এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৪৯393300
  • সোশাল মিডিয়ায় লোকের মনে কথা মানে ওপিনিয়ন হয়তো দেয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো প্রচন্ড আনইনফর্মড বা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যার উপরে নির্ভর করে তৈরী করে। ওপিনিয়ন গুলো লেখার আগে একটু গুগল সার্চও করেনা।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৪৪393299
  • নিজের মনের কথা লেখা, শেয়ার করা এগুলো একধরনের স্ট্রেস রিলিফ বা ভেন্ট আউট। লিখতে লিখতে, কিছু অতিরঞ্জন হয়েই যায়। কিন্তু দ্বিচারী স্বভাব টি ইউনিক। এটা নিজেকে বেশি ভালোবাসারই প্রতিফলন। মানে আমি কি ভালো ইমেজটা সর্বসমক্ষে তুলে ধরা।
    সবচে বড় উদাহরণ পাবেন, কোন ক্লোজ সোশ্যাল গ্রুপ-- যেমন ধরুন গুরু (মানে অনেকেই পরস্পর কে চেনে) সেখানে পারস্পরিক মতের মিল না থাকলেও, সহমত প্রদর্শন চলে বা বিরূপ মত কে খণ্ডন করার চেষ্টা চালানো হয়।
    অর্থাৎ নাস্তিক না হলেও,তার স্বপক্ষে পোস্ট পরপর পড়েই যায়।
    মিসজিনি, রেসিজম, সংরক্ষণ নিয়ে একই রকম মতের আদান প্রদান চলে।
    সোশ্যাল মিডিয়ার আরেক টা বাজে দিক হোল ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া।এটার এফেক্ট মারাত্মক!
    এরজন্য জানতে অজান্তে ফেকনিউজ ছড়ানো চলতেই থাকে।
    ডিডি ই কিছু উদাহরণ দিলেন।
    সম্প্রতি একটি ভিডিও তে দেখলাম কম্পিউটার কারিগরি দিয়ে যেকোনো ব্যক্তির মুখ দিয়ে যা খুশি বলানো যায়!
    আর একটি মারাত্মক জিনিষ!আপনি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:২৫393298
  • নিজের মনের কথাও লেখা যায়, অনেক মনগড়া কথাও লেখা যায়। এজন্যই সোশ্যাল মিডিয়া একটা কমপ্লেক্স ফেনোমেনন।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:১০393297
  • ডিসির প্রথম অংশটি সঠিক নয়, দ্বিতীয় টি সঠিক।অর্থাৎ বাই নেচার মানুষ মিথ্যে কথা পরিবেশন করে না কিন্তু দ্বিচারি।
  • pi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:০৭393296
  • আমার তো মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক মনের কথাও চলে আসে। এই লোকটি আসিফাকে নিয়ে যা লিখেছেন, মনের কথা নয়? অন্যত্র হয়ত চেপেচুপে রাখতেন। এখানে ওনাত বন্ধু সার্কলে এরকম কথার সমর্থন পাবেন বলেই লিখেছেন নিশ্চয়।

    আইটি সেল বলছিনা। ত্তারা মিথ্যের ফুলঝুড়ি ঠিকই।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১১:০০393295
  • হ্যাঁ নেটওয়ার্কিং পার্টটার কথাই বলতে চেয়েছি।

    তবে তাতে মিথ্যে কথার ফুলঝুড়ি, সেটারও কারন মনে হয় মানুষ বাই নেচার মিথ্যেবাদী আর হিপোক্রিট।
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪৫393294
  • সোশাল মিডিয়া আসলে কতগুলো নেটওয়ার্কিঙ্গ সাইট। পরে সেগুলোকে মিডিয়ায় কনভার্ট করা হয়েছে ব্যবসায়িক কারণে। আর সোশাল মিডিয়া নিয়ে অত স্টারি আইড হওয়ার কিছু নেই। প্রচন্ড কোরাপ্ট একটা স্পেস। সোশাল মিডিয়াও বড় ক্যাপিটালিস্টরাই চালায়। আর মিথ্যেকথার ফুলঝুড়ি।

    ঐ নেটওয়ার্কিঙ্গের একটা ডিমান্ড আছে বলেই সোশাল মিডিয়া গুলো সাকসেসফুল হয়েছে।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩৯393293
  • শুধু এসব না। আমার মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়র সাফল্যের কোন সাইকোলজিকাল কারন আছে, মানে মানুষের নেচার হয়তো একটা বড়ো কারন। ম্যান ইস আ সোশ্যাল অ্যানিময়াল - এই কথাটার জ্লজ্যান্ত প্রমান হলো সোশ্যাল মিডিয়ার সাফল্য। আর সোচ্যাল মিডিয়া পৃথিবীর সমস্ত দেশে সফল হয়েছ, যেখানেই নেট অ্যাক্সেস আছে সেখানেই সফল হয়েছে। চীন বাকি পৃথিবীর ইন্টারনেটের সাথে যোগাযোগ রাখেনি, শুধু ওদের দেশের জন্য আলাদা সোশ্যাল মিডিয়া বানিয়েছে, কিন্তু সেটাও তুমুল সফল হয়েছে। অথচ চীনের ইউজাররাও জানে যে চীনের "ট্র্যাডিশনাল মিডিয়া" বিশ্বাস্যোগ্য না, এও জানে যে সোশ্যাল মিডিয়াতেও পার্টির নজরদারি আছে, তাও জনপ্রিয় হয়েছে। শুধু ট্র্যাডিশনাল বনাম সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে এক্সপ্লেন করতে চাইলে বোধায় হবে না।
  • h | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৮393292
  • সোশাল মিডিয়ার সাফল্যের কারণ ট্র্যাডিশনাল মিডিয়ার বিশ্বাস্যোগ্যতার অভাব। টেকনোলোজি ছাড়া। বড় করে সরকার গুলো র নাগরিক দের নিয়ন্ত্রন করতে চাওয়াও আরেকটা কারণ, টার্গেটেড অ্যাডভার্টাইজিং টা মূল পারপাস বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু বিশ্বাস হয় না।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১১393291
  • সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের জন্য চাকরি বা কলেজ থেকে বহিষ্কার করা, এরকম অনেকবার হয়েছে। বিদেশে তো অনেক হয়্ছে, গুগলের এক ইঞ্জিনিয়ার তো দুয়েকমাস আগেই চাকরি খোয়ালেন মিসোজিনিস্ট পোস্টের ফলে। এটা আমার বেশ অদ্ভুত মনে হয়। অব্শ্য পুরো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যপারটাই আমার অদ্ভুত মনে হয়। লোকে কেন নিজের মনের কথা লিখে লিখে পোস্ট করে তাও বুঝি না।
  • pi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৩393290
  • এটা ভাল না খারাপ বলব জানিনা।

    লোকটার পোস্ট দেখে গা পিত্তি জ্বলে যাচ্ছে বটে, সেই নিয়ে এমনি ক্যাম্পেনও ঠিক আছে, সোশ্যাল মিডিতায় হেট পোস্টে রাশ টানলেও ভাল, কিন্তু অফিস পোস্টের জন্য চাকরি খেলে ...
    কদিন আগে শামির ইস্যু নিয়েও তর্ক দেখছিলাম, ঘরের ইস্য়্য নিয়ে চাকরিস্থলে বলে চাকরি খাওয়া ঠিক কিনা। ফিলিং যাকে বলে কনফিউজড। এটা ট্রেন্ড হতে থাকলে প্রচুর মিসইউজও হতে পারে।
  • b | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১৯393289
  • @ ডিডি। সে যাগ্গে। কিন্তু বেশির ভাগ গালাগালিই কোনো না কোনো ভাবে মা/বোন চরিত্রের সাথে যুক্ত। শকার ব্কার ইত্যাদি।
  • dd | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১৭393288
  • @বই।

    নাঃ। স্পাই রিং নিয়ে আলাদা করে বই পড়ি নি। মানে খান দুয়েক পড়েছি, সে ও ত্রিশ চল্লিশ বছর আগে। নাম ও মনে নেই। আর সে সবের ফ্যাক্ট এখোনকার রিসার্চে অ্যাতো বদলে গ্যাছে যে ঐ পুরোনো বই না পড়াই ভালো।

    আমার ধূম ধাড়াক্কা যুদ্ধ, হার হার হার, মার মার, কাট কাট .......... এইসব ছাড়া ভালো লাগে না।
  • বই | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:৪২393287
  • অ ডিডি দা, সোর্গে স্পাই রিং, আর লুসি স্পাই রিং এর উপর ভালো কোনো বই জানা আছে?
  • aka | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:৩০393286
  • হুমায়ুন আজাদকে কোপানো?
  • aranya | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৩৬393285
  • ঠিক, পাক সর জমিন সাদ বাদ। থ্যাংকস, অভি।

    মূলত এই উপন্যাস-টার জন্যই নাকি ওনাকে কোপানো হয়
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৩১393284
  • পাক সর জমিন সাদ বাদ। পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম পংক্তি। আজাদের অসামান্য লেখা এই উপন্যাসটি।
  • aranya | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:২৯393283
  • কাঠুয়া-র মেয়েটির কথা শুনে হুমায়ুন আজাদের 'পাক সার আজাদ সাদ বাদ'-এর সেই মেয়েটির কথা মনে পড়ে, যার মা ধর্ষক-দের অনুনয় করেছিলেন -বাবা রা এক এক করে এস, আমার মেয়েটা ছোট। সত্য ঘটনার ভিত্তিতে লেখা।

    ধর্ম এক বিষম বস্তু
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০৭393281
  • ব্রেন ক্যান্সার সংক্রান্ত একটা খবর শোনা গিয়েছিল। সত্যতা জানা নেই।
  • Atoz | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০৫393280
  • খাবার তো বেশিদিন শো করা যায় না। নষ্ট হয়ে যায় তো নানা ব্যাঁদরা জীবানুর আক্রমণে।
  • aka | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০৪393278
  • ইরফান খানের কি হয়েছে? আজগাল গাড়ি চালিয়ে চালিয়ে এত ক্নান্ত হয়ে পড়ি যে কিছুই খবর রাখা হয় না।
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০৪393279
  • যাই হোক, একককে একটা প্রশ্ন ছিল। তার রাঁধা জিনিসগুলি কি খাবার জন্য বানানো? নাকি শো পিস? খুবই দৃষ্টিসুখকর কিনা, তাই জিগালাম। :-)
  • aka | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০০393277
  • মাঝে মাঝে মনে হয় দে শালা এদের জঙ্গলে ছেড়ে, বাঘ, ভালুকে ছিঁড়ে খাক।
  • aka | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০০:৫৯393276
  • হ্যাঁ সেই পৃথিবীর ইতিহাসে এমন উদাহরণ কম কিছু নেই। একটা পুরো মাস, দিনের পর দিন হিনিয়াস ক্রাইম করে গেছে। মিডিয়ার বাড়াবাড়িতে জানতে পারছি বোধহয়।
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০০:২৪393275
  • এমনিতেও আর্মির সঙ্গে সেক্সুয়ালিটির ইতিহাস খুব মজার। মিলিটারিতে সাধারণভাবে শুধু পুরুষরা যায়। এখনও। এমনকি বিলেত আমেরিকাতেও। আমেরিকায় ১৮র পরে ছেলেদের আর্মির সম্ভাব্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নাম লেখাতে হয়। মোটামুটিভাবে বাধ্যতামূলক। মেয়েদের হয়না। এই লিঙ্গসচেতনতার বাজারেও এই বৈষম্য নিয়ে কোথাও কোনো কথা হতে দেখিনি।
    তো, ছেলেরা যুদ্ধ করে। খুন জখম করে। ধর্ষণ করে। কারণ পৌরুষ ও লিবিডো খুব ঘনিষ্ঠ। এছাড়াও তারা যৌনসংসর্গ করে, মূলত যৌনকর্মীদের সঙ্গে। রেমার্ক পড়বেন, লেখক দুঃখ করেছেন, কৌমার্য হারানোর আগেই কিছু ইশকুলের ছেলে যুদ্ধে নাম লিখিয়ে মরে গেল বলে। তা এই দুঃখ দূর করার জন্য সেনাঘাঁটির কাছে পতিতাপল্লী তৈরি হয় অবধারিতভাবে, যেমন হয় বন্দরে। সেটাও অব্শ্য চিরকাল হতনা। বাড়ির কর্তারা যুদ্ধে গেলে বৌরা পিচনে পিচনে অনুসরণ করে, ছাউনির কাছেই ঘাঁটি গাড়তেন। মধ্যযুগের ইউরোপে। সুসন ব্রাউনমিলার খুঁজেপেতে দেখেছেন।আস্তে সুস্থে বৌদের ছাউনি বদলে গেল পেশাদার যৌনকর্মীদের ছাউনিতে। সবকিছুই সিস্টেমেটিক হয়ে গেল। যেমন ছিল খুন ও ধর্ষণ। এসবই খুব ইন্টারেস্টিং বিষয়, যদি বাইরে থেকে দেখা হয়।
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০০:১৪393274
  • সংগঠিত খুন বা ধর্ষণ অনেক পুরোনো রিচুয়াল। আর্মিরা করেই থাকে। ক্রাইম না তো। গোটা জাতিকে পোলারাইজ করার পরের ধাপ হচ্ছে মিলিটারাইজ করা। সেটাই হচ্ছে।
  • Atoz | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ০০:০১393273
  • বিপ্লবের টনিকও খুব সাংঘাতিক ব্যাপার। কাকে যে কোথায় "শত্রু" চিহ্নিত করে ফেলবে আর তারপরেই শুরু করে দেবে "নিধন", সে বোঝার সাধ্য কার?
  • সিকি | ১৩ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:৫৮393272
  • +,

    বেদ ভাসিনের লেখাটা তাঁর দেওয়া একটা বক্তৃতার লিখিতরূপ। এটা বেদ ভাসিনের মেয়ে অনুরাধা ভাসিনের কাছ থেকে জোগাড় করেছেন দেবব্রতবাবু, আমি শুধু অনুবাদটুকু করেছি।
  • Tim | ১৩ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:৪৬393271
  • পুলিশ বা আর্মির ক্ষেত্রে এটা আরো অনেক সিস্টেমেটিক, অনেক অর্গানাইজড। একটা টুলকে যেভাবে খুশি ব্যবহার করা যায়। ধরো একটা কেমিক্যাল। তাকে সার বানাতে ব্যবহার করতে পারো, এক্সপ্লোসিভ বানাতে ব্যবহার করতে পারো আবার ইন্ডাস্ট্রিতে খুবই দরকারি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বানাতেও ব্যবহার করতে পারো। টুলটা একবার তৈরী হয়ে গেলে আর কিছু করার নেই। উপমহাদেশের মানুষ অনেকদিন ধরেই সেই টুল হিসেবে তৈরী হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয়দের মধ্যে যে অ্যাপ্যাথি তা দীর্ঘদিনের চর্চার ফল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত