এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০৩386010
  • নানা। ব্রাহ্মণ্যবাদ নিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তুলিনি। ও তো একটা নাম। কেউ বলে মনুবাদ, কেউ বলে ব্রাহ্মণ্যবাদ। ওর সঙ্গে ব্রাহ্মণদের সরাসরি বিশেষ সম্পর্ক নেই। ইন ফ্যাক্ট মায়াবতীর শক্তি ছিল তো বহুজন আর ব্রাহ্মণদের অ্যালায়েন্সেই।
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০০386009
  • একক কে,
    "সেন্ট্রাল প্ল্যন কোরে ক্র্সব্রীড বানানোর মোডেল চাই ন।কে কার সঙ্গে ব্রীড কর্বে তার ব তাদের ওপোরেই থাক।"। খুব সত্যি। কিন্তু কারা ব্রীড করবে সেটা শুধু তাদের নিজেদের ওপরে থাকলে তো অর্ধেক সমস্যাই মিটে যেত। তা আর হচ্ছে কোথায় ? সেখানে তো তাদের বাবা, মা, খুড়ো, পিসি, জ্ঞাতি গুষ্টি, প্রতিবেশী সবাই নিজেদের মৌলিক অধিকার ভেবে নিয়ে বসে আছে।

    এই সো কল্ড arranged ম্যারেজ এর রমরমা কমলে এই ভাট-এর বিয়ের এড গুলোও অটোমেটিক কমবে, জাত পাতের নোংরামি টাও একটু কম চোখে পড়বে। যাই হোক সেটা অন্য সমস্যা।
  • kumu | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৫৭386008
  • "আর বেশিরভাগ খারোস টাইপ মানুষগুলো আদতে চুড়ান্ত ইনসিকিওর্ড এবং কোন বড় কষ্ট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়,সেটা ভেন্টিলেটেড করে ভুলভাল ভাবে। এবং কোনকিছু গড়ার জন্য খানিক সহনশীলতা লাগে, সে যে যাই খিল্লি করুক। একজনকেই স্যাক্রিফাইস, কম্প্রোমাইজ হয়ত করতে হয় বেশি, কিন্তু তার জন্য কিছু গড়ে যদি ওঠে সেটা বেশি লাভ। "
    কিকি,খুব খুব খুব ঠিক কথা।আমি জীবন দিয়ে জানি এটা।এই পাঠগুলো জীবনের শুরুতেই পেলে বড় ভাল হয়।তোমার কথা বড় ভাল লাগল।আর হেরে যাওয়া মানুষ তো তুমি নও।
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৫৫386007
  • প্যাটেলদের সংরক্ষণ নিয়ে একটা ডিটেইলড লেখা পেলে ভাল হত - হানু কি লিখবে?

    কেন এই সংরক্ষণ-টা গুজরাতে দরকার - প্যাটেল-রা কি আর্থিক ভাবে বা কাস্ট বেসিসে পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়?
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৫৪386006
  • সরাসরি হিন্দি বলয়ের রিয়েলিটিকে বাংলা বলয়ের রিয়েলিটিতে কেউ প্রোজেক্ট করছে না বলেই মনে হয়। ব্যাপার হচ্চে জিগ্নেশের স্পিচ শুনে আকাশ থেকে পড়ে 'ব্রাহ্মন্যবাদ' কি, সেটা খায় না মাথায় দেয়, আমি তো কোনোদিন দেখিনি, অমর চিত্রকথাতেও তো ছিল না, জাতীয় আটভাট প্রসঙ্গ উঠেছে। তো কি আর করা যায়।
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৪৮386005
  • আমি একজনের কাছে পড়েছি, যদিও জাত পাতের হিসেবটা তখন জানতাম না।

    কিন্তু সেটা পয়েন্ট না। 'ছোটোলোক'দের পিছিয়ে থাকা পশ্চিমবঙ্গে আছে তো। জাতপাত উঠে গেছে তাও না। কমেছে ঠিকই, কিন্তু উঠে যায়নি। এসবেই একমত। আমার আপত্তি হল হিন্দি বলয়ের রিয়েলিটিকে বাংলার রিয়েলিটি হিসেবে প্রোজেক্ট করায়। প্যাটেলদের সংরক্ষণ যেমন বাংলার রিয়েলিটি নয়, তেমনই জিগ্নেশও নয়, মায়াবতীও নয়। পুনরাবৃত্তি করছি, বাংলায় কোনো কুয়ো কোনো টিউব ওয়েল, কোনো জলাধারে 'নিচু' জাতের লোকেদের প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। বাংলায় জাতের জন্য পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, এ এক অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু এগুলো হিন্দি বলয়ের রিয়েলিটি। প্রতিদিনকার রিয়েলিটি। বাংলায় রণবীর সেনা ছিলনা। বাংলায় নিচু জাতের লোকেদের ভোট দেওয়ানোর জন্য আইপিএফকে বন্দুক হাতে র‌্যালি করতে কখনও হয়নি। এগুলো হিন্দিবলয়ের চিরকালের রিয়েলিটি। এখন হয়তো কিছুটা কমেছে, কিন্তু কিছুটাই। বাংলায় বিয়ের সময় জাতগোত্র দেখা হয় নিশ্চয়ই, বা নিচু জাতের বুদ্ধিজীবির সংখ্যা সত্যিই অনেক কম, কিন্তু সেটার সঙ্গে হিন্দি বলয় তুলনীয়ই না। জাস্ট কাচাঅকাছিই নয়। সম্ভবত দক্ষিণ ভারতও তুলনীয় না, কিন্তু ওদের কেসটা আমি আবার পুরোপুরি বুঝিনা।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৩৬386004
  • ব্রাহ্মণ বা নন ব্রাহ্মন টা বড় ইস্যু নয়। অসবর্ণ বা ভিন্ন ধর্মের বিবাহ বা এড ও নয়। মানসিক বিকাশ টাই বড় কথা। এগুলো জোর করে চাপানো যায় না, ধীরে ধীরে হয়। আগের থেকে কাস্ট নো বার এর উল্লেখ অনেক বেড়েছে। ঠিক যেমন আগের চেয়ে চাকুরীরতা পাত্রী চাহিদা অনেক বেশী। কারণ এতে ঘরে পয়সা আসবে আর্থিক বিকাশ ঘটবে। যে পরিবার চাকুরিরতা পাত্রী চাইবে না সে আজকের যুগে লুজার।
  • Ekak | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৩৪386003
  • এক্টা মানুষ আরেক্টা মানুষ কে সামাজিক পাব্লিক পরিসোরে জাতের কারনে পিছিয়ে রাখ্ছে কিনা সেটাই ফ্যাক্টোর।

    বিয়ে থা, পাশাপাশি ফ্ল্যাট এ থাকা এগুলো ব্যক্তিগত স্পেস। এখানে ফোর্স্ড শোশিয়ালাইজেশোন এর চেস্টা ও একধরোনের ঈউজেনিক্স। পরোস্পোর কে সোম্মান ও স্পেস দিক, দল পাকিয়ে সুজোগ সুবিধে বোন্টোনে বাধা স্রিস্টি না কোরুক এর বেশি কী চাই ?

    জাত পাতের প্রশ্নে জস্টিস দর্কাঅর, সেন্ট্রাল প্ল্যন কোরে ক্র্সব্রীড বানানোর মোডেল চাই ন।কে কার সঙ্গে ব্রীড কর্বে তার ব তাদের ওপোরেই থাক।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:২৬386002
  • হানুর,প্রশ্ন গুলো ঠিক বুঝতে পারলাম না। আমি অধ্যাপকের কাছে যখন পড়ি;কি জাত দেখি না। অনেকেই আছেন নিন্ম বর্নের। তাতে কি?
    পব তে বহু গ্রামে সদগোপ, সৎ চাষী, কুমোর, কামার পাড়া আছে। বামুন পাড়া ও আছে। আদি বাসি গ্রাম ও আছে।তাতে কি?
    বাঙালি লেখক লেখিকার প্রশ্ন টা মুদ্রন প্রমাদ হেতু বুঝলাম না।
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:২০386001
  • পবতে ক'টা পাত্রপাত্রী বিজ্ঞাপনে ব্রাহ্মণ পাত্রপাত্রী হলে অব্রাহ্মণ পাত্রীপাত্র চাওয়া হয় ?
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:১৭386000
  • কজন বাঙ্গালি নিচু জাতের অধ্যাপকের কাছে পড়াশুনা করেছেন, কজন বড় মাপের বাঙ্গালি হিন্দু লেখক লেখিকার লেখা পড়েছে, জান্রা নীচু জাতের?কটা গ্রামে গেছেন যেখানে জাত অনুজায়ী ছোটো জাতের আলাদা পাড়া নেই।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:১০385999
  • পব তে পয়সা হলে জাতে ওঠা যায় কিন্তু গো বলয়ে নয়। অনেকাংশে সত্যি। কারণ, ওখানকার রাজনীতিবীদরা আরো ধুরন্ধর ও এই জাতপাত ও ধর্মীয় বিভেদ কে টিকিয়ে রাখতে চায়।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এদের মোড়ক পাল্টেছে খালি।
    উদাহরণ দিচ্ছি। মায়াবতী বা কাঁশি রাম এনারা কিন্তু দলিত দের হয়ে বহুদিন ধরে লড়ছেন ও লড়েছেন। এদের ভোট ব্যাংক সীমিত ও বাচন ভঙ্গী ও কর্মকাণ্ড প্রেদিক্তেবল। সাইনিং ইন্ডিয়া কে বুদ্ধু বানাতে পারা এদের পক্ষে মুশকিল।
    এদের জন্য এসব জিগ্নেশ টাইপের নতুন নেতাদের উদ্ভব ঘটছে।
    বক্তব্যের রকমফের ঘটছে। অর্থাৎ কারখানার মালিক যদি শোষক দলিত ও হয়, আমি কিন্তু শ্রমিক ব্রামহণ এর হয়ে লড়বো। এটাই হবে ব্রাহ্মন্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই।
    সিপিএম ও কিন্তু দীর্ঘকালএকই কথা বলেছে।মালিকের কালো হাত গুঁড়িয়ে দাও। কিন্তু ইনি এটিকে কায়দা করে ব্রাহ্মন্যবাদ বানিয়ে দিলেন। প্রভূত্ববাদ ও বলতে পারতেন। কিন্তু তাতে টার্গেট ভোটব্যাঙ্ক বিচলিত হতে পারতো
    ল্যাগব্যাগ, ব্যাপার টা বুঝে হাইরারকিবাদ বলার চেষ্টা করেছিল বটে। কিন্তু অধিকাংশ সাইনিং জনতা এই ব্রজবুলি তে খুশ। যুবক নেতাও খুশ!
    দুই, সিকি, যেমন না পড়ে না বুঝে লিখে দিলো, কোন ব্রাহ্মন পদবী ধারী লোক নাকি মুটমজুর মেথর, ডোম, রিকশাওয়ালার কাজ করেনা। ঈশান অবিশ্যি কারেকশন করে লিখল মুটে, মজুর, রিক্সাওলা, সিক্যুরিটি জবে অনেক ব্রাহ্মন আছে কিন্তু মেথর বা ডোমের কাজে হয়তো নেই। ভালো কথা, বলেছিলাম স্ক্যাভেঞ্জিং জব ও ব্রাহ্মন সার্চ করলে অনেক কিছুই জানা যাবে।
    এতক্ষণ নিশ্চয় জেনেছে। খোদ দিল্লীর চিত্রই ব কি!
    আবার ব্রাহ্মন দের আর্থিক সিচুয়েশন নিয়েও অনেক লিংক দেওয়া যায়। আদি অনন্ত কাল ধরেই বিরাট কিছু নয়।
    কিন্তু ওই যে টার্মিনঅলজি! ওটাকে রাজনীতিবীদরা নিজেদের স্বার্থে টিকিয়ে রাখবে ই। এব্যাপারে অন্তত পবর রাজনীতি বিদরা একটু হলেও বেটার।
  • kiki | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:২৯385998
  • কুমু, হুঁঃ সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। ঃ) দুঃখে কে মিসালুম এই সময়। তবে এখন অন্যভাবে বুঝি। সারাজীবন জ্বলেছেন। জ্বালানোর জন্য আমাকেই সবচেয়ে সহজ টার্গেট পেয়েছিলেন। এখন মানুষটা আর নেই, ফিরে দেখলে কষ্টই লাগে। এখনকার আমি হলে ওসব নিয়ে গুরুত্বই দিতাম না। সব কিছু অন্যরকম হত হয়ত। পড়াশুনোর থিয়োরি ছাড়া আর কোথাও খুব সহজে ঠিক বেঠিক বলা যায় না, তেতাল্লিশ বছরে এসে আমার অভিজ্ঞতা তাই। আর বেশিরভাগ খারোস টাইপ মানুষগুলো আদতে চুড়ান্ত ইনসিকিওর্ড এবং কোন বড় কষ্ট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়,সেটা ভেন্টিলেটেড করে ভুলভাল ভাবে। এবং কোনকিছু গড়ার জন্য খানিক সহনশীলতা লাগে, সে যে যাই খিল্লি করুক। একজনকেই স্যাক্রিফাইস, কম্প্রোমাইজ হয়ত করতে হয় বেশি, কিন্তু তার জন্য কিছু গড়ে যদি ওঠে সেটা বেশি লাভ। ক্রমশঃ ভেঙে ভেঙে ছোট ইউনিট হয়ে যাওয়ার থেকে। যাহোক, এ তো মূর্খ এবং হেরে যাওয়া মানুষের কথা।

    এসেমকে আরেকটু সাপোর্ট দিয়ে যাইঃ ঃ)

    ব্রাহ্মণরা প্রাচীনকালে পড়াশুনা নিয়েই থাকত কিন্তু। সমাজ বেসিকালি ব্যবসায়ী (তারা কী হয়? বৈশ্য?) আর ক্ষত্রিয়রাই চালাত। এতে ভুল কোথাও নেই মনে হয়। (এইসময় ডিডিদাদা, শিবুদা, শিবাংশুদা এদের লড়িয়ে দিতে পারলে ভাল হত, অনেক ঠিকঠাক তথ্য উঠে আসত, আবেগের চেয়ে বেশী) এবং অন্তত বাংলায়, সমাজ সংস্কারকরা বেশিরভাগই উচ্চবর্ণ ব্রাহ্মণ।

    আর শোষন, কমজোরি মানুষের উপর অত্যাচার থাকবেই, কেবল রূপ বদলে যাবে। জাতপাত গেলেই আর কিছু এসে যাবে, ইত্যাদি। এটাও মানুষের বেসিক নেচার।

    আজকের বাণী কম্প্লিটো। আজ বাগান করব, মাটি, দু চারটে টব, কয়েকটা তেল, সফ্টড্রিঙ্কস এর বোতল কেটেকুটে রেখেছি। ছটা ইঁট কিনেছি চার হাজার রিয়েলে, মানে একডলার, মাইরি। দড়ি ভি আনা হ্যায়। বীজ তো সব দেশ থেকে এনেছি। বীজেরা এবার বিশ্বাসঘাতকতা না করলেই হল। বিয়ের বাইশ বছর পর সংসার সংসার খেলার ফুরসত মিলেছে। জব্বর ঘ্যাঁট পাকিয়ে করতে হবে।
  • একক | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:২১385997
  • কোনো রাজ্যে বা অঞ্চলে জাত ফ্যাক্টর কীভাবে কাজ করে বুঝতে থানায় যান। পুলিশ হলো উদ্দাম সোশাল মার্কার :):) দেখবেন পুলিশ কীভাবে বিভিন্ন লোকের সঙ্গে বিহেভ করছে। ওরা সব খবর রাখে যে কোথায় কোন জাত বেশি সম্মানিত। আবার যেখানে জাত অতটা নেই সেখানে চট করে পোশাক আশাক কথা এসব দিয়ে বুঝে নেওয়া লায়েক ইন্ডেক্স এর কোন জায়গায় লোকটি রয়েছে। ব্যবহার আকাশ পাতাল পাল্টে যায় পুলিশের এই ফ্যাক্তর্গুলোর ওপর ডিপেনড করে। কাজেই, কোনো নতুন জায়গায় গিয়ে সেখানে কোনো অভিযোগ জানানোর ছুতোনাতায় থানার ভেতরের বেঞ্চে ঘন্টা খানেক বসলেই প্রচুর মজা দেখা যাবে। একই পুলিশ অফিসার তার কতরকম ব্যবহার ! গলার কতরকম মদিউলেষণ জাত বেজাত লায়েক নন -লায়েক বুঝে :)) পুরো নাটক ! তবে দীর্ঘকালীন এনারাই রা একটু সর্বিত্রেত পকেটে নিয়ে এই নাটক দেকতে যাবেন কারন হুলিয়ে শক পেতে পারেন :((
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:১৮385996
  • উরিয়াঃ,

  • একক | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৭385995
  • জাত বেজাত নিয়ে ছোঁয়াছুঁয়ি ছোটোব্যালায় দেখেছি। অতিথিদের আলাদা আলাদা জাতের জন্যে আলাদা বাসন ছিল। তাতেই খেতে দেওয়া হতো। একদম জলখাবার থেকে দিনার সেট সব আলাদা। সে লাট বেলাট হলেও। আলাদা না রাখলে মানে বাগদীর থালায় অন্যকে বা অন্যের জলের গেলাসে মুসলিমকে দিলে তাঁরাই ক্ষুন্ন হতেন। তবে এসব এখন অতটা নেই। আছে, বাংলা প্রবন্ধে যেমন সতেজ স্বাস্থ্য রূপ দেখায় তেমন মোটেই না .।

    তবে একটা বেসিক পার্থক্য আছে যে "লায়েক হয়ে " গেলে সে একপ্রকার জাতে উঠে যায়। তার সঙ্গে কেও মিসবিহেভ করেনা। একসঙ্গে খাওয়া বসা চলতে থাকে। অর্থনৈতিক উন্নতি -বড় চাকরি বা ব্যবসা -একটু ইংরিজি বলতে পারা এইসব মিলিয়ে একটা "লায়েক " হওয়ার প্যাকেজ আছে। এটা না হলে কিন্তু গ্রামের পুরুতের বেকার ছেলেকে, হাজী সাহেব একদম দুরছাই করে কথা বলেন, দাওয়ায় বসতে বলার প্রশ্ন নেই। বা আবার বাউরিদের ছিল্যা শহরে দাগদারি পড়ে লায়েক হয়ে ফিরলে তাকে রাস্তায় দেখে গ্রামতুতো উচ্চবর্ণের জ্যাঠামশাইরা কুশল শুধন। যদিও বিবাহ সম্পর্কে যাওয়া নিয়ে এখনো খুঁতখুঁত আছে তবে বিলীয়মান। মানে পশ্চিমবঙ্গের জাত ফ্যাক্টর লায়েক হওয়া :):)

    গোবলয়ে এটা হয়নি কেন নিশ্চিত নই। অত্যধিক সরকারী চাকরির প্রতি নির্ভরতা এবং সরকারী জায়গায় কাস্ট ভিত্তিক রাজনীতির ফলে আরও বেশি করে কাস্ট হেট্রেড গেঁড়ে বসেছে, এমন হতে পারে। সিওর নই।
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৫385994
  • কুমুদি, বলছিলাম যে, এই তেল নিয়ে মেজর ভুলগুলো নিয়ে চিঠি লেখো একটু। আর এবার তোমার নিজের লেখাটা লিখে ফেল। দেখছ তো এই নিয়ে কিছু সেরকম ঠিকঠাক লেখা নেইই। ঠিকটা জানতে চাইলেও বহুলোকের জানার উপায় নেই।

    আচ্ছা, সরষের তেল মাখলে কালো হয়ে যায়, মানে ট্যানিং হয়, এটা ঠিক ? আর বিকেল সন্ধেতে মাখলে ( এবং মেখেই থাকলে, মেখে চান টান করে না নিলে) নিশ্চয় কোন সমস্যা নেই ?
  • Atoz | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:০১385993
  • অরণ্যদা, ঃ-)
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৩২385992
  • বালাই ষাট, সেদিনের ছেলে সব তোমরা, sm-এর ভাষায় পোলাপান :-) @ঈশেন

    আতোজ, থ্যাংকস
  • Atoz | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:২৩385991
  • braahma ব্রাহ্ম
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:১৯385990
  • এমনিতে তো দিব্যি লিখি। আপনি জিগানোর পর আর পারছিনা। অযামনেশিয়া হল কিনা কে জানে।
  • a | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৪৫385989
  • হ্ম - এটা কী ভাবে লেখে, গুরু লে আউটে?
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৩৮385988
  • হ্যা, জাতের মাত্রাগত পার্থক্য WB- এর সাথে নর্থ বা সাউথ ইন্ডিয়া এর বিশাল ফারাক। ওই সব বেল্ট এ গ্রামে নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায়না কি ভাবে গরমকালে জল নিয়ে দলিত দের ওপর অত্যাচার হয়। জাস্ট অমানুষিক। মাওবাদীরা আকাশ থেকে পড়ে না, এসব উর্বর জমি থেকেই তৈরি হয়। তাও WB-তে পুজো বা বিয়ের ক্ষেত্রে চাড্ডিপনা ভালোই চোখে পড়ে এখনো।

    WB-তে ব্রিটিশ রুল, পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার, মুসলিম সংখ্যাধিক্য, দেশভাগ, মাস মিগ্রেশন সব মিলিয়ে একটা রাপিড চেঞ্জ হয়েছে গত ১৫০-২০০ বছরে। তার আগে সতীদাহ, গৌরীদান, কুলীন দের বহুবিবাহ এসব চ্যাংড়ামির এর বহু ইতিহাস আছে। এর পরেও কেও কেও ব্রাহ্মণ্যবাদ নিয়ে ন্যাকামি করে যান অবশ্য।
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৩৭385987
  • অনেক কিচুই সাহায্য করেছে। সেই ইয়ং বেঙ্গল। ব্রাহ্মসমাজ হয়ে জীবনানন্দ পর্যন্ত। গোবলয়ে এসব ঘটেনি শুধু না, কাছাকাছি কিচু হওয়াও অকল্পনীয় ছিল।

    কিন্তু সেটা কথা না। কথা হল, গোবলয়ে নিচু জাতের লোকজনকে পুলিশ যখন জুতো চাটায়, নিচু জাতের যুবক যুবতীকে ন্যাংটো করে ঘোরায়, তখন, আমরা তার নিন্দে করে বলি, "কিন্তু আমাদের গর্ব বাংলাও এ ব্যাপারে কিছু পিছিয়ে নেই, এখানেও খবরের কাগজে বিয়ের বিজ্ঞাপনে জাতের উল্লেখ হয়" ইত্যাদি। জাতের ব্যাপর কিছুমিচু নিশ্চয়ই আছে, কিন্তু "কিছু পিছিয়ে নেই", এটা একেবারেই ঠিক কথা নয়। উত্তর ভারত জাত-পাতের ভিত্তিতে একেবারে বর্বর পর্যায়ে আছে। আমাদের বহু কিছু খারাপ হলেও এই বর্বরতাটা নেই। "আমরাও কিছু বিপিছিয়ে নেই" বলতে হয় সর্বভারতীয় হয়ে ওঠার জন্য। সেটা বলার কোনো মানে নেই। ইউপি, বিহার, এসবের জাত-পাত বর্বরতার যে চরমে উঠেছে, তার দায় তারাই বহন করুক। জিগনেশই হোক আর মায়াবতী ওদের ফেনোমেনন, আমাদের নয়।
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২৯385986
  • বাংলায় কমিউনিস্ট মুভমেন্ট-ও নিশ্চয়ই কিছুটা হেল্প করেছে - জাত এবং ধর্ম - দু ক্ষেত্রেই গোঁড়ামি কমাতে
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২৭385985
  • ছাত্র বয়সে কাকদ্বীপে এক বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলাম, বেশ কয়েকজনের গ্রুপ। দলের মধ্যে একটি ব্রাক্ষ্মণ ছেলেকে বন্ধুর ঠাকুমা হঠাৎ প্রণাম করায় তার কান-টান লাল হয়ে এক কান্ড। বন্ধুটির সারনেম ছিল মিদ্দা। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ল।
  • lcm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২৩385984
  • অবশ্যই - হিন্দি বেল্ট, আর কি যেন গোবলয় -- সেখানকার সঙ্গে অনেক তফাৎ।
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২০385983
  • অব্শ্যই মাত্রাগত পার্থক্য আছে, বিরাট পার্থক্য
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:১৯385982
  • ব্রিটিশরা আসার পর পাশ্চাত্য শিক্ষা তো অবিভক্ত বাংলাতেই সবচেয়ে দ্রুত প্রসার পায় - সেটাও একটা কারণ হতে পারে

    বেশ কিছু ফ্যাকটর নিশ্চয়ই কাজ করেছে @আতোজ
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:১৮385981
  • খুব উদারপন্থী একেবারেই না। তবে পশ্চিমবঙ্গে কোনো গ্রামে, নিচু জাতের লোকজনকে অন্য পুকুর, জলের কল, কুয়ো এসব ব্যবহার করতে হয়না। জাতের জন্য ভোটে আটকানো হয়না। জাতের জন্য পুলিশ ক্যালায়না। বিহার ইউপিতে এসব নিত্যই হয়ে থাকে।

    উঁচু-নিচু বোধ কি একেবারে উবে গেছে? যায়নি। কিন্তু উত্তর বা দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন, মাত্রাগত পার্থক্য আছে কিনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত