এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:২৯384090
  • না পড়িনি। দেখছি।

    খুব হত, কারন ঐ বয়সে বোঝার ক্ষমতা আরো কম, চাপ আরো বেশী। তবে এত দূর গড়াত কিনা জানিনা যে রক্তারক্তি হয়ে যাবে। সেটা বড় শোনা যেত না। অথবা হলে চেপে যাওয়া হত হয়ত।

    বাণী বসুর অষ্টম গর্ভ মনে কর। বাড়ীতেই, বার্মা থেকে আসা জেঠু, দিনের দিনের পর দিন। অথচ এক বাড়ী ভর্তি লোক, কেউ খেয়াল ও করছে না।
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:১৯384089
  • কিকিদি, হুম। জঘন্য! এগুলো মি টু তেও অনেকে লিখছিল। জানিনা এইস্ব জেঠুরা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে এগুলো পড়েন কিনা। কোন লজ্জা ভয় পান কিনা।

    এই বয়সের গুলো নিয়ে, না বলা নিয়ে জানি কিছুটা। কিছুদিন আগে বুলবুলভাজায় একটা লেখা তোলা হল, আমার ধর্ষণ বইটা থেকে, পড়েছ?

    আমি ভাবছিলাম, এই তিন চার বছরের বাচ্চাদের সথে এরকম ঘাটনা ঘটলে চেপে যেত তখন, নাকি মা বাবারা চাপতেন?
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:১২384088
  • বড়েস, থ্যান্কু। হেমন্ত গৌরীশন্কর এই জিনিস নামিয়েছিলেন! কোত্থাও যেন পড়েছিলাম, কিশোরেরো কন্ট্রিবিউশন
    ছিল এঈ কম্পোজিশনে।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:০৮384087
  • না পাই, খুব সম্ভবতঃ জানাতো না। আমিই অনেক কিছু জানাতাম না। আমাদের মধ্যেবিত্ত ঘরে সুশীল ভাবে মানুষ করার কিছু প্রবলেম ছিল। বাচ্চারা সব কিছুতেই নিজের দোষ খুঁজে পেত এবং সেটা উচিত হয়নি, বললেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে এরকমটা ভাবত।মানে চাপটা সেই লেভেলেই রাখা হত।

    আমার তখন বছর এগারো হবে, সবে শরীরে বাড়ছি এবং সেইসময় কিছু জায়গায় খুব ব্যাথা থাকে। বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে ভয়ে ভয়ে আলোচনা করতাম টিউমার হয়েছে ভেবে। আর সবার হয়েছে জানতে পেরে কিছুটা ভয় কমত। এরকম সময় আমাদের পাড়ার এক জেঠু সাঁতার শিখিয়ে দেবেন এরকম হল। তো তাঁর প্রসেস ছিল, হাতের উপর রেখে হাত পা ছুঁড়তে বলা। প্রচুর ব্যাথা দিয়েছেন আর আমিও বাড়ীতে যাব না বললে ক্যাল খাচ্ছি। কেউ বুঝতেও পারছে না। একদিন বললাম বাবা, তুমিও চলো, তুমি পুকুর পাড়ে বসে থাকবে। তাতেও লাভ হল না। জলের তলায় কী হচ্ছে কে বুঝবে। বাবা কেবল আমায় বলল, অত শক্ত হয়ে থাকলে শিখবে কী করে!! তারপর আমি ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। শিখব না বলে। অবশ্য আর কেউ জোর করে নি। সেই ড্যাসের বাচ্চাটাকে আবার বিজয়ার প্রনাম করতেও যেতে হত। একবার বড় হয়ে যাওয়ার পর পিঠে হাত বুলিয়ে দেখছিল ব্রা পরেছি কিনা। আর এটা খুব কমন ব্যাপার ছিল তখন। লোকজন মাথাই ঘামাত না। কেবল আমরা ভীষণ জ্বালা নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম। আর যারা বাজে মেয়ে নামে খ্যাত হত, মানে আমাদের মতন ভাল, সুশীল হত না, তারা সেফটিপিন, হাত চালিয়ে দিত। আর সেসব শুনে আমরা ওদের ফ্যান হয়ে যেতাম এবং ভাল থাকতে চাইতাম না।
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:০৪384086
  • সব প্রিয় গানই কপি বেরোবে, যা বুঝছি ঃ(

    অভি না যাও ছোড়কর, দিওয়ানা হুয়া বাদল, ইয়ে চাঁদসা রোশন চেহারা, আঁখো হি আঁখো মে, ইয়ে রাত ইয়ে াঁদ, এসবও কি কপি?
  • lcm | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৪৭384085
  • এমন অনেক গান আছে, এই যেমন আমার ভালো লাগে -

    o my darling clementine


    অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল (রফি, গীতা দত্ত)
  • S | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৪৩384084
  • ইউটিউব থেকেঃ

    Song : Shing Nei Tobu Naam Tar Singha
    Movie : Lukochuri
    Singer : Kishore Kumar
    Music Director : Hemanta Mukherjee
    Lyricist : Gauriprasanna Mazumder
    Mood : Fun
    Theme : Humour
    Director : Kamal Mazumder
    Starcast : Kishore Kumar, Mala Sinha, Anita Guha, Nripati Chatterjee
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৩৮384083
  • এদিকে এই গানটাও কপি, জানতাম না ঃ(



    যাহোক, বাংলাটা কথা আর গাওয়ার জন্যেও আপ্র্রিশিয়েট করা যায়। কিশোর তো আমার তেমন ভাল লাগেনা, কিন্তু এটা খুব পছন্দের গান। কিন্তু কথা যেন কার ? আর খুঁজতে ইচ্ছে করছেনা।
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৩৫384082
  • আগে হত কোন সন্দেহ নেই, আণ্ডাররিপোর্টিং খুবই ছিল, তাতেও। কিন্তু কিছু জিনিস বাড়ছে কিনা সত্যি ধন্দে, মানে মনে হচ্ছ্হে কিছু জিনিস বাড়তেও পারে। তবে কী করে জানা যাবে, জানিনা।
    আচ্ছা, তিন চার বছরের বাচ্চারা এখন যা জানাচ্ছে, আগে হলে সেগুলো জানাত না ? অত বাচ্চারা তখন এগুলো েপে যেতে কণ্ডিশনড হত ? নাকি এরকম ঘটনা জেনেও তখন বাবা মা চেপে যেতেন ?
  • rabaahuta | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:০৯384081
  • হ্যাঁ, হতো সবসময়ই।
    আন্ডাররিপোর্টিং এর ব্যাপার তো ছিলই, এইগুলো যাদের সঙ্গে হতো, তারা প্রচন্ডভাবে গোপন রাখতো; বাড়ির পুরুষ সদস্যদের কাছে পৌঁছতোই না।
    লোকজন ছোটদের বিশ্বাস করতো না। শিক্ষকরা স্বর্গের দেবতা ছিলেন, পাড়াপড়শি প্রচন্ড অভিভাবক।

    শারীরিক শুচিতা, যৌন হেনস্থাকে অন্য শারীরিক হিংস্রতার থেকে আলাদা করা এইসব থেকে না বেরুলে এই আন্ডাররিপোর্টিং, ভিক্টিম ব্লেমিং এইসব থেকে বেরুনোর পথ কি আছে কে জানে।
  • Du | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:১৬384080
  • হত কি আর না? কিন্তু এই পুরোদ্স্তুর হিংস্রতাটা ক্দ্দুর হত সেটা জানি না। আমার শিশুকালে স্কুল শুরু হবার আগে বাড়ির মধ্যেই ভাড়াটেদের বাড়ি ঘুরে বেড়াতাম। দুইভাই থাকতো তাদের একজন রানামামা।আমি মাঝে মাঝেই তার ঘরে হানা দিতাম কোলে চড়ে বসে তার বই দেখতাম। এইবারে একেবারেই আবছা হয়ে গেছে কিন্তু সে আমাকে কোন একটা আপত্তিকর ভাবে স্পর্শ করতো আর আমি খচমচ করে নেমে চলে আসতাম এইটুকু মনে পড়ে। তারা চলে যায় বাসা ছেড়ে আর কবছর পরে ভাড়াটে দিদার কাছে শুনি সে মারাও যায়। আরো পরে শুনি তার স্বভাব ভালো ছিল না। বলতে চাইছি পেডোফাইল হলেও সে ততটার মধ্যেই ছিল যে শিশুটি সেটা ভুলে যেতে পারতো মানে 'শ্লীলতাহানি' টাইপের অ্যাবসলুট কিছু অব্দি যেত না।
  • S | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:০৩384079
  • হয়ে গেছে। এবারে একবার ভালো করে রিভ্যু করে ছেড়ে দেবো।
  • kumu | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৪৬384078
  • বড়েস না পারেন্না।আপনার ট্রানশ্লেশন কপাতা হোলো, অ্যাঁ?
  • S | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০১384076
  • আচ্ছা আমি কি কুমুইদির আমাকে তাড়া দেওয়ার কাজের জন্য কুমুদিকে তাড়া দেওয়ার কাজটা পেতে পারি?
  • aranya | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৮384075
  • এমন ঘটনা বাড়ছে বলেই মনে হয়, আগেও অনেক হত, আন্ডার রিপোর্টেড ছিল এমন নয়।
    পুরো ৭০-এর দশকে, নিজের কো-এড স্কুলে এবং বন্ধু বান্ধব যারা অন্য স্কুলে পড়ত, কারও কাছেই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের একটা ঘটনাও শুনি নি, পেডোফিলিয়া -র ঘটনা তো শুনি-ই নি।
    বন্ধুদের নিজেদের মধ্যে আড্ডায়, গল্প -গুজবে কোন ট্যাবু ছিল না, কিছু ঘটলে জানতাম মনে হয়।

    পাই-এর সাথে অবশ্যই একমত - মিসডিরেক্টেড অ্যাংগার
  • pi | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:২৬384074
  • এদিকে পুরানো কেসগুলোর কোন আপডেট জানিনা, অন্ততঃ খবর্রে হাইলাইটেড বা ভাইরাল তো হতে দেখিনা, তাহলে জানতে নিশ্চয় পারতাম। যে ঘটনাগুলো নিয়ে ইনিশিয়াল প্রতিক্রিয়ায় এত রাগ থাকে, মিডিয়ায় এত সেনসেশন থাকে, রাগ, ক্ষোভের সঙ্গত কারণ থেকেই, সেখানে পরে কী হল সেই নিয়ে লোকের জানার আগ্রহ একেবারে চলে যায় ? মনেই থাকেনা ?

    আমরি, আবেশ, ঐন্দ্রিলা, শিনা, সনাতন, এগুলোর আপডেট কজন জানি ? কোন মিডিয়ায় কীভাবে কতটা এসেছে ? মিডিয়ায় একটা আলাদা সেকশন চালু করা উচিত, আপডেট বলে।
  • i | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:১৮384073
  • কবছর আগের একটা ঘটনা আর তার রিঅ্যাকশন ইত্যাদি হঠাৎ মনে পড়ল। আ ক বা এই আপ্তবাক্য আজকাল প্রতিনিয়ত স্মরণ করি আর ভুলে যেতে তথা নিজের মুখ বন্ধ রাখতে চেষ্টা করি।
  • pi | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৮384072
  • অভিযুক্তের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পরপর ছবি নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে, সেখানে অভিযুক্তের বৌয়ের ছবিও বাদ যাচ্ছেনা !
  • kiki | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৫০384071
  • অ্যাকচুয়ালি চেপে রাখা বললে ভুল বলা হয়ে যাচ্ছে। যেটা অপরাধ সেটার বিচার হওয়া খুব উচিত। কিন্তু সেটা বিশ্ব হাটের মাঝে ক্ষপাত করে না ছেড়ে দেওয়াই ভাল মনে হচ্ছে। দিন দিন আমি কী বেজায় পুরানোপন্থী হয়ে যাচ্ছি।

    এখন কেবল মনে হচ্ছে আগের যুগের মতন সাধারণ মানুষকে চেপে রাখাই ভাল। সব কিছু সবার জন্য নয়। ঃ(
  • pi | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৪৩384070
  • সিরিয়াস অপরাধ হলে চেপে রাখা ঠিক না। কিন্তু এখন চেপে না রাখা মানে দুমদাম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া, সেটাও ভাল কিনা জানিনা। অবশ্যই কিছু ব্যাপারে ভাল। কিন্তু মব জাস্টিসের আকার প্রকার দেখলেও ভয়ই লাগে।
  • kiki | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৯384069
  • এদিকে আমি আগের ঘটনায়, মেয়েদের আতুপুতু করে বড় করার ব্যাপারে বলতে গিয়ে কী ভুল করেছিলাম কে জানে, লোকজন হেবি বকেছিল, সেই ভয়ে এবার বেদম চুপ।

    কাল ই পরের ছেলের সাথে ঘটনা বলাতে বলছে, আগে হত না এমন নয়, কিন্তু টিচার!! এরকম এত হত না, যেটা হত ক্লাসের ছেলে মেয়েরাই হয়ত কিছু করে ফেলল। বলে ওদের স্কুলের একটা ঘটনা বলল, বলে এটাও বলল, আমরা সেটা শুনে সবাই হেসেই মরেছি। একটা মেয়ে, ক্লাসের ই একটা ছেলের প্যান্টু খুলে খুব ইয়ে করে দিয়েছে, ক্লাস থ্রী বা ফোরে। তখন স্কুলের স্যাররা ছেলে আর মেয়ে দুজনের ই বাপ মাকে ডাকা করিয়ে বলেছে, ওদের ও বুঝিয়েছে। এবং সেই মেয়েকে তার বাড়ী থেকে ঐ স্কুল ছাড়িয়ে অন্য স্কুলে নিয়ে গিয়েছিল। মানে এত সাহস অন্ততঃ ছিল না লোকজনের, স্কুলে কিছু করে ফেলবে। হলেও সেটা বিরাট এক্সেপশন ও ছিল। আর তা ছড়াতেও দেওয়া হত না। এইসব। বুঝতে পারছি না, সেটাই ভাল ছিল কিনা।

    কিন্তু সব থেকে অবাক লাগছে, একটা কচি শরীরে কীভাবে আরাম পাওয়া যেতে পারে!! কী ভাবনা!!
  • pi | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৭384068
  • এ ক্ষেত্রে অপরাধ হয়েছে এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এই দুই ব্যক্তিও অপরাধী হতেই পারেন। কিন্তু ছবি ভাইরাল করে যে মব জাস্টিস চলছে, সে নিয়ে তারপরেও প্রশ্ন থেকে যায়। আরো অদ্ভুত লাগল, এরকমই ছবি ভাইরাল করা একজন রায়ান স্কুলের কথা তুললেন, তো সেক্ষেত্রে বললেন বাবা প্রভাবশালী বলে আসল অপরাধী বেরিয়েছিল। কিন্তু সেটা তো বেরিয়েছিল তদন্তের পরে। এবার ওই যুক্তি অনুযায়ী প্রথম থেকে মব জাস্টিস চাইলে তো ওই নির্দোষ ড্রাইভারকে নিয়ে মব জাস্টিস চাওয়া হত ( হয়েছেও হয়ত ! )।
    এদিকে বিচারব্যব্স্থা নিয়েও পুরো আস্থা রাখা যায়না। আজ যে অপরাধী প্রমাণিত হচ্ছে, কাল নির্দোষ প্রমাণিত হতে পারেন। আরুশির কেসে দেখা গেল। ধনঞ্জয়ের কেস নিয়ে এত প্রশ্ন।

    এদিকে এই সকুলে আগের কেস কভার আপ করা হয়েছে। সেটা নিয়ে খোঁচাখুচি করা হোক। কারা সেই কভারাপের পিছনে ছিল, বের করা হোক। ছবি নিয়ে ভাইরাল করার চেয়ে স্কুলের উপর চাপ তৈরি জরুরি না ? যারা আগেও এরকম কেস এসেছে জানার পরেও কিছু করেনা, তারা তো কম অপরাধী কিছু না !

    যাংরা ছবি ভাইরাল করছেন, রাগ হয়েছে বলে করছেন। নিজেদের বাচ্ছা আছে বলে করছেন। রাগ হওয়া খুব স্বাভাবিক, নিজের বাচ্চা না থাকলেও রাগ একইরকম বা তার চেয়েও বেশি হয়। কিন্তু মব জাস্টিসে নির্দোষের শাস্তি পাওয়া থেকে মারা যাওয়া অব্দি দেখলেও হয়। নাগাল্যান্ডএর কেস মনে পড়ে ? এই এত রাগ সিস্টেমের উপর পড়ে না কেন ? কেন সবার জন্য সুবিধাজনক স্মুথ তাড়াতাড়ি আর স্বচ্ছ বিচার পাওয়ার জায়গা তৈরি হবেনা ? কেন পুলিশ কোর্ট কাছারিতে এত সময় হয়রানি টাকার খরচ হবে আর তারপরেও অন্যায়ের সম্ভাবনা ? এই স্কুলগুলো কীকরে এসব করে ছাড় পেয়ে যায়, সেসব নিয়ে রাগ হলে তো কাজের কাজ হইয়। কিন্তু বেশিরভাগ রাগই তো মিসডায়রেক্টেড। প্রাইভেট হাসপাতাল অসাধু ব্যবসা করে লোক ঠকালেও রাগ পড়ে ডাক্তারের উপর। মবের রাগ, মবের জাস্টিস তাই বহু সময়েই চূড়ান্ত ইঞ্জাস্টিস।

    সরকারি ব্যবস্থার দশা করুণ। এই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফুলেফঁপে উঠতে দেবার জন্য ইচ্ছে করেই করুণ করা হয়েছে বহু ক্ষেত্রে। স্কুল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে অসাধু ব্যবসা সত্যি বন্ধ হওয়া দরকার সবার আগে। ব্যবসা নিয়েও আপত্তি। এই স্বাস্থ্য শিক্ষা পণ্য্ হওয়া উচিতই না। এগুলো অধিকার। মানুষের রাগ যদিই একটু এই অধিকারগুলো ঠিকঠাক না পাওয়া নিয়ে হত !
  • s | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:২৬384067
  • হ্যাঁ তার সংগে এই খবরটাও ইন্টেরেস্টিং। পশ্চিমবংগে নাবালিকা ধর্ষনের ফিগার জিরো। এটাও ডেঙ্গির মতো কেস কিনা জানার উপায় নেই।
  • s | ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:২১384066
  • ঈশানের সঙ্গে একমত। আমাদের সময়েও ছিল। আমাদের ছেলেদের স্কুলেই তো কানাঘুষোয় শোনা যেত কোন টিচার কাকে ডেকে নুংকু মলে দিয়েছে। এক তো বিষয়টা খুব লজ্জার, বন্ধুবান্ধবরা বিশাল আওয়াজ দেবে তাই এ নিয়ে কেউ কথা বলত না, তার ওপর বিষয়টা যে অন্যায় আর শাস্তিযোগ্য অপরাধ সেই ধারনাই ছিল না। তারপর বাবা মা বা বড়দের বিশ্বাস করানোটাই আরেকটা বিশাল সমস্যা।
    এখন নিসন্দেহে অ্যাওয়ারনেস বেড়েছে, যেটা একটা ভালো লক্ষণ।
    জিডি বিড়লার বিরুদ্ধে কাগজে যে যে অভিযোগগুলো বেরিয়েছে, যেমন ছাত্রীদের টয়লেট নাকি ছেলেরাও ব্যবহার করে, সিসিটিভি নেই, টয়লেটে মহিলা অ্যাটেন্ডেন্ট থাকার কথা বিন্তু নেই - এগুলো জেনুইন অভিযোগ। সেই সংগে তিন বছর আগেও এই স্কুলে এরকমই একটি ঘটনার অভিযোগের তদন্ত চলাকালীন, সেই বাচ্চাকে তার বাবামা অন্য স্কুলে নিয়ে যায় এবং তারা মামালা চালাতে রাজী না থাকায়, কেস বন্ধ হয়ে যায় এবং অভিযুক্তরা ছাড়া পেয়ে যায়।
    সুতরাং অল্টিমেটলি বিচার টিচার হচ্ছে না, শাস্তি টস্তিও হচ্ছে না, যা হচ্ছে তা হল দুদিনের খবর আবার যথাপূর্বম।
    কাগজে দেখলাম স্কুলের বিরুদ্ধে এও অভিযোগ পিটি ও নাচের টিচার ছেলে। এটা কেন যে স্কুলের একটা 'অপরাধ' বলে গন্য হবে সেটা মাথায় ঢুকল না। তাহলে কি ছেলেদের স্কুলে শুধু ছেলে শিক্ষক আর মেয়েদের স্কুলে শুধুই মেয়ে এরকম কোনো মডেলের দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি।
    আর একটা ব্যাপার, ফেসবুকে এ নিয়ে নেমিং আর শেমিং ব্যপকহারে শুরু হয়ে গেছে। অভিষেক রায় ও মহম্মদ মফিজুদ্দিন ইতিমধ্যেই দোষী প্রমানিত। কগজেও তাদের ছবি বেরিয়েছে। ফেসবুকে তো অভিষেকের স্ত্রী/ প্রেমিকার সংগেও ছবি দেখা গেল। এইসব ছবি সাঁটিয়ে বিভিন্ন উদ্বিগ্ন আন্তর্জালিক সহনাগরিকরা নিন্দাপ্রস্তাব রাখছেন, ধিক্কার জানাচ্ছেন।
  • pi | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:০৮384065
  • কৌশিকদা লিখেছে,

    'হাসপাতালের ওপিডি রিসেপশনের সামনে দিয়ে যেতে গিয়ে এক ঝলক দেখতে পেলাম খবরটা। আহত বাচ্চাটাকে কোলে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ঝুলে আছে ছোট ছোট দুটো পা। এটুকু দেখার পর যন্ত্রণা আর আতঙ্ক ছাড়া আর কোনো অনুভূতি থাকে না। মনরোগ চিকিৎসার ট্রেনিং-এর সময় নন-জাজমেন্টাল অবস্থান এবং এমপ্যাথির ওপর খুব জোর দেওয়া হয়েছিল। এমনকি একজন অপরাধীর মন বুঝতেও এই অবস্থান জরুরি। যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি এই গুণ অর্জন করতে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল হয়েছি, কিন্তু আজ অব্দি শিশুর উপর নির্যাতনের ক্ষেত্রে এটা সম্পূর্ণ অর্জন করতে পারিনি।

    শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করা "অস্বাভাবিক" হলেও বিরল যে নয়, তা তো রোজই দেখতে পাই। যাদের মধ্যে এই প্রবণতা আছে, তাদের চিকিৎসা অবশ্যই প্রয়োজন। সেই দীর্ঘ (এবং প্রায়শ অফলপ্রসূ) প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া অব্দি তাদের আইসোলেট করা প্রয়োজন শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে।

    শিশুদের উপর নানা অযৌন অত্যাচার এত বেশি প্রচলিত যে তাকে আর ব্যক্তির ব্যাধি বলার উপায় নেই, তা সামাজিক ব্যাধি। শিশুদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া এবং তারপর হাত গুটিয়ে পিঠ বাঁচিয়ে পালানোও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন হন, অন্তত বাবা-মায়েরা রুখে দাঁড়াবেন কি? নাকি আপনাদেরও কিছু আসে-যায় না?'
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:০৬384064
  • বাচ্চারা তো সহজ টার্গেট, সব সময়েই। আমাদের সময়েও ছিল। কেউ কেয়ার করতনা বিশেষ, এই যা।
  • r2h | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:৪৪384063
  • শিক্ষকদের স্টেটমেন্ট দেখিনি;
    তবে যা হচ্ছে তা ভয়াবহ। টিভিতে অ্যাঙ্কর মেয়েটির বাবাকে প্রশ্ন করছেন মেয়ে এসে আপনাকে ঠিক কি বললো, মা'কে ঠিক কি বললো, একজন অভিভাবক বলছেন স্কুলে কোন মেল টিচার কি করে থাকে...

    বেসরকারী প্রতিষ্ঠান মানেই কি আজকাল জালিয়াতি নাকি বুঝিনা। স্কুলের নাকি অ্যাফিলিয়েশন নেই, আর কি সব।

    ছাত্রীলোলুপ শিক্ষক আমাদের সময়ও ছিল, কিন্তু চার বছরের বাচ্ছা - কে জানে, হয়তো আগে শোনা যেত না, খবরগুলো আসতো না।

    একটা ফেসবুক ভিডিও দেখছিলাম, পুরনো বোধয় বেশ, একটি মেয়ে একটা লোককে ধরেছে, পুলিশের কাছে নিয়ে যেতে চাইছে ট্রেনে; স্বাভাবিকভাবেই মেয়েটি বিপর্যস্ত, প্রায় ব্রেকডাউনের মুখে, দুচারজন মেয়েটিকে সমর্থন করে লোকটিকে পালাতে দিচ্ছেননা, লোকটি বোধয় আবার পুলিশ। নীচের কমেন্টগুলো পড়ে স্তম্ভিত হতে হয়। মেয়েরা এরকমই করে, সবাই মেয়েদের বিশ্বাস করে, মেয়েটির আচরন অতিনাটকীয়, মেয়েটি হিন্দীভাষী- তা নিয়ে কটূক্তি।

    কিরন খের তো আর আকাশ থেকে পড়েনি।

    আমাদের এক বন্ধু, দমদম স্টেশনে, এইরকম একটি লোককে পুলিশ/ জিআরপির কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, পারেনি। ডেলি প্যাসেঞ্জার বেরাদর তিনগুণ মৌখিক মলেস্ট করে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছিল।
  • S | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:৩১384062
  • Told PM Modi Privately That Country Shouldn't Be Divided On Religious Lines: Barack Obama

    "For a country like India where there is a Muslim population that is successful, integrated and considers itself as Indian - which is not the case in some other countries, this should be nourished and cultivated," the former US President said.
  • pi | ০১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৪:৪৪384061
  • জিডি বিড়লা স্কুলের খবরটা দেখেছে কেউ ? এবং শিক্ষকদের স্টেটমেন্ট ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত