এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২৬386610
  • কাঁটাচামচ আবার কে? আর পুত্র হলেই বা কী না হলেই বা কী।
  • | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:০৭386609
  • আচ্ছা দীপঙ্কর কাঁটাচামচ নন্দী শুনছি জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর পুত্র। এ কি সত্যি?

    আলপনার পুরস্কারপ্রাপ্তির খবর জেনে খুব ভালো লাগছে। এ লেখা হয়তো যিনি না থাকলে শুরু হোতো না তার জন্যেও অনেক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা থাকলো।
  • | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:১০386608
  • কবিয়াল পত্রিকা দেবে রাসসুন্দরী স্মৃতিতে।
    এইবার থেকেই চালু হল যা দেখলাম। রাসসুন্দরী দেবী যাঁর আত্মকথা একটা অবিশ্বাস্য বই, তাঁর স্মৃতিতে মেয়েদের আত্মকথার উপর পুরস্কার যা বুঝলাম
  • T | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১৯:৩২386607
  • বাহ, আল্পনাদেবীকে অভিনন্দন। এই পুরস্কারের নাম জানতাম না। কোন সংস্থা দেয়?
  • | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:০৯386605
  • আচ্ছা আপনারা জানেন তো গুরুচন্ডা৯'তে লেখা 'চন্ডালিনী বৃত্তান্ত'র জন্য আলপনা মন্ডল এবারে 'কবিয়াল' পুরস্কার পেয়েছেন। ১৪ তারিখে দেওয়া হবে এই পুরস্কার
  • নমশূদ্র | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৩৪386604
  • অবিভক্ত বাংলাদেশের পূববাংলা অংশে সবচে বড় জনগোষ্ঠীটির নাম নমশূদ্র। অনেকে বলেন, পূব বাংলার ধর্মান্তরিত মুসলমানদেরও অধিকাংশ আদতে এই নমশূদ্র জনগোষ্ঠীরই ছিলেন। শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে গোটা বাংলাতে এরা দ্বিতীয় বৃহৎ জনগোষ্ঠী ছিলেন। ১ বাখরগঞ্জ, ফরিদপুর, ঢাকা, ময়মন সিংহ, যশোর, আর খুলনা এই ক’টি জেলাতেই ৭৫শতাংশ নমশূদ্র মানুষ বাস করতেন। এছাড়াও অন্যান্য জেলাতে, মায়, সিলেটেও নমশূদ্র বসতি নিতান্ত ফেলনা ছিল না। ১৯১১র আদমসুমারিতেই প্রথম বহু সংগ্রামের পর এদের প্রচলিত জাতিনাম ‘চণ্ডাল’ মুছে যায়। এর আগে অব্দি এরা এই নামেই পরিচিত ছিলেন। এবং বাকি বাঙালি হিন্দুরা এদের অস্পৃশ্য বলে মনে করতেন, বা এখনো মনে করে থাকেন। স্মার্তকার রঘুনন্দনের নির্দেশে এদের সঙ্গে বিবাহাদিতো দূর, পংক্তিভোজনও এড়িয়ে চলত উঁচুবর্ণের বাঙালি। ১৯১১র আদমসুমারি অব্দি দেখা গেছে নমশূদ্রদের ৭৮ শতাংশ মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষি। এবং এই কৃষিজীবিদের মাত্র ১.১৫ শতাংশ মানুষ নিজেরা খাজনা পেতেন। তারমানে মোটের উপরে এরা শ্রেণি এবং বর্ণ দু’দিক থেকেই ছিলেন দলিত। যে জমিদারদের অধীনে প্রজা হয়ে থাকতেন তাদের অধিকাংশই বর্ণহিন্দু, সামান্য কিছু সৈয়দ মুসলমান। শেখর বন্দ্যোপাধায় লিখেছেন, “ বাংলার কৃষিসমাজে বড় যে বিভেদ তা হলো ‘খাজনাভোগী’ এবং ‘খাজনা প্রদানকারী’দের মধ্যে, এই এই ক্ষেত্রে তা নিখুঁতভাবে মিলে গিয়েছিল জাতিভেদের সঙ্গে। এই বিভেদ ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলত নানাধরণের অত্যাচারের ফলে। তারমধ্যে ছিল মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ, বেআইনী কর আদায়, খাজনার বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি সহজ নগদ খাজনার বদলে উঁচুহারে খাজনা আদায় করা।” ২ এর মধ্যেও একটি ছোট গোষ্ঠী নিশ্চয়ই নানা ছোটখাটো ব্যবসা এবং মহাজনী কারবার ইত্যাদি করে সামাজিক মর্যাদার উপরের স্তরে উঠেছিলেন। “তবে ১৯১১সালে এই বর্ধিষ্ণু গোষ্ঠী গোটা নমশূদ্র জাতির জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম ছিলেন” ৩ এই শ্রেণিটি সংখ্যার দিক থেকেও কম ছিলেন, বাকি মহাজন শ্রেণি বন্ধুদের থেকেও অতি দুর্বল ছিলেন। সবচে’ বড় কথা “...সামাজিক মর্যাদার দিক দিয়ে ছিলেন এতো নিচের দিকে, যে তাঁরাও উঁচুজাতের ভদ্রলোকের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম ভাবতে পারতেন না।” ৪ তখনকার নানা ধরণের কৃষক বিদ্রোহ এবং ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে এদের পরিচয় ঘটছিল। কিন্তু বিশ শতকের গোড়াতে যাদের নেতৃত্বে বাংলাভাগের বিরুদ্ধে লড়াই গড়ে উঠছিল এবং সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ রূপ পাচ্ছিল, শ্রেণি এবং বর্ণ দু’দিককার স্বার্থেই এরা তার সঙ্গে কোন ধরণের আত্মীয়তা খোঁজে পান নি। ফলে কলকাতা কেন্দ্রিক যেসব ধর্মসংস্কার আন্দোলন সেগুলোর প্রতিও কোনদিনই এরা আকর্ষণ বোধ করেন নি। বিবেকানন্দ, অরবিন্দ এদের নেতা হয়ে উঠতে পারেন নি কিছুতেই, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, কেশব সেনদের তো প্রশ্নই উঠে না।
  • pi | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:১২386603
  • এটা পড়েই আজ দেব ভাবছিলাম
  • | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২৯386602
  • pi | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১২386601
  • এই ভদ্রলোকের অভিনয় বেশ ভাল লাগত, কিন্তু কোনদিন নামটাও জানিনি। মানে জানার চেষ্টাও করিনি। বেশিরভাগ চরিত্রাভিনেতানেত্রীর ক্ষেত্রেই এই হয় মনে হয়। যাহোক, ৬০ বছর টু আর্লি। আর এরকম অভিনেতাদেরও, মানে যাঁরা এত কাজ করেছেন, অর্থনৈতিক অবস্থা এরকম খারাপ থাকে দেখে অবাকই লাগছে। আবার পড়ে মনে হল ২০০৮ থেকেই অসুস্থ ? এই সব আর্টের লাইনে কোন পেনশন স্কিম, হেল্থ বেনিফিট থাকা উচিত। ক্যান্সার আক্রান্ত অভিনেতাদেরও দেখি অভিনয় করে টাকা তুলছেন। এত অভিনয় করা লোকজনের এই অবস্থা হলে অন্যদের কীরকম দশা হয় কেজানে।
    https://www.indiatimes.com/entertainment/celebs/bollywood-loses-another-great-talent-lagaan-actor-shrivallabh-vyas-passes-away-at-60_-337208.html
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৪৫386600
  • অসম-এর ঝামেলাটা ব্রিটিশরা পাকিয়ে গেছে। পার্টিশনের সময় অসমকে পূর্ব পাকিস্তানে দেবার একটা প্রস্তাব বোধহয় উঠেছিল, বা, পাঞ্জাব/বাংলার মতন ভেঙ্গে দেওয়া। পশ্চিম অসমে হিন্দুরা থাকত। তা করল না। নর্থ ইস্টের স্টেট গুলোকে বার্মায় দিয়ে দিতে পারত। অরুনাচল প্রদেশ চিনকে। কাশ্মীর পাকিস্তানকে।
    এসব করলে আজকে এত ঝামেলা হত না। ঐ রকম তাড়াহুড়ো করে তিন মাসের মধ্যে ম্যাপ এঁকে ঝামেলা পাকিয়ে চলে গেল।
  • kiki | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৩৩386599
  • আমি এখন ফাঁদে পড়ে ইঞ্জিরি বই পড়ছি। আর খুব শক্ত লোকের লেখা। অর্ধেক বুঝছি না, বাকি তিনের পাঁচ অংশ ভারী কঠিন, স্কিপিয়ে যাচ্ছি। মানে হল গে, দুই এর দশ অংশ মোটামুটি বুঝছি। (অঙ্ক ক্লিয়ার আপ্নাদের? আপ্নেরা আবার অংক ছাড়া বোঝেন না, তাই এর মধ্যেও ভগ্নাংশ আনতে হল। চাপের মামাবাড়ী)

    যাহোক, এটা হল শচিদানন্দ সহায় এর দ্য মেকং রিভার, স্পেস অ্যান্ড সোশাল থিয়োরি। বিচ্ছিরি গুনী লোক। কিন্তু এই মেকং অববাহিকা কী ইন্টারেস্টিং। আর এত্ত ভারতীয় চেনা শব্দ এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লাওসে রামায়নের নাম ফ্রা লাক, ফ্রা লাম। কী মজার না? আর কী রেসিজম সেই সভ্যতার প্রাক্কালে, ভাবতে পারবেন না মহাই। এ নদীর অববাহিকার আদিবাসীদের গায়ের রঙে ফারাক নিয়ে গল্প এবং বাজে বলে দেগে দেওয়া। একটা কুমড়ো থেকে নাকি রাশি রাশি লোক বেরিয়েছিল। এবার কারা আগুন গরম লোহা দিয়ে পথ বানিয়েছিল, তাই তারা পুড়ে কেলে হয়ে বেরোলো। আর তাই দেখে কারা যেন কেটেকুটে রাস্তা বার করল, তাই তারা ফরসা। মঙ্গলয়েডদের মধ্যেই। আর্যরা কোথাও নেই সিনে তখন। এবার কালো ট্রাইবরা ব্যাড ট্রাইব বলে খ্যাত হল। এইসব। এমনকি রাম ইন্দ্রপ্রস্থনগর না কী যেন খুঁজে বেড়াচ্ছিল। তখন পাহাড়ের নীচে এক ব্যাড ট্রাইবদের গ্রামে আতিথ্য নেয়। সেই গ্রাম প্রধান খুশী হয়ে তার মেয়েটিকে রামের সাথে বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু বিয়ে হয় না, তো মেয়েটা নাকি প্রশ্ন করেছিল, আমি কুৎসিত বলে আপনি বিয়ে করলেন না? উত্তর কী ছিল বইয়ে দেওয়া নাই।

    আর নাগ (সাত নাগ, সাতটা মুন্ডু বলে। আমরাও সাতকে সাত ই বলি। কি অদ্ভুত) তার ছেলেপুলে ইত্যাদি নিয়ে নদীর পশ্চিমপারে খুব সম্ভবতঃ থাকত, কাজেই সেখানে কেউ এলে সে তাদের উল্টো দিকে গিয়ে থাকতে বলত। তাতে সুখ সমৃদ্ধি আসবে বলে। হেল্প ও করে দিত। কিন্তু কথা না শুনলে ভারী বিপদ। এইসব।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:২০386598
  • চীনে ডিস্ট্রিবিউশন একটু বেটার, সাদা রঙে চীনের নাম্বার।
  • lcm | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:১৮386597
  • ২০১৭ রিপোর্ট
  • aka | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:১০386596
  • আমি মনে করি উই আর বেটার অফ। শুধু ক্যাপিটাল অ্যাকিউমুলেট করতাছে।
  • dc | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:৪৪386595
  • দেশের ইকোনমি তো গত সত্তর বছর ধরেই নাকি ভালো চলছে না।
  • pi | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:২৪386594
  • কেটে গেল।
    বলছিলাম ওগুলো জাস্ট রিগ্রেসিভ বলে তাও ইগ্নোর করা যায়।
  • pi | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:১০386593
  • কিন্তু মামু, দেশের ইকনমি তো মোটেও ভাল চলছেনা, এখনো না পাকার কথা তো না। আর এই গরু থেকে গৌরী লন্কেশ কালবুর্গি আফরাজুল, এ ইকনমিক ম্যাসাকার না হলেও এমনিই ম্যাসাকার, জাস্ট রিগ্রেসিভনেসও নয়, সে ঐ গণেশের মাথা, ব্যাদে সব আছে ফাছে গুলো
  • Atoz | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:২৯386592
  • অনেকদিন বিপ কে দেখি না। উনি কোথায়?
  • Ishan | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:৫৯386591
  • তা কেন। বার্নি স্যান্ডার্স তো কদিন আগেই নতুন রেটরিকের ঝড় তুললেন। দেশে যোগেন্দ্র যাদবের থিয়োরাইজেশন তো খুব ভালো। আপের উত্থানই হল ওই থিয়োরাইজেশনের হাত ধরে। কিন্তু দুইজনাই শেষ পর্যন্ত টানতে পারলেননা। বার্নিকে অবশ্য কোনোভাবেই জিততে দেওয়া হতনা, মানে আমেরিকার ইতিহাস সেরকমই বলে। কিন্তু সে যাই হোক, মোট কথা হল, পরিস্থিতি এখনও পাকে নি। ট্রাম্পের জমানাতেও না, মোদীর জমানাতেও না। ট্রাম্পের জমানায় তো ইকনমি নাকি দৌড়চ্ছে, বেকারির হার রেকর্ড লো। ফলে সিটেম ভেঙে পড়ছে তেমন না। যাঁদের এই 'রিগ্রেসিভ' ব্যাপার পোষায়না, তাঁদের জন্য আছে কিছু গরম বুলি। মিটু থেকে এখনকার টাইমস আপ মুভমেন্ট পর্যন্ত। ভারতেও রাহুল আর জিগনেশ রেডি হচ্ছে মোদীর অসহ্য রাজত্ব থেক এউদ্ধার করতে। সিটেম ভালই চলছে (এটা ব্যাঙ্গার্থে না)। এর মধ্যে অন্য ভয়েসের বিশেষ জায়গা নেই। যদি দেখেন আরেকখানা রিসেশন আসে, আমাদের চাকরি চিরতরে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে, তখন আমরাই আপসে লিডার খুঁজে নেব।
  • aka | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৩৭386590
  • বামপন্থী ভাবধারার কোন নতুন রেটোরিক নাই, থিওরী তো দূরস্ত।

    সেদিন একজন রোমানিয়ান ফ্যাকাল্টি কইল জিজেক কইছে আর্মি লেড কান্ট্রি। হাসব না কি করব বুঝি নাই।

    বামপন্থীরা যদি শিগ্গির ঠিক করে আজগের দিনে হোয়াট ইজ দা নেক্সট স্টেপ? পারবে না জানি, কোটি খানেক থিওরেটিকাল বিতর্কে জড়িয়ে পড়বে, যার কোনই ভ্যালু নাই।

    চাড্ডি চাড্ডি করে লাফান, যখন নিজেদের কিছুই দেওয়ার নাই তখন অন্যদের দিকে তাকান। ছিদ্র্ন্বেষী?
  • Atoz | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৩৩386589
  • আমাদের গাঁয়ে চীনের চাউমিন পৌঁছেছিল তিরাশি কি চুরাশি সাল নাগাদ কিংবা আরো পরে। আমরা বলতাম চাউমাউ। ঃ-)
  • Atoz | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:১৭386588
  • ওদিকে মাধ্যাকর্ষণে নিউটনে ব্রহ্মগুপ্তে আস্তিকে নাস্তিকে ভূতে ভগবানে লাঠালাঠি কান্ড। কোন কাগজে নাকি লিখেছে দ্বিতীয় ব্রহ্মগুপ্ত নিউটনের হাজার বছর আগেই মাধ্যাকর্ষণ আবিষ্কার করেন। দ্বিতীয় ব্রহ্মগুপ্ত আবার কে????? তবু ভালো যে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত নাম দ্যায় নি। যুদ্ধ ছেড়ে অঙ্ক করা বহুৎ কষ্টের। ঃ-)
  • Ishan | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:০৮386587
  • নানা। ওটা ইয়ার্কি করলাম। পিডাব্লুজি আর এমসিসি মার্জারের একটা বড়ো বাধা ছিল, বাদ না চিন্তাধারা এই বিতর্ক। পিডাব্লুজি বল্ত মাও চিন্তাধারা। আর এমসিসি মাওবাদ। বিতর্কটা নাকি সেই এমএল, আর দক্ষিণদেশ সময়ের। কিন্তু সে যাই হোক, আমি খালি ভাবি, এইসব আগুনখোর লোকজন বছরের পর বছর এই একটা ক্যাটিগরি নিয়ে তক্কো করে যাচ্ছে।
  • dd | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:১৪386586
  • এ আবার কেমনতরো প্রশ্ন ? মাও সে তুং তো অবশ্যই মাওবাদী ছিলেন। জীবন্ত ও লাথাত্তেন সেই ৭৬ পর্যন্ত্য। খালিস্তান তখনো আসে নি - দ্যাটস ট্রু। বাকীগুলো তো ওনার সজ্ঞানেই হয়েছে।

    ব্যাস। চীন বলে দিয়েছে। আমাদের আর কোনো প্রশ্নো নেই। তবে ওনার এন্তেকালের পর চীনসর্বস্ব চিন্তাধারাটা কমলো। যদিও তদ্দিনে ম্যাগী এসে গ্যাছে ঘরে ঘরে।
  • Ishan | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৫৮386585
  • মাওবাদ না মাও-সে-তুং চিন্তাধারা? :-)
  • dd | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৩৪386584
  • আমাদের যইবনে ("এই রেঃ, আবার ভাম বাবাজি নস্টালজি শুরু করেছে, ক্ষি বোর, ক্ষি বোর) মাওবাদে আমরা খুব জানতেম সকল সম্প্রদায়,জাতি'র স্বাধীনতার ইচ্ছেকে খুবসে তোল্লাই দিতে হয়। কাশ্মীর,নাগাল্যান্ড, মায় পার্ক সার্কাস। সবাইকেই স্বাধীনতা দিতে হবে। এমন কি খালিস্তানকেও। "অমর শহীদ বিয়ান্ত আর সতবন্ত সিং যু যুগ জিও" করে মিছিলো ও বেরোতো নকুদের।

    তবে মাঝখানে খুব জোরে থাপ্পর খেয়েছিলাম ৭১এ। বাংলাদেশ স্বাধীন হতে চাইলে চীন মোট্টে সাপোট কল্লো না। বাধ্য হয়ে বেশ কিছু গ্রুপ(ইনক্লুডিং অসীম চট্টো) "ভারতীয় নয়া সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা আক্রান্ত দেশপ্রেমী পাকিস্তানীদের পাশে দাঁড়ান" বলে ক্যালোর ব্যালোর করতো। কেউ কান দেয় নি অবশ্য।

    সেই ট্র্যাডিশনই চলছে।
  • Ishan | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৫৬386582
  • রোবু, ওই স্লোগান ডিএসইউ এর ওই জমায়েত থেকেই উঠেছিল, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। কেউ কেউ বলেছে, ওটা বহিরাগত(মানে জে-এন-ইউ এর বাইরে থেকে আসা) কাশ্মীরিরা দিয়েছিলেন। সেটা অসম্ভব কিছু না। এই নিয়ে গাদা লেখালিখি হয়েছিল, এখন আর গুগল করে খুঁজতে ভালো লাগছেনা। স্লোগানে আপত্তি করারও কিছু নেই। ওগুলো জাস্ট স্লোগানের নামে স্লোগান হতে পারে, হিট অফ দা মোমেন্টে আবেগের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে, আবার কেউ সত্যি সত্যিই অমন মনে করতে পারেন, তাতে কোনো চাপ নেই। চাপ হল ওনারশিপ না নেওয়ায়। জিনিসটা জানাজানি হবার পর ডিএসইউ প্রকাশ্যে বলতে পারত, ওটা বাইরের লোকে এসে করেছে, আমরা কিছু জানিনা। অথবা ওই স্লোগান আমরাই দিয়েছি, ওগুলো আমাদেরই স্লোগান। দুটোই ভ্যালিড স্ট্যান্ড। কিন্তু তারা এর কোনোটাই করেনি। এতদ্বারা কী বুঝব?

    আর ওই স্লোগানটা খুব বড়ো পয়েন্ট না। পয়েন্ট হল, রাজনৈতিক অবস্থানটা। খুব বেশি অ্যান্টি স্টেট, জেন্ডার এবং কাস্টের চ্যাম্পিয়ন, এবং সুবিধেবাদী (অর্থাৎ কোনো কনসিস্টেন্ট স্ট্যান্ড নাই)। যদি ভারত টুকরো করাটাই স্ট্যান্ড হয়, সেটা জোরে বলা দরকার। না হলে সেটাও ক্লিয়ার করা দরকার। যদি কাস্ট এবং জেন্ডারই মূল ফোকাস হয়, সেটা জোরে সোরে বলা দরকার, নইলে উল্টোটাও ক্লিয়ার করা দরকার। যদি ভারতীয় রাষ্ট্রের অপ্রেশন ব্রিটিশ রাজের চেয়েও বেশি মনে হয়, সেটা পরিষ্কার করে বলা দরকার। এত ধরি-মাছ-না-ছুঁই-পানি কিসের?
  • T | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:১৬386581
  • ওয়েঙ্গার সায়েবও বরখাস্ত হচ্চেন শুনলাম। গুজব হতে পারে অবশ্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত