এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:৫৩387540
  • নেমন্ত অ্যাট মুকুটমণিপুর। জল পাহাড়ের দেশে। এখন পলাশ নেই, নইলে জায়গাটা অসাধারণ হয়। :))
  • sm | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪০387539
  • চমৎকার বলেছেন। এই ঘৃণা জিনিষ টাই খুব খারাপ। আমি নাস্তিক তাই ঈশ্বর বিশ্বাসী দের ঘৃণা করি।এই রকম এটিচিয়ুদ থেকেই প্রবলেম সৃষ্টি হয়। আমি বিজ্ঞানের ছাত্র-ধৈর্য্য ধরে বোঝাবো ওঝার কাছে যাওয়ার চাইতে, হাসপাতাল ঢের ভালো অপশন। দশ জনের মধ্যে দুজন মানলেও বিরাট প্রাপ্তি। গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাই।
    পুজোর চরণামৃত খাবার ক্ষেত্রে ও তাই।
    দোষ আমাদের। ভাল করে বোঝাতে পারছি না।
  • de | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:০২387538
  • ঘিনঘিন না করে ঠান্ডা মাথায় বোঝানোর চেষ্টা করাটা বেটার - কতজনকে দূরে সরাবেন? ষাট-সত্তর কি তার থেকেও বেশী শতাংশের লোক বিশ্বাস করে এতে - ঘৃণা দিয়ে দূরে সরালে তো সারাজীবনই এরা এরকম থেকে যাবে। আমি তো প্রত্যেকবার গ্রহণের সময়ে যারা খান না তাদের সঙ্গে গিয়ে ভালোভাবে বোঝাবার চেষ্টা করি - তাতে অনেক বেশী কাজ হয়! ইন ফ্যাক্ট, কারো যদি খুঁতখুঁতানি থাকে যে সে গ্রহণের সময়ে খাবে না, তাকে খেতে জোর না করে যদি শুধু এইটুকু স্বীকার করানো যদি যায় যে সে খেলেও বিজ্ঞান-মতে কোন ক্ষতি ছিলো না, তাও অনেক। খেতে জোর করার কোন মানে নেই। যুক্তিকে প্রতিযুক্তি দিয়ে কাটলে বেটার - সব রকম কুসংস্কারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ স্নবের মতো আচরণ না করে, সাধারণ মানুষকে বোঝানোর দায়িত্ব নিলেই ভালো। মানুষকে এতো ঘেন্না করে দূরে সরানো কি ভালো?
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:২০387537
  • আমি দিব্বি বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম ড্যাবড্যাব করে। খুবই ভাল দেখা গেছে।
    ঘেন্না লাগাই স্বাভাবিক।
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:১৯387536
  • ওহো অভি নেমন্ত করেছে। তা কোথায় যেতে হবে নেমন্ত খেতে? মানে সত্যি যদি যেতে চাই।
  • pi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৩387535
  • ওদিকে কীকরে ব্যবসা শুরু করবেন কে কীকরে ব্যয়লা বাজানো শুরুকরবেন পড়ে ঘাবড়ে গেছিলাম।
  • pi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৫২387533
  • ওদিকে আবার অরূপ কেশরীর এই পোস্টটা পড়লাম। এখনো আই টি আপিসে, তাও কোলকাতায় এসব দেখা যায় !!

    'আজকে দুপুরবেলা অফিসে আমার পাশে বসা কয়েকজন কলিগ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিল, তারা গ্রহন (আজকের চন্দ্র গ্রহন) শেষ হলেই অফিস থেকে বেরোবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম গ্রহনের সাথে অফিস থেকে বেরোনোর কি সম্পর্ক? বলল, গ্রহনের সময় উচিৎ নয় বাইরে বেরনো। এদের মধ্যে একজন আমার সাথে রোজ লাঞ্চ করে। আজকে লাঞ্চে যেতে বলায় বলল, খেয়ে এসছে বাড়ি থেকে কারন বিকেলের টিফিন আগেই করে নিতে হবে, গ্রহন লাগবে বলে।

    বিকেল বেলায় বাইরে চা খেতে তাড়াতাড়ি বেরোতে হল ওদের জন্য যাতে গ্রহন লাগার আগেই বাইরে থেকে যা কিছু খাওয়ার, খেয়ে নিতে হবে। চা-টা খেয়ে অফিসে ঢুকলাম। একজন কলিগকে জিজ্ঞেস করলাম, চা খেলে না যে। বলল, অফিসেই নিয়ে নেবে (ফ্লোরে রাখা মেশিন থেকে)। আমি বললাম, গ্রহন তো শুরু হয়ে গেছে। এই বললে গ্রহনের সময় কিছু খেতে নেই, বলল, বাইরের কিছু খেতে নেই কারন গ্রহনের সময় বাইরের খাবারে, জলে ইনফেকশান হয়ে যায়, যেটা অফিসের ভেতরের খাবারে, চা-এ হয় না।

    আমি জিজ্ঞেস করলাম গ্রহনের সাথে অফিস আর বাইরের কি সম্পর্ক? বলল, বাইরে তো সুর্যের আলো পড়ছে, অফিসের ভেতরে পড়ছে কই? তখন সন্ধ্যে ৬টা বাজে। আমি বললাম সন্ধ্যে হয়ে গেছে, এখন সুর্য কোথায়? বলল, আরে, সুর্য থেকে আলো চাঁদে পড়ে রিফ্লেক্ট হয়ে অনেকরকম জিনিস হয়। গ্রহনের সময় বাইরের খেতে নেই, এটা সাইনটিফিক্যালি প্রমাণিত।

    এদের কথা শুনে আমার হাসি পাচ্ছিল না, প্রচন্ড ঘেন্না লাগছিল। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, দেশ বিদেশে ঘোরা, ইন্টারনেট জগতের সাথে সারাক্ষণ থাকা এই অধমগুলোকে ঠিক কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আজকের এই বিরল চন্দ্রগ্রহন ঘটনা চাক্ষুষ করার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ দূরবীন নিয়ে বসে আছে, সেখানে এরা গ্রহনের সময় কি খাবে, কখন বেরোবে এগুলো নিয়ে আলোচনা করছে। ছিঃ এদের সাথে সারাক্ষন থাকতে একটা গা ঘিনঘিন লাগে সবসময়।'
  • পিনাকী | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৫২387534
  • হ্যাঁ, কাঁটার মুকুট পরে অভিষেক, আর তার পরদিন থেকেই অভিযোজনপর্ব শুরু। প্রথমটায় সবাই একটু বেশীই অভিভূত হয়ে পড়ে। এরকম অবস্থায় রোজরোজ নতুন অভিযানে না নামাই ভালো। তবে কখনও সেরকম গাড্ডায় পড়লে উদ্ধারের জন্য গুরুর অভিভাবকরাতো রইলই।

    অভিবাবুকে বল্লাম।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৩০387532
  • রহস্যরোমাঞ্চ জঁরায় গুরুর তো ফুটপ্রিন্ট নেই। এই শ্রীনগরে শীৎকার কি পাব্লিশ করবে?
  • সিকি | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৮387531
  • আহা, কিকির রোমহর্ষক গল্পটা এতক্ষণে পড়ে উঠলাম। ফাটাফাটি। অসাম।
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৩০387530
  • সেদিন শওকত আলি চলে গেলেন কাল আবার মনীন্দ্র গুপ্ত!
  • de | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:২১387529
  • বাপরে কিকি কিসব রোমহর্ষক পোস্ট করেচে - আমি ফেবুতে যাবার মোটে টাইম পাচ্চি না - ঝুমঝুমির অতো ভালো গোয়ার গল্পও আমর শেষ করা হোলো না - এসব মণিমুক্তো সেই টইতে তুলে রাখা হোক -

    জবাহরলালের নামে অনেক হত্যার বদনাম - সুভাষ বোস, শ্যামাপ্রসাদ মুখুজ্জে - উনি কি বেছে বেছে বাঙালী নেতাদেরই মারতেন?

    সিকির গাড়ির রঙ্টা আর সাঁঝের আঁকা কার্ড - দুটোই সুন্দর!
  • de | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:১৭387528
  • ক্ষী ভালো!

    অভিকে এবং অভিসারিকা কে অভিনন্দন! সব অভিলাষ পূর্ণ হোক -
  • পাই | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৫৩387527
  • ভাল লাগল পড়ে।
    ---

    আমরা একটা বিনা পয়সার বাজার খুলেছি বহরমপুরে। যেন এক আস্ত দোকান। আমাদের সংস্থা MGYS থেকে SHARE নাম দিয়ে এই কাজ শুরু হয়েছিল, দোকানের নামও দিয়েছিলাম,'বিনা পয়সার বাজার'। সহ নাগরিকেরা যে ভাবে আমাদের সাহায্য করছেন তাতে এই আকালেও স্বপ্ন দেখা বিধেয়। আমরা আপ্লুত, মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়ায় এই প্রত্যয়ে ঋদ্ধ। ফেসবুকে যে পরিমান মানুষ এই বিষয়টি শেয়ার করেছেন তা আমাদের ধারনাতীত ছিল। তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। তাদের শেয়ারের কল্যাণে শত পুষ্প বিকশিত হোক। মূল ভাবনাটি নতুন নয়। দেশে দেশে এই ধরনের কাজ হয়ে আসছে। আমরা শুধু কার্যকরী একটা রূপ দিয়েছি মাত্র। এই কাজ করতে গিয়ে কিছু অনির্বচনীয় মুহূর্ত সৃষ্টি হচ্ছে এখানে। অনির্বচনীয়- তবু বলতে ইচ্ছা করছে, কারণ যারা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এ আনন্দে তাঁদেরও সমান অংশ আছে। --------------১# এক টোটো চালক অনেক বেছে পোশাক নিলেন। সযত্নে সে দুটি টোটোতে রেখে এসে বললেন, "মেয়ের জন্য নিলাম। খুব মানাবে ওকে। তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেল। ওর দুটো সুন্দর জামা আছে, আর পরতে পারেনা, আমি এখানে দিয়ে যাব।" --------------------২# আমাদের এক সদস্য সম্পূর্ণ নিজের কাজে এক ওয়েল্ডিং কারখানায় উপস্থিত। ভালো মানুষ গোছের মালিক সোৎসাহে বললেন, আরে দাদা দারুন কাজ করছেন তো। আলমারি খুঁজলে দুব্যাগ পুরোনো জামাকাপড় বেরুবে। আমি সব দিয়ে আসবো। বেরোনোর পথে কারখানার কাজ করতে করতে উঠে এসে কয়েকজন জিজ্ঞেস করলেন, দাদা, আমরা গেলে পাবো? --------------------৩#বেশ কয়েকজন বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে এক মহিলা এলেন। অভাবের ছাপ সর্বাঙ্গে।বাচ্চারা আছে দেখে সাহায্য করতে উঠলাম। প্রচুর কলরবসহ এই শপিং দেখতে মজাদার হলেও গোছানো জামাকাপড়ের লণ্ডভণ্ড দশা। তার মধ্যে প্রায় সবাই কিছু না কিছু পেলো, একজন ছাড়া। হঠাৎ মনে পড়লো এক ব্যবসায়ী বন্ধু কিছু ইলাস্টিক দেওয়া নতুন স্কার্ট দিয়ে গিয়েছে। হয়তো ওর হবে। সেটা খুঁজেপেতে ওকে দিতে পেরে খুব আনন্দ হলো। পাশেই একটা ঘরে আমরা পোশাক জমা করি। সেখানে গেলাম নতুন স্টক দেখতে। দেখি গুটিগুটি পায়ে সেই মেয়ে স্কার্ট হাতে হাজির। অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে স্কার্ট সহ হাতটা বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, এটা কী করে পরবো? ওর মুখ দেখে মনে হলো আমার মতো অপগন্ড লোক ও জীবনে দেখেনি। আমার বিহ্বল দশা দেখে প্রশ্রয় মিশ্রিত ধমকের সুরে বললো, এটা কীসের সাথে পরবো? তাইতো শুধু স্কার্ট পরা যায় নাকি? আমি জমিয়ে রাখা পোশাকের মধ্যে টপ খুঁজতে লাগলাম। গোটা কয়েক খুঁজেও পেলাম কিন্তু কোনোটাই ওর পছন্দ নয়। গলদঘর্ম অবস্থা আমার। এমন সময়, ওই তো ওটা বলে সে তার খুদে আঙুল তুলে দেখালো যেখানে একটু বড়দের পোশাক রাখা আছে। বললাম, ওটা বড়দের,তোর হবেনা মা। নামাও তুমি, এমন ভাবে বললো যেন নাগালে পেলে নিজেই নামিয়ে নিত। পাড়লাম। আমাকে আশ্চর্ম্য করে টপটি, যার রঙ স্বপ্নের মতো গোলাপী যেন ওর জন্যই তৈরী। বললামনা, বলে আমার হাত থেকে টপটি নিতে নিতে সে যে হাসি উপহার দিলো তার জন্য এ জীবনের অনেক কিছু ছেড়ে দেওয়া যায়। --------------------------৪# কর্মী মানুষের মতো আঁটোসাঁটো শাড়ি পরে এক জন এগিয়ে এলেন। হাতে একটা প্যাকেট তাতে যত্নে গোছানো একটা শার্ট, বললেন,"ছেলের জন্য নিয়ে গেছিলাম, বড় হচ্ছে ! এর থেকে ছোটো নাই?" শার্টটা ফেরত দিয়ে আরেকটা খুঁজতে লাগলেন। না, পছন্দ আর হলোনা। বলে গেলেন পরে আসবেন ------------------------৫# রবিবার ভিক্ষাজীবী মানুষেরা দল বেঁধে আসেন। তাঁরা আমাদের সম্মাননীয় গ্রাহক। জীবিকার ফাঁকে কিছু সময় দেন আমাদের দোকানে। আমরাও খদ্দের ফিরতে দিই না। এটা ওটা দেখাই, পছন্দ করানোর চেষ্টা করি। আমার এক বন্ধুতো এক দিলখোলা বৃদ্ধাকে হাউসকোটের গুনাগুন বোঝাতে চেষ্টা করেছিল। খদ্দের যায় যায় অবস্থা। যাই হোক সেদিন বেশ ব্যস্ত পায়ে এক লোক এসে হাজির। একটি হাত কিছুটা বিকল। সোজা এগিয়ে এসে বললো, " আমি বুনের লেগে সালোয়ার কামিজ লিব" তখন গোটা দশেক সালোয়ার কামিজ হ্যাঙ্গারে রাখা ছিল। সে বাছতে লাগলো। সে অন্বেষণ স্বর্গীয়। খুঁজছে সেই পোশাক যা সে কল্পনায় তার বোনকে দিতে চায়। কাপড় পরখ করে, আলোর দিকে তুলে বুনট দেখে, কখনও নিজের শরীরে ধরে মাপ বোঝার চেষ্টা করে, রঙ দেখে, মাঝে মাঝে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়-এটা সুতি? এইটার রঙ বেশি ভালো না? আর নাই? এক সময় তার বাছা শেষ হয়। হ্যাঙ্গারটা এনে আমার হাতে দিতে দিতে বলে,"এই টোই সবচেয়ে ভালো" আমি গুছিয়ে তার হাতে দিতে গিয়ে অজান্তেই বলে ফেলি, ভালো থাকিস বোন। ------------------------------------------------------------ আগের পোস্টে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা দেওয়া ছিলোনা। অনেকেই তা জানতে চেয়েছেন। এবার "SHARE" এর ঠিকানা দেওয়া গেলো।--------------------------------- MGYS / Cantonment Road (Near Court Market) / Berhampore / Murshidabad / West Bengal / 742101. Contacts : 9474316622, 9475070667, 9434108756
  • যাতা | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৩387526
  • লোয়ারও তো ন্যাচারাল ডেথ, ডাক্তাররাই লিখেছে| এখন কত গুল্প বেরোচ্ছে|
  • জসল | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৭387525
  • আবার উল্টোদিক থেকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন মালী।

    তবে কর্তৃপক্ষকে আমি সাধুবাদ দিই। এমন প্যাঁচা ও সর্পিল অরণ্যকারাগারে মালী অ্যাপয়েন্ট করতে ভোলেনি।
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:২৯387524
  • হ্যাঁ বিশেষ করে তখনও তো হেডউইগ বা এরোলের কথা কেউ জানত টানত না।
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:২১387523
  • এইয়ো ডিসি, toddy মানে তাড়ি তো?
  • b | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:১০387522
  • শুধু সাপ নয়, পেঁচাও ছিলো। ভেবে দেখুন, ভয়ংকর হুমদোমুখো কাশ্মীরী পেঁচারা বাংলার বাঘ ডঃ আশুতোষ মুখার্জীর বীর পুত্র শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ওপরে ডানা ঝাপটা্চ্ছে, আর উনি শূন্য দৃষ্টিতে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন।
  • | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:৫৭387521
  • এই যে আমি আমি প্রেশারকুকার বার্স্ট করিয়েছি। এবং হ্যাঁ ডিজে যেমন বললেন রান্নাঘরের দেওয়াল ছাদময় গ্রাফিত্তি শুধু নয়, পাশের পুঁচকে বসারঘরেও দেয়ালে গ্রাফিত্তি করে দিয়েছিল। তবে প্রেশারে মুগডাল সেদ্দ হচ্ছিল বলে গ্রাফিত্তির কালার কম্বি তেমন ভাল দেখতে হয় নি।
  • kiki | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:২৩387520
  • অ!!
  • S | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:১৫387519
  • আমি শুনেছিলাম ট্রেন থেকে।
  • Ekak | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:০৮387518
  • জ্যোতিবাবুর সেকেন্ড বিয়ে নিয়ে এই আরবান মিথ টা বহুকাল শুনছি। ওরকম খিটখিটে ও বনোবোমুখো লোককে দেখে এমনি ই বৌ এর আত্মহত্যা করে অন্যকে রাস্তা করে দেওয়া কথা, তাই হত্যার গপ্পোটা কারোর কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হয়নি।
  • Atoz | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৯:০৪387517
  • বৌকে ছাদ থেকে ফেলেনি বলে একজন বলতে গিয়েছিল, তুমুল গর্জনে তাকে বলে দিল, বৌকে যদি না ই মারবে, তাহলে শালিকে বিয়ে করবে কী করে?
    কী যুক্তি!!!!
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৯387515
  • সাহারায় শিহরণের মত

    শ্রীনগরে শিশিবোতল।
  • Atoz | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৯387516
  • আহা ঘুমোয় নি, সাপগুলো ঘুমোয় নি। মে-জুন মাস তো! তখন শীতঘুমে গেলে চলবে?
  • avi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৬387514
  • নাহ, এই যে রেফারেন্স।
    "সাপ আর প্যাঁচায় পরিপূর্ন এক জঙ্গল ঘেরা জায়গা। চারিপাশে পাহাড় - জঙ্গল যেন এক অন্য গ্রহ।
    তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে চলে যাওয়ায় ডঃ মুখার্জী অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন।"
  • avi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৫387513
  • হক কথা, নেমন্তটাই হচ্ছিল না। এতদ্বারা সংক্ষিপ্ততম বিজ্ঞপ্তি দিই, টু অল গুরুভাই, বোন, দাদা, দিদি, কাকা, কাকী, দাদু, দিদা এবং পেয়ারে পিয়ার্স, এ মাসের পাঁচে জিন্দেগী সেশ। অন্তিম দর্শনে পুলকিত করুন।
  • একক | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৪387512
  • "হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা, অথচ জঙ্গলে ভয়ানক সব সাপের সন্ত্রাস।"

    ভবিষ্যত এতটাও দুঃস্বপ্নের নয় হে :):)
  • avi | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫১387511
  • হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা, অথচ জঙ্গলে ভয়ানক সব সাপের সন্ত্রাস।
    পাইদি, এখনও উত্তরে আছি বলে দক্ষিণে সেশের আঁচটা ঠিক পাচ্ছি না। একেবারে নেমেই সেশ হয়ে যাব, প্রস্তুতি ছাড়াই। :((((
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত