এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১০387000
  • আমি একটাও শবর দেখিনি - কত জ্ঞান মিস কচ্চি -

    শীর্ষেন্দুবাবু আর অরিন্দমবাবুকে ধরে দ্য রিডার দেখাতে ইচ্ছে করে -
  • avi | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৩386999
  • জোসেফ ডালটন হুকারের হিমালয়ান জার্নাল পড়ছিলাম। একটা বিষয় আবার মনে হলো। ছবি তুলে সাথে দিয়ে দেওয়ার সুবিধে না থাকলে দৃশ্যের অনুপুঙ্খ বর্ণনার একটা তাগিদ থাকে, যা অনেক সময়েই ভালো লাগে এবং লেখা তথ্যবহুল হয়। বিভূতিভূষণের আরণ্যকেও এই জিনিস আছে, তবে হুকার অনেক বেশি গুরুদেব মানুষ। আমি ভ্রমণকাহিনী লিখতে গেলে এখানেই মার খেয়ে যাব। 'কতরকম গাছ আর কতরকম পাখি' লিখেই একটা ছবি দিতে হবে। বা চরিত্রচিত্রশালায় জোর দিতে হবে। ভাষার জোরে হুকার বা লোতি দূরে থাক, স্রেফ পর্যবেক্ষণ আর বর্ণনার অভ্যেসটাই হয়ে ওঠে নি। :(
  • | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০০386998
  • এই টি আর আমি (ঝাপসামত) ছাড়া আর কেউ বোধহয় বার্সাকে সাপোর্ট করে না। :-))

    আমি একটা শবরও দেখি নি হুঁ হুঁ বাবা
  • সিকি | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৫৮386997
  • নিউটন শেষ দশ মিনিট ছড়িয়ে ছত্তিরিশ করেছে। বেশ চলছিল। টানটান ছবি। কিন্তু ঐ শেষ দশ মিনিট না দেখালে কী হত? ক্ষীঈ হতোওওও?
  • T | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:০০386996
  • এরপর এস্পানিওলকে খেয়ে ফেলবো। ওরা আগেরদিন বড্ড নাচানাচি কচ্চিল।
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৫৩386995
  • ৫-০ হয় নি তো, এবার হতে পারত
  • T | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৩৮386993
  • হা হা হা হা, রিয়েল বেতিস। পাঁচ গোল দেওয়া হয়েচে।
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৩৮386994
  • সিবি-কে দেখি না আজকাল, ব্যস্ত?
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৩৬386992
  • হ্যাঁ, তোমরা ৭৫-এর বদলা নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছ :-)
  • cb | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:২৯386991
  • ৫-৬ গোল হত, বড্ড মিস হয়ে গেল :(
  • S | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:১৬386990
  • মুক্কবাজ দেখতে হবে তাহলে। এই অনুরাগ কাশ্যপ বলিউডে থেকে একের পর এক এতো ভালো সিনেমা করে কি করে? বাকিরা শিখলেও তো পারে।
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:১১386989
  • মোবা নাকি মারাত্মক ভাল খেলেছে, এই শতকে বেস্ট পারফরম্যান্স।

    গান্ধী, টি, অরিজিত - সব মোবা সমর্থকদের অভিনন্দন, এক ইবে সমর্থকের পক্ষ থেকে
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:২২386988
  • ভাবতে চেষ্টা করছিলাম নার্সারিস্কুলে প্রাইমারিস্কুলে তাহলে ব্যাপারটা কী হচ্ছিল আমাদের ক্ষেত্রে? কারণ নার্সারির ভর্তির পরীক্ষাতেই বড়ো বড়ো অক্ষর দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করছিল এটা কী ওটা কী? অর্থাৎ বর্ণপরিচয় বাড়িতেই হয়েছিল। পড়তে শেখাও তাই। সংখ্যা শেখাও তাই। যোগ বিয়োগ গুণ ভাগও তাই। স্কুলে শুধু জিনিসগুলো ক্রমাগত ঝালানো হত। পাঠ্য বই টই সবই প্রধানতঃ ঝালানোর জন্য। তারপর পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে নতুন ক্লাসে ওঠা। শিক্ষকরা ঐ ঝালানোর ক্ষেত্রেই সাহায্য করতেন আর প্রশ্ন ধরতেন আর বছর মাঝে আর শেষে পরীক্ষা নিতেন।
    তবে স্কুলের আর একটা বিরাট উপযোগিতা আছে, সামাজিকতা। সহপাঠী বন্ধুবান্ধবে মিলে গল্প করা, খেলাধূলা করা, নাটক করা, নাচগান করা---এসব সুবিধে। ঃ-)
    আহা, আমাদের সেই "অমল ও দইওয়ালা" নাটক, আজও মনে পড়ে। ঃ-)
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:১১386987
  • ইস্কুলের ব্যাপারে এককের সঙ্গে একমত। ইস্কুল-ব্যবস্থা একটা ট্রেনিং-সিস্টেম, যার শেষে একটা সনদ পাওয়া যায় যে এই লোক এই এই জিনিস জানে। লিখতে পড়তে যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ ইত্যাদি করতে, নিয়মাবলি পড়ে বুঝতে ইত্যাদি ইত্যাদি।
    ব্যাপারটা যদি বিশুদ্ধ জ্ঞান ইত্যাদির কেস হত, তাহলে স্কুল দরকার কীসের? বাড়ি, বাগান, লাইব্রেরী, চার্চ, মন্দির, হরিসভা, সাম্যবাদী পাঠচক্র, সাক্ষরতা অভিযান কেন্দ্র যেকোনো জায়্গাতেই জ্ঞানলাভ সম্ভব প্রয়োজনীয় রিসোর্স সেসব জায়্গায় থাকলেই। এমনকি চন্ডীতলাতেও অক্ষরপরিচয় করিয়ে লিখতে পড়তে শিখিয়ে দেওয়া যায় যদি একজন লিখতে পড়তে জানা লোক থাকে।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:১৭386986
  • যাত্রাও হত তুমুল তখন, মার মার কাট কাট যাত্রা, "সিঁদুর পেয়েছে সীমন্তিনী"। বড়ো বড়ো মাঠ ছিল শহরতলীতে মফস্বলে। মাইক নিয়ে প্রচার হত রিকশায়। শীত পড়লেই যাত্রা হত। সব এই রকম যাত্রা। মাঠ গেল, যাত্রা কমল, মহা ঝামেলা। তাই এখন যাত্রা ঢুকেছে সিনেমায়, মিলিয়ে মিশিয়ে কাজ হয়। ঃ-)
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:১৬386985
  • পাই, নিউটন বেশ ভাল লেগেছে
  • Ekak | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:০৯386984
  • দ্যাখেন ফিল্ম বানাতে কোটি ট্যাকা খরচ .। এতো সাহিত্য নয় যে পাঁচশো কপি বিক্কিরি হলেই লেখক প্রকাশক ভজো গৌরাঙ্গ :) এরা তাই বানাচ্ছে যা বাঙালির মরালিটি। এখন নতুন সিনেমা "বৌমা ডিটেকটিভ "। এক বৌমা যাকে তার স্বামী পরিচয় দিতে লজ্জা পায় সেই গোয়েন্দাগিরি করে বরকে বাঁচাচ্ছে। তো সেসব নাটক তো নয় হলো। গল্পটার ক্রাক্স কে হোল্ড করে আছে পোস্টার এর স্টিল টা। সাদা কালো পোস্টারে বৌমার মাথায় লালসিঁদুর।

    মনে পড়লো, ছোটবেলায় দেখতুম ফটোল্যাবে লোকজন বলে যেত ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ছবিতে লাল সিঁদুর যেন পরিয়ে দেওয়া হয় !!! ফটোগ্রাফার রা সধবার পোর্ট্রেট এ সিঁদুর এবং মৃতের পোর্ট্রেট এ চন্দন আঁকতেন। সেইদিন আসিতেছে :):)) ডিটেকটিভ বড় কথা নয়, বর বৌ এর প্রেম ফ্রেম কিছুই বড় নয়, "বৌমা " ইমেজ যেন ড্যাব ড্যাব করে জেগে থাকে পোস্টারে। মোটা দাগে।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৪৫386983
  • আরে ঐ মিঠু মিত্তিরের মোটর সাইকেলের পেছনে তো শেষে ওড়না দিয়ে ঘোমটা দেওয়া এক সুন্দরীকে পুরস্কার দেওয়া হল, সেই সুন্দরী আবার মন্দির থেকে পুজো দিয়ে প্রসাদের থালা নিয়ে বেরোলেন। ঃ-)
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৪৩386982
  • লেখকমশাই আনন্দে তিনপাক গড়াগড়ি দিয়েছেন। তাঁর গোটা জীবনের সাধনা সফল। ঃ-)
  • Ekak | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৩৮386981
  • কেন আগের শবরগুলোতেও চাইলে দিব্য ছেলেদের দিকে ঝোল টানা খুঁজে বের করা যায়। প্রথমটাতে মেপেজুকে। সাদাকালো সব চরিত্র। মিঠু মিত্তির এর চরিত্রে কুনো দাগ নাই। আর তার প্রাক্তন বৌ ছেনাল শিরোমনি। দ্বিতীয়টায় তো খোলাখুলি। গোটা ঈগলের চোখ জুড়ে প্রমান করার চেষ্টা হলো একপাল মেয়ে মিলে একটা দুদুভাতু ছেলের জীবন নষ্ট করে দিলো।

    ঈগলের চোখ == থিওরাআইজ করার চেষ্টা যে মাগীবাজ পুরুষ রা আসলে দেওরবাজ বৌদিদের চাইল্ড এবইউজের ফসল :):)

    চাইলেই, প্রবন্ধ নাবান যায়। তবে হাতে সময় নাই। এবারেট্টা পড়ে একেবারেই অবাক লাগছেনা রাদার এদিকেই এগোচ্ছিল :) এমনিতেই হুড্যানিটের ভিক্তোরিয়ান লিগ্যাসি ই হলো গোয়েন্দা হবে মরাল মেসো। স্বয়ং শার্লক ও গাদা নাখড়া করেছেন। আর এ তো অম্বুলে বাঙালির ম্যাটিনি চচ্চড়ি।

    তবে শিওর দেখবো, শাশ্বত এখনো অভিনয়টা ভালোই করে।
  • pi | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:০৬386980
  • কেউ দেখেছেন আসছে আবার শবর ? এইসব ডায়লগ দিয়েছে নাকি ! আগের শবর সিরিজে তো এরকম কিছু ছিলনা !

    ''আসছে আবার শবর' দেখে যা যা নৈতিক শিক্ষা পেলাম তা হলঃ
    ১। ডেটিং সাইটগুলো আসলে কল গার্ল পিক আপ করার জায়গা। মানে সেক্স নিয়ে লুকোছাপা নেই যাদের তারা হল বেশ্যা।
    ২। একটি ২০ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের ঘরে আই পিল খুঁজে পাওয়া যাওয়ার অর্থ হল বাবা-মা শাসন করতে না জানায় মেয়েটি বেলাল্লাপনা করছে।
    ৩। ভদ্র ঘরের ছেলেরা রাফ সেক্স বা bdsm করে না। আর কোনও কারণে যৌনতার মোক্ষম মুহূর্তে একটু রাফ আপ্রচ হলে একজন ভালো প্রেমিকার উচিৎ তাকে জানোয়ার সাব্যস্ত করে চলে যাওয়া।
    ৪। স্বামীর ব্যবহারে অসন্তুষ্ট যে সব মহিলারা বিবাহ বিচ্ছেদ করেন এবং তারপর প্রেমিকের সাথে সম্মতিক্রমে সেক্স করেন বা অন্য পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন তাদের বলে ' পুরুষ চাটা মেয়েমানুষ'।
    ৫। একজন পুরুষের পৌরুষের মাপকাঠি হল সে তার পুরুষাঙ্গ নারীর যৌনাঙ্গের কতখানি গভীরে প্রবেশ করাতে পারেন। বাকি তার নম্রতা-ভদ্রতা, বা সহনশিলতা ইত্যাদি দিয়ে ইয়েটা ছেঁড়া যায়।
    ৬। সমস্ত নাইট ক্লাব বা পাবগুলি আসলে বেশ্যাদের ধান্দা করার জায়গা।
    ৭। গরীব ঘরের ছেলেরা রেপ করে এবং খুন করে।
    ৮। ম্যারিটাল রেপের মতন ছোটোখাটো ভুলগুলোকে মুছে ফেলেই নতুন সংসার, নতুন জীবনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়।

    মা গো! এক সিনেমায় এত নৈতিক শিক্ষা! দাঁড়ান একটু জিরিয়ে নি! আবার পরে বলব ক্ষণ!'?
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:০৮386979
  • কড়াপাকের সন্দেশকে সুইট ক্যান্ডি বলতে শিখিয়ে দিয়েছিলেন এক বন্ধু-মহোদয়, চেকিং এর সময় তাই বলতে হল। ঃ-)
  • Du | ২২ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:০৫386978
  • আমিও মিষ্টিকে ক্যান্ডি বলে আনছি।
    দে হিন্দি সিনেমা দেখোনি আগে নইলে মুক্কা না শিখে উপায় ছিলো না ঃ)
  • Ishan | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৫৭386977
  • নাবালকদের অপরাধের হিসেব দিয়েছে দেখছিঃ

    ২০১৪ঃ ১৫৬৬
    ২০১৫ঃ ৫৬২
    ২০১৬ঃ ৭০৯

    বাড়লটা কোথায় বুঝলাম না।
  • একক | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৪০386976
  • তবে, আমার ব্যক্তিগত ধারণা যে নাবালক দের জেলে না দেওয়ার আইন হয়েছে নাবালকদের প্রতি কোনো আহ্লাদ থেকে নয়। ঠিক যেমন শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হয়েছিলো সিশুপ্রীতি থেকে নয়, বড়দের শ্রমমূল্য বাড়াতে। ঠিক সেরকমই, নাবালকদের জেলে ভরার আইন হলে পৃথিবীজোড়া না খেতে পাওয়া ভিক্ষে করা কোটি কোটি নাবালক এর একটা বড় অংশ কোনো না কোনো ছুতোয় জেলে ঢুকে বসে থাকবে। হুইচ ডাস নট মেক দ্য প্রপজিষণ প্রফিটেবল।

    অবশ্য নাবালক জেলের আরেক নাম তো ইস্কুল। সেই জেলটাকে ঠিকঠাক চালাতে পাড়লে সমস্যা ওনেক কম হত। লোকে জ্ঞান ফ্যান কে মুখ্য করে তুলে ইস্কুল ব্যবস্থাকে ভোগে পাঠিয়ে দিল ধুর্ধুর্ধুর :/
  • একক | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:৩৫386975
  • নাবালক সেক্টর টা কে আলাদা করার ফলিত সুবিধা কিছু নেই। আদতে যদি সংশোধনের থিওরি কাজ করে তো নাবালক কে জেলে পুড়লেও করবে। বেকার আতুপুতু। এদিকে বলছে নাকি জেইল মানে সংশোধনাগার ওদিকে নাবালকদের জেলে দিলে উল্টে খারাপ হবে। যত্ত বুলশিট।
  • | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:০৮386973
  • Menger | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:২০386972
  • Menger thought the value of any good was connected to our needs, but he was extraordinarily attuned to the complexity—and contingency—of that relationship. Needs, wrote Menger, “at least as concerns their origin, depend upon our wills or on our habits.” Needs are more than the givens of our biology or psyche; they are the desideratum of our volitions and practices, which are idiosyncratic and arbitrary. Only when our needs finally “come into existence”—that is, only when we become aware of them—can we truly say that “there is no further arbitrary element” in the process of value formation.
  • de | ২১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:২৭386971
  • বম্বেতে কিছুদিন বাদে ট্রাফিক জ্যাম এতো বেড়ে যাবে যে গাড়ি চালানোই বন্ধ করতে হবে। কাল ১৫ কিমি দূরের মাল্টিপ্লেক্ষে প্যাডিংটন টু দেখবো বলে একঘন্টা পনেরো মিনিট আগে বেড়িয়ে সিনেমা শুরুর ৪৫ মিনিট পরে পৌঁছেছি - কি ভাগ্যি টিকিট বুক করা ছিলো না! তারপর মুক্কাবাজ দেখে ফেরত এলাম - মুক্কাবাজ মানে যে বক্সার সেটাও কালকেই জানলাম। সিনেমাটাতে একটাও বিখ্যাত মুখ নেই, কিন্তু ইউপির কাস্ট পলিটিক্স, বাহুবলী পলিটিক্স খুবই ভালোভাবে ধরা হয়েছে। খুবই রিয়ালিস্টিক - অনুরাগ কাশ্যপের মুভি। কোন আশার আলো-টালো বিশেষ দেখাবার প্রচেষ্টা নেই - একদম রিয়াল সিচুয়েশনকে তুলে আনার সৎ প্রচেষ্টা। বম্বেতে দেখলাম এটা বেশ চলছে - আমি মাল্টিপেক্ষের টিকিট-ললনার সাজেসানে দেখলাম, নাহলে এর'ম কোন মুভি যে রিলিজ হয়েচে তাই জানতাম না!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত