এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:৪৮386370
  • এইত আমিই সমব্যথী হতে রাজি আছি। একটা মানুষ সারাজীবন ধরে কাজকম্ম ছেড়ে ইতিহাস বৈ পড়বে এত কোনো কাজের কথা না। এক্ষেত্রে বুনিয়াদী শিক্ষাব্যবস্থা র একটা বড় দায় আছে। চৌত্রিশ বছর ধরে আমাদের ইতিহাস ও সমাজচেতনার নামে অতীসরলিকৃত গোবর গেলানো হয়েছে। সংস্কৃত শব্দের প্রত্যয় ভাঙ্গলেই বোঝা যায় উত্স কী কোত্থেকে এসেছে। পৌরহিত্য শব্দে কোথাও পুজো করার কথা নেই। ব্যকরণ বইতে লেখা থাকে "অগ্রে স্থাপিত"। এবার অগ্রে স্থাপিত বলতে যে হাতির মাথা কী বোঝায় সেটা একটু মিতাক্ষরা পড়লে স্পষ্ট হয়। সেত সিলেবাসে নেই। ইতিহাসেও ওই পুরোহিতরা যাগযজ্ঞ করতেন পুজো করতেন ঐভাবেই প্রজেক্টেড। আরেকদিকে বামেদের একটা থিওরি ছিল এক সময় বিশ্ব জুড়ে যেখানে প্রাচীন মানুষের কালচারাল ইভোলিউশন টা অদ্ভূত ফিয়ার সাইকসিসের মধ্যে দিয়ে দেখানো। যেনো প্রিথিবিশুদ্ধু লোক গান্ডু, পুরোহিত এসে আকাশের দিকে আঙ্গুল তুলে বলল এই চোপ হগবান বকে দেবে, বিদ্যুত চমকাতে লাগলো। লোকজন বিশ্বাস করে নিল। বানিয়ে বলছিনা, একাধিক বাংলা নিবন্ধে এইসব আধসেদ্ধ ভাট পড়েছি। এগুলো সম্ভবত মেক্সিকাল উপজাতিকে ব্যঙ্গ করে তৈরী থার্ড গ্রেড হলিউড মুভি দেখা লোকজনের ইতিহাসচেতনা প্রসূত। ভগবানে ভয় -পুজো -স্যক্রিফাইস এসব ছিলনা আদৌ নয়, কিন্তু কালচারাল ইভলিউসনকে ফিয়ার দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বঙ্গ বামেরা .......প্রাচীন আমলাতন্ত্রের ধারক ও বাহক এই পুরোহিত শ্রেণীকে একেবারেই পথের পাঁচালির পুরোহিত বানিয়ে ফেলেছে। আজকে যে ঘৃণার বদলে সহমর্মিতা দেখছেন বামুনদের প্রতি সেটা ওই ভুল স্ট্রাটেজির ফল। এই চৌত্রিশ বছরের অশিক্ষার পাপ কবে কাটবে কে জানে। এর জন্যে কোনো ব্যক্তিকে আমি দোষ দিতে পারবনা। দিচ্ছি ও না। ঝগড়া করে কী লাভ। শুধু সদাপ্রভুর কাছে প্রার্থনাই একমাত্র শান্তি দিতে পারে :(
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:৪৫386369
  • তিন জন ভুল দেখিয়েছে, তারা কি কি ভুল দেখিয়েছে সাম আপ করে দিলে ভাল হয়। নয় তো এটাকে একটা ফালতু মন্তব্য হিসাবেই বিবেচনা করবো।
    কে ছোট কে বড় বিবেচ্য নয়। পারলে, নিজেই কিছু বই পড়লে ভালো হয়।
    আলটপকা মন্তব্য তো কম দেখলাম না।
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:৩৩386368
  • হে বৃদ্ধবীচি, আপনি তো সবই জানেন, অর্থশাস্ত্রও লিখেছেন, তা একটু দয়া করে বলুন না পুরোহিতদের রোজগার কত ছিল?

    এ প্রশ্নের কি মানে বুঝলেন কে জানে? আমি কিন্তু ছাগলের দাম জিজ্ঞাসা করিনি।
  • | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:২৮386367
  • sm এর ভুলগুলো তিনজন দেখিয়েছে কিন্তু যেহেতু উনি ধরেই নিয়েছেন T বয়সে অনেক ছোট কাজেই তাকে নিয়ে উপহাস করা চলে এবং সে কোনওভাবেই ঠিক কিছু বলতে পারে না (বয়সে ছোটরা কখনঐ ঠিক জানতে পারে না -- এরকম একটা ধারণা), কাজেই T বা অন্য যে দুজন ভুল দেখিয়েছেন তাঁদের কারোটা ঠিক করে পড়ে দেখছেন না। অথবা পড়লেও বুঝতে পারছেন না।
    আর যেটা সমস্যা, লোকে মানে পড়াশোনা করা তথ্যের খোঁজে থাকা লোকে নেট ঘেঁটে দেখে তার রেফারেন্সও চেক করে, সর্বোপরি বই পড়ে। এবার অনেকের অনেক বয়স হয়ে গেলে আর বইটই পড়তে ইচ্ছে হয় না বা পড়ার মত ক্ষমতাও (মানে মনঃসংযোগ করে পড়ে বোঝা) থাকে না।

    ফলে বই রেফার করলেই উনি প্রচন্ড রেগে যাচ্ছেন। মুশকিল হচ্ছে এইসব জিনিষ বই রেফার করবেই সিরিয়াস পড়ুয়ারা। আর sm এর পিঠ চুলকানোর জন্য চরম ব্রাহ্মণ্যবাদী (নরম হলে চলবে না) লোক দরকার। গুরুতে তো এরকম লোক একটু কম। দেখুন বেনামী কাউকে পেতেও পারেন সাথে।
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:২৭386366
  • তাহলে ছোট খোকা, এসো এবার।
    আবার প্রয়োজন পড়লে ভুল গুলো শুধরে দেব খন।
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:১১386365
  • যান তালগাছে চড়ে বসে থাকুন। যত্তসব মাইরি। এই মূর্খামির জবাব নেই।
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:১০386364
  • জেনেটিক রিসার্চাররা আবার বলে, আর্য্য মাইগ্রেশন নাকি আরো আগেই হয়েছিল। কি মুশকিল!
  • একক | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৭386363
  • উপায় নেই কেন ? পাহাড়ের দিকে একটা কটেজ কিনে নিয়ে চলে গেলেই হয়।
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৫386362
  • টি, এখন পর্যন্ত ভুল বকা ছাড়া নিজের সাপোর্ট কিছুই দেখাতে পারে নি।কেবল রামবাবু দেখতে পারেন বলে কিছু একটা আমতা আমতা করছিলো বটে।
    তো, আমি পুরো অর্থ শাস্ত্র টার পি ডি এফ দিয়ে দিলাম। এবার ওটা পড়ে বলুক কি কি তথ্য আছে।
    নয় তো সেই একই কাঁসর ঘন্টা, রাম বাবু নয় তো শ্যমবাবু!
    ধ্যুস!
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৪386361
  • রেফারেন্সটা কি? একটা লোক আরবিট লিখে দিল অমুক সময়ে কিছু ছিল তার সাবস্ট্যানশিয়াল কিস্যু না দিয়েই, সেটাকে নিয়ে লাফানোর কি মানে? আপনি ঈশেন না সত্যবাহন?
  • rabaahuta | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৩386360
  • পনিরই খেতে হবে মনে হচ্ছে তাহলে। নিরামিষ রান্না কঠিন এরকম একটা মেন্টাল ব্লকের কারনে ইতস্তত।
    ঋণ, প্রবাস কোনকিছুই এড়ানো গেলনা, দিনান্তে একটু কুক্কুটান্ন ভক্ষণ করবো এই উপায়ও রইলো না।
    আগেকার দিন হলে আর ক'টাদিন কাটিয়ে পঞ্চাশোর্ধে বনং ব্রজেৎ করে নেওয়া যেত, এখন আর সে উপায়ও নেই।
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫২386359
  • অমর চিত্রকথা পড়ে যেমন ইতিহাস শিখেছেন, সেইসব কার্টুন ধারণা মাফিক ব্রাহ্মণদের জীবিকা ছিল 'পুরোহিত ও শিক্ষক' এইসব কপচে যাচ্ছেন। এর এগেন্সটে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে দেখানো হয়েছে যে তা নয়। কম্প্রিহেনশন স্কিল নেই, ফলে বোঝেন নি। ভেবছেন এখনকার মতই তো, ব্যবসাদাররা হেবি করে খেত। এদিকে জানেনই না যে, সিংহভাগ ইন্ডাস্ট্রী ছিল স্টেট ওনড। তারা রাজার ঠিক করে দেওয়া পে স্কেলে চলত। ভেবেছেন, এখনকার হাজার হাজার হাজরার মতো হাজারে হাজারে মন্দির ছিল যেখানে গরীব দুঃখী পুরুতরা ঘন্টা নাড়ত। এদিকে জানেনই না যে তাঁরা সবাই রাজার মাইনে করা লোক ছিলেন। এর বাইরেও উপঢৌকন পেতেন। বছরে একবার রাজা এঁদের সবাইকে নিয়ে কনফারেন্স ডাকতেন। ব্রাহ্মণদের এক বিশাল সংখ্যক কাজে যোগদানের সুযোগ ছিল। সবই তথ্য উদাহরণ সহযোগে বলা হচ্ছে। কিন্তু মানবেন কেন, তাহলে তো বদামি ফুরিয়ে যায়।

    আপনার ইতিহাস বোধ, বাড়ী থেকে বাজার আর বাজার থেকে বাড়ীর পার্সেপশন থেকে তৈরী হয়। এই পুঁজি নিয়ে না লাফানোই ভালো। হাস্যাস্পদ হচ্ছেন। ভদ্রভাবেই বললাম। আর কতক্ষণ পারব জানি না।
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪৮386358
  • কি কি জায়গায় ভুল দেখিয়ে দিলে ভালো হয়?
    কেউ যদি তথ্য দিলো, ব্রাহ্ম ন পদবী ধারী কেউ মুট, মজুর, রিকশাওয়ালা, ডোম বা সাফাই কর্মী নেই -ভূল ধরিয়ে দেওয়া হলো।
    একজন বলছে, ১৫০০ খী .পূ ভারতে কেউ ই ছিল না, আর্য রা তো নয়ই ;কিছু রেফ দেওয়া হলো
    একজন, পুরোহিত এর জব ভীষণ ল্যুক্রেটিভ বোঝাতে খালি রাজপুরোহিতের বেতন তুলে ধরলো। তাও, রাজ শব্দ টা বাদ দিয়ে।পুরোহিত বলতে নিশ্চয় রাজ পুরোহিত বোঝায় না? বিশাল সিককা র উদাহরণ ও দেওয়া হলো।
    এতো ভুল দেখানোর পর এখন পপিচু র খেলা! তাইতো!
    যদি সঠিক কিছু কমেন্ট করার ইচ্ছে থাকে, তাহলে তথ্য পেশ করলে ভালো হয়। না হলে, কাটান দেন।
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪২386357
  • ঋগবেদের যুগে শ্রেণীবিভাজন কিছু স্পষ্টাস্পষ্টি ছিল না। একই পরিবারের কেউ মুচি, কেউ পুরোহিত, কেউ ধাতুশিল্পী হতেন। সেগুলো কোনো অবস্থাতেই নীচু শ্রেণীর বা অসম্মানজনক ধরা হত না। আদিম জনগোষ্ঠীর সমাজে এরকম অন্য জায়গাতেও দেখা গেছে। বায়ু পুরাণে বলাই আছে যে, ত্রেতা যুগের আগে বর্ণাশ্রম প্রথা ছিল না। সবচেয়ে পুরোনো রেফারেন্স ঐ সূক্তই। আর্যদের সময়কালীন জীবনযাপন ছিল গোষ্টীপ্রধান। নিদেনপক্ষে বিবি লাল ইত্যাদিদের বইপত্র দেখুন গিয়ে।

    এসব দেখবেও না, অমুকে আরবিট লিখে দিল ইন্টারনেটে আর এ এদিক সেদিক থেকে খামচা মারচে।
  • | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩২386356
  • বাবা হুতো পনির রান্না করাও খুব সোজা। একসাথে মশলাপাতি দিয়ে বসিয়ে দিলেই হল। আলু দিতে চাইলে আগে একটু ভেজে নিলেই চলে। মানে রোজ সপ্তাহের পর সপ্তাহ চিকেন আর পনির প্রায় একইরকম তো।
  • T | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:২৭386355
  • না না, শঙ্খনাদ ঘাঁটলে পনেরোশো ক্যানো দশহাজার বছর পেয়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়। :) মিথ্যে প্রমাণের জন্য ভাগ্যিস বলেননি, যে, ভুল ভুল, আমি মোটেও ওই সময় ওখানে ছিলাম না। :)

    আলফাল এদিক সেদিক থেকে লেখা তুলে এনে ভুল ভুল বলে লাফাচ্ছে। এত কম ইয়ে হলে কি করে হবে?

    শুনুন, ইতিহাস ১০১।
    যে অঞ্চল লিখেছিলাম সেখানে খননকার্য চালিয়ে পাওয়া গেছে মাটির জিনিসপত্র। প্রচুর, প্রায় শ তিনেক। ঐতিহাসিকরা বলেন পেইটেন্ডে গ্রে ওয়্যার। ত্রিপাঠীজির বইতে ইন্ডেক্স করে দেওয়া আছে। ঐ মৃৎপাত্র বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে আসা গেছে যে ওগুলোর ১০০০ থেকে ৫০০ বিসি র মধ্যে। ত্রিপাঠীর বই দেখে নিন। আর নয়তো ওয়েলস সায়েবকে ধরুন।

    আপনি মশাই পড়াশোনাও করেন না। বোঝেনও না। আপনার দ্বারা হবেও না।
  • | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:২০386354
  • ঈটস টাইম ফর তালগাছ নাও। sm পড়েও বুঝছেন না বা বুঝেও নিজেকে সাপোর্ট করার চেষ্টায় একেবারে হাবিজাবি বকছেন। মানে সেই যে যত ডকুই দেখাও যাই বল 'তালগাছ কিন্তু আমার' কেস। উনাকে তালগাছ বা দরকার হলে তালবাগান দিয়ে দেওয়া হউক।
    একেবারে ক্ল্যাসিক অ্যাম্বাসেডার বা নাস্তিক্য কেস। বিয়ন্ড এনি কিওর।
  • ত্র্যম্বকের ত্রিনয়ন দ্বিগুণ বি | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:০০386353
  • তার মানে বিজাতীয় শব্দ :) ওদের পেদিয়ে মাহাররা ঠিকই করেছে। ওদেরকে পারস্যে ফেরত পাঠানো হৌক!
  • pi | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪৮386352
  • এতো।মানে পালে পালে পিলপিল করছে লোক!
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪০386350
  • পার্সিয়ান শব্দ, মানে লীডার। শিবাজী ১৬৭৪ সালে ত্রম্ব্যক পিংলেকে প্রথম পেশোয়া বলে নিযুক্ত করেন। ওই সময়েই উপাধিটা বদলে পন্থপ্রধান করলেও পেশোয়া শব্দটাই চালু থাকে।
  • pi | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪০386351
  • অমিত শাহের জন্য ত্রিপুরার র্রাস্তা তো পুরো আটজ্কে।
  • ? | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৩২386349
  • পেশোয়াদের নাম পেশোয়া হল কেন? ওরা কী পেশোয়ার থেকে এসেছিল?
  • sm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:২৩386348
  • আবার গুল, আবার ভুল!

    খ্রী পূঃ ১০০০ থেকে ৫০০ র মধ্যে পূর্ব পঞ্জাব, হরিয়ানা, পাকিস্তান, রাজস্থান এইসব জায়গায় আর্যরা ব্যাপক হারে বসতি স্থাপন করেছিল। ১৫০০ খ্রী পূঃ তে একমাত্র আপনি আর বিধাতা ছাড়া আর কেউ ছিল না। :)
    ----

    The source of the English word Aryan comes from the Sanskrit word ārya, which is the self-designation used by the Vedic Indic people who migrated into the Indian subcontinent about 1500 BCE.
    https://www.ancient.eu/Aryan/
    ঋগবেদের পুরুষসূক্তে বর্নাশ্রমের একটা ভেগ বর্ণনা আছে। প্রাচীনতম। রচনাকাল আনুমানিক ৮০০ খ্রী পূঃ। :)
    ------
    Historically, however, it is believed that the caste system began with the arrival of the Aryans in India around 1500 BC (Daniel). Of the many cultures that flourished in India, the literary records of the Indo-Aryan culture are not the earliest.
    গুল দেবার প্রচেষ্টা--

    টি,এর পোস্ট,
    সন দোহাজার আঠারা, এসেম উবাচ, "তা, ওই সময় কি সমাজের সবচেয়ে উচ্চ বর্ণের লোকের পক্ষে সবচেয়ে ল্যুক্রেটিভ জব ছিল ওই দুটি। আর্থিক দিক দিয়ে নিশ্চয় নয়।"

    মৌর্য সাম্রাজ্য। কৌটিল্য। অর্থশাস্ত্র। স্যালারি স্ট্রাকচার। নিম্নরূপঃ
    ১. ঋত্বিক, আচার্য, মন্ত্রী, পুরোহিত, সেনাধ্যক্ষ -- বেতন ৪৮০০০ 'পণ'
    ২. নিম্নপদস্থ কর্মচারী, আমলা গোত্রের, প্রায় চব্বিশ ধরণের, ব্রাহ্মণ বা ক্ষত্রি হতে হবে অফকোর্স -- ২৪০০০ / ১২০০০/ ৮০০০ 'পণ'
    ৩. চিকিৎসক, সারথি -- ২০০০ 'পণ'
    ৪. গ্রামভৃতক -- ৫০০ 'পণ'
    ৫. গুপ্তচরদের নেতা -- ২০০ 'পণ'
    ৬. কৃষক, শ্রমিক, প্রধানতঃ শূদ্র এবং কিছু ক্ষেত্রে বৈশ্য -- ৬০ 'পণ'
    ----
    ভুল ধরিয়ে দেবার পর ঢাকার চেষ্টা-
    -----
    আমি স্যালারী স্ট্রাকচার কোট করেছিলাম এই কারণে, যে ব্রাহ্মণদের জব অফারগুলো কেমন ছিল সেটা দেখানোর জন্য। কেউ পুরোহিত হত, কেউ মন্ত্রী হত, অমাত্য হত ইত্যাদি।
    ব্রাহ্মণদের জন্য বুঝি খালি রাজপুরোহিত বরাদ্দ ছিল ? মাইরি!
    ;---)))
    এটা কে কি বলা যাবে? হাফপ্যান্ট, বললে কদর করা হয়।
  • pi | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫২386347
  • আসামে এসে হাঁস খা। একটুও ছিবড়ে না।
  • pi | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫১386346
  • এই যে, জোনাকি বানাচ্ছেন।



    টিজারের সিনেমাটোগ্রাফি বেশ ভাল লেগেছে।
  • amit | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৪২386345
  • একটু ট্রেসপাসিং হয়ে যাবে, তবু কিন্তু কিন্তু করে বলে ফেলি, কোনো ভালো থাই রেস্টুরেন্ট-এ ডাক জঙ্গল কারি একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, বেশ ভালো খেতে, বেশ কটা জায়গাতে খেয়ে দেখেছি। তবে বেশ ঝাল।

    আর ইয়ে মানে অমর চিত্র কথা বেশ চলছে কিন্তু। এটা কি ফ্রি নাকি আবার পয়সা দিতে হবে ?
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩৭386344
  • অতঃপর অখন্ড ভারত আসিয়া যুক্তিবোধকে গ্রাস করিল। আমার ইহার অধিক কিছু বলিবার নাই। মহান দেশপ্রেমিক পুরুষোত্তমের জয় হউক।
  • সিকি | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩২386343
  • আবার শুরু হয়েছে? বেশ বেশ।
  • Rabaahuta | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৬386342
  • চিনে হাঁস পচা। বাঙাল হাঁস গরম জলে ভিজিয়ে একটা একটা করে পালক তুলে চৌষট্টি ফৈজৎ করে রাঁধে, যেন মাখম। তবে সে খুব লম্বা প্রসেস, বহুযুগ আগের স্মৃতিকুহকে হোটেল রেস্তোঁরায় খেয়ে হতাশ হয়েছি।

    পাঁঠা খাওয়া যায়, কিন্তু এই বয়সে রোজ পাঁঠা সইবে না। আমার তো সাপ্তাহিক একপদ রান্না।
  • de | ০৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২২386341
  • কাজু আসেনা এখন আর - কালকে আমি আসাযাওয়ার মাঝে দেখলাম আমাজন প্রাইমে - খুবই ভালো লাগলো - এতো ডিটেইল বহুকাল পরে দেখলাম - নায়িকাকে খুবই ভালো লাগলো। ঋত্বিক সম্বন্ধে তো আর আলাদা করে বলবার কিছু নেই -

    এই ভদ্রলোক আর সিনেমা বানাননি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত