এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ১০:১২394470
  • অন্তত আমেরিকান মার্কেটে অ্যামাজন একের পর এক দারুন সব ডিসরাপশন আনছে। হোল ফুড মার্ট কিনলো। এরপরে শুনছি একটা ফার্মা (বা ফার্মা রিটেল) কিনবে। তারপরে লজিস্টিক/ট্রান্স্পোর্টেশন কোম্পানি। গ্রসারি হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা হচ্ছে। ড্রোন ইউজ করবে (এখনই করছে)। ডেলিভারির আরো দারুন সব ব্যবস্থা আনছে।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ১০:০৯394469
  • তবে ওয়ালমার্ট ইকমার্স থেকে ব্রিক অ্যান্ড মর্টারে যাবার আপ্রাণ চেষ্টা করবে, কারন সেখানেই ওদের অ্যাডভান্টেজ। সামনের বার কং সরকার এলে সেটা করতে ওদের সুবিধে হবে, তবে কিনা এখন তো মনে হচ্ছে সামনের বার আবার মোদী ঃ(
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ১০:০৭394468
  • *আমারও
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ১০:০৫394467
  • শুধু যদি ই-কমার্সের কথা বলেন তাহলে আমার গাট ফিলিং হলো ওয়ালমার্ট হারবে, অ্যামাজন জিতবে। কারন ওয়ালমার্ট এখন বিহাইন্ড দ্য কার্ভ। তবে দেখ যাক।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ১০:০৪394466
  • হ্যাঁ, রিলায়েন্সের ব্যপারটা ক্লিয়ার না। যাই হোক, মাল্টিব্র্যান্ড রিটেলে এফডিআই অ্যালাউ করলে তাতে কোন ক্ষতি হবে না। ওয়ালমার্টের ইন্ডিয়ান মার্কেট ডিসরাপ্ট করার ক্ষমতা নেই, সেই মার্কেট পাওয়ারই ওদের নেই। তবে সাপ্লাই চেন আর লজিসটিক্স এ ইনভেস্ট করবে, সেটা ভালো।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ১০:০৩394465
  • ডিসিদা, কয়েক বছর পরে অ্যামাজন কেন জিতলো আর ওয়ালমার্ট কেন হারলো (বা উল্টোটা) সেটা যখন লেখা হবে তখন দেখবেন থাকবে ফ্লিপকার্ট অ্যাকুইজিশনের কথা।

    লেখা হবে দিল্লিগামী আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফার্স্টক্লাসে সুন্দরী বিমানসেবিকার কাছ থেকে বেস্ট ওয়াইনের গ্লাসটা নিয়ে বাইরে মেঘে ঢাকা আকাশে তাকিয়ে কোন একজিকিউটিভ ঠিক কি ভেবেছিলো, আর ঠিক তখনই উল্টোদিকের আরেকটা প্লেনে বসে অন্যজন ঠিক কি ভাবছিলো সেসব স্পষ্ট করে লেখা থাকবে।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৫৮394464
  • রিলায়েন্সের প্ল্যান তো অনেকদিন ধরেই। অন্তত দশ বছর ধরে শুনছি। রিউমার যে ওরা নাকি বিগবাজারে (মানে কিশোর বিয়ানির ফিউচার গ্রুপে) ইনভেস্ট করবে বলে কথাবার্তা চালিয়েছিলো। ব্যবসা বুঝে নেওয়ার পরে বলেছে যে উই র‌্যদার ওয়ান্ট টু বি ইওর কম্পিটিটার।

    টাটারাও স্টার বাজার নামালো। সেও বড় দোকান। কিন্তু রীচ সামান্য।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৫২394463
  • ইয়োরোপ আর চীনে ওয়ালমার্ট সেভাবে কিছু করতে না পারার কারণ মনে হয় ওখানে অলরেডি বিগ রিটেল ছিলো। তাদের সাথে কম্পিট করতে পারেনি। জার্মানিতে সময়ের একটু আগেই এন্ট্রি নিয়েছিলো। তাছাড়া, আনলাইক ইন্ডিয়ানস, জার্মান আর চীনারা আম্রিগা দেখলেই আদেখলামো করেনা।

    মম অ্যান্ড পপ স্টোর উঠে গেছে তার কারণ প্রাইসিং। ওয়ালমার্ট যে কম দামে জিনিস দিচ্ছিলো সেটা আম্রিগার ছোট দোকানগুলো দিতে পারেনি।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৫০394461
  • "অ্যামাজন সেটা জানতো। তাই ওরাও বিড করেছিলো। প্রাইসটা বাড়ানোর জন্য। কাজ হয়েছে"

    ঠিক, একেবারে ক্লাসিক মুভ। এক বছরের মধ্যে দেখবেন দুতিনটে HBR কেস স্টডি নেমে যাবে :d
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৪৯394460
  • আরও একটা ব্যপার হলো, রিলায়েন্স নাকি বড়ো হ্বাবে রিটেলে এন্ট্রি নেবার কথা ভাবছে। সেটা হলে আরেকটা ডিসরাপশান হবে, যেমন এখন মোবাইলে হচ্ছে। (রিলায়েন্স ফ্রেশ এর কথা বলছি না, ওটা বা বিগ বাজার চুনোপুঁটি, যেটা S বলেছেন)। সেই ধাক্কা ওয়ালমার্ট সামলাতে পারবে কিনা তাতেও সন্দেহ আছে।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৪৬394459
  • পাড়ার অনেক ছোট ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এখনো চলছে একটাই কারণে। রিয়েল এস্টেটের দাম বাড়ছে বলে। নইলে খুব কেম্পিটেটিভ অব্স্থা। আম্রিগাতে কয়েক হাজার স্টোর বন্ধ হয়ে গেছে বিগত কয়েক মাসে। এখনো মাঝে মধ্যেই স্টোর ক্লিয়ারেন্স সেলস দেখি।

    "তবে ওয়ালমার্ট বোধায় ফ্লিপকার্ট কিনছে অ্যামাজনকে ঠেকানোর জন্য।"
    অ্যামাজন সেটা জানতো। তাই ওরাও বিড করেছিলো। প্রাইসটা বাড়ানোর জন্য। কাজ হয়েছে।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৪৫394458
  • ঠিক, ওয়ালমার্ট কয়েকটা বড়ো মার্কেটে ফেল করেছে। ইন্ডিয়াতেও ওয়ালমার্ট কতোটা সফল হবে সে নিয়ে সন্দেহ আছে, তবে অন্তত বছর দশেক যে টানতে পারবে তাতে সন্দেহ নেই।

    S আমেরিকার মম অ্যান্ড পপ উঠে যাবার কারন অন্য, সেটা ইন্ডিয়ায় হবে না কারন আমাদের ওরকম হাইওয়ে ড্রাইভিং এর ব্যাবস্থা বা অভ্যাস কোনটাই নেই। উল্টে আমরা পাড়ার দোকানে হেঁটে গিয়ে দরদাম করে জিনিষ কিনতে ভালোবাসি। আমেরিকান আর ইন্ডিয়ান শপারদের শপিং হ্যাবিট আলাদা।

    আর হ্যাঁ পাড়ার দোকান তো অনেক বন্ধ হয়েছেই। আবার খুলেছেও অনেক। তার জন্য বিগ রিটেল এর কতোটা এফেক্ট আছে জানিনা, আমার মনে হয় লোকাল ডিম্যান্ড-সাপ্লাইএরও এফেক্ট আছে।
  • dd | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৩৯394456
  • ওয়ালমার্টের কোয়ালিটি নিয়ে জানি না। অনেকেরি ওতে আপত্তি থাকতে পারে।

    তবে বামবাবুরা যেরকম ওয়ালমার্টকে একটা আকাশ ছোঁয়া জুজু করে দেখাছেন, ব্যাপারটা সেরকম না কি?

    জার্মানীতে লঞ্চ করেও ওখানে থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেয় ওয়ালমার্ট। চীন থেকেও। কিছু সর্বগ্রাসী রাক্ষস নয়।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৩৯394457
  • আমেরিকাতে ওয়ালমার্টের আগেও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ছিলো। কিন্তু তাদের জন্য মম অ্যান্ড পপ শপগুলো সেভাবে ইম্প্যাক্টেড হয়নি। ওয়ালমার্ট আসার পরেই আর সেগুলোর কোনও অস্তিত্ব নেই। ওয়ালমার্ট এখানে প্লেসহোল্ডার - মানে যেকোনও রিটেল জায়েন্ট উইথ ভেরি ডীপ পকেট।

    বিগবাজার অনেক অনেক ছোট। মনে করুন একটা ওয়ালমার্টে অন্তত গোটা দশেক বিগবাজার ঢুকে যাবে। একটা ১০ লাখ পপুলেশনের শহরে কমপক্ষে ১০টা ওয়ালমার্ট থাকে। তারপরে আরো অনেক সিমিলার বড় রিটেল থাকে। শুধু গ্রসারির জন্য।

    আমি কিন্তু বহু পাড়ার দোকানের ব্যবসা কমে যেতে দেখেছি। বন্ধ হতেও দেখেছি। পপুলেশন বাড়ছে বলে চট করে চোখে পড়েনা। বা আমরা সেভাবে খেয়াল করিনা।

    ওয়ালমার্ট যদি ইন্ডিয়ার ফারমারদের থেকে কিনে আম্রিগায় পাঠাতে শুরু করে তাহলে আবার অন্য মুশকিল হবে।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:৩১394455
  • ডিডিদা আর S দুজনেই কয়েকটা ইম্পর্ট্যান্ট কথা লিখেছেন।

    "কতো দিশী শপিং মল তো সব শহরেই গুবগুবিয়ে বাড়ছে? নিজের অভিজ্ঞতায় পাড়ার দোকানকেও উঠে যেতে দেখি নি। আর এই মল তো চলছে প্রায় বছর দশ বারো হোলো"

    ঠিক কথা। এমনিতেই রিটেল স্টোর প্রচুর খুলেছে, আরও খুলছে। আর বিগ বাজার বা ফিনিক্স মলের মতো সুপারমর্কেট তো ছেড়েই দিলাম, এমনকি পাড়ায় পাড়ায় মম অ্যান্ড পপগুলো রিটেল ফর্ম্যাটে নিজেদের পাল্টে নিচ্ছে। আমাদের পাড়ায় তিনটে মুদির দোকান, তিনটেই শেলফ সিস্টেম আর সেল্ফ সার্ভিস। দোকানে ঢোকো, শেলফ থেকে জিনিস নাও, ট্রলিতে করে কাউন্টারে এসো, ক্যাশ বা কার্ডে পে করে বেরিয়ে যাও। এগুলো ছাড়া একটা নীলগিরি আছে, খানিক দুরে একটা স্পেন্সার আছে। সবকটা হৈহৈ করে চলছে। আর নীলগিরি ছাড়া বাকিগুলোতে ডিসকাউন্টও দিচ্ছে। আমার বাড়ি থেকে দু মিনিট দূরে যে দোকানটা সেটায় ফোন করলে ওরা হোম ডেলিভারিও করে দিয়ে যায়।

    "ওয়ালমার্ট এসে এতো শত বড়ো দোকানের থেকে আলাদা কী ভাবে হবে? ওয়ালমার্ট আলাদা কী করবে যা অলরেডী (ধরুন) বিগবাজার্বা স্পার করছে না?"

    ফ্রন্ট এন্ড বা কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সএ খুব একটা আলাদা হবে বলে মনে হয়না। তবে ব্যাকএন্ড সাপ্লাই চেন আর ডিপ লজিসটিক্স এ আলাদা হবে। ওয়ালমার্ট যে স্কেলে সাপ্লাই চেনে ইনভেস্ট করতে পারবে, আর যে টেকনোলজি আনবে সেটা অন্যরা পারবে বলে মনে হয়না, তাতে আল্টিমেটলি কাস্টমারের লাভ হবে।

    "ইন্ডিয়ায় যে সস্তায় লোকে বাজার করে, খাবার খায় - সেই প্রাইসে ওয়ালমার্ট কিছুতেই জিনিসপত্র বিক্রি করতে পারবেনা"

    হতেও পারে, নাও হতে পারে। কিন্তু প্রশ্নটা সেটা না। প্রশ্নটা হলো, ওয়ালমার্ট এসে কি মম অ্যান্ড পপকে উঠিয়ে দিতে পারবে? না, পারবে না। ইন্ডিয়ার মার্কেট এতো বিরাট বড়ো, কাস্টমার সেগমেন্টেশান এতো বেশী, কাস্টমার রিকোয়ারমেন্ট এতো ডাইভার্স যে এখানে রিটেলে মনোপলি বানানো অসম্ভব। শুধু ওয়ালমার্ট একা কেনো, আরও রিটেল চেনগুলো এলেও মনোপলি বানাতে পারবে না। তাছাড়া ইডিয়ার আর আমেরিকার মার্কেট কন্ডিশানের আকাশ পাতাল তফাত। ইন্ডিয়ার কনজেস্টেড, অলিগলি ভরা শহরগুলোতে মম অ্যান্ড পপস দের ওঠানো কখনো সম্ভব হবে না।

    "তারপরে একবার মার্কেট ক্লিয়ার হয়ে গেলে দাম বাড়িয়ে সব লাভ তুলে নেবে"

    পারবে না।

    "তবে ফ্লিপকার্টের দুই বনসাল আর অন্য ইনভেস্টররাও ওয়ালমার্টকে ভালো টুপি পড়িয়েছে। একদম টাইমলি বেচে দিয়েছে প্রচুর বেশি দামে। ইন্ডিয়াতে যেকটা কোম্পানি বিগত দশ পনের বছরে তৈরী করাই হয়েছে বিদেশি ইনভেস্টরদের চড়া দামে বিক্রি করার জন্য, ফ্লিপকার্ট তার একদম উপরে ছিলো।"

    একদম ঠিক :d আর সেজন্যই এই অ্যাকুইজিশানের খবর চাউর হতেই ওয়ালমার্টের শেয়ার প্রাইস পড়ে গেছে। তবে ওয়ালমার্ট বোধায় ফ্লিপকার্ট কিনছে অ্যামাজনকে ঠেকানোর জন্য।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:২১394454
  • ইন্ডিয়াতে ওয়ালমার্ট দোকান খুললে সুবিধে অসুবিধে দুইই হতে পারে। ওয়ালমার্ট যদি ডাইরেক্টলি চাষীদের থেকে শস্য কেনে তাহলে চাষীরা খুশি হতে পারে, কিন্তু তাতে আবার অনেক ছোট মিড্‌লম্যান ব্যবসায়ী অসুবিধেয় পড়তে পারে।
    তবে, ভারত এত বড় দেশ, এত বিশাল কাস্টমার বেস, যে যার মতন ব্যবসা করতে পারে।
  • dd | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:১০394453
  • এই রহ্স্যটা বুঝি না।

    মাল্টিব্র্যান্ড রিটেইলে ওয়ালমার্ট না আসলেই বা কী? কতো দিশী শপিং মল তো সব শহরেই গুবগুবিয়ে বাড়ছে? নিজের অভিজ্ঞতায় পাড়ার দোকানকেও উঠে যেতে দেখি নি। আর এই মল তো চলছে প্রায় বছর দশ বারো হোলো।

    তো ওয়ালমার্ট এসে এতো শত বড়ো দোকানের থেকে আলাদা কী ভাবে হবে? ওয়ালমার্ট আলাদা কী করবে যা অলরেডী (ধরুন) বিগবাজার্বা স্পার করছে না?
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৯:০১394452
  • মাল্টিব্র্যান্ড রিটেল সেক্টরে এফডিআই এর অনুমতি দেওয়ার কোনও মানেই হয়না। কোনও এক্সট্রা ভ্যালু আনবে না দেশে। বিদেশি কোম্পানিদের ইনভেস্ট করার ইচ্ছে থাকলে ইনফ্রাস্ট্রাকচারে করুক।

    ওয়ালমার্ট খোলার পরেও যখন লোকে সেখানে না গিয়ে সেই পুরোনো কাদাজলের বাজার আর পাড়ার দোকান থেকেই গ্রসারি কিনবে তখন দেখবেন নতুন খেলা শুরু হবে। কত বাজার উঠে যাবে বিভিন্ন আছিলায়। আরো অনেক নিয়ম কানুন লাগতে শুরু করবে যাতে পাড়ার দোকানটাও উঠে যায়।

    ইন্ডিয়ায় যে সস্তায় লোকে বাজার করে, খাবার খায় - সেই প্রাইসে ওয়ালমার্ট কিছুতেই জিনিসপত্র বিক্রি করতে পারবেনা। প্রথমে কয়েক দিন করবে যাতে মম অ্যান্ড পপ শপ গুলো সব উঠে যায়। তারপরে একবার মার্কেট ক্লিয়ার হয়ে গেলে দাম বাড়িয়ে সব লাভ তুলে নেবে।

    তবে ফ্লিপকার্টের দুই বনসাল আর অন্য ইনভেস্টররাও ওয়ালমার্টকে ভালো টুপি পড়িয়েছে। একদম টাইমলি বেচে দিয়েছে প্রচুর বেশি দামে। ইন্ডিয়াতে যেকটা কোম্পানি বিগত দশ পনের বছরে তৈরী করাই হয়েছে বিদেশি ইনভেস্টরদের চড়া দামে বিক্রি করার জন্য, ফ্লিপকার্ট তার একদম উপরে ছিলো।
  • T | ১৬ মে ২০১৮ ০৮:৪১394451
  • ভালো করেচে। একটা পরীক্ষায় ফেল করেছে তো কীই এমন মহাভারত অশুদ্ধ হচ্ছে।
  • dc | ১৬ মে ২০১৮ ০৮:১১394449
  • অনেক আগেই মাল্টিব্র্যান্ড রিটেল সেক্টরে এফডিআই এর অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল, তাহলে ওয়ালমার্ট আরও আগেই স্টোর খুলতে পারতো। কং চেষ্টা করেছিল, কিন্তু বিজেপির বিরোধিতায় আটকে গেছিল। এখনও স্বদেশী জাগরন না কি একটা ঢপের দল এই টেকওভারের বিরোধিতা করে চলেছে।
  • মলয় ভট্টাচার্য | ১৬ মে ২০১৮ ০৭:৫৭394448
  • অনুভব
    *******

    শিয়ালদার বাসটা আজও মিস করে গেলাম। ধুচ্ছাই। এই ২৩৫ বাসটা এত আস্তে চালায় সকালবেলায়, প্রায় প্রতিদিন প্রাচীর সামনে থেকে ছাড়া বাসটা মিস করি। আরো পনেরো মিনিট বাদে ধর্মতলার বাসটা ছাড়ে, কিন্তু বাসে গিয়ে ওই বাসটা ধরাও রিস্কি হয়ে যায়। রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি করে বাস ধরতেও ভয় লাগে। ট্রেনেই যাব ঠিক করে নিলাম। শিয়ালদা সাউথ থেকে বজবজ লোকাল। আক্রা স্টেশনে নেমে রিক্সা নিয়ে অফিস। মহেশতলায়। প্ল্যাটফর্মে এসে ঘুরছি। ট্রেন দিতে খানিক দেরী। হঠাত চোখ গেল প্ল্যাটফর্মের সামনের দিকে। আরে ইন্দ্রনাথ না? আমার সাথে স্কুলে পড়তো। আমার রুমমেট ও ছিল একটা টার্ম। কাছে চলে গেলাম। প্রায় বারো বছর বাদে দেখা হচ্ছে ওর সাথে। স্কুল ছাড়ার পরে আর কোনদিন দেখা হয়নি। আর সে সময় মানে সেই ৯৫/৯৬ সালে হোয়াটসাপ,ফেসবুক ই বা কোথায়? সেসব ছাড়ুন মোবাইল ই বা কোথায়।

    কাছে আসতেই মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি খেলে গেল। একটাও কথা না বলে বাঁ হাত দিয়ে ওর হাত টা নিয়ে আমার ডান হাত ধরিয়ে দিলাম। পারবে ও চিনতে আমায়? এত বছর পরে মনে থাকবে ওর আমার স্পর্শ, আমার গন্ধ?

    হাত টা হাতে নিয়েই ইন্দ্র বলে উঠলো কে? আমি চুপ। উত্তর দেবোনা কিছুতেই। আবার ইন্দ্র...

    " গায়ে এত কাঁটা দিলে চিনি কি করে? হাত টা ঠিক তো করা হোক আগে।"

    সত্যি সত্যি খেয়াল করলাম আমার গায়ে কাঁটা দিয়েছে। এত বছর পরে ও আমাকে চিনতে পারবে কি পারবে না সেই দোলাচলেই গায়ে কাঁটা দিয়েছে আমার। বুক ভরে দম নিয়ে স্বাভাবিক হলাম। ইন্দ্র প্রথমেই বললো " কে সৌরভ?" আমি ওর হাতে হাত ঘষে জানিয়ে দিলাম, না, ভুল। হতাশ লাগছিল। আমাকে ভুলেই গেল ও? ঠিক তার পরের মুহুর্তে... " ওওওও... এটা তো মলয়।" পরিষ্কার বুঝতে পারলাম আমার গায়ে আবার কাঁটা দিয়েছে। বারো বছর বাদে শুধুমাত্র স্পর্শ দিয়ে চিনে নিয়েছে আমার বন্ধু আমাকে। হেসে জড়িয়ে ধরলাম ওকে। "কেমন আছিস ইন্দ্র। কত্ত বছর বাদে দেখা হল তোর সাথে। কি করছিস এখন? "

    " প্রফেসর আমি। নরেন্দ্রপুর ব্লাইন্ড বয়েজ একাডেমিতে পড়াই। আর তুই? "

    " করি একটা চাকরি " আর কথা বাড়াতে ইচ্ছা করছিল না। হতবাক হয়ে ভাবছিলাম আমাদের ইন্দ্রর অনুভব কি অমানুষিক শক্তিশালী। বারো বছর বাদে সেই স্কুলের দিনগুলোতে যেভাবে হাতে হাত দিয়ে সবাইকে চিনে নিত, আজ এত দিন পরেও সামান্য ভুলের পরেই চিনে নিল আমাকে। এ ঘটনাটা আদপে সামান্য একটা ঘটনা হলেও, আমার জীবনের এক সুগভীর দাগ রেখে যাওয়া ঘটনা। ইন্দ্র আজ আমার ফেবু ফ্রেন্ড। ওর ছেলে বড় হয়েছে।ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। আমাদের গেট্টু গুলোতে আসে। একসাথে হাহা হিহি করে। তোকে আজ লেখাটায় ট্যাগালাম Indranath। তোর মনে আছে কি না জানিনা এই ঘটনাটা। জানিনা এই লেখাটা কবে তোর ছেলে তোকে পড়ে শোনাবে। আমরা হলাম "সব থেকেও অনুভূতিহীন" মানুষদের দলে। তুই সেদিন স্টেশনে দাঁড়িয়ে জীবনের শিক্ষা দিয়ে গেছিলি আমায়..... অনুভব..... তার তীব্রতা.... তার সততা.... তার একনিষ্ঠতা ইন্দ্রিয়নির্ভর নয়। ঠিক এই কারণেই আমি আজ ও কলেজের অনেক বন্ধুকে এয়ারপোর্ট বা অন্য কোন শহরে দেখেও চিনতে পারিনা। সেও পারেনা হয়তো আমাকে চিনতে।

    এটা অনেকদিন আগেই লিখবো ভেবেছিলাম। কিছু না কিছু ভেবে আর লিখিনি। আজ মনে হল লিখে যাই। অনেক কথা সামনে বসে বলা হয়ে ওঠেনা কিন্তু বলার দরকার থেকে যায় পুরোটাই। ভেবে নে আজ লিখে ভারমুক্ত হলাম। তোর সামনে বসে একথা গুলো বলতে পারিনি কোনদিন, আজ বলে দিলাম।

    যেখানেই থাক ভালো থাক, সুখে থাক ইন্দ্র।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০৭:১৭394447
  • আমি পুঁজি বা মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক থেকেই বলেছি।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৮ ০৬:২২394446
  • হ্যাঁ, মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ধরলে - গুগল, অ্যাপল, আমাজন, মাইক্রোসফ্ট... ... এরা সব।

    কিন্তু ধরো, ফেসবুক-এর এখন মার্কেট ক্যাপ ৫৩৩ বিলিয়ন, বা অ্যাপেল ৯১৬। ওদিকে দেখো ওয়ালমার্ট ২৪৯ বিলিয়ন, বা, শেভরন ২৪৭ বিলিয়ন।
    তার মানে তো আর ওয়ালমার্ট বা শেভরন-কে পুঁচকে বলা যায় না। ইকনমি-তে ওয়ালমার্ট বা শেভরন-এর ইম্প্যাক্ট অন্যরকম। ওয়ালমার্টে ২৩ লাখ লোক পৃথিবী জুড়ে কাজ করে। ওয়ালমার্ট-কে ঘিরে এক বিস্তীর্ণ অক্সিলিয়ারি ইন্ডাস্ট্রি।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০২:৩৮394445
  • ওয়ালমার্ট অ্যাপেল, অ্যামাজন, আর গুগলের কাছে পুঁচকে।
  • aka | ১৬ মে ২০১৮ ০২:১১394444
  • ওয়ালমার্ট তো বিরাট পুঁজি। সবথেকে বড় পুঁজি বোধহয়।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০১:৪৭394443
  • আসলে ইন্ডিয়াতে থাকতে যে কোয়ালিটির জিনিস খেতাম আর গায়ে দিতাম, সেরকম কোয়ালিটির জিনিস ওয়ালমার্টে পাইনি। এটা হয়তো আমার পার্সোনাল এক্সপিরিয়েন্স।
  • S | ১৬ মে ২০১৮ ০১:৪৬394442
  • প্রোডাক্ট কোয়ালিটিতেই আসল ফারাক।
  • র২হ | ১৬ মে ২০১৮ ০১:৪৫394441
  • বড় পুঁজি ছোট পুঁজিকে চেপে দেয়, সে তো বটেই। তবে পণ্য হরেদরে উনিশবিশ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত