এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:০১386460
  • এই সিরিজটা ভালো। ছেলেকে দেখালাম আগের ছুটিতে। কিন্তু এতে অনেক কিছু কভার করা নেই। খুব ইম্পর্ট্যান্ট যেটা, বহুজাতিক, বিশেষ করে বীজ আর চাষের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ওয়ালেসের স্বার্থের সংঘাতটা কভার করা নেই। সেটা নিয়ে গুরুতেই কোথায় একটা লিখেছিলাম। ওটায় ওয়ালেস জিতলে কৃষির চরিত্রই বদলে যেত। ষাটের সিভিল রাইটস, ফেমিনিস্ট মুভমেন্ট ভালো করে কভার করা নেই। ববি কেনেডির ক্যাম্পেনটা ভালো করে কভার করা নেই। আর বার্নি স্যান্ডার্স তো নেইই, সেটা ওই সিরিজের পরে হয়েছে।

    এইগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৫৮386459
  • নতুন নতুন কত ইতিহাস বের হবে। এই ইন্টারেনেট বস্তুটি একেবারে মর্জিনা। ফেসবুক সুপার মর্জিনা। নানাবিধ মতামত এমন করে দেয়ালে দেয়ালে ছড়ায়, নে এইবার ব্যাটারা বার কর কোনটা ইতিহাস কোন্‌টা গপ্পো, কোন্‌টা সাব অল্টার্ন, কোনটা অন্য কিছু। কোন্‌টা ফ্রাতেল্লি, কোন্‌টা বাতেল্লি। ঃ-)
    ঐ বোম ফাটা দেখে বিজ্ঞানীর গীতা আওড়ানো নিয়ে এমন তর্ক বাঁধল এক গ্রুপে, যে একজন বলে দিল, "ওরে না রে উনি গীতা টিতা আওড়ান নি, উনি গেয়েছিলেন, "ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতির্ময়/ তোমারই হোক জয়/ প্রলয় সূর্য এসেছ রুদ্র সাজে/ দুঃখের পথে তোমার তূর্য বাজে/ অরুণবহ্নি জ্বালাও চিত্তমাঝে/ মৃত্যুর হোক লয়।"
    যাই বলুন, যদি পারতেন এই গান গাইতে, একেবারে খাপে খাপ হত। ঃ-)
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৩৭386458
  • আর ওই ছেলেটা? পাইলট? যে ফেলেছিল বোম? সে তো শুনলাম পাগল হয়ে গিয়েছিল পরে। এসব নিয়ে অনেক সিনেমা নাটক ইত্যাদিও হয়েছিল।

    কিন্তু ওই যে "সা রে গা মা পা ধা নি বোম ফেলেছে জাপানি" এই ছড়াটা তৈরী হয়েছিল কিসের ভিত্তিতে? দিনেদুপুরে জাপানিরা কলকাতায় বোম ফেলার পরে? সেটা কবে? চুয়াল্লিশে?
  • aka | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:১৬386457
  • দেখতে পারেন, নেটফ্লিক্সে আছে।

    http://www.imdb.com/title/tt1494191/
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:৪১386456
  • পাব্লিক বাইরে থেকে দেখেছে কিনা! বেশ সিনেমা সিনেমা হিসেবে দেখেছে। ভেতরে গিয়ে তো দ্যাখে নি। আর রেস্পন্সিবিলিটির বোঝাও যারা সরাসরি ইনভলভ্ড তাঁদের অনেক বেশি।
  • Ishan | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:১৭386455
  • ব্ল্যাংকির নিউজ পেপারের লিংক গুলো দেখলাম। খুবই ভালো কালেকশন। কিন্তু ওতে যা নেই, তা হল, এগুলো ছিল আনন্দ সংবাদ। টাইমস স্কোয়ারে মানুষের ঢল। অ্যাটম বোম ফেলে যুদ্ধ দুই সপ্তাহের কমে শেষ করে দেবার জন্য ট্রুম্যানকে পাবলিকের বাহবা। খবরের কাগজের, টিভি রিপোর্টিং এর ইতিহাস পড়তে গেলে, স্রেফ একদিনের রিপোর্ট নেট থেকে খুঁজে বার করলে তো হবেনা। সময়টাকে টানা বুঝতে হবে। ওইসময় অ্যাটম বোমের একমাত্র বোরিধী ছিলেন, কিছু বিজ্ঞানী এবং, সারপ্রাইজিংলি, কিছু আর্মি জেনারাল। বাকি গোটা আমেরিকা আর ইউরোপের পাবলিকের ভাবটা এমন ছিল, যে, এটি জাস্ট একটি খুব শক্তিশালী যুদ্ধাস্ত্র। যুদ্ধে ধ্বংস তো হবেই। দেখ, ব্যাটা জাপানিদের কেমন ঠুসে দিলাম। ইত্যাদি।
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৪৮386454
  • এটা হনু এবং বাকিদের।

    আমার সলিডারিটিতে কোনো আপত্তিই নাই। ইন ফ্যাক্ট সলিডারিটির প্রশ্নে আমি আজকের পশ্চিম ভারতীয় দলিত আন্দোলনের পক্ষেই। আম্বেদকরের সেই সময়ের অবস্থান নিয়েও আমার বিশেষ সমস্যা নেই (ইন ফ্যাক্ট নেতাজির জার্মানি যাওয়া নিয়েও নেই, যদিও না গেলেই ভালো হত)।

    সমস্যা দুটো জায়গায়।

    ১। সাম্প্রতিকতায়। ইংরেজের পক্ষে এবং বাজিরাও এর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে বক্তব্য আজকের যুগে প্রচার করলে, সেটা একটা রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতেই করা হয়। সেই প্রেক্ষিতটা দুশো বা তিনশো বছর আগের নয়। এখন প্রচার করলে এটা কোন রাজীতির প্রতিনিধিত্ব করে, সে আগেই লিখেছি। মনে হয়, শোষিত= দলিত। এবং সাম্রাজ্যবাদ শোষিতের স্বাভাবিক মিত্র। আজকের রাজনীতিতে এটাকে আমি বিপজ্জনক অবস্থান মনে করি, সে দলিত রাজনীতির পক্ষে আমার যতই সহানুভূতি থাক না কেন। আইডেন্টিটি পলিটিক্সকে ইদানিং এতটাই মাথায় তুলে নাচা হচ্ছে, যে, তার সমালোচনাও প্রায় অস্পৃশ্যতার পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। সেই প্রবণতাটাতেও আমার আপত্তি আছে।

    ২। সর্বভারতীয়ত্বে। জিগনেশ বা উমর খলিদকে কেউ সত্যিই সর্বভারতীয় নেতা হিসেবে অফিশিয়ালি স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু পাকে-চক্রে সেটা হচ্ছে। সরভারতীয় প্রচার পেলে এমনিতে কোনো ক্ষতি নাই, কিন্তু যে ব্র্যান্ডের দলিত আন্দোলনের এঁরা মুখ হিসেবে প্রজেক্টেড, সেটা একটি আঞ্চলিক বাস্তব, এটাও সঙ্গে বলা দরকার। সেটা, যদি এঁরা ১০০% সমর্থনযোগ্য কাজও করেন, তাহলেও। যেমন গান্ধি সাউথ আফ্রিকায় যা করেছিলেন, তার ১০০% যুক্তিযুক্ত কাজও যদি হয়, তাও সেটা সাউথ আফ্রিকারই বাস্তবতা। বাইরের নয়। এইটা স্পষ্ট থাকা দরকার।
  • Ekak | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৩৯386452
  • ইন্টারনেট এসে জানাজানির স্পিড এমন একটা জায়গায় চলে গেছে যে পেছনদিকে তাকিয়ে দেকলে অদ্ভুত লাগে। একসময় ব্রিটিশ কাউন্সিল এ বিকেলটা বসে বসে বাইরের খপরের কাগজ পর্তুম। সেই আকর্ষণেই যাওয়া। এখন, নরওয়েতে বোমা পড়লে ম্যাক্সিমাম ১৫ মিনিটে ফেবুতে ফিড চলে আসে।
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৩২386450
  • ওহো নেট খুঁজে দেখলাম, ইস্যুটা ১৯৪৬ সালের। ৫০ না। সন তারিখটা ভুল লিখেছি।

    এইটা ছিল সেই আর্টিকল। আমেরিকার যুদ্ধবিরোধী যেকোনো ইতিহাসে এটার গুরুত্ব খুব বড়ো করে লেখা হয়ে থাকে।
    https://www.newyorker.com/magazine/1946/08/31/hiroshima
  • sm | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৩২386451
  • #অনেক টা
    #গেছিলো
  • sm | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৩১386449
  • এটার একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। এঁরা দেশের বাইরে গিয়ে লড়তে গেছিলি। বেসিক্যালি ভাড়া করা সৈন্য। কিন্তু ভারতবাসী।অনেকতো আজকের দিনে ব তখনকার দিনে ব্রিটেনে কর্মরত ভারতীয় দের মতন।
    দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লড়াই হয়েছিল দেশের মধ্যে বিদেশী শক্তির বিরুদ্ধে।যে ইংরেজরা পরবর্তীতে ভারত কে পরাধীন করে রাখবে নেক্সট দুশো বছর।
    তবে পার্সোনাল আঙ্গিকে বর্ষ পূর্তি করা যেতেই পারে।
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:২৮386448
  • এইটা তো তক্কো করে প্রুভ করা মুশকিল।১৯৪৫ সালেই পরমাণু বোম আমেরিকায় নিউজ ছিল, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। ওপেনহাইমার স্বয়ং এর বীভৎসততা নিয়ে বলেছেন। বিজ্ঞানীরা চিঠি দিয়েছেন অ্যাটম বোমের রিসার্চ রেস্ট্রিক্ট করার জন্য। উল্টোদিকে বহুল প্রচার হয়েছে, যে, এই একটি অস্ত্রের জন্য জাপানীরা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে। ট্রুম্যান হিরো হয়েছেন। ইত্যাদি।

    কিন্তু এর পরেও পাবলিক জানতনা পরমাণু বোমটা কী জিনিস। গোটা একটা শহরের সিভিলিয়ান পপুলেশনকে যে ধ্বংস করে দিতে পারে, এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ওই বিষ বয়ে চলতে পারে, সেটা জানা গেল নিউ-ইয়র্কারের ওই সংখ্যা থেকে। তার আগে এটা পাবলিকের চোখে ছিল, জাস্ট আরেকটা যুদ্ধাস্ত্র।
  • Ekak | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:২০386447
  • কী মুশকিল :):) আমার আলাদা করে দলিত পীরিত নাই। কিন্তু চাট্টি লোক নিজেদের কোনো গৌরব নিয়ে একটা উৎসব করে। সেটা তাদের অপরাধ হবে কেন ?? বিজেপি এখন নিজের ভোট টানতে পাতিহাঁস খুঁচিয়ে বুনোহাঁস বানাচ্ছে, এটা কারো চোখে পড়ছে না ?! :):)
  • সিকি | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:১২386446
  • "ইংরেজ পক্ষে লড়াই করে তার আবার ভরসাপূর্তি!"

    সিলেক্টিভলিই তুলে আনলাম। ইংরেজপক্ষে লড়াই করে প্রাণ দেওয়া শয়ে শয়ে ভারতীয় সৈন্যদের নাম খোদাই করে দিল্লিতে তৈরি ওয়ার মেমোরিয়াল - যেটা আজকের দিনে লোকে ইন্ডিয়া গেট বলে চেনে। দিল্লির আইকন। এটা নিয়েই বা এত আদিখ্যেতা কেন? ইংরেজদের পক্ষে লড়াই করে প্রাণ দেওয়া ভারতীয়দের স্মৃতিতে বানানো একটা গেটকে একটা রাজধানী শহরের আইকন বানানো!
  • | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:০০386445
  • এই পোস্টটা ত ঈশানের আম্বেদকরের ইঙ্রেজ পুজো আর নেতাজী নিয়ে করা পোস্টের উত্তরে তুললাম। দে'র উত্তর ত সেদিনই দিয়ে দিয়েছি যে একই লাগে। এর মধ্যে সিলেক্টিভিটির কী আছে? খারাপ ব্যবহারই বা কী করলাম?

    বেশ কাল সকালে ল্যাপটপে বসে সমস্ত পাতাগুলো কপি মেরে দেব
  • de | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৫৩386444
  • খুব সিলেক্টিভলি পোস্টটা তুলে আনা হোলো - এর পরের যাবতীয় পোস্টের সমস্ত যুক্তি -টুক্তি সব বাদ্দিয়ে-

    এই কাজটার মধ্যে যে রুডনেস আছে, সেটাও আমি দেখলাম -

    আগে হলে বলতাম -স্তম্ভিত হলাম -

    মানুষের অকারণ খারাপ ব্যবহারে এখন আর স্তম্ভিত হই না - বরং এনজয় করি - গ্রেটনেসের মোহ কি কম রে দাদা!

    আজকের দিনের ভারতে দাঁড়িয়ে ভীমা কোঁরেগাওয়ের উদ্‌যাপন অত্যন্ত বোকা বোকা - আর তাকে সাপোর্ট/জাস্টিফাই করে যেসব পোস্ট সেগুলোও একই রকম - এটা আমার মত - অত্যন্ত রুড - তাই না?
  • | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৪১386442
  • *আফটার অল নেতাজী জানতেন না
    ** পুজো করা লোকেরাও
  • dd | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৪১386443
  • এইমাত্রো Time ক্যাপসুল দেখলাম। এটা টাইম মেগাজিনের বছর ধরে তাদের ইস্যুগুলোর হেডলাইন/খবরের কমপাইলেশন। আমার কাছে ১৯৩৯-৪৫ রয়েছে।

    ১৯৪৫'এই বেশ সঠিক ভাবে বর্ণনা আছে অ্যাটম বোমের। ...4.1 square mile -60% of the city's built up area -destroyed by fire and blast. ছবিও ছিলো। খুব বড়ো করেই লেখা হয়েছিলো।

    তবে হলদিঘটের যুদ্ধকে হিন্দু- মুসলমানের লড়াই বলে যারা মিথ্যে প্রচার করে, গুচ'র ভাষায় "চাড্ডীগিরি" করে, পুনের লড়াইকেও দলিত -বর্ণহিন্দুর লড়াই বলে চালানোকেও আমার একই ওজনের কুচ্ছিত লাগে।
  • | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৩৯386441
  • নেতাজীর প্রসঙ্গ এনেছিলাম আমি। এই পোস্টটার দ্বিতীয় প্যারার অন্তর্নিহিত রুডনেস পড়ে, দেখে।

    name: de mail: country:

    IP Address : 192.57.98.225 (*) Date:07 Jan 2018 -- 10:37 AM

    এই ব্যাপারে আমি মামু আর ডিডিদার সাথে একমত -

    ভীমা কোঁরেগাও নিয়ে দলিতদের এতো উলুতপুলুত হবার কিছু আমি খুঁজে পাইনি - দলিত-ইজম দেশের চেয়ে বড়ো নয়! ইংরেজ পক্ষে লড়াই করে তার আবার ভরসাপূর্তি!

    -------------------

    ভীমা কোরেগাঁওয়ের উদযাপন হয় ১৮১৮ সালের সালে পেশোয়াদের পরাজিত করা যুদ্ধের জন্য। ১৮১৮ সালে 'ভারত' বা 'ইন্ডিয়া' নামে কোনও অখন্ড দেশের অস্তিত্ব ছিল না। যতদূর মনে পড়ছে সিপাহী বিদ্রোহের পর ভিক্টরিয়া যখন ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে শাসনভার কেড়ে নেন তখনই ইংরেজদের অধিকৃত অঞ্চলগুলোকে 'ইন্ডিয়া' বলে অভিহিত করেন। কাজেই নেতাজীর যেমন হিটলারএর কীর্তিকলাপ বা আন্দামানে জাপানী অত্যাচার সম্পর্কে না জানার সম্ভাবনা প্রবল, তেমনই ১৮১৮ সালে যে নামের অস্তিত্বই ছিল না, তা ভবিষ্যতে হবে এটাও মাহারদের পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না।
    আজকের নেতাজী ভক্তরা তখনকার নেতাজীকে বেনিফিট অব ডাউট দিয়ে পুজো করলে যদি অসুবিধে না হয় (কারণ আফটার অল নেতাজী জানত না) তাহলে আজকের মাহাররা সেদিনের জয় সেলিব্রেট করলেও অসুবিধে হওয়া উচিত নয় (কারণ মাহাররাও জানত না ভবিষ্যতে কী হবে)।
    আর এটাতে হলে ওটাতেও হওয়া উচিৎ, কারণ আজকের মাহারদের মতই আজকের নেতাজীর পুজো করা লকেরাও জানে অতীতে কী হয়েছিল।

    এর মধ্যে আম্বেদকর, সাভারকর, তেন্ডুলকর কারো ইংরেজ পুজা আনি নাই ত। এল কোদ্দিয়ে?
  • dd | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:২৯386440
  • কোনো রেফারেন্স ছাড়াই লিখছি।

    ঐ ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কেলে ইহুদী নিধন কম লোকই জানতো। কানাঘুষো ছিলো। নিউরেমবার্গে নাৎসী জেনারেলদের সেলে তাদের কথাবার্তা আড়ি পেতে শুনে এটা জানা গেছিলো তারাও গুজবই শুনেছেন।

    অন্যদিকে জাপানীদের অত্যাচার সারা দুনিয়াতেই জানতো। রবি ঠাকুরও লিখেছেন। বাংলারা কবিরাও কবিতা লিখেছেন(প্রেমেন মিত্র? সুভাষ মুখো? মনে নেই)। জাপানেরা ঢাক পিটিয়েই অত্যাচার করতো। নেতাজীর সেটা না জানার কোনো সম্ভাবনাই ছিলো না।

    তবে অত্যাচার তো সব দেশেই হতো। রাশাতে,চীনেতে। নিজের দেশের লোকের উপরেই। সাম্রাজ্যবাদ হলে তো কথাই নেই। ছোট্টো বেলজিয়ামও কংগোতে রীতিমতন জেনোসাইড চালিয়েছিলো। গনহত্যা,দুর্ভিক্ষ এইসব লোকে মেনে নিতো। কতো লোক মারা গেছিলো বাংলাদেশে? ৭৬'র মন্বন্তরে? তিরিশ লাখ? মূল কথা তখন এইসব লোকে হজম করে নিতো। "ও রকম তো হয়েই থাকে" গোছের। ৭০-৮০ বছর আগের ঘটনা এখনকার চশমাতে দেখলে সবাইকেই দূষতে হয়।

    আর ঈশেনের "আমেরিকা যে হিরোশিমা এবং নাগাসাকি নামক দুটো আস্ত শহর উড়িয়ে দিয়েছে আসলে, সেটা জানা যায় সম্ভবত পঞ্চাশের দশকের শুরুতে, যখন নিউ-ইয়র্কার পত্রিকা হিরোশিমা-নাগাসাকি নিয়ে একটা সংখ্যা করে। তার আগে পর্যন্ত লোকে জানত দুটো ইয়ব্বড়ো বোম মারা হয়েছে দুটো শহরে, যাদের নাম পারমাণবিক বোম। ......" নী জার্ক রিঅ্যাকশনে মানলাম না। তথ্য ভুল লাগলো। সেই সময়েই প্রচুর প্রচুর লেখা হয়েছিলো। হয়তো কোন স্কেলে ডেস্ট্রাকশান হয়েছিলো সেটা জানতে আরো অপেক্ষা করতে হয়েছিলো।
  • Ekak | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:১৭386439
  • ল্যাগ রাইট। খবর ছুপানো ছিল এমন নয়। তবে এই ইন্টারনেট যুগে যেমন তেমন তো নয়। আমি জনতা জেনেছে অনেক দেরিতে।
  • h | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:০০386438
  • *সেটা ইরিটেটিং এবং আলাদা কথা
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:৫৯386437
  • হিরোশিমা-নাগাসাকির কথাটা কি সিওর?

    শোনা যায় ম্যানহাটান প্রোজেক্টের বিজ্ঞানীদের মধ্যে কয়েকজন প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলেন ঘটনার পরেই। উইৎজস্যাকারের ১৯৪৫ সালের একটা বিখ্যাত কথা আছে - " উই হ্যাভ প্লেইড উইথ ফায়ার লাইক চিলড্রেন। অ্যান্ড ইট ফ্লেয়ার্ড আপ বিফোর উই এক্সপেক্টেড ইট।" হিরোশিমার পর পরই।
  • h | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:৫৮386436
  • ইশান এর এই লাইন টা আমি বুঝতে অপারগ। মহারাষ্ট্র বাংলার ইকুইভ্যালেন্ট না হলে, মহারাষ্ট্রের একটা ঘটনা পক্ষ নেওয়া যাবে না কেন। ধর, সাইথ আফ্রিকা ভারত না, কিন্তু তাতে, অ্যাপারথাইড এর ব্যাপারে অবস্থান নেওয়া যাবে না কেন?

    সবাইকে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে অবস্থান নিতে হবে কেউ যেমন বলে নি, তেমন ই নিলে কি ক্ষতি সেটাও পরিষ্কার না। মনিপুরে মহিলারা জামা কাপড় না পরে মিলিটারি ব্যারাক এর সামনে দাঁড়ালে, আহা আমাদের বি এস এফ ভালো বলে কেউ অবস্থান নিতেই পারে, কিন্তু যদি উলটো অবস্থান নেয় আপত্তি কোথায়।

    বাকি ইতিহাস আম্বেদকর ইত্যাদি দেশি সোশালিজম, বিদেশি সোশালিজম ইত্যাদি নিয়ে প্রচুর কথা আগে হয়ে গেছে, তাই নিয়ে লোকে নানা পজিশন নিয়েওছে, সে সব চর্বিত চর্বন পরে হবে। আধুনিকতা জিনিসটা নানা জায়গায় নানা ভাবে এসেছে নতুন করে প্রমাণ করার ই বা কি আছে বুঝি না, আর আমার দেশে, যেখানে আমি নাগরিক বা ট্যাক্স পেয়ার, সেখানে আমার নাম করে মহান ঐতিহ্যের নামে দলিত প্যাঁদানো হবে, দলিত দের রেজিস্টান্সে, আমি কিন্তু রাগ করে বৌদ্ধ হয়ে যাব ছাড়া কিসু বলার থাকবে না, যখন সংরক্ষন নিয়ে কথা বলা হবে, তখন বলা হবে এই তো মেরিটোক্রাসির ক্ষতি হচ্ছে, যখন স`্রক্ষন বাদ দিয়ে উনায় বা সাহারন্পুরে বা পুনে তে ক্যালাকেলি র বিরুদ্ধে কথা বলা হবে তখ্ন আবার লোকে বলবে ইহা আধুনিক না, বা বি এইচ ইউ তে, প্রশ্ন আসবে, বর্ণাশ্রমের চারটি ভাল দিক লেখা আর লোকে বারা ছেরে দেবে এসব? যে ভাবে যে পারে কনসোলিডেশন করে রেজিস্টান্স করবে, তো কেউ আধুনিকতা নিয়ে দুশ্চিন্তা না করতে চাইতেই পারে।
    যে কোন বিতর্ক ই বেঞ্গল রেনেসাঁ নিয়ে আর তিরিশের দশকের বাংলা কবিতার আধুনিকতা সম্পর্কিত আলোচনায় পর্যবসিত হলে মুশকিল। রেজিস্টান্স যারা দেবার দেবে, বাংলাতেই যদি বড় কোন রেজিস্টান্স হয়, কটা এলিট বাঙালি তাতে অ্যাফেক্টেড, নাই অ্যাফেক্টেড হতে পারে, তাই বলে পজিশন নেবে না? যে যেভাবে পারবে সাহায্য করবে, যারা করবে না, তাদের চয়েস, দ্যাট ইজ অ্যাবসোলিউটলি ফাইন। বিরোধিতা করতেও তো কেউ বারণ করে নি। হ্যাঁ যে কোন শখের প্রতিবাদেই একটা ইরিটেটিং হোলিয়ার দ্যান দাউ থাকে আলাদা কথা, তাই বলে এই আধুনিকতা তত্ত্বের সঙ্গে তার কি সম্পর্ক?
  • ঝিকি | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:৩৬386435
  • লাস্ট আপডেটঃ কাল হয়ত একটা জাহাজ এসে আমাদের কোচি নিয়ে যাবে। পরশু সকালে পৌঁছব। জানিনা কী হবে, এত সুন্দর জায়গাতেও মন খুলে এনজয় করতে পার্ছি না।সব কানেক্টিং ফ্লাইটের পয়সা তো গেলই, এখন নতুন করে টিকিট কাটতেও ভয় পাচ্ছি। কোচিতে কাউন্টার থেকে কাটতে হবে।
    আমার পুত্তুর আজকাল বেশ লিখছে, ওকে লেখাতে উৎসাহ দিচ্ছি। তবে সে ইনজিরিতে লেখে!
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১৯386434
  • লিখতে ভুলে গেছি। পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাসও সবাই জানেন। একদিকে বিরাট সিরাজ বাহিনী। অন্যদিকে ক্লাইভের পুচকে সৈন্যদল। তাতে আবার শ্বেতাঙ্গরা মাইনরিটি। বোধহয় পাঁচশ শ্বেতাঙ্গ আর হাজার দুই ভারতীয়। সেই ভারতীয়রা, খুবই কৌতুহলোদ্দীপক, মূলত নিম্নবর্গের। স্বাধীন ভারতে এঁরা তফশিলী জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন।
    সংখ্যাগুলো অ্যাকুরেট বললাম না। কিন্তু মোটামুটি এরকমই হবে। এবার আম্বেদকরের লাইনে চেষ্টা করলে পলাশীকেও নিম্নবর্গের জয়গাথা হিসেবে চালানো যায়। কিন্তু কোনো বঙ্গীয় সংগঠন সে চেষ্টা করেনি। আজ পর্যন্ত। করলে কী হত, সেটা দেখবার দেখতে ইচ্ছে করে। :-) কিন্তু যেহেতু এখনও হয়নি, তাই, মহারাষ্ট্রের কোনো ইকুইভ্যালেন্ট আপাতত বাংলায় কিছু নাই।
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৫৪386433
  • আর বাঙ্গালির নেতাজী পুজো আর আম্বেদকরের ইংরাজ পুজো মোটেও ইকুইভ্যালেন্ট না। বাঙালি যদি হিটলার পুজো করত, কিংবা পার্ল হারবার বিজয় দিবস উদযাপন করত, তাহলে খানিকটা ইকুইভ্যালেন্ট হত। সেরকম হবার কোনো চান্স নেই, বাঙালির ওইটুকু কাণ্ডজ্ঞান আছে।
  • Ishan | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৪৯386432
  • কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প এবং ইহুদি গণহত্যা নিয়ে প্রথম জানা যায় সোভিয়েত সেনা পোল্যান্ড দখল করার পর।
    আমেরিকা যে হিরোশিমা এবং নাগাসাকি নামক দুটো আস্ত শহর উড়িয়ে দিয়েছে আসলে, সেটা জানা যায় সম্ভবত পঞ্চাশের দশকের শুরুতে, যখন নিউ-ইয়র্কার পত্রিকা হিরোশিমা-নাগাসাকি নিয়ে একটা সংখ্যা করে। তার আগে পর্যন্ত লোকে জানত দুটো ইয়ব্বড়ো বোম মারা হয়েছে দুটো শহরে, যাদের নাম পারমাণবিক বোম।

    ইকি আর ইন্টারনেট জমানা?
  • b | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ১৯:৪১386431
  • ১৯৪৫ অব্দি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে কি হচ্ছে সেসব নিয়ে পৃথিবীর খুব কম লোকের ধারণা ছিলো। নাজি পার্টির অনেকেও ধরতে পারে নি।

    আন্দামানে জাপানী অকুপেশন নিয়ে "রেড সান ওভার ব্ল্যাক ওয়াটার" পড়ে দেখতে পারেন। তবে সবটাই মুখে মুখে বলা ইতিহাস, কারণ জাপানীরা নাকি যাওয়ার সময় সব নথি ধ্বংস করে দেয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত