এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:৪৪391172
  • আকা বাবু যেভাবে বাম বলছেন সেটা আদিব্রাহ্ম সমাজ টাইপের আদি বাম। স যেটা বলছেন সেটা ঠিক বাম নয় সেভাবে ধরতে গেলে, একটু ওয়েলফেয়ার ঘেঁষা এবং চাডডি রাজনীতি বিরোধী একটা অবস্থান। সেটা হতে গেলে আগে হার্ডলাইনার বাম অবস্থান থেকে বেরোনো দরকার। তাই, সেক্ষেত্রে তাত্ত্বিক বাম খুঁজে কোনো লাভ আছে বলে মনে হয় না।

    আবার আরেকদল বলতে পারেন, এইভাবে সোশাল ডেমোক্রাত গোলেমালে বামদের বিনাশ করে দিলে সত্যি যেদিন বাম প্রতিরোধের দরকার হবে সেদিন হাতে পেন্সিল ছাড়া কিছু থাকবে না :):) সে কথা টা মিথ্যে না, কিন্তু তদ্দিন অবধি জাস্ট টিঁকে থাকা খূঊপ ই চাপের আর কী :):)
  • S | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:৪১391169
  • আকাদা অন্য টইতে এই নিয়েই কথা হচ্চে তো।
  • aka | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:২৮391168
  • স কে ঠিক বোঝাতে পারছি না।

    এখানে কেন হেরেছে, সেখানে কেন হেরেছে আসলে বোধহয় সমস্যা সেটা নয়। হেরে যাবার পরে ঘুরে কি করে দাড়াবে সেটাই বুঝতে পারছে না সেটাই সমস্যা। দীশাহীন রাজনীতি। মার্কেট ইকনমির কাছে হেরে গিয়ে দিক্ভ্রষ্ট রাজনীতি। তার মূল কারণ বামরাজনীতির নতুন কোনো থিওরেটিকাল ন্যারেটিভ তৈরী হয় নি। গর্বাচভ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু দাড়ায় নি।
  • aka | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:২৪391167
  • বামেরা কি সিল্প চায়? তাহলে কি পদ্ধতিতে? সরকারী দায়িত্ব অনেক বেশি? নাকি চুইয়ে পড়া অর্থনীতি?

    অপারেশনাল লেভেলে অনেক কিছু ভাবা যায়, কিন্তু তাত্ত্বিক ভাবে বামরাজনীতি মৃত, কি আছে দেবার?

    মানিক সরকার হলেন এনাদের আদর্শ সিম্বল। কিছুটা বেচারা, অনেক ভালো করার ইচ্ছে আছে, কিন্তু উপায় নাই।
  • S | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:২২391166
  • আসলে পবে যখন ছিপিএম হারে, তখন অনেকেই খুব খুশি হয়েছিলো। কারণ জিতেছে দিদি। আর অনেকেরই ক্ষার ছিলো বামেদের উপরে। বিশেষত বামেদের লোকাল বা অফিসের ভাম নেতাদের উপর। ৩৪ বছরের শাসনকালে সক্কলকে সবসময় খুব খুশিতে রাখবে এটা প্রায় অসম্ভব। ফলে অনেকেই খুব সেলিব্রেট করেছিলো। অনেকের অবশ্যি সেই সেলিব্রেশনের মুড চলে গেছে অনেকদিন আগেই। এঁদের অনেকেই পরেরবারে বিজেপিকে ভোট দেবেন।

    কিন্তু ত্রিপুরার হারের কেসটা আলাদা। কারণ সেখানে বাঙালী সেন্টিমেন্ট কাজ করছে।
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৯:১৪391165
  • আজ্জ্জো, এই ছিল তোর মনে? পোবোন্দোগত ঐক্যর এই হাল ছি ছি ঃ--))))

    "কেন লোকে বামেদের ভোট দেবে? চাকরি দেবে? ভূমিসন্গ্সকার করবে? দারিদ্র্য ঘোচাবে? কিভাবে? মার্ক্সের হলুদ পাণ্ডুলিপি দিয়ে?"

    এর মধ্যে কোনটা খুব খারাপ কাজ পরিষ্কার না। নতুনত্ত্বের স্বাদ পছন্দ হলে বলা যেতে পারে

    -- দলিত রাজনীতির সম্মানের প্রশ্নের বাইরে প্রধান অর্থনৈতিক দাবী বড় দাবী জমির। জিগ্নেশ মেওয়ানি এই শ্লোগান তুলে ভোটে জিতেছে, গুজরাটে ফর এক্সাম্পল। আমার মত যে সব সিপিএম সিপিএম কে নিয়ে ভীষণ লজ্জিত, কারণ আমাদের নেতা রাজস্থানের অমরা রাম, তাঁর জনপ্রিয়তার মূল কারণ সাপোর্ট প্রাইস আর জমির বন্টনের গল্প।

    --চাকরি দেওয়া সম্পর্কে বলা যেতে পারে, এটা খুব ই খারাপ কাজ সন্দেহ নেই, কারণ এটা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির মধ্যে পরে। তো এই পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি উদ্যোগী হয়েছেন, কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী পিযুশ গোয়াল। ভালো টেকনোক্রাট মন্ত্রী বলে পরিচিত, বুলেট ট্রেন ভালো বাসেন, বেচারির এতই ভালো ইমেজ, যে অমিত শাহ এর ছেলের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে যখন রিপোর্ট বেরোনোর পরে মামলা হল, দ্য ওয়্যার এর বিরুদ্ধে, তখন ইনি বলেছিলেন ১০০ কোটি র মান্হানির মামলা করবেন, রীতিমত প্রেস কনফারেন্স ডেকে, তো তারপরে, লেখা ছাপাও হয়েছে, গ্যাগ অর্ডার ও উঠে গেছে, শুনানির সময়ে শাহ বা গোয়াল কোন পক্ষই উপস্থিত ছিলেন না, এনার আমলে অবশ্য মায়েদের বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর জন্য আলাদা ঘর তৈরী হয়েছে রেল এ, শুধু কেরালাতেই আপাতত, কিন্তু কৃতিত্ত্ব দিতে হবে, ইনি কেজরিওয়াল এর বিদ্যুত ডিস্ট্রিবিউশন সংক্রান্ত সমস্যার প্রসঙ্গ উত্থাপনের কিছুটা র‌্যাশনাল জবাব দিয়েছিলেন, এহেন পীযুশ ঘোষণা করেছেন ২০১৮ র ২০১৯ এর মধ্যে ৯০ হাজার নতুন জব দেবেন রেলে। তো খারাপ কাজ নতুন দিনের কান্ডারী দের ও করতে হচ্ছে, বিশেষতঃ গুজরাটের খারাপ রেজাল্টের পরে পরেই যখন ঘোষণা।
    ক্যাপিটালিস্ট ওভারপ্রোডাকশন এবং অটোমেশন এর ফলে প্রাইভেট সেকটরে কাজ কমবে এই বিতর্ক খানিকটা মূলতুবি রাখতে হচ্ছে নতুন দিনের সমস্ত কান্ডারি দের। ট্রাম্প বিদেশী তাড়িয়ে জব দিতে চাইছেন, (মানে ওনাকে যদি বিশ্বাস করতে হয়), ট্রেড ওয়ার করছেন নতুন করে, পীযুশ গোয়াল কি লজ্জা কি লজ্জা পাবলিক সেকটরে জব ঘোষণা করে ফেলছেন, ক্যামেরনের বিগ সোসাইটি লেস গভরন্মেন্ট ডাক, হায় হায় তাঁর ই দলের মোর জবস টু দ্য হোম বর্নের দাবীতে নস্যাত হচ্ছে, একদিকে ব্রেক্সিট পন্থী ফারাজ অন্যদিকে পাবলিক সেকটর পন্থী কোরবিন এর উত্থান হচ্ছে। গরীব মিলেনিয়াল দের চাকরি র যোগ্য করতে ফ্রি টিউশন এর কথা বলে স্যান্ডার্স পপুলার হচ্ছেন।
    আসল গল্প টা তাহলে চাকরি দেওয়া টা না, চাকরি দেওয়ার অধিকার টা বাম বিরোধীরা ফিরে পেয়েছেন বলে, মমত পপুলার হয়েছিলেন, চাকরি দেওয়া কে বিরোধিতা করে না, রেল মন্ত্রকে পাড়ার হুব্বাদের ঢুকিয়ে। আপাতত লোকে মনে করছেন, বিকল্প সন্ধানের মৃত্যু হয়েছে, অথবা মনে করছেন, প্রাইভেট ক্যাপিটাল দিয়েই যদি একমাত্র চাকরি হবে, তাইলে আর বাম কেন, প্রাইভেট ক্যাপিটালের যে ঘরের লোক তাকে ঘরে তুলি, তো সেই তাঁরা নীরব মোদী, মাল্য, ললিত মোদী ছাড়া যেটা দিয়েছেন, সেটা হল, এবং এটা জেনুইনলি দিয়েছেন, মানুষের আকরষণ সেখানেই, লো লেভেল সিভিল কন্ট্রাকট্স। আমরা সিন্ডিকেট দের যতই ঘৃণা করি না কেন, স্বল্প শিক্ষিত মানুষ এই জন্যেই আরাবুল সব্য সাচি দের নেতা করেছেন, এবং নতুন দিনের কান্ডারি ট্রাম্পকে নতুন করে ইন্ফ্রা করার কথা বলতে হচ্ছে, চ্যালেঞ্জ টা বিপুল সংখ্যক ম্যানুফাকচারিং এ কাজ না পাওয়া কর্মী, স্যান্ডার্স কেও বলতে হয়েছে, এলিট রাজনীতির প্রতিনিধি ওবামাকেও ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড গড়ে কাজ করতে হয়েছিল, তার মধ্যে তিনি একটু ফুসু অর্গানিক প্রকৃতির ছিলেন বলে, নতুন এনার্জি কোম্পানীতে, কিছু ইনভেস্টমেন্ট করেছিলেন, ইলন মাস্ক সহ।
    তো এটাকে কখন নতুন আর কখন পুরোনো গল্প হিসেবে দেখা হবে, সেটার নির্ণায়ক একমাত্র হতে পারে, হুইস্কি বা রামের ব্র্যান্ডের তারতম্য ঃ-))))), ত্রিপুরার ইলেকশন না ঃ-)))))

    আরেকটা বড় সমস্যা হল, সরকার জবস এর ডেটা পাবলিশ করে না, ম্যানুফাকচারিং অ্যাসোসিয়েছন ৩৫ লক্ষ জব লসের কথা ঘোষণা করেছিল, ডিমনিটাইজেশনের পরে। এখন লেটেস্ট যে ডেটা দেখাচ্ছে, ৭% এর বেশি গিডিপি, তো এর পরে ম্যানুফাকচারিং নিশচয় পিক আপ করেছে, কিন্টু জব ডেটা কিছু প্রকাশিত হয় নি।

    --দারিদ্র ঘোচানো টা একটু আলাদা প্রসঙ্গ, সোশাল ইন্ডিকেটর ত্রিপুরা, কেরালা, তামিল নাদু এবং মিজোরাম সারা দেশের থেকে এগিয়ে। মোদী কথিত হীরা ফর্মুল র প্রথম এইচ, হাই ওয়ে রোড্স এও বেশ কিচুহ্টা এগিয়ে। সেটা নীতিন গাদকারীর সাইট দেখলেও জানা যাচ্ছে। আসল বিষয় টা কনসাম্পশন এর অ্যাসপিরেশন। প্রায় চন্দ্র বিন্দুর গানের মতন, 'খেলছে সচীন মারছে সচীন ইত্যাদি, তোমরা যাকে করছ বিয়ে আমিও তাকে চাই'। তো কনসাম্পশনে র ক্ষমতা র যে ইনডেক্স সেটাতে সারা ভারতের পার্থক্য কম। ২০১১ তে পবঙ্গে ৬০০ হলে, গুজরাটে ৬০১ মত। এখন কোথায় দাঁড়িয়েছে দেখে বলতে হবে। হ্যাঁঅ এটা বলা যেতে পারে, বেকারীত্ত্ব র সমস্যা আর কনজাম্পশনের চাকচিক্যের সমস্যা যে টা সেটার পার্থক্য বামেরা মানুষের মনে নিয়ে যেতে পারে নি। কিন্তু আশ্চর্য্য কথা, জব্স ডেটা না ছাপালেও, সব সরকার ই, সেল্ফ হেল্প গ্রুপের সংখ্যাধিক্যের ডেটা রাখছে ও ছাপছে। সুতোরাং কোনটা নতুন কোনটা পুরোনো আর কোনটা ভালো, সেটার প্যাকেজের পার্থক্য যা, মানুষ একটু ঝিনচ্যাক ঘৃণা চাইছে এই আর কি, খুব ই ভালো সন্দে হ নাই।
  • S | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৮:১২391164
  • আকাদা অন্য টইতে উত্তর দেওয়ার চেস্টা করছি।
  • aka | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৮:০১391163
  • কেন লোকে বামেদের ভোট দেবে? চাকরি দেবে? ভূমিসন্গ্সকার করবে? দারিদ্র্য ঘোচাবে? কিভাবে? মার্ক্সের হলুদ পাণ্ডুলিপি দিয়ে?

    গ্লোবাল ট্রেন্ডের সাথে মিলে যায়।
  • রুকু | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৭:৫৫391162
  • আমার মতে লেনিনের মূর্তি ভাঙার জন্য বিলাপ করার থেকে প্রতিরোধ প্রতিবাদে গর্জে ওঠার থেকে হিংস্র ভাবে চাড্ডিদের নাম লিস্টিং করার থেকে বরং স্লোলি লেনিনকে ঢোকানো হোক লোকজনের মাথায়। মানে ওরা যতখুশি ভাঙুক, মজা পাক, আমরা এদিকে স্লোলি ইনফিল্ট্রেট করে ফেলি।
    ঘুম চোখে হয়ত আবোল তাবোল বকছি। যাকগে, আপিস আছে।
  • aka | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৭:৫৩391161
  • কথা হল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এরকম অদল বদল হবেই, আজ বিজেপি, কাল কঙ্গ্রেস, পরশু বাম। কিন্তু বাম হবার নয়, কারণ ক্ষমতায় না থেকে ক্ষমতায় আসার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটি বামেরা ভুলে গিয়েছে। তার থেকেও বড় কথা আজকের দিনে বাম রাজনীতি মানে কি? টেবিলে বামেরা নতুন কি আনবে সেও জানে না। এটা বাম রাজনীতির গ্লোবাল প্রবলেম নতুন কোনো ন্যারেটিভ নেই।
  • একক | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৭:৩৪391160
  • চাট্টি মানুষজন না মরলেই হলো, যত খুশি মূর্তি ভাঙ্গুক।

    ত্রিপুরাকে খাওয়ার চেও হজম করা মুশকিল, ভোট এ জিতে ক্ষমতায় আসা এক জিনিশ, এরপর ওখানে যে আরও গুচ্ছের ফ্যাকশন আর উপজাতি সমস্যা আছে তাকে ব্যালান্স এ রাখাটা রিয়েল টেস্ট।
  • Du | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৭:১১391159
  • লেনিনের মূর্তি ভাঙ্গার ভালো দর আছে। বেচারা মমতাই চান্স পেলো না।
  • Ekak | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০৬:৪৯391158
  • শিল্পকীর্তি ছাড়া সমস্ত রকম মূর্তি, পুজো হয়ে গেলে ভেঙে বা বিসর্জন দেওয়া সমর্থন করি। খামোখা মূর্তি কেন ? আর্টিস্টিক এক্সপ্রেশন হলে আলাদা কথা নইলে পুজোআচ্চা মিটে গেলে ভেঙে দাও। অবশ্য যারা ভেঙেছে এসব ভেবে ভাঙেনি, বিরোধী দলের কারবার তাই ভেঙে দিয়েছে। বা হয়তো জনরোষ। যেটা লেফট রেজিমের ক্ষেত্রে খুব কমন। মানুষ এতো চেটে থাকে যে সর্বত্রই লেফট রেজিম ভেঙে পড়লে মূর্তি ভাঙার হুজুগ দেখা যায়। আপাতত হৈচৈ থামিয়ে রাজ্যটা দিন সাতেকের মাথায় নরম্যাল কন্ডিশনে ফিরলে ভালো হয়।
  • | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০১:১৫391157
  • সবাই কে ধন্যবাদ।
  • রৌহিন | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০১:০৭391156
  • এখন দেখলাম। সান্তনা আর কী দেব? ভালো থেকো মিঠু
  • রুকু | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০০:২০391155
  • লেনিনের মূর্তি ভাঙার যুক্তিটা ঠিক বুঝলাম না
  • aka | ০৫ মার্চ ২০১৮ ২১:৩৩391154
  • মিঠু, বলার কিছুই নেই, ভালো থেকো।
  • San | ০৫ মার্চ ২০১৮ ২১:২২391153
  • খারাপ খবর -
    মিঠুদি ঠিক থেকো।
  • kumu | ০৫ মার্চ ২০১৮ ২১:২০391152
  • মিঠু,শক্ত থেকো।শান্ত থেকো।এটুকুই বলার।
  • রুকু | ০৫ মার্চ ২০১৮ ২০:৫৮391151
  • সাবধানে থাকো! :-(
  • pi | ০৫ মার্চ ২০১৮ ২০:৩৮391150
  • ত্রিপুরায় নানা জায়গায় খুব ঝামেলা, ১৪৪।
  • h | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:৫১391149
  • মিঠুর পরিবারের এই ঘটনার কথা শুনে খুব ই খারাপ লাগছে। এ মানে কিছু বলার নেই। কি করে কি করে উঠবে নিজেই ভেবে কুল পাচ্ছি না।
  • একক | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:৪৮391148
  • ব্যাঙ্গালোরে প্রথম এসে। বিটিএম তারপর বিজয়নগর তারপর বানার্ঘাত্তা তারপর এই হালার জেপিনগর।
  • T | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:৩১391147
  • অ্যাঁ! কঁবে নাঁগাদ!
  • একক | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:২০391146
  • হ্য া, এক্সটেনডিঙ টু বিজয়্নগর। বিজয়নগরে আগে থাকতুম।
  • T | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:১৩391145
  • যশবন্তপুরের দিকে প্রচুর সংখ্যক ঘেটো আছে।
  • Ekak | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৯:০৫391144
  • কর্নাটক ইলেকশন এ বিজেপি আসার চান্স আছে এবং সেটার কারণ লোকাল মুসলিমদের একাংশের সমর্থন। এমইপি পার্টি বলে একটা পার্টি হয়েছে মাত্র মাস আষ্টেক হলো বোধহয়, ের ইলেকশনে কন্টেস্ট করবে। মুসলিম মহিলা এমপাওয়ারমেন্ট এদের মত্তো এবং হাই চান্স আছে বিজেপির সঙ্গে মিলে যাওয়ার। বেঙ্গালুরু তে অধিকাংশ জায়গায় তেই যেখানে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মুসলিমিন আছেন তাঁরা কোনো ঘেটো তে থাকেন না, হাউসিং এ হিন্দু মুসলিম একসঙ্গে। বিজেপি নিয়ে এনাদের খুব একটা চাপ নেই। এবার বাকি রইলো ঘেটোয থাকা মুসলিম যেমন কিনা শিভাজিনাগারা বা এই জেপিনগর সেকেন্ড ফেজের অপোজিট সাইড এই এরিয়াগুলো। এরা কংগ্রেস সমর্থক কারণ কংগ্রেসের সঙ্গে নানারকম আধা আইনি কারবারে সেটিং। এবার এই সংখ্যায়টা খুব বেশিনা, ব্যাঙ্গালোর মূলত শিক্ষিত চাকরিজীবী মুসলিমদের জায়গা।

    ব্যাঙ্গালোরে একচুয়াল বিজেপি বিরোধী হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানরা, সেই সিদ্দি আগেরবার ডাঙায় মদত দিয়ে ক্রিশ্চিয়ান কেলিয়েছিলো সেই থেকে। কিন্তু এনারা সংখ্যায় আর কত ? স্ট্যাট জানিনা কিন্তু ঝাঁকি দেখে দুটোর বেশি সীট ক্রিশ্চান বেল্ট মনে হয়না।

    তো, সব মিলিয়ে বেঙ্গালুরুতে বিজেপি ননবিরোধী একটা আবহাওয়া তয়ের হয়েচে। এবার বাকি কর্ণাটক সম্বন্ধে বাকিরা ও যা জানেন আমি তাচ্চে বেশি কিছু না,। মাঝে মাঝে গ্রামের দিকে হোম স্টে তে গিয়ে তেকে আর কতটুকু বোঝা যায় :ল|
  • একক | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৮:৫৫391143
  • মিঠুর খবর শুনে খারাপ লাগলো, এমন সময়ে কিছু বলার কোনো মানে হয় কিনা জানিনা। কলকাতায় ফোন করে নিজের বাবা মা এর খোঁজ নিলুম, বছরখানেক হলো দেখিনি।
  • avi | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৮:৪৭391142
  • সবকটা টইতে হীরাভ তর্ক হচ্ছে। ওই বৈকুন্ঠপুর জঙ্গলের দাঁতাল লেলিয়ে দিতে হবেক।
  • সিকি | ০৫ মার্চ ২০১৮ ১৮:০৩391141
  • বাকি আধখানাও মরে যাবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত