এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:১৬384180
  • কলকাতায় রাতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট উঠে গ্যাছে মানে?
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪৯384179
  • তখন লোকটাকে গেলমানমোহন পত্রিকার এডিটর করে দিলেই হত। ঃ-)
  • h | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪৪384178
  • আরে প্লে বয়ের মালিক সত্যি প্রোগ্রেসিভ লোক ছিল, গা'জা লিগালাইজ করার কথা কদ্দিন ধরে বলছে। পরে হাল্কা ডার্টি ওল্ড ম্যান হয়ে গেলোঃ-))(((
  • h | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪১384176
  • দাও ফিরে সে অরন্যঃ-))))))))))=== এই যে পাড়ার মেয়েরা বিসর্জনে নাচে, বা মাল।খেয়ে হয় হয় করে, এটাতো দুর্দন্ত সেকসুয়াল ফ্রিডম এর এক্স্প্রেশন। এ মানে আশির দশকে ভাবাই যেত না, বেশ করে। রেস্টুরান্ট এ গেলে হেন পার্টি দেখি মাঝে মাঝে অল্পো হলেও, সেটা খুব ই ভালো, শুধু পাবলিক ট্রান্সপোর্ট টা রাতে কলকাতায় উঠে গেছে তাই, নইলে সেখানেও দেখা যেত। মেয়েরা বেশি বেরোচ্ছে, টুক টাক যা খুশি করছে এটাই কনজারভেটিভ ছেলেদের মেন আপত্তি, এবঙ্গ সেজন্যে ই আক্রোমন।
  • h | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪১384177
  • দাও ফিরে সে অরন্যঃ-))))))))))=== এই যে পাড়ার মেয়েরা বিসর্জনে নাচে, বা মাল।খেয়ে হয় হয় করে, এটাতো দুর্দন্ত সেকসুয়াল ফ্রিডম এর এক্স্প্রেশন। এ মানে আশির দশকে ভাবাই যেত না, বেশ করে। রেস্টুরান্ট এ গেলে হেন পার্টি দেখি মাঝে মাঝে অল্পো হলেও, সেটা খুব ই ভালো, শুধু পাবলিক ট্রান্সপোর্ট টা রাতে কলকাতায় উঠে গেছে তাই, নইলে সেখানেও দেখা যেত। মেয়েরা বেশি বেরোচ্ছে, টুক টাক যা খুশি করছে এটাই কনজারভেটিভ ছেলেদের মেন আপত্তি, এবঙ্গ সেজন্যে ই আক্রোমন।
  • একক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:০৩384175
  • প্লেবয়ে একসময় নামজাদা সাহিত্যিকরা প্রচুর লিখেছেন। হাফনার মেড ইট। ট্রুলি।
  • একক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:০০384174
  • পড়েছি :) পরের দিকে এই স্টোরি লাইনকে নকল করেই তো ইম্যনুএল সিরিজে এলিয়েন লাভ এলো, আরও এরকম সব সিনেমা গজিয়ে উঠলো। খুবই কাঁচা হাস্যকর সফ্ট পানু সব।
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৫২384172
  • আসিমভের এক গপ্পে এলিয়েন ব্যাটারা অঙ্গজন জনন পদ্ধতিতে বাডিং করে করে ছানা পাড়তো, তাই পৃথিবীতে বিটকেল অন্যরকম প্রজননপদ্ধতির কথা শুনে রেগে চতুর্ভুত। আরেক চতুর এলিয়েন পর্নো ম্যাগ থেকে ব্যাপারটা সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করে ক্যাপ্টেনকে বোঝাতে সক্ষম না হয়ে এক পুরুষ আর আর এক মহিলাকে অ্যাবডাক্ট করে নিয়ে যায়। তারপরে কেলেঙ্কারি কান্ড ঘটে। ঃ-)
  • একক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৪৪384170
  • আমি এখানেই লিখি একটু। ফেবু পোষায় না। সেক্সুয়ালিটি রিলেটেড ট্রাবলস দেখা দিলেই এসব অর্থই অনর্থের মূল গোছের সলিউশনের রমরমা শুরু হয়। । নানারূপে এদের দেখছি বেশ কদিন ধরে।

    ১ ) "মেয়েরা কাওকে দেখাবার জন্যে সাজেন না। শুধুই নিজের জন্যে। "

    যাঁরা এসব খাড়া করেন তাঁদের যেন দুনিয়ার মেয়ে এসে বলে গ্যাছে যে সবাই শুধু নিজেদের জন্যেই সাজে। এরা এতো গভীরভাবে পিতৃতান্ত্রিক যে রাইট টু সিডাকশন দাবি করার দম নেই, উল্টে নিজেকে এবং বাকি সবাইকে এসেক্সুয়ালাইজ করে উৎপাত থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। হতেই পারে আপনি নিজের জন্যে সাজেন, কিন্তু আপনার পাশেই যে মেয়েটি পুরুষকে সিডিউস করবে বলেই সাজে তার ওপর নিজের থিওরি চাপিয়ে দেওয়ার আপনি কে ? সিডিউস করলেই গায়ে পরে খামচানোর অধিকার জন্মায় না। এর থেকে বাঁচতে এসেক্সুয়ালিটিকে আশ্রয় করছেন কেন ?

    ২ ) "আপনার যৌনাঙ্গ ও অন্য অঙ্গে কোনো পার্থক্য নেই। যৌনাঙ্গে পেন্সিল ঢোকানো যা কানে পেন্সিল ঢোকানো ও তাই। "

    এরা কারা ? প্রাইভেসি দিতে পারছিনা অতএব আলবাল বুঝিয়ে সেন্স অফ প্রাইভেসি কাটিয়ে দাও। এগুলো কোথাকার বিজ্ঞান ? যৌন অঙ্গ অন্য অঙ্গের চেয়ে আলাদা এবং সেখানে হাত দেওয়া ( আঘাত না করেও ) মোটেই পিঠে বা কাঁধে হাত রাখার মতো ব্যাপার না, এটা শিশু এমনিই লার্ন করে নিজের শরীর থেকে। তার উল্টোটা শিখিয়ে তার কোন উপকার হবে ? যৌনাঙ্গের সঙ্গে যুক্ত সামাজিক পাপ -পুন্য -মলিনতা এসব বাবা মা দের মাথায় থাকা আবর্জনা তাঁরা হঠান নিজেদের মাথা থেকে। তাহলেই বাচ্চার উপর কুপ্রভাব পড়বেনা। বাচ্চাদের মাথা কেটে মাথাব্যথার সমাধান খুঁজছেন কেন ?

    ৩ ) বাচ্চাদেরকে খোলামেলা পোশাক পরাবেন না। বুগি উগী তে নাচাবেন্না। ঢেকেঢুকে রাখুন।

    কেন ? বাচ্চার বেড়ে ওঠা একটা যৌন পরিণতির প্রসেস তো। এইযে হিন্দুস্থানী নৃত্যে এতো যোনী মুদ্রা / মৎস্য মুদ্রা / মিলন চিহ্ন এগুলো আগেও বাচ্চাদের শেখানো হয়েছে তো। বুগি উগি প্রথম নাকি ? একটা বছর বারোর বাচ্চা আরেকটি বছর বারোর বাচ্চার কাঁধখোলা পোশাকের ওপর ঝাঁপানো চুল দেখে যে যৌন আনন্দ পাবে তাকে কেড়ে নিতে চান কেন ?? ওরা যাতে বিপদে পড়ার মতো কিছু ঘটিয়ে না বসে সেটার জন্যে সঠিক যৌনশিক্ষা দেওয়া বাপ মায়ের কর্তব্য। সেটা না করে বাচ্চাদের এসেক্সুয়ালাইজ করবেন কেন ? :(( বরং সালসা সেখান তাহলে পুরুষ বাচ্চাও শিখবে যে আর্ট অফ সেডাকশন জানা শুধু মেয়েদের দায় নয়। ছেলেদেরও শিখতে হয়।

    সবাই মিলে চাদ্দিকে সমাজকে এসেক্সুলাইজ করার খেলায় মেতেছে। চাড্ডিরা একভাবে, লেলীরা আরেকভাবে :(:( আরে ভাই যৌনতা টা যৌনতা, হাগু মুতু নয়। সহজ স্বাভাবিক যৌনতাকে ধরে ধরে এসেক্সুয়ালাইজ করে দেওয়াটা কোনো প্রোগ্রেসিভ পলিটিক্স নয় এবং এন্ড অফ দ্য ডে এইভাবে দলে দলে মানুষ একটা অঙ্গজ জননমূলক রাজনৈতিক উৎপাদন পদ্ধতির দাস হচ্ছে। ব্যাপারটা বিটকেল শোনালেও যথেষ্ট আছোলা হলে বুঝবেন :/
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৪৪384171
  • এখন অনেক ভালো হয়ে গ্যাছে ট্রামবাস? বাহ বাহ, তাই নাকি? এ তো খুবই ভালো খবর!
  • ঈশান | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:২৬384169
  • আমি তো অরণ্যদার লেখা নিয়ে বলিনি। এবেলা নিয়ে বললাম। :-)

    তো যাই হোক, "রাস্তাঘাটে মেয়েদের হেনস্থা, ইভ টিজিং, স্কুলে বাচ্চাদের যৌন হেনস্থা। এগুলো যে কম ছিল, সেটা অস্বীকার করারও জায়্গা নেই।" -- এগুলো কম ছিল আগে? ইভ টিজিং গপ্পোটাই আশির। এখন আর সে বস্তু তেমন নেই। ট্রাম বাস আগের চেয়ে অনেক সহনীয়।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:১৪384168
  • নিও কনজার্ভেটিজম মানেটা ভাল জানি না, তাই ঈশেন-কে ঠিকমত কাউন্টার করতে পারব না।
    বাজ ওয়ার্ড দেখলেই আতঙ্ক হয়।

    তবে, সে বড় সুখের দিন ছিল, তখন সকলই ভাল, পৃথিবী স্বর্গসম - এমন কেউ বলছে বলে মনে হয় না।

    তখন কিছু ভাল, কিছু খারাপ - এমনটা ছিল, আজও তাই। তখন প্রেম করা, বিশেষতঃ বেপাড়ায় আলবাত কঠিন ছিল, সোজা ছিল এমনটা কেউ বলে নি। পরিবারের মধ্যে যৌন হেনস্থা হত, হত না এমনটাও কেউ বলে নি।

    যেটা অবশ্যই কম ছিল - রাস্তাঘাটে মেয়েদের হেনস্থা, ইভ টিজিং, স্কুলে বাচ্চাদের যৌন হেনস্থা। এগুলো যে কম ছিল, সেটা অস্বীকার করারও জায়্গা নেই।

    অতীতের স্মৃতিচারণ একটাই কারণে - অতীত জীবনযাত্রায় যদি কিছু ভাল থেকে থাকে, সেটা আজকের দিনেও অনুসরণ করা যায় কিনা।

    অতীতের পাড়া কালচারের খারাপ দিকগুলো, যেমন 'প্রেম-টেম করলে বেপাড়ার ছেলে ঠ্যাঙানো' - এখন ফিরিয়ে আনার কথা কেউ বলছে না।

    একদিকে আমরা বিবিধ গম্ভীর ঐতিহাসিক প্রবন্ধ লিখব - উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে সোভিয়েত রাশিয়ায় কি ঘটেছিল, আম্রিগায় কবে শ্রমিক আন্দোলন হয়েছে, ব্রিটেনে কোন মনীষি কবে কি বাণী দিয়েছিলেন, নারী আন্দোলন কিভাবে এগিয়েছে বিভিন্ন দেশে ও বিভিন্ন কালে, অথচ নিজের দেশে নিজের শহরে, পাড়ায় করেক দশক আগে জীবন কেমন ছিল, তার উল্লেখ করা মানেই ''দাও ফিরে সে অরণ্য' বলে বিলাপ করা - এটা কোন যুক্তি হল!
  • ঈশান | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:১৮384167
  • মানে এত বড় প্রবন্ধ এবেলা আর ফেবু পড়ে লিখলাম, আকার লেখা পড়ে না। ফেবুতেই দেওয়া উচিত ছিল। দিয়ে দিই। :-)
  • ঈশান | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:১৬384166
  • বাবা, এই বাজারে চাদ্দিকে নিও কনজার্ভেটিজমের রমরমা দেখছি। কেউ বলছেন আহারে আমাদের পাড়া কালচার কত ভালো ছিল। কেউ বলছেন ছি ছি দিকে দিকে পর্নোগ্রাফির চর্চা, বাচ্চাদের কাঁচুলি পরিয়ে টিভিতে নাচিয়ে সেক্সুয়ালিটির গোড়ায় ধোঁয়া দেওয়া হচ্ছে, সেসবই যত অনিষ্টের মূল। আগে আট বছরের বাচ্চা "ঝড়ে উড়ে যায় আমার মুখের আঁচলখানি" গাইলেই বাপ-দাদা-মাসি-পিসি "লজ্জার কি মাথা খেয়েছিস?" বলে থাবড়ে দিতেন। পাড়ার মোড়ে প্রেম করলেই মুফতে মিলত কানমলা। সে বড় সুখের দিন ছিল। পুরোনো সেই দিনের কথা ভোঁপ্পো ভোঁপ্পো ভোঁ।

    তা, প্রথমেই স্পষ্ট করে বলে দেওয়া দরকার, পুরোনো দিন অত ফুর্তির কিছু ছিলনা। পাড়ার দাদারা বহু কাজে লাগত নিঃসন্দেহে, কিন্তু যৌন স্বাধীনতার প্রশ্নে সে ছিল এক খাপ পঞ্চায়েত। এলাকার মেয়ে বাইরে প্রেম করলেই, "অ্যাই পাড়ার মাল বাইরে যাবেনা" জাতীয় উড়ন্ত সাবধানবাণী ছিল। পোশাক নিয়ে পিসিমা-মাসিমাদের গুজগুজানি ছিল। "আপনার মেয়েকে কাল বিকেলে দেখলাম ওমুকের হাত ধরে গড়ের মাঠে হাওয়া খাচ্ছে" বলে লাগালে কেউ ঘুরে দাঁড়িয়ে "তাতো বুঝলাম, কিন্তু আপনি বিকেলে গড়ের মাঠে কী করছিলেন?" জাতীয় প্রশ্ন করার কথা ভাব্তেই পারতনা। প্রেম-টেম করলে বেপাড়ার ছেলে ঠ্যাঙানো অতি স্বাভাবিক ঘটনা ছ্হিল। এসব কোনো স্বর্গরাজ্যের চিহ্ন নয়। তখন একটা পাড়া ছিল, দিগ্দিকে ছিন্নমূল ফ্ল্যাটবাড়ির কারাগার গড়ে ওঠেনি, সমাজের কর্পোরেট শাইনিং 'উঁচু জাত' এবং বস্তির 'নিচু জাত'এর মধ্যে জল-অচল সম্পর্ক ছিলনা, সব সত্যি। কিন্তু একই সঙ্গে প্রেম করতে গেলে পুলিশি হুজ্জুতি, তোলাবাজি, দাদাদের চোখ রাঙানি সেসবও যে দস্তুরমতো ছিল, নস্টালজিয়ার চোটে সে বিষয়ে চোখ বুজে থাকার কোনো মানেই নেই।

    গত দুই দশকে হিন্দি-ইংরিজি ট্যাঁশপনার উপদ্রব যতই বাড়ুকনা কেন, খাপছাড়া থাম্বার মতো ফ্ল্যাটবাড়ি গজিয়ে উঠুকনা কেন, খবরের কাগজ আর টিভি চ্যানেলগুলি মশলামুড়ির দোকান হয়ে উঠুকনা কেন, যৌন খাপ-পঞ্চায়েতি যে ক্রমশ বিলীয়মান, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    টিভির নাচ প্রসঙ্গেও সেই একই কথা। কোনো সন্দেহ নেই, যে, গত বিশ বছরে মিডিয়া পুরো মশলামুড়ির দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়েও কোনো সন্দেহ নেই, যে, কচি বাচ্চাদের টিভির পর্দায় এঁচোড়ে পক্ক করে দেওয়া দেখলে গা জ্বলে। কিন্তু একই সঙ্গে একথাও অনস্বীকার্য, যে, এসবই সেক্সুয়ালিটির চর্চার অংশ। কুড়ি বছর আগে ছোটো স্কার্ট পরলে পাড়ার রকের দৈববাণী অনিবার্য ছিল। ঠ্যাং দেখানোর কুপ্রভাব নিয়ে কাকীমাদের আলোচনাও থাকত সঙ্গে। এসব আজকাল মোটামুটি উঠে গেছে। কারণ, সেক্সুয়ালিটি যে একটা ঘষামাজার ব্যাপর, গত কুড়ি বছরে সেটা অন্তত শহরে মোটামুটি এস্টাবলিশড। কুড়ি বছর আগে মহিলা সমিতির নেত্রীরা কেউ মেক-আপ করতেন না। এখন হাত-পা-মুখের লোম না তোলা, লিপস্টিক-মাসকারা না ঘষা মধ্যবিত্ত নারী বিরল। তিনি নারী অধিকারের মুখপাত্রী হন বা না হন।

    তা, কথাটা হল, আপনি যখন ভুরুকে করে তোলেন ধনুকের মতো বাঁকা, হাত-পা-কে করে তোলেন মাখন মসৃণ(মহিলা হলে), কিংবা মাসল বাড়াতে ডাম্বেল তুলে হ্যাহ্যা করে হাঁপান(পুরুষ হলে, যদিও বাঙালি পুরুষদের মধ্যে ব্যাপারটা ততটা আসেনি এখনও), তখন, তখন নিজের সেক্সুয়ালিটিকে তীক্ষ্ণতর করে তোলারই চেষ্টা করেন। তথাকথিত মেল গেজ অনুযায়ীইই করেন। করেন বেশ করেন, কিন্তু তার মানে, কুড়ি বছর আগে ফেরার রাস্তা আপনি বন্ধ করেই দিয়েছেন। এবং আপনি যে চর্চা করেন, সেটা আপনার মধ্যেই থেমে থাকবে ভাবার কোনো কারণ নেই। কচি বাচ্চারা অবশ্যই আপনাকে অনুকরণ করবে। ছেলেরা 'মাচো' হবার চেষ্টা করবে, মেয়েরা 'মোহময়ী'। সেটা কম বয়স থেকেই চালু হবে। এবং কুড়ি বা তিরিশ বছর আগে মেয়েদের বয়ঃসন্ধিতে ইজের পরিয়ে রাখা হত, সে যুগ আমরা টপকে এসেছি, এটা আপনি টের পাবেন। তিরিশ বছর আগে মেয়েদের উদ্ধত বুক আঁচল কিংবা ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখাই চালু ছিল। এখন আর নেই। এখন সমস্ত কার্ভ প্রকট ও কিয়দংশে দৃশ্যমান। ফলে আপনাকে যে মেয়েটি অনুকরণ করতে চায়, যে মেয়েটি আপনার সঙ্গে নিজেকে আইডেন্টিফাই করতে চায়, সেও কম বয়স থেকেই বক্ষবন্ধনী চাইবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এতে কোনো দোষ-টোষ নেই, বলাবাহুল্য। বঃসন্ধিতে হঠাৎ তোমার শরীরে গাদা লোম গজিয়ে গেল, নানা জায়্গায় নানা পরিবর্তন হল, দুম করে এই শকের সামনে না ফেলে একটু একটু করে জানিয়ে শুনিয়ে তৈরি করে দেওয়া অবশ্যই একটা চালু পদ্ধতি, এবং তাতে নিন্দনীয় কিছু নেই। কিন্তু পয়েন্টটা হল এগুলো চললে কাঁচুলি পরে বাচ্চারা নাচবেই। বিদেশে যেমন ছ বছরের বাচ্চা মেয়েও বিকিনি পরে সুইমিং পুলে যায়। সে নিয়ে বিলাপ করে কোনো লাভ নেই।

    হ্যাঁ, যেটা নিয়ে আপত্তি করতেই পারেন, সেটা হল যৌন অঙ্গভঙ্গীর বাড়াবাড়ি। ফোর্স ফিডিং যেগুলো। যেগুলো মিডিয়ার মশলামুড়ি। বাড়াবাড়ি সর্বদাই সমালোচনার যোগ্য। কিন্তু 'দাও ফিরে সে অরণ্য' বলে বিলাপ করাটা আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া আর কিছু না।
  • aka | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:২৭384164
  • যার অঙ্গ তাকেই শেখাতে হবে, কোথায় কে কে হাত দিতে পারবে কে কে পারবে না। আমার বড় পুত্রকে ডাক্তারের ওখানে বলে দিয়েছিল বাবা মা আর ডাক্তার ছাড়া কেউই হাত দেয় না। তুমিও অন্য কারুরটায় হাত দেবে না, দেখবে না, অন্য কোনরকম টাচ করবে না। এগুলো প্রাইভেট পার্টস।

    আর একটু বড় হতে "ব্যাড টাচ, গুড টাচ"।

    এর পরেও অপরাধ ঘটবে, তখন সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন চার বছর বনাম চার বছর আর চার বছর বনাম চব্বিশ বছর এক নয়।

    তবে এই বিড়লার কর্তৃপক্ষেরও কিছু হওয়া দরকার।

    আর এত মিডিয়ার ইনভলভভমেন্ট মনে হয় ভিক্টিমদের জ্নয় ভালো না। বিশেষত যেখানে এথিক্সের অভাব পরতে পরতে। ভিক্টিমদের ট্রমাতে অ্যাড করে বলেই মনে হয়।
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:২৭384165
  • কার গপ্পো নাকি টুকে নিয়েচে পোস্তে, স্বীকারে দেয় নাকি দ্যায় নি। সেই নিয়ে হৈ চৈ শুনছিলাম ফেবুতে। তারপরে নতুন লাটক এসে গিয়ে আগের গুলো চাপা।
  • একক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:০৯384163
  • পোস্ত দেখলুম উতুবে। একটা টেলিফিল্মের দৈর্ঘ্যের বিন্যাসকে টেনে টেনে অসহ্য লম্বা করেচে উফফ কী ক্লান্তিকর :( মিনিমাম ৪৫ মিনিট কেটে উড়িয়ে দিলে ভদ্রস্থ কিছু হয় :|
  • একক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:০৬384162
  • ও হ্যা, আসিনা বলে বলা হয়না, দু এর কথা শুনে ভিনসেন্ট দেখার ইচ্চে আরও বাড়লো। দেখি কবে লুরুতে আসে।
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০০:০০384160
  • খান বিশেক বই? এত বই বয়ে আনাও তো এক চ্যালেঞ্জ!!!!
  • Du | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:১৫384159
  • ভেঙ্গে? গুড়িয়ে গেছি অলরেডি।ঃ((

    ওনাকে কেউ বোঝাক রবীন্দ্রনাথ নয় জীবনানন্দই বাঙ্গালির শ্রেষ্ঠ আইকন।
  • রবাহুত | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:৫০384158
  • ঃ) না না ভেঙে পড়তে নেই ঃ)
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:০১384157
  • এবং সেটা অমনিবাসের একাংশ মাত্র। ঃ-))) টি এম সি সম্পর্কে দুর কথা গুলো খুব, মজা লাগে, পরিষ্কার বোঝা যায় দু ভেঙ্গে পড়েছে ঃ-)))))
  • Du | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:৪৪384156
  • উচ্চমাধ্যমিকে র‌্যাংক পেলে পিসির বই খান বিশেক দেয় পুরশ্কার।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৮:৩৩384155
  • বাচ্চাদের দিয়ে রিয়েলিটি শো তে যৌনাঅবেদমূলক না নিয়ে আমারো অস্বস্তি আছে, আপত্তিও, কিন্তু যৌন আবেদনময় পোশাক পরিয়ে নাচিয়ে সেই অনুষ্ঠান যারা দেখে আনন্দ পায়, তারা চাইল্ড পর্ন দর্শকের থেকে আলাদা কিছু না, এমনকি চাইল্ড মোলেস্টরের থেকেও, পড়ে খুবই ঘাবড়ে গেছি।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৮:১০384154
  • শশী কাপুর মারা গেলেন।
  • Rabaahuta | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৭:৩২384153
  • আলামনি মানে কি বুঝতে আমার কতক্ষণ লাগলো। আল-আমিন, আপামনি কতকিছু ভাবলাম।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৫২384152
  • এদিকে আপনারা আলামনিদের চিঠিগুলো পড়লেন?

    স্কুল প্রফিটের পিছনে দৌড়লে যা হয়

    Wrote to The Telegraph last night. Here's the note:
    Dear Mr Rajagopal,

    I write as a concerned alumnus of G D Birla Centre for Education (prev Ashok Hall, Tollygunge). As a student of the school in the 80s and 90s (I studied there from 1982-1997), I grew up in a relatively happy atmosphere. Yes, we had the usual teacher bullies and the ones we made fun of, relentlessly, but overall, we were trained to use our minds, given exposure to the outside world, encouraged to be curious and to speak our minds. We grew up to be independent-minded, curious girls (it was an all-girls' school then) with a desire to go out and succeed in the world. As I stepped out into other institutions and other cities, I revelled in the fact that G D Birla gave us the right mix of cautiousness and zeal - it did not make wallflowers of us. We experienced the best possible combination of Marwari business sensibilities with a strong Bengali middle class orientation supported by the emphasis on systems placed by our Principal, and then Administrator, Mrs A Chakraborty.

    Things had started changing by the late 1990s, when Mrs Chakraborty was first shifted, and then ousted from the school by the ambitious Mrs Manjushree Khaitan (now Birla), who wanted to play a bigger role in the way the schools were run. She wanted the schools to become "world-class", and to compete with Kolkata's best. I have to confess that we thought, at the time, that this was a good thing, because this meant we would be able to participate in inter-school fests!

    Over time, however, this ambition took the form of megalomania, to the extent that none of the teachers or staff in the school are the slightest bit empowered to move a finger without "madam's" approval. She has worked systematically, over the years, to break the teachers' spirit, and in this moment of crisis, has completely distanced herself from the scenario. This is a classic case of bad management, and if there is an overhauling to be done, as is being demanded by many of the parents, it is the management that needs to be overhauled.

    This is a school without a Parent-Teacher Association, and apparently the Junior School building is not affiliated to the ICSE Board because it has a different address, and is therefore not subject to checks! How is such a thing possible without collusion at the highest levels?

    While the Principal and teachers have their responsibilities and, of course, need to be taken to task, it is worth asking what the management was up to, and why it is sitting quiet at a time the school most needs the members to speak. We might also ask the media why no one has as yet pinned Madam Birla down on this account?

    All the things that have come to light about the school - including a lack of separate bathrooms for boys and girls, even at the higher secondary level! - go on to indicate a deep level of apathy combined with a relentless desire for profit. A school is not a business enterprise, nor can it be run as such. If the state government truly feels as badly about the situation as it claims, it needs to run a thorough investigation of these business house run schools, instead of turning a blind eye and allowing them to get away with evil in the name of education.
    In solidarity with the parents and students of the school,
    Manjima Chatterjee, Rachna Nayyar, Shubha Nandi, Mini Menon
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৪৪384151
  • আমেরিকান কাজিন ঃ-))))))))))))))))))))))))))))))) যদিও এটা র একটা কনোটেশন হল, আমেরিকার বড় শহরে ঘুরে বেড়ানো লাফাঙ্গা এবং লিস্টলেস কালো টিনেজার ছেলেরা, কিন্তু তবুও মজার ঃ-))))))))))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত