এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:২১384120
  • এই পেডোফিলিয়া নিয়েও প্রচুর ধন্দ জাগছে। জেনেটিক না সামাজিক নির্মাণ ? আর এই কেসগুলো কি পেডোফিলিয়া ? অনেকে বলছে না, বাচ্চারা সহজ টার্গেট বলে আক্রান্ত হচ্ছে, পেডোফিলিয়ার জন্য নয়। কিন্তু কিশোর কিশোরীদের কথা ছেড়ে দিলাম, এই এত কচি বাচ্চাদের প্রতি যৌন আকর্ষণ ( এখানে কি ক্ষমতা দেখানোর কথা আসবে ? ), বা ক্ষমতা দেখানোও উদ্দেশ্য হলে সেখানেও এই বাচ্চাদের সাথে এগুলো, এ কি আদৌ স্বাভাবিক ? এখন তো এর কোন সামাজিক নির্মাণ নেই, বরং ট্যাবু আছে। সেক্ষেত্রে জেনেটিক ? এর উত্তর কী জানিনা। কেউ জানলে বলুক
  • ঈশান | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:০৫384119
  • পাই এর একটা পোস্ট দেখেছিলাম সকালে। উত্তর দিতে গিয়ে আর সেটা দেখতে পাইনা। কী কেস কে জানে। তো, যাই হোক, ছেলেদের ট্রমা না থাকাটাও অনেকাংশেই সামাজিক ভাবে তৈরি। ইন ফ্যাক্ট সেভাবে দেখতে গেলে জেন্ডার জিনিসটাই সামাজিক ভাবে তৈরি। এমনকি পেডিফিলিয়া ব্যাপারটাও। প্রাচীন গ্রীসে, শোনা যায়, দামড়া লোকেরা কিশোরদের এবং দামড়ি মহিলারা কিশোরীদের যৌনতার প্রথম পাঠ দিতেন। এখন এসব করতে গেলে জেল হবে, কিন্তু তখন সেসব খুব ওয়েল অ্যাক্সেপ্টেড ব্যাপার ছিল। এবং, শোনা যায়, বেশিরভাগ পুরুষ এবং মহিলাই উভকামী হিসেবে বড় হয়ে উঠতেন। কেউ কেউ স্রেফ সমকামী বা স্রেফ বিষমকামীও হতেন, কিন্তু উভকামিতাটা একটা বড় অংশ ছিল। জেন্ডার নামক রোলের বিশেষ চাপাচাপি ছিলনা।

    তবে, এর সঙ্গেও ঔচিত্যের কোনো সম্পর্ক নাই। স্রেফ একটা ক্লোজড সোশাল এক্সপেরিমেন্ট বলে লিখলাম আর কি।
  • ঈশান | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৪৩384118
  • "ঈশনের ৮ঃ৪১ এর পোস্ট খুব ইনসেনসিটিভ লাগল। তোমাদের (?) কারো কোন ট্রেঅমা নেই বলেই আর কারো থাকতে পারে না থাকা উচিৎ নয়! "

    এক্স্যাক্টলি এই "উচিত নয়" টা কখন লিখলাম? কত কিছুই তো সামাজিক ভাবে তৈরি বলে মনে হয়। তার সঙ্গে ঔচিত্যের কি সম্পর্ক?
  • pinaki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:০৬384117
  • ট্রমা প্রসঙ্গে মনে পড়ল, কলেজে পড়াকালীন একবার হাওড়া স্টেশন থেকে মিনিবাসে করে আসছিলাম, সাথে ছিল বউ (মানে বর্তমানের বউ, তখনকার প্রেমিকা)। এবার বাস হাওড়া ব্রিজে ওঠার সাথে সাথে দুই ছিনতাইবাজ উঠলো। একজনের হাতে ওয়ানশটার। আর একজন উঠেই র‌্যান্ডম দুএকজনকে সপাটে ঘুঁষি মারতে শুরু করল, জাস্ট প্যানিক তৈরী করার জন্য। সেকেন্ড ঘুঁষিটা আমার কপালে পড়ল সপাটে। ঘটনা এর থেকে বেশী সিরিয়াস হয় নি। কারণ ওদের টার্গেট ছিল এক ভদ্রমহিলার সোনার গয়না। সেটা খুলে নিয়েই ওরা বাস থেকে নেমে চলে গেল। আমার কপালে একটা কালসিটে পড়েছিল মাত্র। কিন্তু বহুদিন পর পর্যন্ত ঐ মার খাওয়াটা মনে পড়লে খুব রাগ হত। আঘাতের চেয়েও অপমানবোধ আর কিছু করতে না পারার অসহায়তা। এগুলো মনে হয় ট্রমার পার্ট।
  • Rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:৪৯384116
  • ‘রে পুরুষ!’ বলে একটা টই শুরু হয়েছিল অনেককাল আগে, মনে পড়লো। রে রে করাটা সহজ সমাধান আর ট্রেন্ডি, সহজ বাইনারী, ঐটা দুঃখ।
  • Rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:৩৪384115
  • একদমই তাই মনে হয়। ট্যাবু গুলি সরুক।
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:২৮384114
  • এখানে যে আলোচনাটা চলছিল, ট্রমা নিয়ে, সে প্রসঙ্গে লেখাটা থেকেঃ
    'বাচ্ছাকে শেখান, যৌনাঙ্গ আর বাকি অঙ্গের মতোই একটি অঙ্গ— একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার যন্ত্র মাত্র। যৌনাঙ্গের উপরে আলাদা করে ট্যাবু তৈরি করাবেন না। শিশুর হাত ভেঙে গেলে (আখছার ভাঙে) যে কষ্টটা হয়, শিশু যোনিতে পেন্সিল ঢুকলে বা শিশু লিঙ্গে কেউ মোচড় লাগালে শুধুমাত্র সেই শারীরিক কষ্টটুকুই হোক। সারা জীবনের মতো অপবিত্র হয়ে যাওয়ার লজ্জা থেকে তাকে বের করে আনুন। এতে করে পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের হাত থেকে খানিক হলেও রেহাই পাওয়া যাবে।'
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:৩৭384112
  • মামু, কোন ছেলের কোন ট্রমা থাকেনা হলে সেটাও কিন্তু কিছুটা অংশে নির্মিত, ঐ বয়েজ ডোন্ট ক্রাই দ্বারা বা যেটা হুতোর কথা অনুযায়ী ঐ পৌরুষ গৌরবও বলা যায়। ট্রমা তো ফিজিক্যাল আসল্ট নিয়েও স্বাভাবিক ভাবেই থাকতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে সেক্স্যুয়াল আসল্ট নিয়ে অনেক বেশি ট্রমা থাকা যেমন মেয়েদের জন্য কিছুটা নির্মাণ, নিজের শরীর পূতপবিত্র রাখা, শরীরের 'সম্মানের' চেয়ে বড় কিছু নাই, সেটা গেল তো সব গেল এই পিতৃতান্ত্রিক ধারণা, তেমনি ছেলেদের কোন আসল্টেরই কোন ট্রমা থাকেনা, এটাও ঠিক মেয়েদের ঠিক উল্টো করে ছেলেদের ভূমিকা ভাবার পিতৃতান্ত্রিক স্টিরিওটাইপিং থেকেই আসে। আর শুধু ফিজিকাল আসল্ট বলেই নয়। সেরকম সেক্সুয়াল আসল্ট হলে তার একটা ফিজিক্যাল ব্যথার কম্পোনেন্টও থাকে, তার কোনরকম ট্রমা একেবারে না থাকাও কি অস্বাভাবিক নয় ?এবং ফিজিক্যালি যদি কিছু নাও লাগে, ছেলে মেয়ে নির্বিশেষেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে গোপন জায়গায় কিছু করলে ঘেন্নাপিত্তিও থাকতেই পারে, যেটা সর্ট অব ট্রমা হতেই পারে। সব গেল গেল না ভেবেও।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:০২384111
  • হুতো, ঈশান যেহেতু বলেছে ছেলেদের ট্রমা থাকে না ঐজন্য ওকে ছেলেদের ঘটনাই জানালাম। মেয়েদের ট্রমার কেস নিয়ে তো আমি ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে যেতে পারি।
    আর একটা কথা খুব ঠিক বলেছ বাচ্চারা কী ভাবে আর কী বলে এইটা বোঝা কঠিন। সে তো একশোবার। দ্যাখো কিছু পাতা আগে দু লিখেছে ওর ছেলে প্রথমবার মার খেয়ে চোখভরা জল নিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। দেখাই যাচ্ছে চীৎকার ইত্যাদি করে নি।

    ঐ চার বছরের ছেলেটির আপব্রিঙ্গিং নিয়ে আমি অনেক বেশী চিন্তিত। সে কোথায় কী দেখে এইটে ইমিটেট করতে গেল, এইটা জানা এবং নাম ধাম গোপন রেখে কেস স্টাডি হিসেবে সকলকে জানানো খুব জরুরী। কিন্তু আশঙ্কা এই যে স্কুল প্রচুর টাকাকড়ি ঢেলে ব্যপারটা চাপা দিয়ে দেবে। অলরেডি দেখলাম টাইমসকাউ নেমেছে আসরে কিছুই হয় নি এসব প্রমাণ করতে। ঠিকি যেমন জিডি বিড়লা কর্তৃপক্ষও বলছে এসব কিছুই হয় নি।

    অতএব ঘুরেফিরে দুইক্ষেত্রেই "উঁহু হুঁহু মেয়েটার বাড়িতে কিছু ঘাপলা' বলার লোক জুটেই যাবে চারদিকে

    যাগগে কাটি।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:০১384110
  • আর ফার্স্ট ইয়ারে হস্টেল খুব জরুরী মনে হয়। কিছুটা নিয়মের মধ্যে থাকে অন্ততঃ। যেই একা থাকতে শুরু করে সম্পূর্ণ অন্য শহরে এবং সবে আঠারো পেরিয়ে, তখন প্রচুর ধাক্কা খেতে হয়। এই ছেলেটা এই ট্রমা থেকে বেরিয়ে মেয়েদের কতটা স্বাভাবিক ভাবে নেবে কে জানে!!
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৫৯384109
  • উফ! প্রচুর কথা উহ্য থেকে যাচ্ছে।

    বড় লোক যখন ছোট বাচ্চাকে কিছু করছে, তখন বাচ্চাটার ভিতর থেকেই এই জানাটা আসছে ও শক্তিতে বা কোনভাবেই পেরে উঠবে না তার সাথে, কাজেই সে অনেকটাই থমকে যাবে। বিশেষতঃ যখন সে বড়দের থেকে সর্বদাই স্নেহ পেতে অভ্যস্ত।

    কিন্তু সমান বা কাছাকাছি বয়সের, যার সাথে সে পাঙ্গা নিতে পারবে তাকে সহজে ছেড়ে দেওয়া কিন্তু দূর্বলতার প্রকাশ। কারন চার বছরের কচি কেউ, পরে দেখে নেব এসব ভাববে না। বা ছেড়ে দাও, এরকম ও নয়। স্বাভাবিক নয় সেটা। এবার খুব জরুরী, ঐ দূর্বলতা থেকে তাকে বার করে দেওয়া। ছেলেদের এই শিক্ষাটা খুব অবলীলায় হয়। মার খেয়ে কাঁদলে বলা হয়, এমা, তুই না ছেলে, মার খেয়ে কাঁদছিস!! তাকে অজান্তেই মানসিক ভাবে তৈরী করে দেয়।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৪৮384108
  • ইয়ে পিজি মানে হসপিটাল নয়। আর ছেলেটার সাথে প্যারেন্ট্সদের এতটাই দূরত্ব যে তাদের ও কিছু বলেনি।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৪৬384107
  • চাপ...... ধুর।

    আরেকটা উল্টো কেস ও হচ্ছে। যেটা বেশ ভয় পাওয়াচ্ছে। ছেলের এক বন্ধু ক্রাইস্টে ভর্তি হয়েছে। ব্যাঙ্গালোর এ। এবার ক্রাইস্টের নিয়ম হল, ফার্স্ট ইয়ারে ওরা হস্টেল ফেসিলিটি দেয় না।

    যাহোক, এই ছেলেটি তার কয়েকজন বন্ধু আর বান্ধবী নিয়ে কোন ডিস্কোতে যায়। মেয়েরাও ড্রিঙ্ক করে। স্বইচ্ছায় ই। এবার কিছু গোলোযোগ হয়েছে। কয়েকটা ছেলে এসে এই ছেলেটাকে বেধরক পিটিয়েছে। ছেলেটার, কানের উপরের দিকে খুব ব্যথা বলছে এবং পিজিতে বসে আছে। ও যখন মার খাচ্ছে ওর বন্ধুরা কেউ ওকে সাহায্য করে নি। এবার এই ছেলেটাকে আমি ক্লাস সেভেন থেকে দেখে আসছি। ও কোন মেয়ের আপত্তিতে কিছু করেছে ভাবতে বেশ আপত্তি আছে। কিন্তু চারিদিকে এমন হাওয়া বইছে, যে কেউ ছেলেদের এইসব ক্ষেত্রে কিচ্ছু শুনবে না।

    আজ আমার ছেলেকে এটাই বলতে হল, বাবা সাবধান। মেয়েদের খুব বেশী বিশ্বাস করে ফেলো না। খুব কাছ ঘেঁষো না। তুমি আমার একটিমাত্র। তোমার কিছু হলে আমার তার চেয়ে বেশী কষ্ট হবে। মানে কারোকেই আর ঠিকঠাক ভাবে কিছু বোঝানো যাচ্ছে না। এদ্দুর থেকে এর বেশী ও কিছু বলা যায় না।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৩৭384106
  • "পরিচিত লোকেদের স্বারা মলেস্টেড হলে এটা একটা কমন সিন্ড্রোম যে আক্রান্ত প্রথমেই সেটা ডিনাই করার চেষ্টা করে। মেরেধরে দিলে এর চেয়ে তাড়াতাড়ি ভুলতে পারে, "..............

    এটা একটা বিরাট পয়েন্ট। মলেস্টেশনকে আর চারটে আঘাত থেকে আলাদা করে দেখা জিনিসটার গুরুত্ব বাড়ায়। এই গুরুত্বটাকে নেই করে দেওয়া খুব জরুরী।

    স্যান, শার্প পেন্সিল একটা অত্যন্ত নরম জায়গায় ঢুকিয়ে দেওয়া হল আর চার বছরের ছোট মেয়ের কোন প্রকাশ থাকবে না। এটা চাপ নেই অবস্থায় হতে পারে!! তার তো স্বাভাবিক ভাবেই তাতে রিয়াক্ট করার কথা। এবার সেটা যখন টিচার হয়ে যায়, তখন তার ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। কারন ঐটুকু বয়সেও তার ইন্সটিংট ই তো বাধ্য করবে। আমার অন্ততঃ তাই মনে হয়। তবে চপ নানারকম হয়। দুটো উদাহরণ দিই।চাপটা অবশ্য স্কুলের ও হতে পারে। শাস্তির ভয়।

    ঋভুকে, আমি এতটাই বাজে মা ছিলাম, এত পিটিয়েছি যে ছেলেটার প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছিলাম। পরে ও এই প্রতিরোধ করতে না পারায় সহজ টার্গেট হয়ে গেল ক্লাসের। একটা সময় পর্যন্ত দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করত তারপর কাঁদত।

    আমি অত্যন্ত আদরে আর প্রোটেকশনে বড় হয়েছি। কিন্তু ঐ ভালো হওয়ার প্রচন্ড চাপ থাকত। আমি কখন ও গন্ডোগোল দেখলে মুখই খুলতাম না। মনে হত আমি সমেত আমার বাবা মাকেও খারাপ বলা হবে। যেটা আমার অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে। এখন ও আমার বাবা মাকে দেখিয়ে ব্ল্যাকমেলিং এর চেষ্টা হয়।
  • rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৩৪384105
  • এসবের সমাধানসূত্রও অতি অদ্ভুত। ইন্ডিভিজুয়াল দায়ী তো বটেই, কিন্তু প্রতিষ্ঠানে বা তার প্রতিনিধিরা দিব্যি পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যায়। এইটা সবচে' বেশী মনে হয় চিকিৎসা অব্যবস্থার ক্ষেত্রে; অনেকাংশে যার কারন প্রতিষ্ঠানের লোভ, ডিনায়াল, পরিকাঠামো, তার কোপ পড়ে ডাক্তারদের ওপর এবং রোগী ডাক্তার যুযুধান হয়ে লড়তে থাকেন, কর্পোরেট কর্পোরেটের মত চলে। জনগণ যাও একটু ভাংচুর করে আসে, চিকিৎসকরা সব নীলকন্ঠ হয়ে বুঁদির গড় আটকে শাপশাপান্ত শোনেন। স্কুলগুলোর প্রতিটি ঘটনায়, অভিভাবকদের সামনে প্রতিনিধি শিক্ষকেরা, তাঁরা প্রাণপণে প্রতিষ্ঠানকে আড়াল করার চেষ্টা করেন, প্রথমেই ডিনায়াল ও আড়াল করার চেষ্টাটা চোখে পড়ে। ঘেরাওও হন তাঁরা, গালামন্দও শোনেন তাঁরা, কর্পোরেট গোলযোগের মধ্যে না এসে নিদ্রা যান। প্রতিনিধিরা অপরাধ আড়ালের দোষে দুষ্ট তো বটেই, কিন্তু ওপরতলার কি কোন দায়ই নেই? এই যে অনির্দিষ্ট্কাল স্কুল বন্ধ হলো, এইবার কি হবে, অভিভাবকেরা আড়াআড়ি দুভাগে ভাগ হয়ে যাবেন, কারন বাচ্চারা যাবে কোথায়, স্কুলে তো পড়তে হবে। যারা বেশী ভোকাল কেসটা তারা খাবেন।

    ট্রমার ক্ষেত্রে, রিঅ্যাক্শন আলাদা তো বটেই, ঘটনার এক্সটেন্ট, ফ্রিকোয়েন্সি কত কিছুই তো ম্যাটার করে। মেয়েদের ক্ষেত্রে, অন্যত্র ছেড়েই দিলাম, ট্রামে বাসে যা প্রায় নিয়মিত সহ্য করতে হয় - যেরকম পড়ি/ শুনি আজকাল, ছেলেদের ক্ষেত্রে হয়তো সেরকম অভিজ্ঞতা জীবনে একটা দুটো, ইন জেনেরাল।

    সামাজিক নির্মানের ব্যপারটাও অস্বীকার করছিনা, ট্রামে বাসে যারা ছেলেদের টার্গেট করে, ভিক্টিমের চোখেই তারা খোরাক হয়ে যায় বেশীরভাগ সময়, আমি বাসে এইরকম লোককে দুচার ঘা খেতেও দেখেছি; কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এরা খোরাক নয়, প্রিডেটর, রিঅ্যাকট করাও সহজ হয় না অনেকসময়, তার কারন সামাজিক নির্মানই হবে; ভিক্টিম ব্লেমিংএর ভয় একটা বড়, বাস্তব ফ্যাক্টর। কদিন আগেই একটা ভিডিও দেখছিলাম, একটি মেয়ে মলেস্টারকে পুলিশের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তার নীচে আমাদের প্রগতিশীল কলকাতার নব্যযুবা পুরুষদের কমেন্ট দেখে স্তম্ভিত হতে হয়। এইগুলো সামাজিক নির্মান বটে।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:০৯384104
  • ঈশনের 8:41 এর পোস্ট খুব ইনসেনসিটিভ লাগল। তোমাদের (?) কারো কোন ট্রেঅমা নেই বলেই আর কারো থাকতে পারে না থাকা উচিৎ নয়! মলেস্টেশান ভায়োলেশান রেপ এর প্রত্যেকটা কেসকে কেস ট্যু কেস দেখার নিয়ম কারণ প্রতিটি মানুষের উপর রিয়্যাকশান আলাদা হয়। #Me_Too র সময় আমার অন্তত ৪ জন বন্ধু যারা চেহারায় পুরুষও বটে এই স্ট্যাটাস দেয়। এদের মধ্যে একজন জানিয়েছে তার তেমন কিছু ট্রমা নেই, জাস্ট বিরক্তি কিছুটা ঘেন্নাবোধ আছে, একজনের কথা আগে থেকে মানে আজ থেকে অন্তত ৬-৭ বছর আগে থেকেই জানতাম তার ট্রমা কাটে নি, বারেবারেই হন্ট করে তাকে। বাকী দুজন খুব পরিস্কার কিছু বলে নি, তবে এই প্রথম মুখ খুলল এতটা পাবলিকলি (ফেসবুক মানে যথেষ্টই পাবলিক ফোরাম)। মনের গভীর৪এ পাঠিয়ে দেবার একটা চেষ্টা ছিলই।

    পরিচিত লোকেদের স্বারা মলেস্টেড হলে এটা একটা কমন সিন্ড্রোম যে আক্রান্ত প্রথমেই সেটা ডিনাই করার চেষ্টা করে। মেরেধরে দিলে এর চেয়ে তাড়াতাড়ি ভুলতে পারে, কিন্তু যেহেতু পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে হতভম্ব ভাব চট করে কাটতে চায় না, সেহেতু ট্রমা সেটিন করে যায়।

    জানিনা তুমি কতজন মলেস্ট ভিক্টিমের সাথে কথা বলেছ বা হেল্প করার চেষ্টা করেছ -- কিন্তু আমার কাছে এই পোস্টটা ভীষণ ইনসেনসিটিভ আর ফলতঃ আপত্তিকর লাগল।
  • সিকি | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৪:২৪384103
  • এইমাত্র খবর পেলাম, কালাচাঁদ দরবেশ মারা গেছেন।
  • rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৪:১০384102
  • হুঁ।
  • San | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:৫৮384101
  • বাকি সব ই বুঝলাম, কিন্তু বাচ্চাদের ব্যথা পেলেই চিৎকার করে না কাঁদা 'অস্বাভাবিক' এই কথাটায় আপত্তি আছে। একেকজন বাচ্চা একেক ভাবে রিয়্যাক্ট করে, এমনকি 'মেয়ে' হবার চাপ না থাকলেও, সব কটাই স্বাভাবিক। আমি কোনো বাচ্চাকে বড় করিনি বটে, কিন্তু নিজে একসময় বাচ্চা ছিলাম, এবং নানা কিছুই মনে আছে।

    বাই দ্য ওয়ে, ব্লেমিং টেমিং কিছু ভাবছিনা।
  • rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:৪৪384100
  • দিল্লীর ঘটনাটা অদ্ভুত; ওখানে, মেয়েটি ভিক্টিম তো বটেই, কিন্তু ছেলেটিকে অপরাধী ইত্যাদি বলতে আমার ঘোর আপত্তি, কারন চার বছর বয়সে তো মানুষের ন্যায় অন্যায় অপরাধ এইসব বোধই তৈরী হওয়ার কথা না, নিতান্তই কোনকিছু ইমিটেট করে, অনেকটা ট্রেনিং মত চলে।
    বাচ্চাদের নানারকম কৌতুহল থাকে, নাকের ভেতর পেন্সিল ঢুকিয়ে দেয়, কানের ভেতর তুলোর বীজ, অন্যের চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। সৈকতদা সাহেবুলের টইতে লিখেছে দু'বছরের নীচের বাচ্চাদের কথা; চার বছরেও কতদূর কি হয় কি জানি। মেয়েটিও হয়তো খেলা ভেবেই কনভিন্স্ড হয়েছিল, তার তো এর পর কি হতে পারে তা নিয়ে সচেতন হওয়ার বয়েস হয়নি। আঘাত পাওয়ার পর রিঅ্যাক্ট করার কথা, এইবার বাচ্চারা কি ভাবে, কি করে সে দুর্বোধ্য, আপব্রিঙ্গিং চাপের মধ্যে হচ্ছে তাও হতেই পারে।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:২১384099
  • বড়দের বড় হতে হতে অনেক ভাবনার পরিবর্তন ঘটে। হতভম্ব হওয়ার ও অনেক কারন ঘটে। কিন্তু এখন বাচ্চাদের অনেক সেইসব চাপ মুক্ত করে বড় করা হয়। সেই ক্ষেত্রে এক টা একই বয়সী মেয়ে, তার ছেলে বন্ধুর থেকে আঘাত পেলে (বয়স যখন চার) তার প্রতিবাদ না করতে পারলেও কেঁদে চেঁচানোটা অবশ্যই স্বাভাবিক। না করাটা ভীষণ অস্বাভাবিক। আমার এই কথা টা নিয়েই সেদিন ঝড় বয়ে গিয়েছিল যে আমি ভিক্টিম ব্লেমিং করছি বলে। কথা হল এত কিছুর পর ও মেয়েরা চাপে বড় হচ্ছে এটা অস্বীকার করার জায়গা ও পাচ্ছি না। ঐ বয়সী ছেলে হলে কিন্তু ঘুরিয়ে দুটো মেরে আসবে ব্যাথা পেলেই। হ্যাঁ, ব্যাথা পাওয়াই এটা। সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এটা বোঝার দুজনের কারোর ই বয়স হয়নি। আর চুপ করে সরে আসলে স্বাভাবিক ভাবেই সে চাপে বড় হচ্ছে।
  • rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:১১384098
  • বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও কি হয় বোঝা মুশকিল, ওরা কোনটা বলে আর কোনটা বলে না, কেন বলে আর কেন বলে না সেও তো গোলকধাঁধা। বেশীরভাগে রিপোর্টেইতো দেখি কিছুদিন ধরে ভায়োলেটেড, মলেস্টেড, অতি ছোট শিশু, বেশ কিছুদিন ঘটে যাওয়ার পর জানা যায়। ওরা কি ভাবে, বড়রা সব একটা গোষ্ঠী বা একটাই ক্লাস, একই অথরিটি রিপ্রেজেন্ট করে? কি জানি। বিষয়গুলি এতটাই অপরিচিত, যে কিভাবে বলা যায় তাও হয়তো বোঝে না। বোঝার বয়স হলে ট্যাবু চেপে বসে।
    আর জানতে পারলেও মা বাবার দিক থেকে চেপে যাওয়া, আগে তো হতোই, এখন হয়তো পাল্টাচ্ছে, বা হয়তো এক্সট্রিমে চলে গেলে তখনই খবরে আসে।

    ছেলেদের ক্ষেত্রে এইসব ঘটনা জেন্ডার আইডেন্টিটির গৌরবে ঘা দেয়, ঘনিষ্ঠ মহলেও বলতে পারেনা।

    আল্পনা মন্ডল কাল ফেসবুকে লিখেছেন এইসব প্রসঙ্গে, পড়ছিলাম।
  • rabaahuta | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৫৬384097
  • আমাদের শহরে এক সর্বজনশ্রদ্ধেয় শিক্ষক ছিলেন। মেয়েদের পিঠে হাত বোলানো নিয়ে তাঁর নামে কানাঘুষো ছিল, তবে সেটা হাসি ঠাট্টার স্তরে। টিউশনি করতেন প্রচুর, ব্যাচ ছাড়াও বিশেষ ভালো ছাত্রছাত্রীদের একা পড়াতেন। একবার সেরকমই একটি মেয়ে যে একা পড়তো, টিউশনির পর অনেকক্ষণ বাড়ি ফিরছেনা, শহরজোড়া খোঁজাখুঁজির পর দেখা গেল সে একটি নির্জন পার্কে হতভম্ব একা বসে আছে। মেয়েটির মা-ও আমাদের স্কুলেরই শিক্ষিকা। পিঠে হাত বোলানোটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেছিল, কিন্তু কোন পক্ষ থেকেই খুব হইচই করা হয়নি, সেই স্যার শহর ছেড়ে চলে যান কিছুদিনের মধ্যে।

    এইসবই একরকম, কিন্তু গসিপের গতিপ্রকৃতি হলো, মেয়েটি কেন কাউকে কিছু বললো না তখনি, কেন চ্যাঁচালো না ইত্যাদি।

    ট্যাবু, সানি ইত্যাদির কারনেই হবে, অনেক ক্ষেত্রেই, আদারওয়াইজ অত্যন্ত স্ট্রং মেয়েরাও এইসব ক্ষেত্রে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে, বিশেষ করে যখন ঘটনাগুলি এরকম জায়গা থেকে আসে। আর তার ইন্টার্প্রইটেশন হয় অন্যরকম।

    এখনো, স্কুলের হোয়াটসয়াপ গ্রুপে, কেউ সরাসরি কিছু বলে না, কিন্তু মেয়েরা কখনো অপ্রত্যক্ষ প্রসঙ্গ তুললেও ছেলেরা, বিশেষ করে পড়াসোনায় ভালো ছেলেরা যারা ঐ স্যরের থেকে নানারকম গাইডেন্স পেয়েছে, শিক্ষক হিসেবে, অ্যাকাডেমিকেলি তিনি খুব ভালোই ছিলেন, ভেহেমেন্টলি রিঅ্যাক্ট করে, এমন ভালো শিক্ষকের সম্পর্কে অপ্রমানিত অভিযোগ কুরুচিকর এইসব বলে। তাদের সবারই ছেলেমেয়ে আছে, ওয়াকিবহাল ইনফর্মড লোকজন।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৪৩384096
  • আবার কী ছড়ালাম কে জানে!! লোকজন চত্ত্বর ছেড়ে হাওয়া। এই জন্য কম কথা কইতে হয়।ঃ(
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৪১384095
  • কাজের মেয়েদের, লেবারদের নিয়ে স্টাডি হওয়া খুব সম্ভব নয়। ওদের মালিকের তরফ থেকেই এমন চাপ থাকবে আর ওদের বাঁচাটা এতই অন্যরকম যে ওরা এসব গোলমেলে প্রশ্নে যাবেই না। আর ওরা এটাকে পার্ট অফ লাইফ ধরেই নেয়।

    এবং এটাও ঠিক ওরা তার থেকে ফায়দা তুলেও নেয় ওদের ভাবনা হিসেবে। কারন ঐ একই। ওদের লড়াই অনেক কঠিন। এত ভাবার সময় কোথায়।

    ঐ সুঁচ ঢোকানো মেয়েটির মাকে নিয়ে ফেবু তে ছি ছি -র বন্যা বয়ে গিয়েছিল। যারা লিখছিল নাকের জলে, চোখের জলেতাদের সবার ই ঐ বয়সের কচি মেয়ে আছে, ইত্যাদি। তারা ভাবতেই পারে না। সামটাইম এসব ন্যাকামো দেখে এত জ্বলে। তারা কী এটা ভাবতে পারে, যে বাচ্চাকে দড়ি বেঁধে রেখে কাজে চলে যেতে হবে, নইলে দিনের খাওয়া জুটবে না। আর সেই চাপ মাথার উপর এলে এবং শিক্ষার আলো না থাকলে মানুষ স্বাভাবিক ভাবেই মিরাকেল এ বিশ্বাস করতে চাইবে। মেয়েটির বাচ্চা কি বলছে ভাবার চেয়ে খাবার জোগারের জায়গার গুরুত্ব দেওয়াটা স্বাভাবিক ছিল ওর পরিস্থিতিতে। এটা কারোর ভাবনায় ই এল না। তার থেকে তার বাজে স্বভাব নিয়ে ভাবাটা আগে এল। অথচ ভাল অবস্থায় থেকেও কত কী মানুষ সহ্য করে।

    আমি একটা ঘটনা শুনেছিলাম। যার কাছে শুনেছিলাম, মিথ্যে বলবে না। একটা ডিফেন্সের অফিসারের কথা। হরিয়ানার লোক মনে হয়। একদিন মাঝরাতে চিৎকার লোকের ভীড় এবং জানা যায় লোকটি নিয়ম করে প্রতি রাতে তার দুই মেয়েকে রেপ করে। ছোটটি প্রতিবাদ করেছিল। তারা ভাল কলেজে পড়ে তখন। শিক্ষা দীক্ষা ভালো এটা ধরে নেওয়া যেতেই পারে এবং অবস্থা।লোকজন থানা পুলিশ করতে চেয়েছিল। মেয়েটির মা করতে দেয় নি। কারন তাদের গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তাহলে। পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। তার চেয়ে তার মেয়েরা লেখাপড়ি শিখে যদি কাজ পেয়ে পালাতে পারে। এ ঘটনাগুলো কতটা সামনে আসে!!
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:২৬384094
  • হ্যাঁ ঈশান, একদম ই ঠিক। শরীর নিয়ে মেয়েদের এত চাপে রাখা হত আর পাপবোধ ঢুকিয়ে দেওয়া হত, মানে এইরকম যা হবে তার দায়টা নিজের। নিজেকে বাঁচিয়ে রাখো, নইলে তুমি অচ্ছুত হয়ে যাবে। তাতে সবাই সব কিছু গিলে নিত। আর তাতেই তারা সহজ টার্গেট হয়েই যেত। এবং ট্রমা টা এই জন্যই, বদমায়েসি সহ্য করতে হয় অক্ষম ভাবে। নিজের দোষ খুঁজে পাওয়া যায় না, অথচ দোষের ভয় পেতে হয়। শরীর নিয়ে ট্যাবু হঠানো খুব দরকার। কষ্ট দেওয়া, ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু হলেই ঘুরে দাঁড়াতে শেখানো দরকার। অন্যায়, ন্যায় এই ধারনাটা স্পষ্ট হওয়া দরকার।

    তুমি সিকির পোষ্টেই দেখ। মেয়ের মাদের এই সিন্ড্রোমটা যায় ই নি। তারা এবং বেশ কিছু ফেমিনিষ্ট ভাবা মহিলাকেও দেখলাম যখন চেঁচাচ্ছে, তখন সেই কথার মাঝে শরীরের বিশেষ অঙ্গে ব্যথা দিয়েছে এটাই বড় কথা হয়েছে। বড়দের ক্ষেত্রে আলোচনা অন্যরকম। সেখানে অবশ্যই এটাই পয়েন্ট। কিন্তু ছোট চারবছরের ছেলেটাকেও এরা অন্যভাবে দেখতে পারছে না।এক্ষেত্রে তো ব্যথা দিয়েছে এটাই বড় কথা হওয়া উচিত ছিল। আর এইরকম ব্যথা দিতে ও শিখল কী করে সেটা ভাবা দরকার ছিল। আর এও তো সত্যি ভালো পুরুষ মানুষের ও কোন এত অভাব ঘটে যায় নি এখন ও। তাহলে আর এই আলোচনা চলত না, সবাই সত্যি ঘরে খিল দিত।অদ্ভুত কনফিউশন। মাঝে পরে আমাদের মতন ছেলের মায়েরা কেঁচো হয়ে রয়েছি। এও দেখলাম, আমার ছেলে এমন করতে পারে না যারা বলে, তাদের ছেলেরা বেশী এসব করে এভাবে বলা হচ্ছে।। মানে ভাব, আমি আমার ছেলেটাকে নিজের হাতে বড় করলাম, সে কী রকম বলতে আমার ভাবতে হবে।

    তবে সেদিন বলছিলাম কিছু জিনিস হাটের মাঝে আনা নিয়ে কনফিউশন রয়েছে। এখন মনে হচ্ছে ভালো হচ্ছে। এই তালে গোলে লুকিয়ে রাখার টেন্ডেন্সি বন্ধ হলে, অসভ্যতা করতেও দুবার ভাববে লোকে।
  • ঈশান | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৪১384093
  • আমি ট্রেনে চড়ে যাতায়াত করতাম। একটি লোক আমাকে টার্গেট করেছিল। আমার যে সমস্ত বন্ধুরা ইশকুল পালিয়ে সিনেমা দেখত, সিনেমা হলের একটা লোক তাদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে ফ্রিতে সিনেমা দেখতে দিত। এবং তারপর টার্গেট করত। এইসব টুকরো টাকরা নানা ঘটনা দেখেছি। এগুলো খুব রেয়ার আলোচনায় আসত। বেশিরভাগটাই আসতনা। ট্যাবু ছিল।

    মেয়েদের সঙ্গে এর তফাত হল, আমাদের কারোরই এই নিয়ে জাস্ট কোনো ট্রমা নেই। কারো বিরক্তি আছে, কারো নেই। যৌবনেই এসব ফিকেও হয়ে গেছে। মেয়েদের ট্রমাটা, আমার খুবই ধারণা পুরোই সামাজিক ভাবে তৈরি।
  • pi | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৪384092
  • কাজের মেয়েদের সাথে যৌন হেনস্থা তো পুরৈ আন্ডাররিপোর্টেড। আজকের দিনে। ওঁরা তো মিটুও করতে পারবেন না। ওঁদের কেউ জিগেশ করে সেগুলো নিয়ে স্টাডি বা লেখালেখিও সেভাবে করেছেন বলে জানিনা। কোন সার্ভে আদৌ হয়েছে কিনাও।
  • kiki | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৩৭384091
  • আর কাজের লোকের বাচ্চা জ্বর হলে আর কেউ বা আগের দিনে হাসপাতাল নিয়ে যেত। মরে গেলে দূর্ভাগ্য ভাবত। পরীক্ষা কতটা হত যে জানা যাবে কীভাবে মরেছে। কাজেই পেটের ভিতর সুঁচ নিয়ে মরে গেল কিনা জানার বড় উপায় থাকত না। মানুষ ও অন্য মানুষের কথা বড় মানত, তাই না। সেক্ষেত্রে হয়ত মা ভাবত, ঐ পাষন্ড লোকটা দেবতা, যা বলছে একদম ঠিক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত