এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Poushali Paul | ০৬ নভেম্বর ২০১৮ ০১:১৪401580
  • "আ মি ও বে লু ন"

    সেই ছ্যানা আমল থেকেই বেলুন আমার বড্ড ভালো লাগে। বাড়ির পাশে প্রতিবছর চরকের সময় যে মেলাটি বসে, সেখানে বেলুনওলাদের দেখে আমার কিরকম একটা প্রেম পেত ইলাস্টিকের মত। হা পিত্যেস পিচুটি জমা চোখে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতাম ওই ফুলো ফুলো রাবার গুলোর দিকে। বেলুনওলা কি মোক্ষম এক একটা ফুঁ মেরে একটানে টানটান বেলুনগুলো তৈরি করে ফেলত, ভাবলেই ভ্যাবলা হয়ে যেতাম। পরে ওরা অবশ্য কোত্থেকে পাম্প দেবার যন্তর গুলো নিয়ে এল, তা অন্য প্রশ্ন। বিষণ্ণ ব্যাপারটা ছিল, আমায় বেলুন কিনতে দেওয়া হত না কোনো এক অজ্ঞাত কারণে। আর যত না পাওয়া যায় তত পেতে চাওয়াটা আসন গেঁড়ে গুছিয়ে বসে মনের কোণে। কত রকমের বেলুন… গোল বেলুন, লম্বা বেলুন, ব্যাঁকা ব্যাঁকা বেলুন, স্পার্ম বেলুন…

    ক্যাপ্টেন ভিয়ম ও আমি -

    লোকে প্রচুর সিরিয়াল দেখে, আগেও দেখত। আমিও দেখেছি কিন্তু সেই আমলে কোন একটা শেষ করেছি বলে মনে পড়ছে না একমাত্র ক্যাপ্টেন ভিয়ম ছাড়া। “ভি উম বা… ভি ভি ইউম বা… ক্যাপ্টেন ভিয়ম” বলে একটা গম্ভীর শুরু (ঘোড়াড্ডিম কি বলত আজও বুঝিনি)। হয়তো তার পাঁচ মিনিট আগে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেছি। কোন রকমে ছুঁচিয়ে এক দৌড়ে বোকাবাক্সের সামনে। সেই বাবল্ এ চড়ে আকাশপথে চুকিৎকিৎ বেজায় ভালো লাগত। ঐ বড় বড় গ্যাস বেলুনের মধ্যে নিজেকে ক্যাপ্টেন জেন হয়ে মিলিন্দ সোমানকে বগলদাবা করে কত বেলাট্রিক্স-সিরিয়াস করেছি তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু এসবই গুঢ় মনোজগতের ব্যাপার। তুশ্চু মানবশিশু ধরতাই পাবে না।

    কুছ কুছ কাভি নেহি হোতা হ্যায়-

    তা এই আ-ডল-এসেন্স সময়ে ভারতভূমির পাড়াঘর কাঁপিয়ে হঠাৎ কালবৈশাখীর মত হাঁইহাঁই এসে পরলো কুছ কুছ হোতা হ্যায়; আর আমাদের নিরীহ কৈশোর কুচ কুচ কেটে বেলুনজগতে প্রবেশিল হৃদয়াকার টকটকে লাল এক বেলুন, যা না পারি মাবাবা’র কাছে চাইতে না পারি ‘ওরে হ্যাট্’ ইগনোর করে পাশ কাটাতে। একেই বেলুনবিদ্রোহ আমাদের পরিবারে জন্মাবধি কু-জেতে তায় প্রেমসমৃদ্ধ বেলুনবায়না। বেলুনের হাওয়া আর আমার পিঠের ছাল একসাথে বেড়িয়ে যাবে। এহেন আমার তৃতীয় ক্রাশ যে কিনা একবছরের মধ্যে আমায় রাস্তায় পাকড়িয়ে প্রপোজ করতে চলেছিল, উক্ত চরকের মেলায় এক বিদঘুটে কাজ করে বসল। বোধকরি পাঁচ টাকা জমিয়ে কিনে ফেলল সেই বিষম বস্তুটি। আর তার আদিখ্যেতা দেখে কে! তেনাদের ছাদে উঠে সে মহাখচ্চর প্যান্টের পিছনে হৃদয়ের সুতো আটকে একঘন্টা আমায় দেখিয়ে দেখিয়ে পায়চারি করল। তা সেই লাঙ্গুললেজপরিক্রমণ হজম করে সন্ধ্যেবেলা নীচে নেমে দেখি আমার জ্যাঠতুতো এক দিদিও ঐ একই জিনিস কিনে এনে তার ঘর আলো করে রেখেছে। বুকের একপাশে চিনচিনে ব্যাথা, অন্যপাশে ঝিনঝিনে ভয় সামলে মায়ের কাছে আবার একপ্রস্থ বায়না করে ফেললাম। মনে আশা, কাল বিকেলে আমিও লেজ লাগিয়ে ছাদে যাব। যদিও মদীয় ভবনে ও বস্তু এল না। অমল বেলুনওলাদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আরও চাড্ডি বসন্ত পার করল।

    বৃথা চেষ্টা -

    ইতিমধ্যে সে প্রেম ঝাড়েবংশে বেড়ে ওঠার আগেই আমি লেজেগোবরে করেছি ও বেচারা প্রেমিকপ্রবর তার বাড়ীতে উত্তম প্যাঁদানি খেয়ে সে বছর ফেল করে মনের দুঃখে পরের বছর অংকে একটি জাঁদরেল নম্বর হাঁকিয়েছে। যদিও আশা ছাড়েনি। কিন্তু সে গল্প থাক। ওখানে বেলুন নেই খুব একটা। মানে থাকলেও অলঙ্কার পদবাচ্য, গোবেচারা বিশেষনমাত্র। অর্থাৎ, তার ফেলের খবর পেয়ে আমার ফ্যান্টাসির বেলুন তৎক্ষণাৎ চুপসে গেছে। ততদিনে বোধহয় আর একটি দুটি নতুন ক্রাশ ও জমা হয়েছে; এবং টাইটানিক ডুবিয়ে লিওনার্দো-প্রেমের ঘোড়া লাগামছেঁড়া দিগবিদিগ দৌড়চ্ছে। আমার একটি মাত্র মামা বিয়ে করেছে ও কোন এক চরকে বনুও জন্মেছে। ও একটু বড় হতে, আমি হাড়হাভাতের মত ওর কাছ থেকে মাঝে মাঝে বেলুন ভিক্ষা করে আনি। আমার পোড়া কপাল, তিনটে আনলে তার মধ্যে দুটো ফুটো বেড়োয়, একটা ফটাস করে ফেটে যায়। কিরে কেটে বলছি, হপ্তা খানেক আগেও আনলাম, সেম ন্যাড়া সেম বেলতলা। কানা মামার মত ফাটা বেলুনে আঙুল পুরে হাওয়া ভরে প্যাঁট করে ফোলাই, হাতের তেলোয় প্যাঁকপ্যাঁক করে আওয়াজ করি, তারপর প্যাঁচ মারতে মারতে ফটাস করে ফাটিয়ে ফেলি; আর মা কোত্থেকে একটা খেঁকিয়ে “উফ্” করে ওঠে…

    শেষাবধি মোক্ষলাভ -

    যখন অনেক বড় হয়ে গেলাম, কিন্তু মনটা শিশুই রয়ে গেল, চাকরি বাকরি করতে ঝাড়খন্ডের জঙ্গলে দাপিয়ে দৌরাত্ম করে চলেছি; এমতবস্থায় একদিন বাড়ি ফিরে শুনি পানিহাটি মেলা চলছে। আমার সাথে মা আর মার সাথে আমি একদিন বিকেলে হানা দিলাম। গয়নাগাঁটি, জামাকাপড় কিছুরই তেমন বায়না নেই আমার; এদিকে মা দেদার কিনে চলেছে। শেষমেশ যখন দেখল আমি কিছুই কিনছি না, একটা ছোটখাটো মেলোড্রামা বাধবে বাধবে, সেই সুযোগে আমি তিনটে বর চাইলাম; একটা বেলুন, একটা গোল বেলুন, একটা গোল গ্যাস বেলুন... প্রশ্ন উঠতেই পারে, এত দিনেও নিজে একটা কিনি নি কেন! সদুত্তর নেই। কিন্তু মন বলে, বেলুন কেউ কিনে দিলে যতটা ভালো লাগে, নিজে নিজে কেনায় সেই ভালোলাগা নেই। না কিনলেও ফোলাতে গিয়েই টের পেয়েছি। যাই হোক, সেই সময় তক্ষক মুনি ব্যোমপথে বইছিলেন, একটা তথাস্তু ও আমার হাতে একটা ইয়া বড় নীল গ্যাস বেলুন এসে পড়লো। উইত্তারা, সেই থেকে নীল রঙ হল ভীষন প্রিয়! অ্যাডেনয়েড হিঙ্কলের মত নাচতে না পারলেও ফিলটা কোন অংশে কম ছিল না। বাড়ি ফিরে সে বেলুন খাটের বাটামে টানা চার দিন লটকে রেখেছিলাম। তারপর সেও চুপসে গেল।

    ঘুরে ফিরে সেই একই কথা -

    এবারের পুজোর ঘটনা। মনে বেলুনপ্রীতি আজও টনটনে। দশমীর দিন বেরোলাম ছবি তুলতে। মা, বাবা, প্রতিবেশী এক পরিবার কলকাতায় ঠাকুর দেখবে ফাঁকায় ফাঁকায় দিনের বেলা। কোন এক কোনা আটকে এক বেলুনওলা মিয়ানো বিড়িতে সুখটান দিচ্ছে। ছবি না তুলে হাঁ করে তাকিয়ে আছি। মা আগে বলত “চল”,এখন বললো “চলতে থাক”; ভালো মানুষের বেটি ঐ ন্যাতানো বিড়ির ধোঁয়ার মত একবুক নিঃশ্বাস ছেড়ে ক্যামেরা বাগিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে এলাম...

    পুনশ্চ -
    বাড়ি ফিরে আয়নায় চোখ আটকে গেল। শালা পিন ফুটিয়ে বলল, “তুই নিজেই এখন একটা আস্ত বেলুন রে, হতভাগা…”
  • Atoz | ০৬ নভেম্বর ২০১৮ ০০:২৩401579
  • ডিডি,
    কোনো চাড্ডীর লেখা না, স্বয়ং কালকূটের "শাম্ব" বইতে পড়লাম, "স্বয়ম্ভুর মনুকাল পাঁচ হাজার নশো আটান্ন খৃষ্টপূর্বাব্দ।"
    "শ্রীরাম ছিলেন দুই হাজার একশো চব্বিশ খৃষ্টপূর্বাব্দে। "
    "রামের থেকে কৃষ্ণ ছিলেন ছশো ছেষট্টি বছরের ছোটো।"
    ইত্যাদি ইত্যাদি আরো বহু কিছু।

    কথা হল, রেফারেন্স তো কিছু দ্যান নাই। যখন লেখা হচ্ছিল তখন কি রেফারেন্স দিতেন?

    মেইনস্ট্রিম পত্রিকায় বার হয়েছে এইসব লেখা, নির্ঘাৎ রেফারেন্স কিছু ছিলই। মানে লেখার সঙ্গে না দিলেও, লেখক নিজে তো কোথাও থেকে পেয়েছিলেন এইসব!

    এই ব্যাপারে কিছু আলোকপাত করতে পারেন?
  • Ishan | ০৬ নভেম্বর ২০১৮ ০০:১৩401578
  • দে থাকলে জানার ছিল। এই দুটো ঘটনার একটাও পড়িনি। কোথাও বেরিয়েছে? নাকি ভিতরের খবর?
  • S | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২৩:৫২401577
  • শায়্লা রাশেদ, জিগনেশ ভাই, আর কুনাল কামরা। এই কুনাল ছেলেটার জন্য বড্ড চিন্তা হয়। পিটিদার ভালো লাগবে এই আলোচনাটা। তবে মাঝে মাঝে আচ্ছে দিনের কিছু স্নিপেট আছে, সেগুলো দেখা মাস্ট। এই যেমন শিক্ষামন্ত্রী বলছেন ডারউইনের বিবর্তনবাদ মিথ্যা। বা গুজরাটের সিএম বলছেন যে ইসরো আজকে যা করছে ভগবান রাম অনেকদিন আগেই করে গেছেন। এইসব আরকি।

  • S | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২৩:৪৮401576
  • নুন। তাই ভালো।
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:৫৮401575
  • মেটালেরা সবাই মিলে লেগে পড়ে নিজেদের নুন তৈরীতে? খুব অ্যাকটিভ তবে। ঃ-)
  • কুমু | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:৫৬401574
  • মেটালের সংখ্যা অনেক বেশি ত।
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:৪০401573
  • কুমুদি, ক্যাটায়ন এত বেশি কেন?
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:৩৮401572
  • উরেব্বাবা, কত্ত ভূত কত্ত ভূত ! ঃ-)
  • pi | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:৩৩401571
  • যাঃ, ভাবলাম এটায়ও হ্যাঁ লিখবে। লিখলে ভাল হত, তাই না? এর উত্তরে আবার না লিখবে, তাই না?
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:২৪401569
  • না।
  • pi | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:২৪401570
  • খানুদাকে কি হ্যাঁ ভূতে পেয়েছে?
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ২২:২০401568
  • হ্যাঁ।
  • I | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৮:৪৬401567
  • মোবাইল থেকে হচ্ছে।
  • I | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৮:৪৫401566
  • কোনো কোনো টইয়ের তলায় কমেন্ট করতে গেলে পিছলে গিয়ে পেজ এর ওপরটা চলে আসছে।লিখতে দিচ্ছে না।ইটি কি ভুতচতুর্দশী না বাগের খেলা?
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৭:৪২401565
  • পার্ক স্ট্রীটের এপিজে হাউসে আগুন লেগেছে ভালমত।
  • de | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৭:০০401564
  • দেশভক্তি মাঝে মাঝেই মাত্রা ছাড়ায় -

    আইসার পুণের ইরফান নামে এক বাঙালী পিএইচডি স্টুডেন্ট (নামটা উল্লেখ জরুরী) একটা তিরঙ্গার সাথে একটা পাখীর ওড়ার ছবি দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলো "হোয়াট দ্য হেল ইস ফ্লাইং" - এটার জন্য তাকে এক বছর ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তার বাবা-মা-ভাই-বোন ডেথ থ্রেট পেয়েছে - জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে। এই ব্যাপারটা গেরুয়া উইংয়ের ভক্ত ছাত্র গণ হায়ার অথরিটিতে রিপোর্ট করে -

    কলকাতায় এসেনবোসে একই ভাবে কিছু ছাত্র রাজভাষার বিপক্ষে কমেন্ট করায় তাদের এগেইন্স্টে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন হয়েছে -
  • b | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৬:২৩401563
  • দেখুন, ৩ নংটা আমি ভীড় ঠাসা মিনিবাসে, বিশেষ করে শীতকালে জানলা দরজা বন্ধ থাকলে, মাঝে মধ্যেই পাই। তবে তার পিছনে কোনো প্যারানর্মাল অ্যাক্টিভিটি আছে বলে মনে হয় না।
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৬:১৮401562
  • উফ্ফ এইসব প্রতিবেদন দেখলেই মুগুর হাতে বেরোতে ইচ্ছা হয়।
  • S | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৫:৪২401561
  • দেখুনঃ

  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৫:০৫401558
  • ঠিক ই।
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৫:০৫401559
  • ঠিক ই।
  • de | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৩:৩২401557
  • লেখাটা অসম্ভব বাজে - যদিও বেরিয়েছে বলে আমার কোন আপত্তি নেই - এই অচিন্ত্যকুমারের রামকৃষ্ণদেব নিয়ে উলুতপুলুত করা লেখা আছে - যা পড়ে অনেকে গদগদ হন - এই কন্ট্রাস্টটা দেখে আমি তো মজাই পেয়েছি -
  • Tim | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৫২401556
  • ও। উফ এরা পারেও
  • r2h | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৪২401555
  • অচিন্ত্যকুমারের লেখা ভয়ানক বাজে। ঐ সময়টার প্রচুর লেখাই আমার খুব প্রিটেনশাস ঢপ লাগে।

    এই খোরাকটা কালকের আবাপ রবিবাসরীয়তে বেরিয়েছে।
  • Tim | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৩৮401554
  • আমি ভাবলাম ঈশানদা খবরের লিংকে ক্লিক করে অচিন্ত্যকুমার পেলো। বাগফাগ হবে ভেবে চেক করিনি। কিন্তু তাতো না। এসব কোথা থেকে পাওয়া গেল?
  • r2h | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৩৪401553
  • হ্যাঁ, অস্বস্তিকর তো বটেই।
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৩৩401551
  • এই অচিন্ত্যকুমারের খোরাকটা কোথায় পাওয়া যাচ্ছে?

    এমনিতে ওঁর লেখা আমার ভয়ানক বাজে লাগে। সেই এক 'প্রথম কদম ফুল' সিনেমা নিয়ে বাড়ির লোক বেজায় উলুতপ্লুত। তা লাইব্রেরীতে বইটা দেখে নিয়ে এলাম। উফ্ফ ব্যক্তিগত ম্যাগো লিস্টে যাবে ওটা।
  • pi | ০৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:৩৩401552
  • নকল রেখে পাঠাতে বলেছিলেন, সেটা কিন্তু আবার কোটে নেই। আর সেটা করেন নি বা করলেও জানান নি। মহিলার নিজের লেখা কিন্তু কিছু এল না, মানে ওঁর নিজের প্রাইভেসি কিন্তু অনেকটাই অক্ষুণ্ণ রইল। কী জানি, বেশ অস্বস্তিকর।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত