এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৪৭386069
  • হ্যাঁ শিপ্রা মুখার্জির অনুবাদে এইবার মনোরঞ্জন ব্যাপারি অনূদিত হয়েছেন, জয়পুর লিট ফেস্টে সম্মানিত ও হওয়ার কথা। যদিও নামটা, নিয়ে কিন্তু কিন্তু আছে, 'ইন্টেরোগেটিং' শব্দ টা আমার পসন্দ হয় নি।

    প্রসঙ্গত, মনোরঞ্জন ব্যাপারি র মূল বক্তব্য গুলোর টা এই যে, রিফিউজি রিকনসিলিয়েশন রাইট্স কনসোলিডেশন মুভমেন্ট গুলো র উচ্চবর্ণ বায়াস ছিল, তাই কলকাতার বা আশেপাশের সেটলমেন্ট মূলতঃ উচ্চবর্ণদের, দন্ডকারণ্য বা জেলা গুলির সেটলমেন্ট বা কলোনি গুলির অনেকটা নিম্নবর্ণের।

    এই তত্ত্ব টা আমার এক্সপেরিয়েন্সে সমর্থন যোগ্য। বীরভূমের বাঙালপাড়া গুলি আমি যা দেখেছি, সেটা উচ্চবর্ণের লোকের না। এবং ঘটনাচক্রে এস এন মুখার্জির কলকাতা শহর যখন গড়ে উঠছে, তখনকার কাস্ট ক্যাটিগোরি অনুযায়ী পাড়া গড়ে ওঠার প্যাটার্ন এর সঙ্গেও এর ফলাফলের দিক থেকে খানিকটা মিল রয়েছে।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৪৭386070
  • হ্যাঁ শিপ্রা মুখার্জির অনুবাদে এইবার মনোরঞ্জন ব্যাপারি অনূদিত হয়েছেন, জয়পুর লিট ফেস্টে সম্মানিত ও হওয়ার কথা। যদিও নামটা, নিয়ে কিন্তু কিন্তু আছে, 'ইন্টেরোগেটিং' শব্দ টা আমার পসন্দ হয় নি।

    প্রসঙ্গত, মনোরঞ্জন ব্যাপারি র মূল বক্তব্য গুলোর টা এই যে, রিফিউজি রিকনসিলিয়েশন রাইট্স কনসোলিডেশন মুভমেন্ট গুলো র উচ্চবর্ণ বায়াস ছিল, তাই কলকাতার বা আশেপাশের সেটলমেন্ট মূলতঃ উচ্চবর্ণদের, দন্ডকারণ্য বা জেলা গুলির সেটলমেন্ট বা কলোনি গুলির অনেকটা নিম্নবর্ণের।

    এই তত্ত্ব টা আমার এক্সপেরিয়েন্সে সমর্থন যোগ্য। বীরভূমের বাঙালপাড়া গুলি আমি যা দেখেছি, সেটা উচ্চবর্ণের লোকের না। এবং ঘটনাচক্রে এস এন মুখার্জির কলকাতা শহর যখন গড়ে উঠছে, তখনকার কাস্ট ক্যাটিগোরি অনুযায়ী পাড়া গড়ে ওঠার প্যাটার্ন এর সঙ্গেও এর ফলাফলের দিক থেকে খানিকটা মিল রয়েছে।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩৩386068
  • লোকজন কেন ফ্যাক্ট্স এ সময় দিচ্ছে জানি না, কারণ, আগে বলে কোন একটা সময়ে, ব্রাহ্মণ রা পড়াশুনো করতেন, আর আরো আগে বলে কোন একটা সময়ে তাঁরা বিভূতিভূষণের চরিত্র হয়ে যন। বাকি সব ই অমর চিত্র কথা, পরিশ্রম কইরা কোন লাভ নেই ঃ-)))
  • রোবু | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩২386067
  • সরি, ইটা দুমাসের পুরোনো খবর।
  • aranya | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২৭386065
  • মধ্যাহ্ন খুবই প্রিয় বই।

    জাত-বর্ণ নিয়ে অ-এর পোস্ট-টা (Date:05 Jan 2018 -- 12:02 PM) ভাল লাগল
  • de | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১৯386064
  • ইন্টারেস্টিংলি - মাহার দলিতরা প্রায় সবাই বৌদ্ধ - এবং তাদের মুসলিম বিদ্বেষও আছে - এদের জিজ্ঞেস করলে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর পক্ষে রায় দেন - কাশ্মীরে সেনার দাপট সমর্থন করেন - এইসব -
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১৬386062
  • পূর্ববাংলায় হিন্দু মুসলমান উঁচ নিচু বর্ণ বেশ সুন্দর ধরা পড়েছিল মধ্যাহ্ন তে। ওটার পিডিএফ পাওয়া যাবে মনে হয়। পার্টিশন কতটা এসেছিল মনে নেই ভাল। বহু আগে পড়া।
  • lcm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১০386061
  • ইতিহাস - -

    গুপ্ত সাম্রাজ্য (৩০০-৬০০) - গুপ্ত-রা জাতে ছিল বানিয়া - কিন্তু ওদের রাজত্বে মোটামুটি সহিষ্ণুতা ছিল - হিন্দুদের পাশাপাশি বৌদ্ধ আর জৈন-রা সহব্স্থান করে।

    শশাংক (৫৯০-৬২৫)- গৌড় তথা বঙ্গ - ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা - শশাংক অনেক বৌদ্ধ স্তূপ ভেঙ্গে দিয়েছিল বলে শোনা যায়।

    শশাংকের মৃত্যুর পর তো কিছুদিন সেই মাৎস্যন্যায় - টোট্যাল ক্যাওস। ব্রাহ্মণ্যবাদের দুঃশাসন চরমে ওঠে।

    পাল (৭০০-১১০০) - বৌদ্ধ পাল-দের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো উদার। ব্রাহ্মণ্যবাদ একটু কন্ট্রোলে।

    সেন (১১০০-১২৩০) - এর পরে ব্রাহ্মণ্যবাদী সেনদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো অনুদার ও সঙ্কীর্ণ। আবার ব্রাহ্মণ্যবাদের দুঃশাসন চরমে।

    এর পরে মুঘল সাম্রাজ্য।

    ১৫০০ সাল নাগাদ চৈতন্যদেব - ব্রাহ্মণ্যবাদে তিতবিরক্ত জনতার এক অংশ যোগ দিলেন বৈষ্ণব দলে।

    ১৬০০-১৭০০ --- ব্রাহ্মণ্যবাদ জাঁকিয়ে বসল।

    ১৮০০--- ব্রিটিশ শাসক, রামমোহন-রেনেশাঁস-ব্রাহ্ম-বিদ্যাসাগর... ....

    ওঠানামা হয়েছে।
  • S | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০৯386060
  • আমাকে এক বাংলাদেশি জিগিয়েছিলো যে পবে মুসলিমদের যদি এতই ভালো অবস্থা হয় তাইলে টলিউডের সিনেমায় তারা নেই কেন? আর বলিউডে তারা এতো সংখ্যায় কেন?

    পরে দেখেছিলাম যে বাংলা শিল্প সংস্কৃতির জগতে বেশিরভাগই উচ্চবর্ণের লোকজন। কেন? লেগাসি প্রবলেম?
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০৬386059
  • হে হে, সেদিন সেই অখন্ডটিকে ম্যানেজ কত্তে পেরেছিলে? কাঁধ ব্যথা হয়নি তো।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০৪386058
  • পার্টিশনের বেদনা নিয়ে মিহির সেনগুপ্তের - বিষাদবৃক্ষ রেফার করে রাখলাম।

    রবিশঙ্কর বলের দোজখনামাতেও কিঞ্চিত আছে। তবে তা উপন্যাস। বিষাদবৃক্ষ স্মৃতিচারণ ভিত্তিক।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০৩386057
  • এই অখন্ডগুলো এমন গামাভারী হয়!! 'সেই সময়' কি সুন্দর দুটো খন্ড ছিল। এখন কিনতে গিয়ে দেখি একটা বিকট মোটা ধুমসো বই বের করেছে, আধঘন্টা ধরে রাখলেই হাত ব্যথা করে।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০২386056
  • দেশের নানা আনাচকানাচ পায়ে হেঁটে, বাসে চড়ে ঘুরে এইটা আজকাল মনে হয় যে বর্ণ আর জাত এইদুটোর আলাদা উৎপত্তি।
    বর্ণ power structureএর সাথে জড়িত এবং বেশ খানিকটা পরে আসা। অন্যটা ছিলো। তাতে ভিন্নতা নিয়েও একটা সহাবস্থান হয়। এবং নানা দিকে যাওয়াও চলে।
    বাংলা,অসম, ঈশান দেশ এবং দক্ষিণদেশের প্রান্ত - অর্থাৎ কিনা উত্তর-পশ্চিম মুলুক থেকে সবচেয়ে দূরে থাকা অঞ্চল তাই বহুদিন বর্ণপ্রথার নিগড়িত অচলায়তন থেকে দূরে ছিলো।
    সহজিয়া স্রোত তো ছিলোই এবং পূবের দেশ অন্ত্যত পেয়েছে ইসলামকেও। গুজরাত আরব আর তাজ্জিকদের পেলেও তারা মিশতেন না বাকিদের সাথে।সাথে। বাংলায় ইসলামের কৌম বোধ + সহজিয়া জনজীবন + ভক্তি স্রোতের একটা বিশেষদিক আছে। শেষেরটা অন্য জায়গার ভক্তি স্রোতের চেয়ে ভিন্ন।
    এখানের শঙ্করদেব বা চৈতন্য উচ্চ বর্ণের মানুষ যারা একদা অধ্যাপনা করে এক্সিলেন্সি দেখিয়ে এসেছেন। নামদেব,তুকারাম,কবীরের সামাজিক এলিটিজম ছিলোনা। তন্ত্রের জনমুখী দেহমার্গের সাধন প্রভাব তো আছেই।
    তারও পরে বাংলা কিছু বিশেষ ফেভার পেয়েছে সময়ের। আঞ্চলিক ভাষার প্রথম প্রেস এখানে। আয়ার্ল্যান্ডের মানুষদের পাশে পাওয়াটাও বড় কথা। এই আয়ার্ল্যান্ড একটা বিশেষ অভিঘাত।
    তাছাড়াও চিরস্থায়ীর পরে নব্য বুর্জোয়া এলিটত্বের দ্বার উচ্চবর্ণ থেকে অন্য বর্ণের জন্যেও ছিলো খোলা।
    সেসব হাওয়ায় দাঁড়িয়ে তাই ন্যাশানালিজম আসলেও এসেছে তার গঠনমূলক অভিব্যক্তিটাই যাকে পার্থ বাবু ইনার ন্যাশানালিজিম বলছেন।
    তাই নবগোপাল মিত্রের মেলা, অবন বাবুদের ইন্ডিয়া স্কুল ইত্যাদির ঝোঁক স্বদেশীয়ানার দিকে ঢলে রাষ্ট্রবাদের চেয়ে বেশী।
    রামকৃষ্ণ মিশন, রামকৃষ্ণ আন্দোলনেও এসবের চিহ্ন বহমান। বিবেকানন্দের নানা অন্ধকার জিনিসের আপাত সমর্থন যে নেহাত ঝাপসা এক স্বদেশীয়ানা, যা বর্ণপ্রথা নয় বরং ইউরোপের মুখে স্বদেশের গরিমাকীর্তনমাত্র তা নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। অত:পরের ডন পত্রিকা, ব্রহ্মবান্ধবের সন্ধ্যা, সশস্ত্র ১৯১০এর যুগও সমসাময়িক গদর যুগের চেয়ে ভিন্ন। এবং ১৯১৭-২০র পরে যে পলিটিকাল বামপন্থা এলো তা গ্রহণের জন্যে পূবের জমিই ছিলো ঐতিহাসিক ভাবে সবচেয়ে প্রস্তুত।
    কাজেই পলিটিকাল বামপন্থার জন্যেই বাঙালির বেশ কিছু ব্যাপারে মন খোলা - এইটা আমি উলটো দিক থেকে দেখতে পছন্দ করি।
    দক্ষিণ তাহলে আজ আলাদা ক্যানো? বেশ খানিকটা কাছাকাছি থাকা উচিত ছিলো তো। খেয়াল করলে ডিএমকের গোড়ার কথা, পরে কেরলের নাম্বুদ্রীপাদের আমল ইত্যাদি মনে করায় যে আলোড়ন ওখানেও চলেছে। তবে জাতির ওপরে বর্ণের প্রলেপ ওখানে এতোই বেশী যে জাতিগুলো ক্যামন ঘুমন্ত মতন। বাচ্চাদের মতন চকচকে খেলনা, সিনেমা, প্রযুক্তি নিয়েই চুপচাপ। দ্বন্ধহীন, নিস্তরঙ্গ। তবে অবশ্যই উত্তরের মতন হিংস্রতা নেই। একটা গ্রাম্য সারল্য আছে।
    খেয়াল করা দরকার আরও একটা জিনিসও। বর্ণপ্রথার আর্কেটাইপের সাথে যা যা জড়িয়ে আছে তার এক বড় অংশ হোলো ব্রহ্মসূত্র। যতগুলো মহৎভাষ্য এর হয়েছে সব করেছেন দক্ষিণীরাই। সমসাময়িক সময়ে সবাই তখন উঠেপড়ে লেগেছিলেন এর ভাষ্য করে যেতে। নিজেদের উত্তরভারতের সেই আদি ব্রহ্মবর্তের বাসিন্দা বানাতে। চৈতন্যের পাণ্ডিত্য ছিলো এর ভাষ্য লেখার। লেখানোরও। উনি করেননি। সহজিয়া ধারার আদলকেই ধারণ করেছিলেন, করিয়েছিলেন। রাধা এবার কানুর সাথে মিলে নতুন হিল্লোল তুলে দিলো জনমানসে।
    অনেক পরে বিবেকানন্দ যখন ইউরোপের প্রতিস্পর্ধী মিশন বানাচ্ছেন তিনিও অদ্বৈতমঠটা রেখে আসছেন কুমায়ুনে এবং ভবানীকে, গীতাকে আরাধনা করা বিপ্লবীদের একাংশ হয়ে পড়ছেন পলিটিকাল বামপন্থী। নরেন্দ্রনাথ দত্ত থেকে মানবেন্দ্রনাথ রায়রাও এই জার্নির কিছু বিশেষ লক্ষণ।
    রাহুল কিম্বা আম্বেদকরদের কিন্তু বৌদ্ধ হয়ে যেতে হয়। নিজ সমাজে দ্বন্ধ নিয়ে চলতেই পারেননি। সেই স্পেশ ওই সমাজে ঐতিহাসিকভাবেই গড়ে ওঠেনি।
    তাই ঈশানদার একটা কথা বিশেষ ভাবে সমর্থন করে চলতেই হয়। জোর করে সবার ভারতীয়ত্ব ফুটিয়ে তোলার স্রোতে গা না ভাসালেও চলবে। ভুগোলের সাথেসাথে সবার ঐতিহাসিকতাটাও আলাদা। কলোনী-উত্তর যুগে সে প্রয়োজন নেই।
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৫৫386055
  • চণ্ডালজীবনটা এবার বইমেলায় গেলে কিনে নেব।
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৫৪386054
  • হুঁ - বাঙালনামাটা আমারই স্ক্যান করা। ল্যাপটপের সাথে অরিজিনালটা চুরি গেছে। অন্য জায়গা থেকে অন্যের ওয়াটারমার্ক করা আমারই কপি নামাতে হয়েছিল।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৫১386053
  • না ইতিবৃত্তে চন্ডালজীবনের সফটকপি এখনও পর্যন্ত নেই। আর এই বইমেলায় দুটো একসাথে করে অখন্ড বের করছে (এইটা যে কেন করে এরা!!)
    একটা ইংরাজী অনুবাদও বেরোচ্ছে শীগগিরই, সেইটে বেরোলে নির্ঘাৎ সফট কপি পাওয়া যাবে।
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৪৭386052
  • এইরে সেতো জানিনা। এমনি বই দুটোও বেশ মোটা।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৪৬386051
  • বাঙালনামাটা তো সিকির বানানো সফট কপিটাই দুনিয়ার সাইটে আপলোডেদ থাকে দেখি :-)

    আমি তো মোবি বা ইপাব পড়ি, হয় আমাজন থেকে কিনি নয়ত কিঞ্চিৎ দস্যুগিরি করে সংগ্রহ করি। উর্বশী বুটালিয়ার 'দ্য আদার সাইড অব সাইলেন্স' পড়ে দেখতে পারেন। পাঞ্জাবের দিক, বিশেষ করে মেয়েদের দিক থেকে এমন কিছু তথ্য উনি সংগ্রহ করেছেন যা রীতিমত পরিশ্রমসাধ্য ভাল কাজ।
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৪৫386050
  • পিডিএফ পাওয়া যাবে ? আমার হার্ড কপি পাওয়া মুশকিল একটু।
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৪২386049
  • ইতিব্রৃত্তে চণ্ডাল জীবনও পড়ুন।
  • amit | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৯386048
  • পার্টিশন সংক্রান্ত বই-লেখাপত্তর- এর কালেকশন একটা দারুন আইডিয়া। ভালো কোনো বই এর পিডিএফ কপি পেলে ও একটু লিংক দিয়ে দেন না। বড়ো সুবিধা হয়।

    বাংলার পার্টিশন নিয়ে বেশ রিসেন্টলি তপন রায় চৌধুরী এর দুটো পিডিএফ বই পড়লুম,"বাঙালনামা" আর "রোমন্থন "। ঠিক ডকুমেন্টারী নয়, বিয়োগ্রাফি। কিন্তু পার্টিশন এর টাইম এ কলকাতা আর বাংলাদেশ ওনাদের জায়গার এর পটভূমি একটু ধরা আছে। কারোর লাগলে বলবেন, লিংক দিয়ে দেব।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৭386047
  • ইমেলে লিংক শেয়ার করবো।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৬386046
  • হ্যাঁ হ্যাঁ অজ্জিত কর এটা। পাবলিক অ্যাক্সেস এক্ষুণি দিও না। তোমাকে পাঠানো বই ছাড়াও আমার কাছে আরো দুইখান আছে সলিড বই। কিন্তু হার্ডকপিগুলো যেমন শঙ্কর ঘোষের 'হস্তান্তর' এগুলোও তুলতে পারলে হত।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৫386045
  • *এক*
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩২386043
  • ঠিক আছে। বাড়ি পৌঁছে বানিয়ে শেয়ার করছি।

    হালার প্লেন এখনই ওক ঘন্টা লেট। সকাল থেকে একটা প্লেনও ওড়েনি। কুয়াশায় কিস্যু দেখা যাচ্ছে না।
  • de | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩২386044
  • এটা খুব ভালো এফর্ট হবে - শ্যার কইরেন কিন্তু!
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৩০386042
  • হ্যাঁ হ্যাঁ, হোক হোক।
  • de | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:২৮386041
  • বাংলায় জাতপাতের ভেদাভেদের প্রকাশ গোবলয়ের মতো অতো উচ্চকিত নয়, কিন্তু তলে তলে সবই আছে - হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ তো আছেই, হিন্দুদেরই ব্রাহ্মণ-কায়স্থরা বাকি অন্য জাতেদের যথেষ্ট ছোট করে দেখেন - ইভন প্রেম করার সময়েও ৯৫% বামুনরা জাত দেখে প্রেমে পরে। ব্রাহ্মণ্যবাদ নেই বল্লে হবে?

    গোবলয়ের রাজনীতিকে কাউন্টার করতে গেলে জিগ্নেশ-কানহাইয়ার মতো নেতা চাই তো, বাঙালীদের থোড়ি এরা নেতা বলে মানবে? এরা দুজনেই নাস্তিক বলেন নিজেদের, সেটাও আমার আশাপ্রদ বলে মনে হয়। এই কাল্টের নেতা আরো চাই!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত