এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • i | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০২:৫৩393330
  • বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে তারপর লেজ ধরে সেল্ফি
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০২:১৮393329
  • সকলকে শুভ নববর্ষ। তক্কে বিতক্কে ভাটে টইয়ে মুখর হৌক আপনার জীবন।
  • b | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০০:৫৪393328
  • বাঘটাকে মেরে ফেল্লো। রাখতে পারলাম না।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:১৭393326
  • আচ্ছা, এই বিশ্বযুদ্ধ নামটা প্রথম এল কখন? কেই বা দিল? আর এখন যদি আরেকটা হয়, কী কী লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে যে এটা বিশ্বযুদ্ধই হতে চলেছে? কাট অফ ক্রাইটেরিয়া কী?
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:১১393325
  • এইযে রাশিয়া বারণ করা সত্ত্বেও আম্রিগা মিসাইল ফেললো। আমি বলবো সব গটাপ কেস। ট্রাম্প আগে থেকেই বলে দিলো যে ফেলতে চলেছি। ৮০টা মিসাইল ফেলেছে। তার মধ্যে নাকি অনেকগুলো/বেশিরভাগই ইন্টারসেপ্টেড হয়েছে। আসাদ নাকি আগে থেকেই সব অ্যাসেট সরিয়ে নিয়েছিলো। ইত্যাদি।

    এখন সত্যিই যদি কেস গরম হয়, তাহলে রাশিয়াও মিসাইল ফেলবে টার্কিতে। টার্কি আবার ন্যাটো মেম্বার আর আসাদের চরম শত্রু। আর যদি ইজরাইলে কেউ কিছু ফেলে তাইলে তো থার্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার চলে এলো বলে। মনে রাখবেন কয়েকদিন আগেই ইজরায়েল ৮টা মিসাইল ফেলেছে।
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:০২393324
  • ধুর আমি আর দ্রি বোধয় একে অন্যের ফ্যাক্ট চেক করেনি। সেখানে গন্ডগোল থাকলে ধরিয়ে দিই। ইন্টারপ্রিটেশন নিয়ে আর ইম্প্লিকেশন নিয়ে মতবিরোধ আছে।

    তবে ঐ অ্যালেক্স জোন্স মার্কা কথাবার্তাগুলো সব ঢপ।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২২:২০393323
  • আম্মো সেটাই ভেবেছিলাম। :(
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২২:০৯393322
  • আরে, ওরা সব বালখিল্যের দল। যেকোন ফরেনসিক টেক্সট বুকেই বিশদ ভাবে সলভেন্ট এব্যুজ ও তার প্রতিকার দেওয়া থাকে। প্রথম বর্ষের ছেলে পুলে ছাড়া এমন গাঁট গিরি কেউ করবে না।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২২:০৩393321
  • এ বাবা, না না, কি কেলেঙ্কারি। নেশা কে করেছে না করেছে, তার চেক করতে বলিনি। ওখানে বলেছিলাম, অনেকে ভোলাটাইল সলভেন্ট নেশা করা যায়, এটাই মানতে চায়নি। সেটুকু চেক করা। যে এগুলো নেশা করার সামগ্রী হতে পারে। এইটুকু ডাক্তারি ছাত্রের দল জেনে নিয়ে বলবে ভেবেছিলাম।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২১:৫৯393320
  • ফ্যাক্ট চেকিং কিভাবে ফুল প্রুভ হবে, তাই তো বুইতে পারছি না। মেডিকেল কলেজ এর অধিকাংশ ছাত্র নেশা করে। ফ্যাক্ট চেক করব কোথায়? না, এবিপি তে। তা, তিনি কোত্থেকে ফ্যাক্ট চেক করেছেন?
    উক্ত স্টাডি না পড়ে, অনুমান করা যায় ওই পিজিটি, ক্যান্টিনে বসে স্টাডির মাল মেটেরিয়াল জোগাড় করেছে।
    পিটি, শুধালো বাম আমলে স্বজন পোষণের উদাহরণ দিন, আমি হাজির করলাম বর্তমান। পিটি মানলেন না।
    ডেইলি মেইল তথ্য দিলো, কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি কাজে লাগিয়ে ইউ টি আই ডাইয়াগ্নসিস করা যায়। মানা যাবে?
    হকিং বললো মহাকাশ থেকে যে ভিনগ্রহীরা আসবে তারা পৃথিবী বাসীর শত্তুর।
    হলুদ খেলে ক্যান্সার সারে। কিভাবে মানবো?
    ড্রি আর S কয়েক মাস ধরে রেফারেন্স সহ পরস্পর বিরোধী তথ্য যুক্তি সাজিয়ে পরিবেশন করে চলেছে, কার ফ্যাক্ট কোথায় চেক করে স্যাঙ্গুইন হবো?
    এ এক প্রহেলিকা!ফ্যাক্ট চেক করুন বলে ছেড়ে দিলে হবেক?
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২১:৪০393319
  • হাঁ, তা তো বটেই। গাঁট হওয়া আমাদের জন্মগত অধিকার। সব স্তরে। সুতরাং ফ্যাক্ট চেকিং এক অলীক প্রত্যাশা।
    এককদা, :))
  • paps | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২১:৩১393318
  • গাঁটামি শুধু মেডিসিন এর স্টুডেনটদের একছত্র নয়। কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি করা ইউনিভারসিটি অধ্যাপকের হোমিওপ্যাথির সমর্থনে কুযুক্তি শুনে একবার মোজা অব্দি জ্বলে গেছিল। কারো ডিগ্রি থাকার মানেই এই নয় যে তিনি সাবজেক্টটি আত্মস্থ করতে পেরেছেন।
  • Ekak | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২১:০৩393317
  • অভি,
    অবাক হচ্চি না, এমন মেডিসিন এর ছোক্রা দেকেচি যে গান্জা ও ভাঙ্গ এর নেশাগত পার্থক্য হয় কেন জানে না। ইভেন ভাঙ্গ কে সম্পুর্ন আলাদা উত্স মনে করে।

    এগুলো বোধহোয় ডিট্ক্স এর সঙ্গে যুক্ত লোকজন ছাড়া কেও অত মনে রাখে না।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২০:৩২393316
  • ভোলাটাইল সলভেন্ট ইউজ আমারই পিজি থিসিস ছিল। জুতোর কালি কমন না। ডেনড্রাইটটাই কমন। কিন্তু নেশা চাইলে করাই যায়। সাপের বিষের নেশা করা রোগী আমি কখনও দেখি নি।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২০:৩০393315
  • সুরাতে আরেকটা ঘটনার খবর বেরিয়েছে। এদিকে আমি ভয়ে এই খবরগুলোতে কখনো ক্লিক করিনা, পাছে পাগল হয়ে যাই। যা দেখছি নেটে খবরের সাইট খোলা বন্ধ করে দিতে হবে।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ২০:২৮393314
  • অনেক পুরোনো খবর, এক দেড় বছর আগের। বদনাম আর নতুন কী করবে আবাপ, কেউ তেমন গুরুত্ব দেবেও না। স্টাডি স্ট্রং ছিল না, আমি দেখেছি পেপারটা। ঠিকঠাক ডিফাইন করাই হয় নি। কিন্তু সেটা পয়েন্ট না এখানে। :(
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:১২393313
  • ডেন্দ্রাইট দিয়ে নেশা হাওড়া -শিয়ালদা স্টেশনের, আসে পাশে ঘুরলেই চোখে পড়ে। জুতোর কালি পড়ে নি। হতে পারে না,এমন নয়। কিন্তু এই যে পুরো মেডিকেল কলেজ এর নামে বদনাম করে ছেড়ে দিল আবপ, এটা তো আরো গভীর চিন্তার বিষয়।
    মেডিকেল কলেজ গুলো তে নেশার হার (আই মীন,ট্যাবলেট, হেরোইন)ইত্যাদি বেশ কম। অন্তত অন্যান্য ইঞ্জনিয়ারিংয়ের কলেজ বা জেনেরাল কলেজ গুলোর থেকে। ৯০ ও ২০০০ এর দশকে তো প্রায় ছিলই না। এখন হয় তো কিছু বাড়তে পারে।
    ওই সময় নেশার পরিসংখ্যান ৭০ এর দশকের থেকে বেটার ছিল।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:০৩393312
  • কোন এক পিজিটি স্টাডি করেছিল। এই সুত্র নিয়ে এবিপি ছেপে দিলো?
    এটার বিশ্বাস যোগ্যতা কি?
    কোন আন্তর্জাতিক বা দেশীয় জার্নালে ছাপা হয় ছিল?
    এসব ভেবে চিন্তে লোকজন, চেক করে পেপার পড়বে?
    সাপের বিষ নিয়ে নেশা করার কথা অনেক লেখায় পড়েছি। ডি টকস সেন্টারে এমন পেশেন্ট আসে?
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:২৬393311
  • মেডিক্যাল কলেজে ভোলাটাইল সলভেন্ট নেশা প্রায় নেই বললেই চলে। আর আবাপ এই বাবদে গুরুদেব কাগজ। ট্রপিক্যাল থেকে কোনো এক পিজিটি এই নিয়ে স্টাডি করেছিল, খুব কিছু স্ট্রং স্টাডি না। সেসব কথা না। কথা হচ্ছে, এইসব নেশা আদৌ হয়ই না - এই স্ট্যান্ড নিয়েছিল বেশিরভাগ। সেটাই খারাপ লেগেছিল।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:১৭393310
  • কিন্তু আপনি নিজে কতটা বিশ্বাস করেন, মেডিকেল কলেজ এর ছাত্র ছাত্রী দের বড় অংশ জুতোর কালি বা দেন্দ্রাইট দিয়ে নেশা করে? ট্রপিক্যাল কি আদৌ এমনি স্টাডি করেছিল? বা, এমন স্টাডি সম্ভব?ছাত্রছাত্রীরা তাদের নেশার কথা খুলে বলে দিয়েছিল? অবপ কি রেফারেন্স এর লিঙ্ক দিয়েছিল?
    ছাত্র ছাত্রীরা কি ইয়ার্কি করে ভুল তথ্য দিয়েছিল?আর যাই হোক এবিপি র মেডিক্যাল সম্পর্কিত নিউজ গুলো রাবিশ! সাধারণত ভুলে ভরা থাকে?
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:০৯393309
  • হুঁ, ফ্ল্যাট আর্থ সোসাইটি সেদিন একটা পোল করেছিল। পৃথিবী গোলকাকার না সমতল, ভোট দিন।
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:০২393308
  • ফ্যাক্ট চেকিঙ্গ ব্যাপারটা যত সহজ হয়েছে, ফ্যাক্টের প্রতি ততই একটা অনীহা তৈরী হয়েছে। অল্টারনেটিভ ফ্যাক্টের মত আইডিয়া তৈরী হয়েছে এই ইন্ফরমেশনের যুগে।

    এই নিয়ে একজন (কুমাল নানজিয়ানি বোধয়) বলেছিলো যে ফ্যাক্টের উপরে পোল করা হচ্ছে। মানে তিন দুয়ের থেকে বেশি কিনা সেটা পোল করে ঠিক করা হচ্ছে।
  • avi | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৬:৪৮393307
  • আর ফ্যাক্ট চেকিং। বছরখানেক আগে একটি খবর বেরোল যে মেডিক্যাল কলেজের বেশ বড় শতাংশ ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন ধরণের নেশা করে থাকে। মদ, গাঁজা, ডেনড্রাইট, জুতোর কালী ইত্যাদি। ট্রপিক্যাল স্কুলের স্টাডি। তো, সেটার পরে মেডিক্যাল ছানাদের একটা অংশ তো চটে লাল। তো, রকমারি দাবির মাঝে এটাও উঠে এল যে আনন্দবাজার যা খুশি লিখেছে, আঠা বা জুতোর কালি থেকে নেশা করা যায় নাকি, এদের থেকে ডাক্তারি শিখতে হবে নাকি ইত্যাদি ইত্যাদি। সে কি অবস্থা, বোঝানোই যাচ্ছে না যে এগুলো সত্যিই নেশার জিনিস, রিওয়ার্ড সেন্টারে টলুইন কিভাবে কাজ করে লেখার পর মেডিসিন এমডি করতে থাকা জুনিয়র ভাবছে সেটা নাকি সার্কাজম। এদের এগুলো এমনিই জানার কথা, না জানলে গুগল এক মিনিটে জানাবে, তাও না জানতে চাওয়ার সে অসহ্য গাঁটামো না দেখলে তবু বিশ্বাস করা যায়, দেখলে আর বিশ্বাস করার জো নেই। এই তো অবস্থা।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৬:১৯393306
  • ফ্যাক্ট চেকিং সবসময় সম্ভব নয়। ধরুন আপনি ফাইন্যান্সের লোক, সি এম অঙ্ক শাস্ত্রের লোক।
    ঢপ দিলে, বুঝতে পারবে অনেকে?
    এটা তো গেল গুরুর পাঠক। কিন্তু রাজনৈতিক দল গুলো যখন, অর্গানাইজড ওয়েতে স্বল্প শিক্ষিত বা পিছিয়ে পড়া টার্গেট শ্রেণীর উদ্দেশ্যে একের পর এক ফেক নিউজ ছড়াবে-- তখন তাকে রোখে কার সাধ্য?
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:৩২393305
  • যে জিনিস নিয়ে আমার ফ্যাক্ট চেকিঙ্গ করার কোনও ইচ্ছেই নেই সেই নিয়ে মনগড়া ওপিনিয়ন তৈরী করাটা একধরনের
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:৩০393303
  • ফ্যাক্ট চেকিং সবাই করবে আশা করাই অন্যায়। ফ্যাক্ট চেকিং অনেকের পক্ষে সম্ভব ও নয়। হাই টেনশন লাইন গেলে, গর্ভ ধারণের অসুবিধে হয় কিনা; এটা কি স্বল্প শিক্ষিত, এমন কি অনেক শিক্ষিত লোকের পক্ষে চেক করা সম্ভব?
    কিন্তু ফেক নিউজ ছড়ানো চলতেই থাকে। আজ নাসা এই বলেছে। কাল কোন ফিল্ম স্টার মরে যাবার দু ঘণ্টা আগে নেচেছিলেন এই সব।
  • sm | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:৩০393304
  • ফ্যাক্ট চেকিং সবাই করবে আশা করাই অন্যায়। ফ্যাক্ট চেকিং অনেকের পক্ষে সম্ভব ও নয়। হাই টেনশন লাইন গেলে, গর্ভ ধারণের অসুবিধে হয় কিনা; এটা কি স্বল্প শিক্ষিত, এমন কি অনেক শিক্ষিত লোকের পক্ষে চেক করা সম্ভব?
    কিন্তু ফেক নিউজ ছড়ানো চলতেই থাকে। আজ নাসা এই বলেছে। কাল কোন ফিল্ম স্টার মরে যাবার দু ঘণ্টা আগে নেচেছিলেন এই সব।
  • S | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:২০393302
  • আমি কম্পু থেকেই গুরু করি। মোবাইল থেকে এতো লম্বা লম্বা পোস্ট করা অসম্ভব। তবে হ্যাঁ সোশাল মিডিয়া আর স্মার্ট ফোন প্রায় পাউরুটি আর মাখনের মতন হয়ে গেছে।

    আর ফ্যাক্ট চেকিঙ্গ তো আগে এতো সহজে করা যেতোনা। তখন ফেলুদা ন্যাশনাল লাইব্রেরি যেতো (বা সিধু জ্যাঠার কাছে) মামুলি জিনিস চেক করতে। কিন্তু এখন তো স্মার্ট ফোন আছে আর আছে সস্তায় হাই স্পীড নেট। করতে কতক্ষন লাগে? কিন্তু করবে না। কারণ ঐ আপনি যেমন বললেন সবাই ইকোচেম্বারে বাস করতে চায়।

    মানে অনেকসময় আমি অনেককে ভুল ধরিয়ে দিয়েছি (আমি নিজেও বলেছি) যেটা একটা গুগল সার্চেই শেষ হয়ে যায়।
  • dc | ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:১৩393301
  • S, ফ্যাক্ট চেকিং কোনকালেই আমাদের স্ট্রেংথ ছিল না। ভেবে দেখুন, চিরকাল গুজব ছড়িয়েছে আর সেই গুজবে বিশ্বাস করে বহু লোক সেইমতো কাজ করেছে। নিজের মতের সাথে মেলে, এরকম গুজবকে বোধায় প্রত্যেকেই বেশী গুরুত্ব দেয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার এতো পপুলারিটির আরেকটা কারন বোধায় সহজে অ্যাভেলেবল স্মার্টফোন। আপনাকে যদি মতামত দেবার জন্য কম্পুতে লগইন করে পোস্ট করতে হতো তাহলে কি এতোবার করে পোস্ট করতেন? হাতের কাছে সারাক্ষন অ্যাক্সেস আছে বলেই হয়তো এতো বেশী লোক এতো বেশী করে অ্যাক্সেস করছে আর পোস্ট করছে, আর তার ফলে আরো বেশী করে খবর/গুজব ইত্যাদিও ছড়াচ্ছে। আর যেখানে পোস্ট করেই খালাস, কোন দায়দায়িত্ব নেই, সেখানে লোকে ফ্যাক্ট চেকিং করবেই বা কেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত