এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৬:০৭397860
  • প্রথমবার এটা পড়ার পরে অনেকদিন হন্ট যেত। নিয়তিকে এমন আপ্টলি ধরা, উফ্হ।
  • b | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৬:০০397859
  • "The Appointment in Samarra"
    There was a merchant in Bagdad who sent his servant to market to buy provisions and in a little while the servant came back, white and trembling, and said, Master, just now when I was in the marketplace I was jostled by a woman in the crowd and when I turned I saw it was Death that jostled me. She looked at me and made a threatening gesture, now, lend me your horse, and I will ride away from this city and avoid my fate. I will go to Samarra and there Death will not find me. The merchant lent him his horse, and the servant mounted it, and he dug his spurs in its flanks and as fast as the horse could gallop he went. Then the merchant went down to the marketplace and he saw me standing in the crowd and he came to me and said, Why did you make a threating getsture to my servant when you saw him this morning? That was not a threatening gesture, I said, it was only a start of surprise. I was astonished to see him in Bagdad, for I had an appointment with him tonight in Samarra
  • Pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৫:০৬397858
  • পাকিজাকে কোন দিক দিয়ে আজকের সিরিয়ালের আর্লি মডেল বলছ। হামলোগ বুনিয়াদের হতে পারে, সাস বহুদের কীকরে হয়?
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৫:০৪397856
  • দেখুন সকাল বেলায় লং, হার্ড অ্যান্ড পিংকিশ তো শুধু ফাইনানশিয়াল টাইম্স থাকে না, আরো অনেক কিছুর সঙ্গে সোশাল মেডিয়ার পোস্ট ও থাকে ঃ-)) এটা অবশ্য স্টিফেন ফ্রাই এর জোক ঃ-))))) জয় হিন্দ।
  • pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৫:০৪397857
  • হুম। আচ্ছা, একটি তারার খোঁজের সাথে মধুজা মুখার্জি ছিলেন না? সিনেমাটা দেখেছ? ওটা দেখে চটে গেছিলাম খুব।
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৫:০২397855
  • মুসলিম সোশাল বলে এক ধরণের ফিল্ম তৈরী হয়েছিল বুঝলি, পাকিজা সম্ভবত একটা উদাহরণ, বলতে পারিশ আজকের সিরিয়াল গুলোর এই পরিবার এবং সমাজ কে মানব জীবনের একমাত্র চালিকা প্রতিষ্ঠান বলে দেখা হয় তার একটা আর্লি মডেল বলতে পারিশ। এটা বইয়ে নেই, ভেবে ভেবে বলেছি, (কেমন দিলাম;-) ) আজকে এই বাণী দিয়েই শেষ করলাম, কারণ মনে রাখবেন, খাবা দাবার একটা সামাজিকতা আছে, অন্তত বিকেল পাঁচটার আগে দুপুরের খাওয়া না খেলে সন্ধে ৮ টা থেকে ডিনারের জন্য আঁকু পাঁকু করাটা সাজে না। জয় হিন্দ।

    ঃ-)))))
  • dc | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৫:০১397854
  • অ্যাঁ!!

    তবে ইয়ে, আমার মা সেভাবে সিপিএম না, যদিও প্রচ্ছন্ন সাপোর্ট আছে। আমার দাদু মেম্বার ছিল, বাবাও প্রথমদিকে ছিল(কানাঘুষোয় শোনা যায় সেভাবেই নাকি হবু শশুরমশাইকে হাত করেছিল), পরে ছেড়ে দিয়েছিল।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৫৫397853
  • আমাদের আপিসে ডিসির একটা ডপলগ্যাঙ্গার পেয়েছি। মানে একেবারে ডপলগ্যাঙ্গার বাই ডেফিনিশান নাও হতে পারে, তবে মোটামুটি মিরর ইমেজ মনে হচ্ছে। তার মা নাকি খুবই সিপিএম, তাই সে ছোটবেলা থেকে সিপিএমকে দুহ্ক্ষে
    দেখতে পারে না। বিচিপিকেও দেখতে পারে না (সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের অবশ্য পারার কথাও নয়)। আরো অনেক কিছু।

    তা আমি জিগ্যেস করেই ফেললাম কিগো তুমিই গুরুতে ডিসি নামে লেখো নাকি? ত সে 'গুরু কী?' 'ডিসি কী?' ইত্যাদি। তো, দেখালাম।

    এবার সেও ধন্ধে পড়ে গেছে সেই ডিসি কিনা।
  • dc | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৪৮397852
  • শুধুমাত্র লম্বাই না, পোস্টগুলো বেশ শক্তও বটে।
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৪৪397851
  • দেখুন মোটা ও বেঁটে হবার কারণে এবং তদুপরি বুড়ো হবার পর থেকেই, আমি নানা সামাজিক কারণে লম্বা জিনিস পসন্দ করি। পোস্ট ও তার মধ্যেই পড়ছে ;-)
  • আমজনতা | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৩৩397850
  • হানুদা পুরো উপন্যাস নাবিয়ে দিচ্চে !
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:২৭397849
  • মধুজা মুখোপাধ্যায়ের বাংলা স্টুডিও বেসড ফিল্ম নিয়ে বেশ সুনাম হয়েছে এরকম কাজ আছে।
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:০৯397848
  • এক টা লাইন জুড়ে দেই, নইলে বাড়িতে বকুনি খাব, সেটা হচ্ছে হিস্টরিকাল অথেন্টিসিটি তৈরী তে ফিলম ভিসুয়াল কারণে অনেক এগিয়ে টেক্সট বা আকাদেমিক হিস্টরি র থেকে। এই যে ফতেপুর সিক্রি তে গেলে গাইড দের মুখে যে গল্পটা শোনা যায়, সেটা ইতিহাসের না, সরাসরি মুঘল ই আজমের ;-) পোস্শাক, সেট, গান, অভিনেতারা হিস্টরিকাল টাইম আর কন্টেন্ট টার একটা অথেন্টিসিটি তৈরী করে, যেটা পিরিয়ড ড্রামা তেও থাকে। এই ধর নৌশাদ, উনি যোধাবাই এর ঝুলন পূজার সিনে, যে বেনারসী লোক সুর চালিয়ে দিলেন, সেটা র তো কোন দস্তাবেজ নাই, এই মেথড টা, বুঝতে হবে, সত্যজিত রায়ের শতরঞ্জ কি খিলাদি তৈরীর মেথড থেকে আলাদা, যেখানে ডেলিবারেটলি পার্সপেকটিভ টা পরিচালকের যিনি ইতিহাস কে ফ্রেমে বাঁধছেন, কিন্তু ইন্টারপ্রেট করবেন না এরকম দাবী করছেন না বা শুধুই এন্টারটেন করবেন এরকম দাবী করছেন না।
    এবারে বাজীরাও মস্তানি গোছের সোয়াশ বাকলারের ট্র্যাডিশন কিন্তু পার্সি থিয়েটার এ ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পরে পরে, আব্বাস ইত্যাদি রা রাষ্ট্র নির্মাণের তাগিদে সে সব জায়গা থেকে সরে এসছিলেন ইত্যাদি। এসব নিয়ে পচুর লেখা লিখি হয়েছে, আমাকে একমাত্র স্থায়ী চাকুরিটি বাঁচাতে গিয়ে খামোখা কঠিন ইংরেজিতে অনেক পড়তে হয়েছে, এবং বানান ঠানান কমা ফুলিশ্টপ মেরে দিতে হয়েছে ;-)
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:৫৮397847
  • দ্যাখ হিন্দী ভালো সিনেমা বলতে কি, ভালো অবশ্যই হয়েছে, সকলেই নাচে না, নায়িকা মানেই সবাই ফস্সা না এসব হয়তো হয়েছে, গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর, লাভ সেক্স অর ধোকা, লান্চ বক্স, রোমিও এসব সিনেমা রিলিজ করছে এই অনেক।

    কিন্তু শোন বাবা মেন কেস টা হল, শিক্ষিত পয়সা ওয়ালা অডিয়েন্স এর জন্য নতুন শপিং মল এর সঙ্গে যুক্ত থিয়েটার গুলো অর এখন নেটফ্লিক্স (মাল্টিপ্লেক্স না কি যেন বলে) এক ধরণের সিনেমা তৈরী হয়েছে, এবং ৮০ র দশকে যে মধ্যবিত্তদের জন্য প্যারালাল সিনেমার একটা হাওয়া উঠেছিল তার মত এন এফ ডি সির উপরে ডিপেন্ডেন্স কম। হয়তো ভবিষ্যতে শুধু ছোটো বাজেটের ফিল্মের জন্য এক ধরণের ছোটো ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিয়েটার তৈরী হবে, টেকনোলোজির খরচ ও তো কমছে। আজ চাইলে একটা অল্প বয়সী ছেলে মেয়ে বন্ধু দের নিয়ে সিনেমা বানিয়ে মানুষ কে দেখাতে পারে, এটা তো আগে সম্ভব ছিল না।

    কিন্তু যেটা অ্যাড্রেস করছিস কিনা জানি না, কমেন দিয়ে তো বোঝা যায় না, তুই পোবোন্দো লেখ একটা নইলে অবস্থান টা তৈরী করবি বা বোঝাবি কি ভাবে, যে এতে আর্ট ফিলম গোত্রের একটা নতুন ইনসুলারিটি তৈরী হচ্ছে মাত্র যেটা উন্নয়ন এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ডিসকানেকট এর ডেরিভেটিভ মাত্র।

    এই নিউ ওয়েভ এ কেন উদ্বেল হব বুঝি না, যদিও সমসাময়িকের ন্যারেটিভ হিসেবে স্বীকার করতে গররাজি হবার কোন মানে হয় না।

    একটা উদাহরণ ই যথেষ্ট। ধর শোলে বা দীওয়ার। সেখানে পরিচালকের সিম্প্যাথি আউট ল এবং আউট সাইজ্ড নায়কের প্রতি হলেও শেষ পর্যন্ত রুল অফ ল ইজ দ্য উইনার। এটা ধর একেবারে ইন্দিরা গান্ধীর আমল এটা বুঝতে অসুবিধা হবার কথা না। বাসুদেবন (রবি না হরি ভুলে গেছি), মাধব প্রসাদ, মৈনাক বিশ্বাসের লেখাও আছে, উর্বীর লেখা আছে জানি, অ্যাকচুয়ালি সোমেশ্বর ভৌমিক বা ধীমান দাশগুপ্ত দের লেখাও থাগতে পারে। ওনারাও সিনেমা বিষয়ে অরিজিনাল কাজ করম করেছেন। সৈকত(প্রথম) সিনেমা সিনেমা করে ওর ও হয়তো পোবোন্দো আছে, এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। কিন্তু যাক সে কথা, এই বারে ধর দাবাং, এই খানে দেখানো হচ্ছে, পারিবারিক প্রয়োজনে অল্প ঘুষ খাওয়া খারাপ না, থানায় মাল খেয়ে নাচাও খারাপ না, এবং আউট ল আর ল এনফোরসার এর মেথডে পার্থক্য বিশেষ নাই, সিংঘম তো পুরো পুরি পোলিস স্টেট এর সমর্থনে কথা বলছে। মাঝে ধর শিব সেনার উত্থানের আমলে নানা পাটেকার এর অংকুশ ইত্যাদি এসছিল, তাতে দেখা যাচ্ছিল অত্যাচারী ব্যবসায়ী দের (পোলিটিকাল লিডার না কিন্তু, পয়েন্ট টু নোট), খুন করছে, মহিলার সম্মান বাঁচাতে উদ্যত চার বন্ধু, আর সেল্ফ ডিফেন্সে বলছে, মিলিটারি কনস্ক্রিপশন চালু হওয়া উচিত। এই পরিস্থিতিতে কবে কার জিয়া নস্টাল হল, ম্যাস গ্রসিং এর দিক থেকে কিস্যু বিশেষ এসে যায় না। মেয়েদের কুস্তি টা অবশ্য খারাপ হয় নি। কিন্তু রাষ্ট্র বা সমাজের রাইট ওয়ার্ড মুভমেন্ট এ ছোটো ব্যক্তিগত বিষয় কে নিয়ে ডিসকানেক্টেড রিয়ালিটি নিয়ে সিনেমা তৈরী হলে তার একটা বাজার হবে। সবাই তো আর পোলিটিকাল লোক না, বাংলা সিনেমা, যেটা কিনা হিন্দী সিনেমার কাছে ধাক্কা খচ্ছিল, তারা শিক্ষিত অশিক্ষিত কনসার্ন সম্পূর্ণ পার্থক্য করে ফেলে, এক টা জঁর তৈরী করেছে, তো সেটাকেই নিউ ওয়েভ ইত্যাদি বলা হচ্ছে, এগুলোর মধ্যে ব্যক্তি গত ভালো লাগা না লাগা র থেকেও কনটেকস্চুয়ালাইজেশন এর একটা দরকার আছে। মেগা সিরিয়াল খুব প্রগতিশীল হবে এ আশা সারা পৃথিবীতে খুব বেশি কেউ করে না, আমাদের দেশের উটকো ঝাড় হল, মেয়েরা মেয়েদের মূল শত্রু এই বাণী ছাড়া ফ্যামিলি ড্রামা আর কিসু আলোচনা করেও না কচুপোড়া। কিন্তু সব ই হয় বাজার নয় সব ই দেশাত্মবোধ বা পরোপকার এ আর পারা যায় না। আই লাইনের লোক নই কচু পোড়া বলতেও পারবো না, ইনডাস্ট্রি র সমস্যা কি, কিন্তু কালচারাল কনটেক্সট টা মোটামুটি এই। এই বারে থিয়োরী চর্চার দিক থেকে বলতে পারি, দুটো তিনটে ডিসটিন্ক্ট ট্রেন্ড আছে, এটা বলতে পারিশ, উর্বীর লেখা পড়ে শিখেছি, সেটা হল সংস্কৃতি কে শুধু কালচারাল থিয়োরী হিসেবে দেখে, ফ্রেম বাই ফ্রেম অ্যানালিসিস করা, যেটা ফিল থিয়োরী র একটা পার্ট, আরেকটা হল ক্রিটিকাল থিয়োরীর আঙ্গিকে দেখা, যে রাষ্ট্র বস্তু টা কোন ধরণের কোন মতাদর্শ কে কোন সময়ে ব্যাক করছে, বা তার নির্মাণের প্রতিফলন ঘটছে, আরেকটা হল সোশাল হিস্টরি হিসেবে দেখা, যে বার বার নতুন টেকনোলোজি আর নতুন রাজনৈতিক সামাজিক পরিস্থিতি তে নানা ধরণের নতুন পেশা কি ভাবে তৈরী হচ্ছে, (হিস্টরি অফ ওয়ার্ক), আর সামাজিক মতাদর্শ গুলো বিষয় নির্বাচনে সাহায্য করছে কিনা, ইতিহাসের ক্ষেত্রে, আকাদেমিক হিস্টরি র বা টেক্স্টবুক হিস্টরি র বদলে নতুন হিস্টরিকাল ন্যারেটিভ তৈরী করছে কিনা। মানে কালচারাল প্রোডাকশন কেই হিস্টরি র একটা সোর্স হিসেবে দেখা, ধর একতা কলোনিয়াল মুঘল দস্তাবেজ এর মত করে।

    এই গুলো হল জেনেরাল আলোচনার ধরণ ধারণ, এবার দেখ কোন ধরণের তাত্ত্বিক নির্মাণ করে তোদের আলোচনা টা করবি, সেটা আপাতত আলোচিত বস্তুর মধ্যেও থাগতে পারে, বাইরেও থাগতে পারে। যারা সিনেমা ঠিনেমা বা সোপ ভালো বাসে, তাদের দিয়ে একটা সিরিজ বা এক সঙ্গে অনেক গুলো পোবোন্দো লেখাতে পারিশ। সোপ যেটা করে নর্মালি, সেটা হল রিলেটেবল সিচুয়েশন/চরিত্র দিয়ে প্রচুর কথা বলে উত্তরন সম্ভাবনা কে কিল করে দেয়, কারন উত্তরণ জিনিসটা এপিসোডিক নেচারের নয়, কিন্তু কত ধরণের সিরিয়াল হয় ছাই কি খবর রাখি আমর। কর একটা বই কর, লোক জন কে দিয়ে লেখা, তাতে ইনডাস্ট্রি ডিসপুট ও কভার কর। সৈকত সিনেমা বোঝে, নিজেই এডিট করে দিতে পারবে (ল্যাদ না খেলে)।

    আমার সিনেমা ভালো লাগে না, ওভার অল বোর লাগে। মানে অসহ্য লাগে বললে কম বলা হয়, এই নিয়ে এমনিতেই নানা সমস্যা ঃ-)))))
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:৪৭397846
  • যারা এই সুযোগে আস্ফালন করছেন তাদের কথা ভাবছি।
    সামান্য মতানৈক্য তো অনেক জায়গাতেই হয়। তার জন্য এত দিনের লাভজনক ইন্ডাস্ট্রি সেটা বন্ধ হয়ে যাবে? কি বোকা বোকা উচ্চাশা।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:৪১397845
  • হ্যান্ডমেড'স টেল এর ওয়েব সিরিজ মারাত্মক ভাল হচ্ছে শুনেছি। বইটাই ত ছিটকে দিয়েছিল। দেখি ওয়েব সিরিজটা দেখার ব য়বস্থা করতে হবে।
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:২৪397844
  • এটা একটা ডিসপুট, এটা যেকোনো ইনডাস্ট্রিয়াল ডিসপুটের মতই, মালিকের সুবিধে অনুযায়ী মিটবে আর না মিটলে প্রতিবাদীরা ভিলেন আর প্প্রযোজকেরা ভিক্টিম তৈরী হবেন, এ আর নতুন কি। তার পরে একদল নার্ভাস হয়ে বলবেন আমরা কাজ চাই, আর নেতারা বলবেন, যাও যাও সব নিজ কাজে নইলে উদুম বাটাম খাবে। আর তারপরে আমরা অসংগঠিত লেট ক্যাপিটালিজম এর উপরে পোবোন্দো লিখবো আর কি।

    ওয়েব সিরিজ জিনিসটা এসে, হয়তো একটা রিনেগোশিয়েশন এমনিতেই হত। অ্যাভারেজ মাইনে না কমে যায় লোকের।
  • pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:২৩397843
  • * দেবেন?

    আমি ব মানে ব্রতীনদা ভেবেছিলাম।
  • pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:২২397842
  • ঐ টইতে কেউ এগুলো পেস্ট করবে?
    গোবিন্দ নিয়ে প্রশ্ন ছিল, কিন্তু সেটা আবার ঐ টইয়ের আলোচনা টেনে।ক'জায়গায় লিখি?

    এই হাঁটতে হাঁটতে কি চেকিন সিকিওরিটি লাইনে কি বাঁ হাতে টাইপ যাওবা করা যায়, ক্রোনোলজিকালি উল্টে পেস্ট প্রভূত চাপ।

    ব দা, করে দেবে পেস্ট?
  • pi | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:১৮397841
  • পাকিস্তানের সিরিয়াল এত ভাল হয় কীকরে? আঅগে হিন্দি বাংলাও ভাল হত। ইন্ডাস্ট্রি তো তখনো ছিল।সবই কি মাস প্রোডাকশনের কসুর? হিন্দি সিনেমার কোয়ালিটি মাঝের বেশ খারাপ ধুর গোত্র থেকে উঠল কীকরে তালে?
  • h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১৩:১৫397840
  • ধুর কিছুই বন্ধ হবে না। এত মানুষ জড়িয়ে আছে, ইন ফ্যাক্ট এই ইনডাস্ট্রি ই এখন অভিনেতা কলা কুশলী দের বাঁচিয়ে রেখেছে। এমনি অসহ্য বোরিং কি আর করা যাবে। তা কোন ইনডাস্ট্রি ই আর ভীষন ক্রিয়েটিভ আর উত্তেজনাপূর্ণ। ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশন মানেই শেষ পর্যন্ত একটা বোরিং ম্যাস প্রোডাকশনের ব্যাপার। অথচ না হলেও সংসার চলে না।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১২:১৩397839
  • বাংলা সিরিয়ালের অচলাবস্থা নিয়ে দেখছি অনেকেই প্রফুল্ল চিত্তে নিত্য করছে। আমার যে জিনিস ভালো লাগে না সেটা না দেখলেই তো হয়। সেটা যদি জনমানসে বিষ ঢুকিয়ে দেয় সেটা বন্ধ করার কি কোন উপায় নেই ? আর সেটা না দেখার অধিকার তো আমাদের আছে। ওটা যদি ক্ষতি করে তবে আমি ও আমার পরিবারবর্গকে না দেখার পরামর্শ দেব।
    বাংলা সিরিয়াল বন্ধ হবার কোন কারন নেই।
  • নেতাই | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১১:৫০397838
  • সিনেমার রেকো দিয়ে গেলাম

    The Man from Earth (2007)
    আমাজন প্রাইমে দেখা যাচ্ছে
  • r2h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১১:২১397837
  • তা তো নেইই।

    না, সিরিয়াসলি, যারা এই ব্যাবসায় আছে, তাদের কি কখনো ইচ্ছেও করেনা যে একটা প্রজেক্ট অ্যাট কস্ট করি, ভালো কিছু। প্রডাকশন হাউসগুলি তো একাধিক প্রজেক্ট করে নিশ্চয় একসঙ্গে।

    বাংলা সিরিয়াল বন্ধ হয়ে কি আর হবে, অন্য ভাষার সিরিয়াল ঢুকবে। বাংলাদেশের বাজারকে তো শুনি হিন্দি সিরিয়াল ভালো-ই খেয়েছে।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১১:১৯397836
  • এ ব্যথা কি যে ব্যথা
  • ন্যাড়া | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১১:০২397835
  • আমি সিরিয়ালে না এলে দেখছি আর কোন আশাই নেই।
  • r2h | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১০:৫৯397834
  • কলকাতা এলে মাঝে মাঝে টিভি চালাই, অসংখ্য চ্যানেলে জ্যোতিষী তান্ত্রিক বাস্তু ফেংশুই। তার ফাঁকে ফাঁকে সিরিয়াল। দুটো সিরিয়াল চোখে পড়লো, দেবী চৌধুরানী আর সাত ভাই চম্পা। উৎকট সেট, চড়া মেকাপ, পিচবোর্ডের গাছের পেছনে রাজপুত্র। প্রফুল্লটি সুন্দরী বটে তবে বড় ললিত লবঙ্গলতা, মেকাপ যেন সান্ধ্য পার্টির প্রস্তুতি। এইগুলো বাস্তবসম্মত নিশ্চয় ইচ্ছে করেই করে না, নির্মাতারা কি আর জানেন না যে এগুলো ঢপ হচ্ছে? কিন্তু তাও কেন করেন? আপামর সিরিয়াল নির্মাতারা পরাবস্তবতা আর যাদু বাস্তবতা নিয়ে নিরীক্ষা করছে তা নিশ্চয় নয়।
  • rabaahuta | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১০:৫৩397833
  • ভজ গোবিন্দ সিরিয়াল? গোবিন্দ অভিনেতা? এখানে দৈনিক আট ঘন্টা কাজ এরকম কিছু নেই? এক্সট্রা কাজ কি বাধ্যতামূলক না টাকার জন্যে ইচ্ছে করেই করে? কাদের কিরকম উপার্জন? মানে,অভিনেতা পরিচালক এঁরা বাদে, টেকনিশিয়ান, সহকারী এঁদের? গল্প বাছাইতে শেষ কথা কে বলে?

    আগে তো, বাংলা জানিনা, হিন্দীতে সত্যিই ভালো সিরিয়াল হতো, বছর তিরিশ আগে, যেকোন মাপকাঠিতেই ভালো, ভালো পরিচালনা, গল্প, অভিনয়, মেকাপ, কস্ট্যুম। রামায়ন মহাভারতের বাণিজ্যিক সাফল্যের পর এমন অধোগতির জন্যে কি কি জিনিস দায়ী? প্রাইভেট চ্যানেল, বেশী কর্পোরেট প্রভাব?
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১০:৪৪397832
  • হ্যাঁ দেখলাম। গুগলের এই লোকাল টিমটা খুব ভাল। এর আগে রুকমাবাঈ, হোমি ভ্যারাওয়ালা' ডুডল দেখেছি।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৮ ১০:৪১397830
  • *দেখিয়ে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত