এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২৭386039
  • ও, আর যেটা বলতে চাইছিলুম - পার্টিশন সংক্রান্ত বই-লেখাপত্তর-ক্রনিকল ইত্যাদি একজায়গায় করা যায়? মানে ক্রাউড সোর্সিং আর কি। এই সময়ে এটার দরকার আছে।

    তাইলে একটা গুগুল ড্রাইভে ফোল্ডার বানাই।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২৭386040
  • আগেরটা অজ্জিতদাকে অবশ্যই নয়। :)
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২৬386038
  • যাওয়ার সময় সমস্ত পালক যত্ন করে গুছিয়ে নিয়ে যাবেন কিন্তু।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২৪386037
  • ফেবুকীয় ডায়নামিক কনটেন্ট এবং লগিন হলে এই সিলেক্টিভ ব্যাপারটা অনায়াসে করা যায়।

    কিন্তু লগিন এনফোর্স করলেই আমি কেটে পড়বো।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২২386036
  • লাও, পোলাপান আবার একসঙ্গে জুটে গেছে
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১৮386035
  • দূর, কী আর ধরে খেলব। এ তো তামাশা। অ্যাম্বাসেডর, ইনফরমেশন অ্যাক্ট আর পিকিং কেলেংকারির পরও যে ইনি এখানে এসে নেচে যান, এই আশার কথা।:)
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১১386034
  • এহ এটা আমার বহুদিনের দাবী হাইড অপশান। কিন্তু ঈশান কান দেয় না, গণতান্ত্রিকতা ব্যাহত হবে বলে বোধহয়। ফলে আমি ওয়াইট নয়েজ ধরে নিয়ে কাজ চালাই।

    যাহোক, যা বলছিলাম পাঞ্জাবের দিকে হিন্দু মুসলমান শিখ আর হরিজন এই চারটে ফ্রন্টে আলাদা হয়ে গেছিল। গান্ধীজির ব্যবহৃত 'হরিজন' শব্দটাই বেশিরভাগ যাঁরা উত্তম পুরুষে নিজেদের কথা বলছেন, নিজেদের সম্পর্কে ব্যবহার করছেন। হাসপাতালে বাচ্চা জন্ম হয়েছে, নাড়ি কাটার বা সাফসুতরো করার কেউ নেই। হয় লাস্ট ট্রেন ধরে লোকে অন্য পারে চলে গেছে, নয়ত আমি তো এখন করব না, তোমার নিজের সম্প্রদায় থেকে লোক এনে করাও।
    এক অদ্ভুত অচলাবস্থা তৈরী হয়েছিল চারিদিকে।
  • রোবু | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:০৪386032
  • বেশ ভালো আলোচনা হচ্ছে।
    আচ্ছা, সিলেকটিভ্লি কারুর পোস্ট না দেখার উপায় করা যায় গুরুতে? পার্সোনালাইজেশন গোছের? আলোচনার কন্টিনিউইটি তাতেও অক্ষত থাকবে বলেই মনে হয়।
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:০৪386033
  • এসেমের আক্ষেপটা আমি বুঝি। সহানুভূতিশীল। বিনীত অনুরোধ, শান্ত হৌন।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:০২386031
  • আরে সিকি, আগে মুটে, মজুর, রিকশাওয়ালা, মেথর, ডোম নিয়ে করা মনিমুক্ত খচিত পোস্ট টা যে ভুলভাল ছিলো, সেটা বলো। তাপ্পর তো, জিগ্নেশ এই জিগনেশ ওই সে সব নিয়ে বক্তব্য রাখবে। বিরিয়ানির মশলা কৈ। সবই তো চচ্চড়ি হয়ে যাচ্ছে!
    শত শত জিগ্নেশ। উরি ন্না !
    আর দুজন তো কার্টুন এর মতো পোস্ট করেই চলেছে।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৫৩386029
  • বাংলায় ছবিটা বেশ বাজে তো অবশ্যই। আগেকার কলকাতা কেন্দ্রীক বা নগর কেন্দ্রিক ইতিহাস লিখন খালি একশ্রেণীর জীবনযাপন লিখে গেছে। অন্ত্যজদের ব্যাপার ধরা পড়েছে কই। ফিকশন হিসেবে কিছু এসেছে। কলকাতা কেন্দ্রিক পুরোনো কাগজপত্রেও নামমাত্র ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়, সামগ্রিক হালহদিশ পাওয়া যায় না। গরীব ব্রাহ্মণ, বৌ মরেচে, তাই আরেকটা বিয়ে করবেন, সেরকম সঙ্গতি নেই, যাহোক কিছু একটা ভাবে বে হ'ল। খরচ? নামমাত্র পাঁচশো টাকা। সময়কাল এই আঠারোশো কুড়ি ফুড়ি হবে। সংবাদপত্রে সেকালের ইতিহাসে এই ঘটনা পাবেন, যদিও আমাদের কাছে বিভূতিবাবুর হরিহর বেশী অ্যাকসেপ্টেবল। সিনেমাও হয়েচে কিনা ওঁকে চোখেও দেখা গ্যাচে।

    অন্ত্যজদের দূরে সরিয়ে রাখার ব্যাপার একদম নিদের মতো রপিষ্কার। অন্ত্যজদের লিখিত ইতিহাস না থাকলেও কোনোভাবেই যাকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। বাংলার এলিট সমাজ সংস্কৃতিতে সম্পূর্ণ ব্রাত্য, অন্ততঃ চল্লিশ টি নিচু জাতের কথা জানা যায় যাদের উপর ব্রাহ্মণরা প্রভুত্ব করে এসেছে এই সেদিনও। এই এলিয়েনেশনের ফলে এরা নিজেদের সমাজ ভাষা সংস্কৃতি গড়ে নিয়েছে। নইলে কলকাতার একশ কিলোমিটার দক্ষিণের ভাষা এত আলাদা হয় কি করে।

    যদিও ব্রাহ্মণ্যবাদ নেই। ঃ)
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৫৩386030
  • পূব বাংলা থেকে যে এক্সোডাস হয়েছে দেশভাগের পরে সত্তরের দশক অবধি, সেখান থেকে এটা খুব ভালোভাবে দেখা গেছে যে উচ্চবর্ণের শরণার্থীদের প্রাথমিক অসুবিধা ও অনিছাসত্ত্বেও ভারতের মূলস্রোতে ধীরে ধীরে অ্যাডপ্ট করে নেওয়া হয়েছে, আর নিম্নবর্ণের জন্য বরাদ্দ হয়েছে মরিচঝাঁপি, কুমীরমারি, পুলিশের গুলি এবং দণ্ডকারণ্য।
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৯386028
  • ঈশানের সঙ্গে জিগ্নেশ কানহাইয়ার মূল্যায়ন বিষয়ে একমত নই। যেটুকু শুনেছি, এই ধরণের কথা বলার লোকের আজকের দিনে খুব অভাব। আমার মনে হয় প্রতিটা রাজ্যে প্রতিটা জেলা থেকে এই রকম জিগ্নেশ উঠে আসুক, তবে যদি কিছু পজিটিভিটি আসে ভারতের রাজনীতিতে। প্রচুর জিগ্নেশ দরকার, একদম এই রকম ভাষায় দরকার। মোদী পকাও হ্যায় ইয়ার, বহুত বোর করতা হ্যায়, বাতোঁ বাতোঁ মে জুমলেবাজি। সাথে মিমিক - ভাইয়োঁ অওর বহনোঁওওও। এই রকম চাঁচাছোলা ভাষায় ভরা জনসভায় বুক ঠুকে বলা লোক, আমি নাস্তিক। এই রকম রামকে নিয়ে খোরাক করা লোক - মঞ্চে দাঁড়িয়ে, রামের তিরে কোন টেকনোলজি ইউজ হয়েছিল ইসরোর বৈজ্ঞানিক কি বুঝিয়ে বলবেন?

    এই রকম কাটাকাটা কথা বলার লোক চাই। প্রচুর। এই রকমের কথা আগে কেউ বলেছেন কিনা, মনে পড়ছে না।
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৬386027
  • ৰামায়ণ কে ইতিহাস বা পাতিহাঁস কোনোটাই ধরার সদিচ্ছা আমার নেই অবশ্য।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৫386026
  • ইয়েসস দেশভাগের সময় ট্রিটমেন্টে আকাশ পাতাল তফাৎ ব্যপারটা আমি পাঞ্জাবের দিকটা নিয়ে এখন ঘাঁটছি, তো তাতেই দেখলাম। এমন এমন সব ব্যপার যা আমরা আমাদের পরিশীলিত নেকুপুষু আবহে কোনওদিন ঘুণাক্ষরেও শুনি নি।

    এই 'ইতিবৃত্তে চন্ডালজীবন' যোগাড় করে পড়তে হবে। এবারে বই এত বেশী হল যে তিনটে বই রেখে আসতে হল। এই বইটা লিস্টে আছে অনেকদিন ধরে।
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৪386025
  • ঈশান কে,
    WB এর কাস্ট একুয়াশন অব্যশই নর্থ বা সাউথের মতো নয়, খুনোখুনি হয়না, জল নিয়ে লাশ পড়ে না, সেই তুলনা কেও করছেন ও না। কিন্তু সেটা একেবারে উঠে গেছে বলা যাবে কি ? কমপ্লেসেন্সি এর জায়গাটা কোথায় ? তুলনা যদি ডেভেলোপড দেশের সাথে না করে বিহার, UP-এর সাথে করতে হয়, তাহলে মুশকিল।

    আর অমর চিত্রকথা চলুক পাশা পাশি, সব ঠিক হায়। রামায়ণের কাল থেকে চলে আসছে, পেছোতে পেছোতে আবার সেখানেই পৌঁছে যাবে। এটা অবশ্য ঈশান কে নয়।
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৩386024
  • টি এতক্ষণে পয়েন্টে এসেচে। ধরে খেলিস কিন্তু। সবে সকাল হয়েছে এখানে।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৭386023
  • না না বর্গার পরেও শ্রেণীটা আছে, স্বত্ত্বভোগটা গ্যাচে। ফলে একটা আক্ষেপ থাকেই।
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৪386022
  • শুধু বেঙ্গল ডিভাইডেড কেন, শরৎচন্দ্রেও ধরা আছে। কিন্তু তার পরে বহু জল গড়িয়েছে। দেশভাগ হয়েছে। তেভাগা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যেটা, বর্গা হয়েছে। সেও চল্লিশ বছর হতে চল্ল। বেঙ্গল ডিভাইডেডে যে স্বত্বভোগী ভদ্রলোক শ্রেণীটার কথা বলা হয়েছে, অপারেশন বর্গার পরে তার আর অস্তিত্ব নেই। বাংলাদেশে অনেক আগেই গেছে, সম্পন্ন হিন্দু স্বত্ত্বভোগীরা ভিটেমাতি হারিয়েছেন ৪৭ সালে। ফলে এখনোঅ কাস্ট রিলেশন আগের মতো থাকা সম্ভব নয়।

    দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়্রা অবশ্য দেখিয়েছেন, বর্গার পরেও জমির কেন্দ্রীভবন চলছে। কিন্তু সেটা ঠিক ওই স্বত্বভোগীদের পুনরুত্থান নয়। নব্য একটা হাফ জোতদার শ্রেণী। এদের সঙ্গে জাতের কোনো সহজ সমীকরণ নেই।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৩386021
  • অথচ রাজশাহী, নদিয়ার জমিদারগণ সকলেই ব্রাহ্মণ। ওদিককার চোদ্দজনের মধ্যে আটজন সম্ভবতঃ। মালদাতেও তাই। বিখ্যাত হচ্চেন চাঁচলের জমিদার। মুঘল আমলের শেষদিকে এঁরা প্রত্যেকেই নানান কায়দায় জমি বাগিয়েছেন, জমিদারী বাগিয়েছেন, কখনো বাদশাহের শিল জাল করার বিনিময়েও। আর জমি যা বাগিয়েছেন একেকজন তার নমুনাও সাংঘাতিক। বর্ধমান জমিদারের (ইনি অবশ্য ব্রাহ্মণ নন, ক্ষত্রি) আন্ডারে এই সেদিনকার বর্ধমান ডিস্ট্রিক্টের বেশী জায়গা ছিল।

    যদিও আমরা কমিকস বই অনুযায়ী অল্ট ইতিহাসই পড়ব। ঃ)
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩১386019
  • ঈশান কে বড় হাতের 'ক'। একমত। এরা কোনো বড় মাপের নেতা নন বা হবার যোগ্যতা ও নেই।
  • আরেবাবা | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩১386020
  • পরশু সব অনাসিষ্টিকে কমুনিস্টি বলা হত, কাল সাম্রাজ্যবাদ, আজ ব্রাহ্মণ্যবাদ, কাল ফ্যাসিজম, পরশু পুরুষতন্ত্র, তরশু নরহরি দাস। ভদ্রলোকের এক কথা। বদামির একটা নাম চাই তো, নাকি ?
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৮386018
  • মনোরঞ্জন ব্যাপারীর ইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন পড়লে কিন্তু মনে হয় বাংলায়ও ছবিটা বেশ বাজেই। মানে গোবলয়ের মত না হোক, আমাদের যা মনে হয় উপর উপর, তার চেয়ে বেশ বেশি বাজে। বিশেষতঃ দেশভাগের সময় যা হয়েছে, সেখানে ওঁর লেখা অনুযায়ী উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের ট্রিটমেন্টে আকাশ পাতাল তফাত হয়েছে। প্রায় সবাইকেই প্রচুত যন্ত্রণা, যুদ্ধের মধ্যে যেতে হয়েছে ধরে নিয়েও।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৭386016
  • বাংলায় ভদ্রলোক ছোটোলোক ভাগাভাগি তো স্বাধীনতার আগে থেকেই। ব্রিটিশদের কমিউনাল অ্যাওয়ার্ড এবং পুনা প্যাক্টের অভিঘাত শিক্ষিত বাঙ্গালী সমাজে কিরকম হয়েছিল সেতো 'বেঙ্গল ডিভাইডেড' এ ধরা আছে। নীচুজাত, আনটাচেবলস দের অস্তিত্বই এঁরা মানতেই চাননি, যদিও সেইসময়কার ব্রিটিশ সেনসাস অন্য কথা বলছে।

    বাঙালী উঁচু জাত বা ব্রাহ্মণদের পোট্রেয়ালটা ঐ উপেন্দ্রকিশোরের গল্পের মতন খানিক। খাঁচায় বাঘ বসেছিল আর দুঃখী ব্রাহ্মণ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, আর তারপর যা হইল তা শ্যামলাল জানে। এক অসামান্য মোটা দাগের রূপকথা। গরীব, পন্ডিত মানুষ, সামান্য টিকি, পুজো আচ্চা করেন, একটু নিদান বা জলপড়া দ্যান। এটুকুই। বাকী যা অত্যাচার ওসব ডিমনিক জমিদারসকল করে গ্যাচে।
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৭386017
  • পুড়িয়ে মারলে ভালো হত, এটা সম্ভবত কমেন্ট নয়। "ছোটোলোকেদের মাথায় তুলেছে" এটা কমেন্ট।

    এসেম, এই জাতপাতের রাজনীতিটাই মনুবাদী রাজনীতি। এই ১৯৮০-৯০ এও জাতের অজুহাতে রনবীর সেনা বিহার নাগাড়ে মানুষ মেরেছে। সবই নিচু জাতের।
  • Ishan | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৪386015
  • সেসব ঠিকই আছে। মানে ঠিক নেই, কিন্তু রিয়েলিটি। আমার সমস্যাটা হয় জিগ্নেশ, এমনকি কানহাইয়া কুমারকে নিয়ে লাফালাফি হতে দেখলে। এরা বেশ ভালো কথা বলে, কিন্তু সে তো গোটা দুনিয়ায় অনেকেই বলে। রাজনীতিগতভাবে এদের অবদান খুব কম। কানহাইয়া কুমার তো কেবল একটা ইউনিভার্সিটির চাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই করেননি। জিগ্নেশ কংগ্রেস ইত্যাদিদের সমর্থনে বিধানসভা সিট জিতেছেন। এর বেশি কিচু না। কিন্তু এদের উত্থানের একটা রাজনীতি আচে। সেটা হল 'সর্বভারতীয়'তা। কানহাইয়া জে-এন-ইউ এলিট। আর জিগ্নেশ গুজরাতি হোন আর যাই হোন, হাবে-ভাবে পুরো হিন্দিভাষী। প্রচন্ড প্রেজেন্টেবল। এই সর্বভারতীয়তা প্রজেকশনের একটা বিপদ আছে। এঁরা হিন্দি বলয়ের দলিত দের নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে একটা স্টেটমেন্ট দেবেন, আর আম্রাও, ইহাই সঠিক রাজনীতি বলে উদ্বাহু হব। কপিল পাতিল, সাগর ভালেরাও, এঁদের নিয়ে হইচই হলে এই বিপদ নেই। এমনকি মায়াবতী বা লালুকে নিয়েও ছিলনা। এঁরা একেকটা অঞ্চলকে তার মতো করে প্রতিনিধিত্ব করতেন। কিন্তু এই এই নতুন প্রজন্মের প্রোজেক্টেড নেতারা তা নন। এঁরা সর্বভারতীয়, বিপজ্জনকভাবেই সর্বভারতীয়।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৩386014
  • ঈশান, আমি তো ঐ ট্যাগিং টার জন্যই এতো কথা বললাম।
    মালিকের সঙ্গে শ্রমিকের লড়াই মধ্যে ব্রাহ্মন্যবাদ ট্যাগিং টা আসে কোত্থেকে?
    সরকারী ভ্রস্টাচারের বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের লড়াই। ব্রাহ্মন্যবাদ বলে দেবো?
    সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই; ব্রাহ্মন্যবাদ হেঁকে দেবো?
    সব পা কে এক জুতো তে ফিট করিয়ে দেব?
    এগুলো কেই বলে বদামি। বাম দল বা পবর কোন রাজনৈতিক দল কিন্তু এসব বদমায়েশি করেনি। গো বলয়ে যেকোনো বড় ইস্যু কেই এমনি জাত পাতের ট্যাগিং দেওয়ার রীতি বহু পুরনো।
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২২386013
  • পুড়িয়ে মারতে পারলে ভাল হত - এমন এক্সট্রিম কমেন্ট পঃ বঙ্গে শোনা যেত !!!
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০৯386012
  • * বাংলায় পুড়িয়ে মারে না কিন্তু মারতে পারলে ভাল হত এই সিপিএম এসে যে ছোটলোকদের মাথায় তুলেছিল সেই থেকে এদের বড্ড বাড় --- ইত্যাদি আমি পশ্চিমবঙ্গের ব্রাহ্মণ কায়স্থ বদ্যিদের মুখে শুনেছি তো।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০৭386011
  • গোবলয়ের জাতপাত রিলেটেড ব্যপার একেবারে বাংলায়ও একরকম এটা আবার কে বলল? অমিত যেটা বলছিলেন বাংআলীরা নিজেদের সম্পর্কে যে উচ্চ ইমেজটি প্রোজেক্ট করে সেটির অনেকখানিই ভন্ডামী। এই বক্তব্যটার সাথে আমি ভীহণভাবে একমত। বাংলায় পুড়িয়ে মারে না কিন্তু মারতে পারলে ভাল হত এমন কথা আমি এই সিপিএম এসে যে চোটলোকদের মাথায় তুলেছিল সেই থেকে এদের বড্ড বাড় --- ইত্যাদি আমি পশ্চিমবঙ্গের ব্রাহ্মণ কায়স্থ বদ্যিদের মুখে শুনেছি তো।

    গোসন্তান আর বাঙালিদের ব্রাহ্মণ্যবাদে সাবস্ক্রিপশানের ধরণ এবং প্রকাশ আলাদা। মাত্রার তারতম্য প্রচুর এইটে কেউ অস্বীকার করছে না তো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত