এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:২২386100
  • আরে একটু নেট সার্চ করেন না। ওটা উইকি র তথ্য নয়। এমন কি আপনার মতন সমাজ তত্ব বিদের ও নয়।নেট কেও অগ্রাহ্য করতে পারেন। সে ধৃষ্টতা আপনার আছে।আমাদের পাড়ায় একজন এরকম দাঁড়িওওয়ালা পণ্ডিত আছে।রবি বাবুর ও দাঁড়ি ছিল অবিশ্যি
  • de | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৯386099
  • :)))
  • b | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫১386098
  • ন হন্যুতে বলে একটা বই লিখবো।
  • San | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫০386097
  • হানুদা, আমিতো তারপর আর কোলকাতা যাইনি। নানাকারণে বারবার পিছিয়েই যাচ্ছে :( গেলে অবশ্যই দেখা করব।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪৪386096
  • বাবা হনু, তোমায় কি সেই টেনিদার মত কিছুতে আঁচরেছে? (রেফঃ চারমূর্তির অভিযান)
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪১386095
  • ট্র্যাডিশনাল পেশার তত্ত্ব দেবেন, আবার বলবেন পেশা চয়েস মাত্র, কোনো সোশাল এক্সক্লুশনের ফল নয়, এই অসলংগনতার মানে কি?

    কাস্ট নিয়ে কার কার কাজ কি কি কারণে পড়েছেন বা রিজেক্ট করেছেন যদি বলেন, তার পরে বাকি কথা। উইকি ছাড়াও তো লেখা পড়া রিসোর্স মেটেরিয়াল এর জগত আছে, তো দেখা যাক সেটার ভিত্তি আপনার কতটা শক্তপোক্ত?
  • avi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:২৩386094
  • দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩/৩ ছিল, এখন অনেকটাই গুছিয়ে নিয়েছে। তাও এইমাত্র কোহলির হাতে একটা ক্যাচ গেল না।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:২০386093
  • আচ্ছা হানু, এরকম অসংলগ্ন পর পর পোস্ট করার মানে কি?
    আপনি বললেন, আপনার ধারণা অধ্যাপক এর পোস্টে বেশি নিন্মবর্নের লোক নেই। তার থেকে নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত টেনে নিলেন। মানে ওই হল গিয়ে ব্রাহ্ম ন রা কি বেশি বুদ্ধিমান,এই রকম? এতো চায়ের দোকানের তর্ক হচ্ছে।
    উচ্চ বর্ণের লোক বেশি থাকতেই পারে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণ এর সংখ্যাধিক্য থাকতেই পারে।
    এর উত্তর তো দেওয়া ই হোলো, যে যে রকম প্রফেশন বেছে নিয়েছে। যেমন ব্যবসাতে ব্রাহ্ম ন দের প্রেসেন্স কম। কেনো ? টপ টেন কোম্পানির মালিক কারা?
    এর উত্তর আপনার কাছে আছে?ব্যবসায় কি লাভ কম?
    প্যাটেল দের মধ্যে কজন ব্যবসায়ী আছে?
    পব তে সাহা শুঁড়ি এর কি বর্ণের?
    এসব ফালতু কথা বা প্রশ্নের কোন মানে হয়? নিজেই জানেন ভাট বকছেন।
    আমি শিওর অনেকের মতো আপনার ও ভুল ধারণা ছিল স্ক্যাভেঞ্জিং জব খালি দলিত রাই করে। ভুল ভাঙ্গানোর জন্য কতজন ব্রাহ্মন একাজ করে সেটা দিলাম। যদি ভুল ভাঙ্গে আশা করবো সেই ভুল স্বীকার করবেন।
    না করলেও অসুবিধে নেই।
    জিগ নেশ কি করছে সে নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। কিন্তু ভুল ভাল টার্মিনোলোজি ইউজ করলে বলতে পারবো না?কি মুশকিল!
  • জয় | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:১০386091
  • সংকোচে।
  • b | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:১০386092
  • সাউথ আফ্রিকা ৪৭/৩।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৫৬386090
  • প্রখ্যাত সমাজতত্ত্ববিদ উইকির লেখা সত্যি ই বেশি পড়া হয় নি। তবে প্রফেসর উইকির বাইরে সমাজবিজ্ঞানের, ইতিহাসের বই পত্তরের রেফারেন্স দিতে শিখলে তার পরে বাকি কথা বলাই ভালো।

    বর্ণপ্রথা, মনুর টেক্স্ট নিয়ে কারো বক্তব্য যদি হয়, পেশা বাছা টা কাস্টের নিজের ব্যাপার, তাহলে মেথরের ছেলে কেন মেথর হয় সেটা খুব পরিষ্কার হয় না, যদি না সেটাকে 'স্বাভাবিক' ধরে নি। বামুনের ছেলের এনটাইটেলমেন্ট এর মত।

    এমনকি পুলিশে চাগরি করা উচ্চবর্ণ ক্ষত্রিয়, যুদ্ধ করার জন্য ম্যাথর পেটানো কেই সম্মানের কাজ বলে মনে করবে কেন সেটা ও পরিষ্কার না। পেশার এই জন্ম জন্মান্তরের চয়েস হঠাৎ কার অভিশাপে জাত ঘৃণায় পরিণত হল, সেটাও পরিষ্কার হচ্ছে না।

    যখন যেরকম পরিস্থিতি, তখন সেরকম নেতা এমার্জ করবে। ১৯৮৯ তে আদবানী কে ঠ্যাকানোর জন্য লালু মুলায়ম যথেষ্ট ছিলেন, পরে তাঁদের ঠ্যাকানোর জন্য উচ্চবর্ণের সঙ্গে অ্যালায়েন্স করে পাসোয়ান বা মায়াবতী রা উঠে এসেছেন। গুজরাটে, প্রচুর মডেল উন্নয়ন করেও সামাজিক নিরাপত্তার বা সম্মানের ক্রাইসিস আছে বলেই, অল্পেশ, হার্দিক এবং জিগনেশ মেহওয়ানি রা উঠে এসেছেন, আমাদের দেশের রিজিওনাল নানা বৈশিষ্ট আছে, তাই মহারাষ্ট্রে গুজরাটে জিগনেশ/উমর পপুলার হলেও, হয়তো বিহারে বা ইউ পি র মানুষের ভাষায় কানহাইয়া বলতে পারবেন।

    স্বয়ং আম্বেদকর কমিউনিস্ট বিরোধী ছিলেন, মার্ক্সবাদী দের বিশ্বাস করতে পারেন নি, কংগ্রেস সোশালিস্ট রা, লোহিয়া বা জয়প্রকাশ নারায়ন রা, পরে যোগেন্দ্র যাদব, অরুন্ধুতি রায় রা নানা ভাবে ভারতীয় বামপন্থী আন্দোলনের ভারতের জাতপাতের সমস্যা কে অ্যাড্রেস করতে না পারার অক্ষমতার তীব্র সমালোচনা করেছেন, তো দেখা যাচ্ছে, কারো মহানুভবত্ত্বে না, নেহাত ই পরিস্থিতির ফলে, হার্দিক প্যাটেল ইলেকশনের পরে স্টেটমেন্ট দিচ্ছে, মুসলমান দলিত, উন্নয়য়নে যাঁরা অংশগ্রহন করতে পারছে না, তাদের নিয়ে চলতে হবে, যেটা সে যখন প্রথম নেতা হয় একথা বলে নি। কংগ্রেস কোন মহানুভবতার কারণে না, নতুন পরিস্থিতিতে নতুন অ্যালাইনমেন্ট গড়ার জন্য জেতা সিট জিগনেশ কে ছেড়ে দিচ্ছে, অল্পেশ ঠাকুর হয়তো আহমেদ প্যাটেল এর থেকেও এই মুহুর্তে গুজরাট কংগ্রেসে শক্তিশালি, দেখা যাচ্ছে, মোদীর কংগ্রেস শুন্য ভারতের, একছাত্র আধিপত্যের রাজনীতিকে বুড়ো হাবড়া বামপন্থী বা সেকেলে জাত নিয়ে পলিটিক্স করা প্রতিষ্ঠিত নেতাদের থেকে, চকরিতে কোটার ইসু র থেকেও, সামাজিক সম্মানে র ইসুটা, স্ক্যাভেঞ্জিং জবের ইসুটা, দলিত দের উপরে ভায়োলেন্স এর ইসুটা এই নতুন নেতারা বেশি অ্যাড্রেস করতে পারছে। তো ট্র্যাডিশনাল বাম বিরোধীরা, এই অল্পবয়সী দের রাজনীতিতে বামপন্থী দের সঙ্গে দলিত আন্দোলন কারী দের একটা অ্যালায়েন্স দেখে খুব ব্রাহমন্য বাদী অবস্থান থেকেই, হথাৎঅ করে বর্ণ বুঝতে না পারা পুরোনো বামপন্থী দের সঙ্গে হা কৃষ্ণ ধ্বনী সহযোগে একাত্ম বোধ করতে দেখা যাচ্ছে, এতে অবাক হওয়ার মত কিসু নাই। এত ঘাবড়ানোর কিসু হয় নি, ভারতীয় রাজনীতিতে উচ্চবর্ণ রা সত্যি ই দুর্দান্ত শক্তি শালী, তার উপরে অনেকের এক্সক্লুশন নিশ্চিত করা 'মেরিটোক্রাটিক' উচ্চবর্ণ মধ্যবিত্ত্বের অ্যাসপিরেশন কে সকলেই দেখা শুনো করবেন, দলিত রা এখন ই ক্ষমতায় আসছেন না, অনেক পথ যেতে হবে, অ্যালায়েন্স ও না না ধরণের আগেও হয়েছে এখনো হবে, তবে এক্সক্লুসিভ প্রিভিলেজ ভেঙে পড়ার একটা স্পেকটার অনেকে দেখতে পাচ্ছেন, আপাতত তাদের আর্তনাদ টা এনজয় কচ্ছেন দলিতরা।
  • T | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪২386089
  • কাজে মন দিন,
    গাছে জল দিন।

    :)
  • সিকি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৩০386088
  • সসঙ্কোচে জানাই আজ, একবার মুগ্ধ হতে চাই :)
  • রিভু | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:২০386087
  • সার্চ করতে গেলে এটা দিচ্ছে “Unauthorized access to internal API. Please refer to https://support.google.com/customsearch/answer/4542055 “ আর কেউ কি দেখতে পাচ্ছেন? আর একটা প্রশ্ন, আই ফোন এ ভালো বাংলা ফোনেটিক কীবোর্ড কি আছে? অমর একুশে ইউজ করছি, কিন্তু ভালো নয়, একটা ইংরেজি শব্দের জন্যে একটাই বাংলা শব্দ দেখাচ্ছে, সেটাও অধিকাংশ সময়ে ভুল। আগে একটা সফ্টওয়ার ইউজ করতাম সেটা ছিল গুগল এর ক্লায়েন্ট, কিন্তু নতুন আই ওএস এ সেটা ইনভ্যালিড। এটার জন্যে খুঁজতে গিয়েই সার্চ এরর টা পেলাম।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:১৭386086
  • হানু,কিছু লিখতে গেলে ভেবে চিনতে লিখতে হয়। আমি তো জানতাম আপনি একটু আধটু বই পত্তর খোলেন!
    যাই হোক, আমার কলেজ লাইফে কত জন অধ্যাপক বা অধ্যাপিকা কোন কাস্টের ছিল ; আমি সত্যি জানি না।
    মনেহয় সংরক্ষিত সিটে যতজন থাকার কথা ততজন ছিলেন আর বাদবাকি কে কোন কাস্টের অনুমান করে নিন।
    দুই,কে কোন প্রফেশন নেবে, সেটা সেই কাস্টের নিজস্ব ব্যাপার। ব্রামহীন কাস্টের উইকি দেখেনিন,এরা মূলত পয়সা ও আহার সংস্থানের জন্যই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছে। মূল প্রফেশন ছিল শিক্ষকতা ও পুরোহিত। সুতরাং এ দুটিতে তাদের আধিক্য বেশি চোখে পড়াই স্বাভাবিক নয় কি?
    এছাড়া, ডাক্তারি,ইঞ্জিনিয়ারিং,রাজমিস্ত্রি, নাপিত,কুলি, মুটে,মজুর শৌচালয় কর্মী সমস্ত প্রফেশনে অল্প বিস্তর ছড়িয়ে আছেন।
    ব্যবসা তে পার্সেন্টেজ কম।চয়েস আপনা আপনা! বুদ্ধি কম বেশি নিয়ে কিছু বলা নাই। আপনি যা ইচ্ছে ধরে নিতে পারেন।
    শুনলে অবাক হবেন,দিল্লির ৬০ টি সুলভ শৌচালয় এই ব্রাম্হন রাই মেনটেইন করে। দিল্লির প্যাটেল নগরে ৫০ শতাংশ রিক্সাওয়ালা এই কাস্টের।
    ৬৫ শতাংশ লোক দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন। এছাড়া প্রাইমারি লেভেল এজুকেশন থেকে ড্রপ আউট ৪৫ শতাংশ। বছর দশেক আগের একটি রিপোর্ট।
    এছাড়াও অনেক কিছু আছে। নেট খুঁজলেই পাবেন।
    এর থেকে আপনি কি প্রতিপাদ্য পেলেন?
    আপনার বোধ হয় এই ব্রাহ্মণ্য বাদ নিয়ে কিছুটা সংশয়ে আছেন। আমি আগের অনেক পোস্টে লিখেছি, দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর লোকেরা ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈশ্য সব বর্ণের লোকজনেরই নিষ্ঠুরতার স্বীকার।সুতরাং বিহারে রণবীর সেনার বিরুদ্ধে লড়াই কে ব্রাহ্মণওবাদ বলুন আপত্তিনাই। জাতপাত ভিত্তিক যেকোনো প্রতিবাদ কেও বলতে পারেন। যদিও মনুবাদ টাই বেটার টার্মিনোলজি হবে। সে যাক গে, জিগনেশ এর কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই কে ব্রাম্হন্যবাদ বলতে নারাজ।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৪৯386085
  • নামদেও ধাসাল এর কবিতার অনুবাদ, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের বন্ধু দিলিপ চিত্রে র অনুবাদ করা বই আছে জিত থায়িল এর বই য়েও আছে। এই বইটা স্যান আমাকে উপহার দিয়েছিল। সুন্দর বই। কিন্তু তুষার রায় এর বই তা স্যান এর জন্য এখনো কেনা আছে, তো তার তো আর দেখা নাই।
  • Ekak | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৪৩386084
  • "ক্ষমতা সমাজে ব্যবসায়ী এবং ক্ষত্রিয় শ্রেনীর হাতেই ছিল বেশি। ব্রাহ্মণ তো নিমিত্ত মাত্র।"

    না এতটা না। অর্থের যেমন জোর আছে, অর্থনীতির ও জোর আছে। আপনার হাতে অর্থ আর ব্রাহ্মণ দের হাতে যদি অর্থনীতি হয় তাহলে কার জোর বেশি ভেবে দেখেছেন ?

    "ব্রাহ্মণ রা পড়াশোনা করতো " টা ঠিক ওই গোপাল বড়ো সুবোধ টাইপের ব্যাপার না। ব্রাহ্মণ্যবাদ আসলে রিপ্রেজেন্টেটিভ সোশ্যাল সিস্টেমের একটা এক্সট্রিম এন্ড। আরেকটা এক্সট্রিম এন্ড হলো ডিরেক্ট ডেমোক্রাসি। দুটোই মারাত্মক।

    ধরুন দেশে নিয়ম হলো, যার যে বিষয়ে মিনিমাম মাস্টার্স করা আছে শুধু সেই, সেই বিষয়ে ভোট দিতে পারবে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়। এবার আপনি একজন পাট রপ্তানিকারী। আপনার ফিন্যান্স এ মাস্টার্স নেই। আর ওদিকে বসে আছে একদম আমলা গামলা আর একাডেমিশিয়ান যারা ফিন্যান্স এ মাস্টার্স পিএইচডি করেছে এবং জুট প্ল্যানিং কমিশনের হর্তাকর্তা।

    এবার কী হবে ? আপনি কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করার ক্ষমতা নিয়েও কিস্যু করতে পারবেন না কারণ ফিন্যান্স এর ক্ষেত্রে ওই লোকগুলো আগে থেকেই সিলেক্টেড রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং তারা তাদের প্ল্যানিং কমিশিনের পিকনিক পার্টি চালানোর স্বার্থে হাজারটা নিয়ম কানুন ফন্দি ফিকির করে আপনার স্বাধীন উদ্যোগের ওপর শোষণ চালাবে। এটাই ব্রাহ্মণ্যবাদ। যেখানে আপনার ভোট কাউন্টেবল নয় কারণ আপনি ওই "সাবজেক্ট " এর পন্ডিত নন। যেখানে "পন্ডিত " দের ভোটিং পাওয়ার বেশি। আস্তে আস্তে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে শুরু করে এবং "পড়াশোনা " করার সুবাদে বাকি সবার ওপর তোলা আদায়ের সরকারি মান্যতা তৈরী করে। এটা বহু বছর ধরে এদেশে ব্রাহ্মণরা করেছে। রাজার মন্ত্রী হিসেবে, নবাবের নায়েব হিসেবে, রাজতন্ত্র উঠে গেলে সরকারি আমলা হিসেবে। করেই চলেছে। এটা বাস্তব। ওই ব্রাহ্মণ মানে পুজো করতো -লোককে ভয় দেখাতো ওসব তো আর নেই ......এগুলো ভাটের মিথোলজি। মন্দির শব্দে মন্দ আছে। আদতে শাসনের নির্দেশ যেত মন্দির থেকে। ঠাকুর ফাকুর বাল। এখন ও শাসনের নির্দেশ আসে একটা শ্রেণী থেকে যারা পড়াশোনা করে সিস্টেমটা অকারণে দুর্বোধ্য করে রাখতে চায় যাতে যে কোনো ট্রান্সাকশনে তাদের কলা টা মূল টা থাকে। দিস ইস ব্রাহ্মণ্যবাদ।

    এর একদম এক্সট্রিম এন্ড টাও অবশ্য সাংঘাতিক। যা হলে ব্রেক্সিট হয় :):) তবে আপাতত ব্যালান্স আনতে এই কর্তাদের হোগায় বাঁশ দেওয়া আবশ্যিক।
  • pi | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩৪386083
  • একক, সেই 'সেফ' ফিল করাটা তো এককালের জন্মসূত্রে কর্মের পরম্পরা থেকেই !
  • kiki | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩১386082
  • অ্যাঁ? হা হা হা হা। ওকে..............
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৮386081
  • কিকি তুমি কি বলেছিলে আগে, কোন একটা কারো পার্সোনাল স্ট্রাগল নিয়ে, সেটা আমি বুঝি ই নি, তাই রাগ করার কোন প্রশ্ন ই ওঠে না। মাইন্ড কোরো না প্লিজ।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৭386080
  • কিকি আমি তোমার উপরে কোনদিন রাগ করি নি রে বাবা। আমি শান্তি তে এস এম কে প্যাঁক দেওয়ার অধিকার ফিরে পেতে চাই।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৬386079
  • মহারাষ্ট্রের দলিত লোকেরা মুসলমান দের ঘৃণা করে কথা টা বলা, আর মহারাষ্ট্রের শাস্ত্রী রা ভালো গান গায় এবং খুব খারাপ স্পিন বোলিং করে বলার মত জেনেরিক হয়ে গেল এ মানে সার্ভে ছাড়া কিসু বলা মুশকিল।

    মহারাষ্ট্র কেন সারা পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলেই, তার নিজের ইতিহাস ইত্যাদি থাকতে পারে, বৈশিষ্ট নিয়ে মানুষ গর্ব করতেই পারে, মহারাষ্ট্রের নিম্ন বর্ণের লোকেরা বিশেষ ভাবে মুসলমান বিরোধী এটা বলার মত অপরাধ তারা কিসু করে নি।

    যে যার নিজের মত করে ন্যাশনালিজম করেছে, এবং প্রশ্ন তুলতে হলে, শিব সেনা র ন্যাশনালিজম শুধু না, তিলক এর ন্যাশনালিজম নিয়েও প্রশ্ন করা যায়। সত্যেন ঠাকুরের মেমোয়ার্স এ দেখা যাচ্ছে, ১৮৭০স এ বম্বে তে সবচেয়ে বড় উৎসব মহরম। সেটা ১৮৯০ এর পরে গণেশ উৎসবের ঠ্যালায় চেঞ্জ হচ্ছে, পপুলেশন প্যাটার্ন ও বদলাচ্ছে, মিল গুলো খোলার জন্য। ১৯২৮ থেকে প্রায় টানা প্রতি পাঁচ বছরে অন্তত কয়েকজন লেবার লিডার এর ইনটারভিউ নিয়েছেন, মীনা মেনন, নীরা আদর্কার, তাতে সবচেয়ে বড় নেতারা কেউ ইহুদী কেউ ক্রিষ্টান, কেউ হিন্দু। মহরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড় আন্দোলনে, সবচেয়ে বড় পাওদা কবি দের মধ্যে মুসলমান দের পাওয়া যাচ্ছে। বম্বের সিন্ক্রেটিক কালচার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চীন যুদ্ধের পরে পরে কংগ্রেস মদতে শিব সেনার উত্থানে, যেটা বেসিকালি স্ট্রাইক ব্রেকিং রোলের জন্য তৈরী করা হচ্ছে। কংগ্রেস ই করছে, দাঙ্গে এবং কৃষ্ণ দেশাই কে টাইট দেওয়ার জন্য। ১৯৬৪ তে শিব সেনা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, পুণে কোহলাপুরের হিন্দু মহাসভা বা পাঞ্জাবের আর্য সমাজ বা নাগপুরের আর এস এস এর সঙ্গে তাদের আইডিওলোজিকাল পার্থক্য হল, অন্য রা কেউ স্পেসিফিকালি স্ট্রাইক ব্রেকার এর রোল এর জন্য তৈরী হয় নি, তার পরে তারা ক্ষমতায় আসছে বি এম সি র ইলেকশন এ অনেক পরে, ১৯৮৫ তে, নর্থ বম্বে তে ওয়েস্টার্ন বা সেন্ট্রাল সাবার্ব গড়ে ওঠার পরে। ইন ফ্যাক্ট ১৯৮২ তে মুসলমান দলিত সবাই মিলে বড় স্ট্রাইক করছে দত্ত সামান্থ এর নেতৃত্ত্বে। প্রায় ১৮ মাসের স্ট্রাইক।
    ৭০স এ দলিত প্যান্থার পার্টি আলাদা করে মুসলমান বিরোধী পজিশন নিচ্ছে না, তবে যেটা বলা হয়, যে ধরুন বস্তির রাজনীতিতে আফগান মস্তান ( ইয়ারি হায় ইমান দারী গান টা মনে করে দেখুন) দের সঙ্গে একটা টার্ফ ওয়ার হচ্চে হিন্দু মস্তান দের কিন্তু সেটায় ১৯৯২ এর আগে সাম্প্রদায়িক রং কম লেগেছে। ছোটা রাজন বনাম দাউদ ব্যাপারটা হাজি মস্তানের আমলে ছিল না। এই তথ্য গুলো আনা হচ্ছে সামনে, কারণ মহল্লার মস্তানি টা আসলে হাউজিং ক্রাইসিস এবং আর্বান আনএম্প্লয়মেন্ট ক্রাইসিস এর ফল, পরে এটা রাম জনম ভূমি মুভমেন্ট তৈরীর সময়ে নতুন করে কমিউনাল মোবিলাইজেশন হচ্চে। এই বিষয়ে সুকেতু মেহতা, সুজাতা প্যাটেল, মীনা মেনন, নীরা আদরকার দের লেখা পড়া যেতে পারে। ইন্টারেস্টিং লি স্পেস ক্রাইসিস এর অ্যাংগল টা কলকাতার ৪৬ এর দাংগা সম্পর্কেও আজকাল বলা হচ্ছে। নতুন গবেষণায়।

    আরেকটু খোজ খবর রাখতে পারলে আরো বলতে পারতাম। আপাতত এই, এখন আর রোজ বম্বে র লোকাল পেপার পড়া হয় না।
  • kiki | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৫386078
  • এই রে,হানু বহুত খচে গেছে। মিসটেক স্যর। যখন ব্রাহ্মণরা পড়াশুনা করত খালি, তখন মনে হয় তাদের ছেলেরাও ব্রাহ্মণ হত এমনটা নয়। ঐ যাদের ঐসব শিক্ষা কম্প্লিট হত তারা বামুন হত।(ঐ জন্য তো আমি ছেলেকে পৈতে দিই নাই। ব্যাটা অশিক্ষিত থাকতে চায়। খালি মাংসে লোভ। ছিঃ)

    তবে সমাজের নিয়ম, ক্ষমতা যার হাতে থাকে সেই ঠিক করে। ক্ষমতা সমাজে ব্যবসায়ী এবং ক্ষত্রিয় শ্রেনীর হাতেই ছিল বেশি। ব্রাহ্মণ তো নিমিত্ত মাত্র।

    তবে বামুনদের নাক সিঁটকোনো অভদ্রতা এই সেদিন ও ছিল। আমাদের ছোটবেলায় মামাবাড়ীর পাড়ায় (সেটা ঠাকুরপাড়া নামে খ্যাত। সেখানে পান পাড়া, এই পাড়া, ঐ পাড়া বলে বেশ আলাদা সব কিছু ছিল) আমাদের পাশ দিয়ে বামুনপাড়ার লোকেরা ছাড়া অন্যরা গেলে অনেকেই তখন ও আমাদের ছায়া কেও এড়িয়ে চলত। এসব কিসব নিয়ম ছিল। মানে আমাদের ছায়াকে পাড়িয়ে ফেললে কেলো কিছু হবে ভাবত। আমরা শহর থেকে গ্রামে গিয়ে এসব দেখে খুব অবাক হতাম। তবে নিমন্ত্রন, খেতে দেওয়া, এসব নিয়ে অসভ্যতা দেখি নাই। মানে কাজে সবাই এসে একসাথেই দিব্যি খেয়ে যেত। আর সেসব কিছু সবাই বেশ স্বাভাবিক ভাবেই নিত। মনে হয় সবাই ই খাওয়া দাওয়া নিয়ে প্রবলেমে থাকত না। অবাধ জলের দেশ এইসব কারনে হয়ত। আর বামুন পাড়ার থেকে তেলি ইত্যাদিদের পয়সা, ক্ষমতাও বেশি হত। কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ ডিশিসন নিতে হলে সেই দাদুদের সাথে এসে বসে যেতেন। এইসব। মানে অদ্ভুত সহাব্স্থান ছিল। সব কিছু থেকেও।

    একইভাবে বামুনদের বাড়ীতে পড়াশুনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, অবস্থাপন্ন ব্যবসায়ী বা অন্যদের জন্য কিন্তু তা ছিল না। তাদের জন্য বাপের তৈরী বিষয় ছেলে কতটা ধরে রাখতে পারবে সেই খেয়াল ই বেশি রাখা হত।
  • Ekak | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৩386077
  • প্রফেসর হোয়াটাকেই মাপকাঠি ধরার কোনো কারণ নেই। সামাজিক প্রভাবক্ষমতা বোঝার বেটার মার্কার দরকার। একাডেমিয়ারজাওয়ার ঝোঁক কোনো কোনো গোষ্ঠী তে বেশি থাকে। এইতো বাঁড়ুজ্জে দেড় চে অনেক বেশি সংখ্যক বদ্যি একাডেমিয়ায় দাপাচ্চে। তো কী ? বেশ কিছু সাহা ও আছেন। মানে শুঁড়ি সাহাদের কথা বলচি বৈশ্য সাহা না। ব্যবসায় আবার দত্ত রা বেশি। মুখুয্যেরা ব্যবসায় সাকসেসফুল দূরবীন দিয়েও পাওয়া মুশকিল। বিসিএস ক্যাডারে মন্ডল আছেন কয়েকজন এবং নাথ দেবনাথ এরা তো বেশুভাগ ই চাষাভুষো নইলে জংলী গান ফান বাঁধা লোকজন এক ছিল দেবনাথ বিড়ি সে বিড়ি বেঁধে বিখ্যাত, আজকাল দেখি ইতিউতি একাডেমিক দেবনাথ তাও সেই দূরবীন কেস। তো এগুলো গোষ্ঠীগত যাক ইন্টারেস্ট করা কোন প্রফেশন কে "সেফ " মনে করে, এগুলো ভরসাযোগ্য ইনডেক্স না।

    রাজনৈতিক পার্টির উপরতলায় কোন জাতের প্রতিনিধি কত এটা দিয়ে বোধ হয় কিছুটা বোঝা গেলেও যেতে পারে। যেমন আমরা পরম্ভট্টারক পরমপূজ্য সিপুএম এ মুজাফ্ফর আহমেদ এর পর একজন ও প্রমিনেন্ট মুসলিম নেতা নেই কেন বা পলিটব্যুরো ভর্তি কেন শুধু বামুন কায়েতের পোলাদের ছড়াছড়ি সে প্রশ্ন তোলা যায়। সেটাও কতটা ঠিকঠাক সিওর না, তবে একটা বেটার মার্কার মনে হয় কারণ রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব টা সামাজিক প্রতিনিধিত্ব র সমানুপাতিক।
  • kiki | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:০০386076
  • কুমু,
    ঃ)

    যে যা বই দেবেন জনগনকে মেল করে তারা পারলে manasibanerjee জিমেলেও একখান করে ভেজে দেবেন, খুব কঠিন বই না হলে।

    আগাম থেঙ্কু।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৮386075
  • ইশানের এই আমরি বাঙলা ফেজ টা কবে কাটবে তার অপেক্ষায় থাকা ছাড়া লেসার মর্টাল দের বিশেষ কিসু করার নাই। আপাতত দেখা যাচ্ছে, বাঙালি, গান থেকে জাত সব দিকেই পোচোন্ডো এগিয়ে ঃ-)) এক জীবনানন্দ দিয়ে এতটা রেঞ্জ ম্যানেজ হয় মাইরি ভাবা যায় না।
  • h | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৪386074
  • স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তে কজন নিম্ন বর্ণের অধ্যাপক অধ্যাপিকা ছিলেন, সেই প্রশ্নটা র বিশেষ সদুত্ত্বর পাওয়া যাবেনা জেনেই প্রশ্নটা করা হয়েছে, কারণ বেশি নিম্নবর্ণের লোক, বুদ্ধিজীবি পেশাতে নেই। অতএব পয়সা থাগলেই লোকে যে দেশে পোস্ট কাস্ট সোসাইটির সেরা স্থান সেই মহান কে এফসি তে যেতে পারে, তারাঅ অতটা পয়সা না লাগা সত্ত্বেও কেন অধ্যাপক হয়ে যেতে পারছে না, এটা ঠিক ক্লিয়ার না। তো নীচুর জাতের লোকদের বুদ্ধি কম এটা একটা সমস্যা হতে পারে বোধ হয়। কারণ যে আগে ব্রাম্হণ রা পড়াশুনো নিয়ে থাকতেন, সেই আগে এঁরা দুষ্টুমি করে ডোমগিরি করছিলেন, প্রায় চাঁপা গাছে চাঁপা হয়ে ফুটে থাকার মত দুষ্টুমি।
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৩386073
  • হ্যাঁরে আর বলিস না! সেই অখন্ড আর তার সাথে সটীক হুতোম, উফফ! ঐটুকু হেঁটে ট্রেন অবধি পৌঁছাতেই কাঁধ চীৎকার চেঁচামেচি করছিল @টি

    হ্যাঁ মনোরঞ্জন ব্যপারি জয়পুর লিট ফেসেটে বক্তৃতার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। @হনু।
  • sm | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫১386072
  • উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের মধ্যে দক্ষিণে ছোঁয়া ছুঁয়ী একটু বেশি বলেই মনে হয়। অর্থাত বর্ণ বিদ্বেষ বেশি।
    কথা হলো, উত্তর ও দক্ষিণ ভারতে আদিতে হিন্দু ধর্মের রাজার সংখ্যাই বেশী ছিলো। এঁরা ব্রাহ্মন পুরোহিত শ্রেণীর লোকজন কে বেশি তোল্লাই দিতো, মেইনলি রাজ্য চালানোর সুবিধের জন্য।কারণ এই তঃকথিত ব্রাহ্মন্যবাদ রাজ্যে চালানোর পক্ষে সুবিধাজনক। এখানে রাজা কন্সপিরেরেসি করতো নিজের প্রজাদের সঙ্গে।পুরোহিতরা ছিল মেইন একজিক্যুটর। ইহাই ব্রাহ্ম ন্যবাদ।
    কিন্তু উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মন্দির গুলো লক্ষ্য করলে দেখা যাবে দক্ষিন ভারতের মন্দির গুলোয় সম্পদ অনেক বেশি। মানে চোখে পড়ার মতন বেশী। কেন?
    কারণ,দক্ষিন ভারতের রাজারা মন্দির গুলো মূলত ব্যাংক হিসাবে ব্যবহার করতো। যাতে,শত্রু পক্ষ আক্রমণ করলেও সহজে মন্দির লুঠ করবে না এই ধারণার জন্য।দেবতার আক্রোশ!
    তাহলে কি খাড়াইলো?
    উত্তর ভারতে মন্দিরের পুরোহিত দের পেছনে রাজার মদত আছে আর দক্ষিন ভারতে এদের পেছনে রাজার মদত ছাড়াও আছে টাকা পয়সা, সোনা দানা রাখার দায়িত্ব।
    স্বভাবতই দক্ষিন ভারতে পূজারী দের গুরুত্ব বেশি ছিলো। তাই এরা ব্রাহ্মন্যবাদের একজেক্যুশনে বেশী নির্মম ছিলো। তার রেশ এখনো কিছুটা রয়ে গেছে।
  • Ekak | ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৪৯386071
  • রোহিঙ্গা ট্রাবল ইজ আ পেইনফুল বিষফোঁড়া অন দ্য পাছা অব ইমার্জিং সভ্যতা। এটাকে লেলীপনা দিয়ে বা সুকি কে চাট্টি গাল দিয়ে বা বৌদ্ধদের গাল দিয়ে সমাধান করা যাবেনা। একটা সম্পূর্ণ আইসলেটেড দ্বীপে ছেড়ে আস্তে পারলে হয়তো আপাতত রক্ষা পাওয়া যেত। যদিও সেটা সমাধান নয়। রোহিঙ্গা দের মতো গোষ্ঠী আরও আরো উঠে আসবে মনে হয় ভবিষ্যতে। সভ্যতা এতো খেয়েছে সে তুলনায় হেগেছে নগন্য। এগুলো শুরু।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত