এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:০৭400680
  • দলিত সাহিত্য বলতে ঠিক কোন ধরণের সাহিত্যকে বোঝানো হচ্চে? বাংলার মানিক বন্দোপাধ্যায়ের মতো?
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:৫৯400679

  • এটাও ঠোঙা হবে হয়তো এখানে -
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:৪৪400678
  • খ - যাঁদের কাজ আছে এবং ব্যস্ত বা যাঁরা লম্বা পোস্টে অ্যালার্জি বোধ করেন, বা যাঁরা যেকোনো বড় পোস্ট কেই মার্কসিজম মনে করে দুশ্চিন্তায় ভোগেন, সকলেই ক্যান টেক আ ওয়াক। এখন নানা বড় বড় কথা বলা হবে ঃ-))))

    সর্বভারতীয় বলে যে ব্যাপারটা গড়ে উঠেছে, তাতে এটা পরিচিত সমস্যা। এবং পেকিং অর্ডার রয়েছে এস্টাবলিশমেন্ট এর পক্ষ থেকে। এতে নতুন কি? জীবনানন্দ দুর্দান্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে বাঙালি ইনটেলেকচুয়াল দের কেউ বারণ করে নি, কিন্তু যতটা হওয়া উচিত ছিল হয় নি। ভালো বলিউড না হোক, ভালো বই হতে পারতো। যতটা হওয়া উচিত ছিল হয় নি, হবে না ভাবার কারণ নেই। ঐ থিয়োরিটিশিয়ান এর গ্রাউন্ড টা দুটো কারণে দাঁড়ায় না, প্রথম কথা অরুন্ধতি রা নিজেরা ভারতীয় সাহিত্যের প্রতিনিধি বলে নিজেরা দাবী অন্তত করেন নি, সেই মালা তাদের আমাদের এসটাবলিশেন্ট দিয়েছে, শিক্ষার ডিসকানেক্ট দিয়েছে, প্রচুর ভারতীয় ইংরেজি তে নিজেদের এক্সপ্রেস করেন, এটা সমস্যা হতে পারে, প্রোডাক্ট টা শুধু ইংরেজি লেখা বলেই বাজে ভাবার ও কারণ নাই, একমাত্র প্রতিনিধি্ব মূলক ভাবার ও কারণ নাই। রোহিনটন মিস্ত্রি যে কোনো ভাষার সম্পদ, এমারজেন্সীর ঐ ক্রিটিক খুব কম ভারতীয় ভাষায় হয়েছে। ভারতীয় ইংরেজি তে নরমালি, মুলকা রাজ আনন্দ, কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়, রাশদি দের একেক্ট ইপোক এর প্রতিনিধি বলা হয়, মিস্ত্রি আর ঢোন্ডি কে কেন ধরা হয় না আমি জানি না। অরুন্ধতির তার মধ্যে অপূর্ব জিনিসটা হল, নিজের ভ্যান্টেজ পজিশন সব সময় অথরিটির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেন, সেটা তে খুব খুশি না হবার কারণ পাই না।

    আমি যেটা বলছিলাম মান্তো চর্চা হিন্দী/উর্দু/পাঞ্জাবীতে খুব কম হয়েছে এটা ভাবার কারণ কি? ঐ ভাষা গুলোর যে জগত সেটার খবর কেউ রাখলে আলাদা কথা, স্পেসিফিক কিছু বলতে পারবে। আর সর্বভারতীয় মার্কেটে তার চেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে এটা ভাবার ও কোন কারণ দেখি না, মান্তোর চেয়ে চেতন ভগত বেশি পড়া হয়েছে কি আর করা যাবে।

    ঘটনা যেটা সেটা দুটো, মান্তো যে নাগরিক সংস্কৃতির ঘরানা থেকে এসেছেন, সেটা উর্দু সাহিত্যে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। প্রি কলোনিয়াল আর্বানিটির ওটাই চেহারা। আর মান্তো র বেলায় ওরিজিনাল কোশ্চেন টা আমি আর সৈকত যেটা আলোচনা করছিলাম, সেটা মূলতঃ তিনটে জিনিসঃ

    - যতদূর মনে পড়ছে, মান্তো অমৃতসরের গ্রুপ টার সঙ্গে তুর্গেনেভ/চেকভ/টলস্টয় এর অনুবাদ করেছিলেন, এবং এক ধরণের ইউরোপিয়ান আধুনিকতার দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।
    - রিয়ালিজম জিনিসটা তাঁর এক্সপ্রেসন হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। এবং আনলাইক প্রোগ্রেসিভ্স অফ হিস টাইম, এবং ঋত্বিক, পার্টিশনের ধাক্কায় উনি বিমূর্ত বা মূর্ত বিশুদ্ধতার খোঁজে গ্রামীন সংস্কৃতিতে বা অন্তত লোক সাংস্কৃতিক গঠনে নতুন করে ফেরেন নি। আমার বক্তব্য ছিল তাঁর ফেরা সম্ভব ছিল না, কারণ তাঁর ঘরানাটাই আর্বান। তাঁকে গালিব থেকে বোদলেয়ারে র রেঞ্জের কথা মাথায় রেখে নিজের ভাষা নিজেকে তৈরী করে নিতে হচ্ছে।
    - কালা সিয়াহীর যে লেখা গুলো, ঐ টুকরো টুকরো নামহীন বীভৎঅসতা, সেটা একটু বেশি ই কড়া গোছের রিয়ালিজম যেটা সোশালিস্ট রিয়ালিজম এর আদর্শে রাজনৈতিক বিশ্বাস রাখা সত্ত্বেও তাঁর সমসাময়িকেরা বিশ্বাস রাখা সত্ত্বেও হজম করতে পারেন নি, এটা প্রোগ্রেসিভ দের সঙ্গে মান্তোর প্রধান বিরোধ। যদিও ন্যাচারাল অ্যালাই, আমার তো অ্যামোরেস পেরোস ফিল্মের কথা মনে হয় মান্তোর এই সংকলন টা পড়লে। ভায়োলেন্স এর জন্য দস্তয়েভস্কি ও মনে হয়, বিশেষতঃ নোট্স ফ্রম আন্ডারগ্রাউন্ড। কিন্তু মান্তোর গদ্যের বীভৎসতাটা হল, এসব ঘটছে ও ঘটে চলেছে তাঁর পৃথিবীতে, জেল এর দেওয়াল নাই।

    আর ফাইনালি, আমি বলছিলাম, সেটা অবশ্য আবার এই আড্ডার একটা কন্টিনিউএশন। ইশান প্রায় ই বলে আধুনিকতার পরশ ভারতীয় অন্য ভাষার সাহিত্যে কম। তো সে বিষয়ে আমার একটু দ্বিমত রয়েছে অনেকদিন ধরে, প্রথম কথা তাহলে গালিব অথবা ১৯২০-৩০-৪০ এর আর্বানিটির যে চর্চা সেটা বাদ দিতে হয়, মান্তো ইসমত অমৃতা দের বাদ দিতে হয়। কিন্তু উল্টো দিকে ইশান হয়তো এটা বলতে চেয়েছে কিন্তু বলে নি, এবং সেটা আপাতত না মানার কারণ নেই, সেটা হচ্ছে, হোয়াট হ্যাপেন্ড আফটার ফিপ্টিজ? তখন ভারতীয় অন্য ভাষা অথেন্টিসিটির খোঁজে কি লোকেলের একটা পরিবর্তন ঘটালো? গ্রামে চলে গেল ভারতীয় বিশুদ্ধতার খোঁজে। ইউ আর অনন্থমুর্থী, ও বি ভিজয়ন থেকে শুরু করে জায়ান্ট রা, সকলেই গ্রামীন কনফ্লিক্ট দেখাচ্ছেন, কিন্তু কোথাও একটা ওটাই প্রকৃত ভারতীয়ত্ত্বের ভাষা হিসেবে গড়ে উঠছে। এটা মোটামুটি স্বীকৃত। আমি আন্তাচ কইরা আর এক পা বাড়িয়ে বলছিলাম, বাংলায় ৭০স বা পরেও আর্বানিটি পেলাম বটে, চিলেকোঠার সেপাই / শহিদুল জহির/ নবারুণ ইত্যাদি হল, কিন্তু তাতে করে দলিত সাহিত্যের উত্থান টা বাংলায় পিছিয়ে গেল? ইত্যাদি ইত্যাদি।

    যাক গে ইশান, আমি আর পোবোন্দো য় যাচ্ছি না, সেন্ট্রাল আর্গুমেন্ট এখানে ই হাপ বলে দিলাম, এমনিতেই কেউ আমার ল্যাখা পড়ে না, আবার রিপিট হলে তো ফাঁকা মাঠে ঘন্টা বাজানো হয়ে যাবে। তাছাড়া বাকি হাপটা পুরো ভাবা হয় নি ঃ-))))
  • dc | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:২৮400677
  • আমি মান্টো কোন কিছুতেই পড়িনি।
  • কুমু | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:১৯400676
  • সবাই বলছে, তো আম্মো বলব।এখানে কেউ মান্টো উর্দুতৈ পড়েচেন?আমি একজনকে জানতাম,তিনি মান্টো পড়ার জন‍্য উর্দু শিখেছিলেন।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:১৪400675
  • হুঁ দলিত লিটারেচার ব আংলায় মনোরঞ্জন ব্যপারি ইত্যাদি খুবই সরু একটা ধারা। মারাঠি ভাষায় দলিত সাহিত্য বেশ শক্তপোক্ত।

    কিন্তু কেন? সে কি শুধুই ভদ্রলোকের চক্রান্ত? জাতি খনুর কাছে আরো বিস্তারিত বক্তব্য, দরকার হলে একটি প্রবন্ধ আশা করে।
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:০০400674
  • এর পিছনের কারণের এট্টুসখানি ব্যাখ্যা পাবা যাবে?

    হনু টু খনু ক্যাসে অর কিঁউ? থোড়া গরীবকো সাহায্য কিজিয়ে -
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:৫৭400673
  • দলিত লিটারেচার গড়ে ওঠে নি - খনুদার কাছ থেকে আরেট্টু বক্তব্য আশা করি। :)
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:৩০400672
  • ধুসস।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:১৭400671
  • @টি বাবু

    'দিশীরা' ও নিজের জিনিসপত্র ইংরেজিতে 'চচ্চা' করে।
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:০৫400670
  • গুরুতে উর্দূ জানা মানুষ আছেন? এখানেও তাহলে অনুবাদ বেরোতে পারতো -
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৩:৪৮400669
  • @খ বাবু

    মান্টো আন্ডারস্ট্যান্ডিং' উর্দু বা হিন্দিতে সুলভ না দুর্লভ জানিনা, মান্টোর সর্বভারতীয় বাজারটা তার ইংলিশ ট্রান্সলেশনকে ঘিরে। খুব সহজ করে বললে, উর্দুতে মান্টো চর্চা করেছেন কজন বাঙালি লেখক বা গবেষক তা নিয়ে বাংলায় বা ইংরেজিতে রিভিউ লিখছেন? যেকটা লেখালেখি তারা করছেন সেসবই মান্টোর রিসেন্ট ইংলিশ ট্রান্সলেটেড কাজগুলোকে কেন্দ্র করে!

    সেই জন্যে মান্টোর লেখাগুলো মূল উর্দু থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ হলেও, বা বাংলায়, সেখানে অনুবাদের ভাষাটা অনেক বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে। মূল উর্দু নয়।

    'তিরিশ চল্লিশের আধুনিকতা চর্চা; টা এত ইংরেজি নবিশ ছিল না। ছিলই না। কিন্তু এখন সেটা শুধুই ইংরেজি।

    @টি বাবু, এগারোটা চোদ্দর 'কিরম য্যানো' পোস্টের রিএক্সপ্লানেশন আপাতত এটায় দুধের স্বাদ ঘোলে মেটান। পরে এই নিয়ে নয় 'এক হাত' হবে খন।

    অরুন্ধতী আমার কাছে 'দেবী' নন, 'রায়'। ও না, এখন তো 'দেবীপক্ষ' চলছে।
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৩:১৪400668
  • ছোটবেলা হেঁটে হেঁটে ঠাকুর দেখতাম - একবার পুজোয় মায়ের ওভারিয়ান টিউমারের সার্জারি - বোধহয় ষষ্ঠীতে ছিলো। আমি তখন ক্লাস থ্রী কি ফোর হবে। বালিগঞ্জে সাদার্ন নার্সিংহোমে পরের দিন বাবা আমায় নিয়ে গেছে মা কে দেখতে। আমি খুবই মা ন্যাওটা ছিলাম - এমনিতেই বাড়িতে মা নেই বলে আমি সারাদিন মুখ গোমড়া করে বসেছিলাম। মা কে দেখে আরোই মন খারাপ হয়ে গেলো - কেমন ঘোরের মধ্যে - কথাও বলছে না ঠিক করে! ফেরার পথে বাবা আমার মন ভালো করতে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেলো। ওখানকারই অলিতে - গলিতে, হেঁটে - হেঁটে - তখন ওভাবেই সবাই ঠাকুর দেখতো। এইরকমই কোন এক গলিতে ঠাকুর দেখে বেরোচ্ছি, হঠাৎ চোখে পড়লো, একটা লোককে ফুটপাথের ওপরে ফেলে ঘিরে ধরে মারছে আরো তিন চারটে লোক - কেউ হাতটা মুচড়ে দিচ্ছে, কেউ গদাম করে একটা লাথি মারছে - আর সেই লোকটা হাউ-হাউ করে কাঁদতে কাঁদতে তাকে ছেড়ে দিতে বলছে - পথচারীদের কোন হেলদোল নেই - ঝঞ্ঝাট এড়াতে বাবাও তাড়াতাড়ি আমাকে নড়ানোর চেষ্টা করছে - আর আমি কেমন একটা কাঠের মতো হয়ে গেছি - শেষে বাবা আমাকে কোলে করে নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে গেলো -

    আমি বেশ খানিকক্ষণ কথা বলতে পারিনি - বাড়ি এসে বমি হয়েছিলো আর পরের দিন থেকে ধূম জ্বর! তারই মধ্যে (তখন দুগ্‌গা ঠাকুরকে একটু মানতুম) ক্রমাগত ঠাকুরকে ডাকছিলাম যেন লোকটাকে ওরা ছেড়ে দেয়! তারপরেও বহু বহু দিন আমি ঘুমের মধ্যে ওই গণপিটুনির দুঃস্বপ্ন দেখে শিউরে উঠতাম - এমনকি বড়ো বয়সেও দেখেছি -

    গণপিটুনি বড়ো দুঃসহ - কঠিন আইন করে নির্মূল করা দরকার এই ব্যাধিকে!
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৩:০০400667
  • এগারোটা চোদ্দর পোস্তটি কিরম য্যানো। সায়েবরা যে কখন কিরম বাতেলা দ্যান। একশো বছরের বেশী সময় ধরে পাশ্চাত্যবাবুরা লোকশিল্প লোকগাথা ইত্যাদি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়ে যাচ্চেন। বই প্রকাশ, গবেষণা, চর্চা, যাকে বলে নিরন্তর স্টাডিজ ইত্যাদি :) তো, অ্যাদ্দিন কিসু হ'ল না, দুম করে এখন ইংরেজী গিলে ফেলবে এই ভেবে অরুন্ধুতী দেবীকে হঠাৎ একহাত ক্যানো... ল্লেহ। আর বর্তমান সায়েবরা মানে নয়া উপনিবেশবাদী বিকশিত সায়েবরা যা চর্চা করেন তার ঢের বেশী চচ্চা এ দেশেই হয়। দিশীরা সম্ভবতঃ সেসবের খোঁজ পান না। উদ্ভট মাইরি।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১২:৫৬400666
  • গণ ধোলাইয়ে পেটেন্ট তো আছেই। আজ থেকে পনেরো, ষোল বছর আগে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটের সামনে একটা বাস থেকে কন্ডাক্টটর একটি যাত্রীকে লাথি মেরে বাস থেকে নামাচ্ছে, দেখেছিলাম। যাত্রীটি সম্ভবত ড্রাঙ্ক ছিল এবং ভাড়া চাইতে দেয়নি বা এইরম কিছু হবে।

    বাসটা দাঁড়িয়ে আছে, ট্র্যাফিক আটকে গেছে, হর্নের আওয়াজ, সবাই গ্ল্যাডিয়েটর ফাইটের দর্শকের মত দেখছে, কিছু বলা তো দূর, ফুটপাথ থেকে অনেকে 'মারে' হাত লাগাল। অনেকে হাসছেও।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১২:৫১400665
  • মান্টো, আমার যতটুকু আন্ডারস্ট্যান্ডিং কখনই হিন্দী বা উর্দু তে দুর্লভ হন নি। হ্যাঁ যে গুলো কে কালেক্টর'স ভলিউম বলে সেগুলো ইংরেজিতে হয়তো হয়েছে পরে, কিন্তু হিন্দী বা পাঞ্জাবী বা উর্দু তে হয় নি এটা কনফার্ম করে বলার মত এই ভাষা গুলোর প্রকাশনার খবর আমরা রাখি কি? রাখলে ওকে, কিন্তু আই অ্যাম নট কনভিন্সড।
    একটা সমস্যা আছে, সেটা শুধুই ইংরেজিতে পোস্ট কলোনিয়াল কোশ্চেন এর আলোচনার সঙ্গে জড়িত না। সেটা হল আর্বান কালচারের রিপ্রেজেন্টেশন টা, আধুনিকতা চর্চায় 40s টা মডেল থেকে গেছে, এবং হিন্দী উর্দু কনট্রোভার্সির পরে উর্দুর যে আর্বান বেস, এবং ঊনবিংশ শতক থেকে ই যে তার প্রি কলোনিয়াল আর্বানিটির ট্র্যাডিশন সেটা ধাক্কা খাচ্ছে। মুশিরুল হাসানের কাজ কর্মের সঙ্গে যাঁরা পরিচিত তাঁরা ঊনবিংশ শতকের উর্দু পাঞ্চ পত্রিকা বা আরো অন্যান্য পত্র পত্রিকা লেখালিখির খবর রাখতে পারবেন, ক্রিস্টোফার হিল এর সিকস্টিন্থ /সেভেন্টিন্থ সেঞ্চুরি ইংলিশ ইনটেলেকচুয়াল দের কাজ আর মুশিরুল হাসান এর এই কাজ পাশাপাশি ফেলে পড়ে দেখতে পারেন, মুশিরুল এর ক্ষমতাটা বোঝা যাবে। সেমিনাল কাজ। যাই হোক অনেক ক্ষেত্রেই পাঠক হিসেবে আমাদের সমস্যা হল বাঙলা ছাড়া অন্যত্র তিরিশ চল্লিশের আধুনিকতা চর্চার পরে আর কি হয়েছে আমরা খবর রাখি না, আবার এটাও ঠিক অথেন্টিসিটির খোঁজের চোটে অনেক ভারতীয় সাহিত্যেই আর্বানিটি, প্রোগ্রেসিভ মডার্নিটি এবং মান্তো র মডার্নিটি সেটা র রিয়েলিজম এর ধাঁচ তো তাঁর নিজস্ব তার চর্চা একটু মার খেয়েছে, ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই হয়তো লিবারেলাইজেশন চলে এসে আরো নানা ঘটানা ঘটেছে। অন্য দিকে আমাদের বাঙলায় দলিত লিটরেচার টা গড়ে উঠলো না। এসব সমস্যা রয়েছে।
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১২:৩৬400664
  • অসুস্থ তো অবশ্যই - এই সব ব্যাপারে আইন হাতে তুলে নেওয়াতে আর অকারণ অসভ্যতায় পববাসীদের পেটেন্ট আছে -

    ডিডিদা, নতুন কিছু লিখলেন? আপনার নতুন লেখা অনেকদিন পড়িনা!
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১২:০৯400663
  • ৩ নং ৪ নং পোচ্চিমবঙ্গ।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১২:০০400662
  • হ্যাঁ নিজের গন্ডীর বাইরে একপাও যেতে আজকাল কেমন একটা আনক্যানি লাগে।
    ১) বিহারে ছাত্রীরা যৌন হেনস্থার প্রতিবাদ করায় স্কুলের ছাত্ররা আশ পাশ থেকে দলবল নিয়ে এসে ছাত্রীদের পিটিয়ে দিয়ে গেছে।
    ২) শবরিমালায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আর এস এসের পুং জীবরা প্রাইভেট জেনিটাল খুলে রাস্তায় বাগিয়ে দেখাচ্ছে।
    ৩) স্কুল ছাত্রীর যৌন হেনস্থার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অভিভাবকেরা পুলিশের লাঠি খেল। মাথা ফেটে রক্ত গড়িয়ে পড়া ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
    ৪) ৩ নংএর প্রতিক্রিয়ায় একা মহিলাq টিচারকে ধরে গণধোলাই।
    ৫) কি একটা ইয়াং সান্টিস্ট না কি পুরস্কার পাওয়া নাগপুরে বিজেপী না আর এস এসের কর্মী ব্রহ্মসের খুঁটিনাটি ডিটেইলস পাকিস্তানে পাচার করছিল। ধরা পড়েছে। আশা করা যায় লোকসভা বিধানসভা কিছুর একটা টিকিট পেয়েই যাবে।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৫২400661
  • আসলে বাঙালী এমনিতেই এখন (জগ্ধাত্রী পূজো অবদি) 'মা' র মুখি থাকবে। ঃ-)
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৫০400660
  • পুরো দেশটা এখন মারমুখী। কারো সঙ্গে বেশীক্ষণ ঝগড়া লাগলে আমারও হাত নিশপিশ করতে থাকে।
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৪৬400659
  • হ্যাঁ, অসুস্থ, একদম।
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৪৫400658
  • এই স্কুলের খবরটা নিয়ে ফেসবুকে দেখলাম আলোচনা হচ্ছে। যথারীতি বহিরাগত থিওরি এসে গেছে। ঃ-)
  • amit | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৪৪400656
  • এভাবে রাস্তা ঘাটে টিচার,দের ধরে মারা, হসপিটালে ডাক্তার দের মারা একটা অদ্ভুত অসুস্থ সমাজে বাস করছি মনে হচ্ছে। যেকোনোদিন যে কেও যখন ইচ্ছে মেরে দিয়ে চলে যেতে পারে।

    কিচ্ছু করার নেই, বেঁচে থাকলে চুপ করে থাকা ছাড়া।, মরে গেলে তো হয়েই গেলো। গনধোলাইতে কখনো কারোর শাস্তি হয়েছে বলে শোনা গেছে ?
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৪৪400657
  • @ অর্জুন

    নেটে পাওয়া যাবে মনে হয়। একটু খুঁজতে গিয়ে কাল যেন দেখেছিলাম। কলকাতায় কোথায় পাওয়া যাবে জানিনা।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৩400655
  • @দ

    'গুরগাঁও' না গোড়েগাঁওএ?
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩০400653
  • যাদবপুরে ইব্রাহিমপুর রোডে একটা ইন্টারেস্টিং বাংলা বইয়ের দোকান আছে। ওখানে বাংলা বইয়ের সঙ্গে অসংখ্য লিটল ম্যাগাজিন পাওয়া যায়।

    মান্টোর ছোটগল্পের বাংলা অনুবাদ দেখলাম। অনুবাদক উর্দু থেকে
    বাংলায় অনুবাদ করেছেন বলে লিখেছেন ভূমিকায়।
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:২৭400652
  • নামগুলো বেড়ে দিয়েছে, বিশেষ করে ননভেজের দোকানটা ঃ)
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১১:২৫400651
  • এই চর্চা একটা প্রবল অসুবিধের জায়গা। কতগুলো ভাষা এইজন্য শেখাই হলোনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত