকবার লিখেই ফেলি।

    শিবসেনার রাজ্যে বৃহন্মুম্বই সত্যি বৃহৎবিস্ময়। মুম্বই আমার বড় প্রিয় শহর। মানে কোলকাতার পরে আর কি। তবে বিশেষ টানটা হল কোলাবা কজওয়ে রিগাল সিনেমা কালাঘোড়া চত্বর। এখনো সে বম্বে ভেলভেটের আমেজ রয়ে গেছে, গথিক স্থাপত্য, কালো বড় বড় পাথর পাতা রাস্তায়, হলুদ আলো আর বেশিটা অন্ধকারে। এখনো নিয়ন আলোর দৌরাত্ম্য আসেনি বলে। অবশ্য আমি তো বেষ কয়েকবছ্হর আগের কথাই জানি, বদলেছে কি ?
    কালাঘোড়া ফেস্টিভাল, রাস্তাময় আঁকাআঁকি, নাটক, গান, এসব বেশ মিস করি। টিআয়্যএফার নভিনগর থেকে আরবসাগরতীরের সূর্যাস্তগুলোও।

    কিন্তু দিল্লিও তো এসবের হাব। ঐ যে, রাজীব চৌক না কনট প্লেস, সিকি কোন জায়গাটা যেন, আমি সেই একটা পরিত্যক্ত মেট্রো স্টেশনের মধ্যে কী দারুণ এক টুকরো রাজস্থান আবিষ্কার করলাম ? ওর পাশেই তো কী দারুণ একটা জায়গা, কেমন একটা ছোট্ট আম্ফিথিয়েটারের মতন। সিঁড়িতে সিঁড়িতে কত ছবি ! সন্ধে নামার আগে ওখানেই বসে থাকা যায়। অন্য পাশে রাস্তার বাচ্চাগুলোকে নিয়ে কোন এনজিও র দিদিমণিই হবে, পড়াতে বসার চেষ্টায়। পরের পর লিট্টির দোকানে। সেই ফুটপাথের উল্টোদিকেই বিশাল ঝাঁচককে সব দোকান। আমাদের বিশ্ববঙ্গও আছেন। পরের পর পর ব্র্যাণ্ডের দোকান। আর তাদের কাঁচকলা দেখিয়ে, তাদেরকে মাছি তাড়াতে ব্যস্ত রেখে রাস্তার ওপারের ফুটপাথের দোকানগুলোয় ভিড়। মেট্রো স্টেশন খুঁজতে রাস্তা হারিয়ে ফেলে আবিষ্কার করি কী বিশাল দারুণ এক নার্সারি, অন্ধকারে, রাস্তা ফুঁড়ে !
    কিন্তু সেসব বলেও না। যেখানে ঢিল মারলে কোন না কোন কিল্লা, সৌধে গিয়ে লাগে, সে জায়গা এমনিই বাজে হতে পারেনা। আর কোন কিছু না থাকলেও, শুধু ঐ পুরানা কিলা আর তার শো টা থাকলেই ফেলে চুমু দেওয়া যায়। মানে, সকালবেলায় উঠে পথলাম, আর মনে হল কি ফ্হাঁকা কুতুব মিনারে গিয়ে বসে বসে আকাশ কালো ঝড় উঠতে দেখলাম, আর পায়রা টিয়ার ওড়াউড়ি, কি পা ঝুলিয়ে বাদামভাজা খেতে খেতে হুমায়ূন টম্ব থেকে সূর্য ডোবা, এতো মানে যাকে বলে ব্যাপকই একটা ব্যাপার !
    এত ইতিহাসের গন্ধ নিয়ে ( এর মধ্যে এখন দূষণের দুর্গন্ধটন্ধ এনে ভাবভঙ্গ করবেন না) থাকা কোন শহর খাজা হওয়া অসম্ভব।

    আর লোক ? আমি তাহলে বেশ লাকি বলতে হবে, কারণ এই পাঁছ ছবার দু তিনদিনের জন্য গিয়ে যে ক'তা অটূয়ালা পেয়েছ্হি, মেট্রো কি রাস্তায় যতজন লোক কি দোকানদার, বেশ ভাল ব্যবহার পেয়েছি কিন্তু। রাস্তা হারালে, ভুলভাল উল্টো ট্রেনে উঠে পড়লে, জায়গা বুঝতে না পারলে সবাই ভারি সাহায্য করেছেন। এমনকি মেট্রোতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজেরা ফোন করে আমার গন্তব্যের ডায়রেকশন জেনে বুঝিয়েও দিয়েছেন। আর আমি কিন্তু মেট্রোতে বেশ অনেক মেয়েও দেখেছি। ঐ যেদিন আমি রাজস্থান আবিষ্কার করে নানা অভিযান করে ফিরলাম, সাড়ে সাতটার পর মেট্রো প্রায় ফাঁকা, কিন্ত্তু আমার কামরায় যে কজন ছিল, সবই প্রায় মেয়ে। নেমে অবশ্য দেখি ত্রিপুরা ভবনে যাওয়ার রাস্তা সব শুনশান। তবু ঐ ফাঁকা রাস্তাতেই অটো পেয়ে গেলাম। অটূয়ালাদের সাথেও প্রচুর গপ্পো করেছি। অনেকেই দেখলাম, ইউপি র মুসলিম।ইউপি ভোটের পর ওঁদের এলাকার বিজেপি কীকরে জিতল সে নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করছিলেন। ইউপি র গ্রাম থেকে আসা হিন্দু হোক কি মুসলিম, খুব ইন্টারেস্টিংলি, সবাই বেশ প্রচণ্ড মাত্রায় অসাম্প্রদায়িক। ধার্মিক হলেও। ঐ ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম মার্কা ফিলোসফি প্রিচ করতেন, একথা সেকথা বলতে বলতে। মোদির গ্যাস কানেকশনের গুপি নিয়ে বলছিলেন। একজন কেজরির মহল্লায় কাজেরও প্রশংসা করছিলেন, এইসব। আমার স্যাম্প্লিং সেট খুব ছোট জানি, তবে খুব বায়সড না, র‌্যাণ্ডমই।
    নিত্য থাকলে হয়তো খারাপ দিক বেশি দেখতাম।
    তবে এটাও ঠিক, কোন জায়গা আমার ঠিক ততটা খারাপও লাগেনা।

    প্রচুর লোকজন, প্রচণ্ড ব্যস্ততার কোলকতা, মুম্বই, দিল্লিও ভাল্লাগে, এই গণ্ডাছড়া, কি জিরানিয়া, আম্বাসা, ডিব্রুগড়, বকুলও কোন না কোন কারণে ভালই লাগে।

    পুণেও ভারি ভাল্লেগেছিল। ভাল পাহাড়ের জন্য আর ভাল ভাল ক্লাসিকাল প্রোগ্রামগুলোর জন্য। উইকেন্ড হলেই কোথাও না কোথাও অনুষ্ঠান, সে ঘরোয়া হলেও। আর কী ভাল কোয়ালিটির গানবজানা। আমার দুমাসের সামারে কত যে শুনেছি। এন সি এল এর ল্যাবের কর্ণটকী সিনিয়র ছিলো বড় সমঝদার। সব সুলুকসন্ধ্হান জানা ছিল তার, আমিও জুটে যেতাম।

    কিন্তু কথা হল, খাজা কথাটা কোত্তেকে এসেছ্হে ? ঐ খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির খাজা ? যার মানে প্রভু গোছের কিছু ? ভাল ওড়িয়া মিষ্টির নামাই বা খাজা হয়ে গেল কীকরে ? আর সেই খাজার মানে আমদের কাছে এমন খাজা হয়ে গেল কোদ্দিয়ে ?
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৭382818
  • চোখ টা বোজো। কানটা এগিয়ে দাও। দুমিনিট লাগবে। কিচ্ছু না, কিচ্ছু না।

    সেকী উপদ্রব। বিরক্ত হয়ে বল্লাম, না না লাগবে না। দরকার নেই। তো সেই বুড়ো আরেকজনকে হাজির করল। তারও একই আবদার। আরে আচ্ছা তো! ক্রমশঃ আরো একজন। দুমদাম সুজয়দাকে ফোন কচ্চি। রিরিরিং হচ্চে ধচ্চে না।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৫382817
  • তার কাঁধে ইয়াব্বড় ব্যাগ। ভিস্তিওলা মাফিক। কিছু একটা। প্রাচীন লোক। আমাকে আপাদমস্তক দেখল। তারপর একটা সরু মতন কাঠি বার করে বলল, তোমার কান থেকে ময়লা বার করতে পারি।
  • dc | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৪382815
  • ডিডিদা :d

    আর চেন্নাইতে ভয়ানক বন্যা হয়েছিল, সেটাও একটা বিচ্ছিরি ব্যাপার। বন্যার চোটে লোকে রসম অবধি খেতে ভুলে গেছিল।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৪382816
  • এদিকে সে আর বেরোয় না, পাঁচটা থেকে সাড়ে পাঁচটা, পাঁচ পঁয়তাল্লিশ। ফোন কচ্চি ধচ্চেও না। মুশকিল। জামা মসজিদের বাইরের সিঁড়িতে আট দশটা ব্যাগপত্তর নিয়ে বসে আছি। চাদ্দিকে কিরম বাজার মতন। আসোয়াস্তি হচ্চে, এখনও বেরোচ্চে না ক্যানো। খুট করে একটা বুড়ো এগিয়ে এলো।
  • Atoz | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৩382814
  • আমি আগে জানতাম দিল্লি আগ্রা এসব প্রায় একই, গায়ে গায়ে লাগা শহর। হাঁটতে হাঁটতে দেখতে দেখতেই একটা থেকে আরেকটায় যাওয়া যায়। ঃ-)
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০২382813
  • এইবার কি হয়েছে, সন্ধ্যেবেলা সাতটার সময় ট্রেন। তখন বিকেল পাঁচটা বাজে। সুজয়দা বলল চ জামা মসজিদটা মেরে দিই। আমিও রাজী হয়ে গেলুম। ঠিক হল প্রথমে ও ঢুকবে আমি বাইরে সিঁড়িতে ব্যাগ পত্তর নিয়ে বসে থাগব। তারপর আমি ঢুকব, ও ব্যাগ সামলাবে। ভদ্রলোকের চুক্তি। গেট দিয়ে পাঁচটা নাগাদ ও ভেতরে ঢুকে গ্যালো। এইবার আমি তো বসেই আছি। ভাবছি কতক্ষণ আর লাগবে, বড়জোর আদ ঘন্টা, তারপরেই ও বেরিয়ে আসবে।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০০382811
  • তাও ভালো।
  • San | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০০382812
  • আমার আজকাল দিল্লি ভালো লাগে। (গুরগাঁও নয়)
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৯382809
  • বাধা দিলেও আমি গল্পটা বলবই।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৯382810
  • ধ্যাত আমাদের দিল্লী থেকে ট্রেন ছিল তো। তো দিল্লী আসতেই হচ্ছিল।
  • রোবু | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৮382806
  • আমি আর আমার বন্ধু ভোলু (ডাকনাম) গতবছর একটা মেলায় ঘুরতে গেছিলাম। সেখান দেখলাম বন্দুক দিয়ে বেলুন ফাটালে প্রচুর উপহার দিচ্ছে। আমি ভোলুকে বললাম, আমার টিপ খুব ভাল, আমি প্রাইজ পাবোই। তারপর সেটা আমরা ভাগাভাগি করে নেবো। ভোলু বলল, বাহ বাহ খুব ভাল, চল যাই। আমি ভোলুকে বললাম, আমার কাছে টাকা নেই, তুই টাকা দে, এন্ট্রি ফী। ভোলু টাকা দিয়ে দিল। ভোলুকে বললাম, দূরে দাঁড়া, পাশে কেউ থাকলে আমার মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে। ভোলু দূরে দাঁড়িয়ে রইল। আমি দোকানদারকে দেখালাম ওই পাঁচটা বেলুন আমি পাঁচটা গুলি দিয়ে ফাটাব। বন্দুক চালালাম। ওই পাঁচটাতে লাগল না। আরো গুলি চালাতে আরো টাকা লাগবে। ভোলুকে গিয়ে বললাম, অনেক প্রাইজ পেয়েছি, আরো পাব। টাকা দে। ভোলু সরল মানুষ। দিয়ে দিল। আবার গুলি চালালাম। কিন্তু এবারেও একই ব্যাপার। এদিক-ওদিক দুটো বেলুনে লাগল। কিছুই প্রাইজ পেলাম না। ভোলু তো দূরে। ওর কাছে গিয়ে আবার টাকা নিলাম। ওকে দেখালাম, কত বেলুন ফাটিয়েছি। দোকানের লাইট ভেঙে দিয়েছি। এমনকী দোকানের পাশে দাঁড়ানো গাড়িটার টায়ার-ও পাংচার করে দিয়েছি। ভোলু আনন্দে এবার আরো বেশি টাকা দিল। ফিরে গিয়ে আবার চালালাম গুলি। একই রেজাল্ট। শেষে ভোলুর টাকা ফুরিয়ে গেল। সে বলল, প্রাইজগুলো নিয়ে এবার বাড়ি চল। আমি দোকানদারের কাছে গেলাম। দোকানদার বলল, প্রাইজ তো পাবেই না, দোকানের লাইট ভেঙেছো, ফাইন দাও। ভোলুকে গিয়ে বোঝালাম যে এত প্রাইজ পেয়েছি যে দোকানদার দিতে পারছে না, ও ভাবেনি এরকম কেউ পারবে। এদিকে মেলার আজ শেষ দিন, দোকান উঠে যাচ্ছে। তাই ওকে ঠিকানা লিখে দিলে প্রাইজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেবে। ভোলু খুব খুশি। শুধু ওর থেকে আমি শেষ দশটাকার নোটটা নিলাম, ওকে বললাম, ঠিকানাটা তো দোকানদারকে লিখে দিতে হবে, কাগজ তো নেই, নোটেই লিখে দিয়ে আসছি। ওই টাকাটা নিয়ে দোকানদারকে ফাইন দিয়ে এলাম।
    এখনো ভোলু মাঝে মাঝে আমায় প্রাইজগুলো কবে আসবে জিগ্যেস করে। আমি কখনো বলি, পঞ্চাশ দিনের মধ্যেই আসবে, নাহলে আমায় জ্যান্ত পুড়িয়ে দিস। কখনো বলি, আরে ওই প্রাইজগুলো দিয়ে আমি কী করব, আমার কী কেউ আছে, সবই তো তোর। মাঝে একদিন জাপানে গিয়ে ভোলুর টাকা-পয়সা নেই, বাবার চিকিৎসা হচ্ছে না, ভোলু কীরকম সরল লোক, তাই নিয়ে হাসি-মশকরাও করলাম। ওরাও খুব হাততালি দিল।
    শেষ যেদিন ভোলু প্রাইজের খোঁজে এসেছিল, ওকে বললাম, তুই জানিস, সীমান্তে সৈন্যরা...
    ভোলু, আমায় কথা শেষ করতে দিলনা। আমার মুখ চেপে ধরল। বলল "জানি। খাড়া হ্যায়। অউর কুছ মাত বোল। আব রুলায়েগা কেয়া?"
    ভোলু চলে গেল। সেই শেষ। ভোলু আর প্রাইজের কথা জিগ্যেস করে না।
    একবছর আগের সেই সন্ধ্যের সময় মেলায় দাঁড়িয়ে গুলি চালিয়ে বেলুন ফাটানোর গল্পটা আমার আজ-ও মাঝে মাঝেই মনে পড়ে। আমি ভোলুর কথা ভেবে হাসি।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৮382807
  • যদ্দুর মনে আছে রেড ফোর্টে অদূরেই বোধহয় জামা মসজিদ। তো রেড ফোর্ট দেখে টেখে আমরা ওদিকটায় গেলুম। সঙ্গে সুজয়দা আর খান ধশেক ব্যাগ, ক্যামেরা যন্ত্রপাতি ইত্যাদি।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৮382808
  • আগ্রায় রেড ফোর্ট? হিঁক।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৭382805
  • গল্পটা এখানেই শেষ হচ্চে না। আমি ও আমরা আগ্রায় গিসলুম একটা কম্পিটিশনে। তারপর লাস্ট দিন হেরে টেরে, সবচেয়ে সেরা সান্তনা পুরষ্কার পেয়ে আমরা রেড ফোর্ট দেখতে চলে গেলাম। তার আগে তাজমহল দেখে নিয়েছি। এমন কিছু না, একটু ছোট মতন।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৪382803
  • জ্যাম অবিশ্যি কাল শ্রীসেন্নাইতেও দেখলুম। তিন কিলোমিটার যেতে প্রায় চল্লিশ মিনিট।
  • T | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৪382804
  • আমি একবার আগ্রায় গিসলুম।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৩382802
  • এখন দিল্লী একটা ভয়ানক জ্যাডাপহ টাইপের ব্যাপার হয়েছে। লাস্ট যে ক'বার গেলাম, একেবারে গোলকধাঁধা, মারাত্মক জ্যাম...
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৫১382801
  • ইয়ে, মানে দিল্লী খুব খারাপ না (মানে ছিলো না)। ওইসব জামা কেটে দেওয়া (এটা আমার বউয়ের সাথেই হয়েছিল), নিরাপত্তা এইগুলো বাদ দিয়ে।

    বেড়াতে চলে যাওয়ার জন্যে হাব বলা যায়। অলিতে গলিতে শের শাহ, হুমায়ুন ইত্যাদি। আর খেতে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের জন্যে দিল্লীর জবাব নেই।

    জাঠ বা সর্দারজীদের সাথে দোস্তি করতে পারলে তো কথাই নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত