এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঋক | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৪১382890
  • ফেসবুকে জিজ্ঞেস করতে ভয় পেলাম, সবাই যেখানে পিটিশন সাইন করছে আমার এ প্রশ্নে লোকে শূলে চড়াতে পারে। এখানে লোকজন একটু সহনশীল বলেই জানতে চেয়ে গেলাম।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৪০382889
  • লজিক্যালি কেন লেখা যাবেনা ? লেখার নিয়ম না থাকলে লেখা যাবেনা, এক্ষেত্রে শুনছি, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে এমন কোন নিয়ম নেই। আর এরকম নিয়ম থাকলে সেটাকে আর যাহোক লজিক্যাল বলব না। একেবারে গোপন কিছু নিয়ে কাজ না করলে কেন সরকারি এম্প্লয়ি তাদের অর্গানাইজেশন এর কোন সমালোচনা সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন করতে পারবে না, লজিক দিয়ে তো বুঝিনা। কোন মিডিয়াতেই বিধিনিষেধের লজিকও বহু ক্ষেত্রে বুঝিনা।
  • ঋক | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৩৬382888
  • আচ্ছা একটা কথা আছে, আমি চ্যালেঞ্জ করছিনা, জাস্ট জানতে চাইছি
    যে কোনো কর্মক্ষেত্রেই কিছু প্রোটোকল থাকে। ধরো তুমি আইয়াইটির কোনো নিয়মের খুব বাজে ইউজ দেখলে তবুও তুমি তা নিয়ে লজিকালি লিখতে পারো না সোশ্যাল মিডিয়ায়। মানে সেটাই নিয়ম, যেমন কিছুদিন আগে সেনার ওই ভিডিও নিয়ে ব্যাপারটা হয়েছিলো। অরুণাচল দত্ত চৌধুরী ঠিক কোন কারনে সাস্পেন্ডেড হয়েছেন জানিনা, যদি ওই হাসপাতালের জার্নাল লেখাটা নিয়ে হয় তাহলে তো সেটা অর্গানাইজেশন এর তথ্য ফাঁস?
  • aranya | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:২৯382887
  • রানীমা, সর্বদাই দেখি, বড় ডিফেন্সিভ হয়ে যান। ডেঙ্গি (নাকি ডেঙ্গু) হচ্ছে সেটা মেনে নিয়ে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে এরকম একটা স্ট্যান্স নিতেই পারতেন, চলে গেলেন অন্য রাস্তায়

    এর আগে পার্ক স্ট্রীট কেসে দময়ন্তী সেন-কে ফুল সাপোর্ট দিয়ে ক্রেডিট-টা নিজেও নিতে পারতেন, যেহেতু পুলিশ ডিপ ওনার আন্ডারে - দেখ আমার পুলিশ কত দ্রুত কাজ করে অপরাধী সনাক্ত করছে - উইন উইন হত, তা নয়, শুরুই করলেন রেপ হয় নি বলে
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:১০382886
  • সরকার ডেঙ্গু নিয়ে আর ইন জেনেরাল স্বাস্থ্য নিয়ে পুরোটা ডাক্তার রুগি লড়িয়ে দিয়ে বহুর ভুলভাল কাজ করল। এদিকে বলতেই গেলেই হুমকি দিচ্ছে। স্বাস্থ্য(অ)ব্যবস্থা বলে যে বইটা বেরোল এক হপ্তা আগে, সেটা নিয়েও ফেবুতে রীতিমত থ্রেট দিল, বলল রাস্তায় দেখে নেওয়া হবে, ডাক্তারদেরও। এরা সব প্রাইভেট নার্সিং হোমের দালাল, এইসব। অথচ বইয়ের বিভিন্ন লেখায় স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রাইভেটাইজেশনের বিরুদ্ধে, সরকারিভাবে সবার জন্য স্বাস্থ্যের অধিকারের দাবি মেটানোর কথাই বলা হয়েছে। সেসব না করে, সরকারি ব্যবস্থা অনেক শক্ত আর অল সবার জন্য না করলে কেবল প্রাইভেটের জন্য রেগুলেশন আক্ট আনলে, যাতে কিনা শতচ্ছিদ্র, কোন লাভ নেই, সেই কথাই বলা হয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কত্থা। ডাক্তার বনাম রোগির দিকে নজর ঘোরালে আর এখানে ওখানে তাপ্পিতুপ্পা দিয়ে গোড়ায় গলদ যতটুকু ঢাকা যায় আর কি। যায় কি আর !

    সেদিনের কনভেনশনে ডাক্তারদের বক্তৃতায় অনেক কিছুই শুনলাম। কোথাও খালি নেগেটিভ রিপোর্ট পাঠাচ্ছ্হে, মাইনাস করে বুঝে নিতে বলছে, কোনটা ডেঙ্গু পজিটিভ, তো কোথাও আবার খালি প্লেটলেট রিপোর্ট পাঠাচ্ছে, সেই থেকে বুঝে নিতে বলছে, এইসব।

    এবার দেশের বহুজায়গাতেই ডেঙ্গু বেড়েছে। নানা ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও তামিলনাড়িতেও। কিন্তু এরকম ডাটা সাপ্রেস করার চেষ্টা বোধহয় আর কোথাও এমন নেই।
  • dd | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২২:০৯382885
  • আচ্ছা, আপনেরাই না আমায় খুব সাধাসাধি করে "স্ট্রেঞ্জার থিংস" দেখতে বাধ্য করেছিলেন ?

    দেখলাম তো। ই কী রে বাবা। শুরু করলো রুদ্ধশ্বাস হলিউডি মুভী। মাঝ পথে হয়ে গেলো বছর কুরি আগেকার বলিউডি সিনেমা। শেষটায় বাংলা সিরিয়াল হয়ে শেষ হোলো।

    নাঃ, আপনেদের আর কিছু বলার নেই।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৪৮382884
  • ওক্কে, থ্যাংকু !
  • | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৩২382883
  • গড়িয়াহাট,কসবা হয়ে রুবির মোড়ে আসলে বাইপাস।রুবির দিকে সোজাসুজি তাকালে বাঁদিকের রাস্তা সিধে সাইন্সসিটির দিকে গিয়েছে।সেদিকে সাইন্সসিটি অভিমুখে আধা কিমির মধ্যেই রাস্তার ডানদিকে পড়বে ফর্টিস।
    উল্টোডাঙা হয়ে বাইপাস ধরে রুবির দিকে আসলে রুবির আগের স্টপ।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২১:২৪382882
  • আনন্দপুর ফর্টিসটা কোথায় ঠিক ?
  • Ishan | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২০:৫১382881
  • যা শুনছি ডেঙ্গু ভয়াবহ। আমার চেনা দুজন মারা গেলেন। একজন খুবই চেনা। অন্যজন মিঠুর পাড়ায়, আমার চেনা নয়।
    তবে দুটোই কলকাতায়। সিঙ্গুরে ডেঙ্গু হয়েছে শুনলাম না।
  • + | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ২০:২৯382880
  • আর ডেঙ্গু!! গোটা কোলকাতার কথা জানিনা। আমরা যে হাউসিং-এ থাকি, সেখানে আমাদের ব্লকে ৮টা ফ্ল্যাট। তাতে মোট ১০ জনের ডেঙ্গু হয়েছে শুনলাম।

    কর্পোরেশন থেকে মাইকে করে নাকি অ্যানাউন্স করে যাচ্ছে যে ডেঙ্গুর গুজব ছড়াবেননা, গুজবে কান দেবেননা ইত্যাদি ইত্যাদি...
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৫৭382879
  • গুল্প-সমগ্র
    - অরুণাচল দত্ত চৌধুরী

    "কোর্টে দেওয়া হলফনামা…
    ফালতু হাসির গল্প থামা
    জ্বরের কারণ পুজোয় নাকি
    বাইরে ঘুরতে গিসল মামা।

    'যাচ্ছিস যা লালপাহাড়ি,
    সঙ্গে কিন্তু নিস্ মশারি',
    পিসির হুকুম।( সেই যে পিসি,
    ভাইপোরা যার বদের ধাড়ি)।

    সেই মশারিই গেছিস ভুলে?
    ভিন রাজ্যের মশক ছুঁলে,
    ঘটার যে'টা ঘটল সে'টাই,
    ডেঙ্গি ছিল তাদের হুলে।

    কামড়াল তো, তার পরে কী?
    অবাক হয়ে সবাই দেখি
    সবার গাত্রে জ্বরের তাড়স।
    চেঁচায় পিসি রিপোর্ট মেকি।

    এই সে'দিনও ঢাক পিটিয়ে
    দিচ্ছিল এই বিকট ইয়ে
    হঠাৎ কেন ডেঙ্গি কথা
    করছে স্বীকার কোর্টে গিয়ে?

    জিভের গোড়ায় বেজায় মিথ্যে।
    ক্লাব অনুদান পাগলু নৃত্যে
    ভোটের হিসেব। আজকে বুঝি
    ভয় জেগেছে ও'টার চিত্তে?

    অন্য রাজ্যে ভ্রমণ পাড়ি,
    দেয় যারা সব দেগঙ্গারই?
    বাদুড়িয়ার বসিরহাটের?
    এ' গুল কি কেউ মানতে পারি?

    তার চাইতে বল্ না সোজা
    ইচ্ছে করেই চক্ষু বোজা
    কার্নিভ্যাল আর মেলায় খেলায়
    যায়নিকো রাজধর্ম খোঁজা।"
  • dc | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৫২382878
  • কিন্তু কেএফসির ঐ অখাদ্য খাবার খায়ই বা কে?
  • রোবু | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৪৯382877
  • Arunachal Dutta Choudhury suspended, allegedly for his facebook post.

    কী ছিল ডা অরুণাচল দত্তচৌধুরীর সেই ফেসবুক পোস্টে?

    ভয়ানক অপরাধমূলক সেই কথাগুলো এখানে বলি।

    এই সেই পোস্ট যার জন্য তিনি সাসপেন্ড হলেন।

    ===============

    #হাসপাতালের_জার্নাল

    যাহা বলিব সত্য বলিব
    অথবা
    কার্নিভ্যাল সমগ্রঃ-

    গত ৬ই অক্টোবর আমার অ্যাডমিশন ডে ছিল। সরকারি জেলা হাসপাতালে। ওয়ার্ডের নোটিসবোর্ডে আমার নাম Dr.A.D.C.
    সকাল ৯টা থেকে পরের দিন সকাল ৯টা অবধি যত রোগী/রোগিনী ভর্তি হবেন সব টিকিটে লেখা আমার নাম। অর্থাৎ এই রোগীদের ভর্তি পরবর্তী চিকিৎসা, রেফারেল, যদি মৃত্যু ঘটে সে'ই দুঃখজনক ঘটনা সব কিছুর জন্যই "আই উইল বি হেল্ড রেসপন্সিবল।"
    এই ২৪ ঘণ্টা কাটানোর পর সব মিলিয়ে আমার অবস্থা কেমন? শরীরের কথা থাক। মনের কথাটা বলি। উদাহরণ দিয়ে বলি। কিশোর বেলায় ঘুড়ি ওড়ানোর সময় ঘুড়ি যখন আকাশে আর লাটাই আমার হাতে সেই সময় উত্তেজিত থাকতাম খুব। কখন সুতো ছাড়ব, কখন টানব, ঘুড়ি কোন বাতাসে কোন দিকে গোঁত্তা খাচ্ছে … সে এক তুলকালাম অবস্থা। কিন্তু সেই ঘুড়িটা কেটে গেলে, মন নিমেষে উত্তেজনা মুক্ত। কাটা ঘুড়ির পেছনে দৌড়োনো স্রেফ অভ্যেস বশে। মন জানে, লাভ নেই। এখনও প্রায় সেই রকমই। ভর্তি রোগীর সংখ্যা অকল্পনীয় হওয়ায়, মনে আর কোনও চাপ নেই। অপরাধবোধ? তা' একটু রয়েছে বটে। আশা, প্রশাসকদের দেখে সেই লজ্জা আবরণটিও সরে যাবে।
    যখন আমার নামে ভর্তি হওয়া মানুষের মোট সংখ্যা পঞ্চাশ ষাট ছিল কয়েকসপ্তাহ আগেও জানতাম ঘুড়িটা উড়ছে। কান্নিক খাচ্ছিল… তবুও উড়ছিল। কিন্তু তার পরে এই জেলায় পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জ্বর, সেই কারণে প্রচুর মৃত্যু, আর অকল্পনীয় মৃত্যুভয়।
    অথবা অন্য ভাবে বললে, ভর্তি রোগীর সংখ্যাটা যতদিন কম ছিল মানে কম বেশি একশ', জানতাম যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করছি। আজ যখন সে সংখ্যা পাঁচশ'র আশেপাশে, জেনে গেছি যুদ্ধ অসম্ভব। বন্যার জল ঢুকে পড়েছে, এখন একমাত্র গতি ভেসে যাওয়া।
    ইতিমধ্যে কর্পোরেট হাসপাতালে জ্বরে মৃত্যুর কারণে ভাঙচুর মহামান্য মিডিয়া সাড়ম্বরে ছেপেছে। দেখিয়েছে।
    সেই মিডিয়া কিন্তু প্রান্তিক হাসপাতাল দেগঙ্গা বা রুদ্রপুর হাসপাতাল ছেড়ে দিন, এমন কী জেলা হাসপাতালে উঁকি দিয়েও দেখেনি। কাজ সেরেছে সম্ভবত স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসকদের সাথে কথা বলে, যাদের একমাত্র কাজই হচ্ছে তথ্য চেপে যাওয়া।
    যাই হোক, যা বলছিলাম, মেডিসিন ওয়ার্ডের মেঝে ছেড়ে উপচে ওঠা ভর্তি রোগীর ভিড় নেমে এসেছে হাসপাতাল বিল্ডিংএর অন্যান্য মেঝেতে, যেখানেই প্লাসটিক শিট পাতার সামান্যতম জায়গা রয়েছে, সে'খানে।
    পা রাখার জায়গা আক্ষরিক অর্থেই নেই। ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা? কেউ জানে না, শুধু কম্পিউটার জানে।
    সবার গায়ে জ্বর। অনেকের কাছেই বাইরের ল্যাবে করানো ব্লাড রিপোর্ট। সবারই এক আর্তি, রিপোর্টে ডেঙ্গু ধরা পড়েছে, অর্থাৎ এনএসওয়ান পজিটিভ আর প্লেট(পড়ুন প্লেটলেট) কমেছে। সবার বাড়ির লোকের দাবী, স্যালাইন দাও।
    সবাইকে সেই দিনের ভারপ্রাপ্ত ডাক্তার ইচ্ছে থাকলেও ছুঁয়ে দেখতে পারছে না। কারণ ত্রিবিধ। প্রথমত মোট রোগীর সংখ্যা, সম্ভবত পাঁচশ, একলা দেখতে হবে রাউন্ডে। দ্বিতীয়ত বেড হেডটিকিটের উল্লিখিত রোগীকে খুঁজে পাওয়া। কোন বারান্দার বা কোন ঘুপচির মধ্যে গাদাগাদি হয়ে রয়েছে সে হাজার ডাকাডাকি করেও পাওয়া যাচ্ছে না। তৃতীয়ত খুঁজে যদিও বা পাওয়া গেল, গায়ে গা লাগিয়ে শুয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছে অন্যকে পায়ে না মাড়িয়ে পৌঁছোনো কার্যত অসম্ভব।
    জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতি চালাকের মত বিবৃতি দিচ্ছে হাসপাতালে সব ব্যবস্থা(পড়ুন নির্ভেজাল অব্যবস্থা) রয়েছে। হাসপাতালের প্রশাসক অসহায়। অলিখিত নির্দেশ রয়েছে অব্যবস্থার কথা বা ছবি ঢাকতে হবে যে কোনও মূল্যে। তা' নইলে নেমে আসবে ব্যক্তিগত কোপ। আর তার নিজেরও আনুগত্য দেখিয়ে স্বাস্থ্যভবনের প্রসাদকণা পাবার আকাঙ্ক্ষা বড় কম নয়।
    আর আমি? একদিনে যার আন্ডারে ভর্তি হয়েছে কমবেধি পাঁচশ জন, সেই আমি অতিব্যস্ত আগামী এক দেড় দিনের মধ্যেই নমো নমো করে এ'দের জ্বর গায়েই বাড়ি পাঠিয়ে দিতে, কেন না পরের দিনের নতুন পাঁচশ জনের তো "সাব হিউম্যান তবু সব ব্যবস্থা থাকা" সরকারী হাসপাতালে জায়গা চাই। আক্রান্ত জনসমুদ্র ঝাঁপয়ে পড়ছে ইমারজেন্সিতে।
    এর মধ্যেই মারা যাচ্ছে জ্বরের রোগী। বুঝিয়েসুজিয়ে(প্রশাসনিক জবানে কাউন্সেলিং করে), কান্না মোছানোর চেষ্টা করছি। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ লিখছি…না না ডেঙ্গু নয়।
    এই রাজ্যে ডেঙ্গু হওয়া বারণ। এই অতি চালাক আমি… রক্তচোখের ভয়ে ভীত কেন্নোর মত সন্ত্রস্ত এই আমি অভাগার ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ লিখছি 'ফিভার উইথ থ্রম্বোসাইটোপিনিয়া'।
    আর রক্তচোখের মালকিন মালিকেরা তখন কার্নিভ্যালে কৃত্রিম একধরণের ঠোঁট প্রসারিত চালাক চালাক প্রায় অশ্লীল হাসির ভঙ্গিমায়, কখনও বিসর্জন দেখছে, কখনও দেখছে ফুটবলের কবন্ধ রাক্ষুসে মূর্তি।

    এর মধ্যে বলাই বাহুল্য জ্বর ছাড়া অন্যান্য রোগীরাও ভর্তি হয়েছেন মেডিসিন ওয়ার্ডে। মানে হার্ট অ্যাটাক, সেরিব্রাল স্ট্রোক, সিরোসিস, কাশি-বমিতে রক্তপাত, খিঁচুনি ইত্যাকার বহু দুর্ভাগা। তাঁদের দেওয়া সুচিকিৎসা(?)র কথা সহজেই অনুমেয়। আমার দেওয়া তথ্যের সমর্থনে রোগীদের দুর্দশার ছবি মোবাইলে তুলে সাঁটানোই যেত এই দেওয়ালে। কিন্তু মহামহিম স্থানীয় প্রশাসক কার যেন মোবাইল এই অপরাধে নাকি বাজেয়াপ্ত করেছেন। সরকারী গোপন তথ্য ফাঁস করা অপরাধ।
    একটা পুরোনো রাশিয়ান কৌতুকী মনে পড়ল।
    শিক্ষামন্ত্রীকে গাধা বলেছিল একটা লোক। বিচারে দু'দফায় জরিমানা হয়েছিল তার। প্রথম কারণ শিক্ষামন্ত্রীকে অপমান, দ্বিতীয় কারণ রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস।
    জানি না আমার এই লেখায় সেই গোপন তথ্য ফাঁসের অপরাধ ঢুকে গেল কিনা।

    প্রান্তিক ভোটার আপাতত জ্বরে কাঁপছে। কাঁপুক।
    মরে যাচ্ছে। যাক।
    অপ্রতিহত চলুক ভোগান্তি আর মৃত্যুর কার্নিভ্যাল।
    নিষ্ঠুর হলেও সত্যি, আবার ভোট এলে প্রসাদ কুড়োনো কম্মে খাওয়া ভাইবেরাদরদের হাত দিয়ে পাঠানো হবে ভিক্ষের অনুদান।
    মশা আর ভোট বেড়ে যাবে এ'ভাবেই… ফিবছর।
  • sm | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৪৫382876
  • জি এস টি ১৮-২৮ পার্সেন্ট. থেকে রেস্টুরেন্ট এর ক্ষেত্রে ৫ পার্সেন্ট হলো। পেটুক দের জন্য ভারী সুখবর।কিন্তু স্টেট্ গভ গুলোর বাঁশ হলো।
    যেমন কে এফ সি তে খেলে ১৮ পার্সেন্ট ট্যাক্স। স্টেট্ ৯ ও সেন্ট্রাল গভ ৯ শতাংশ।
    ইটা কমে ৫ পার্সেন্ট হলে সেন্ট্রাল ও স্টেট্ আড়াই পার্সেন্ট করে পাবে। হিউজ লস।যদিও রাজ্য সরকারআগামী ৫ বছরের জন্য কেন্দ্রের ভর্তুকি পাবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার কি করবেকি আর করবে?নিত্য নতুন বাহানা করে ট্যাক্স বসবে।
  • dc | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৫১382875
  • যাক গুজরাট ইলেকশানের কল্যানে অনেকগুলো জিনিসের ওপর ট্যাক্স কমলো। আর এটাও মনে হচ্ছে যে বিজেপি ভালো কাদায় পড়েছে। গুড, গুড।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৪:৩৪382874
  • অ্যাসর্টেড বাদামের প্যাকেটের জিএসটি কী হবে জেটলিবাবু এখনো বলে উঠতে পারেননি।
  • sm | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১৩:৪৮382873
  • জি এস টি রেট কমানো টা তো পব্লেম লয়।আসল জিনিস হলো সব কিছু জিনিসের খুঁটি নাটি হিসাব রাখা ও তার রিটার্ন দাখিল করা।
    এগুলো করতে ভুঁড়ি মোটা দোকানদার দের ভারী অসুবিধে।
    দেখা যাক কি হয়।
    ভোট তো দেবে গ্রামের লোকজন। তাদের চাহিদা ভোটের আগের দিন মিটলেই হলো। এবারে তামিল নাড়ু শিল্পের স্তরে।
  • | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:৪৩382871
  • আলুচি ভাজিটা অনেক জায়গাতেই দারুণ বানায়।
  • | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:৪২382870
  • পেশোয়া চিনি তো। আর পিস্তাশিও মনে হয় একটা চেইন। কয়েক জায়গায় দেখেছি মনে হচ্ছে নামটা। অবশ্য তারা আলাদা আলাদাও হতে পারে।
  • dc | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:২৬382869
  • তা তো হতো।
  • S | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:১৮382868
  • হুম ঐ বাগানের নাম হবে "ইভেন গার্ডেন্স"।
  • S | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:১২382867
  • পুনেতে মাস চারেক কাটিয়েছিলাম বহু আগে। বয়স তখন কম। খুব খুব ভালো লেগেছিলো। কেন ভালো লেগেছিলো, সে কথা বলা যাবেনা।
  • রোবু | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০১382866
  • ডিসিবাবুকে বলতে চাই। এখানে বলি।
    চশমাটা নিলে কিন্তু একটা ডিসরাপ্সন হতো।
  • de | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৭382865
  • কবরে বসে কাবাবের কথা ভাবা শুনে মনে পড়লো - কয়েকদিন নিরিমিষ্যি খেয়ে বারাণসী বাসের পর আমার এক বন্ধু মণিকর্ণিকায় গিয়ে কাবাবের গন্ধ পাচ্ছিলো - খুবই হৃদয়বিদারক সত্য ঘটনা!
  • de | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৪382864
  • আমারো ভেসে ভেসে বেড়াতে আর খেতে ভাল্লাগে - সব শহর, মুম্বই, দিল্লী, পুণে, চেন্নাই, বারাণসী ভাল্লাগে - আরো সব জায়্গা - বিলাসপুর থেকে হেতমগড়, সব ভাল্লাগে। একটু হাঁ মুখো আছি, যাই দেখি তাই হাঁ করে দেখতে ভাল্লাগে। লুরুতে তো বচ্ছরে তিন-চার বার আসি - একটু জ্যাম, সে জ্যামের সময় এড়িয়ে গেলে সে ও এক দিব্ব শহর। একজায়গায় থিতু হয়ে বসে থাকতে সবচে' খারাপ লাগে - আজকাল পুণের প্রেমে পড়েছি। ক্ষীই ভালো ভালো খাবারের জায়্গা, জাংক জুয়েলারী, আর এমব্রয়ডারী- কটনের ওপর। মানুষজনও অতি ভালো। তবে অটোআলারা বম্বের থেকে খারাপ।

    দমদি আর যারা যার পুনেতে থাকো, আউন্ধের দিকে পেশোয়া (peshwa) বলে একটা মারাঠী খাবারের দোকান আছে, সেখানে কখনো পনসাঞ্চি ভাজি আর জবার ভাকরি খেও। এক্কেবারে কচি এঁচোড়ের এতো সুন্দর একটা শুকনো তরকারি করে! এছাড়া গাঁটিকচুর পাতার একটা তরকারি, ফিশ টিক্কা, মাটনের নানা পদ - কতো বলবো। গরম গরম পুরানপোলি ঘি দিয়ে, আর খরবস বলে একটা জাফরান দেয়া ভাপা সন্দেশের মতো - ওখানে যা যা খেয়েছি তার মধ্যে এগুলো আমার সবচে' ভাল্লেগেছে। খুবই শস্তা খাবার - বম্বের তুলনায় আমার স্বর্গ মনে হয়!

    এছাড়া পিস্তাচিও বলে একটা খাবারের জয়েন্ট - কাবাব আর টিক্কাগুলো খুবই ভালো - মুখে পড়লেই মিলিয়ে যায় গোছের - আর স্টার অ্যানিস দিয়ে একটা বেদানার জ্যুস করে - সেটা জাস্ট সুপার্ব!
  • h | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩১382863
  • দুটি গাড়িতে দুটি বাগান করবেন, নাম দেবেন অড আর ইভেন। ঃ-))))))))))))))))))))
  • h | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২৯382862
  • কুমুদি একটা কাজ করুন, গাড়ির মধ্যে একটা বাগান করুন। তাহলে যাতায়াতের পথে জাঁই বাবুর মাথা চিবোনোর কথা না ভেবে, বা ওলকপি দের মুখে কথা স্মরণ করে হিক্কা না তুলে একটা ভালো কাজে মন দিতে পারবেন ঃ-)
  • Rabaahuta | ১০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২৫382861
  • এদিকে আপনি শের শাহের কবরে বসে কাবাবের কথা ভাবছেন আর ওদিকে দুটো লোক এসে মাথায় ধুনুচী পরিয়ে টাকাকড়ি নিয়ে মাথায় গাঁট্টা মেরে চলে গেল।

    এমনিতে দিল্লীতে আমার সঙ্গে খারাপ কিছু হয়নি, কিন্তু কালাচাঁদ যেমন নিধিরামকে মারিয়াছিল তেমনই আপাত অকারনে আমার দিল্লীবিরাগ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত