এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১০৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রোবু | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৮:৫২713571
  • ঘাস না ছাঁটলে গরু আসবেই। দ্বিমত নেই।
  • কল্লোল | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৮:৫৪713572
  • ক্যানো? ক্যানো? অপেক্ষা করতে হবে ক্যানো?
    এই যে একজন লিখেছিলেন - "অথচ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে ঈষৎ রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতেও তার এত দোনামনা।"
    এমন তো সে আমলে হবার কথা নয় গো!!
    সেই জন্যই তো বামেরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে ঈষৎ রাজনৈতিক ঝুঁকি নিলেন, ও দাঙ্গাবাজদের দাবী মেনে নিলেন। ব্যস খেল খ্ত্তম পয়সা হজ্জম। নো দাঙ্গা নো কিচ্ছু।
    এইটা যে ক্যানো লোকে বোঝে না, দাঙ্গাবাজদের দাবী মেনে নাও। নো সাম্পোদায়িকতা।
  • সর্বহারা | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৮:৫৫713573
  • স্টালিন আবার জেগে উঠেছে।
  • PT | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৮:৫৭713574
  • এ এক অসাধারণ বিকৃতি!!
  • কল্লোল | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:১৮713575
  • বিকৃতি কোনটা?
    ১) দঙ্গাবাজেরা তসলিমাকে পব থেকে তাড়াতে চেয়েছিলো।
    ২) সেই দাবী মানাতে তারা দাঙ্গাও বাঁধায়।
    ৩) পব বাম সরকার তসলিমাকে তাড়িয়ে দেয়।
  • রোবু | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:১৯713576
  • চাড্ডিরা হোয়াট্যাবাউট্রি করলে খুবই খিস্তি করি। কল্লোলদাকে।
  • কল্লোল | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:২২713577
  • তা ভালো।
  • T | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:২৯713578
  • তসলিমার নিরাপত্তার জন্যই তসলিমাকে সরাতে হয়েছিল। এই যেমন বাদুড়িয়ার ছেলেটিকে গ্রেফতার করে লুকোনো কোনো জায়গায় রাখা হয়েছে। সরকারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মূর্খামি না করে দাঙ্গায় যাতে একটিও মানুষের প্রাণহানি না ঘটে তার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা। আবালের মতো কাজ না করে যা করেছে সেটা উচিত ট্যাকটিক্স ছিল। দুহাত তুলে সমর্থন। যাঁরা বলছেন এতে আসলে দাঙ্গাবাজদের মদতই দেওয়া হল তাঁরা যে কোনোদিন ক্ষমতায় আসেননি এ পশ্চিমবঙ্গের বাপের ভাগ্য ভাল। প্রাণ যায় পর বচন না যায় মার্কা হাবিজাবি ন্যাকামো টিভি সিরিয়ালেই থাকুক।

    কিন্তু দুহাত তুলে যেটাকে সমর্থন করা যায় না, বরং বিরোধিতা করা যায় সেটা হল, সেই দাঙ্গার পরিবেশ যাতে আর না ঘটে সেটা নিশ্চিত করে তসলিমাকে ফিরিয়ে আনতে না পারাটা। দেখার দরকার ছিল যে কাল তসলিমার বদলে অন্য কেউ একই কাজ করলে এইরকম যে হবে না তা নিশ্চিত করা। এবং তার চেয়েও বড় কথা হল, পশ্চিমবঙ্গের বুকে এইসব কারণে মব হিস্টিরিয়া ট্রিগার করা যায় এইরকম ক্ষেত্র ক্যানো একটা বাম সরকারের আমলে তৈরী হবে। প্রহরায় ফাঁকি থেকে গেছিল। দরকার ছিল সমস্যার মূল খুঁজে বার করে সমাধান করা। সেই কাজে বাম সরকার কতটা কি করেছিল জানি না।
  • PT | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:৩৮713579
  • বিকৃতির বাইরে একটাই উত্তর হয়ঃ
    সুইডিশ নাগরিক তসলিমাকে নিরাপত্তর কারণে কলকাতা থেকে বের করে নেওয়া হয়। তাঁর ওপরে আক্রমণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যেত না কেন না ঐ ২০০৭-এই ....she was attacked by a mob that stormed into her book launch in Hyderabad.

    আর তসলীমার নিরাপত্তার ব্যাপারট শুধুমাত্র পব-র সরকারের মাথাব্যথা ছিল না। she complained in an interview to Reuters that she was being kept under virtual house arrest in Delhi, where she was not allowed visitors and was not permitted to leave her house, which was under heavy police protection.

    বাম সরকারের সিদ্ধান্ত যে একেবারেই সঠিক ছিল সেটা অন্য সূত্র থেকেও নিশ্চিত করা যায়ঃ
    Ronald A Lindsay, the president of CFI (US advocacy group, the Centre for Inquiry), promised that his staff were “doing all we can to keep her out of harm’s way”.
    “Because of the very real danger to her life, Taslima has decided to leave India,” Mr Lindsay said.

    কল্লোলদার মত কিছু মানুষের freedom of expression-এর ইগো ম্যাসাজিং-এর কারণে তসলীমাকে হায়নাদের মুখে ঠেলে দেওয়া মোট্টে বুদ্ধিমানের কাজ হত না।

    কিন্তু কল্লোলদারা সরকারি দল থেকে ইদ্রিশ আলীর বহিষ্কার না চেয়ে বাম সরকারের নিন্দা করে কেন সময় ব্যয় করে কে জানে!!
  • T | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:৫২713580
  • হে হে হে, ইদ্রিশ আলীর বহিষ্কার ক্যানো চাইবে, মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েচে না। মানুষ কি আর ভুল কত্তে পারেন :)
  • aranya | ১৩ জুলাই ২০১৭ ২২:১৬713582
  • ইদ্রিশ আলীর বহিষ্কার তো অবশ্যই প্রয়োজন, তবে সাম্প্রদায়িকতায় উস্কানি দেওয়া, সাম্প্রদায়িক গুন্ডাদের প্রটেকশন দেওয়া জনতাকে বহিস্কার করতে হলে প্রথমেই রাণীমা-কে বহিস্কার করতে হয়, তাতে অবশ্য দলটাই উঠে যাবে
  • কল্লোল | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৮:৩৫713583
  • ইদ্রিশ আলি কে বহিষ্কার শুধু কেন? ওটাকে জেলে পোরা হোক। তাতে আমার কি আসে যায়?
    তসলিমাকে তাড়ানোর কারন যাই হোক, সেটা শেষ পর্যন্ত দাঙ্গাবাজদের দাবী মেনে নেওয়াই হলো।
    কেন প্রশাসন একটা মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না? কেন প্রশাসন দাঙ্গা রুখতে পারবে না? এসব জবাব চাইলে কি "ঐতিহাসিক বিকৃতি" হয়ে যাবে?
    ভাবুন সেই সব মানুষেরাই এখন বলছেন - "অথচ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে ঈষৎ রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতেও তার এত দোনামনা।"
  • কল্লোল | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৮:৪০713584
  • "তসলিমার নিরাপত্তার জন্যই তসলিমাকে সরাতে হয়েছিল।"
    ঠিক ঠিক, তাই ত্তো। লোকে মাংস খাওয়া ছেড়ে দিলেই গোরক্ষকদের হামলায় লোক পেটনো বন্ধ হয়। চোখে দেখে গরু না মোষ না ছাগল কি সবসময় বোঝা যায়? তার চেয়ে ভালো গন্ডগলের সম্ভাবনাকেই আতুরে মেরে দেওয়া। সব রকম মাংস খাওয়া বন্ধ হোক।
    কি তাই ত্তো?
  • PT | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৯:২০713585
  • "তসলিমার নিরাপত্তার জন্যই তসলিমাকে সরাতে হয়েছিল।" ঠিক ঠিক-এটাকে বিকৃত করার কোন কারণ নেই তো!!

    ধরে নেওয়া যাক যে হায়েদ্রাবাদ ঘটনার স্টাইলে একদল লোক তসলীমার ওপরে হামলা চালিয়ে তাকে মেরে ফেলল.......... কল্লোলদার তখনকার অবস্থানটা কি হত?

    তবে এই ভাষাটা কি দৈবাৎ ব্যবহৃতঃ "`Taslima has decided to leave India"
    "Taslimaa decided"? সত্যি?
  • রূপা | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৯:৩৪713586
  • Of course Taslima decided. Just as many Muslims have decided to stop carrying any meat at all while travelling on train. They have decided to do it as voluntarily as Taslima did.
  • pi | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৯:৩৫713587
  • কারা যেন বললেন, বাদুড়িয়ার সম্প্রীতি সব ফেক। কোনোদিনও ছিল না। এগুলো কি বানিয়ে লেখা?

    পেলাম।

    লিখেছেন ঃ বাদুড়িয়ার অধিবাসী রামিজ আখতার

    শিয়ালদহ থেকে গোবরডাঙ্গা বা বনগাঁও লোকাল ধরুন। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা ভালো যে বসতে পারবেন না ট্রেন এ, যদি কোনোরকম এ দাঁড়াতে পারেন তো ভাগ্গি ভালো আপনার। অশোকনগর-হাবড়ার পর ট্রেনটা একটু খালি খালি লাগবে আপনার। সংহতি এলে গেটের দিকে চলে আসুন। মসলন্দপুর নেমে পড়ুন। ২ নং প্লাটফর্ম ধরে রেলগেটের দিকে আসুন, ডানদিকে যশোহর মিষ্টান্ন ভান্ডার দেখতে পাবেন। ঢুকে পড়ুন ভিড় থাকলেও। ঠান্ডা মিষ্টি দই খেয়ে নিন। আরো কিছু মন চাইলে খেয়ে নিন, মনে থেকে যাবে আপনার। এবার চলুন যাওয়া যাক আমাদের দিকটায়। তেঁতুলিয়ার অটোতেই উঠুন। বেশ খানিক্ষন জ্যাম এ আটকে থাকবেন। বাঁ দিকে জ্যোতি আর পূর্বাশা সিনেমা হল দুটো দেখে নিন। এখন আর দেব বাবুর সিনেমা বাদে আর কেও তেমন ঢুকতে পারে না। কদিন আগে অবধিও প্রসেনজিৎ দাদারই রমরমা ছিল। তিন আমতলা মোড়, অরবিন্দ রোড পেরিয়ে দেশপ্রাণ ক্লাব দেখতে পাবেন। বাসন্তী পূজোতে একবার আসতে পারেন, ভালো লাগবে। এরপর ডাক্তার খানার মোড়টাতে আসুন। বাঁদিকে সুভাষচন্দ্রের একটা মূর্তি দেখতে পাবেন। নিচে লেখাটা পড়ুন। এটাই লেখা তো "নেতাজির ভারতে শেষ বক্তৃতার স্বরণে, ২৫ এ এপ্রিল ১৯৪২ সাল।।।।" ! মূর্তিটার চশমাটা হয়তো নিচে পড়ে থাকতে পারে। স্কুলের বাচ্চাগুলো মাঝে মধ্যে সেটা পরিয়ে দেয়, দেখলেও দেখতে পারেন। বাঁদিকের মাঠের শেষে স্কুলটা মেয়েদের, চাতরা নেতাজি বালিকা শিক্ষা নিকেতন। স্কুলটা ওই শেষ বক্তৃতাকে স্বরণে রেখে। পাশেই একটা অনাথ আশ্রম, তার পাশেই একটা গ্রামীণ লাইব্রেরি। ভিতরে সময় পেলে যেতে পারেন, ধুলোমাখা বইগুলোর গন্ধটা বেশ ভালোই লাগবে। বাঁদিকের বাসুদেব মন্দির টা পেরিয়েই যে হাট টা দেখবেন, ওটাই চাতরা হাট। এই হাটেই জনসভা টা হয়েছিল সুভাষচন্দ্রের। শনিবার আর মঙ্গলবার এলে আপনাকে রাস্তা হাঁটা পথে পেরোতে হবে! হাঁটের উল্টো দিকে যে বিশালাকার স্কুলটা দাঁড়িয়ে, ওটাই দক্ষিন চাতরা হাই স্কুল, ১৯২২ সাল থেকেই ওইভাবেই দাঁড়িয়ে। আপনি ওটাকে কলেজ বলেও ভুল করতে পারেন। হাটে বাজারে কাউকে জিজ্ঞেস করুন স্কুলের ইতিহাস, আপনাকে গড় গড় করে বলে দেবে। আর একটু বয়স্ক কেও হলে স্বাধীনতার আগে থেকে বিপ্লবের ইতিহাস শোনাতে পারে। সময় থাকলে শুনতে পারেন, হরেন রায়, সূর্যকান্ত মিশ্র, আরো অনেকে কিভাবে স্কুলটার জন্যে বিপ্লব করেছিল। হাট টাতে জিলাবি খেয়ে নিন আর বাঁদিকের রাস্তাটা দিয়ে স্কুলের হোস্টেলের পাশ দিয়ে যান ৫-৬ কিমি। পপিলা গ্রামটা ছেড়ে এগিয়ে যান। এই পাপিলা গ্রাম টা আদিবাসি মানুষেরই বসবাস বেশি। আপনি যদি ওদের ফুটবল খেলা দেখেন দাদা। আমরা খেলেছি ওখানকার বন্ধুদের সঙ্গে!! হাঁফায় নাগো দাদা!! যাগ্গে, গন্তব্যে যাওয়া যাক। রসুই গ্রাম। আঁতকে উঠলেন তো? পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে পাকিস্তানের অংশ হয়ে গেছে দেখেছিলেন না ফেসবুকএ? ছোটবেলায় এখানে আমরা প্রায়শঃই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলতে আসতাম। এখন হলে তাহলে ভারত-পাকিস্তান খেলা হতো বলতেন নিশ্চই। আর বেশির ভাগ সময়এ আমরাই জিততাম। মানে ভারত জিততো র কি!! খুশি হলেন তো? গ্রামের লোকগুলিকে জিজ্ঞেস করুন কি হয়েছিল ঈদের দিন। ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি ঈদের দিন চাঁদ-তাঁরা ওয়ালা কাগজের পতাকা আর ফুল দিয়ে সাজানো হয় মসজিদ এর চারপাশ। ওই চাঁদ-তাঁরা পতাকাগুলো কখনো সাদা, গোলাপি, হলুদ, সবুজ, লাল ও হয়। সমস্যাটা হল যদি সবুজ হয়ে যায়!! আর যারা এগুলো লাগায়, তাদের একবার জিজ্ঞেস করে দেখুন, পাকিস্তানের পতাকা তো দূরের কথা, ভারতের পতাকার কোথায় কি আছে বলতে পারবে না। দেখবেন দাদা, আপনি আবার ওদের অন্তি-নতিওনল নাভেবে বসেন! আমি জানি ওরা সোশ্যাল মিডিয়াতে না থেকে নিজেদের অন্তি-সোিঅল বানিয়ে ফেলেছে। ছেলে-মেয়েদের দুবেলা খাবার জোটাতে যাদের নাভিশ্বাস বেরোয়, তাদের আবার সবুজ-সাদা-কমলা! আপনার খিদে পেয়ে থাকলে কোনো বাড়িতে গিয়ে উঠুন। কলকাতা থাকে আসছেন শুনলে একটু আড়ষ্টতা থাকবে। তবুও তাজা সবজি আর মাছের ঝোল তো পাবেনই। যদি গ্রামটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ভালো লেগে যায়, তাহলে আর একটু এগিয়ে চারঘাটের ঝিল টার পাশে গিয়ে বসুন। প্রাণ জুড়িয়ে মাথাও ঠান্ডা হয়ে যাবে। বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হবে না, প্রেমিক-প্রেমিকাদের আসতে অসুবিধা হয় আর কি। ওরা এখনো প্রেমটাকে ডেটিং হিসেবে ভাবতে শেখে নি। যাগ্গে, চলুন ফেরা যাক। চাতরা থেকে চলুন তেঁতুলিয়ার দিকে। ডানদিকে-বাঁদিকে মন্দির-মসজিদ দেখতে চাইলে আপনি হতাশ হবে না। মন্দির-মসজিদ এর সংখ্যাই তো বলে দেবে এখানে কারা সংখ্যাগরিষ্ঠ! তালতলার মাঠ ডানদিকে। ১৫ ই অগাস্ট এর পরের রবিবার চলে আসুন ফুটবল টুনামেন্ট কিরকম হয় দেখতে পাবেন। ঐদিন আপনাকে কেও না কেও ডেকে নিয়ে খাইয়ে দেবে দুপুরে। এরপর চন্ডিপুর বাজার পড়বে। ছোটবেলায় দাদুর কাছে শুনেছি ওটার আগেকার নাম ছিল কলোনি বাজার। ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি নাকি ওখানে কলোনি গড়েছিল। ডানদিকে দুটো বড় বড় রাধা-কৃষ্ণের মন্দির পড়বে। শেষ ৫-৬ বছরে রথযাত্রাটা বেশ জাঁকজমক করে হচ্ছে। এরপর বেনার মোড়, শিবপুর, কেওঁটসা বাজার পেরিয়ে নারকেলবেড়িয়া গ্রাম পড়বে। মনে করতে পারছেন কিছু? নাহলে আমিই বলে দিই। তিতুমীরের এর বাঁশের কেল্লা দাদা। ক্লাস ২-৩ তে পড়েছেন নিশ্চই। ও আপনি তো বোধহয় সিবিএসসি! তাহলে পরে কখনো বলবো। যদিও কেল্লাটা একটা ছোট বেদীতেই টিকে আছে! কারবালার পর লোকজন এখানে আসে। সে ভিড় আপনি আগে দেখেননি। আরো গেলে হুগলী গ্রাম তারপর রামচন্দ্রপুর। পদ্মা নদীটার রুগ্ন দশাটা দেখলে আপনারও খারাপ লাগবে! ফিরে এসে কেওঁটসহ বাজারের মধ্যে দিয়ে চলে আসুন রুদ্রপুর। আপনার ধারণা ছিল এখানে সব বাড়ি জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওই ছেলেটার বাড়ির কিছু অংশ ভাঙা আর পোড়া দেখতে পাবেন। আপনার মতো আমারও খারাপ লাগছে দাদা! ছোটবেলা থেকে এরকম দেখতে অভ্যস্ত নইতো ! এখনো আমার মতো এই অঞ্চলের বহু মানুষের ঘোর কাটেনি !!! দুঃস্বপ্ন এর মতোই সবাই এটাকে ভুলতে ব্যস্ত। ফেস-বুকটা যে এমনভাবে একদম ধর্মের বুকে গিয়ে বিঁধবে কে জানতো! শুনেছিলাম ধর্মের সুড়সুড়িতে সবারই নাকি কাতুকুতু লাগে। আর এই সময়ে একটু বেশিই। ভয় ছিল, আমাদেরও লাগবে নাতো?? ছোঁয়াচে শুনেছি দাদা এটা। এখন বাদুড়িয়া-রুদ্রপুর ঘুরে আপনার কি মনে হলো?? কাতুকুতু কি সবার লেগেছে ?? যাগ্গে দাদা, এটা আমাদের ঘরের সমস্যা, আমরাই মেটাবো। আপনি পারলে বলে দেবেন, এগুলোতে সোশ্যাল মিডিয়াতে কাতুকুতু না দেওয়াই ভালো। সংক্রামক তো। ।আজ আপনার নেই, কাল আপনার কাতুকুতু লাগবে না, কে বলতে পারে !!
    ও আপনাকে রাস্তাটা বলে দিই। রুদ্রপুর স্কুলের সামনে দিয়ে মগরা হয়ে মসলন্দপুর চলে আসুন। বরিশাল হোটেল এ বিরিয়ানি খেয়ে ট্রেন এ উঠে পড়ুন। আরে বলতে ভুলে গেলাম, বাদুড়িয়াতে মিষ্টি খাবেন না? "মিষ্টিমুখ" দোকানে চলে যান। আপনি অনেক মিষ্টি আগে কখনো চোখে দেখেননি নিশ্চিত। বাড়ির জন্য নিয়ে যান মিষ্টিমুখে, কারণ আবার কবে আসবেন ঠিক আছে।
  • কল্লোল | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৯:৩৮713588
  • ১)তসলিমা বহুবার বলেছেন, লিখেছেন - উনি বাধ্য হয়ে পব ছেড়েছেন।
    ২)তসলিমাকে নিরাপত্তা না দিতে পারাটা প্রশাসনের ব্যর্থতা
    ৩) দাঙ্গা ঠেকাতে না পারাটাও প্রশাসনের ব্যর্থতাই।
    ৪) কোন একটা অন্যায় দাবীর ফলে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান যদি এই অন্যায়কে মেনে নেওয়া হয়, তবে আপনারা গোমাংস নিয়ে দাঙ্গার সমাধানও কি তাইই চান? ঝেড়ে কাশুন। সব রকম মাংস খাওয়া বন্ধ, এটা তবে মেনে নিতে হবে???
    এই অনর্থক ন্যাকামি আর ভালো লাগছে না।
  • PT | ১৪ জুলাই ২০১৭ ০৯:৪৬713589
  • "`তসলিমাকে নিরাপত্তা না দিতে পারাটা প্রশাসনের ব্যর্থতা"
    এক্কেবারে ঠিক কথা!
    কিন্তু যারা রাষ্ট্রে বিশ্বাসই করেনা তারা এখন রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা দাবী করছে!!
    কিন্তু রাষ্ট্র প্রাণপণ চেষ্টা করলেও নিশ্ছিদ্র নিরাপতা দিতে পারে না। রাজীব, ইন্দিরা, ইত্যাদীদেরও বাঁচানো যায় নি। কেনেডিকেও না। অতএব তসলিমাকে সমস্যার কেন্দ্রস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
    একজন বিদেশীর নিরাপত্তা দেওয়াকে দাঙ্গাকারীদের দাবী মেনে নেওয়ার সঙ্গে জুড়ে দিতে গেলে বিপুল বিকৃত রাজনীতির চর্চার প্রয়োজন হয়।
    রাষ্ট্র সম্পর্কে জলে নামব, বেণী ভিজাব না জাতীয় বিকৃত ন্যাকাপনাও অবিলম্বে বন্ধ হোক। দাঙ্গাকারীদের গুলী চালিয়ে মেরে দিলে এই ন্যাকারাই কলকাতার রাস্তায় মোমবাতির চাষ করত। সেসব তো আমরা অনেক দেখেছি।
  • lcm | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১০:৩১713590
  • আহা, এত গোল পাকানোর কি আছে। যদ্দিন কোনো ঝামেলা হয় নি, ততদিন বাম সরকার কিছু বলে নি, যেই ঝামেলা হয়েছে মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে বাম সরকার তসলিমাকে দিল্লি পাঠিয়ে দিয়েছিল। এটা তো সবাই জানে - তসলিমা জানেন, বিমান বসু জানেন, পল্টু জানে, লল্টু জানে .. শুধু এখানে দশ বছর ধরে এক জিনিস নিয়ে তক্কো। ধুস্‌।
  • PT | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১০:৫৫713591
  • কিন্তু তসলিমাকে পাঠানোর পরে পরেই তো মুসলিম ভোট তিনোদের দিকে চলে গেল!! ২০০৯-এ তিনোরা জেতে বসিরহাটে বামেদের হারিয়ে। তিনোরা মোট ১৯ টা সিট জেতে সেবার।
    অর্থাৎ কিনা তসলিমাকে কলকাতায় রাখা না রাখর সঙ্গে বামেদের মুসলিম ভোটের সমর্থনের কোন যোগাযোগ নেই? অত্যন্ত সরলমতি বালখিল্যরা অহেতুক এই সম্পর্কটা তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে?

    "ইদ্রিশ আলি কে বহিষ্কার শুধু কেন? ওটাকে জেলে পোরা হোক। তাতে আমার কি আসে যায়?"
    অনেক কিছু আসে যায়।
    আসে যায় বলেই রাজনাথ-তিনোর মিটিন নিয়ে কোন প্রতিবাদ জানায়নি মোবাত্তিওয়ালারা। তারা ইদ্রিশ আলির বিরুদ্ধেও রাস্তায় নামেনি। আর পরিবর্তনের পরে মোমবাত্তিওয়ালারা তসলিমাকে ফিরিয়ে আনার জন্যেও দাবী জানায়নি।
    একবার বিভাসদা, পোতুলদাদের বলে দেখবে নাকি তসলিমাকে ফিরিয়ে আনার জন্যে রাস্তায় নামতে?
  • lcm | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১১:০৪713594
  • বোঝো! তাহলে আর বাম সরকার ২০০৪-২০০৭ তিন বছর কলকাতায় রেখেছিল কেন? তখন কি ভুলে গেছিল যে তসলিমা সুইডিশ নাগরিক।

    ধুর ধুর
  • PT | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১১:৩৩713595
  • তসলীমাকে "বাম সরকার কলকাতায় রেখেছিল" সেটা কেমন করে জানা গেল?
    তসলীমাকে যে মুসলিমরা পছন্দ করে না সেটা তো বামেদের জানাই ছিল। তাহলে মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে বামেদের কখনই তো তসলীমাকে কলকাতায় থাকতে দেওয়ার কথা নয়।
    তসলিমা নিজের ইচ্ছায় কলকাতায় এসেছিলেন, থেকেছিলেন আর তাঁকে টার্গেট করে যখন দাঙ্গা লাগানো হয় তখন বাম সরকার তাঁকে সরিয়ে দেয়।
    এই ঘটনাবলীর মধ্যে কনস্পিরেসি থিওরি খুঁজতে যাওয়াটাই সময় নষ্ট!!
  • lcm | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১১:৫৬713596
  • হ্যাঁ, সময়, সময় - নষ্ট সময়.. সেই সময়.. এই সময়..
  • PT | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১২:০১713597
  • ঠিক, অনেক সময় নষ্ট হয়েছে ও হয়ে চলেছে........
    তবে তসলীমাকে টার্গেট করে দাঙ্গা লাগিয়ে কারা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ফয়্দা তুলেছিল তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
  • lcm | ১৪ জুলাই ২০১৭ ১২:০৪713598
  • সময় নেই, অবকাশও নেই.. কিস্যু নেই...
  • | ১৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৩৫713600
  • PT | ১৭ জুলাই ২০১৭ ০৮:০১713601
  • আরেকটু খোলসা করবেন?
    "ষড়যন্ত্র করেই একুশে জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করা হয়েছিল বলে এ বার দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ মণীশ গুপ্ত ৷ "

    রাজনৈতিক মঞ্চের খুঁটিপূজো!!?
    "শহিদ দিবসের ’ পাঁচ দিন আগে খুঁটি পুজো করে এ দিনই শুরু হয়েছে ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ তৈরির কাজ৷ রবিবার বেলা একটা নাগাদ নারকেল ফাটিয়ে, ধূপ জ্বালিয়ে, জবাফুলের মালা দিয়ে খুঁটিপুজো করে মঞ্চ নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন তৃণমূল সাংসদ...."

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=33238&boxid=15750161
  • MR | ১৮ জুলাই ২০১৭ ২১:১০713602
  • পরিব্র্তন কামীরা কেমোন আচেন? সাধারন মানুষেরা তো দেখ্লাম অতিস্ঠ। অনেকেই মুখ খুল্তে চাইচে না দেখ্লাম। অবশ্যি ওনারা তো ঐ রাজ্য থেকে কেটে পড়েচেন।
  • Du | ২০ জুলাই ২০১৭ ০১:১০713603
  • বিভক্ত অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী না হলেই আপাতত চলবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন