এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৪২400081
  • ইয়ে, আমি পোস্ট করে দেখলাম, খ একটা মেগাটন সাইজের পোস্ট করেছেন। তো, আমি কোনোমতেই ওনার সাথে ঝগড়ায় যেতে চাই না। আমার ১১ঃ৩৮ ওনার পোস্টের সাথে সম্পুর্ণ সম্পর্কবিহীন, এটাই প্রতিপাদ্য।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৮400079
  • কিন্তুক ভাষার স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন হলে সেখানে রাজনীতি এড়ানো যাবে কি? কোথায় পড়েছিলাম, (লিংক নাই) আজকের স্ট্যান্ডার্ড বাংলা হল কৃষ্ণনগর-শান্তিপুরের (বাংলাদেশীরা বলেন নাটোর/রাজশাহী) কথ্য বাঙলা। তো তাকে নিশ্চয় ঠেলেঠুলে, বিদেশী বা স্বদেশী শাসকরা/ সাহিত্যসেবীরা জাতে তুলেছেন। মানে "বাঙলা" যখন এ ক টা ভাষা হয়ে উঠলো, সমস্ত বাঙালীর (ভৌগোলিক অর্থে), তখন চাটগাইঁয়া বা সিলেটি বা মানভূমি ভাষা কলকে পেলো না।

    সেটাই, কি বৃহত্তর ক্যানভাসে হিন্দির ক্ষেত্রে খাটে না?
  • | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৭400078
  • এবার এই নেটফ্লিক্স বা আমাজনের ব্যাপারে ইশানের এই অভিজ্ঞতা যেটা সেটা সত্যি ই সিরিয়াস অভিযোগ। কিন্তু অলটারনেটিভ কি একেবারে নেই। আর আঞ্চলিক সংস্কৃতির এই সরকার মুখাপেক্ষীতা টা তাকে সাবালক হতে দিচ্ছে না কিনা বা একটা ক্লায়েন্ট পেট্রন কালচার কে পারপেচুয়েট করছে কিনা এটা একটু ভাবতে হবে, তবে অভিজ্ঞতা টা ভয়ানক। খ
  • | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৪400077
  • খ - হিন্দী ভাষী র মধ্যে অনেক খেয়ে ফেলা ভাষা আছে। শুধু ছত্তিস গড়ে বা মধ্য প্রদেশে কত ভাষা ছিল কোনো ঠিক নেই। আদিবাসী ধরলে প্রচুর, মৈথিলি ভোজপুরী সাউথ নেপালের ভাষা গিলে ফেলা হয়েছে। আইরিশ গেলিক বা ওয়েল্শ ভাষাকে ইংরেজি ঠিক যে ভাবে গিলেছে সে ভাবে। এটা বুঝতে অসুবিধে থাকলে ছুটে আসুন চাড়া কিসু বলার থাকে না।

    এগুলো এত বড় বড় বিষয়, এবং এতটাই ইরিভারসিবলে ভাবে তৈরী করা হয়েছে, আলোচনাতেও কিছুক্ষণ পরে অ্যাফরিজম ছাড়া কিসু করার থাগে না।

    তবে বাঙালি ন্যাশনালিস্ট পজিশন টাকে দু তিনটে দিক থেকে আমি কম্ব্যাট করার চেষ্টা করি। সেটা সৈকতের উষ্মার দিনে একটু স্মরণ করিয়ে দিতে চাই ঃ-) পোস্ট তো রেফর করছিনা, দীর্ঘদিনের আড্ডায় বন্ধুত্ত্বে প্রকাশিত কতগুলো বিষয় কে রি-ইটারেট করছি বা আর্টিকুলেট করছি।

    প্রথম যেটা সেটা দ্য ইন্ডেস্ট্রাক্টিবিলিটি অফ সুনীতিবাবু। এই যে সুনীতিবাবুর চর্যাপদ থেকে আধুনিক বাংলার কন্টিনুইটির দাবী এবং হঠাৎঅ করে অন্য অনেক ভারতীয় ভাষার থেকে আর্লি ডেভেলপমেন্ট এর দাবী এটা কতটা সাসটেনবল প্রশ্ন করার দরকার আছে, এবং এটাকে বাংআই ন্যাশনালিস্ট পজিশন হিসেবে দেখবো না কেন বুঝি না। এটা অহমিয়া এবং ওড়িয়া ইন্টেইজেন্শিয়ার সঙ্গে যাঁদের বিন্দুমাত্র পরিচয় আছে, বুঝতে পারবেন, কি পরিমাণ ডিস-অ্যাফেকশন, অ্যালিয়েনেশন এতে তৈরী হয়েছে। অবশ্য আমরা পোঁদপাকা ডেলি প্যাসেঞ্জার গোছের লোক, আকাদেমিয়া বা পোলিটিকাল আলোচনার জগতে এই বিষয়ে একেবারে কাজ হয় নি, ভাবার কোন কারণ নেই। তবে একটা দিক রয়েছে, এই দলিত সাহিত্য ইত্যাদি আলোচনায়, পেডাগোজিকাল বা কারিকুলার মতাদর্শের দিক থেকে দেখলে ঘটনা যেটা বাংলা ভাষা সাহিত্যের চর্চা যে গতিতে নতুনের সন্ধান করেছে, ইংরেজি ভাষা সাহিত্যের বিভাগ গুলো অফ অল পিপল, আমাকে খানিকটা আশ্চর্য্য করে দিয়েই বেশি তাড়াতাড়ি অ্যাডপ্ট করেছে। সিলেবাসের স্ট্রাকচার দেখলে এটা বোঝা সম্ভব, স্বাধীনতা পরবর্তী নতুন রাইটিং সেখানে ছাপ বেশি ফেলেছে, বা ইনক্লুডেড হয়েছে। কারণ টা সোজা, কারণ ক্ষমতা র এবং ডিসেন্টের একটা অঞ্চল কে অতিক্রম করার একই রকম আর্জেন্সি আছে। এটা আমাদের রাষ্ট্রের গঠনের ফল, এবং অঞ্চল কে নেগোশিয়েট করার একটা উপায়, তার থেকে প্রচুর বিষের সঙ্গে এটুকু অমৃত বেরিয়েছে এটা স্বীকার করা দরকার।

    এটার পরে আধুনিকতা ও তৎঅপরবর্তী উৎকর্ষের দাবী। এটা আর কোন ভারতীয় ভাষায় হয় নি এই দাবী হাস্যকর। হিন্দী, সরকারী পেট্রোনেজ পেয়েছে এটা যেমন ঠিক তেমনি এটা বুঝতে হবে, নানা তালেগোলে, অবধী/ আওয়ধী, প্রি কলোনিয়াল আর্বান কালচারের আপাতত উত্তরসুরী হিন্দী/উর্দু/পাঞ্জাবী চর্চা যেটা পার্টিশনে ঘেঁটে গেলেও ঐতিহাসিক সত্য। সুধুই বলিউড ইনক্লুডিং গুলজার দেখে এর বিচার করা কঠিন, আরো খবর রাখতে হবে। এভিডেন্স প্রচুর।

    এর পরের বিষয়্টা হল, এটা মনে করার কোন কারণ নেই, স্বাধীনতা বিশেষত মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাঙালি ন্যাশনালিজম এর ভারতীয় চ্যাপটার, ভারতীয় ন্যাশনালিজম এর দ্বারা প্রভাবিত না, বা তার পজিশন শুধুই রাষ্ট্রের কেন্দ্রানুগ চরিত্রটির সঙ্গে অসম লড়াই য়ে ক্লান্ত। এটা বোঝা দরকার, ইন ফ্যাক্ট, লিটল ম্যাগের সামাজিক ইতিহাস দেখলে এটা স্পষ্ট হয়, এই ধরুন ৭১ এর পরে শুধু দেশ এবং ক্রমশ দেশ এর বড় হওয়া, আর বারোমাস, এক্ষন অনুষ্টুপ আরো নান পত্রিকার লিটল হয়ে যাওয়াটাই এই বিষয়ের এভিডেন্স। কলকাতা কেন্দ্রিকতা এর আরেকটা দিক।

    বিশুদ্ধতা হল আরেকটা সমস্যা। উচ্চবর্ণের সামাজিক দুশ্চিন্তা যেমন বাংলা লেখালিখির একটা চালিকাশক্তি, সেটা ইন্টারেস্টিংলি জেলায় আরো বেশি প্রকট। এটার নানা কারণ রয়েছে সব আলোচনার স্কোপ কম। ষাট দশক পরবর্তী নাগরিকতা এবং নতুন সেন্সিবিলিটি র একটা কনফ্লিক্ট হল, রাজনৈতিক সাহিত্য এবং সামাজিক বিষয়ে নিরীক্ষামূলক সাহিত্যের মধ্যে লেখা লিখির মধ্যে একটা শিবির বিভাজন। নারীবাদী রা রাজনৈতিক সাহিত্যের জগতে জায়গা না পেয়ে বাজার সাহিত্যের তৈরী করা স্পেস ব্যবহার করতে খানিকটা বাধ্য হলেন কেন সেটা ভাবার বিষয়।

    তো এই ইসু গুলো তে আমার একটা জেনেরালি রিজিওনালিজম বলতে যা চলে, অঞ্চল চর্চা, আঞ্চলিক ভাষার আইডেন্টিটি ইত্যাদি বলতে যা চলে তার প্রেক্ষিতে একটু বক্তব্য হ্যাজ। বলা বাহুল্য আমি শিশু অজ মাত্র, কোনোটাই আমার মস্তিষ্ক প্রসূত কিছু না, একটা নানাবিধ আলোচনার, পক্ষ ও বিপক্ষ থেকে শেখার চেষ্টা মাত্র। আইডেন্টিটি একটা সম্পূর্ণ বড় সাবজেক্ট সেটাতে না গিয়ে যা পারি বললাম।
    বলিউড সংক্রান্ত বিষয়ে একটা বই প্রাণ রক্ষার্থে এডিটিম এ সাহায্য করতে গিয়ে একটি কথা মনে হয়েছিল, সেটি বলে যাই, যদিও আবার অরিজিত বলবে, কাঅরো কারো কোন কাজ নেই ঃ-) ভারতবর্ষে কাকা, সেকুলারিজম প্রোজেক্ট প্রথম থেকেই বচ্ড, তো সেই পরিস্থিতিতে বম্বে ফিলম্স কে একটা ওয়ার্কেবল অ্যাপ্রক্সিমেশন অফ হোয়াট সেকুলাইজম কুড বি, এ ভাবে দেখার একটা প্রচেষ্টা হয়েছে। কোল্হাপুর এর মারাঠি ফিল্ম, গুজরাটি ফিলম, পাঞ্জাবি ফিলম ইত্যাদি থেকে খানিকটা বেরিয়ে এসে বম্বের এই নতুন ইন্ডাস্ট্রি স্রেফ নতুনত্ত্বের কারণেই নানা ধরণের লোকের একটা আর্বান সহাবস্থানের জায়গা হয়ে উঠছে, মান্তো চলে যাচ্ছেন ঠিক ই কিন্তু একেবারে সবটাই ফাঁকা ময়দান থাকছে না, ইত্যাদি এই দৃষ্টিভঙ্গী অনেক ফিলম ইনডাস্ট্রি র ইনস্টিটিউশনাল হিস্টরি লিখেছেন খুব কম লোক, তাঁদের একাংশের এটা মতাম্ত। এখন আঞ্চলিক এনগেজমেন্ট, সাউথ ইত্যাদি এই মডেলে নেই, তাই এই আলোচনা চলছে চলবে, কিন্তু আর্বান হিস্টরি র দিক থেকে দেখলে হতাশা কম হয় এটুকু বুঝি।
  • | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:০১400076
  • ইশান একটা ইন্টরেস্টিং কথা বলেছে তো। আমাজন সত্যি সত্যি বাংলা বই রাখতে চায় না! ওরা বছর দুই তিন আগে রিজিয়নাল ভাষায় কিন্ডল বই আনল। তো, তাতে তখন ৫টা ভাষা ছিল। হিন্দি, মারাঠী, তামিল, মালয়লাম আর গুজরাটী। কি রাগ যে হয় দেখে দেখে! এর কারণ কি এমন হতে পারে বাংলা বই এর কিন্ডল কপি, মানে অথেন্টিক নতুন বইয়ের কিন্ডল কপি অনেক কম প্রকাশ হয় তাই? সেক্ষেত্রে বোধহয় আরো অন্তত দুই একটা প্রকাশকের সাথে মিলে নিজেদের কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে ইপাব বের করে তাতে মোবি কেনার অপশানও রাখলে কিছুদিন পরে বাজার দেখলে আমাজন নিজেই আসবে।

    ফ্লিপকার্ট ট্রাই করে দেখা মুশকিলো কারণ এরা কেবল কোবোতে পড়ার মত বই দেয়। ছাতা মাল্টি ডিভাইস পোর্টেবিলিটিই নেই। এদিকে আমি এবং আমার মত কিছু পাবলিক তো আছেই যারা পয়সা দিয়ে প্রপার ইকপি কিনে পড়তে ইচ্ছুক।

    ইশান কি ডিআরেম লকড ইবই ঠিকঠাক কপি তৈরী করে ফেলেছ? গতবছরের পুজো ইস্পিশ্যাল তো আমি বেশ কয়েকবার রিভিউ করে দিয়েছিলাম, একটা ঠিক করলে আরেকটা ঘেঁটে যাচ্ছিল। এরকম করে বোধহয় চতুর্থ কি পঞ্চম রিভিউতে ঠিকঠাক আসে। এতদিনে ওটা তাহলে স্ট্রিমলাইনড হয়ে গেছে।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:৪৪400075
  • একজন বাঙ্গালী একজন তামিলের সঙ্গে ইন্জিরিতে কথা বলবে কিন্তু হিন্দি বললে নাকি রাষ্ট্রের প্রতি বিশেষ প্রীতি দেখানো হয়ে যাবে!! অথচ বাংলার চ্যানেলে, চ্যানেলে, মাল্টিপ্লেক্সে বা হলে হিন্দী গান আর সিনেমা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
  • dc | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:৪০400074
  • এই দ্যাখেন, আমি মোটেও বলি নি যে আপনি খারাপ লেখেন বা ট্যালেন্টলেস। বলেছি যে আপনার লেখাটা জটিল, মানে সেনটেন্সগুলো ওই স্ট্রিম অফ কনশাসনেস টাইপের। আমার ফলো করতে একটু অসুবিধে হয়, কিন্তু সেটা তো আমার অসুবিধে, অন্য অনেকেরই হয়না। এনিওয়ে, এটা নিয়ে আর আলোচনা করার মানে হয়না।

    তাছাড়া বাংলা ভাষা-সিনেমা-নাটকের চর্চা কেন বাড়ছে না সে নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই। হিন্দি ভাষা নিয়েও নেই অবশ্য।
  • | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:২৯400073
  • খ - ডিডি দার এখন একটু উষ্ট্র দশা চলছে ঃ-))) নেহাৎ সরল ও গোলগাল নন তাই গালাগাল করা যাছে না।
    ডিসি, শুধু বাজে লেখার জন্য পোবোন্দো পড়বে না তা ঠিক না, মানে সেটা হলে অ্যাকচুয়ালি খারাপ হত নাঃ-))) একেকটা সময়ে একেকটা বিষয় / এলাকায় মানুষের আগ্রহ বাড়ে। এবার সেটা রাজনৈতিক কারণ থাকে। কাল থেকেই তোমাদের করা আলোচনাটা ব্যক্তি র ঊর্ধে উঠে গেছে খানিকটা। তবে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে আমি অস্বীকার করছি যে আমি খারাপ লিখি বা কমপ্লিটলি ট্যালেন্টলেস ঃ-) এটা আমাকে অনেকেই বলেছে এবং নিয়মিত বলে থাকে,এখানেই, দ্যাট্স পার্ট অফ দ্য ব্যান্টার, ইত্জ ওকেঃ-))) এখানেই অনেকে প্রফিউজলি ট্যালেন্টেড, কিন্তু তাতে কি হয়েছে। এখনো বড় ইভ্যালুয়েশন এর সময় কিসু আসে নি। কিন্তু আমি ফিডব্যাক কে পাত্তা দি ই না। গাঁড়োল অথবা সিপুয়েম যা খুশি বলতে পারো, তবে আরো কতগুলো কারণ আছে, যেমন ধর, এই যে ঝরঝরে লেখা, বা মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা এগুলো রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক কনস্ট্রাক্ট, এগুলো তে সাবস্ক্রাইব করার কোন মানে খুঁজে পাই না। যাই হোক বিষয় টা ব্যক্তির ঊর্ধে, গুরুচন্ডালি র ভাট ও ব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ না থাকলেই ভালো। আনলেস উই আর ডিসকাসিং কল্লোল দা 'জ রচকে কমরিয়া অর ডিডি দা'জ সেক্স অ্যাপিল কমপেয়ার্ড টু রাজ কাপুর, হু ক্লিয়ারলি হ্যাড মোর 'ফান', বিকজ অফ বম্বে ডমিনন্স ;-)
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:২৭400071
  • আর বিশুদ্ধতা তো একটা পারফেকশনের ব্যাপার - যারা বাংলা ভুল বলছে বা লিখছে, বা বাংলা ভাষাকে হ্যাঠা করছে, তারা যে ইংরেজি বা হিন্দি খুব বিশুদ্ধ বলছে বা লিখছে তা নয়।
  • T | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:২৭400072
  • এবং কাঠি করে সাইডলাইন করার চেষ্টাও চলছে। রুখে দাঁড়ান, মুরগীকে ডিম অবস্থাতেই খেয়ে ফেলুন। :)
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:২৪400070
  • অফ্‌ কোর্স, বাংলা সিনেমা হচ্ছে, গান হচ্ছে, বই ছাপানো হচ্ছে, তর্ক হচ্ছে - - সবই তো হচ্ছে
  • T | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:১৯400069
  • আমি আবার আমাজন অভিযান দেকতে গিয়ে দেখলাম হাউস্ফুল। সে যাক গে, হিন্দী সিনেমার চেয়ে বাংলা সিনেমা বেশী ব্যবসা করছে সেসব কেউ বলছে না বোধহয়। কিন্তু চাহিদা না থাগলে এবং ইন্ডাস্ট্রি ডুবে গেলে বাংলা সিনেমা বানাচ্চেই বা কারা? কোন মূর্খ!
    এরপর ডিম ও মুরগী লজিক চলে আসবেই ফলে হামার আর কিছু বলার নেই। :)

    খনুদার প্রবন্ধ অনুধাবন কত্তে একটু দীক্ষিত হতে হয়। তো মেনস্ট্রীমে চর্চা বাড়লে বীরভূমের লোকইতিহাস হয়ত আদখানা লোকে পড়বে। কিন্তু মেনস্ট্রীমকেই কাঠি কল্লে ওই আদখানাও আর থাগবে না। এইরকমই মনে হয়।
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:১৩400068
  • ২০১১-র সেন্সাস ডেটা থেকে ---
    ভারতে
    হিন্দিভাষী - ৫২৮,৩৪৭,১৯৩ (৪৩.৬৩%)
    বাংলা - ৯৭,২৩৭,৬৬৯ (৮.০৩%)
    মারাঠী - ৮৩,০২৬,৬৮০ (৬.৮৬%)
    তেলুগু - ৮১,১২৭,৭৪০ (৬.৭%)
    তামিল - ৬৯,০২৬,৮৮১ (৫.৭%)
    ।।।
    ...
    এবার বুঝুন ...

    https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_languages_by_number_of_native_speakers_in_India
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:১১400067
  • সে অনেক অনেক বিকজ। একটা হিন্ট দিইঃ আই এ এস পরীক্ষার ভাষা। সরকার আসে যায়, আই এ এসরা থেকেই যায়।
  • dd | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:০৫400066
  • "হ্যাঁ হিন্দির প্রচারের জন্য দিল্লি সরকারের গুচ্ছ মদত এই কিছুদিন আগে অবধিও স্পষ্টতই ছিলো"।

    হ্যাঁ, সে তো বুঝলাম। মানলাম ও। কিন্তু গত গত সাত দশক ধরেক হরেক কিসিমের কেন্দ্রীয় সরকার একই জিনিস করেছে এবং করেই চলেছে কীসের জন্য ? আর সে ও বিভিন্ন দলের সরকার। নানান প্রদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    সিপিএম (পড়ুন পঃ বংগ,কেরল, ত্রিপুরা) সমর্থন তুলে নিলে তো কংরেস সরকারই উল্টে গেলো। বিভিন্ন সময়ে অহিন্দিভাষী এম পিদের সাপোর্টেই কেন্দ্রীয় সরকার চলে। এখনো চলছে। অহিন্দিভাষী রাজ্যের সাপোর্ট ছাড়া সরকার টেঁকানো অসম্ভব।

    "দিল্লী সরকার " তো সাত দশক ধরে একই সরকার নয়। তাদের কিসের এই হিন্দী প্রীতি ? হোয়াট ইজ দ্য বিকস ?
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৫৬400065
  • হ্যাঁ হিন্দির প্রচারের জন্য দিল্লি সরকারের গুচ্ছ মদত এই কিছুদিন আগে অবধিও স্পষ্টতই ছিলো।

    ২০১৭ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসে হিন্দি সিনেমা রিজিল করেছিলো ২৫টা আর বাংলায় ৭টা (উইকিপিডিয়া)। সিনেমাগুলোর বাজেট নিয়ে আর কি বলবো? এখনো বাংলায় একটা বড় মাল্টি স্টারার তৈরী হয় ৩-৪ কোটি টাকায়। সবথেকে সফল বাংলা সিনেমা ব্যবসা করে ১০-১২ কোটি টাকা। এই টাকাটা বলিউডের প্রথম সারির নায়িকারা সিনেমাপ্রতি নিয়ে থাকেন।

    এই গরমকালে একটি অখ্যাত হলে এক বাংলা সিনেমার ওপেনিঙ্গ ডেতে দেখতে গেছিলাম - মোটে ২০ জন লোক হয়েছিলো। আর সবই নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের লোকজন। আগে অ্যামাজন অভিযান দেখতে গিয়েও দেখি মাল্টিপ্লেক্সে প্রথম সপ্তাহে আদ্ধেকও ভর্তি হয়নি। অথচ দিলওয়ালের মতন জঘণ্য সিনেমাতে হাউস ফুল হয়। বাঙালী ভদ্রলোকেরা বাংলা সিনেমা হলে গিয়ে দেখা প্রায় বন্ধই করে দিয়েছেন। এক যদিনা সেটা ফেলুদা বা ব্যোমকেশ বা শবর হয়।

    বাংলা সিরিয়ালগুলো নিয়ে বেশি নাচানাচি করে লাভ নেই। তারা সব চুনোপুঁটি কেস। ও জিনিস তৈরী করতে পয়সা প্রায় লাগেই না। ছমাস ধরে দাদাগিরি করে দাদা নাকি ৫ কোটি পান। সোনি টিভি থেকে কপিল শর্মা এপিসোড প্রতি ৫০লাখ+ পেয়েছেন বলে শোনা যায়।
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৫৫400064
  • ওহ্‌, ভুল লিংক দিলাম - মি শিটিং ইন ইউ - এই লিংকটা - -
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৪৮400063
  • আর এইটা ...me is shitting as me in you... বেশিক্ষণ না, মাত্র ৪০ সেকেন্ড
  • lcm | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৪০400062
  • সহজ চাই, এই যে, এই যে, জলের মতন - E=MC এক্কেবারে
  • dc | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:২৭400061
  • আমার মনে হয় খ দার প্রবন্ধগুলো লোকে পড়বে না কেন কি খুব জটিল করে লেখে। আমি তো প্রথম এক দুটো বাক্যের পর আর এগোতেই পারি না। খ দা বোধায় স্ট্রিম অফ কনশাসনেস টাইপের লেখা লেখে, কিন্তু সেটা পড়ে বুঝতে অসুবিধে হয়।

    (বলা বাহুল্য এটা আমার নিজের মত, অন্য কারুর হয়তো এই অসুবিধে হয়না, আর খ দার লেখা বুঝতে না পারার জন্য আমারই নিরেট মাথা দায়ী)
  • dd | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:৫৩400060
  • কিন্তু এই যে "সরকার" - যিনি কিনা বলিউডকে তোল্লাই দিয়ে যাচ্ছে, দিয়েই যাচ্ছে, সেটি কে?

    লরেন পার্টী হলে বুঝতাম - হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্তান - এ তো এঁয়াদের ঘোষিত নীতি। কিন্তু এ যে নেহেরু থেকে শুরু। এর মধ্যে কতো সরকার তো এলো গেলো। কংরেস, জনতা, সিপুএমের সমর্থনে কংরেস। এবং হরেক প্রদেশের প্রধানমন্ত্রী, হিন্দী, গুজরাতি, অন্ধ্র। মনোপলিও তো অনেকদিন কিছু নেই, সাউদের সাপোর্ট না পেলে কোনো সরকারই টেঁকে না।

    তো, এই কেন্দ্রীয় সরকার, এঁয়ারা সবাই,দল,প্রদেশ নির্বিশেষে ক্যানো হিন্দিকে আর বলিউডকে বায়াস দিয়ে যাচ্ছে? সেটির কারনটা কী? কেউ জানে ?
  • Du | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:১০400059
  • আমাজনেরটা ক্যম্পেন করলে হয় না?ফেসবুকে বা চেঞ্জ ডট এ।

    ভিলেজ রকস্টার কি অসম ছাড়া কোথাও এসেছে?
  • Atoz | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:০৩400058
  • কিন্তু লোকে কেন খননেন্দ্রনাথের প্রবন্ধ পড়বে না, সেই প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? ঃ-)
  • | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:০১400057
  • ওসব বলে লাভ।নেই, হিন্দী আর বলিউডের জন্য সরকার যাচ্ছে তাই বায়াস করেছে ও করছে, একদম ঠিক বলেছে সৈকত। পুরো সমর্থন। এটা এত ভালো ভাবে হিস্টোরি কালি ডকুমেন্টেড যে এটাকে স্বাধীনতা পরবর্তী 'স্বাভাবিক' প্রক্রিয়া বলা আর দিন কে রাত বলা এক ব‍্যাপার। সেন্টার ও পেরিফেরি সংক্রান্ত ইম্পিরিয়াল বোকা বোকা ধারণা, হিন্দি- উর্দু -হিন্দু স্থানী ঐতিহাসিক কন্ট্রোভারসি গুলো অধ‍্যয়ন না করে ভাট বকে লাভ নেই। বড় এস ভাষার বিশুদ্ধতা সম্পর্কে যেটা বলেছে সেটার অনেক টাই সমর্থন যোগ্য, কতটা আর কতটা নয়, সেটা বীরভূমের তারা শঙ্কর পরবর্তী চর্চা প্রসঙ্গে বলছি, কিন্তু মাইরি বড় পোস্ট করা আর গোমড়া মুখো হিসেবে অবতার যে নিন্দুকেরা আমার পেছনে পড়ে থাকে ন, তাদের স্বাদ বদলে র প্রচুর সুযোগ রয়েছে বরাবরই, একথা খ‍্যাল করিয়ে আমি বাস ধরতে গেলাম।
  • Atoz | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৫৯400056
  • ভানুয়াতু। ও নাকি ডুবে যাবার কথা ছিল, স্রেফ বাংলার জন্য আজও ডোবে নি। ঃ-)
  • mushkil | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৫৪400055
  • তাপ্পর গুরুর ই-বুক - পরকীয়া স্পেশাল - পাওয়া যাবে কাতারে এবং টিম্বাটুতে, কেন কি (ব্যবহার্টা লক্ষ্য কর্বেন) টানু টুভা ও ফোগো আইল্যান্ডে তখন বাংলার বানভাষি
  • Atoz | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৪৬400054
  • এখন বাংলা সিরিয়ালগুলো এক্সপোর্টের ব্যব্স্থা করা হোক। অসংখ্য বিয়ে অসংখ্য পরকীয়া অসংখ্য জগদ্ধাত্রী অসংখ্য মনসা রেকারিং ডেসিমেলের মতন চলতে থাক বিলেত আমেরিকা রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্য চীন জাপান সব ভাসিয়ে দিক। ঃ-)
  • mushkil | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৩৮400053
  • না না ঈশেনের বক্তব্য পয়েন্টেই ছিল, অন্যদের্টা এক্তু ঘুর্পাক খেয়েছে! পোষ্টের মিস-টাইমিং

    অতীত নিয়ে বক্তব্য নাই, অ্যাক্সেপ্টব্লে। এখন কি হবে?
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:১২400052
  • একটুও ডিম ও মুর্গিতে যায়নি। পঞ্চাশের দশকের রাশিয়ায় সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া সংস্কৃতি জগতে একটিও পাতা নড়তনা। ভারতীয় সিনেমা এক্সপোর্টও সরকারি মদত ছাড়া অসম্ভব ছিল। সরকারি উদ্যোগেই প্রথম ভারতীয় ছবি দেখানো শুরু হয় সোভিয়েতে। ঘটনা হল প্রথম ভারতীয় ছবি যেটি দেখানো হয়, সেটি ছিল বাংলা। নিমাই ঘোষের ছিন্নমূল। ছোটো স্কেলে। কিন্তু ওইখানেই শুরু, ওইখানেই শেষ। মস্কোতে বড় স্কেলে ছবি দেখানো শুরু হলে আর কোনো পপুলার আঞ্চলিক ছবির কপাল খোলেনি। রাজকাপুর ও দেব আনন্দের সিনেমাকে সরকারি উদ্যোগে প্রোমোট করা হয়। রাশিয়া জুড়ে এঁদের ছবি দেখানো শুরু হয়। পরে নেহেরু স্বয়ং এই দুই নায়ককে নিয়ে রাশিয়া ভ্রমণ করেন। আর কোনো আঞ্চলিক পপুলার ছবি কখনও ওদেশে দেখানো হয়নি। পপুলার শব্দটা খেয়াল করবেন। অন্যান্য ভাষার ছবি দেখানো হয়েছে অবশ্যই, কিন্তু সেগুলো পপুলার্ নয়। যেমন বাংলা ভাষায় মৃণাল সেন ও সত্যজিৎ রায়ের ছবি দেখানো হয়েছে। সেসব পপুলার হবার কোনো কারণ নেই, হয়ওনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দেবী বা জলসাঘর এর মধ্যে কোনো একটা (কোনটা আমার মনে নেই), দেখতে লোক এসেছিল, কিন্তু মাঝরাস্তায় হল ফাঁকা হয়ে যায়।

    রাজ কাপুরকে গায়ের জোরে পপুলার করে দেওয়া হয়নি ঠিকই। কিন্তু সরকারি অ্যাভিনিউ দিয়ে যতটা পারা যায় ঠেলা মারা হয়েছিল। উল্টোদিকে, ধরুন উত্তম কুমার বা ছবি বিশ্বাস বা সামগ্রিক ভাবে বাঙলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি সে সুযোগ পায়নি। ফলে প্রফিটই বা করবে কি, আন্তর্জাতিকই বা হবে কী করে, টাকাই বা করবে ক্যামনে।
  • T | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৫৯400051
  • বাংলায় সিরিয়ালের চাহিদা তো দেখছি উত্তরোত্তর বাড়ছে। দুদিন বন্ধ থাগলে স্বয়ং ওঁনাকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। গ্রাম বাংলায় 'মাচা'ও শুনেছি বেশ জনপ্রিয়। নায়ক নায়িকারা মাচার জোরে বেঁচে আছেন। তো চাহিদা নেই হেইডা কিভাবে হয়। পবতে বাংলা ভাষায় বিনোদোঁনের চাহিদা নেই বা কমছে, এ মাইরি অবাস্তব ব্যাপার। বললেই হ'ল!

    এই যে ক্ষণে ক্ষণে শুনি বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রী মুখ থুবড়ে পড়েচে, রেস্তর বড্ড অভাব, লোকে আর হলমুখো হচ্ছে না, তো, এতদ সত্ত্বেও বছর বছর অ্যাত বাংলা ফিল্ম রিলিজ হচ্ছে কী ভাবে! নিত্যনতুন পরিচালক এবং নবীন প্রয়োজকের উদ্ভব হচ্ছে দেখি। এই আর্তনাদটা আদতে টেকনিশিয়ানদের পয়সা না দেওয়ার জন্য প্রচলিত গুল্প দেখুন গিয়ে।

    হিন্দীর আগ্রাসনটা তো দেখি সর্বত্র। এজন্য গর্গকে পুরোদস্তুর সাপোর্ট। আগ্রাসনের পালটা আগ্রাসন দরকার। ক্ষেত্রবিশেষে গর্গ র‍্যাডিকালদেরও লজ্জায় অধোবদন করে দিতে পারে। :) ওঁকে আশীর্ব্বাদ করি। শ্রীবৃদ্ধি ঘটুক।

    বাংলাদেশেও ইন্ডিয়ান প্রোডাক্ট এবং হিন্দী বালামোর বিরুদ্ধে একইরকম প্রতিক্রিয়া এবং মুভমেন্ট চলছে। বহুদিন ধরে। এখন বাংলাদেশ তো, সেসবের মধ্যে আবার নানানরকম ছাগু শেড পাওয়া যায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত