এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • om | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:৩৩388260
  • শ্রীশ্রীসরস্বতী পূজাপদ্ধতি

    উপবেশন ও আসন- সকালে স্নান-আহ্নিক সেরে ইষ্টমন্ত্র জপ বা স্তব পাঠ করতে করতে পূজাস্থলে গিয়ে শুদ্ধাসনে পূর্বমুখে বা উত্তরমুখে বসবেন।

    আচমন- গোকর্ণাকৃতি ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের গোড়ায় মাষকলাই ডুবতে পারে এমন পরিমাণ জল নিয়ে ‘ওঁ বিষ্ণু’ মন্ত্রে তিনবার পান করে ডান অঙ্গুষ্ঠের মূল দেশ দিয়ে মিলিত ঠোঁটদুটি ডান থেকে বামে দু’বার মার্জনা করবে ও হাত ধুয়ে ফেলবে।
    এবারে তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার মিলিত অগ্রভাগ দ্বারা ওষ্ঠ ও অধর স্পর্শ করবে। এভাবে অঙ্গুষ্ঠ ও তর্জনীর মিলিত অগ্রভাগ দিয়ে ডান ও বাম নাসাপুট, অঙ্গুষ্ঠ ও অনামিকার মিলিত অগ্রভাগ দিয়ে প্রথমে ডান ও পরে বাম চোখ, তারপরে ডান ও বাম কান ছোঁবে। এরপরে অঙ্গুষ্ঠ ও কনিষ্ঠার অগ্রভাগ দিয়ে নাভি স্পর্শ করবে ও হাত ধুয়ে ফেলবে।
    অতঃপর করতল দিয়ে হৃদয়, সমস্ত আঙ্গুলের অগ্রভাগ দিয়ে মাথা এবং ডান ও বাম বাহুমূল স্পর্শ করবে ও হাত ধুয়ে হাত জোড় করে পাঠ করবেঃ
    ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ
    দিবীব চক্ষুরাততম্।
    ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোহপি বা
    যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।

    গন্ধাদির অর্চনা- ‘ওঁ এতেভ্যো গন্ধাদিভ্যো নমঃ’ -মন্ত্রে পুষ্পপাত্রে সাজানো গন্ধ ও পুষ্পাদিতে জলের দ্বারা তিনবার প্রোক্ষণ ( চিৎ হাতে জলের ছিটা ) করবে। পরে গন্ধপুষ্প নিয়ে ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে এতেভ্যো গন্ধাদিভ্যো নমঃ’ বলে পুষ্পপাত্রে দিবে এবং হাতে এক একটি গন্ধপুষ্প নিয়ে নিচের এক একটি মন্ত্র বলে বলে গন্ধপুষ্প তাম্রকুণ্ডে দিয়ে দিয়ে পূজা করবে।
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে এতদধিপতয়ে দেবায় শ্রীবিষ্ণবে নমঃ’;
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে এতৎসম্প্রদানেভ্যঃ পূজনীয়দেবতাভ্যো নমঃ’;
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগুরবে নমঃ’;
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে গণেশাদিপঞ্চদেবতাভ্যো নমঃ’;
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে নমো নারায়ণায় নমঃ’;
    ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ব্রাহ্মণেভ্যো নমঃ’।

    সূর্যার্ঘ্য- কুশীতে জল, রক্তপুষ্প, রক্তচন্দন, আতপ চাল, যব, তিল, সরিষা, কুশের অগ্র ও দুর্বা নিয়ে নিম্নোক্ত মন্ত্রে নিবেদন করবেঃ
    ‘ওঁ নমো বিবস্বতে ব্রহ্মন্ ভাস্বতে বিষ্ণুতেজসে।
    জগৎসবিত্রে শুচয়ে সবিত্রে কর্মদায়িনে।
    এষোহর্ঘ্যঃ শ্রীসূর্যায় নমঃ’- মন্ত্রে সন্মুখস্থ বাণেশ্বরাদি যন্ত্রের উপর দিবে ও নিচের মন্ত্রে প্রণাম করবে-
    ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
    ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।
    [ জ্ঞাতব্যঃ রক্তপুষ্প, রক্তচন্দন, আতপ চাল, যব, তিল, সরিষা, কুশের অগ্র ও দুর্বা সকল দেবতা বিষয়ক অর্ঘ্যেই প্রদান করা যায়। অন্যান্য দ্রব্যের অভাব হলে শুধু আতপ চাল ও দুর্বা দ্বারা প্রদান করা যায়। ]

    স্বস্তিবাচন- ‘ওঁ কর্তব্যেহস্মিন্ লক্ষ্ম্যাদি দেবতা সহিত সরস্বতীপূজাকর্মণি ওঁ পুণ্যাহং ভবন্তো ব্রুবন্তু’। পরে ‘ওঁ পুণ্যাহং’ তিনবার বলতে বলতে ঘণ্টাবাদনপূর্বক আতপ চাল ছড়াবে।
    ‘ওঁ কর্তব্যেহস্মিন্ লক্ষ্ম্যাদি দেবতা সহিত সরস্বতীপূজাকর্মণি ওঁ স্বস্তি ভবন্তো ব্রুবন্তু’। পরে ‘ওঁ স্বস্তি’ তিনবার বলতে বলতে ঘণ্টাবাদনপূর্বক আতপ চাল ছড়াবে।
    ‘ওঁ কর্তব্যেহস্মিন্ লক্ষ্ম্যাদি দেবতা সহিত সরস্বতীপূজাকর্মণি ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তো ব্রুবন্তু’। পরে ‘ওঁ ঋদ্ধ্যতাম্’ তিনবার বলতে বলতে ঘণ্টাবাদনপূর্বক আতপ চাল ছড়াবে। পরে নিম্নোক্ত মন্ত্রপাঠ ও ঘণ্টাবাদনসহ আতপ চাল ছড়াবেঃ
    ওঁ স্বস্তি ন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ।
    স্বস্তি নস্তার্ক্ষো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।
    ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি।
    তারপর করজোড়ে পাঠ করবে-
    ওঁ সূর্যঃ সোমো যমঃ কালঃ সন্ধ্যে ভূতান্যহঃ ক্ষপা।
    পবনো দিকপতির্ভূমিরাকাশং খচরামরাঃ।
    ব্রাহ্ম্যং শাসনমাস্থায় কল্পধ্বমিহ সন্নিধিম্।
    ওঁ তৎসৎ অয়মারম্ভঃ শুভায় ভবতু।

    সঙ্কল্প- তাম্রপাত্রে ( কুশীতে ) মূল ও অগ্রভাগের সহিত তিনটি কুশ, তিল, তুলসী, হরিতকী, গন্ধ, পুষ্প, আতপ চাল ও জল নিয়ে বীরাসনে (দক্ষিণ জানু পেতে ) পূর্বমুখী ( বা উত্তরমুখী ) বসবে। বাম করতলে কুশী স্থাপন করে দক্ষিণ করতল দ্বারা আচ্ছাদনপূর্বক পাঠ করবেঃ
    বিষ্ণুরোম্ তৎসদদ্য মাঘে মাসি মকর রাশিস্থে ভাস্করে শুক্লে পক্ষে পঞ্চম্যান্তিথৌ অমুকগোত্রঃ শ্রীঅমুকদেবশর্মা ( পরার্থে- অমুকগোত্রস্য অমুকদেবশর্মণঃ ) [অমুকগোত্রঃ শ্রীঅমুকঃ
    (যজমানের গোত্র ও নাম)] সরস্বতী প্রীতিকামনায়া গণপত্যাদি নানাদেবতাপূজাপূর্বক-লক্ষ্মী-মস্যাধার-লেখনী-সহিত সরস্বতী পূজাকর্ম অহং করিষ্যে ( পরার্থে- করিষ্যামি )।
    পরে হাতের পাত্রটি ঈশান কোণে উপুড় করে রেখে তার উপর নিম্নোক্ত মন্ত্রে আতপ চাল ছড়াবে এবং ঘণ্টা বাজাবে-
    ওঁ যজ্জাগ্রতো দূরমুদৈতি দৈবং তদু সুপ্তস্য তথৈবৈতি।
    দূরঙ্গমং জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমস্তু।
    অতঃপর করজোড়ে পাঠ করবে-
    ওঁ সঙ্কল্পিতার্থাঃ সিধ্যন্তু সিদ্ধাঃ সন্তু মনোরথাঃ।
    ভক্তিজ্ঞানোদয়ায় অয়মারম্ভঃ শুভায় ভবতু।
    হরিঃ ওঁ তৎসৎ।
    ঘটস্থাপন- অতঃপর নিম্নোক্ত রীতিতে সংক্ষেপে ঘটস্থাপন করা যেতে পারে। ভূমিতে সর্বতোভদ্রমণ্ডল অথবা ভূপুরমধ্যগত অষ্টদল পদ্ম এঁকে অঞ্জলি পরিমান শুক্ল্যধান্যের ওপর ঘট বসাবে। ঘট মধ্যে জল, সোনা ও ঘটোপরি আম্রপল্লব বসিয়ে তদুপরি একটি সশীষ ডাব অথবা কলা বা হরীতকী স্থাপন করবে। সম্ভব হলে ফলটি বস্ত্রখণ্ডে আচ্ছাদিত করে তদুপরি একটি অর্ঘ্য (বিল্বপত্র, গন্ধপুষ্প, দুর্বা ও আতপ চাল) সাজিয়ে দিবে। ঘটগাত্রে সিন্দুর দিয়ে একটি স্বস্তিক বা পুত্তলিকা অঙ্কন করবে। অনন্তর করজোড়ে পাঠ করবে-
    ওঁ সর্বতীর্থোদ্ভবং বারি সর্বদেবসমন্বিতম।
    ইমং ঘটং সমারুহ্য তিষ্ঠ দেবি গণৈঃ সহ।
    ঘটস্পর্শ করে পাঠ করবে- ওঁ স্থাং স্থীং স্থিরো ভব। বৈদিক গায়ত্রী- ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।। -এই মন্ত্রও ঘট স্পর্শ করে তিনবার পাঠ করবে।

    সামান্যার্ঘ্যস্থাপন- নিজের সামনে একটু বামদিকের ভূমিতে অধোমুখ ত্রিকোণ (পুং দেবতা হলে উর্ধমুখ), বৃত্ত ও চতুর্ভুজ মণ্ডল এঁকে তদুপরি পূজা করবে-
    ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে আধারশক্তাদিভ্যো নমঃ।
    পরে ‘ফট্’ মন্ত্রে কোশা ধুয়ে মণ্ডলোপরি স্থাপন করে ‘নমঃ’ মন্ত্রে জলপূর্ণ করবে এবং ‘ওঁ’ মন্ত্রে কোশার অগ্রভাগে একটি অর্ঘ্য (বিল্বপত্র, গন্ধপুষ্প, দুর্বা ও আতপ চাল) সাজিয়ে দিবে। ‘ওঁ’ মন্ত্রে দূর্বা, অক্ষত বিল্বপত্র, চন্দন, পুষ্প, তুলসীপত্র, আতপ চাল কোশার জলে নিক্ষেপ করবে। পরে অঙ্কুশ মুদ্রায় জল স্পর্শ করে নিম্নোক্ত মন্ত্রে সূর্যমণ্ডল হতে তীর্থ আবাহন করবে-
    ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি।
    নর্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেহস্মিন্ সন্নিধিং কুরু।।
    অতঃপর ‘ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে তীর্থেভ্যো নমঃ’ মন্ত্রে জলে তীর্থপূজা করে ‘হূঁ’ মন্ত্রে অবগুণ্ঠন মুদ্রা ও ‘বং’ মন্ত্রে ধেনুমুদ্রা প্রদর্শনপূর্বক মৎস্যমুদ্রায় জল আচ্ছাদন করে ১০ বার ‘ওঁ’ মন্ত্র জপ করবে। এরপর সামান্যার্ঘ্যের জল নিজের মাথায় ও দ্বারদেশে ছিটিয়ে দিয়ে দ্বারদেবতার পূজা করবে।
    দ্বারদেবতাপূজা- ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে দ্বারদেবতাভ্যো নমঃ (নৈঋতকোণে); তাম্রকুণ্ডে- ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ব্রহ্মণে নমঃ; ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে বাস্তুপুরুষায় নমঃ।
    ভূতাপসারণ- ‘ফট্’ মন্ত্র আতপ চালে সাতবার জপ করে তা ঘন্টাবাদন করতে করতে নিম্নোক্ত মন্ত্রে নারাচ মুদ্রায় চারদিকে ছড়াবে-
    ওঁ সর্ববিঘ্নানুৎসারয় হূঁ ফট্ স্বাহা।
    ওঁ অপসর্পন্তু তে ভূতা যে ভূতা ভুবি সংস্থিতাঃ।
    যে ভূতা বিঘ্নকর্তারস্তে নশ্যন্তু শিবাজ্ঞয়া।।

    ভূমিশুদ্ধি- ‘ওঁ রক্ষ রক্ষ হূঁ ফট্ স্বাহা’-মন্ত্রে মুষ্টি-নিঃসৃত জল ভূমিতে নিক্ষেপ করবে।

    আসনশুদ্ধি- স্ববামে আসনের নিম্নবর্তী ভূমিতে ত্রিকোণ মণ্ডল এঁকে ‘ওঁ হ্রীঁ এতে গন্ধপুষ্পে আধারশক্ত্যাদিভ্যো নমঃ’ –মন্ত্রে মণ্ডল পূজা করবে। অতঃপর আসন স্পর্শ করে পাঠ করবে- ‘ওঁ অস্য আসনোপবেশনমন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ ঋষিঃ সুতলং ছন্দঃ কূর্মো দেবতা আসনোপবেশনে বিনিয়োগঃ’। পরে কৃতাঞ্জলিপূর্বক পাঠ-
    ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা।
    ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্। ।
    অতঃপর আসনের উপর ত্রিকোণ মণ্ডল এঁকে ‘হ্রীঁ এতে গন্ধপুষ্পে আধারশক্তয়ে কমলাসনায় নমঃ’- মন্ত্রে ঐ মণ্ডল গন্ধপুষ্প দ্বারা পূজা করবে।

    গুরুপ্রণাম- হাত জোড় করে প্রণাম করবে। বামকর্ণোর্ধ্বে- ঐঁ গুরুভ্যো নমঃ; তদূর্ধ্বে- ঐঁ পরমগুরুভ্যো নমঃ; তদূর্ধ্বে- ঐঁ পরাপরগুরুভ্যো নমঃ; তদূর্ধ্বে- ঐঁ পরমেষ্ঠিগুরুভ্যো নমঃ; দক্ষিণকর্ণোর্ধ্বে- ওঁ গণেশায় নমঃ; মধ্যে অর্থাৎ ললাটে বা হৃদয়ে- ওঁ ঐং সরস্বত্যৈ নমঃ।
    করশুদ্ধি- ‘হেঁসৌঃ’ মন্ত্রে একটি সচন্দন রক্তবর্ণ পুষ্প নিয়ে ‘আং হূং ফট্ স্বাহা’ মন্ত্রে উভয় করতল দিয়ে মর্দন করে বাম হাতের নারাচ মুদ্রায় সেই ফুলটিকে মাথার চারদিকে ‘ক্লীং’ মন্ত্রে ঘুরিয়ে ‘ঐং’ মন্ত্রে ঘ্রাণ নিয়ে ‘ফট্’ মন্ত্রে ঈশানকোণে নিক্ষেপ করবে।
    পুষ্পশুদ্ধি- ‘ওঁ শতাভিষেক হূঁ ফট্ স্বাহা’ মন্ত্রে পুষ্পে জলের ছিটা দিয়ে ‘ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে পুষ্পচয়াবকীর্ণে চ হূঁ ফট্ স্বাহা’ মন্ত্রে পুষ্প স্পর্শ করে শোধন করবে।

    ত্রিবিধ বিঘ্নাপসারণ- ‘ওঁ ঐঁ’ মন্ত্র উচ্চারণ করে ঊর্ধ্বে দৃষ্টিপাতকরতঃ দিব্যবিঘ্নাপসারণ করবে। তারপর তর্জনী ও মধ্যমা দ্বারা বাম করতলে ঊর্ধ্ব ঊর্ধ্ব ক্রমে তালত্রয় দিয়ে দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠ ও তর্জনী দ্বারা পূর্বদিক থেকে আরম্ভ করে ঈশানকোণ পর্যন্ত এবং অধঃ ও ঊর্ধ্ব- এই দশ দিকে ‘ফট্’ মন্ত্রে তুড়ি দিয়ে দিগবন্ধন করবে। তারপর ‘ফট্’ মন্ত্রে বামপায়ের গোড়ালি দ্বারা ভূমিতে তিনবার আঘাত করে ভূমিবিঘ্ন অপসারণ করে ‘অস্ত্রায় ফট্’ মন্ত্রে ঊর্ধ্বদিকে জলের ছিটা দিয়ে অন্তরিক্ষবিঘ্ন দূর করবে।

    দেবতা ও পূজাদ্রব্যশুদ্ধি- ‘ওঁ ঐং ফট্’ মন্ত্রে দেবতা ও পূজাদ্রব্য সামান্যার্ঘ্যের জলে তিনবার প্রোক্ষণ (জলের ছিটা) করবে ও ধেনুমুদ্রা দেখাবে আর ভাবনা করবে যে সকলই চিন্ময়, ঈশ্বরময়।

    মন্ত্রশুদ্ধি- ‘অং হ্রীং অং; কং হ্রীং কং; চং হ্রীং চং; টং হ্রীং টং; তং হ্রীং তং; পং হ্রীং পং; যং হ্রীং যং; শং হ্রীং শং’ –এই মন্ত্র একবার জপ করবে।

    বহ্নিপ্রাকারচিন্তা-
    ‘রং’ মন্ত্রে নিজের চারদিকে বৃত্তাকার জলধারা দিয়ে আগুনের প্রাচীর চিন্তা করবে।

    দেহমার্জন ও আত্মরক্ষা- ‘ওঁ ঐং সরস্বত্যৈ নমঃ’ মন্ত্রে করতলদ্বয় দ্বারা নিজদেহ মার্জনা করে হৃদয়ে হাত দিয়ে পাঠ করবে- ওঁ দুর্গে দুর্গে রক্ষিণি স্বাহা। ওঁ আং হূঁ ফট্ স্বাহা।

    প্রাণায়াম- ডান হাতের তর্জনী ও মধ্যমা মুষ্ঠিবদ্ধ করে অঙ্গুষ্ঠ দিয়ে ডান নাসা টিপে বন্ধ করে বাম নাসাপুটে বায়ু আকর্ষণ করতে করতে ৪ বার ‘ওঁ’ (অথবা ‘ঐং’) জপ করবে। অতঃপর অনামিকা ও কনিষ্ঠা দ্বারা বাম নাসাপুট টিপে বায়ু রুদ্ধ রেখে ‘ওঁ’ (অথবা ‘ঐং’মন্ত্র ১৬ বার জপ করবে। অনন্তর ডান নাসা থেকে অঙ্গুষ্ঠ সরিয়ে নিয়ে ঐ নাসাপুট দ্বারাই ধীরে ধীরে বায়ু রেচন করবে। রেচনকালে ‘ওঁ’ (অথবা ‘ঐং’মন্ত্র ৮ বার জপ করবে। এইভাবে পূরক, কুম্ভক ও রেচক করলে একত্রে একটি প্রাণায়াম হয়। এই পদ্ধতিতে অবিচ্ছেদে তিনবার প্রাণায়াম করবে। সমর্থ হলে ১৬/৬৪/৩২ সংখ্যায়ও প্রাণায়াম করা যেতে পারে।
    ভূতশুদ্ধি (সংক্ষিপ্ত)- স্বক্রোড়ে বাম হাতের উপর ডান হাত চিৎভাবে স্থাপন করে নিম্নোক্ত মন্ত্র পাঠ করবে-
    ওঁ ভূতশৃঙ্গাটাচ্ছিরঃ সুষুম্নাপথেন
    জীবশিবং পরমশিবপদে যোজয়ামি স্বাহা। ।১।।
    ওঁ যং লিঙ্গশরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা। ।২।।
    ওঁ রং সংঙ্কোচশরীরং দহ দহ স্বাহা। ।৩।।
    ওঁ পরমশিব সুষুম্নাপথেন
    মূলশৃঙ্গাটমুল্লসোল্লস জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল
    সোহহং হংসঃ স্বাহা। ।৪।।
    এখানে, পূজক যে দেবতার পূজা করতে অগ্রসর, তিনি স্বয়ং সেই দেবতায় রূপান্তরিত হয়েছেন, এরূপ দৃঢ় ভাবনা করতে হবে।

    ব্যাপকন্যাস- ‘আং হূঁ ফট্ স্বাহা’ মন্ত্রে মাথা থেকে পায়ের আঙ্গুল এবং পায়ের আঙ্গুল থেকে মাথা পর্যন্ত উভয় হাত দ্বারা তিনবার মার্জনা করবে। এতদ্বারা নিজ শরীর, বাক্য ও মন শুদ্ধ হল বলে চিন্তা করবে।

    জীবন্যাস- নতুন রচিত দিব্যদেহে ইষ্টদেবতার (যে দেবতার পূজা করছে) প্রাণ-প্রতিষ্ঠা করার জন্য ‘সোহহং’ (তিনিই আমি) ভাবনা করে লেলিহান মুদ্রায় হৃদয় স্পর্শ করে পাঠ করবে ও আপনাকে দেবতাময় ভাবনা করবে-
    ওঁ আং হ্রীঁ ক্রোং যং রং লং বং শং ষং সং হৌঁ হংসঃ অস্যা শ্রীসরস্বতী-দেব্যাঃ প্রাণা ইহ প্রাণাঃ।
    ওঁ আং হ্রীঁ ক্রোং যং রং লং বং শং ষং সং হৌঁ হংসঃ অস্যা শ্রীসরস্বতী-দেব্যাঃ জীব ইহ স্থিতঃ।
    ওঁ আং হ্রীঁ ক্রোং যং রং লং বং শং ষং সং হৌঁ হংসঃ অস্যা শ্রীসরস্বতী-দেব্যাঃ সর্বেন্দ্রিয়াণি।
    ওঁ আং হ্রীঁ ক্রোং যং রং লং বং শং ষং সং হৌঁ হংসঃ অস্যা শ্রীসরস্বতী-দেব্যাঃ বাঙ্ মনশ্চক্ষুস্ত্বক-শ্রোত্র-ঘ্রাণপ্রাণা ইহাগত্য সুখং চিরং তিষ্ঠন্তু স্বাহা।

    মাতৃকান্যাস- কৃতাঞ্জলিপুটে পাঠ- ওঁ অস্য মাতৃকামন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষির্গায়ত্রীচ্ছন্দো দেবী মাতৃকা সরস্বতী দেবতা, হলো বীজানি স্বরাঃ শক্তয়ঃ অব্যক্তং কীলকং সর্বাভীষ্টসিদ্ধয়ে লিপিন্যাসে বিনিয়োগঃ।
    তত্ত্বমুদ্রায় স্পর্শ করে বলবে : মস্তকে- ওঁ ব্রহ্মণে ঋষয়ে নমঃ; মুখে- ওঁ গায়ত্রীচ্ছন্দসে নমঃ; হৃদয়ে- ওঁ মাতৃকাসরস্বত্যৈ দেবতায়ৈ নমঃ; মূলাধারে- ওঁ হলভ্যো বীজেভ্যো নমঃ; পাদদ্বয়ে- ওঁ স্বরেভ্যঃ শক্তিভ্যো নমঃ; সর্বাঙ্গে- ওঁ অব্যক্তকীলকায় নমঃ।

    করন্যাস- উভয় হাতের তর্জনী সেই সেই হাতের অঙ্গুষ্ঠ-পৃষ্ঠে দিয়ে বলবে- অং কং খং গং ঘং ঙং আং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ। উভয় হাতের অঙ্গুষ্ঠ উভয় হাতের তর্জনীর পৃষ্ঠে দিয়ে পাঠ করবে- ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা। উভয় হাতের অঙ্গুষ্ঠ উভয় হাতের মধ্যমার পৃষ্ঠে দিয়ে পাঠ করবে- উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং মধ্যমাভ্যাং বষট্। উভয় হাতের অঙ্গুষ্ঠ উভয় হাতের অনামিকার পৃষ্ঠে রেখে পাঠ করবে- এং তং থং দং ধং নং ঐং অনামিকাভ্যাং হূঁ। উভয় হাতের অঙ্গুষ্ঠ উভয় হাতের কনিষ্ঠার পৃষ্ঠে দিয়ে পাঠ করবে- ওং পং ফং বং ভং মং ঔং কনিষ্ঠাভ্যাং বৌষট্। অতঃপর অং যং রং লং বং শং ষং সং হং লং ক্ষং অঃ করতলপৃষ্ঠাভ্যাং অস্ত্রায় ফট্- এই মন্ত্র পাঠ করে ডান হাতের যুক্ত তর্জনী ও মধ্যমা দ্বারা বাম হাতের তল ও পৃষ্ঠ স্পর্শ করে বাম করতলে তালি দিবে।

    অঙ্গন্যাস- ডান হাতের তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার অগ্রভাগ দ্বারা বক্ষঃস্থল স্পর্শ করে পাঠ করবে- অং কং খং গং ঘং ঙং আং হৃদয়ায় নমঃ। ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং শিরসে স্বাহা- মন্ত্রে তর্জনী ও মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা মস্তক; উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং শিখায়ৈ বষট্- মন্ত্রে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের দ্বারা শিখা; এং তং থং দং ধং নং ঐং কবচায় হূঁ- মন্ত্রে ডান হাতের পঞ্চাঙ্গুলির অগ্রভাগ দ্বারা বাম বাহুমূল এবং বাম হাতের পঞ্চাঙ্গুলির অগ্রভাগ দ্বারা ডান বাহুমূল; ওং পং ফং বং ভং মং ঔং নেত্রত্রয়ায় বৌষট্- মন্ত্রে তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার অগ্রভাগ দ্বারা যথাক্রমে দক্ষিণ নেত্র, ঊর্ধ্ব নেত্র (নাসামূল) ও বাম নেত্র স্পর্শ করবে। অং যং রং লং বং শং ষং সং হং লং ক্ষং অঃ করতলপৃষ্ঠাভ্যাং অস্ত্রায় ফট্- মন্ত্রে ডান হাতের যুক্ত তর্জনী ও মধ্যমা দ্বারা বাম হাতের তল ও পৃষ্ঠ স্পর্শ করে বাম করতলে তালি দিবে।

    গুর্বাদিপূজা- গুরু ও গণেশাদি পঞ্চদেবতার পূজা নিম্নোক্ত মন্ত্রে গন্ধপুষ্পে করা যেতে পারে। সমস্ত পূজাই সন্মুখবর্তী তাম্রকুণ্ডস্থ জলে করবে।
    ওঁ ঐঁ এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগুরবে নমঃ।
    ওঁ গং এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগণেশায় নমঃ।
    ওঁ নমঃ শিবায় এতে গন্ধপুষ্পে শিবায় নমঃ।
    ওঁ
  • রুকু | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:২৬388259
  • যাহ ফাঁস করে দিলো।
    আমি রুকু( পুং নই) :-(
  • pi | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:১৭388258
  • বন্ধুত্ব তো সেই শিরদাঁড়া কাণ্ডের সময় থেকেই গেছে বলে জানি। বা তারও আগে হতে পারে।
  • kiki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:১৫388257
  • ঝগড়াঝাঁটি নাকি!! থাগ্গে.......
  • kiki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:১৪388256
  • Srijato Bandyopadhyay
    19 hrs ·
    সখ্যসাজ

    সুমনে মন ছিল। বাগানে গান।
    কাবাব ছিল বাকি দু’এক প্লেট।
    এখন সব ছেড়ে সে ভাসমান...
    আকাশে জামাহীন বুকপকেট।

    গল্পে ছিল ঠাসা ভাঁড়ার ঘর।
    অল্প আলো ছিল রেস্তোরাঁয়।
    হৃদয়, অসুখের গুপ্তচর,
    স্তব্ধ হয়ে গেলে শব্দ পায়।

    হঠাৎ পাততাড়ি গোটায় সে-ই
    হাজার পাত-পাড়া একজীবন
    টেবিলে মুখোমুখি তর্ক নেই...
    একলা হয়ে যান ফের সুমন।

    আমিও বাড়ি ফিরি, বাতিল কাজ
    এর চে’ বেশি আর কিছুই নয়।
    কেবল খসে পড়ে সখ্যসাজ...
    বন্ধু চলে গেলে কষ্ট হয়।

    কিরম যেন!!
  • kiki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:১১388255
  • শ্রীজাত কোন সুমন কে নিয়ে পোষ্ট দিলেন?? কবির সুমন ঠিকঠাক আছেন তো?
  • pi | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:৩৯388254
  • কীসব প্রশ্ন !
  • avi | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:২৪388253
  • রুকু কুমারী নাকি? যাহবাবা! আমি তো টিনটিন টাইপ ভিজুয়ালাইজ করছিলাম।
  • মারিয়া | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:২১388252
  • অর্জুন
    আমাগো পিনু দা তোমার লগে কইতে কইসে, "বিকেল পাঁচটা অব্দি ঘুমোতে নেই। ভূতে ধরে।"

    বড়দের কতা শুনতে হয়, উটে পরো দিকি বাপ আমার
  • মারিয়া | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:০২388251
  • আমারে ইখানে একখান "হাই" তুলানের লিগ্যা কইসে। তো আমি শুধুই ওই হাই খানাই তুলানের লিগ্যা আইসি।
    ওঃ, ওই রুকু দিদিমুনি রে বকুনি ও দিতে কইসে।
    এই রুকু কুমারি...রাত জেগে এত ফেবু ঘাঁটস ক্যান!!?? এ্যঁ
    লিকা পড়ায় মুন দ্যাও গে যাও। মুবিলে কম

    হঃ
    হইসে!!
    কি মজা
  • dc | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:২৬388250
  • এমনকি কিছুদিন আগে ব্যাঙ্গালোর নিবাসী দুই গুরুভাইয়ের সাথে কিছুদিন কথাবার্তা হয়েছিল, তার জন্য ফেবু চ্যাট না কি একটা লাগে, সেটাও নতুন করে ইনস্টল করতে হয়েছিল। এছাড়া ফেবুতে প্রায় যাইইনা।
  • dc | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:২৪388249
  • হ্যাঁ আমার ফেবু অ্যাকাউন্ট আছে তো! কিন্তু সেটা একেবারে খালি অ্যাকাউন্ট, শুধুমাত্র অনলাইন যেসব ক্যাম্পেনগুলো হয় সেগুলোর জন্য রেখেছি। শিয়াওমি, অ্যামাজন ইত্যাদিরা মাঝে মাঝে ক্যাম্পেন করে, সেগুলোতে ফেবু অ্যাক্সেস দিলে প্রাইজ দেয়, সেসবের জন্য। আর বহুকাল আগে একবার কি ব্যাপারে যেন সিকির অ্যাকাউন্টে (সেটারলো লিংক বোধায় এখানেই পোস্ট করা হয়েছিল) গিয়ে পোস্ট করে এসেছিলাম, সেই থেকে আমার টাইমলাইনে অ্যাকাউন্টটা দেখায়।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:২২388248
  • হ্যাঁ হ্যাঁ আমারও নেটওয়ার্ক চলছিল, তবে সব জায়গায় না। গলিঘুঁজিগুলোতে লাগছিল না। মোটামুটি মেন চ্যানেলগুলোতে দিব্বি লাগছিল।
  • সিকি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৮388247
  • অস্যার্থ, ডিসির ফেবুতে অ্যাকউন্ট আছে।
  • S | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৭388246
  • আমি ফেবুতে নেই।
  • dc | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৬388245
  • আমি আজ সকালে সিকি বাবুর ফেবু পেজে গিয়ে কিছু ছবি দেখলাম।
  • S | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৫388244
  • আমি তো বইমেলার কোনও ছবিই দেখলাম না।
  • Phutki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১২388243
  • আরে দমদি, বইমেলায় আমি তোমার থেকে তোমার শাড়িতে বেশি মনযোগ দিয়েছি। সকালে ছবি দেখেই তক্কে তক্কে ছিলাম কিনা।
  • সিকি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:০৫388242
  • মরমিয়াঁ-র পরে একটা ও জুড়ে দিলে টি খুশি হত। মরমিয়াঁও।

    অনাগকে, হ্যাঁহ্যাঁ, আমাকে ফোন করলেই পারতেন। বইমেলায় যখন নাকি কারুরই সিগন্যাল লাগছিল না, তখন আমার ফোনে ডেটা এবং কল দুটোই তেড়ে চলছিল।

    বাকিদের, এত বেশি পাখা - যে শেষদিকে ঠাণ্ডা লেগে গলা খুশখুশ করছিল।
  • কেঁদো বাঘ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৫৭388241
  • আমরা একবার শাসন গেছিলাম সংক্রান্তির মেলায় যাত্রা দেখতে। সেখানে বাউল গান হচ্ছিল। দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি বিষয়ক একটা গান শুনেছিলাম - ' ওগো মোর মরমিয়া / ওগো মোর প্রাণপ্রিয়া / বাজারে নাই তেলাপিয়া/ ... ইত্যাদি।

    টি'র মরমিয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে পড়লো।
    সেকি ঠাণ্ডা ওখানে ওরে বাবা। তার মধ্যে যঁদের বাড়ি উঠেছিলাম, তাঁরা সরকারী অনুদানে বাড়ি করেছেন, তিনটে দেওয়াল করার পার টাকা ফুরিয়ে গেছে, তাই বাড়ীর একদিকের দেওয়াল আর ছাত নেই। মেলায় ভয়ানক ঝাল চাউমিন, আর একটু আড়ালে চোলাই পাওয়া যাচ্ছিল, আর মাঠ পেরুলে বনবিবির থান।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪৯388240
  • অ্যাঁ! ফুটকির সাথে তো ডিসেম্বরে শাড়ি মিটেই দেখা হয়েছিল।
  • Phutki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪৭388239
  • আমি দমদিকে দেখিনি, দমদির শাড়ি দেখেছি। আহা!
  • Phutki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪৪388238
  • সিকির পাখার সংখ্যা কি সিকিই গুণে রাখতে পেরেছে!!
  • T | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৪০388237
  • হ্যাঁ, ভূতটা আমি ভালোই বুঝি। আমাদের দেশ গাঁয়ে এক ধরণের ভূত থাকে, চিড়কিন ভূত। জানতেন! এরা খুব নিরীহ। অলস দূপুরে খালপাড়ে মাছ ধরতে বসলেন, হয়তো একটু পাশে এসে দুটো সুখ দুঃখের কথা কয়ে গেল। এইরম। সেসবই বলছিলাম, তা একটু পরে আলো নিভে গেল।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩৭388236
  • আহা পালাবে কেন? গপ্পোটা আমাদেরও পড়িও।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩৬388235
  • আমিও টি'কে দেখেছি প্রেস কর্নারে বক্তিমে দিতে। ও ভুতেদের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু মরমিয়াঁ বক্তব্য রাখছিল। যমদত্তের পর ভুতেদের নিয়ে এত সিরিয়স অপিচ মরমিয়াঁ আলোচনা করতে আর কাউক্কে দেখি নি।
  • T | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩২388233
  • দ কে আমি বইমেলায় দেখলাম মুক্তমঞ্চে বক্তৃতা দিতে। উনি কোন্নগরের ইতিহাস নিয়ে বলছিলেন। সামুদ্রিক বাণিজ্য অবদি শোনার পর আমি চলে আসি।
  • রুকু | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩২388234
  • একখানা খবর দিই। লজ্জা লজ্জা মুখে।
    বাংলাদেশের একটা ম্যাগাজিনে লেখা দিয়েছিলাম গতজন্মে। একটা বিশেষ সংখ্যার জন্য। আজ জানালো সেই সংখ্যা থেকে বাছাই করা গল্প নিয়ে একটা সংকলন হয়েছে। আমার গল্পটাও আছে। শুনে একটু ভেবলে গেছি। পালাই।
  • সিকি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩১388232
  • পরেছিলাম তো। ক্রাশ দেখেছে।
  • রুকু | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৫:২৯388231
  • আমায় কেউ সন্দেশ দিলোনা। :-(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত