এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ২১ মে ২০১৮ ১৮:২৯394740
  • ম্যাক্সিমাইজেশন সাবজেক্ট টু হুইচ কনস্ট্রেইন্টস?
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:২৭394739
  • ব্যাপারটা এতো সোজা নয় বলেই তো এতো পড়াশুনা, এতো চর্চা, এতো আলোচনা, এতো লেখালেখি।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:২৬394738
  • "সত্যি ম্যানেজমেন্ট এর ম্যাক্সিমাইজেশন অফ শেয়ার হোল্ডার্স ওয়েল্থ এর ডেফিনিশন পড়ে মনে হচ্ছে, দুনিয়া ভর্তি ছোট ছোটো রিটেল ইনভেস্টর এর যাতে রোজগার বাড়ে, তার জন্য কঠোর তপস্যা করে যাচ্ছেন, ম্যানেজমেন্ট এর সব স্তরের লোকেরা।"

    এর মানে এই বুঝলেন?

    ঠিকাছে। তাই।
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৮:২৩394737
  • সত্যি ম্যানেজমেন্ট এর ম্যাক্সিমাইজেশন অফ শেয়ার হোল্ডার্স ওয়েল্থ এর ডেফিনিশন পড়ে মনে হচ্ছে, দুনিয়া ভর্তি ছোট ছোটো রিটেল ইনভেস্টর এর যাতে রোজগার বাড়ে, তার জন্য কঠোর তপস্যা করে যাচ্ছেন, ম্যানেজমেন্ট এর সব স্তরের লোকেরা। প্রায় ঘেরাটোপের কনভেন্ট এর মধ্যে সেলিবেসি চর্চার মত ঃ-))))
  • cm | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১৭394734
  • ম্যানেজমেন্ট জিনিসটা কি একটু বুঝিয়ে দিননা। ম্যানেজাররা কি আসলে একরকমের ইন্টিগ্রাল অপারেটর?
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১৭394735
  • ভাবার স্বাধীনতা সবার রয়েছে।
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১৭394736
  • নাঃ গুচর স্বর্ণযুগের জন্য মন খারাপ করার আর দরকার নেই, সব বিরুদ্ধ মতামতের কারণ ই ব্যক্তিগত ক্ষোভ, এই সিদ্ধান্তে উপনীত যখন এত তাড়াতাড়ি হওয়া যাচ্ছে, তখন স্বণযুগ সমাগত প্রায়।

    s এর মাথা ঠান্ডা হলে আবার তর্ক করা যাবে ঃ-))) সঙ্ক্ষেপে এটুকু জানিয়ে রাখি, আধুনিক ডাবল অ্যাকাউন্টিং মেথড এর ইতিহাস যদি দ্যাহেন, দেখবেন দু তিনটে রুট পাওয়া যাচ্ছে, একটা হল আধুনিক বেলজিয়াম আর নেদারল্যান্ড্স রিজিয়ন এর ব্যবসার প্র্যাক্টিসের মধ্যে, ইন ফ্যাক্ট আপনি ব্রুজ এ গেলে, সেখানকার মার্কান্টাইল হিস্টরি র ইতিহাস দেখতে পাবেন, পরিশ্রম টি না চাইলে ফার্নান্দ ব্রদেলের মাকনটাইল মেডিটিরিয়ান ট্রেড এর বই এর ট্রিলজি ও পড়ে নিতে পারেন। ্তীয়টই হল, একজন ক্রোয়েশিয়ান বেনেডিকটাইন মংক, আর তার কাছাকাছি সময়েই আসছেন একজন ইটালিয়ান যিনি ঘটনা চক্রে একজন ফ্রানসিস্কান মংক।

    এইবারে এই সামান্য ফ্যাক্ট টার মধ্যে থেকে আমি যা এতক্ষন বলেছি, তার কনসিস্টেন্সি থাকছে, এক চার্চ হল, নানা ধরণের জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার কেন্দ্র, জ্ঞানচর্চার সেকুলারাইজেশন এবং ডেমোক্রাটাইজেশনের আগে সেখানেই অনেক কিছুই হয়েছি, শুধুই থিয়োলোজি না (ডিডি দাকে বলছিলাম), শুধুই চার্চে হয়তো হয় নি, চার্চ কে যতটা ওভার এম্পাওয়ারিং ফোর্স হিসেবে ধরা হয়, সেটা তত মধ্যযুগেই নাও হতে পারে কিন্তু মধ্যযুগেই তার বাইরে রিজনেবলি ইনফ্লুয়েন্শিয়াল সিভিল লাইফ ছিল, সেটা কলোনিয়াল হিস্টরিয়ান রা স্বীকার না করুন, আমাদের করতে হয়, তৃতীয়ত ডাবল অ্যাকাউন্টিং এর মূল ব্যবহার ছিল জাহাজে যখন জিনিস আদা প্রদান হত, তখন তার ফাইনান্সিং এ, যাতে অ্যাসেট ক্যালকুলেশন করা যায়। এই স্ট্যান্ডাডাইশন কে প্রাইভেট ফাইনান্সিয়ার থেকে রাজা রাহড়ার বাইরে সেকুলার ফিনানশিয়াল ইনস্টিটিউশনের প্রথম পদক্ষেপ বলা চলে, অ্যাকাউন্টিং লাগে না বললে কার ইগনোরান্স প্রমাণ হয় সুধী ভেবে দেখবেন, তবে এগেইন এটা ব্যক্তির দোষ না, এটা সাবজেক্ট গুলোর প্রবলেম এরিয়ার ওভার স্পেশালাইজেশনের সমস্যা, যেখান টায় নন স্পেশালিস্ট রা কন্ট্রিবিউট করতে পারেন।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১৬394733
  • যাগ্গে। আপনি যদি বলেন এম্বিএ ছাগল কোর্স, তাহলে তাই। if that makes you sleep well at night, lets agree on that.

    পপুলার বই কেন পড়া উচিৎ না, আপনি তার সবথেকে বড় উদাহরণ স্থাপন করে গেলেন আজকে।

    শুধু একটাই রিকোয়েস্ট। এতো ভারি ভারি কথা লাগিয়ে লম্বা লম্বা সেন্টেন্স তৈরী করবেন না। ঐভাবে আজকাল আর কেউ প্রবন্ধ লেখে না। ইনফ্যাক্ট ওরকম লিখলে লোকে ভাবে আপনি নিজের ইগনোরেন্স আর আইডিয়ার দৈন্যতা ঢাকছেন ভারি কথার আড়ালে।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১১394732
  • "ম্যাক্সিমাইজেশন অব শেয়ারহোল্ডার্স ওয়েল্থ"
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:১০394731
  • "গোল কাকে বলা হবে, সেটা ক্রমাগত বদলে নেওয়া, রিসোর্স কখন ঠিক কেন, হঠাৎ ই সীমিত মনে করা হবে কিন, ইত্যাদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কে সেন্ট্রালাইজ করাকে কেন বিষয়ের ডেফিনিশনে না বলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, এটা তেমন পরিষ্কার না।"

    সিরিয়াসলি আরেকটু পড়াশুনা করুন। এইজন্যই পপুলার বুক পড়তে বারণ করি।

    গোল = "ম্যাক্সিমাইজেশন শেয়ারহোল্ডার্স ওয়েল্থ"

    রিসোর্স কখন ঠিক কেন, হঠাৎ ই সীমিত মনে করা হবে কিন"
    এই কথার কোনও মানে নেই।

    রিসোর্স লিমিটেড না হলে তো ডিসিশান নেওয়ার কোনও জায়্গায়ই নেই।

    "ইত্যাদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কে সেন্ট্রালাইজ করাকে কেন বিষয়ের ডেফিনিশনে না বলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে"
    না সেটা বিষয়ের ডেফিনিশন নয়। এ কর্পোরেশন ডাজ নট প্র্যাক্টিশ সোশালিজম। এখানে সিইও সব ডিশিসান নেয় বা ডেলিগেট করে। আর সিইওর পারফর্মেন্স মেজার আর মনিতার করে বোর্ড।

    এই উপরের সব কথা আমার প্রিন্সিপাল কেলাসে প্রথমদিন পড়াই। আপনি সেটুকুও জানেন না। তক্কে নেমে গেছেন।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৮:০৪394730
  • "যিনি 'জ্ঞানের গণতন্ত্রীকরণ বলে কিছু হয় না বলে মনে করেন"

    আপনি আপাতত এখানে যাকথা লিখছি সেগুলো পড়ে মানে বুঝুন। কোথাও লিখিনি যে 'জ্ঞানের গণতন্ত্রীকরণ বলে কিছু হয় না'। আপনি বানাচ্ছেন।
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৫৮394729
  • "রিসোর্সের মোস্ট অপটিমাল ইউজ করে গোল রীচ করা।" হ্যা এটুকু তো মানতেই হয়, ম্যানেজমেন্টের বিষয় হিসেবে এটাই ডেফিনিশন। এটুকু তো গিলতেই হয়েছে। সমস্যা হল, তাই দিয়ে ম্যানেজমেন্টের নিয়ন্ত্রন করার নেশা, গোল কাকে বলা হবে, সেটা ক্রমাগত বদলে নেওয়া, রিসোর্স কখন ঠিক কেন, হঠাৎ ই সীমিত মনে করা হবে কিন, ইত্যাদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কে সেন্ট্রালাইজ করাকে কেন বিষয়ের ডেফিনিশনে না বলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, এটা তেমন পরিষ্কার না।

    ডিসি, র অ্যাসাইড গুলো পড়েছি, মজা লেগেছে। লন্ডন বিজনেস স্কুলের ছাগল কোর্স করা লোকজন যদি ভারতীয় গড়পড়তা ম্যানেজমেন্ট স্কুলের ভালো মিনিংঅফুল কোর্স করা লোকের থেকে ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় বেশি উপরে পৌছায়, তাহলে তো গুরু, ইউ আর অন আওয়ার সাইড, জ্ঞানচর্চায় ক্ষমতার হায়ারার্কি রয়েছে মেনে নিচ্ছ ঃ-)
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৫৭394728
  • h সিরিয়াসলি বলছি, আপনি এতো কম জেনে তক্কে নেমেছেন? ছত্রে ছত্রে ইগনোরেন্স।

    "মাইক্রো ইকোনোমিক্স, যে বিষয়টা র মূল দাবীটা হল, ক্যাপিটাল মার্কেট্স এর আচরণ একটি বিজ্ঞান"

    একেবারেই না। একটা মডেলের কথা বলা হয়েছে। তার অনেক অ্যাজাম্পশানস আছে। চট করে উইকি দেখে লিখলেও এরকম লিখতেন না। ক্যাপিটাল মার্কেটস মানে জানেন? মাইক্রো ইকনমিতে সেটা পড়ানো হয়্না। বাকি প্যারাগ্রাফের কোনও মানে নেই, ভারি ভারি কথা ছাড়া।

    "রাজ রাজড়া দের হিসেব বলুন, বা সেই ফিফটীন্স সেঞ্চুরি থেকে টানা চলা ব্রুহার শেয়ার মার্কেটের বেচা কেনা বলুন, বা বহুদিন আগে থেকে চলা ফিউচার্স ইনভেস্টমেন্ট বলুন"

    এগুলোর প্রায় কোনোটাতে অ্যাকাউন্টেন্সি লাগেনা।

    "কিন্তু ক্ষমতার প্রয়োজনে এই বিষয়টা কে হরপ করা হয়েছে।"

    লোকে দশ হাজার বছর আগেও লোকে ঘর বাঁধতো, দলনেতা ঠিক করতো, রিসোর্সের হিসাব করতো। তাতে করে ইন্জিনিয়ারিঙ্গ, পলিটিকাল সায়েন্স হরপ করে নিয়েছে? কি যাতা বলছেন?

    "একটা বড় অ্যাকাউন্টান্ট না একটা বড় স্কুলের এম বি এ গ্র্যাড, যার কিনা অ্যাকাউন্টান্সি ফর ম্যানেজার্স গোছের মেড ইজি নোট বুক পড়া রয়েছ, আজকের কর্পোরেশন গুলো তে ডিসিশন মেকিং বডির শেষ পর্যায়ে কার পৌছনোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।"

    প্রথমতঃ অ্যাকাউন্টান্সি ফর ম্যানেজার্স গোছের মেড ইজি নোট বুক বলে কিছু হয়ানা। অন্য বিষয় নিয়ে ইগনোরেন্স আর তাচ্ছিল্য অথচ সবজান্তা ভাব। সাধারণতঃ দুটো কোর্স থাকে - ম্যানেজেরিয়াল আর ফাইনান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিঙ্গ। এছড়া থাকে কস্ট অ্যাকাউন্টেন্সি। এর পরে আরো অনেক কোর্স কেউ নিতেই পারে। কে এম্বিএ হবে সেটা ডিপেন্ড করে কেরকম কোম্পানি তার উপরে। জিইতে একসময় ইন্জিনিয়ার আর সায়েন্টিশ্টদের প্রবল জোড় ছিলো। ব্যান্ক চালাতে গেলে ইকনমিস্ট বা ফাইনান্সের লোক দরকার। ট্যাক্স কন্সাল্টেন্সি চালাতে গেলে অ্যাকাউন্টেন্ট দরকার হবেই। কোকাকোলা কোম্পানিতে সাধারনতঃ মার্কেটিঙ্গের লোকেদের প্রাধাণ্য দেওয়া হয়। ডিপেন্ড করে।

    এম্বিএদের তৈরীই করা হয় কোম্পানির সিইও হওয়ার জন্য। আর কেউ এম্বিএ করেই সিইও হয়্না। আর খুব কমই হয়। এম্বিএদের প্রতি আপনার পার্সোনাল গ্রাজ থাকতেই পারে, কিন্তু সেটার থেকেও বেশি নিজের ইগনোরেন্সের বহিঃপ্রকাশ হয়ে যাচ্ছে।
  • cm | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৫৬394727
  • "একজন ভারতীয় যখন এইধরনের পুরষ্কার পান, তাঁকে তিনি এক্জন অ্যাভারেজ নোবেল লরেটের থেকে কতটা বেটার হতে হয়, সেটা ভেবেছেন?" ক দেওয়া হইল।
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৪১394726
  • ঃ-))))))))))))))))))))) সিটকমটির কথা সাবজেক্টের হায়ারার্কি র উদা হিসেবে বলা হয়েছে। যিনি 'জ্ঞানের গণতন্ত্রীকরণ বলে কিছু হয় না বলে মনে করেন, বা সেটার ফল শুধু বিজ্ঞানে এসেছে বলে মনে করেন, তাঁকে কি আর বলি, বলি যে অপেশাদার হিসেবেই, একটু হিস্টরি অফ আইডিয়াজ পড়তে শুরু করুন। নইলে তো কেসটা জ্ঞানচর্চা র থেকে অনুব্রতচর্চা হয়ে যাচ্ছে ঃ-))))))))))))))))))))))))))))))))
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৩৯394725
  • "তবে ওসব বড় পুরষ্কার অনেক সময়ই কিন্তু বিতর্কের ঊর্দ্ধে নয়।"

    যারা ইউটিউবে কমেন্ট সেকশনে বলে তারা উনার একটাও পেপার পড়ে দেখেছে? একজন ভারতীয় যখন এইধরনের পুরষ্কার পান, তাঁকে তিনি এক্জন অ্যাভারেজ নোবেল লরেটের থেকে কতটা বেটার হতে হয়, সেটা ভেবেছেন?
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৩৭394724
  • যাক এট্কু স্বীকার করেছেন, দুটি বিষয়ের অন্তত যে উদ্ভবে অবদান তেমন নেই, কিন্তু আপাতত দাবী হল, প্রয়োগের ব্যাপকতার জন্য বিজনেস কে ধন্যবাদ জানানো উচিত। হাস্যকর দাবী।

    মাইক্রো ইকোনোমিক্স, যে বিষয়টা র মূল দাবীটা হল, ক্যাপিটাল মার্কেট্স এর আচরণ একটি বিজ্ঞান, এবং এই দাবীতে তাকে সাহায্য করে অংকের প্রয়োগ, এবং তার পরে প্রতিবার ক্র্যাশ হলে তাকে বলতে হয়, কিন্তু ইহা বিজ্ঞান। এটা প্রায় সিপিএম এর ওয়ালিং এর মত, মার্ক্সবাদ সত্য কারণ ইহা বিজ্ঞান। মেটেরিয়াল সায়েন্সের প্রিসিশন মার্কেট বিহেভিয়রে সম্ভব না, তার পলিসি পজিশন অনুযায়ী নড়া চড়া, মহাসাগরের মত অতল ইনসাইডার ইনফরমেশন এই ডিস্ক্লেমার গুলো সে শুধু ইনভেস্টর এগ্রিমেন্ট এর ফাইন প্রিন্টে সীমাবদ্ধ না রেখে, বিষয় এর দাবীতে ফাইন প্রিন্টে রাখতে পারতো কিন্তু রাখে না। বড় ট্রেডার, বড় ইকোনোমিস্ট, বড় পলিসি মেকার সকলেই জানেন, এটা একটা বিচিত্র ঢপ, যেটা শুধু এম বি এ স্কুলে পড়ানো যায়, নিজেরা উইংক উইংক করে এই মিথোলজি চালিয়ে জান, মার্কেট বিহেভিয়র একটই প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, সেই টাই দেশের ইকোনোমির সবচেয়ে বড় ইন্ডিকেটর।

    হ্যাঁ অবশ্যই, মেনে নিতেই হবে, অ্যাকাউন্টিং জিনিসটাই বিজনেসের হিসেবের জন্য তৈরী, মানে যদি রাজ রাজড়া দের হিসেব বলুন, বা সেই ফিফটীন্স সেঞ্চুরি থেকে টানা চলা ব্রুহার শেয়ার মার্কেটের বেচা কেনা বলুন, বা বহুদিন আগে থেকে চলা ফিউচার্স ইনভেস্টমেন্ট বলুন, কিন্তু ক্ষমতার প্রয়োজনে এই বিষয়টা কে হরপ করা হয়েছে। একটা বড় অ্যাকাউন্টান্ট না একটা বড় স্কুলের এম বি এ গ্র্যাড, যার কিনা অ্যাকাউন্টান্সি ফর ম্যানেজার্স গোছের মেড ইজি নোট বুক পড়া রয়েছ, আজকের কর্পোরেশন গুলো তে ডিসিশন মেকিং বডির শেষ পর্যায়ে কার পৌছনোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। হ্যা নতুন টেক কোং এর উদা দিয়ে বলবেন, এখন আর এটা সম্ভব না, ভীষণ টেকি না হলে গুগল, ফেসবুক বিজনেস ও চালানো সম্ভব না, কিন্তু ক্ষমতার অলিন্দে শুধুই টেকনোলোজি কথা বলে কিনা, বড় প্রযুক্তিবিদেরা বলতে পারবেন।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৩৪394723
  • "চার্চ এর হাত থেকে বেরিয়ে, জ্ঞানচর্চায় গণতন্ত্র এসেছিল ইউরোপে"

    এখানে জ্ঞানচর্চার গণতন্ত্রীকরণএর কিসু নেই। এর ফলে চার্চের নজরদারী কমেছে বিশেষ করে সায়িন্টিফিক স্টাডিজের উপরে। আশা করি এটার মানে বোঝেন, তাই আর বড় করে লিখছি না।

    "ওভারল, পাব্লিক সেকটর সেন্টার অফ লার্নিং ই ভবিষ্যতের চিন্তাবিদ গড়ে তোলার পক্ষে ভালো, কর্পোরেট লার্নিং আর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি না গুলিয়ে ফেলেও এটা মোটামুটি বলা যায়।"

    পৃথিবীর সবথেকে নামকরা ইস্কুলগুলো প্রায় সবই বেসরকারি। যেগুলো সরকারি সেখানেও প্রচুর অটোনমি আর সেল্ফ সাফিসিয়েন্সি (ফান্ডিঙ্গের দিক দিয়ে)। ঐ একই কারনে। এখানে সরকারি নজরদারি কমানোর জন্য, বিশেষ করে সোশাল স্টাডিজে।

    বিগ্য ব্যাং থিয়োরি নিয়ে আপনি হঠাত কেন বলতে শুরু করলেন সেটা এখনো বুঝিনি। তবে শেলডন কুপারের ফান উইথ ফ্ল্যাগস, কমিক্স কালেক্শন, ট্রেইন রাইড এগুলো নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহ রয়েছে বহুদিন ধরেই। থ্রি ফেন্ডস অ্যান্ড অ্যান অ্যাকোয়েন্টেন্স ওর তো বিখ্যাত উক্তি।
  • cm | ২১ মে ২০১৮ ১৭:৩০394722
  • s≠S
  • cm | ২১ মে ২০১৮ ১৭:২৭394721
  • "কিন্তু অমর্ত্য সেনের সময়েও অনেককে এইধরনের কথা বলতে শুনেছিলাম। লোকে সকালের টাইমস অব ইন্ডিয়া পড়ে এসে বলে দিয়েছিলো যে উনি ভুল বলছেন। এখনো অনেকেই কমেন্ট করে যে উনাকে নোবেল দেওয়া ঠিক হয়নি। " নোবেলের পরেই দেশে শুভাশিস গাঙ্গুলিই বোধহয় লিখেছিলেন সেটার লিঙ্ক হবে?

    তবে ওসব বড় পুরষ্কার অনেক সময়ই কিন্তু বিতর্কের ঊর্দ্ধে নয়।
  • h | ২১ মে ২০১৮ ১৭:১৫394720
  • আমি জানি ই না s কি পড়েছেন, কোন পেশায় আছেন, আগ্রহ ও নেই। কারণ ব্যক্তিগত ডিটেলে আগ্রহ নেই, ভাটে ক্যাজুয়ালি লিখিত বক্তব্যের থেকে মানুষটা আলাদা বা অন্তত অনেক বেশি সম্পূর্ণ হবে সেতো খুব স্বাভাবিক। তবে এখানে আমি বা আপনি একা নই, আমি জানি না কিন্তু আজকে যেকোন পপুলেশনে বিশেষতঃ ডেস্ক স্কাইভার দের ঠেকে, এম বি এ বা মেম বি এ কোনটাই কম পড়া অল্প অস্বাভাবিক ঃ-))))))))))))))) স্বণযুগের গুরুচন্ডালির আরেকটি ঐতিহ্য হল, মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়ে আগ্রহ, এই ঐতিহ্যটি আমি অন্ততত বহন না করার চেষ্টা করি মাইরি। এবং এটা ব্যক্তিগত মাহাত্ম কিসু না, গুরুচন্ডালির স্পিরিট টা মোটামুটি এই ছিল, যে নন এক্সপার্ট রা নিজেদের উদ্যোগে লেখা পড়া করে নিজের বিষয়ের বাইরেও কথা বলবে, মোটামুটি নিকের আড়ালে নির্ভয়ে। এটা খানিকটা নাইন্টিন্থ সেন্চুরি র এনলাইটেনমেন্টের অটো ডাইডাকটিক ট্র্যাডিশন। ধরেই নিতে পারেন, আমি যে এত ভাটাই, সাহিত্য/ইতিহাস/ম্যাক্রো ইকোনোমি মূল আগ্রহ, কোনটাই আমার পাশ করা বিষয় না, কোন সেই বিষয়ের কনফারেন্সে জায়গা পাবো না বা পেলেও হয় নেপোটিজম এর কারণে পাবো, বা পেলেও হ্যাটা খাবো। কিন্তু যেটা অনস্বীকার্য্য, বিষয়ের ট্রেনিং একটা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সেটাই বলছিলাম, বুক অফ ইন্ডিয়ান বার্ড্স পড়ে কেউ অর্নিথোলজিস্ট বা জুওলজিস্ট হয় না, কনজারভেশন এন্তুসিআস্ট হতে পারে মাত্র। কিন্তু ঘটনা হল, বিষয়ের মধ্যেকার হায়ারর্কি র কারণে, বা ব্যক্তিগত ইগোর কারণে বা অবসারভেশনাল যুক্তি প্রাবল্যের কারণে লোকে মনে করেন, এই ধরুন নারীবাদ, এটা সম্পর্কে কিন্তু পুরুষ ও তো অত্যাচারিত, বা এই ধরুন সাহিত্য, রবীন্দ্র নজরুল ই আশল কবি, শংখ আবার কে, বা কাস্তে হাতুড়ি সে আবার মিডল ইস্টে কোত্থেকে এলো, ওখানে তো শুধু তেল আর সাদ্দাম, বা ও মুসলমানের ইতিহাস, ও বাবা ওরাঅ তো স্ক্রিপচারের কারণেই বড্ড কনজারভেটিভ, বা নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরি ঐ তো বিদ্যাসাগর, রামমোহন, রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ আর আমাদের রবীন্দ্রনাথ সব ই জানা, এরকম ভাবে কথা বলে, একেকটা বিষয় শুধু না, এক টা বিশয়ে সিরিয়াস নন প্রফেসনাল দের সাসটেন্ড ইনকোয়ারি কেও তাচ্ছিল্য করে, তাই একটু পালটা মাঝে মাঝে দিতে হয়। নইলে আর পার্সোনাল ইসু কি। তবে ঐ একটা ব্যাপারে একমত, কর্পোরেটে কোর্স করাটাকে খুব গুরুত্ত্ব দেওয়া মুশকিল, যেখানে ট্রেনিং এর উদ্দেশ্যই হল, কাজ চালানোর মত কেরানী নির্মান।

    এবার আপনার নানা রাগী রাগী পোস্টে, 'পপুলার' শব্দটা সম্পর্কে যে অশ্রদ্ধা টা দেখলাম, তাতে আপনি কতটা সিরিয়াস সেটা আপনি ই বলতে পারবেন। এটুকু বলা যেতে পারে, জ্ঞানচর্চার গণতন্ত্রীকরণ টা একটা বড় সমস্যা সেটা আমার আপনার ব্যক্তিগত পক্ষাবলম্বনের উপরে নির্ভর করে না। খুব সংক্ষেপে, চার্চ এর হাত থেকে বেরিয়ে, জ্ঞানচর্চায় গণতন্ত্র এসেছিল ইউরোপে, এটা প্রায় ব্রাহ্মন দের হাত থেকে জ্ঞান চর্চার কিছুটা একাধিপত্য বেরোনোর মত গুরুত্ত্বপূর্ণ, কয়েকশো বছরের পার্থক্য সত্ত্বেও, ওয়েলফেয়ার স্টেটের গঠনের প্রচুর ফল্ট সত্ত্বেও দেখা গেছে, ওভারল, পাব্লিক সেকটর সেন্টার অফ লার্নিং ই ভবিষ্যতের চিন্তাবিদ গড়ে তোলার পক্ষে ভালো, কর্পোরেট লার্নিং আর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি না গুলিয়ে ফেলেও এটা মোটামুটি বলা যায়। একটা বিষয় সম্পর্কে একজন ব্যক্তি মানুষের সাসটেন্ড কিউরিওসিটি এবং ইনকোয়ারি র নানা গভীরতা কে, পুরোটাই শুধু মাত্র পপুলার বলে ওড়ানো যায় কিনা, সেই তর্কে গেলাম না, জ্ঞানচর্চার সংকোচন একটা রাজনৈতিক অবস্থান মাত্র, খুব শ্রদ্ধাযোগ্য কিসু না।

    বিগ্য ব্যাং থিয়োরি র মজাটাই হল, শেলডনের ছেলে মানুষী, থিয়োরেটিকাল ফিজিক্স একটা বড় প্রশ্নে এনগেজ করা ছাড়া আর কিছুকেই গুরুত্ত্ব পূর্ণ মনে করে না, এখন বিয়ে টিয়ে করে মানুষ হবার কথা বলা হচ্ছে ঃ-)))))
  • dc | ২১ মে ২০১৮ ১৬:০০394719
  • হুঁ প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্টও। সিমপ্লেক্স আর কমপ্লেক্স ব্যাপার যতো। যাগ্গে।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৫৮394718
  • প্রথমতঃ বিগ ব্যাঙ্গ থিয়োরির কথা কেন আসলো বুঝলাম না।

    সেটাও ঠিকমতন দেখেননি? অ্যাকচুয়ালি শেলডন ভ্যালুজ এ লট অব থিঙ্গস ইন্ক্লুডিঙ্গ ফ্রেন্ডশীপ অ্যান্ড রিলেশনশীপ।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৫৬394717
  • হ্যাঁ কোলকাতায় পড়ানো হয়। সে অনেক লেগাসি ইস্যু আছে। ওপারেশন ম্যানেজমেন্ট আর প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট দুটই। এছাড়া গুচ্ছের স্ট্যাটিসটিক্স। কিন্তু অপারেশান রিসার্চ তো যুদ্ধ ছাড়া একমাত্র বিজনেসেই সবথেকে বেশি ব্যবহার হয়।

    সমস্যা হলো লোকে কোর সাব্জেক্টের মধ্যে অ্যাকাউন্টেন্সি আর মাইক্রৈকনমিক্স দেখে ভাবে এতো অন্য সাবজেক্ট। কিন্তু যেকোনও ইউনিভার্সিটির বিজনেস কলেজেই ইকনমিক্স আর অ্যাকাউন্টেন্সি থাকে। অনেক সময়ে স্ট্যাটিসটিক্সও। অ্যাকাউন্টেন্সি একটা বিজনেস সাবজেক্ট। লোকে যেমন ফাইনান্সে বিজনেস ডিগ্রী করে, তেমনি অ্যাকাউন্টেন্সিতেও করে। বিজনেস ছাড়া অ্যাকাউন্টেন্সির প্রয়োগ খুব খুব কম। মাইক্রো ইকনমিক্সও তাই। লোকে এইসব সাবজেক্ট সম্বন্ধে জানেওনা, কোনওদিন পড়ে দেখেনি, কিন্তু বক্তব্য রাখতেই হবে। তখন সব এইধরনের উল্টোপাল্টা বক্তব্য রাখে।
  • dc | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৪৭394716
  • ওই আর কি, ওআর। ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট ইন্স্টিটিউটগুলোয় নাকি এসব পড়ানো হয়।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৪২394715
  • হলিউড দেখেও আমার এরকমই মনে হয়। যখনই আমার সাবজেক্টের কিছু দেখাতে যায় প্রচুর নাইভিটি আর ভুল পাই। তার মানে অন্য বিষয়গুলো নিয়েও যখন সিনেমা হয় তখন একই ভুলে ভরাই হবে।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৩৯394714
  • "যাঁরা এই এম বি এ পড়ে সংসার চালাচ্ছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত ভাবে এটা দায়িত্ত্ব না, সংসার চালাতে যা করতে হয় তাঁরা করছেন"

    এই ধরনের বক্তব্যের কথাই বলছিলাম। উনি ধরেই নিলেন যে আমি এম্বিএ পড়েছি। তার বাইরে উনি ভাবতেও পারলেন না।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৩৭394713
  • "অপারেশানাল রিসার্চ" না অপারেশান রিসার্চ। নট নেসেসারিলি।
  • S | ২১ মে ২০১৮ ১৫:৩৪394712
  • h আপনার প্রত্যেকটা বক্তব্যই যে ভুল সেটা বলাই বাহুল্য।

    ইন্জিনিয়ারিঙ্গ পড়ানোর আগে অন্ক, ফিজিক্স, আর কেমিস্ট্রি পড়ানো হয় মানে এই নয় যে ইন্জিনিয়ারিঙ্গ বলে কোনও সাবজেক্ট হয়না। ইন্জিনিয়ারিঙ্গও তো ফিজিকাল সায়েন্স। অন্ক আছে মানে স্ট্যাটিস্টিক্স আলাদা সাবজেক্ট হয়না? বায়োলজি আর কেমিস্ট্রির বাইরে কিছু ফিজিক্স মুলতঃ ডাক্তারিতে আর কিছু পড়ানো হয়?

    "প্রতিটাই নিজেরা ইন্ডিপেন্ডেন্ট সাবজেক্ট"
    এক্কেবারে ভুল। একটু দেখিয়ে দিন।

    আর ম্যানেজমেন্টের আসল শিক্ষা অন্য। রিসোর্সের মোস্ট অপটিমাল ইউজ করে গোল রীচ করা। আপনি বোধয় এবিষয়ে একেবারেই কিছু জানেন না বা ম্যানেজারদের উপরে ক্ষেপে আছেন কোনও কারণে।

    আপনার বক্তব্যটা আমার লেখাটার একজিবিট এ।
  • dc | ২১ মে ২০১৮ ১৫:২৪394711
  • ম্যানেজমেন্টে তো নাকি অপারেশানাল রিসার্চও পড়ানো হয় বলে শুনেছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত