এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রিভু | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২১:০৬399150
  • এক যে ছিল রাজা বলে একটি সিনেমার ট্রেলার চোখে পড়লো ইউটিউবে। বাঙালীর বুদ্ধিবৃত্তির উপরে সৃজিত বাবুর ভরসা খুবই কম। যে কোনো প্যারালাল খুবই গোদা ভাবে ঢেলে দেন, যাতে বুঝতে কোনোই অসুবিধে না হয়। জুলফিকার এ ব্রুটাস -> বশির, ক্যাসিয়াস -> কাশীনাথ। উমাতে উমার মা মেনকা বাবা হিমাদ্রি। এক যে ছিল রাজা ভাওয়ালের সন্ন্যাসীকে নিয়ে, যিনি শোনা যায় সন্ন্যাসীর বেশে ফিরে এসেছিলেন মৃত্যুর পরে (রেসারেকশন টন নয় রে বাবা, দাহ হয়নি ঠিক মতো)। কি গান থাকতে পারে বলুন তো? ঠিক ধরেছেন: মহারাজ, একি সাজে এলে হৃদয়পুরমাঝে।

    ঋতুপর্ণ ঘোষের চিত্রাঙ্গদা দেখে খানিক চমকে ছিলাম, সুরূপা ও কুরূপার ব্যাপারটা এই ভাবে দেখা যেতে পারে ভাবিনি। আজকাল সুবিধে হয়েছে, বেশী ভাবার দরকার হয়না। বোল্ড এন্ড আন্ডারলাইন করে বুঝিয়ে দেওয়া থাকে।
  • Atoz | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:১৪399149
  • গনগনির মাঠ বলে একটা জায়্গা আছে। গনগনে খাখা বাবু শুনে মনে পড়ল। ঐ গনগনির মাঠেই গল্পটাকে নিয়ে ফেলতে পারো। ঃ-)
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৮:১১399148
  • জ্যাকব সম্পর্কে কিছু জানি না ইন্দো। কিছুই পড়ি ও নি, ব্যক্তি সম্পর্কেও জানি না। সাউথের বিপ্লবী বা থিয়োরেটিশিয়ান দের আমি কিসুই পড়ি নি ঃ-))) একেবারেই ছাগল এ ব্যাপারে।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:৩৩399147
  • এই আছি ভালোই। ঃ)

    হ্যাঁ খাখা বাবু হলে আর সেই সুনীলের কাকাবাবুর সাথে কনফিউশন-ও হবে না। ভালোই হল। গনগনে খাঁখাঁ রৌদ্রদীপ্ত খননেন্দ্রনাথ।
  • খাখা বাবু | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:২৭399146
  • সায়েব কিনাঃ-) কেমন আছো?
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:১৯399145
  • আমার বহুদিন ধরে একটা গল্পের নাম ঠিক করা আছে, প্লট বানাতেও পারিনি, লেখা হয়নি - "কাকাতুয়া ও কাকাবাবু"। আজ সেই প্লটের আলো পেলাম এই কাকাতুয়া বিষয়ক পোস্টটায়। কাকাতুয়া কাকাবাবু মানে খননেন্দ্রনাথ-দার কাছে থেকে থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষালাভ করবে আর তারপর কিছু একটা ঘটবে। সম্মিলিত কাকাবাবুও হতে পারেন অন্যান্য গুরুরা মিলেজুলে।
  • Kaju | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:১৬399144
  • হনুদা কি হননেন্দ্রনাথ ঠাকুর নামটা একটু ভায়োলেন্স এসে যাচ্ছে বলে খননেন্দ্রনাথ ঠাকুর নাম নিলেন? সত্যি খনন করে কতো মণিমানিক্য আমাদের উপহার দেন যিনি তিনিই তো খননেন্দ্রনাথ।

    ডিডিদা এই মাইকের ব্যাপারটা এত সত্যি কথা ! কিছু একটা হলেই হল সেই নিয়ে মতামত জাহির করতে হবে। এরম লোক যদি আবার ক্লোজ ফেরেন্ড থাকে, সম্পাদক টম্পাদক কিছু, তো ব্যস আরো চিত্তির। দিবারাত্র নোটিফিকেশন।
  • dc | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:১৯399143
  • অ্যাঁ স্টেট ব্যাংক এরকম নিয়ম করেছে নাকি? কিন্তু নেটে দেখলাম এই খবরটা শুধু একটা সাইটে আছে (oneindia.com), আর কোথাও নেই। এটা গুজব না তো?
  • Tim | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:৪০399142
  • কাকাতুয়াটাকে তোমার কাছে কদিন রেখে গানটানের ফান্ডা শিখিয়ে আমায় গিফট করে দিও ন্যাড়াদা।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:৩৯399141
  • কাকাতুয়া
  • ন্যাড়া | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:১৩399139
  • খনু লিখেছে, 'এই যে ধর গুরুচন্ডালির আড্ডা, এটা আমার এখনো ভালো লাগে, একটা বইয়ের কথা বললে কেউ, অসংখ্য লোক মারতে আসে না' - মারতে আসবে কী! ওই সেদিন কুকুর-তথা-ছাগল পোষার যে কথা হচ্ছিল, তখন ভেবেছিলাম আমার মনে গুহ্য ইচ্ছেটা বলব। কিন্তু চেপে গেছিলাম। আজ বলেই ফেলি।

    আমার না অনেকদিন একটা কথা বলা কাকাতুয়া পোষার শখ। তাকে আমি প্রথম তিনমাস খনুর কাঁধে রেখে আসব। সে খনুর সঙ্গে ঘুরে সব কথা শিখবে। তারপরে আমার বাড়িতে নিয়ে আসব। সবাই তার কথা শুনে এমন তাক লেগে যাবে, বলা যায়না, আমি নোবেলও পেয়ে যেতে পারি।
  • ন্যাড়া | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:০৮399137
  • "সারাদিন ধরে,প্রতিদিন মাইক নিয়ে ঘুড়ে বেরায়।" - ডিডিদা আজ অব্দি নিরাশ করেনি। আজও করলনা। মাইরি।
  • b | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:১৫399136
  • ডিডিদা,
    সে তো ঠিগাছে। ঠিগাছে মানে ঠিগাছে। এবার ঐ বন্দুক বৃত্তের মধ্যে যদি রয়াল বেঙ্গল টাইগের লুকিয়ে থাকে? তখন কি বৃত্ত থেকে বেরিয়ে বিন্দু হতে চাইবেন না?
    এটা মুশকিল। আমার এবং লিতান্তই পার্সোনাল।
  • একক | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৫৬399135
  • লিখে উঠে গেসলুম। বিরোধিতা আউর পরতিবাদ সে ইয়াদ আয়া। দ্রেছেন দর্জি নামে একজনকে চিনতুম। ফরেষ্ট্রী ম্যানেজার। সে প্রতিদিন সকালবেলা একটা এক ঘন্টার ফোন করত বোঝাবার জন্যে যে, মহান খেসর নামগিয়েল এর সাবজেক্টস রা আর যাই বুঝুক জঙ্গল চেনে না। সে -তার বাপ -পিতামহ এই পাহাড় -তার পাশের পাহাড় -সর্বত্র জরিপ এর কাজে ঘুরেছে সুইস বিজ্ঞানী দলের সঙ্গে। অতএব এই কোমপানি এই জঙ্গল, ফায়ারউডের সাপ্লাই সবকিছু টেনে এনে সে কী প্রবল বকাবকি !! সে ছিল প্রতিষ্ঠান বিরোধীর হদ্দমুদ্দ।

    মানে সে লোক নিয়ে গল্প কত। বকাবকির ভয়ে কোয়ালিটি কন্ট্রোলের হেড ভীম কোনদিন দ্রেছেন এর মুখোমুখি হত না। তাকে একবার, মদ খেয়ে সবে নেশা হবে হবে করছে এমন অবস্থায়, ভীম এর মত ছেলেরা ইন্ডিয়া থেকে পড়াশোনা করে এসেও নিজের একটা কোম্পানি না করে চাকরি করছে এই নিয়ে বেদম বকে দিল :):):))

    একবার, নিজে মদ খাচ্ছিল ; পাশে দুজন ডাশো বসে। সরকারে সচিব স্তরকে ডাশো বলার চল। দ্রেছেন যথারীতি তাদেরকেও, পরিবেশ বোঝেন না -ফরেস্ট ফায়ার নিয়ে আপনাদের ধারণা এই এই কারনে ভুল বলছেন এই সব হালুম হালুম করতে করতে হুইস্কি মেরে গ্যালো। তারা সত্যিই ভুল বলছিল, দ্রেছেন এর সাবজেক্ট নলেজ দারুন, কিন্তু কেস হলো তারা একটু সন্ধ্যেবেলা পাওয়ার পার্টি তে মদ খেতে চেয়েছিল। ফরেস্ট ফায়ার শুনতে তো আসেনি।

    গোটা কোম্পানি টায় চলমান হেডমাস্টার। ওহ হ্যা, আমাকে ঠিক বকেন নি সেই অর্থে কিন্তু দেখা হলেই বোঝাতেন যে বড় বড় যা কিছু তার প্রতিবাদ করে যাওয়া জরুরি, ঠিক এভাবে ব্বল্তেন না। ওনার মত করে বলতেন -- এইযে লামাদের এত পাওয়ার ! এদের নজরে রাখা দরকার। বাইরে থেকে ইআরপি সার্ভিস কেনা হবে নাকি ইনহাউস বানানো হবে টিম নিযোগ করে, এই বিতর্কে উনি ভয়ঙ্কর লম্ফঝম্প করে প্রচার করে বেড়ালেন যে - বাইরের কোম্পানির সাবস্ক্রিপসনে যাওয়া মানে তাদের দাসত্ব, আইটি কোম্পানির ব্যবসা মেরে দেওয়া থিওরি সব শোনালেন :)))) আলটিমেটলি বানানই হয়েছিল।

    ফরেষ্ট্রী রিলেটেড ইম্প্লিমেন্টেশন চলছিল বলে যেতুম মাঝে মাঝে। সেদিন, বাংলোতেই অনলাইন। দ্রেছেন একবার এসেছিলেন। বেসিক্যালি, সিলভার ওক গাছ উল্টে দরজার সামনে পরেছিল। তাই দেখে আমি কুল্লি, পেছনে হলের সঙ্গে কানেক্ট বাগানের দরজা দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্চিলুম। দ্রেছেন অলরেডি ওয়াকি তে লোকজন কে নির্দেশ দিয়েছেন তারা আসছে, কিন্তু আমি কেন খবর দিই নি ? এন্ট্রান্স এ একটা দামরা সিলভার ওক নিয়ে একটা লোক পাঁচদিন অফিস করছে ? উল্টোদিক দিয়ে বেড়িয়ে -সামনে এসে -লাফিয়ে লাফিয়ে সেটা পেড়িয়ে ? কাওকে জানায় নি কেন ? ওয়াইল্ড লুক ভালো লাগে ? সিলভার ওক লীভস স্মেলস নাইস ??? কেন কেন ??

    দ্রেছেন সেদিন রেগে যাননি। বকাবকি শুরু করেই কেমন হতাশ হয়ে বসে পড়লেন, ল্যান্দক্রুসারের গায়ে ধপ করে .। খুবই দুঃখী গলায় বলেছিলেন, একটা ফোন তুল্লে ২ মিনিটে লোক এসে চেইন স্য দিয়ে গাছ সরিয়ে নিয়ে যেত, উই হ্যাভ দ্য বেস্ট ডিজাস্টার রিকভারি, মিটিং এ কত দাবি দাওয়া করে কোম্পানি এসব করেছে, সেই মিটিং এ আমি অমুক কে এই বলেছিলুম, জানো সেসব ? তারপরেও হওয়াই !!!
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৩১399134
  • টি জি জ্যাকবের একটা লেখা পড়লাম কুইট ইন্ডিয়ার সময় কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান নিয়ে।ভালো লাগলো।তাই জিগাচ্ছি।নেটে পেলাম না কিনা।

    ভদ্রলোক বোধ হয় মালয়ালী।এবং আর্বান নক্সাল।
  • dd | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:২৬399133
  • ফেবুর আরো ভালো লাগে চেনা জানা লোকেদের হেডলাইনগুলো (ছেলের বিয়ে বা নাতির অন্নপাশন, মেয়ের কাছে বিদেশ ভ্রমন ইঃ ইঃ) জানতে পারি। দুঃসংবাদও। ছবিও দেখি। খুব ভালো লাগে।

    আনফর্টুনেটলি কিছু লোকেরা, সব ফোরামকেই নিজেদের মতামতের মঞ্চ হিসেবে ইউজ করে। সারাদিন ধরে,প্রতিদিন মাইক নিয়ে ঘুড়ে বেরায়।নাগাড়ে আনফলো করে ঐ রয়াল বেংগল টাইগার্স অব ফেসবুকদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছি। এটাও সুবিধে ফেসবুকের।
  • dd | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:১৯399132
  • ১৯৭৫'এ এমে পাশ করে, তারপর চাকরী নিয়ে সবাই ছিটকে গেলো। বহুদিন যোগাযোগ নেই। দুই একজনের একটা /দুটো কনেকশন ছিলো আর এক্জন /দুজনের সাথে। ব্যাস।

    তারপর একজন দায়িত্ব নিয়ে ফেসবুকে খুঁজে খুঁজে বছর খানেকের মধ্যেই প্রায় ৮০% এর একটা গ্রুপ করে ফেললো - সেই হোয়াটস্যাপে। এখন আমাদের যদুপুরের এই গ্রুপের একেবারে জমজমাট অবস্থা। হৈ হৈ ব্যাপার রৈ রৈ কান্ড।

    সবাই রিটায়ার্ড। অখন্ড সময়। চল্লিশ+ বছর পরে ফিরে দেখা। সারক্ষনই হৈ চৈ চলছে। এটা তো আর ফেসবুক/হোয়াটস্যাপ না হলে হোতোনা।

    আরো কয়েকজন বন্ধু -ঐ ফেবু দেখেই আন্দাজে ঢিল মেরে ঠিক যোগাযোগ হয়ে গেছে। একজন তো আমার ক্লাস ফাইভ সিক্সের বন্ধু। ৫০+ বছর পরে যোগাযোগ হোলো !!

    এই অবসর জীবনে চমৎকার লাগে।
  • একক | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৬:২২399131
  • এইটা হতে চেয়ে এত উদাস হচ্ছেন ? এটা তো খুবই ভালো একটা প্ল্যান। আমি এরকম হতে চাইলে প্রথমে একটা প্রতিষ্ঠান বানিয়ে ফেলতুম। তারপর তেড়ে বিরোধিতা :):):)
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:৫৩399130
  • বলা উচিত অর্গানাইজেশন বিরোধী, সেটাও পোষায় না, প্রইষ্ঠান বিরোধী তো হতে চাই, কচুর পোড়া হতে আর পেরেছি কই, পুরো বেচে গেলাম। খ
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:৪৭399129
  • বাই দ্য ওয়ে, শান্তিনিকেতনের লেজেন্ড শিবাদিত্য সেন, অর্থনীতির অধ্যাপক আর অসম্ভব স্নেহশীল, সৎঅ আদর্শবাদী একজন মানুষ। সারাটা জীবন বীরভূমের কাছে, অঞ্চলের কাছে কোন একট ঋণ চোকানোর দায় অনুভব করতেন বোধ হয়, যে সময়টা জুড়ে অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতই, শান্তিনিকেতনেও প্রতিষ্ঠানে চাগরি করা বা সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে বাইরে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের খোঁজে লড়ে যাওয়াটাই রীতি, সেখানে এই ভদ্রলোক যে কোনো কারণেই হোক প্রচুর যোগ্যতা সত্ত্বেও কোনোটাই করেন নি, জেলার কলেজে পড়িয়েছেন, আর নম্র বিনীত ভাবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গেছেন। প্রতিষ্ঠানের কেউ ছিলেন না, কিন্তু ওঁর চেয়ে জনপ্রিয় 'আশ্রমিক' একালে ছিল না, সহজ কারণ টা হল, 'আশ্রম' জিনিসটার দিন ফুরিয়েছে, আমি ফর দ্যাট ম্যাটার সেটাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা গ্রস্ত ও নই, কিন্তু শিবদার ব্যক্তিত্ত্ব টা দেশের স্বাধীনতার পরে পরে একধরণের ইনটেলেকচুয়াল রা রাজনীতিতে অংশ্র গ্রহণ না করেও, বা পরের দিকে এন জি ও না করেও শুধুই মানুষের সঙ্গে সাহায্য করে, সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সাহায্য করে, একটা জীবন কাটিয়েছেন একেবারে বিনা অভিযোগে। শান্তিনিকেতনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কৃতি চর্চার একটা সামাজিক ইতিহাস লেখার চেষ্টা যে আমি করছি, সে ব্যাপারে ভদ্রলোক প্রচন্ড অসুস্থ অবস্থায় সময় দিয়েছেন, যেটা প্র্যাকটিকালি ভাবা যায় না। আমি স্বাভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধী, আমার ইনস্টিটিউশন জিনিসটা পোসায় না, কিন্তু যখন বলেছিলাম, এই আমরা বাবুদের ব্যাটারা যে শস্তার পাবলিক সেক্টর এডুকেশন নিয়ে করে খেলাম কিন্তু অঞ্চল হিসেবে জায়গাটার সংস্কৃতি কে কিসুই বুঝলাম না, এটা আমার একটা ক্রাইসিস, তো উনি কেসটা শান্তিনিকেতনের নাম ব্যবহার করে গুরুত্ত্ব পাবার ছক ভেবে উড়িয়ে দেন নি, বিশেষতঃ এমন একটা দিনে, যখন শান্তিনিকেতনে আত্মজীবনী লেখা বাকি আছে এরকম কেউ ই আর জীবিত নেই ঃ-)))))) আমি শিবাদিত্য র মৃট্যুর পরে মাইরি বহুত বিমর্ষ হয়ে গেছি, অথচ ছাত্রাবস্থায় ওঁরা কালোর দোকানে আড্ডা মারতেন, আমরা পাশের লেজেন্ডারি নবদ্বীপ দার চায়ের দোকানে, সেরকম ভাবে আলাপ ও ছিল না, কিন্তু বই পত্রের খোঁজ করতে গেলেই, কার কাছে গেলে খবরটা পাবো জানতাম। এ মাইরি খুব মন খারাপ করছে, বেশি বয়স ও না, কি যে মারণ রোগে ধরলো। খুব কষ্ট হচ্চেহ অ্যাকচুয়ালি যখন ই ভাবছি। ভাবিনি উনি চলে গেলে কষ্ট হবে, কত লোক ই তো মরে যায়। খ
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:২৮399128
  • পাই, থ্যাংক্স, লিন্ক টার জন্য ঃ-))) ফেবু ছেড়ে সত্যি খুব ভালো আছি, দেখি কতদিন পারি। সবার ফোং নাম্বার টা থাগলে আর সকলের ভ্যাজর ভ্যাজর করার সময় থাগলে বা পাড়া বা কোনো ঠেকের আড্ডা জমে গেলে অ্যাকচুয়ালি মেসেঞ্জার, হোয়াট্সায়াপ সব ই ছাড়া যায়।

    আমার দুটো মেন ব্যাপার ছিল, সকলেরি থাকে, ছোটোবেলার বন্ধু, কোলিগ থেকে বন্ধু হয়ে ওঠা লোকজন দের বা আত্মীয় স্বজন এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা আর পোলিটিকাল অবসারভেশন শেয়ার করা, কারণ একটাই যোগাযোগ নাই, আড্ডাও নাই। কিন্তু এই উৎসাহ কমে গেছে, দীর্ঘদিনে, আর আত্মীয় বন্ধু বাকি নাই, যা এহন আছে তাদের বেশির ভাগের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে ইস্সাই করে না, বিজেপি র সঙ্গে কথা বলতে ভাল্লাগে না, লিবেরাল দের আমি নতুন কি বলবোঃ-))))) এবং আমার পোলিটিকাল অবসারভেশনে কারো কোনো ইন্টারেস্ট নাই, আমারো নাই অ্যাকচুয়ালি ঃ-)))

    সবার ফোন নাম্বার থাগলে, হোয়াট্স অ্যাপ/ মেসেঞ্জার এ থাকার কোন মানে হয় ও না। একটা ঘটনা অবশ্য আমার যে সব ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা আত্মীয় স্বজন বিদেশে থাকে বা ভারতের অন্য জায়্গায় থাকে তাদের খচ্ছা করে ফোং করা টাফ। এই গুলা থাকায় একটা সুবিধা হয়েছে, হয়্তো দু চার বছরে একবার করি, তাও আছে ব্যবস্থা।

    দ্য ফল অ্যান্ড ফল দ্য পাড়ার অ্যান্ড আঁতলামো আড্ডা ইজ দ্য মেন রিজন সোশাল নেটওয়ার্কিং এ থাকা। এই যে ধর গুরুচন্ডালির আড্ডা, এটা আমার এখনো ভালো লাগে, একটা বইয়ের কথা বললে কেউ, অসংখ্য লোক মারতে আসে না, এরকম জায়গাও তো দরকার, আমি যদি কাউকে আপিসে বা পাড়ায় বলি, ইন্দো দানিল খার্মস পড়বে বলছিল, বা সৈকত (১ম এর) উপন্যাস গুলো সত্যি ভালো হয়েছে মাইরি, তাহোলে হয়তো কেউ কেলিয়ে দেবে, বা টিকেট বিক্রি করে অ্যালিয়েন দেখাতে অন্য পাড়ার লোক নিয়ে এলো। বা এমনকি কাউকে বলি যদি রোদেনস্টাইন এর বাড়ির আড্ডা সম্পর্কে সুকুমারের না অমিয় চক্রবর্তী কার লেখা পড়েছিলাম বলতো, উদুম কেলিয়ে দিল হয়তো।

    বই পত্তরের ইন্টারেস্ট ওয়ালা লোকজনের সঙ্গে আমার রিয়েল ওয়ার্ল্ডে যোগাযোগ বহুত কমে গেছে, এইটে একটা বড় সমস্যা।

    আরেকতা ব্যাপার আছে, সেটাও বহু আলোচিত সেটা হল, রাষ্ট্র নির্মাণ ও পরিচালনায় আমাদের নাগরিক দের ভূমিকা প্র্যাকটিকালি মহাশূন্য, তাই এই মতামত দিয়ে আমরা একটু অংশগ্রহন করার আস্বাদ পাই, এটা অ্যাকসেস আর অ্যাসপিরেশন এর সঙ্গেও জড়িত। আমার ভেতরে একটা লোক হয়তো আছে, আমি বোকা স্টার স্টার, আমার কিনা চাগরি আছে, আমি কিনা ইংরেজি তে দু পাতা পড়েছি, আমারি নাকি কোন খাতির নাই, পাড়ায় ড্রেন কাটা হলেও কেউ পরামর্শ চায় না, আমার অমুক আত্মীয়ের অসুখে অমুক হাসপাতালে ঠকিয়ে দিল ইকি রে বাবা। এটার থেকে একটা সম্পূর্ণ হতাশা আসে, তখন মনে হয় অন্তত একটা আলোচনায় পার্টিসিপেট করি। আই ডোন্ট বিলিভ এনিথিং ইজ গৈং টু চেঞ্জ, কিন্তু এই বিজেপির উত্থানের আমলেও যদি বকর বকর না করি কখন করব। এ তো দেশ কে শেষ করে দিল।

    কিন্তু ফ্যাক্ট অফ দ্য ম্যাটার ইজ, এই সব ভাট ইউজলেস, এবং আজ গুরুচন্ডালি ভালো লাগছে বলে কাল ভালো নাও লাগতে পারে। এখানে মামু ভাট বকার কল করে দিয়েছে, লোকে রেসপন্ড করে মজা লাগে, কিন্তু এমনিতে তো বক্তব্যের কোন গুরুত্ত্ব নাই।

    আর পার্সোনাল বন্ধুত্ত্বের যে ব্যাপারটা সেতো যা হয়েছে, সে আর যাবার না, সে থাগবে।

    মানুষের নিজেকে এক্সপ্রেস করার একটা দায়/তাড়া থাকে, সম্পূর্ণ ফ্রুটলেস একসারসাইজ হলেও, অর্গানিক চাহিদা প্রায়, তাই এই ইনটারনেট সোশাল নেটওয়ার্কিং মালটা আছে, সিটি স্কোয়ারে ভাট বকলে তো লোকে ক্যালাবে বা পুলুশে দেবে ঃ-))) তবু মানতেই হবে, প্রচুর সময় নষ্ট হয়, এটা একটা চাপ। সময় টা পেলে নোবেল পুরস্কার ই বল, কর্পো হন্চো হওয়াই বল, ভালো পারিবারিক হওয়াই বল কোনোটাই হত না, তাও এই সময় অপচয় টা মাঝে মাঝে মিনিঙ্গ লেস মনে হয়, কিন্তু মানুষ তো ভ্যাজর ভ্যাজর না কইরা থাকতে পারে না, বিশেষত যারা রিয়েল ওয়ার্ল্ডে একেবারে গম্ভীর বয়ে আকারে ঃ-)))))))) এরকম মানুষের সংখ্যাঅই বেশি, দেশের পলিটিক্স অংশগ্রহন ঠিক ঠাক হলে এত পাবলিক স্টেট মেন্ট ভাট দিতাম কিনা সন্দেহ। এটা একাধারে রেকগনিশন অন্য দিকে অংশগ্রহণের নেশা, এ রোগ বিশেষ। খ
  • Ishan | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৩:২৩399127
  • ইন্দো কি পরীক্ষা নিচ্ছে নাকি রে বাবা?
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:২৯399125
  • টি জি জ্যাকব সম্বন্ধে কেউ চাট্টি জ্ঞান দেবে আমায়? মানে ব্যক্তি সম্বন্ধে,তাঁর লেখাপত্তর সম্বন্ধে নয়।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:১০399124
  • ঈশান একটা শরমবীরচক্র চালু করলে পারে গুরুর জন্য।

    নাহ আমার কাছে নতুন নত। আমি বোধহয় নেটে অতিবৃদ্ধ হয়ে গেছি।
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:০৭399123
  • ফেক বানিয়ে চ্যাট নিয়ে তো অনেক পড়েছি, বহু কেস। কিন্তু এই ইম্পার্সোনেট করে নিজের সঙ্গে চ্যাট করে তার এস এস বিতরণ, চ্যাটে গালমন্দ করা লোকজনকে, এ আমার কাছে অম্তত নতুন। বহু লোকেই ব্যোমকে গেছে!
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:০৪399122
  • ধতার আগেই পোস্ট হয়ে গেল

    আমাদের তেকেনা কব্বে এরই কাছাকাছি থিম নিয়ে গপ্প লিখেছিল আন্দবাজারে। সে কতবছর আগে। বললে হব্যা?
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:০২399121
  • আমাদের তেকেনা কব্বে এরই কাছাকাছি থিম নিয়ে গপ্প লিখেছিল আন্দবাজারে। সে কতবছর আগে।ব
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত