এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:২০393360
  • আর কুমুদি কী ভাল রান্না করে রে ভাই! এঈ কিছু রান্না পারিনা পুরো ঐ ওজন বয়স ৯১ কেস দেখি!
    অমৃতাও দিব্বি রাঁধে! ওদিকে সোমরাজের বাড়ি তো পুরো চিড়িয়াখানা!
  • pi | ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:১৮393359
  • এই বাংলা পক্ষের সনদ নিয়ে কার কী মত?

    বাংলা-পক্ষের ৩০ দফা দাবী। ৮০% র বেশি মানুষ যে রাজ্যে একটা ভাষাতেই স্বচ্ছন্দ সেখানে প্রধানতম একটা দাবী হওয়া উচিৎ সেই বাঙলা ভাষাকে রুজিরুটি-আফিস-আদালত-মিটিং-মিছিল-কর্মক্ষেত্রের ভাষা করে তোলা। এখানে অন্তত সেই ন্যায্য দাবীগুলোতেই জোর দেওয়া হয়েছে। আলোচনা হোক।

    "পশ্চিমবাংলা রাজ্যের, বাংলা ভাষার ও বাঙালী জাতির ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনের বিষয়ে বাংলা পক্ষের ৩০ দফা দাবীসনদঃ

    ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র (যা ভারত বা ইন্ডিয়া রাষ্ট্র নামে পরিচিত) নানা রাজ্যের সমাহার। কিন্তু এই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংস করে রাজ্যের অধিকার কেড়ে নিয়ে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বাংলা ও বাঙালীর বিরুদ্ধে বৈষম্য চালাচ্ছে, আমাদের শেষ করে দিচ্ছে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে, ধ্বংস করছে পশ্চিমবঙ্গে বাঙালী জাতির অধিকার, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অধিকার। এই ফন্দিকে অসফল করতে চায় বাংলা পক্ষ। ভারতীয় সংবিধানের মূলনীতি রক্ষা করতে, এই আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে রক্ষা করে আরও সুদৃঢ় করতে সমানাধিকার ও সম্মানের ভিত্তিতে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যসাধনের জন্য দরকার একটি সত্যিকারের যুক্তরাষ্ট্রীয় বা ফেডারেল ব্যবস্থা। সত্যিকারের ফেডারেল ব্যবস্থা সেটাই, যেখানে মুদ্রানীতি (অর্থাৎ রিজার্ভ বেঙ্ক), রেল, অন্য রাষ্ট্রের থেকে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র ছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্র সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের হাতে ন্যস্ত করতে হবে। এটাই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। যতদিন এই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জিত না হয়, ততদিন আমরা নিচের দাবীগুলি পূরণের জন্য বাংলা ও বাঙালীর পক্ষে আন্দোলন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    ১। পশ্চিমবঙ্গে প্রতিটি (রাজ্য, কেন্দ্র ও রাজ্য/কেন্দ্র অধীন সংস্থা) সরকারি চাকরিতে যোগদান করতে হলে বাংলা লিখতে, বলতে ও পড়তে জানা আবশ্যিক হতে হবে। তা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারিত হতে হবে। এই ধরনের ৮৫% পদ পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীর (অর্থাৎ শুধু মাত্র পশ্চিমবঙ্গে ভোটার, এমন নাগরিক) জন্য সংরক্ষিত হতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত সকল চাকরি ও টেন্ডারের ক্ষেত্রে ৮% সংরক্ষণ থাকতে হবে পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের।

    ২। পশ্চিমবঙ্গে সব উচ্চ প্রশাসনিক/পুলিশ পদে ডাবলুবিসিএস/ডাবলুবিপিএস থাকতে হবে, আইএএস/আইপিএস নয়।

    ৩। পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত কেন্দ্র/রাজ্য সরকারি সকল প্রশাসনিক পদের পদোন্নতি নির্ধারণ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    ৪। সর্বভারতীয় সকল পরীক্ষার সকল স্তরে বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার অধিকার থাকতে হবে।

    ৫। সকল সরকারি (যেমন টেন্ডার, সরকারী বা সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত দফতর, ব্যাঙ্ক, বিমা, ডাকঘর, টেলিকম, রাস্তা, ইত্যাদি) ও বেসরকারি ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে সকল তথ্য ও পরিষেবা প্রদান আবশ্যিক ভাবে বাংলায় করতে হবে।

    ৬। পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে অবস্থিত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের প্রতিটি সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৮৫% আসন সংরক্ষণ করতে হবে।

    ৭। পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত সকল স্কুলে ইতিহাস ও ভূগোল বিষয়ের পাঠ্যক্রম অন্তত ৫০% বাংলা সম্বন্ধীয় হতে হবে।

    ৮। পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত সকল প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের মালিকানা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে দিতে হবে।

    ৯। একতরফা ভাবে কোন রাজ্য ভাগের অধিকার কেন্দ্রের থাকা চলবে না।

    ১০। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে তথা ভারত সরকারের সকল ফর্ম ও ওয়েবসাইটে বাংলায় সকল তথ্য থাকা ও তথ্য জমা দেওয়ার অধিকার বাধ্যতামূলক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

    ১১। রাজ্য ও যৌথ তালিকাভুক্ত যে কোন বিষয়ে বিশ্বের যে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বা রাজ্যের সংস্থার স্বাধীনভাবে ঋণ গ্রহণ সহ যে কোন চুক্তি সম্পাদনের অধিকার থাকতে হবে।

    ১২। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে লব্ধ বা উৎপাদিত সব পণ্যের উপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেস বসানোর অধিকার থাকতে হবে।

    ১৩। পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য সকল ছাড়পত্র দেবার এক্তিয়ার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে থাকতে হবে। সকল সরকারী ও সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থার পশ্চিমবঙ্গের ৮৫% বরাত ও ৮৫% বরাদ্দ পশ্চিমবঙ্গে
    পঞ্জিকৃত সংস্থা বা শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ভোটার কোন ব্যক্তিকে দিতে হবে।

    ১৪। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও তার অধীন সকল সংস্থার সকল প্রশাসনিক কাজ বাংলা ভাষায় হতে হবে। ভারত রাষ্ট্র হিন্দিকে সাংবিধানিক ভাবে যে মান্যতা ও অধিকার দেয়, বাংলা ভাষাকে সেই একই অধিকার দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার ও তার অধীন সকল সংস্থার সকল প্রশাসনিক কাজ বাংলায় হতে হবে। ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী কর্মে, যেমন জনগণমন গাওয়া বা বাংলায় সরকার বা সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত কোন সংস্থা কর্তৃক ছাপা কিছুতে বাংলা ভাষাকে বিকৃত করলে কর্মে গাফিলতির জন্য শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

    ১৫। কলকাতায় সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ স্থাপন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টে বাংলা ভাষাকে সেই অধিকার দিতে হবে যা এলাহাবাদ হাই কোর্টে হিন্দির আছে।

    ১৬। পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত ফসল ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া কত দামে কিনবে, তা পশ্চিমবঙ্গের বাস্তবতা অনুযায়ী নির্ধারণ করবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গে রেশন ব্যবস্থায় দেয় সামগ্রী কোন মূল্যে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

    ১৭। পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজের দৈনিক মজুরী ঠিক করবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

    ১৮। পশ্চিমবঙ্গে দেওয়া সকল বিজ্ঞাপনের বাংলা সংস্করণ সবচেয়ে বহুল প্রচারিত সংস্করণ হতে হবে। এই বিজ্ঞাপন বাংলার সংস্থার দ্বারা উৎপাদিত হতে হবে।

    ১৯। পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে দেখানো সকল সিনেমায় বাংলা সাবটাইটেল থাকতে হবে। তা না হলে তা পশ্চিমবঙ্গে প্রচারিত হবার ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে যে সিনেমা প্রচারিত হবে, তার ছাড়পত্র দেবার অধিকার থাকবে একমাত্র রাজ্যের নিজস্ব সিনেমা সারটিফিকেশন বোর্ডের।

    ২০। বাংলা সিনেমার উপর জিএসটি বাতিল করতে হবে।

    ২১। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে তৈরি কোন সিনেমা যদি পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষান্তর করে প্রচারিত হয়, তার জন্য বিশেষ কর ছাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে তৈরি পশ্চিমবঙ্গের ভূমিজ ভাষার বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান তথা প্রকাশনায় বিশেষ কর ছাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

    ২২। কেন্দ্রের টাকায় পশ্চিমবঙ্গে হিন্দি শেখানো ও হিন্দি শেখার জন্য পয়সা দেওয়া চলবে না। হিন্দি ভাষা শিক্ষা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে কোন চাকরি বা তথ্য বা পরিষেবার ক্ষেত্রেই হিন্দি বাধ্যতামূলক করা চলবে না।

    ২৩। পশ্চিমবঙ্গে বিক্রি হওয়া সমস্ত প্যাকেটজাত পণ্যের সকল তথ্য বাংলা হরফে সবচেয়ে বড় আকারে থাকতে হবে।

    ২৪। পশ্চিমবঙ্গে বিমান, রেল, জাহাজ, সড়ক সহ যে কোন পরিবহন ব্যবস্থায় সকল ঘোষণাগুলি বাংলাতে করতে হবে।

    ২৫। ভারতীয় সেনার অধীনে বাংলা রেজিমেন্ট গঠন করতে হবে। সেই রেজিমেন্টে ৮৫% পদ সংরক্ষিত হবে পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের জন্য। এই রেজিমেন্টের ভিতরের সকল কাজ পরিচালিত হবে বাংলায়। নির্বাচিত রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া সীমান্ত ও ব্যারাক ব্যতীত রাজ্যে কোথাও কোন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে পারবে না।

    ২৬। বাংলা ভাষার সকল স্থানীয় উপভাষাকে উৎসাহ ও মর্যাদা দিতে হবে।

    ২৭। ১৯৪৭এর পর থেকে কেন্দ্র বাংলা থেকে যা যা কর তুলেছে, তার যে অংশ বাংলাকে ফেরত দেয়নি, তা বর্তমান মূল্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে ফেরত দিতে হবে। মাশুল সমীকরণ নীতির ফলে পশ্চিমবঙ্গের যে শিল্প ও রাজস্বের ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ণয় করে, বর্তমান মূল্যে সেই টাকার অঙ্ক ক্ষতিপূরণ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গকে ফেরত দিতে হবে।

    ২৮। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তোলা রাজস্বের ১০০% পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের ফেরত দিতে হবে।

    ২৯। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্থানের নামের ইংরেজি বানান বাংলা উচ্চারণ অনুযায়ী রাখতে হবে।

    ৩০। সংবিধানের ৩৫৬ ধারা বিলোপ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার অধিকার থাকবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। কোন জরুরী অবস্থার অছিলায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কোন অধিকার কেন্দ্রীয় সরকার বা আর কেউ খর্ব করতে পারবে না।
    [ পশ্চিমবাংলা রাজ্যের, বাংলা ভাষার ও বাঙালী জাতির ন্যায্য অধিকারের পক্ষে যাঁরা, তাঁদের শেয়ার করতে আবেদন রইলো। "
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৩:৩৮393358
  • পড়লাম। ওই লাইনেই তো লিখছে ওরা। নতুন কী।
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০১:৪৭393357
  • লিং?
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০০:৫৪393356
  • এনডিটিভির ওয়েবসাইটে চন্দন মিত্রের একটা জঘণ্য নোংরা লেখা বেড়িয়েছে। নিজের ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে একটা লোক যে কতদুর নামতে পারে, তার একটা বড়সড় নমুনা এই লোকটি।
  • dc | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:১৯393355
  • কর্নাটকে টিকিটের জন্য মারপিট দেখে তো মনে হচ্ছে কংগ্রেসই জিতবে।
  • গবু | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৫৪393353
  • হ্যাঁ, অনেক ধন্যবাদ ডিসি ও বি কে।
  • dc | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:২২393352
  • b যেটা দিয়েছেন অমিও সেটার লিংক দিয়েছিলাম, আরেকটা হলোঃ http://b-ok.xyz/

    দ্বিতীয়টায় দুয়েকসময়ে কিছু বই পাওয়া যায় যা প্রথমটায় পাওয়া যায় না, নাহলে ৯৫% কমন।
  • b | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:৫৬393351
  • এইটে নাকি? @গবু।
    http://gen.lib.rus.ec/
  • S | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০১:০৮393350
  • কতদিন হয়ে গেলো কোলকাতার বিরিয়ানি খাইনি। ভাবলেই কষ্ট হয় খুব।
  • Atoz | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০০:১২393349
  • শুভ নববর্ষ। সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই কদমা আর তিলকূট সহযোগে।
  • কুমু | ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ০০:০২393348
  • সকল কে নববর্ষের শুভেচ্ছা।
  • গবু | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:২৪393347
  • শুভ নববর্ষ!

    ডিসি একটা webpageর খোঁজ দিয়েছিলেন বইপত্র নামানোর জন্যে।

    কেউ একটু দিতে পারেন চট করে?
  • ব্রাউজার | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ২০:১০393346
  • আচ্ছা 'পেল মুন' 'বাসিলিস্ক'কী কেউ ব্যবহার করে দেখেছেন? ওগুলো কী ফায়ারফক্সের মতো?
  • paps | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১৯:০৩393345
  • আমি রেডমি ব্য়বহার করিনি। ওয়েব থেকে নিচের লিংকটা পেলাম, দেখুন এটা কোনোভাবে উপকারে আসে কিনা।

    https://webcazine.com/19260/redmi-note-4-tips-and-tricks/
  • paps | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:৫৮393344
  • অ্য়ালার্ম বন্ধ করা নিয়ে অযথা চিন্তা করবেন না। স্টপ করলেই বন্ধ হয়ে যাবে :-)
  • pi | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:১১393342
  • অভি, আলার্মিং বলে আল্লার্মিং!!

    ওদিকে আর্কাদির পোস্টটা পড়ুন। ফেক নিউজ সাইট কী আলার্মিং হারে ছেয়ে গেছে, দেখুন।

    'বিজেপি, বাংলা-অভিযান এবং সোশ্যাল মিডিয়া
    ==============================

    পঞ্চায়েত নির্বাচন, এবং ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে বিজেপি এখন তাদের নোংরা দৃষ্টি দিয়েছে বাংলার দিকে। স্বাভাবিকভাবেই তৎপর হয়ে উঠেছে তাদের কুখ্যাত আইটি সেল। এই আইটি সেলের সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেনের প্ল্যানিং এবং কর্মপদ্ধতি সম্বন্ধে জানা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। কেন? কারণ আইটিসেলের আসল শক্তি শুধু এই ভাড়া করা কিছু কর্মচারী না, তাদের আসল শক্তি হলো এর বাইরের দুটো বৃত্ত। যেমন, এই মাইনে করা কর্মচারীদের বাইরে একটি বিশাল ভলান্টিয়ার বাহিনী আছে, যারা রাজনৈতিক কর্মসূচী হিসেবেই স্বজ্ঞানে এই প্রচারকে আরও ব্যাপক হারে ছড়াতে থাকে এবং তার বাইরে যেটা আছে, সেটা হলো আমার-আপনার মতন সাধারন মানুষ। এই বৃত্তের লোকজন নিজেরা অজ্ঞানতার বশে, না বুঝে, না জেনেই এই প্রচারের সহায়ক অংশ হয়ে ওঠে। ঐ কর্মচারী আর ভলান্টিয়ার বাহিনী নিয়ে আমরা কিছু করতে পারবো না। কিন্তু নিজেদের বৃত্ত নিয়ে পারবো। তাই সবার আগে দরকার এই ব্যাপারে শিক্ষিত হওয়া।

    প্রথমেই যেটা বুঝতে হবে, যে চার বছরে সরকার চালানোর পর উন্নয়ন, চাকরি, দুর্নীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, শিল্প এই সমস্ত ক্ষেত্রেই বিজেপি ডাহা ফেল। তাহলে তাদের হাতে বাকি রয়েছে একটাই অস্ত্র। সেটা হলো সাম্প্রদায়িকতা। এই সাম্প্রদায়িকতা এবং ঘৃণা দিয়েই যদি মানুষের নজর আসল ইস্যুগুলো থেকে সরিয়ে রাখা যায়, তাহলেই কেল্লা ফতে। সুতরাং নিচের কয়েকটি পয়েন্ট সময় নিয়ে মন দিয়ে পড়ুন।

    ১) বিজেপির প্রথম অস্ত্র হলো ফেক নিউজ পোর্টাল বা ফেক খবরের সাইট। আপাতত আপনার চারিদিকে দেখবেন ভুঁইফোড়ের মতন কিছু খবরের পোর্টাল তৈরি হয়েছে। তাতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়া খবর যা কোন মেনস্ট্রীম খবরের কাগজে আসে না, তা প্রচারিত হচ্ছে। এমনকি স্রেফ সাম্প্রদায়িক ঘৃণার খবর ছড়ানোর জন্যে, ফেসবুকে কে কি লিখছে, তাই নিয়েও খবর করা হচ্ছে। এর মধ্যে পুরোপুরি ভাবে মিথ্যে খবরের সাইট বেশ কয়েকটা। তাদের ফেসবুক পেজও রয়েছে যেখান থেকে এই সাইটের খবর শেয়ার করা হয়। আপাতত কয়েকটার নাম নিচে দিলাম।

    - ঠেহরত৩৬৫
    -Kএছ, থে Kনো্লেদ্গে এন্ত্রে
    -এঙ্গল টিমেস (এই নামে দুটো পোর্টাল আছে, বিজেপির ফেক নিউজের অ্যাড্রেস এঙ্গল। সিতে)
    - সুপ্রোভাত
    -প্রিয়োবন্ধু

    ২) পুরোপুরি ফেক খবরের সাইট নয়, কিন্তু সাইটের মালিক বা কোন রিপোর্টারকে দিয়ে অন্যান্য খবরের সাথে ফেক নিউজ বা মিথ্যে খবরও লেখানো হয়, মানে এখানে দুরকম খবরই পাবেন। এই সাইট আরও বেশি বিপজ্জনক কারণ এরা বিভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারে।নিচে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো।

    - বিস্ববন্গ্লসন্গ্বদ
    - সুপ্রভত
    - অমদের্ভরত
    - চন্নেল ইন্দুস্তন
    - নজর্বন্দি
    - ঈনদুইন্দিঅবন্গ্ল্ল
    - কোল্কত২৪*৭

    অনেক ক্ষেত্রেই উপরোক্ত পোর্টালগুলো থেকে শুধু খবরের উত্তেজক হেডলাইনটুকু নিয়ে ছবি বানিয়ে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপে ব্যাপক হারে প্রচার করা হয়। যাতে সাইটের নাম এবং ভিতরের খবর প্রকাশ না পায়।

    ৩) ফেসবুক এবং ট্যুইটার ফেক প্রোফাইল - এই ক্ষেত্রে কয়েকদিন আগেই আইটি সেলের প্রাক্তন কর্মীদের সাক্ষাৎকার দ্রষ্টব্য। সাধারণতঃ দুরকমের ফেক প্রোফাইল তৈরি করা হয় – হিন্দু নামের এবং মুসলিম নামের। হিন্দু নামের প্রোফাইলগুলোর কাজ হলো বিভিন্ন গ্রুপে ঘুরে ঘুরে মিথ্যে খবর শেয়ার করা এবং অন্যান্য ধর্মকে গালি দিয়ে উত্তেজনা বাড়ানো যাতে গোটা আলোচনাটাই একটি সাম্প্রদায়িক গালাগালির যুদ্ধে নেমে আসে। মুসলিম নামের ফেক প্রোফাইলের কাজ হলো বিভিন্ন গ্রুপে বা খবরের লিংকের নিচে হিন্দুদের নোংরা গালি দেওয়া। তারপর সেই কমেন্টের স্ক্রীনশট নিয়ে প্রচার করা হয় হিন্দুদের মধ্যে, মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা উস্কে দিতে। বেশিরভাগ সময়ই এই প্রোফাইলগুলোকে ফেসবুকে খুঁজতে গেলে আর পাবেন না, কারন ফেক প্রোফাইল বলে এদের প্রোফাইলের আয়ু স্বল্পমেয়াদী।

    ৪) মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাতের ছবি/ভিডিও এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক মৌলবী এবং হুজুরদের ওয়াজ এবং জলসার বক্তব্যের ভিডিও (যেহেতু এটা বাংলা ভাষায়) ব্যাপক হারে এই রাজ্যে ছড়ানো। তার সাথে সাথে মন্দির বা মসজিদ ভাঙা, এক ধর্মের ব্যাক্তির দ্বারা অন্য ধর্মের ব্যাক্তির ওপর আক্রমণ, মন্দিরে মাংস ফেলা – এই জাতীয় সত্যি বা মিথ্যে খবর ব্যাপক ভাবে ছড়ানো। উদ্দ্যেশ্য একটাই – সম্প্রদায়, সম্প্রদায়, সম্প্রদায় – আপনার মাথার মধ্যে খালি এটাই ঘুরতে থাকুক। আর বাদবাকি সব ইস্যু আপনার কাছে গৌণ হয়ে যাক।

    ৫) এর বাইরে রয়েছে ফেসবুকের ধার্মিক পেজ এবং মীম পেজ। দুক্ষেত্রেই আপাত নিরীহ ধর্মপ্রচার এবং চটুল রসিকতার মধ্যে মধ্যেই গুঁজে দেওয়া হচ্ছে সাংঘাতিক সাম্প্রদায়িক ঘৃণার প্রচারসামগ্রী। আপাত নিরীহ এই পেজগুলোর আসল ভূমিকা দেখতে পাবেন নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে তত বেশি করে। সাম্প্রদায়িক প্রচার বেড়ে যাবে, কিছু পেজ তো সরাসরি নাম পালটে ফেলে রাজনৈতিক হয়ে যাবে। কারণ ইতিমধ্যেই তার আগের অবতারে সে একটি বিশাল দর্শকমন্ডলী তৈরি করে ফেলেছে।

    প্রচারের দুটো ভাগ আছে – কনটেন্ট জেনারেশন মানে প্রচারসামগ্রী তৈরি করা এবং কনটেন্ট প্রোপাগেশন অর্থাৎ কনটেন্ট ছড়ানো। প্রথমটার ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে এই সাইট, ফেসবুক আর ট্যুইটার ব্যবহৃত হবে, কিন্তু দ্বিতীয়টার ক্ষেত্রে ফেসবুকের চেয়েও অনেক বড় খেলার মাঠ হলো হোয়াটসঅ্যাপ। কারণ হোয়াটসঅ্যাপে নূন্যতম নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া নেই। স্রেফ হোয়াটসঅ্যাপে রঙ চড়িয়ে খবর প্রচার করিয়ে দাঙ্গা লাগানো যায় নিমেষে – যেমন হয়েছে মুজাফ্ফর নগরে, যেমন হয়েছে বাদুড়িয়াতে।

    তাই এই ঘৃণার প্রোপাগান্ডায় যাতে আক্রান্ত না হন, তাই নিজে সতর্ক এবং সচেতন হওয়া প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু এখানেই আপনার দায়িত্ব শেষ হয় না। এরপর আসবে দ্বিতীয় পদক্ষেপ। যেখানেই এরকম প্রচার দেখবেন, সন্দেহ করবেন, সেখানেই প্রশ্ন করুন, প্রমাণ চান। গলা উঁচু করুন। বন্ধু বা আত্মীয়ের কাছে বিরাগভাজন হবেন, এই ভয়ে পাশ কাটাবেন না। এটা সময়ের দাবী। আপনার আগামী প্রজন্মের দাবী। এই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ণয় করা আপনার এবং আমার হাতে। এই সময়ে দায়িত্ব এড়ালে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না।'
  • অর্জুন অভিষেক | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:০১393341
  • শুভ নববর্ষ ১৪২৫
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:৪০393340
  • ধর্ম নিয়ে যত খুন জখম নোংরামো অন্যায় অবিচার দাঙ্গা যুদ্ধ হয়েছে, অন্য কোনও কিছু নিয়েই বোধয় হয়নি। অন্য জন্তুরা নিশ্চই "মানুষ" কথাটাকে গালাগালি হিসাবে ব্যবহার করে।
  • তাপস | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১২:০৭393339
  • শুভ নববর্ষ। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস হাউজের বাংলা নিউজ পোর্টাল আজ থেকে প্রকাশ্য হল। আপনারা ক্লিকধূলি দিলে খুব ভাল লাগবে। প্রথম দিনেই আপনাদের পরিচিত পরিজনদের লেখাও খুঁজে পেয়ে যাবেন এখানে। ইউআরএল- iebangla.com
  • paps | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৪৪393338
  • সরি, ওঠেননি হবে
  • paps | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১১:২০393337
  • হুমায়ুন আজাদকে ২০০৪ এ ইসলামিস্ট ফাণ্ডামেণটালিস্টরা বইমেলা চত্বরে নির্মমভাবে কোপায়। চিকিৎসা করিয়ে আংশিকভাবে সুস্থ হয়ে গেলেও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেনি আর। চাপাতি আঘাতের লংটার্ম এফেক্ট সম্ভবত ওনার মৃত্যুর জন্য দায়ী-- এরকম একটা কথা পড়েছিলাম মুক্তমনায় আভিজিত রায়ের লেখায়।
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১০393336
  • শুনলাম প্রাক্তন স্পীকার জন বেনার নাকি গাঁজা বেচবেন এখন থেকে।
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ১০:০১393335
  • পল রায়ান, আমেরিকার হাউস স্পিকার, দুদিন আগে ঘোষণা করলেন যে উনি আর রি-ইলেকশনে যাবেন না। কিন্তু উনি এক্খুনি রিজাইন করবেন না, উনার পুরো মেয়াদ শেষ করবেন। উনি বললেন I intend to full my serve term as I was elected to do
  • aranya | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:২২393334
  • আকা, হুমায়ুন আজাদ-এর ওপর আক্রমণ হয় ২০০৪-এর প্রথমদিকে, ঐ বইটা লেখার জন্য, ভয়ানক আঘাত পেয়েছিলেন, তবে মারা যান নি।

    ২০০৪-এর আগস্টে মিউনিখে এক অ্যাপার্টমেন্টে ওনার মৃতদেহ পাওয়া যায়, কোন রিসার্চের কাজে জার্মানি গিয়েছিলেন। ইসলামিস্ট অ্যাসাসিন-রাই ওকে মেরেছে, এমন সম্ভাবনা ছিল। ওর পরিবার তদন্ত চেয়েছিলেন, জানি না কদ্দুর কী তদন্ত হয়েছে
  • avi | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:৪৬393333
  • অ্যালার্মিং স্টার্ট।
  • pi | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:৩০393332
  • রেডমি ফোরে আলার্ম কীকরে বন্ধ করে কেই জানালে বড় বাধিত হই। সব অফ করা, কিনতু পনের মিনিট ধরে বেজেই চলেছে। ভবিষ্যতেও বন্ধ হব্র এমন সম্ভাবনা দেখছিনা।

    দাদা, আমি আলার্ম বন্ধ করে ঘুমাতে চেয়েছিলাম!! :(

    একি নতুন বছরের শুরু রে বাবা।

    যাহোক শুভ নববর্ষ!
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০৩:৪৭393331
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত