এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৩৪400020
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২৮400019
  • ষড়যন্ত্র কেন হবে? হিন্দি যে 'রাজভাষা' এ তো খুল্লামখুল্লা নীতি।
    বাঙালিরা তো ভাষা শিক্ষায় বেশি দড় নয়, বা বেশি প্রতিভাবান নয়, যে, অন্য ভাষা তাড়াতাড়ি শেখে।
  • lcm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৩400017
  • কিন্তু ভারত যে ধরনের দেশ, মানে একটা ইউনিয়ন টাইপের ব্যাপার, সেখানে "ক্ষমতার ভাষা" ডিফাইন করাও সহজ নয়।
    যেমন হিন্দি ক্ষমতার ভাষা, এবং পশ্চিমবঙ্গে নয় নয় করে হিন্দিভাষী শ্রমিকের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। তারা কি হিন্দিভাষী বলে অন্য শ্রমিকদের থেকে বেশি ক্ষমতাশালী?
    মুর্শিদাবাদের দরিদ্র চাষী পরিবার একটু হিন্দি শিখে রাখার চেষ্টা করে মুম্বই বা দিল্লিতে গিয়ে শ্রমিকের কাজ পাবে বলে, কিন্তু উত্তরপ্রদেশের শ্রমিক বাংলা শেখে না পশ্চিমবঙ্গে এসে লেবারের কাজে আসবে বলে - এটা একটা ইকোয়েশন ঠিকই - কিন্তু এটাকে শুধুমাত্র রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র দিয়ে ব্যাখা করা যায় কি?
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৩400018
  • একমত।
  • Ekak | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১২400016
  • রাজনৈতিক মোকাবিলা করতে তো মানা করিনি। বাজার জিনিসটাও রাজনীতি বাদ্দিয়ে কোনো স্বেচ্ছাচারী নয়, যতটা প্রজেক্ট করা হয়। পাল্টা আগ্রাসন সর্বস্তরে দরকার।

    এখণ যেটা পর্নোগ্রাফিক ট্রুথ, তা হলো যতক্ষন না পাবলিকের ডিরেক্ট সমস্যা হয় ততক্ষন তাকে হাজার পাম্প দিয়েও তাতানো যায় না। ভাষার ক্ষেত্রে বাঙালির জায়গাটা এটাই যে অধিকাংশই কোনো রিয়েল ক্রাইসিস ফীল করেনা।
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০৭400015
  • আমার একটা প্রশ্ন আছে। ধরা যাক, হনু এই প্রবন্ধটি ঠিক যেমন ভাবছে লিখে ফেলল। যতটা চাইছে, ততটাই, বা তার চেয়েও ভালো হল। প্রশ্ন হল, একজন বাংলাদেশের বাঙালি, বা আসামের বাঙালি, বা ত্রিপুরার, বা ঝাড়খন্ডের, এমনকি কলকাতার, যিনি বেশ চিন্তাভাবনা করেন, তিনি কি এই প্রবন্ধটি পড়তে উৎসাহী হবেন?

    আমার অভিজ্ঞতায়, হবেননা। তার একটা কারণও আমি আমি বলতে পারি। কিন্তু বাকিদের মতামত জানার দরকার আগে।
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০৬400014
  • অর বীরভূমের সামাজিক ইতিহাস রচনাদর্শে দু তিনটে বর‌্য ফাঁক আছে, সেটাকেও তত্ত্বায়িত করতে হবে মানে আমি করলে নিশ্চয়ী আরো বাজে কিসু হবে, কিন্তু তাই বলে ছাড়া যাবে না, যাতে আলোচনাটা আরো ভালো করে হয়। খ
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০১400013
  • গত হপ্তায় আমার বেশ উত্তেজনাপূর্ণ আবার খুব কষ্টের ওঠানামা গেছে। বীরভূমে ঘুরেছি, একজন বয়োজ্যেষ্ঠ প্রাবন্ধিক এর সঙ্গে দেখা করতে মুরারই এর কাছে একটা গ্রামে গেছিলাম। বোল্পউর থেকে প্রায় একশো কিলোমিটার দূরে। প্রাবন্ধিক ভদ্রলোক প্রথম পরিচয়ে এত সুন্দর ব্যবহার করলেন, হোম ওয়ার্কে একটি ই প্রবন্ধ পড়ে তাঁর কাছে গেছি, এই লজ্জা আরো প্রগাড় হল। লেখার মধ্যে পড়ার মধ্যে কি পরিমাণে যত্ন ভাবা যায় না। কথা বলছেন, মনে হচ্ছে অনেক দিন আগের একটা বিনীত পরিশিলীত বাংলা আস্তে আস্তে উচ্চারিত হচ্ছে, এরকম করে কথা বলতে যে চর্চা আর বিনয় লাগে, আমার কোনদিন হবে না। প্রণাম করলাম, এমন যত্ন করে আশীর্ব্বাদ করলেন, মনে হল পায়ের কাছে ই বসে থাকি।
    একজন নাট্য পরিচালক আর এক অসুস্থ অধ্যাপক প্রচুর সময় দিলেন কথা বলার জন্য।, প্রচুর প্রশ্ন করেছি, সাক্ষাৎঅকার নেবার সময়ে, প্রশিক্ষিত না হবার কারণে ভাট বকেছি কিছু মনে করেন নি।

    পরে যখন লেখা টার পরিকল্পনার কথা বলেছি, তখন বুজেছেন হয়তো পারবো না, কিন্তু উৎসাহ দিয়ে গেছেন। কত লেখা / বই পড়তে দিয়েছেন দুজন ই ভাবা যায় না।

    আরেক জন স্বল্প পঠিত ঔপন্যাসিকের বই পেয়েছি, এক বন্ধুর সাহায্যে, আরেকজন সম্পাদক, ৬০ ৭০ দশকে ছোটো পত্রিকা চালাতেন বোলপুর থেকেই, তিনি কথা বলেছেন, পরিবারের একজনের অসুস্থতা খুব বেড়ে যাওয়ায় দেখা করতে পারিনি। সব মিলিয়ে বেশ মনের উপরে চাপ। কিন্তু এই যে পাগলের মত ঘুরে বেড়াচ্ছি, কুড়ি তিরিশ বছর আগে যাদের পড়ার কথা, যা পড়ার কথা এখন আবিষ্কার করছি / পড়ছি। ভালো লাগছ, কি পরিমাণে উৎসাহ দিচ্ছেন লোকে, লাইব্রেরির লোকেরা, পুরোনো বন্ধু রা, যাঁদের সাক্ষাৎঅকার নিতে পারছি তাঁরা ভাবা যায়া না। কাজটা যদি নাও পারি এ অভিজ্ঞতা ফ্যালার না। যিনি আনন্দ উত্তেজনা কিছু না করে উঠতে পারার দুঃখ পারতেন, তিনি যদিও মোটামুটি বোধশক্তি হারাতে বসেছেন। কিন্তু বীরভূমের লেখক শিল্পী প্রাবন্ধিক নাট্য পরিচালক দের আবিষ্কারের একটা নেশার মধ্যে আছি আপাতত, সব যে ভালো লাগছে তা না কিন্তু এটা একটা মজার ব্যাপার। আমার শিকড় আমি যদিও দাবী করি বীরভূমে, কিন্তু সেটা দাবী মাত্র। আমরা একটা সেটলার কমিউনিটি র অংশ, কিন্তু জানার একটা ইচ্ছে আমার আছে, এটা এক ধরণের আত্মপরিচয় খোঁজার তাড়না, কিন্তু এই খোঁজে ব্যর্থতা অবশ্যম্ভাবী, কারণ কোন ওয়ার্ক অফ আর্টের সঙ্গেই সম্পূর্ণ একাত্মতা সম্ভব না। সব মিলিয়ে ভালো ই লাগছে। এই নিয়ে গোটা ছয়েক ইনটারভিউ আর পঞ্চাশের বেশি গল্প প্রবন্ধ নাটক পড়া হয়ে গেল। গোটা তিনেক মৃত পত্রিকার সন্ধান পাওয়া গেল, আরো যাবে, সব মিলিয়ে খারাপ না। বীরভূমে যে শুধু রাজনৈতিক এলাকা দখল আর প্রতিষ্ঠানের স্খলন ঘটে না, এটা কোন ভাবে লিখে যেতে হবে। খ
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০০400012
  • উড়িয়া আর ভোজপুরিকে ধরা খুবই চাপের। ভোজপুরিকে অফিশিয়ালি হিন্দির মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলা হয়েছে। ওড়িয়ারা বাঙালিদের থেকেও বেশি হিন্দিকে আপন করে নিয়েছে। বি গ্রেড হিন্দি মুভিও রেডি আছে সর্বত্রই।

    আগ্রাসন বিরোধিতা একটা রাজনৈতিক কাজ। শুধু বাজারের নিয়ম দিয়ে তো চলেনা। ভারতীয় কেন্দ্র্রীয় সরকারের মদতে এটা একটা রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদী প্রকল্প। রাজনৈতিক মোকাবিলাটাও জরুরি।
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৫৫400011
  • আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সাধ্যমত আগ্রাসী হতে হবে। কেঁদে কী হবে। হইচই যেটুকু যা বানাচ্ছে সেগুলোকেই ডাবিং করে উড়িয়া আর ভোজপুরীর মার্কেট টা ধরুক না। দুটো পুঁজি ঘরে আসবে। মেটেরিয়াল গুলো মানে ওই বৌদি সিরিজ ইত্যাদি ব্যাপক কাটবে ভোজপুরিতে। তো সেটা বলতে গেলে দেখবে কালী ঠাকুরের জিভ বেড়িয়ে পড়েচে। জমি বানিয়ে জল বাতাসা আসন পেতে দিলে তবে বাঙালি খেলবেন।

    আগ্রাসন একটুও মিথ্যে না। তার পাল্টা যখন যেখানে সম্ভব আগ্রাসী হওয়া। আমি কাওকে আগ্রাসন করবনা আর আমাকেও কেও করোনা, এটা একটা কফি হাউসি স্ট্যানড। বহুকাল শুনছি, কোনো কামের না :/
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২০:১৯400010
  • বঙ্গালিরা দেশভাগের পর থেকে সংকটকে সংকট বলে ভাবতে ভুলে গেছে।

    এই ধরুন, এখন নেটফ্লিক্সে তেড়ে ওয়েব সিরিজ আসছে। লক্ষ্য করে দেখবেন, 'ভারতীয়' যেগুলো, সবই ইংরিজি কিংবা হিন্দি। অন্য কোনো আঞ্চলিক ভাষা নেই। কেন? নেটফ্লিক্স কি চক্রান্ত করছে? করতেই পারে, কিন্তু আমি জানিনা। অতএব ধরা গেল করছেনা। কোনটা করলে বাজার ধরা যাবে হিসেব করে করছে। পরের প্রশ্ন হল হিন্দি-ইংরিজির বাজার বেশি কেন? ইংরিজিটা নমিনাল এখানে, হিন্দির বাজার বেশি কেন? কারণ বোম্বে এবং 'জাতীয় কার্যক্রম' দিয়ে সরকারি ভাবে অর্ধশতাব্দীরও বেশি ধরে 'সর্বভারতীয়' ভাষা হিসেবে হিন্দিকে প্রোমোট করা হয়েছে, প্রায় ধরে ধরে গোটা ভারতের লোককে সরকারি খরচায় হিন্দি শেখানো হয়েছে। এখন সবাই হিন্দি বুঝবে না তো কি? আর সবাই যখন হিন্দি বোঝে তখন নেটফ্লিক্স খামোখা পয়সা খরচ করে অন্য ভাষায় টিভি সিরিজ বানাবে কীসের আনন্দে?

    এটা এতই সহজ ইকুয়েশন, যে, না বোঝার কিছুই নেই। কিন্তু যেকোনো বাঙালিকে জিজ্ঞাসা করুন, এতে আধিপত্যবাদের বা কোনঠাসা হবার কিছু দেখছেন কি? সবাই বলবেন, কই না তো। 'হিন্দিতে ভালো হয় তাই দেখি, বাংলায় হলেই দেখব'। তারপর ক্রিয়েটিভিটি, কোয়ালিটি ইত্যাদি নিয়ে গুচ্ছা ভাট। অথচ বাংলায় 'ভালো' হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। কারণ বাংলায় ওয়েব সিরিজ বানায় হইচই টিভি। আর হিন্দিতে নেটফ্লিক্স। পুঁজির জোরে কোনোভাবেই কাছাকাছিও আসেনা। এইটা জ্বলজ্যান্ত বৈষম্য। কিন্তু বলা যাবেনা। 'সংকীর্ণ', 'প্রাদেশিক' ইত্যাদি হয়ে যাবে। বাঙালিরাই 'আমরা বাঙালি' বলে ব্যঙ্গ করতে পারে।
  • lcm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৫৯400009
  • ব্রেজিলের মানুষ যখন দেখে যে ট্যাক্সও দেবো, এদিকে সরকারী বাসের ভাড়া বেড়ে যাবার পয়সাও দেবো, তখন তারা রাস্তায় নামে -
  • lcm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৫৩400008
  • ঃ-) আই অ্যাম ক উইথ খ।
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৫২400007
  • ট্যাক্সো দেবো না যারা বলে তারা-ই প্রাইভেট ফর প্রফিট এডুকেশন আর হেল্থ সেক্টর এর ব্যবসা-বাড়া-পন্থী। আই অ্যাম টোটাল এগ্রি। খ
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৪৭400006
  • হ্যাঁ পুলিশ খুন করলে, এনকাউন্টার করলে শুধু পুলিশের দোষ হওয়াটা একটা ইমপ্লিমেন্টেশন প্রবলেম, কারণ পুলিশ পোলিটিকাল অর্ডার নিয়েই কাজ করে। এমনকি এ সম্পর্কে ভালো লেখাও আছে। আই অ্যাম এগ্রি। ঃ-))) খ
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৪৫400005
  • একি এল সি এম, এগুলো সব ইম্প্লিমেন্টেশনে প্রবলেম অথবা পাঁড় কমিউনিস্ট প্রবলেম। এরকম বলতে নেই। এ সম্পর্কে আমরা ভালো লেখার লিংক ও দিতে পারি ঃ-) ইউ অ্যাম এগ্রি ঃ-))) খ
  • lcm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৪৪400004
  • এডুকেশনে প্রাইভেট ছাড়া উপায় নেই, হেলথকেয়ারেও প্রাইভেট ছাড়া উপায় নেই -- তাহলে ট্যাক্সোর পয়সা দিয়ে হচ্ছে টা কী? সেটাও তো দেখ্তে হবে, নাকি?
  • aka | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:১৩400003
  • আরে বাবা খনু ট্যাক্সো দেব না অথচ সরকারকে সব করতে হবে, সরকারের কি টাকার গাছ আছে? যতবেশি সেফটি নেট চাই তত বেশি ট্যাক্সো দিতে হবে। ব্রাজিলের সরকারী টাকা এই ভাবেই আসে। এবারে কোথায় কতটা ট্যাক্সো বসবে একি একদিনে ঠিক হয়? হয় না। সময় লাগে।
  • sm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৮:৩৬400002
  • সেই একই তো প্রবলেম। চাপের কাছে নতি স্বীকার। হাজার হোক পুলিশের চাকরী! ওপর ওয়ালার চাপ, রাজনৈিতিক নেতাদের চাপ।
    কি আর করবে বেচারা!অনেক টা ব্যাংকার দের মত অবস্থা!
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৮:২৫400001
  • এগুলো সব ই ভালো, সুদু ইম্প্লিএমেন্টেশনে পবলেম, ইত্যাদি। খ
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৮:১৯400000
  • "The Indian state where police kill with impunity......" খ
  • avi | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৮:০৯399997
  • আমার শেষ সিকিম ট্রিপে ড্রাইভারের সাথে বেশ গপ্পো হচ্ছিল এইসব রকমারি নিয়ে। ভদ্রলোক নেপালী। বলছেন একবার বাংলাদেশের কিছু ট্যুরিস্ট নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন। বলছেন, সিকিমে নাকি বিদেশীদের যাওয়ার বেশি কড়াকড়ি আছে, কিন্তু তাঁদের বাংলা ভাষা হওয়ায় সমস্যা হয় নি। তারপর হেসে বললেন, আসলে বোঝা যায়, আপনাদের বাংলা আর ওঁদের বাংলা অনেক আলাদা, কিন্তু ওই আর কি। তার কিছু পরে বললাম, নেপাল গেছেন? বললেন, এই পশুপতি মেচিনগর গেছি, কাঠমাণ্ডু গেলে সমস্যা হয়। ওদের আর আমাদের ভাষা বড় আলাদা, অসুবিধে হয়।
  • r2h | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৪৩399996
  • 'নামতা শোনায় একশো উড়ে'

    আমার আবার চন্দ্রিলের বক্তব্য ব্যাপক লেগেছে। একটু চ্যাচামেচি না করলে চলে না।

    কে যেন একজন লিখেছে আয়োজকরা প্রস্তাবের পক্ষের জয়ই চাইছিলেন, না হলে চন্দ্রিল রূপমদের ওদিকে আর শ্রীজাত সুবোধদের এদিকে রাখতেন।
  • sm | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৩২399995
  • তবে বাঙাল ভাষাটা যাচ্ছে তাই। ওর চেয়ে উড়িয়া নামতা ভালো।))
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:২৯399994
  • ভাষা নিয়ে নাক শিটকানো সব জায়গাতেই আছে। কাঠমান্ডুর জনতা দেখতুম ভরতপুর বা পোখরা থেকে আসা লোকদের ভাষাকে বলে আন্কাল্চার্ড। এমনিতেই কাঠমুন্ডুর নেওয়ার রা খুবই নাক উঁচু কাস্তিস্ট। আবার ভুটানের অধিবাসী নেপালি যাঁরা তাদের নেপালি আর কাঠমুন্ডুর নেপালি থ্রৈং পুরো আলাদা। এই নিয়ে দুপক্ষের ই নিজস্ব বক্তব্য আছে। ভুটানি রাই বা লিম্বুদের চোখে নেপালের নেপালি বড্ড ন্যাকা ন্যাকা। আর ওরা মনে করে এইদিকের লোকগুলো অভদ্রের মত নেপালি বলে :))) সে সব খুবই হাস্যকর স্নবারি আর কী।
  • সিকি | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৩:৪০399992
  • তো সেই কেরালাভ্রমণের শেষদিনে ড্রাইভারবাবুকে বললাম আপনিও আমাদের সাথে আসুন, আজ লাঞ্চ করুন, তো উনি সলজ্জ মুখে "কী খাবেন" প্রশ্নের উত্তরে বার দুয়েক বললেন, পীফ। ঐ প আর ব মোটামুটি একই, সেই কনসেপ্টে ভর করে বুঝলাম, উনি বীফ খেতে চাইছেন। কেরালা পরোটা আর বীফ কারি খেলাম সাঁটিয়ে।

    কোচিনের সমস্ত শপিং মলএ সিকিওরিটি ইত্যাদি সমস্ত হিন্দিভাষী। স্থানীয় লোকেদেরও দেখলাম হিন্দিতে কথা বলছে তাদের সাথে।
  • সিকি | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ১৩:৩৭399991
  • পুরো ডিবেটটা দিলাম। শুধু চন্দ্রিল শুনবেন কেন, সবারই শুনুন, শুনে ঋদ্ধ হোন।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত