এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৭:২৫391620
  • গরম পড়লেই কাকী দিদি হয়ে যান? ঃ-)
  • avi | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৭:১৯391619
  • নাহ, আবহাওয়া আর ঠাণ্ডা নয় তো। জিন্দেগীও সেশ। সো, নো কাকী।
  • সিকি | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৭:১৮391618
  • ওরে রোবু, আবেগ কন্ট্রোল কর। এই নে রুমাল :)
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৭:১০391617
  • কিকিকাকী না তোমার? ঃ-)
  • avi | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৭:০০391616
  • কিকিদির সাথে হুলিয়ে একমত হলাম।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৬:৪৬391615
  • থ্যাম্কু রোবু।
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৬:২৯391614
  • এক ভদ্রমহিলা ঝড়ের হাওয়াকে বলতেন, "যা যা, ডাইন দিক দিয়া যা, বাঁ দিক দিয়া যা " লোকের কথাকে ও সেরকমই বলা ভালো। ঃ-)
  • | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৬:২৬391613
  • এইসবই চলছে। শেয়ার করলুম।

    BJP IT Cell Insider Interview with Dhruv Rathee:
  • kiki | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৬:১১391612
  • রোবু ছেলেটার বড় আবেগ। ওহে, লোকের কথা আটকানো যায় না। আর যত তুমি বোঝাবে লোকে তত মুন্ডুর উপর নাচবে। আবার যখন দিন পাল্টে বেশিরভাগ লোক উল্টোদিকে যাবে তখন ভেসে থাকা মানুষজন আবার দেখবে সেরকম কথা বলবে। অত মন খারাপ করো নাতো।
  • Yeerlin Silverleaf | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৫:১৪391611
  • টুন্জেলম্যানের বই থেকে যে অংশটা আছে ওখানে বিভক্ত না, অবিভক্ত হবে। জিন্নাহকে অবিভক্ত বাংলা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিলো।

    "On 26 April, Mountbatten asked Jinnah how he would feel if Bengal, as a whole, became independent rather than joining Pakistan. Jinnah replied unhesitatingly: ‘I should be delighted. What is the use of Bengal without Calcutta; they had much better remain united and independent; I am sure that they would remain on friendly terms with us."
  • Hmm | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৫:১৩391609
  • *স্ক্যান
  • Hmm | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৫:১৩391610
  • নব্বই এই শেষের দিকে বা এই শতব্দীর শুরুর দিকে দেশ পত্রিকাতে তথাগত রায় ঠিক এই সমস্ত তথ্য দিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন, আমার কাছে সে পত্রিকাটি আছে, কোথায় আছে তাও জানি। চাইলে এক্ষুণি ন করে লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারি।

    কিন্তু আমার আবার বড্ড ল্যাদ, তার ওপরে শনিবারের ভাতঘুমের টান ঃ)

    আর দেশ এ ভুল তথ্যসমৃদ্ধ লেখা ছাপা হলে আমার কিছু করার নেই।
  • রোবু | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৫:০০391608
  • এটা হয়তো একটু পুনরাবৃত্তি হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তবুও করা দরকার। কারণ, জানলাম (দেখলামও, তবে আমিই সম্ভবত সবার শেষে) গত কয়েকমাস ধরে বাংলাভাগ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ভূমিকা নিয়ে একটি ছোট্টো লেখা উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ছড়িয়ে চলেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী ফেসবুক পেজও ( দরকারে লিংক দেব), মহা উৎসাহে এটি বিতরণ করে চলেছে। লেখাটির মূল বক্তব্য হল, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিই একরকম করে পশ্চিমবঙ্গের জনক। লেখাটি জানাচ্ছে, স্বাধীনতার আগে মহম্মদ আলি জিন্না পাকিস্তানের অংশ হিসেবে গোটা বাংলাকে (বিশেষ করে কলকাতাকে) দাবী করেন। কমিউনিস্টরা এবং কংগ্রেস সে দাবী প্রায় মেনেই নিয়েছিল। উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কঠোর মেহনত করে বঙ্গীয় আইনসভাকে এমন করে প্রভাবিত করেন, যে তারা পাকিস্তানের কবল থেকে হিন্দুপ্রধান পশ্চিমবাংলাকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ পাকিস্তানের (পড়ুন ইসলামী) আগ্রাসী থাবা থেকে রক্ষা পায়।
    বলাবাহুল্য, এর মধ্যে সত্যতা বিশেষ নেই, এবং ঘটনার গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণ অন্যরকম ছিল। উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সমস্যা হল, তাঁরা ইতিহাস বিশেষ পড়েননা, এমনকি নিজেদের লোকেদের লেখা ইতিহাসও না। পড়লে জানতে পারতেন, এগুলো ওঁদের কল্পনামাত্র, যেমনটা হলে ওঁদের ভালো লাগত সেই স্বপ্নদৃশ্য।
    বাংলা তথা ভারত বিভাজনের ইতিহাসের একটা অংশ মোটামুটিভাবে সবাই জানেন, যে, ১৯৪৭ এ ভারতীয় উপমহাদেশ টুকরো হয়। কিন্তু এখন ভাবলে অবাক হতে হয়, এমনকি ১৯৪৬ সালেও এটা ধ্রুব সত্য ছিলনা। তখনও জানাই যায়নি, ভাগাভাগি কিছু হবে কিনা। স্বাধীনতা হস্তান্তরের ব্যাপারে ব্টিটিশ সরকার যে ক্যাবিনেট মিশন তৈরি করে, সেই কমিশন ১৯৪৬ সালের মে মাসে সবদিক খতিয়ে দেখে ভারতকে অবিভক্ত রাখারই প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাবে কংগ্রেস এবং লিগ একমত হয়না। প্রস্তাব ভেস্তে যায়। অচলাবস্থা তৈরি হয়। তখন ১৯৪৬ সালেরই জুন মাসে ক্যাবিনেট মিশন দ্বিতীয় প্রস্তাব দেয়। সেখানে ভারতকে সরাসরি দু টুকরো করার করার কথা বলা হয়। কিন্তু তার পরেও ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় অধৈর্য জিন্না ১৯৪৬ সালের ১৬ ই আগস্ট ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে'র ডাক দেন। প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল ধর্মঘটের। কিন্তু তা পরিণত হয় দাঙ্গায়। কলকাতা, নোয়াখালি তে ভয়ঙ্কর নরমেধ যজ্ঞ হয়। দাঙ্গা ছড়ায় অন্যত্রও। দেশভাগ একটা বাস্তবতা হিসেবে ক্রমশ চোখের সামনে আসতে শুরু করে। (১)
    পাঞ্জাবে এবং বাংলায়, দাঙ্গার ক্ষত সত্ত্বেও এই সম্ভাব্য বিভাগের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। বিশেষ করে বাংলায়। বাংলা ভাগ রোখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে কিরণ শংকর রায়, শরৎ বসু, সুরাবর্দী (যথাক্রমে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ প্রাদেশিক নেতা) একযোগে অবিভক্ত ও স্বাধীন বাংলার একটি প্রস্তাব আনেন। উদ্দেশ্যটা ছিল যেকোনো মূল্যে বাংলাকে ভাগ হতে না দেওয়া। এর আগেও ১৯০৫ সালে বাঙালি সাম্প্রদায়িক বঙ্গভঙ্গ রুখেছে, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন যার পুরোধা। সে ইতিহাস বিসর্জন দেওয়া সহজ নয়।
    দলমতনির্বিশেষে নেতারা যখন বাংলা ভাগ আটকানোর চেষ্টা করছেন, বাংলা ভাগের মঞ্চে, এই সময় প্রবেশ শ্যামাপ্রসাদের। ১৯০৫ সালে কার্জনের পর, ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে(৪ থেকে ৬ এপ্রিল) তারকেশ্বরে হিন্দু মহাসভার সম্মেলন থেকে সর্বপ্রথম বঙ্গভঙ্গের ডাক দেওয়া হয়। শ্যামাপ্রসাদ বলেন, 'সাম্প্রদায়িক সমস্যার সমাধানে বাংলাকে দুই ভাগ করা ছাড়া আমি আর কোনো উপায় দেখছিনা।' (২)
    ফলে, শ্যামাপ্রসাদ জিন্নার বিরোধিতা করছিলেননা। ধর্ম ও দল নির্বিশেষে বাঙালি নেতারা তাঁদের যাবতীয় ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও যখন ক্ষীণকণ্ঠে বাংলাকে জুড়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন, শ্যামাপ্রসাদ তাঁদের বিরুদ্ধতা করছিলেন। স্ব্তঃপ্রণোদিত হয়ে বাংলা ভাঙার চেষ্টা করছিলেন।
    বস্তুত সে সময় জিন্না বাংলাকে পাকিস্তানে নেবার দাবী করেননই নি। কলকাতাকেও না। ওই এপ্রিল মাসেরই ২৬ তারিখ, মাউন্টব্যাটেন জিন্নাকে জিজ্ঞাসা করেন, বিভক্ত বাংলা পাকিস্তানে না গিয়ে যদি যদি আলাদা হয়ে থাকে, তাহলে তাঁর কী মত। জিন্না উত্তরে বলেন, 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী। ওরা আলাদা হয়েই অনেক ভালো থাকবে। আমি নিশ্চিত ওদের সম্পর্কে আমাদের ভালো সম্পর্ক থাকবে।' (৩) এই উক্তিটিকেই অর্ধেক উদ্ধৃত করে, বিকৃত করে, উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা দাবী করে, জিন্না বলেছিলেন, 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী।' অর্থাৎ, জিন্না কলকাতা চেয়েছিলেন। তার সঙ্গে আগামাথাহীন ভাবে যোগ করে দেওয়া হয় শরৎ বসু, কিরণশংকর রায়দের অবিভক্ত বাংলার দাবীকে। এবং তারপর দাবী করা হয়, শ্যামাপ্রসাদ বঙ্গের পাকিস্তানগমন আটকাতে আওয়াজ তুলেছিলেন।
    জিন্নার ওই উক্তি আরেকটি জিনিসও পরিষ্কার করে দেখিয়ে দেয়, যে, তখনই বাংলা কীভাবে ভাগ হবে, দিল্লির উপরমহলে মোটামুটি স্থির ছিল। 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী' কথাটার একটাই মানে, যে, বাংলা ভাগ হচ্ছেই, এবং কলকাতা ভারতে থাকছে, ক্ষমতার অলিন্দে ১৯৪৭ সালের এপ্রিলে মোটামুটি নির্ধারিত (যেটা আটকাতে শরৎ বসুরা আওয়াজ তুলেছিলেন)। শরৎ বসু, কিরণশঙ্কর রায়দের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় স্তরে নাকচ হয়, তাঁরাও বাধ্য বালকের মতো মেনে নেন। এবং বিভাজনের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে সামনে আসে, জুন মাসে, যখন মাউন্টব্যাটেন একটি প্রস্তাবে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভাজনের ব্যাপারটা ওই রাজ্যের আইনসভার হাতে ছেড়ে দেবার প্রস্তাব করেন। ১৫ ই জুন সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি এই প্রস্তাবে সিলমোহর দেয়। (৪) সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে, ওই জুন মাসেই বাংলার আইনসভা বিভাজনের প্রস্তাব পাশ করে। এটা একটা জিনিসই দেখায়, যে, পশ্চিমবঙ্গের জনক হওয়া তো দূরস্থান, এই পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে শ্যামাপ্রসাদের বিশেষ জায়গা ছিলনা। হিন্দু মহাসভার সে প্রভাবও ছিলনা।
    তবে প্রভাব থাক বা না থাক, এ ব্যাপারে শ্যামাপ্রসাদ তথা হিন্দু মহাসভার অবস্থান নিয়ে বিশেষ সন্দেহের অবকাশ নেই। বাংলার নেতারা যখন নমো-নমো করে হলেও বাংলার বিভাজন রোখার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, তখন, শ্যামাপ্রসাদ 'ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাঙতেই হবে', এই অবস্থান নেন, যে অবস্থানের ফলশ্রুতিতে দুই বাংলারই মাজা ভেঙে যায়। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুদের ঢল নামে। মানুষের ভিটে-মাটি এমনকি জীবন হারানো হয়ে দাঁড়ায় খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। অন্নদাশঙ্কর রায় যে ধেড়ে-খোকাদের কথা বলেছিলেন, শ্যামাপ্রসাদ নিঃসন্দেহে তাঁদের পুরোধা। আজ দেশবিভাগের স্মৃতি ফিকে, ভিটে-মাটি-হারানো প্রবীণরা বেশিরভাগই নেই আর। কিন্তু তাঁদের উত্তরাধিকারীরা আছেন। সেই উত্তরাধিকারীদের কাছে শ্যামাপ্রসাদের উচ্চকিত মতাদর্শগত উত্তরসূরীদের জবাবদিহি করা উচিত, লক্ষ কোটি মানুষের জীবন নিয়ে ধর্মের নামে এই তেলের-শিশি-ভাঙা পুতুলখেলার জন্য।
    - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    সূত্রঃ
    ১ - India after Gandhi -- রামচন্দ্র গুহ
    ২- Land of Two Rivers: A History of Bengal from the Mahabharata to Mujib -- নীতীশ সেনগুপ্ত
    ৩ - Indian Summer: The Secret History of the End of an Empire -- Alex von Tunzelmann
    ৪- India from Curzon to Nehru and After -- Durga das
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৪:৪৯391607
  • মামুর ঐ পোস্টটা কোথায়? দেবে একটু? আমারো কিছু জায়গায় দেওয়া দরকার।
  • | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৪:৪২391606
  • আরে বইয়ের হাটে একজন শামিকে নিয়ে লিখতে গিয়ে শ্যামাদাকে নিয়ে উলুতপ্লুত। আমি একবার ভাবলাম শ্যামা রিলেটেড তথ্যগুলো অন্তত ঈশানের পোস্ট কপি মেরে আসি। তারপর আর এনথু পেলাম না।
  • রোবু | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৪:১৪391605
  • আরেকজন জাজ ফদনবীসের ভাইপোর থেকে থ্রেট পেয়েছেন
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৮ ১৪:০৭391603
  • সামিকে নিয়ে কী শুরু হয়েছে!!
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ০৬:১৯391601
  • কলোনীপ্রভুরা মনে হয় নিজেদের খেলাটা অন্যভাবে চালিয়ে যাচ্ছিল। শাসন ব্যবস্থা চালানোর দায়িত্বও রইল না, জিনিস বিক্রিও রে রে রে রে করে চলল(বিলেতী জিনিস বয়কট তো আর শোনা যেত না মনে হয়)। ওদের ইকোনমি তো মনে হয় সেরকম খুব বড় টাল খায় নি মহাযুদ্ধ ও কলোনি হারানোর পরেও। তাহলে অত তাড়াতাড়ি রিকন্স্ট্রাক্ট করে ফেলতে পারতো কি?
  • S | ১০ মার্চ ২০১৮ ০৬:১০391600
  • এটা আমার সিলেবাসের বাইরে।
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ০৬:০১391599
  • এস, বিভক্ত ভারতবর্ষের অন্য অংশটি অর্থাৎ পাকিস্তান, সেখানে স্বাধীনতা-উত্তর ব্যবসা-ব্যবস্থা কি লাইসেন্সরাজ এর মতই ছিল? নাকি ওদের ইকোনমি খোলা বা আংশিক খোলা ছিল?
  • Atoz | ১০ মার্চ ২০১৮ ০৪:২৯391598
  • হ্যাঁ একক, পোস্ট আপনাকেই ছিল। উত্তরের জন্য ধন্যবাদ। খানিকটা একমতও। হোয়াইনিং করে দুনিয়ায় কোনোকালেই কিছু পাওয়া যায় নি, যাবার কথাও নয়। সত্যিকার লড়াইটা আরো অনেক সিরিয়াস, শর্ট কাটে হবার নয়।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ মার্চ ২০১৮ ০২:০৩391596

  • ওটা সম্ভবত গুজব। শুধু অর্ণব গোস্বামীর 'রিপাবলিক' দেখিয়েছে।

    মিডিয়া এটাকে মূর্তি ভাঙার সিজন করিয়ে ছাড়বে।
  • রোবু | ১০ মার্চ ২০১৮ ০১:১২391595
  • হ্যাঁ, নেতাজীর মূর্তি কারা ভাংতে পারে? মধ্যপ্রদেশে?
  • Du | ১০ মার্চ ২০১৮ ০১:০০391594
  • ভালোভাবেই আছে ঃ)। কিন্তু মজিদ মাস্টার শুনলে যেমন চৈতন্য জেগে ওঠে, তথাগত রায় শুনলে বা মমতা বন্দোপাধ্যায় শুনলে ততটা জাগে না।
  • রুকু | ১০ মার্চ ২০১৮ ০০:৫৮391593
  • গৌরীর খুনি গ্রেপ্তার।
  • Ekak | ১০ মার্চ ২০১৮ ০০:৪১391592
  • ঠগিদের জিন বাঙালিদের মধ্যে নেই বলছেন ? :)
  • Du | ১০ মার্চ ২০১৮ ০০:৩৫391591
  • বুদ্ধদেবকেই মেরে ফেলার অ্যাটেম্পট হয়েছিল। মমব্যান একটা পলিটিশিয়ান হয়েও মৌখিক নিন্দাও করে নি।
    তো?
    তো কিছু না, জাস্ট হয়েছিল এরকম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত