এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৪১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ১০ মে ২০১৬ ১৭:৩৯669945
  • ডিসি,
    পুরোপুরি একমত। মৌরসীপাট্টা কখনই ভালো নয়, জমিদারি মেজাজ চড়ে বসে। জনগণকে হয় প্রজা নয় ছাগল মনে হয়।
  • IP ঠিকানা খুঁজে নামমাহাত্ম্য ব | ১০ মে ২০১৬ ১৭:৪৬669946
  • দেশী ভাষায় "চাঁদমারি", ইংরাজী ভাষায় "ষাঁড়ের চোখ" - 'কল্লোল চলছে চলবে' ....

    নাঃ ভাইটি, এতদিন পর এসে তোমার শেখানো 'পাখির চোখ'-এর প্রহসন করা সম্ভব হল' না। দুঃখিত।
  • IP খুঁজে বের করুন | ১০ মে ২০১৬ ১৭:৫২669947
  • সংশোধন অথবা সংযোজন
    --------------------------
    'আপনার নাম'-এর জায়গায় লিখতে চেয়েছিলাম -

    IP ঠিকানা খুঁজে নামমাহাত্ম্য বের করে আপন আপন সমোস্কিতি পোকাস করুন...

    এলো না, অগত্যা সংক্ষিপ্তকরণ করতে বাধ্য হলাম।
  • :) | ১০ মে ২০১৬ ১৮:০৮669948
  • খুড়ো মনে লিচ্চে? সত্যিই অনেকদিন পরে।
  • দেবব্রত | ১০ মে ২০১৬ ১৮:৫০669949
  • সিঙ্গুরের মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে যাবার খবর পাওয়া যাচ্ছে - এই সংবাদ জানার সঙ্গে সঙ্গে আলিমুদ্দিন ও প্রফুল্ল সরকার স্ট্রীটে লাড্ডু বিতরণ এবং কালীঘাটে উলুধ্বনি শোনা গেছে। যাক বাঁচল সবাই কিছুদিন।
  • PM | ১০ মে ২০১৬ ২০:৫৯669950
  • রন্জনদা যেটা চাইছেন সেটা হলো আইডিয়াল কেস, আর পোয়েটিক জাস্টিস। কিন্তু জীবন সম্পর্কে রন্জন্দার এক্সপিরিয়েন্সের থেকে বহু কম এক্সপিরিয়েন্স নিয়েও আমি জানি ও দুটোর কোনোটাই এক্সিস্ট করে না রিয়েল দুনিয়ায়। বরং ঐ পিটার প্যানের রাজ্যের খোঁজে দিকভ্রষ্ট হয়ে একটা জেনেরেসন ( ৬০-৭০ দশকে যৌবনপ্রাপ্ত) পরবর্ত্তী একাধিক প্রজন্ম কে ফুটপাতে এনে বসিয়ে দিয়েছে। সেই চেষ্টার খান্তি নেই এখনো।।

    ৬০ এর দশকে যখন একের পর এক সংস্থা সদর সরাচ্ছিলো- তখন ঐ জেনেরেসন বিপ্লবের বেহালা বাজাচ্ছিলেন। বাংলার সর্বক্ষেত্রের সুপার বয়রা সব ৪০-৫০ দশকের মধ্যে ওপারের টিকিট কেটে নিয়েছিলেন। যারা তাদের হাত থেকে ব্যাটনটা নিলো তারা আদ্যন্ত মিডিওকার একটা জেনেরেসন--- যাদের কনট্রিবিউট করার কিছু ছিলো না বিপ্লবের আড়ালে লুকোনো ছাড়া, একটা অলীক দুনিয়ার স্বপ্ন দেখা আর দেখানো ছাড়া।

    তার পরের বেশ কিছু প্রজন্ম ( আমরা সহ) ঐ মিডিওক্রিটির মশাল বয়ে নিয়ে চলেছি। নতুন প্রজন্মকে দেখে আমি অত্যন্ত আশাবাদী। আসুন আমাদের মিডিওক্রিটির আর অলীক স্বপ্নের বোঝা ওদের ঘারে চাপানো বন্ধ করি। রন্জনদা/কল্ল্লোলদা/আমরা আমাদের সময়ে সুযোগ পেয়েছি---কিস্যু করতে পারি নি এই অধোগতি রুখতে বরং আপনার আমার সময়ে তা ত্বরান্বিতই হয়েছে। কিসের ভিত্তিতে আমরা দবী করবো যা আমরা ভেবেছি বা ভাবছি সেটাই ঠিক?

    আসুন, অন্তত ঃ লজ্জার মাথা খেয়ে নতুন প্রজন্মকে ব্যাগেজহীন ভাবে তাদের ভবিষ্যত ঠিক করতে দেওয়া যাক----- they deserve this। আমাদের মিডিওক্রেসির কন্টিনিউএসনের গুরুদায়িত্ব থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।
  • ঈশান | ১০ মে ২০১৬ ২১:০৯669951
  • শিল্পসংস্থাগুলির পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরে যাবার কারণ কি বিপ্লবের বেহালা বাজানো? চটকল থেকে শুরু করে ইস্পাত শিল্প, বস্ত্র থেকে চলচ্চিত্র, বেহালা বাজানোর কারণে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরে গেছে?
  • To :-) | ১০ মে ২০১৬ ২১:৩৩669952
  • অনেকদিন পর ফোর আবার কি! পাইদি রূপঙ্করের গান দেবার পরে এই লোচ লিখেছিল তো। ঘুরেঘুরেই আসে
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ২৩:০৩669953
  • PM এর লাস্ট পোস্টটা সঠিক মনে হলো। পব যদি সত্যিই বিপ্লবের ব্যাগেজ ছেড়ে ভাবতে পারে তো অনেক অসুবিধে কাটিয়ে উঠতে পারবে। ৬০-৭০ দশকের অতো পুরনো ইতিহাস আমি জানিনা, তবে আমাদের ছোটবেলাতেও মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের কুফল দেখেছিলাম। বুদ্ধদেব আর বিমান বসুও পরেরদিকে ট্রেড ইউনিয়নিজম কমাতে চেয়েছিলেন, সেই নিয়ে সিটুর সাথে বিস্তর টানাপোড়েনও হয়েছিল। দেখা যাক ভবিষ্যতে কি হয়।
  • একক | ১০ মে ২০১৬ ২৩:২০669955
  • এটা ছুপা / বিক্ষুব্ধ সিপুএম দের পেট থিওরি । এনারা একচুয়ালি ওই ক্লাস স্ট্রাগল ইত্যাদি হাবিজাবি থেকে মনে মনে সরতে পারেননা বলে খুব রিপেনত্ত্যান্ট ভঙ্গীতে এইটা এস্ত্যাবলিষ করতে বদ্ধপরিকর যে দেখো গরিব মানুষ কে দেখতে গিয়েই আন্দোলন ফান্দলন করে সিপুএম ডুবে গ্যালো। এতে বেশ দুকুলই থাকে আর কি :))

    প্রকৃত প্রস্তাবে : কেন্দ্রীয় নীতির সঙ্গে দরাদরি করার অক্ষমতা, সর্বভারতীয় রাজনীতিতে প্রভাবের ব্যাপারে দলীয় কোন্দল ও তজ্জনিত কারনে কেন্দ্রের চাপানো নীতি চুপচাপ গিলতে বাধ্য হওয়া, শরিক দলদের মধ্যে ক্ষমতার বন্টন করতে না পারায় তারা নিজেদের লাইমলাইটে রাখতে ইউনিয়নবাজি কে অস্ত্র করে তোলে, এছাড়াও শিল্প অনভিজ্ঞ বাঙালির টেকনোলজির আধুনিকিকরনের গতি বুঝতে না পারা এগুলোই কারন |
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০১:২৪669956
  • ১) এখানেই কেউ একজন লিখেছিলেন যে সিঙ্গুরের জমি ৯০০/স্কোয়ার মিটারে কিনেছিলো টাটারা। এখন যদি সেই জমি ফেরত দিতেও হয় টাটাদের ৯০০র বেশিই দিতে হবে। আর কিছু না হোক মাঝখানে প্রায় ১২ চলে গেছে। জানিনা এই টাকা কোথা থেকে আসবে?
    ২) জমি ফেরত পাওয়া গেলে তার কতটা অংশে আবার চাষ করা যাবে? বাকি জমি যেখানে সিমেন্ট পরে গেছে সেখানে কি হবে? তেলেভাজা শিল্প? দিদি নির্ঘাত ওরকম কিছু একটা তৈরী করে দেবেন সরকারের পয়সায় - লোকে তাই দেখেই ধ্যন্যি ধন্যি করবে। পরে সেটা সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাবে?
    ৩) দিদি সিঙ্গুরে বিরোধিতা করেছিলেন চাষিদের কথা ভেবে এটা মানতে পারলাম না। অন্য অনকে হয়তো সত্যিই চাষিদের কথা ভেবেছেন। কিন্তু তারা আসল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে শেষমেশ দিদির লাইনে হাঁটেন। যেটা প্রথমেই/একমাত্র করা উচিত ছিলো সেটা হলো জমির ন্যায্য দাম/ অন্য জমি। তা না করে একেবারেই কোনো শর্তেই শিল্প করতে দেবোনা বলাতে কিসুই লাভ হয়নি - শুধু দিদির ছাড়া। উনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। বাকিদের অনেকে অবশ্যি সারদার টাকা/ কমিটির পোস্ট পেয়েছেন।
    ৪) কেউ নিজেকে বাম বলে শিল্প করতে চাওয়াতে আপত্তি? মানে কোনো বিজেপি নেতা যদি মুসলমানদের ভালো করতে চান তাহলে বাধা দেবো? এটা কোনো যুক্তি হলো? এর থেকে বেশি বলার দরকার নেই।
    ৫) খরগপুর কেন টাটাদের কাছে বেটার লোকেশান হতো সেটা এখনো বুঝলাম না?
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০১:২৭669957
  • "চটকল থেকে শুরু করে ইস্পাত শিল্প, বস্ত্র থেকে চলচ্চিত্র, বেহালা বাজানোর কারণে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরে গেছে?"

    ঈশান্দা, চটকল অন্য রাজ্যে সরে গেছে? ইস্পাত শিল্পের কটি পেরাইভেট ইনভেস্টমেন্ট হয়েছে? চলচ্চিত্র সরে গেছে মানে? আর বস্ত্রশিল্পে আবার বাংলা কবে এগিয়ে ছিলো?
  • যথারীতি | ১১ মে ২০১৬ ০৫:৪৪669958
  • পিএমের পোস্টে আবেগ আছে প্রভূত, কিন্তু যুক্তিনির্ভর অ্যানালিসিস নাই।

    অবিশ্যি ...
  • ঈশান | ১১ মে ২০১৬ ০৫:৫৬669959
  • অন্য রাজ্যে গেছে কে কইল? চটকল উবে গেছে। চলচ্চিত্র শিল্পও তাই। ইস্পাত বলতে হাওড়ার এককালের বিখ্যাত ফাউন্ড্রি ইত্যাদি বুঝিয়েছিলাম। সেও উবে গেছে। (সবকটা উবে যাওয়াই অ্যাবসলিউট স্কেলে উবে যাওয়া না, আগে যা ছিল তার তুলনায় উবে যাওয়া আর কি)। বস্ত্রশিল্প ছিল কিছু। এনটিসির। মোহিনী মিল ছিল। সেসব উবে গেছে। এই আর কি।

    কারণটা কী?
  • sm | ১১ মে ২০১৬ ০৬:৪১669960
  • S ও পিটি কে,টাটা দের পুরো রাজারহাট আর নিউটাউন টাই দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল কি বলেন? কলকাতার আরো কাছাকাছি হতো।লোকেশন ও ভালো। পরে বাড়তি জমিতে রিয়েল এস্টেট ও করা যেত।
    সিঙ্গুর কলকাতার অনেক কাছে(পিটি বর্ণিত ৪০ ভার্সাস ১৮০ কিমি); সুতরাং এই যুক্তি ই যথেষ্ট।
    একই যুক্তি পূর্বতন সরকার ই দিয়েছিল; টাটারা চেয়েছে টাই দিয়েছি। ওদের চাওয়াটাই বড় কথা ছিল।
    কোর্ট সেটাই প্রশ্ন তুলেছে, শিল্পের জন্য বহুফসলি জমি নেওয়া অনুচিত।এটা গাইড লাইন এর পরিপন্থী।
    আর একটা কথা, টাটারা ৯০০/স্ক মিটার,কেন কোনো জমি ই কেনেনি। কিনেছে শিল্প নিগম।টাটারা লিজ হোল্ডার মাত্র।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৬:৫২669961
  • ঈশান দা, কোলকাতায় আগে অনেক ছাপাখানা ছিলো। সেগুলো-ও তো উবে গেছে। আমার আপনার বাড়িতে ল্যান্ডলাইন ছিলো - উবে গেছে। পিসিও ইন্টারনেট জ্যাফে ছিলো - উবে/কমে গেছে। কেন?
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৬:৫৫669962
  • পাগল নাকি রাজারহাট আর নিউটাউন দিয়ে দিলে দিদি ও তার ভাইয়েরা সিন্ডিকেট করে খাবে কি? আর ওখানে তো রিয়েল এস্টেট হয়নি?
  • pi | ১১ মে ২০১৬ ০৭:০৭669963
  • বলছিলাম কী, এখানকার লিস্টের বন্ধ কারখানার কেস বাই কেস একটু ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে ? পাটের আর চাহিদা নেই, কাপড়ের বা কাগজের, এরকম ওয়ানলাইনার বাদ দিয়ে ঃ)

    http://www.guruchandali.com/default/2009/05/10/1241908500000.html
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ০৭:১৩669964
  • দ্যাকো কান্ড! এ আবার কি ধরণের কথাবার্তা? এখন অবিশ্যি এই সময় "পর্যবেক্ষন" শব্দটি ব্যবহার করছেঃ
    "মঙ্গলবার দিনভর শুনানির মাঝখানে গোপাল গৌড়া জানান, তাঁর মত হল, ‘ভারতের সব জমিই কৃষিজমি৷ দেশের ৭৪ % লোকই এর সঙ্গে জড়িত ৷ আমাদের অর্থনীতিও কৃষিভিত্তিক৷ তা হলে কি শিল্পের জন্য জমি নেওয়া যাবে না ? অবশ্যই যাবে৷ তবে দেখতে হবে, কোন উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে, আর কোন জমি নেওয়া হচ্ছে৷ যেখানে ভালো কৃষিকাজ হয়, সেই জমি না নেওয়াই ভালো৷ ’ বিচারপতি অরুণ মিশ্র আবার মনে করেন, জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণ করা যেতে পারে ৷ শিল্পের জন্য জমি নেওয়াও যেতে পারে৷ না হলে শিল্পের ক্ষেত্রে বৃহত্তর উন্নয়ন হবে কী করে ? এসইজেড বা শিল্পতালুকই তো তা হলে সম্ভব হবে না ৷"
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23006&boxid=152012246

    ভিউজঃ
    "গুজরাতে শহরাঞ্চলের বেকারত্ব ১৮ শতাংশ, গ্রামে ৭ শতাংশ। রাজস্থানে সেই অনুপাত ২১ ও ৪ শতাংশ। মধ্যপ্রদেশ উত্তরপ্রদেশ অন্ধ্রপ্রদেশ হরিয়ানা মহারাষ্ট্র, গুজরাত তামিলনাড়ু রাজস্থান কর্নাটক, সবাই আমাদের থেকে এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে শহরাঞ্চলের বেকারের অনুপাত ৪০ শতাংশ, গ্রামে ১৯ শতাংশ।.......

    কটি বণিকসভার সভাপতি হিসেবে যখন প্রতিনিধি দল নিয়ে চিন, জাপান, মায়ানমার, ইংল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর গিয়েছি, তখন একান্তে আলোচনা হলেই একটাই প্রশ্ন উঠেছেঃ টাটার মতো বৃহৎ এবং সৎ গোষ্ঠী যদি পশ্চিমবঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তা হলে বিদেশিদের ঝুঁকি তো আরও অনেক বেশি।

    যদি একটি গাছে পাঁচটি পাখি বসে থাকে এবং একটি শিকারি এসে একটি পাখিকে গুলি করেন, তা হলে বাকি থাকে ক’টি পাখি? পাটিগণিতের হিসেবে চারটি পাখি। কিন্তু লগ্নিকারীদের হিসেবে— শূন্য। কারণ, একটি পাখি শিকার হলে বাকি চারটি ভয়ে উড়ে পালাবে। সিঙ্গুরে যে ভাবে আমরা নিজের নাক কেটে বামপন্থী সরকারের যাত্রাভঙ্গ করেছি, সেই ভাবমূর্তি এবং শিল্পায়নের সদিচ্ছার প্রশ্ন থেকে বেরিয়ে আসতে সময় এবং পরিশ্রম লাগবে।........

    আমাদের কৃষি লাখ লাখ কাজ সৃষ্টি করতে পারবে না। যদি দ্রুত ভারী শিল্পে নিয়োগ না আসে, যদি ব্যাপক শিল্পায়ন না হয়, যদি পরিষেবা ক্ষেত্রের ব্যাপক সম্প্রসারণ না ঘটে, তবে থাকবে হতাশা এবং বেকারত্বের জ্বালা। সেই হতাশা থাকলে চলবে তোলাবাজি, গুন্ডামি আর সিন্ডিকেটের রাজত্ব।"
    http://www.anandabazar.com/editorial/west-bengal-first-then-the-other-interests-1.369757#
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৩২669966
  • ফার্মিং ইন্ডাসট্রিতে অসুবিধে টা কোথায় ? বারবার গল্প টা হয় কৃষি নয় শিল্প এরকম দিকে চলে যাচ্ছে কেন। ফার্মিং তো একটা ইন্দাস্ত্রী। শুধু ধান -গম নয়, পশুপালন -মাছ্পালন সবই এর মধ্যে পরে। এটাকেই যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিতে বড় করে করতে সমস্যা কি। ফার্মিং ইন্দাস্ত্রী তে এমপ্লয়মেন্ট আইটি র তুলনায় বেশি, হেভি ইন্ডাস্ট্রির তুলনায় কম হলেও। তার ওপর প্রচুর লো এন্ড মিডল স্কিল লেবার দিয়ে কাজ চালানো যায়।
  • pi | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৩৫669967
  • কৃষিভিত্তিক শিল্প নিয়ে আগে এখানে কথা বলতে গেলে গাল খেতে হয়েছে। মনে পড়লো।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৩৮669968
  • সিঙ্গুরের যে খবরটা নিয়ে পিটি লিখলে সেই খবরেই আছে, প্রথম পাতার শেষ প্যারার আগের প্যারায় -
    "দীর্ঘ সওয়ালের একেবারে শেষে এসে অভিষেকের দাবী, রাজ্য সরকার যেসব নথিপত্র জমা দিয়েছে, তাতে একবারের জন্যও এটা প্রমানিত হচ্ছে না যে, বিশেষ করে সিঙ্গুরের জমিই চেয়েছিলো টাটা গোষ্ঠী। এমনকি তারা কোন মৌজাও চিহ্নিত করেনি। সিংভির এই দাবী নথিভুক্ত করে রাখেন বিচারপতি গৌড়া। অভিষেকের বক্তব্য, খড়্গপুরে ৬০০ একর জমি ছিলো বলে তারা রাজি হয়ে গিয়েছিলেন"।(এই লাইনটি নজরটানের নিমিত্ত, তলদাগ ও মোটাহরফে পড়া হোক - কল্লোল) "কিন্তু সিঙ্গুরে যখন ১০৫৩ একর জমি পাওয়া গেলো, তখন তাঁরা মূল পরিকল্পনা মতো চলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তাঁরা বলেছিলেন সিঙ্গুর ছাড়া অন্য কোথাও গাড়ি তৈরীর কারখানা করবেন না।" (এই লাইনটিও নজরটানের নিমিত্ত, তলদাগ ও মোটাহরফে পড়া হোক - কল্লোল)

    এটা এই সময়ের ভিউজ নয়, আদালতের পর্যবেক্ষণও নয়। টাটাদের বক্তব্য।

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23006&boxid=152012246

    বড় এস। আপনি লিখেছেন - "কোলকাতায় আগে অনেক ছাপাখানা ছিলো। সেগুলো-ও তো উবে গেছে। আমার আপনার বাড়িতে ল্যান্ডলাইন ছিলো - উবে গেছে। পিসিও ইন্টারনেট জ্যাফে ছিলো - উবে/কমে গেছে। কেন?"
    এর বদলে লিখতে পারবেন কি? - গ্রামাঞ্চলে আগে ধান চাষ হতো, তরিতরকারির ফলন হতো সেগুলো-ও তো উবে গেছে। - কেমন হয় তবে!!!
    কোনটা উবে গেলে অল্প ক্ষতি আর কোনটা উবে গেলে সমূহ ক্ষতি সেটা বোঝেন কি!!
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৪৬669969
  • ফার্মিং ইন্দাস্ত্রী মানে কৃষিভিত্তিক শিল্প কি ? সিওর নই। কৃষিভিত্তিক মানে বোধ হয়, অমুক তমুক রা তাদের ক্ষেতে ধান চাষ করলো আমি সেই ধানের কুঁরো তাদের থেকে কিনে রাইস ব্রান অয়েলের কল বসালুম। এ জিনিস পশ্চিমবঙ্গে চেষ্টা হয়েছে। সাসটেইন করেনা কারণ চাষী রা ওই ছোট ছোট খোপে বিভক্ত, মার্জিন ডিভিশন, লজিস্টিক্স সব মিলে ঘটি উল্টে যায়। আমি একদম ইন্দাস্ত্রী মডেলে ফার্মিং বলছি। সমবায় হোক বা বৃহত মালিকানা, একটা ছাতার আন্ডারে পুরো চাষ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং সব নিয়ে। বিদেশে যেমন হয় আর কি।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৪৭669970
  • একক, আপনি যেটা বলছেন সেটা হলো প্রাইমারি সেক্টর। আপনি যেকোনো উন্নত দেশের ইকনমির ভাগ যদি দেখেন দেখবেন সেখানে এগ্রিকালচারের/প্রাইমারি সেক্টরের অবদান অত্যন্ত কম। তার কারণ ফার্ম প্রোডাক্টের দাম/ভ্যালু সাধারণতঃ অনেক কম হয়। আপনি নিজেই ভাবুন আপনার মাস খরচের কতটা খাওয়ার দাওয়ারের পিছনে যায়? (রেস্তোরা বাদ দেবেন এই হিসেব থেকে)। আর গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের মুল রেভেনিউ আসে ট্যক্সো থেকে। অতেব ইকনমির সাইজ না বাড়লে সরকারের রেভেনিউ বাড়বে না, সেক্ষেত্রে বিনা/কম খরচে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বা অন্য কোনো পরিষেবা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরী করা যাবেনা।
  • sm | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৫১669971
  • পাগল নাকি রাজারহাট আর নিউটাউন দিয়ে দিলে দিদি ও তার ভাইয়েরা সিন্ডিকেট করে খাবে কি? আর ওখানে তো রিয়েল এস্টেট হয়নি?
    --- রাত্রিদিন লিখে লিখে, S এর কি বদ হজম হয়েছে? টাটা দের জমি দেওয়ার সময়, সরকার, সিন্ডিকেট সব বামেদের ছিল।
    দিদি পরে এসেছে।
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ০৭:৫৫669972
  • এস

    আমি হেভি ইন্দাস্ত্রী করতে মানা করিনি :) আমি বলেছি একটা পরিকল্পনা নিতে যেখানে, যে জমিগুলো উর্বর এবং শিল্পজমিতে পরিবর্তন করতে গেলে বাধা আছে সেখানে ফার্মিং টাকেই ইন্দাস্ত্রিয়াল মোড় এ করতে। এআর ইন্দাস্ত্রিয়াল মোড় এ করলে এন্ড প্রডাক্ট কে ডিসাইন করার একটা জায়গা থাকে। আপনি অর্গানিক ফার্মিং করে তিনগুন দাম নিতে পারেন। আপনি স্পেশাল ডিম বেচতে পারেন এক্সট্রা ভিটামিন ওয়ালা। আপনি মাছ সরাসরি না বেছে মাছের ফিলে বানিয়ে ফ্রিজিং করে প্যাকেজিং করে বেচতে পারেন। এগুলো চারপাশে দেখছি তো। লোকে কিনছে। আপনি ফার্মিং কে যত বেশি ইন্দাস্ত্রিয়ালায়স করবেন তত আপনার সুযোগ আসবে এন্ড প্রডাক্ট কে নিজের মত করে ডিসাইন করার।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৮:০৪669973
  • আপনি প্রোডাক্টের এন্ড ভ্যালু বাড়ানোর কথা বলছেন। সেটা করতে পারলে ভালো। কিন্তু তিনটে অসুবিধে আছে। ১) ইন্ডিয়ায় এমন জিনিসের ডিমান্ড এখনো বেশ কম - মানে মাস স্কেলে নেই। লোকে এখনো মান্ডি বা বাজার থেকে দর দাম করে সব্জি আর মাছ কেনে। কালচারটাই আলাদা। ২) কেউ ইনভেস্ট করতে রাজী নয় - হয়তো ডিমান্ড নেই বলেই। ৩) এটা আপনি নিজেই বলেছেন - ভাগ চাষের কথা।

    ফার্ম প্রোডাক্টকে খুব বেশি কমার্শিয়ালাইজ করলে কিন্তু কিছু প্রবলেমও হতে পারে - যেমন দাম বেড়ে যেতে পারে। অতেব এটা অনেক প্ল্যান করে করতে হবে। আর এগ্রিকালচার প্রোডাক্টে প্রফিট মার্জিন খুব কম থাকে। ফলে এনাফ ভলুম না থাকলে কেউ ইন্টারেস্টেড হবেনা।
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ০৮:১১669974
  • এইসব অর্গানিক ফার্মিং, স্পেশাল ডিম, মাছের ফিলে ইত্যাদির বাজার কেমন পব-তে? এগুলো যারা পবতে কেনে তারা জনসংখ্যার কত শতাংশ? সরকারের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮০% শতাংশ বাঙালী ২ টাকা কিলোর ভিক্ষান্নের ওপরে নির্ভরশীল। এসব খাদ্যবস্তু তো শহরের মানুষই কিনবে। কিন্তু "পশ্চিমবঙ্গে শহরাঞ্চলের বেকারের অনুপাত ৪০ শতাংশ.........."!!

    অভিরূপ সরকারের "উন্নয়ন" তত্বের মুখে ঝামা ঘষা এই "ভিউজ"-টি এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্যঃ
    "এ রাজ্যে মহার্ঘভাতা নেই, উন্নয়নও নেই"
    http://www.anandabazar.com/editorial/no-d-a-no-development-in-our-state-1.382269#

    কল্লোলদা-এস আমরা অরেকটু ধৈর্য ধরি। এতদিন ধরে এই সময় যা দিয়ে হেড-লাইন করছিল তা সবই "আদালতের পর্যবেক্ষণ"। আজকের "পর্যবেক্ষণ" এই সময়ের মনোমত না হওয়া সেটা আর হেডলাইন হয়নি। এই খবরটা আস্তে আস্তে এবার ভেতরের পাতায় চলে যাবে।
    "কিন্তু সিঙ্গুরে যখন ১০৫৩ একর জমি পাওয়া গেলো, তখন তাঁরা মূল পরিকল্পনা মতো চলার সিদ্ধান্ত নেন।" এর মানে টাটারাই ভাল জানে। কিন্তু আমি যা বুঝছি তা হল এই যে একটা সময়ে ৬০০ একরের বেশী জমি না পাওয়ায় তারা "মূল পরিকল্পনা" থেকে সরে আসে, তার পরে ১০৫৩ একরের সন্ধান পাওয়ায় " মূল পরিকল্পনা মতো চলার সিদ্ধান্ত" নেয়। এর মধ্যে তুমি কোন ষড়যন্ত্রের ছবি পেলে তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ০৮:১৬669975
  • ওয়েস্ট বেঙ্গল এর বাইরে সর্বর্ত্র কিন্তু ফার্ম প্রডাক্টের এন্ড ভ্যালু বাড়ানো শুরু হয়ে গ্যাছে অনেকদিন। হচ্ছেনা তা নয়। ধরুন রাগী। রাগী এমনি বাজার থেকে কেজি দরে কিনলে এমন কি দাম। এবার আপনি কোথাও ওরকম র ফর্মে রাগী পাবেন না। রাগী বলস পাবেন। আবার রাগী ফ্লেক্স পাবেন। তার গায়ে গুনাগুন -গ্লাইসিমিক ইন্ডেক্স কত কম -রাগী খেলে কি উপকার এসব লেখা। পাঁচ গুন দামে সেই রাগী ফ্লেক্স লোকে কিনছে। এটা আমরা ভাবতে পেরেছি ? এরা তো পেরেছে। মাস স্কেলে তো মার্কেট তৈরী করতে হয়। দরকারে কাঁচা যোগান বন্ধ করে দিতে হয়। শপিং মলে গিয়ে খাদ্যগুণ দেখে ডেট দেখে বাসা ফিলে কেনার কথা আমরা দশ বছর আগে ভাবতে পেরেছিলুম ? হচ্ছে তো।

    অভ্যেস ধরাতে হবে। ছতব্যালায় তো আমরা গম কিনে আলোম্বাজারের গমকল থেকে ভাঙিয়ে বাড়িতে রুটি বানাতুম। প্রথমে দেখলুম প্যাকেট আটা -ময়দা এলো। আর গমকল এ যেতুম না। তারপর এখন দেখি গলিতে গলিতে রুটির দোকান। মানে লোকে আর রুটিও বানিয়ে খেতে চাইছে না। তারমানে, একদিন এরকম নিশ্চই আসবে যখন ব্যাঙ্গালোরে যেমন প্যাকেট করে মেশিনে তৈরী রুটি বিক্কিরি হয় সেরকম হবে। এন্ড প্রডাক্ট কে নতুন নতুন ডিসাইন করে ভ্যালু না বাড়ালে ফার্মিং কখনই সিরিয়াস ইন্দাস্ত্রী হবেনা।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২১669978
  • সকলেই দেশের উন্নতির কথা বলে। দেশ, এক্ষেত্রে ভারতবর্ষ ধরলে, মানে কি পব শুধু?
    পব, আসাম, উড়িষ্যা, বিহার, উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, তামিলনাডু, কেরালা, কর্ণাটক আর অন্ধ্র এই রাজ্যগুলির নদী দোয়াব এলাকাগুলি ভীষন উর্বর। এই জায়গাগুলো বাদ দিয়ে শিল্প করলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয় আজও বোঝা গেলো না। তাতে হয়তো পবতে শিল্প হতে পারে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বীরভূমে।
    সেখানকার পরিকাঠামো উন্নত করার কাজটা সরকারের। তারা সেটা করুক। রাস্তার/রেল লাইনের জন্য জমি নেওয়া আর শিল্পের জন্য জমি নেওয়ায় যে পরিমানগত ফারাক আছে সেটা মাথায় রাখা ভালো। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের দিকটাও সহানুভূতি দিয়ে ভাবা দরকার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন