এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | ১৮ জুলাই ২০১৮ ১০:৩৩396960
  • নীল খাম আমারও পছন্দ হচ্ছে না, চোখে লাগছে
  • T | ১৮ জুলাই ২০১৮ ১০:২২396959
  • :))
  • h | ১৮ জুলাই ২০১৮ ১০:১৫396958
  • আরেকটা জিনিন্স বেশ বাজে লাগছে, সেটা হল, গুরুচন্ডালি তে পার্টিসিপেটরি ডিসকাশন টাই মেন ফান্ডা ছিল, এখন দেখি যাদের লেখা বেরোয় তারা এম্নিতে ডিসকাশনে পার্টিসিপেট ই করে না। এইরকম লেখক দের এনে গুরুচন্ডালির কি লাভ, দিনে একশো টা লেখা প্রকাশ হলেও কিস্যু না, আমার এটা হেবি বোর লাগে। হ্যা উল্টো বাড়াবাড়ি টাও ভালো না, আমি যেটা করি, আমার পার্টিসিপেশনের জন্যই অন্য পার্টিসিপেশন কমে যাচ্ছে কিনা জানি না, গত পনেরো বছরের গুরু র টই আর ভাট এক জায়গায় করলে দেখা যাবে, আমার লেখা র টোটাল বাইটের ৯০%, এখন এটা এমব্যারাসিং। এটা আসলে সেই সংস্কৃতির ফল, যখন লোকে কফি হাউজ গিয়ে মনে করত, বাংলা কে ধরে রেখেছি। সাইজ সম্পর্কে কম ধারণা টা একটা ফান্ডামেন্টাল সমস্যা। এটা নিয়ে কি যে করা যায়।
  • b | ১৮ জুলাই ২০১৮ ১০:১০396957
  • আমি আবার এই নীল খাম ইত্যাদিতে তে কিরকম অ্যাকটা ফ্রয়েডিয়ান ইয়ে পাচ্ছি।
  • h | ১৮ জুলাই ২০১৮ ১০:০২396956
  • লিটল ম্যাগাজিন এবং কমিউনিস্ট পার্টির ইনসুলার সাংস্কৃতিক জগত থেকে এসে আমার এই নতুন মিডিয়ার যুগে কয়েকটা জিনিস বিচিত্র লেগেছিল। গুরুচন্ডালি র প্রতিষ্ঠাতা / সম্পাদক হিসেবে তখন সৈকত গুরুচন্ডালি তে একটু সময় টময় দিত। তো আমি মনে মনে ভাবছি, বা ভালো কল হয়েছে, এবার বুঝবে আনন্দবাজার কত ধাণে কত চাল, সারাদিন লোকের রুচি নির্মাণ অ্যান? এর অল্প পরেই দেখা গেল, আবাপ র রবিবাসরীয় না কোথায় একটা যেন সৈকতের লেখা। তখন ভাবলাম, গুরুচন্ডালি র বাল কোন ভবিষ্যৎ নেই, সম্পাদক ই সালা বড় পত্রিকায় লেখে। ক্খুব স্বাভাবিক ভাবেই, এখন সে ধারণা বদলে গেছে। সবাই সব জায়গা তে যে যেখানে পারবে, লেখা গুঁজে দেবে এটাই রীতি। এত পত্রিকা নানা ধরণের নানা মিডিয়াতে, মানুষের লেখা, বিশেষতঃ একটু বাক্য টাক্য ঠিক ঠাক আছে, এরকম লেখা র ছাপার অসুবিধে থাকার কথা না। তবে বড় পত্রিকা, ছোটো পত্রিকা, অনলাইন, অফলাইন ইত্যাদি তে নানা জায়গায় অল্প হলেও লেখা বেরোনোর পরে আমার একটা ধারণা নিশ্চিত, যে এউ কিসু পড়ে না, লেখার ও তেমন নতুনত্ত্ব কিসু নেই। অতএব লোকের স্পেস আছে, তারা কিছু ছাপতই তার বদলে এটা ছাপল।
    তবে কে কোথায় কি লিখবে এটা ঠ্যাকানোর প্র্যাকটিকালি কোন উপায় নেই। লেখকের জাজমেন্টের ব্যাপার। এবং অ্যাসপিরেশন কে খুব খারাপ জিনিস হিসেবে দেখা কোন কারণ নেই। একেবারে সোজাসুজি ই বলি, গুরুচন্ডালি পত্রিকা তাদের ফোরামে এডিটেড প্রকাশিত লেখার উপরে একটা সোর্সিঙ্গ এর দাবী ছাড়া কিসু জানানোর জায় গায় নেই, যদি না ইউসেজ লিগাল ডিসক্লেমার এ কিসু বড় সড় বদল না এসে থাকে। এটার সুবিধে অসুবিধে হল, গুরু র দায়িত্ত্বে যে যখন থাকবে, সে পছন্দ অপছন্দ অনুযায়ী কখনো কোন লেখক কে আপত্তি জাঅনাতেও পরে কখনো না জানাতেও পরে, সেত ডিসক্রিমিনেশনের অভিযোগ/পারসেপশন বড়াবে।

    আমার একটা হিসেব আছে, সেটা একান্তই ব্যক্তি গত, এরকম প্রত্যেকের নিজের হিসেব থাকে, আমি যেহেতু মনে করি আমর লেখালিখির মূল উদ্দেশ্য বীরভূমে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠাঃ-))))))রজনৈতিক লেখা লিখি সেগুলো আমি যত বড় ফোরামে পারি লিখবো, (ফোরাম পাত্তা দিলে), অন্য শখের যা লেখা লিখি, এই সাহিত্য/ফিকশন/ইয়ার্কি/আজে বাজে, সেটা বড় মোনোপলি মিডিয়া ছাড়া সর্বত্র লিখবো। এই ভাগটার এমনি কোন মানে হয় না, ভাগের অপরচুনিটি সব সময়ে আসে না। নিজের হাতে থাকেও না। আর অফলাইন অনলাইন এর বেলায় কার কাছে পৌছতে চাই সেটা নিয়ে ভাবি। মানে বীরভূমের বয়স্ক পাঠ্কদের জন্য যেমন গুরুচন্ডালি বা সি এন এন কোনটাতে লিখেই লাভ নেই। বোলপুর বা সিউড়ির কোন পত্রিকায়, যেটা প্রতি বছরে অন্তত একটা বেরোবেই, সেখানে লেখাই ভালো। আর বিরভূমের লেখকদের সম্পর্কে বড়লোক অল্পবয়সী দের মধ্যে প্রচার করতে গেলে, অনলাইনে লেখাই ভালো এই ভাগটা মোটামুতি করেছি। কিন্তু নাও, লাইক, সাম আদার ইম্পর্টান্ট থিংস ইন লাইফ দ্য ম্যাটার অফ দ্য সাইজ ইজ সামথিঙ্গ আই ডোন্ট গেট। কটটা বড় বা ছোটো হলে কে খাবে বুঝি না। যা প্রাণে চায় লিখি এই

    আর ছাপানোর তাড়া ইত্যাদি নিয়ে কতগুলো বক্তব্য ছিল, আমার মনে হয়েছে, গুরুচন্ডালির প্রকাশনার সবচেয়ে বড় সমস্যা তাড়া। তাড়া থেকেই ভুল ভাল। কয়েকটা বই য়ের ক্ষেত্রে এটা বলেছি, চোখে যা পড়েছে, কিন্তু আই অ্যাম আনেবল টু আন্ডারস্ট্যান্ড তাড়া টা কার। মিঠুনএর বই টা ২০১৭ তে না বেরিয়ে ২০১৮ বা উনিশে নির্ভুল ভাবে বেরোলে কোন মহাভারত অশুদ্ধ হত না, কাশ্মীরের স্টেটাস কুয়ো কিসু বদলাত ও না। আই হ্যাভ নেভার রিয়েলি আনডারস্টুড দিস। নিজের ব্যাপারে বলতে পারি, আমার লাইফে কোন তাড়া নেই, আমার এমনিতে প্রচন্ড অ্যাসপিরেশন, কাল ই চান্দে বাড়ি, নোবেল পুরষ্কার, ওয়ার্ল্ড কাল সব হলে মনটা শান্ত হয়, কিন্তু তার জন্য আমি দিনের ২৩ ঘন্টা সময় নষ্ট করার আনন্দ ছাড়তে পারবো না, এবং এই তো জীবন গোছের মিনিঁগলেস ইডিওটিক আয়েষ ছাড়তে পারবো না।

    আর ফাইনালি, গুরুচন্ডালি তে বিখ্যাত লোক দের লেখা ছাপতে দেখলেই আমার প্রচন্ড মেজাজ গরম হয়। মানে আমার পাড়ার মহিলা সমিতির পত্রিকায় টেরি ইগলটন লেখা ছাপানোর জন্য ঝোলাঝুলি করলে আমি খুশি হতাম ঠিক ই, কিন্তু কাকিমা দের বলতাম না ছাপাতে। এটা কিসুই না, কাঁটা বনের শেয়াল রাজা হবার আনন্দ। আমি মনে করি এই এলাকার অহংকার মুদন সংস্কৃতি তে থাকা ভালো।

    গুরুচন্ডালি কি কোন স্টেটমেন্ট দিতে পারবে, যে ব্লগ, ভাট টই ইত্যাদি থেকে খুজে খুজে আমি যদি একটা অগ্রন্থিত হনু সমগ্র টা বই আমার মরার পরে বের করি, তাহলে গুরুচন্ডালি কে কি বলতে হবে। মানে এটা উদা হয়ে গেল, ক্লিয়ার পলিসি আশা করি না, কিন্তু মোটামুটি ইউসেজ পলিল্সি তে থাকা উচিত এসব। অ্যাসপিরেশনাল লেখক দের এগুলো দাবী হবেই। চান্দে বাড়ির আগে বা পরে।
    হ্যাঁ এবার এই দার্শনিক অবশ্তান সম্পূর্ণ বদলে যাবে, লেখা এবং প্রকাশনা আমার প্রাথমিক প্রফেশন হয়ে গেলে, তখন আমি কনফ্লিকট অফ ইন্টারেস্ট এর টার্ম্স অনুযায়ী এগোবো। কেউ ই কারো উপকা করছে না এটা মাথায় রেখে মোটামুটি অ্যাডজাস্ট করে কাজ করতে চাইলে করাঅ যায়।

    এবার ফাইনালি পিনাকির পোস্টের প্রসঙ্গঃ এটার সংগে ওভারল ইন্দ্রানি দিদির লেখা আনরিলেটেড, এটা অবিশ্বাস কোন কারণ পাই না, আর রিলেটেড হলেও সেটা গুরু আর ইন্দ্রানি দির ব্যাপার। কিন্তু ট্যাপষ ড্যাশ কে যেটা বলতে হবে তার সম্পাদনার কোন কোন দিক গুলো আমর পছন্দ হয় নি ;-)))) এই যেমন আমি ইন্ডিআন এক্সপ্রেস এর সম্পাদক না এটা আমার প্ছন্দ না। আমাকে দুর্দান্ত মাইনে দিয়ে প্রধান সম্পাদক করে করে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল, কত করে বললাম, শুন্লো না, দ্বিতীয়ত মে মাসে মার্ক্স উপলক্ষে দুটো লেখা, তার তার মধ্যে একটি একেবারে ওঁচা ছাপানোটা আমাকে প্রধান সম্পাদক না করার থেকেও ঢের বেশি অপরাধ। এবং সম্পাদকীয় জাজমেন্ট প্রশ্নের ঊর্ধে না, একটা লেখার বক্তব্য মার্ক্সের ফান্ডামেন্টাল কন্ট্রিবিউশন অর্থনীতিতে জিরো। আরেকটা লেখার বক্তব্য সিপিএম আর অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিশুদ্ধ মার্ক্স সিজম এর কোনো সম্পর্ক নেই। তো এর মানে দান্ড়ায় নতুন ইভিভ্যালুএয়্শন কিসু না নামিয়ে যারা ৭০স ৮০স ৯০স সেকটারিয়ান ভাবনা বা মেন স্ট্রীম ইকোনোমিক্স পুষ্ট ভাবনার চর্বিত চর্বন ২০০৮ এর ক্রাইসিস এর পরেও করছে, টাপস টাদের ডিয়ে আপড প্রসব ক্ড়াচ্চে। এ মানে ভালো করোনা না পেলে ক্ষমা করা যাবে না।

    ফাইনালি আমার প্রকাশনায় কিন্তু শুধু আমার লেখা বেরোবে, তখন ঘ্যান ঘ্যান করবেন না, ডিস্ত্রিবিউশন এর জগতে হই হই পড়ে যাবে, কারণ একটি করে কপি বেরোবে, প্রচন্ড ডিমান্ড, অথচ কোথাও পাওয়া যাবে না। প্রকাশনার জগতে বিপ্লবী বোরোলিন হয়ে ওঠাই আমার মূল উদ্দেশ্য হবে এই কথা বলে আমি হাসপাতালে তথা আপিসে গেলাম। ;-)
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪৩396955
  • আচ্ছা, নড়াচড়া তো বন্ধ হয়েছে দেখছি। তাইলে আরেট্টা বক্তব্য রাখি? প্লেসমেন্টটা কেমন যেন। ডানদিকে টেক্সট আছে তো, তার ওপর বসছে। অবস্ট্রাক্টিং কনটেন্ট।
  • π | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৮396954
  • ল্যাজ থাকলে বেঁকে না কেন, আমার প্রশ্ন সেইটি।
  • | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৬396953
  • তাইলে এবার আপনের কবিতা আর প্রবন্ধের উপরে ভ্যালু অ্যাসেস করে ট্যক্সো দিতে হবে। আহা লরেনবাবুর বিদেশ ভ্রমণের জন্য এটুকু তো আপনি ভলবেসেই করবেন। :-))

    সইত্যের খাতিরে নীলখামে আমার অসুবিধে বা সুবিদেহ কিছুই হচ্ছে না। কিন্তু ঘুড়ির মতন ওর একটা ল্যাজ কেন রয়েছে এইটে জানতে উৎসুক। কেউ কি জানাবে?
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৯:২৪396952
  • প্রশ্নঃ এখন কী চলছের সাথে নীল খামের সম্পর্ক কী?
    বক্তব্যঃ ওয়েবপেজে নড়াচড়া করা জিনিস বড়ই চোখে লাগে।
  • aranya | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:৪৩396951
  • 'আর এই পুরো প্রক্রিয়াটার মধ্যে না দিয়ে গেলে লেখক বা সিনেমাকার বা শিল্পী কক্ষনো লিখতে পারেন না, কারণ সিস্টেমটাই তাঁর অজানা। সোজা কথায় বললে ম্যারাপ বাঁধতে না জানলে কক্ষনো নাটক করা যায়না'

    - এটা সত্যিই প্রবন্ধ দাবি করছে :-)

    ধরা যাক সুনীলের 'সেই সময়' - ঐ কালখন্ড নিয়ে একটা উত্তীর্ণ লেখার জন্য সেই সময় নিয়ে রিসার্চ দরকার। কিন্তু বই-এর প্রকাশনা, ডিসট্রিবিউশন এসব নিয়ে কি জানার দরকার আছে? এমন-ই আরও বহু উদাহরণ দেওয়া যায়।
    নাকি ঈশান বলতে চাইছে সামগ্রিক ভাবে একজনের লেখক সত্ত্বা সম্পূর্ণতা পায় না, বই প্রকাশ ও পাঠকের হাতে পৌঁছনোর পুরো প্রক্রিয়াটার সাথে জড়িয়ে না থাকলে
  • h | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩৭396950
  • অসহ্য, এই চোখের কোণের আরশোলার মত নড়ে চলা নীল খাম, বাদ দিলে উপকার হয়। বা অন্তত বাদ দেওয়ার উপায় থাকলে উপকার হয়।
  • dd | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩৫396949
  • আরেকটা কথা। ঐ নীল খাম, ক্রমাগত খুলছে বন্ধো হচ্ছে, ওটা আমার মনঃসংযোগে নিদারুন ব্যাঘাত করছে। হয়তো সেন্টিমেন্টেও ঘা দিয়েছে।

    ওটাকে বাদ দেওয়া যায় না ?
  • dd | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩১396948
  • আর আমি T বাবুর কথাই প্রনিধান কল্লেম। আর আমি ঐ সোনা,তাঁবা, হ্যান ত্যান খনির ব্যাপারে নেই। ব্যাগড়াবাবুরা খনি দেখলেই খচে যান। শেষে আমাকেই না কালো ফ্ল্যাগ দ্যাখান।

    বরম, আনেকটা তিন আঁশলা না কি দো ফসলি না কি চার পশলা জমি কিনে নিলাম। এবারে কোবাল্টের চাষ করব। তবে BT নয়, একেবারে শুদ্ধ অর্গানিক কোবাল্ট।
  • dd | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:২৮396947
  • যাঃ শালা।

    আমি তো ঐ স্পেসে poet and essayist লিখে এলাম। এবার কি হবে ?
  • সিকি | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৮:০৫396946
  • ট্যাক্সপেয়ারকে -

    হ্যাঁ ওটা Individual লিখতে হবে।
  • Tim | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৭:৪৮396945
  • সম্পূর্ণ একমত নই, তবে বুঝেছি কি বলছো। প্রবন্ধ আকারেই আসুক বাকি কথা। ঃ-)
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৭:৩৫396944
  • এই বলতে কেলোবাবুর কথা মনে পড়ে গেল। বইমেলার ঠিক আগে, বইয়ের জন্য প্রচন্ড দৌড়দৌড়ি চলছে। সবাই করছে, কেলোবাবু একটু বেশিই করছেন। এহেন সময়ে কলেজ স্ট্রিটের মোড়েই মনে হয়, কেলোবাবু দাঁড়িয়ে হঠাৎ বললেন, এত চাপ দিচ্ছেন কেন? আমি বললাম, মানে? নইলে বই বেরোবে কীকরে? কেলোবাবু বললেন, না বেরোলে বেরোবেনা। আহা ওদের কত পরিশ্রম যাচ্ছে। না হয় এ বছর বই নাই বেরোলো।

    কেলোবাবুর সঙ্গে একেবারেই একমত হইনি। পাই তো যদ্দুর মনে পড়ে লম্ফঝম্পই জুড়ে দিয়েছিল। এ কি মামারবাড়ির আবদার নাকি, বইমেলায় বই বেরোবেনা? সে না হই, কিন্তু এই জন্যই কেলোবাবু আমার দেখা সেরা লেখকদের একজন। সে তিনি একটিও গল্প লিখুন ছাই না লিখুন। লাভিউ কেলোবাবু। :-)
  • একক | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৭:৩৪396943
  • @পাই

    পড়লুম। ভারতবর্ষে, রিচুয়ালিস্ট ধর্ম এবং লৌকিক ধর্ম অঙ্গাঙ্গী জড়িত। অর্ডার দিলে শ্রাবন মাসে বাবার মাথায় জল ঢালতে যাওয়া নিয়েও লৌকিক ধর্মের গুণগান গেয়ে লেখা নাবিয়ে ফেলা যায়। কাজেই ওই কথাচচ্চড়ি দিয়ে কিছু প্রমান হয় বলে মনে হয়না। একটা রাজনৈতিক দল তার ধর্ম ও লোকাচার সংক্রান্ত স্ট্যান্ড এ ক্লারিটি রাখলে ভালো হয়, এইটুকুই। নইলে ওই দ্বিতীয় পোস্টে যা বলা হয়েছে আমিও তাই মনে করি। অকারণ বিভ্রান্তি সৃষ্টি অপোনেন্ট এর হাত শক্ত করবে যেটাকে লোকাচারের রাজনৈতিক ব্যাখ্যামূলক হাজার প্রবন্ধ দিয়েও আটকানো যাবে না।
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৭:২২396942
  • এইটার উত্তর আমার পক্ষে দেওয়া একটু মুশকিল। অন্য কোনো কারণে না, জাস্ট মনে হতে পারে কিছু দাবী করছি। সেটা একেবারেই করছিনা, প্রথমেই বলে রাখি। বোল্ড এবং আন্ডারলাইনে। কথা হল, লেখালিখিকে আমি বিচ্ছিন্ন কিছু জিনিস ভাবিনা। একদল লেখক আছেন, একদল পাঠক আছেন, একদল প্রকাশক আছেন এবং একদল ডিসট্রিবিউটার, এ নয়। মানে, একদল ভোক্তা, একদল উৎপাদক আর একদল শ্রমিক/মালিক -- এরকম একেবারেই না। পুরোটাই সম্পর্কযুক্ত। যিনি লিখছেন, তিনিই বাঁশ বইছেন, যিনি পড়ছেন, তিনিই ডিসট্রিবিউট করছেন, এইরকম। প্রফিটের হায়ারার্কি উড়িয়ে এইরকম একটা সিস্টেম তৈরি হতে পারে বলে আমার বিশ্বাস। এইটা বিশ্বাস না করলে আমি তো সুখে কাগজ-টাগজে লিখে কালাতিপাত করতে পারতাম। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটার মধ্যে না দিয়ে গেলে লেখক বা সিনেমাকার বা শিল্পী কক্ষনো লিখতে পারেন না, কারণ সিস্টেমটাই তাঁর অজানা। সোজা কথায় বললে ম্যারাপ বাঁধতে না জানলে কক্ষনো নাটক করা যায়না। :-) অতএব, লেখক কী করতে পারেন? তোমার প্রশ্নের উত্তর এর মধ্যেই আছে। অবশ্যই তিনি নানা জায়গায় লিখবেন। অবশ্যই লিখবেন। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি ম্যারাপও বাঁধতে পারেন। শুধু পারেন নয়, সেটা লেখালিখির জন্য অপরিহার্য। প্রেজুডিস ভাঙার জন্য, স্টার সিস্টেমকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য, সবকিছুর জন্যই জরুরি।

    এবার এটা আমার বিশ্বাস। তোমার সঙ্গে মিলতেই হবে এমন না। কোনো দাবীও একেবারেই নেই।

    পুঃ সোনালি শিবির আর মোহনবাগান বিষয়টা নিয়ে আর বিশদে লিখলাম না। এত চেনা লোক চারদিকে, কখনও লিখলে সুলিখিত প্রবন্ধ আকারেই লিখব। নইলে ভুল বোঝাবুঝির চান্স বড্ড বেশি।
  • Tim | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৬:৫৪396941
  • কিন্তু দুটো স্পেস আলাদা হয়ে থাকলে কিকরে চলবে? ডিস্ট্রিবিউশনের হিসেবে ছাপ ফেলতে পারাই তো গুরুর অ্যাম্বিশান, মনে হয় এরকম কোথাও একটা তুমি লিখেছিলে। পাবলিক মিডিয়াতে যা বেরোয় সেই ছক ভাঙতে পারলে তো সেটাই ত্বরান্বিত হতো। যে বিপুল সংখ্যক লোক পাবলিক মিডিয়া ফলো করেন তাদের কাছে গুরুকে পৌঁছোতে গেলে প্রাথমিকভাবে ঐ মিডিয়া দিয়েই যেতে হবে বলে আমার মনে হয়েছে।

    ধরা যাক, গুরুর কোন লেখকের লেখা কাটতি খুব বেশি এরকম কোথাও বেরিয়েছে। আমার তো মনে হয় পরবর্তীকালে সেইসব লেখা পড়ে কেউ ঐ লেখক সম্পর্কে আগ্রহী হলে তাঁকে গুরুতে আসতেই হবে, বা গুরুর বই কিনে পড়তে হবে। এইটা ভালো দিক।

    সোনালী শিবিরের ব্যাপারটা বুঝলাম না। পাবলিক মিডিয়ার মাইনে করা লেখক আর গুরুর ভলান্টিয়ারিং সিস্টেম এই দুটোর কোন তুলনা চলেনা। গুরুতে এমন কেউ আছেন কিনা জানিনা যিনি প্রফেশনাল লেখক। লেখক সাপ্লাই বলতে যদি গুরু থেকে বেরিয়ে অন্য পত্রিকার "নিজেদের লেখক" হয়ে যাওয়া বলতে হয়, সেটা হবে কিকরে? গুরুর সবাইই তো চাকরি করে। আর পয়সা রোজগার করতে কেউ গুরুতে আসবেনা।

    তুমি নিজেই বলছো অন্যত্র লেখা দেওয়া নিয়ে কোন অসুবিধে নেই। লেখা ছাড়া ফ্রি-ল্যান্সারদের আর কিই বা দেওয়ার আছে?
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৬:০৯396940
  • এইখানে মতবিরোধ আছে। সেটা অবশ্যই অন্য কোথাও লেখা নিয়ে নয়। যে যেখানে খুশি লিখবে, খুশি হলে লিখবে, স্ট্র্যাটেজি করে লিখবে, কোনো চাপ নেই। কিন্তু 'নিজের মতো স্পেসে লিখে' হবেনা, এইটা আমি মনে করিনা। কারণ,

    ১) গুরু কক্ষনো সোনালি শিবির নয়, যে মোহনবাগানকএ প্লেয়ার সাপ্লাই দেবে।

    ২) পাবলিক মিডিয়া খুব ভালো করে জানে কীসের সঙ্গে কতটা অনুপাত মেশাতে হবে। তেরো ইঞ্চি চাটনির সঙ্গে একটা দেড় সেন্টিমিটারের জেলুসিল। সেই জেলুসিলটা আমি না হয়ে অন্য কেউ কেন হবে, এ খুব হক কথা। কিন্তু রেশিও ওই স্পেসে বদলাবে, এ আশা না রাখাই ভালো।
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৫:৩৯396939
  • @একক - সেটা হয়নি, তবে ছাগলের উৎপাৎ হয়েছে।
  • Tim | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৪:১৫396938
  • এটা দরকারি কথা। আমার তো মনে হয়েছে সিরিয়াস লেখালেখির আরো বেশি করে তাই মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় দেওয়ার দরকার আছে। মানে দিয়া মির্জাকে কেমন পিটলেন এর পাশেই যদি একটা খেটেখুটে লেখা লম্বা প্রবন্ধ থাকে তাহলে কোথাও গিয়ে একটা রেজিস্ট্যান্স তৈরীর চেষ্টা হয়, স্পেস নিয়ে এই মারামারিটা দরকার। শেষ পর্যন্ত হয়ত ধোপে টিঁকবেনা কিন্তু চেষ্টা করতে হলে ঐ স্পেসেই করা উচিত, নিজের মত করে একটা স্পেসে লিখে লড়াইটা এগোবেনা।

    এইযে খেলাধুলোর পাতায় অমুকের বান্ধবীর ছবি দেখুন, তমুককে কেমন জবাব দিলেন তুসুক এইগুলো ছাপে, বা ম্যাচ রিপোর্টে টেকনিকাল কোন কথা প্রায় থাকেনা এই ট্রেন্ড পাল্টাতে চাইলে সেই একই স্পেসে টেকনিকাল ম্যাচ রিপোর্ট ছাপানো ছাড়া উপায় নেই। নইলে পাঠকের পাতে পড়বেই না বেটার কনটেন্ট।
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:৫৫396937
  • পাই এগুলো কাকে লিখেছে? :-)
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:৫১396936
  • আর, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বা এই সময় বা আনন্দবাজার নিয়ে খুব পরিষ্কার করেই আরও বলি, কে কোথায় লিখবেন সম্পূর্ণই তাঁর ব্যাপার। কোন প্রতিষ্ঠান কাকে অ্যাপ্রোচ করবে তাও তাদের ব্যাপার। এ নিয়ে কোনো সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। পিছিয়ে গিয়ে পড়ে দেখলাম, পিনাকীও মনে হয় সেটাই লিখেছে। "এবার ঘটনা হল গুরুর কোনও সেই অর্থে 'নিজেদের লেখক' গোষ্ঠী নেই। অন্য সমস্ত ব্যাবসায়িক পত্রিকার যেটা আছে। সেই লেখকদের ওপর নিয়ম চাপানো থাকে যে তারা অন্যত্র লিখতে পারবেননা। গুরু দর্শনগতভাবে এর বিরোধি বলে জানি।"
    আমি পিনাকীর মুখপাত্র না। অন্য কিছু মিন করে থাকলে পিনাকীইই লিখবে। কিন্তু আমার মনে হয়নি। অন্য কিছু মনে হলে তখনই লিখতাম। আমার মনে হয়েছিল সবাইকেই প্রশ্ন করেছে, আমার তো নাম ধরে করেছে, তাই আমি উত্তর দিয়েছি।

    এইটুকুই লিখে ছেড়ে দেওয়া যেত। কিন্তু এটা নিয়ে এত আলোচনা হতে দেখে, আরও একটা কথা মনে হচ্ছে। বৃহৎ প্রতিষ্ঠান কিন্তু নেহাৎই পাড়ার ছেলেদের ক্লাব না। তার রাজনীতি ইত্যাদি সবসময়েই থাকে। এই যে চারিদিকে এত চাটনির রাজত্ব, লেখার আকার ক্রমশ কমে আসছে, বলা হচ্ছে পাঠকের অ্যাটেনশন স্প্যান কমে আসছে, এগুলো কিন্তু একটা সচেতন প্রক্রিয়ার অংশ। পাঠকের অ্যাটেনশন স্প্যান কমছে, নাকি কমাতে বাধ্য করা হচ্ছে? লেখকরা ক্রমশ ফেসবুক স্টেটাসের সাইজের লেখা লিখছেন। ক্রিটিকালিটির কথা ছেড়েই দিলাম। 'দেখুন দিয়া মির্জাকে কেমন পিটলেন সলমন খান' কিংবা 'সঙ্গীকে বশ করবেন কীকরে?' জাতীয় তথাকথিত লাইফস্টাইল সিগনেচার নেটের সর্বত্র। সবসম্যই এরা যুদ্ধঘোষণা করছে মনে হয়, কিন্তু এর উল্টোদিকে আমি বিশেষ কিছু দেখতে পাইনা। ফেবু ক্রমশ ঈশ্বর হয়ে উঠছে। সর্বত্র দুই লাইনের স্টেটাস। উল্টোদিকে আর কিছু নাই। পোস্ট ট্রুথের কথা বলেন? ট্রাম্পের মধ্যে না, আমি চাদ্দিকে সেই বস্তু দেখতে পাই।

    এটা স্রেফ হতাশার বাণী। কারোকে উদ্দেশ্য করে নয়। আমাদেরই ফেবুতে গ্রুপ আছে, সে খুব ডায়নামিক। আমি নিজে খবরের কাগজে লিখেছি, আবারও লিখবও হয়তো, নানা চমকপ্রদ অভিজ্ঞতাও হয়েছে, সে এখানে লেখার নয়। কিন্তু পয়েন্ট হল, একটা স্রোত দেখি আমাদের সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পাঁচ বছর আগেও বিষয়টা এরকম ছিলনা। তখন আমরা ছোটো চিলাম, কিন্তু স্রোত এভাবে ফিল করিনি। এখন আমাদের বিক্রিও হুহা বাড়ছে, কিন্তু স্রোত তার চেয়েও জোরে। এর উল্টোদিকে কী করা উচিত জানিনা। কালেক্টিভ চিন্তাভাবনা দরকার, ক্রিয়েটিভিটি দরকার। এইসব আর কী। পয়েন্টটা হল সমস্যাটা আছে, এবং সেটা উড়িয়ে দেবার চেয়ে অনেক বড়।

    আবারও, এটা পিনাকীর ফুটনোট না। একটু এলোমেলো হলেও নিজের কথাই বললাম। প্রসঙ্গ উঠল, তাই। পিনাকী নিজের কথা নিশ্চয়ই নিজেইই বলবে।
  • π | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:৩৪396935
  • ebang eTaa?

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বৈচিত্র্যময় লৌকিক কার্যকলাপের এবং উৎসবের সঙ্গে ধর্মের সরাসরি সম্পর্ক আছে। কারণ ধার্মিক আচারগুলোও একই সঙ্গে পালিত হয়। সবচেয়ে কম সম্পর্ক নবান্ন, পোঙ্গল, ভোগালি বিহু, লোরি অর্থাৎ যেগুলো ফসল কাটার সঙ্গে জড়িয়ে এমন কি সেগুলোর সঙ্গেও কিছু ধার্মিক আচার জড়িয়ে আছে। এবার এই লৌকিক উৎসব আর লোকাচার কে ঘিরে হাজার লক্ষ মানুষ মাতেন। কমিউনিস্ট রা কী করবেন? গলায় লাল পতাকা ঝুলিয়ে লাল সেলাম লাল সেলাম করবেন? না তারাও মানুষের সঙ্গে মানুষের উৎসবে সামিল হবেন। আরও বেশি করে হবেন কিন্তু ধর্মীয় আচারগুলো থেকে দুরে থাকবেন। উপোস, দন্ডিকাটা, মাথায় মালসা নিয়ে হাঁটা, রথের দড়ি টানা, অণ্জলি দেওয়া এগুলো থেকে দুরে থাকবেন। অবশ্যই এগুলো নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবেন না কিন্তু পারলে এগুলোর অসারতা নিয়ে কথা বলবেন। এই কথাগুলো রেডবুকে লেখা নেই, সাধারণ বুদ্ধি থেকেই আমার বাবা (যিনি আবার আমৃত্যু সিপিএম ই করে গেছেন), তাঁর শেখানো।
    তা না করে যদি নিজেই মালসা মাথায় করে হাঁটতে থাকেন, তাহলে আদতে আপনি নাগপুর আরএসএস, সাভারকর বিজেপির সহযোগীতা করছেন। আপনি অকমিউনিস্টসুলভ আচরণ করছেন। - Amulet Chattopadhyay er lekha
  • π | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:৩৩396934
  • ekak ei posTaTaa parhechhis?

    নাও, আলাদা থ্রেড খুলে দিলাম Animitra Chakraborty....

    ‘বাথুকাম্মা’ ও ‘বোনালু’ তেলেঙ্গানার দুটি লোকপ্রিয় পার্বণ যা তেলেঙ্গানায় একইসঙ্গে উদ্‌যাপিত হয়। ‘বাথুকাম্মা’ একটি বর্ণময় ফুলের উৎসব, যা তেলেঙ্গানার প্রতিটি অঞ্চলে শুধুমাত্র এই সময়ে ফোটে। ‘বোডেম্মা’ বা বর্ষার সংক্রান্তি হিসেবে এই উৎসবের সূচনা হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে ভূমি, জল ও মানুষের অন্তর্নিহিত সম্পর্ককে ফুটিয়ে তোলা হয়, যাকে ‘তেলেঙ্গানার সাংস্কৃতিক সত্তার গর্ব’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশেষ করে ফসল উৎপাদন করেন যাঁরা, বৃষ্টির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন যাঁরা, অন্ধ্র বা তেলেঙ্গানার সেই কৃষিজীবী মানুষেরা সুদুর অতীত থেকে এই উৎসব পালন করে আসছেন। প্রতি বছর জুলাই-আগস্টে, বর্ষাকালে, বাংলা আষাঢ় মাস বা তেলেগু ‘আষাঢ় মাসম্‌’-র সংক্রান্তির দিন, হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদ ‘যমজ শহর’-এ এই উৎসব শুরু হয়। ‘আষাঢ় যাত্রা উৎসবালু’ হিসেবে এই দুই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব হয়।
    তেলেঙ্গানা রাজ্য তৈরি হওয়ার পর সি পি ‌আই (এম) এবং বিভিন্ন গণসংগঠনের উদ্যোগে লিঙ্গ সমতা ও কন্যা সন্তানদের দাবিকে জোরদার করার লক্ষ্যে অন্নদাতাদের জনপ্রিয় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে নানা কর্মসূচী নেওয়া হচ্ছে। সি পি ‌আই (এম)-র উদ্যোগে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টি আর এস), কংগ্রেস ও বিজেপি-র বিরুদ্ধে ২৮টি সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল জোট বেঁধে তেলেঙ্গানায় বহুজন বাম ফ্রন্ট (বি এল এফ) তৈরি হওয়ার পর পশ্চাদ্‌পদ ও অনগ্রসর অংশের মানুষের উৎসব হিসেবে একে পালন করা হচ্ছে। গত রবিবার হায়দরাবাদে বহুজন বাম ফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবেই নজরকাড়া উপস্থিতি ছিল সি পি আই (এম)-র সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির। উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় নকশালপন্থী গণশিল্পী গদ্দর (গুমাড্ডি ভিট্টল রাও), দলিতদের অধিকার সম্পর্কে সোচ্চার সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক কাঞ্চা ইলাইয়া, দলিত সংগঠক কাকি মাধব রাও সহ আরও অনেক বিশিষ্ট মানুষজন। ইয়েচুরির উপস্থিতিতে বেজায় চটেছে হিন্দুত্ববাদীরা। তাই মিথ্যে প্রচারের ফানুস উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অন্নদাতাদের পাশে স্বাভাবিক মিত্র হিসেবে সীতারাম ইয়েচুরির উপস্থিতি সত্যি এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। তাঁরাও সমর্থন জানিয়েছেন ৫ই সেপ্টেম্বরের মহাসমাবেশেকে। উল্লেখ্য, বহুজন বাম ফ্রন্ট (বি এল এফ) ২০১৯সালের এপ্রিলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ১১৯টি বিধানসভা আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
    https://www.prokerala.com/news/photos/sitaram-yechury-during-bonalu-celebrations-359282.html
  • π | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:১৪396932
  • পিনাকীদার পোস্ট পড়ে আমার কিন্তু মনে হয়নি গুরু রেস্ট্রিক্ট করতে চেয়েছে বা আমার জানামতে গুর‌্য সেটা করতে চেয়েছেও বলে মনে করিনা।। সে যাগ্গে।

    তবে একটা কথা প্রায়ই মনে হয় বা হচ্ছে, গুরু বন্ধ করে দিলেই, উঠিয়ে দিলেই তো হয়।
  • Tim | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০৩:১৪396933
  • আমার মনে হলো ওয়াকিবহাল, কারণ ছোট প্রকাশনার খবর রাখেন। অন্যরকম দুয়েকটা বইপত্রের নামও করলেন। পরবাস জানেন। আমি বললাম ধনঞ্জয়কে নিয়ে বইটার কথা। সিনেমা হয়েছে জানেন কিন্তু বইটার কথা জানেন না। কাশ্মীর কোথায় পাওয়া যায় খোঁজ নিলেন, বললেন জোগাড় করবেন।
    আমার মনে হয় যাঁরা লেখালেখিটাই করেন সারাবছর তাঁদের গুরুর নাম শোনা উচিত। কেন শোনেন নি এইটা আমাকে ভাবালো। এই কারণেই যে, গুরু শুধুই ওয়েবজিন হয়ে নেই আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নেট স্যাভি।
  • Ishan | ১৮ জুলাই ২০১৮ ০২:৫৯396931
  • কেউ গুরুর নাম না শুনলে কী করার আছে? এ ঠিক, যে, গুরু আনন্দবাজার নয়, যে, বাংলার কোণে কোণে সর্বত্র সবাই নাম জানবে। কিন্তু এও ঠিক, যে, ওয়াকিবহাল লোকজনের জানা উচিত। আমরা তো ঠিক ওয়েবসাইটে ক্ষান্ত দিইনি, আরও এটাসেটা করে থাকি। টিম অবশ্য নাম বলেনি, সেই ব্যক্তি নিজেকে ওয়াকিবহাল হিসেবে দাবী করেনও বলেনি, আমি ওয়াকিবহাল ধরে নিয়ে বললাম। :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত