এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩২৩০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sibu | 118.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:১৭520120
  • ল্যাদোষ, আমি যেটা লিখলাম সেটা তো ওয়েল নোন। কথা হল এরকম একটা সিচুয়েশন তৈরী হল কেন? নীরদ চৌধুরী একটা কথা বলেছেন, ঊষঢ় তর্কপ্রবণতা বাঙালীর উন্নতি না হবার একটা কারণ। আমার লিস্টিটা দেখলে সেটাকে যথার্থ বলে মনে হয়। বাঙালীর সবচেয়ে বড় ইন্টেলেকচুয়াল কন্ট্রিবিউশন হল ন্যায় আর আইন। দুটোই তর্কপ্রধান। এই তর্কপ্রবণতা ব্যাপারটা খানিকটা রিপ্রেসড অ্যাগ্রেশনের বহিঃপ্রকাশ কি? গুরুর তর্কে যেটা দেখি, তর্কে যেভাবে হোক জিততে হবে। সে মিথ্যে বলে হোক, ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের কথার অপব্যাখ্যা করে হোক, প্রতিপক্ষকে বিরক্ত করে হোক। কিছুতে কিছু না হলে দল বেঁধে ক দিয়ে হোক। যেন ভোট দিয়ে সমস্ত ইন্টেলেকচুয়াল ইস্যুর সমাধান করা যায়। অ্যাজ ইফ, গনভোটে ঠিক হবে হিগস বোসন আছে কি নেই।
  • b | 122.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:১৮520121
  • আচ্ছা আমি PT দার ভুমিকা পালন করি।

    শিবু, এভাবে বল্লে হবে না এখানে আমাদের দেখে নিতে হবে একই বিষয়ে অন্য রাজ্যের অবস্থান গুলো কেমন ঃ)))
  • Sibu | 118.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:৩৭520122
  • এবারে শুতে যাব বোতীন ঃ-)।

    ১। বিবেকানন্দ ইংরেজ আসার পরে।

    ২। অন্য রাজ্যের অবস্থা জানতে পারলে তো খুবই ভাল হয়। কেউ দু-পহা দিন না।
  • b | 135.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:৩৮520123
  • শিবুবাবু, চর্য্যাপদ ঠিক বাংলা-য় নয়ঃ একটা ল্যাংগুয়েজ যেখানে বাংলা, অসমিয়া,ওড়িয়া সব ভাষা-ই কমন পড়িয়াছে।

    স্থাপত্যে বাংলার দান আছে তোঃ ঐ আটচালা কুঁড়েঘর টাইপের স্থাপত্য আর টেরাকোটাঃ মাটি পুড়িয়ে শিল্পকর্ম।
  • প্পন | 190.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:৫৩520124
  • পিনাকীর দেওয়া রিপোর্টটা দেখলাম। প্রথমেই বলি রিপোর্টের কভার পেজ অতি ভূষি। কে বানিয়েছে, টিওসি এসবের কোন গল্প নেই। সে যাক। পুরো রিপোর্টটাই যে বা যারা বানিয়েছে অ্যামেচারিশ দুদুভাতুপনার জন্য তাদের আগে চাগ্রি যাওয়া উচিত।

    তিন নং পেজে এসে দুটো পরস্পরবিরোধী তথ্য দেখতে পাচ্ছি। ৬৩৫ একরের জন্য চেক ডিসবার্স করা হয়েছে কিন্তু একই সাথে লেখা ৯৫২ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য সম্মতি পাওয়া গেছে।

    কনসেন্ট স্ট্যাটাস বলে একটা টার্ম ইউজ করা হয়েছে, কিন্তু সেটার ডেফিনেশন দেওয়া হয়নি! কনসেন্ট বলতে সরকার কী বোঝে?

    রিপোর্টে অ্যাপেনডিক্স সেকশনে কোন কোন জমির মালিক (এবং বর্গাদার) চেক নিয়েছেন তার তালিকা নেই কেন? এই নিয়েই তো যাবতীয় বাওয়ালের সূচনা।

    সবচেয়ে বড় কথা এটা মাথায় ঢুকল না এই পুরো রিপোর্ট এমন কি হাতিঘোড়া গোপন ব্যপার ছিল, যা প্রকাশ করলে সিঙ্গুরের প্রকল্পের নাভিশ্বাস উঠত?

    কে দিবে উত্তর? কে সেই নিরুপম ছায়াপিণ্ড?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১১:৩৩520125
  • ব্যাক আপ শিবু! চমৎকার আলোচনা।

    আর ওই ওয়ান লাইনার যদি আমার বক্তব্যের জন্যে হয়ে থাকে তো বলিঃ
    এক,আমি পলিটিশিয়ান নই।
    দুই, ঠিকমত বঙ্গবাসীও নই।
    তিন, প্রশ্ন এড়িয়ে যাইনি। ভেবেছিলাম উত্তর দেয়া হয়েছে, মানে স্পষ্ট ভাবে। আর বলতে চেয়েছিলাম এই প্রশ্নের পিন পয়েন্ট উত্তর আগে অনেকবার এই পাতায় দিয়েছি। এবং মাস দুই আগে আপনাকে ক্লিয়ার করে দিয়েছি যখন আপনি ইংরেজিতে লিখলেন যে অন্যথা আপনি আমার কথা দিয়েই আমাকে বাঁধবেন। তখন আপনার কথা মতই স্পষ্ট করে আপনার শব্দ দিয়েই বলেছিলাম।
    তবু শুনতে চান তো বলছিঃ অবশ্যই ৩৪ বছর পাওয়ারে থাকা আদর্শচ্যুত সিপিএম এর তুলনায় পাওয়ারে- না- থাকা র‌্যাবল রাউজার মমতা অনেক কম ক্ষতিকর। কারণ অর্গানাইজড পার্টি স্ট্রাকচার নেই। কোন দীর্ঘকালীন ক্ষমতা ধরে রাখার ভিশন নেই। সব শর্ট টার্ম। কোন থিংক ট্যাংক নেই। গোটা দলে একটাই মুখ। মায়াবতী ও জয়ললিত্যার মত। তবু ওদের একটা দীর্ঘকালীন সোশ্যাল এজেন্ডা আছে।
    ফলে এ পাওয়ারে এলে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারবে না। সেটা এখনই দেখা যাচ্ছে, যতই চেঁচামেচি হোক।
    দেখুন, রুটির প্রথম পিঠটা ওল্টাতে বেশি সময় নেয়, পরের পিঠটা খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে পুড়ে যায়।

    আচ্ছা, আমাকে প্রত্যেক বার কেন এইরকম ক্ল্যারিফিকেশন দিতে হবে? যেমন প্রত্যেক ঘটনার পরে মুসলমান কমিউনিটির থেকে নিন্দে করে নিজেদের ভারতের প্রতি আনুগত্যের প্রমাণ দিতে বলা হয়!ঃ))))
    মাইরি, ক্লান্ত হয়ে গেছি।
  • S | 109.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১২:২৫520126
  • কিন্তু তাহলে তো একখান ইম্পর্ট্যান্ত কোস্নো ওঠে। ইঙ্গরেজ আসার আগে বাঙ্গালীরা তেমন কিসুই করেনি, হতে পারে। কিন্তু ইঙ্গরেজ আসার পরে বাঙ্গালীরা জেগে ওঠে। সায়েন্স, ফিলোজফি, সাহিত্য থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই সবার আগে স্থান পায় - এটাও আশা করি মেনে নেবেন। তাহলে ফ্যাক্টর হোলো দুটো/তিনটে - ইঙ্গরাজী, অপ্রেশন, বিদেশি রাজ/সঙ্গস্পর্শ। তাহলে এখন তো বাঙ্গালীর আবার জগত সভায় ইত্যাদি হওয়া উচিত। কারণ এখন তো সর্বত্র ইঙ্গরাজী (বাঙ্গালীদের নাম আছে), গ্লোবালায়ন (সর্বত্র বিদেশি কোম্পানি ইত্যাদি), আর কেন্দ্র সরকারের অপ্রেশন। তাহলে তো কেল্লা ফতে। তাইলে এখন হয়্না কেনে?
  • lcm | 34.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৩:২০520127
  • ইন্ডিয়া-তে অফিশিয়াল ব্রিটিশ-রাজ ধরো ১৮৫০-১৯৫০, মোটামুটি এই ১০০ বছর। বা, যদি ১৮০০ থেকেই ধরো, তাহলে এই দেড়শো বছরে সায়েন্স, ফিলসফি এগিয়ে ছিল এটা অত নিশ্চিন্তে বলা যায় না। বরং, সাহিত্য নিয়ে নিশ্চিন্তে বলা যেতে পারে (কার্টেসি, রবিদাদু, বংকিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র)।

    সায়েন্স-এর কথা ধরো --
    ১) চন্দ্রশেখর ভেংকট রমন (১৮৮৮-১৯৭০) জন্ম তিরুচিরাপল্লী, ভারতে বিজ্ঞান সাধনার অন্যতম কান্ডারী, ১৯৩০ এ নোবেল প্রাইজ পান
    ২) শ্রীনিবাস রামানুজন (১৮৮৭-১৯২০) জন্ম এরোড, তামিলনাড়ু। কিংবদন্তী ম্যাথেমেটিশিয়ান।
    *এই পিরিয়েডে ভারতে বিজ্ঞানচর্চায় এই দুজন ভারতীয় বিজ্ঞানীর প্রভাব অপরিসীম।

    ফিলসফি, দুই ধর্মের দুজনের নাম করব --
    ১) জিড্ডু কৃষ্ণমূর্তি (১৮৯৫-১৯৮৬) জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশ। বুদ্ধ এবং হিন্দুধর্ম নিয়ে এনার কাজ ফেনোমেনাল।
    ২) মহম্মদ ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) জন্ম শিয়ালকোট, পাকিস্তান। যদিও কবি হিসেবে বেশী পরিচিত, কিন্তু এই টাইম পিরিয়ডে ইকবাল ছিলেন এক অসামান্য ইসলামিক ফিলসফার - সুফি-ইজম এর ভক্ত ইকবাল-এর কিছু পেপার নিয়ে একটি সংকলন - দ্য রিকনস্ট্রাকশন অফ্‌ রিলিজিয়াস থট ইন ইসলাম - যাকে বলা হয়ে থাকে মডার্ন ইসলামিক চিন্তাভাবনার ওপর এক অন্যতম কাজ।

    *বিবেকানন্দ-র কথা মাথায় রেখেই (বিবেকানন্দকে পুরো ফিলজফার বলে মানতে চান না অনেকে) বলা যায়, বাংলা থেকে এই লেভেলে কাউকে দেখা যায় নি।

    এগুলো নিয়ে বিতর্ক হতে পারে।
  • PT | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৩:২৫520131
  • b
    আমার নামটা উল্লেখ করেছ তাই বলিঃ স্বাধীনতা উত্তর যুগে গোটা ভারতেও সেরকম কোন উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানের চাষ হয়নি। নিজের চারপাশে যা যা জিনিস পত্র আছে বা সকাল থেকে রাত্তির পর্যন্ত যা যা ব্যবহার কর তার একটা তালিকা করলে দেখবে যে সে সবের কোনটারই "আবিষ্কার" ভারতে হয়নি। অন্যদিকে যে হাজার পঞ্চাশেক (বা আরো বেশী) ইঞ্জিনিয়ার ভারতের বিভিন্ন institute থেকে বেরিয়েছে, তাদের মধ্য থেকে বোধহয় জনা ছয়েকের নামও করা যায়না যারা কোন technology "অবিষ্কার" করেছে। কাজেই এইখানেও পঃ বঙ্গকে আলাদা করে বিচার করার কোন মানে হয়্না।

    আমার বক্তব্য ভুল প্রমাণিত হলে অবিশ্যি খুশীই হব।
  • PT | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৩:৪৩520133
  • RR
    "সিপিএম যাক, যেই আসুক" না কেন অবস্থানটা শুধু আপনার নয়, তামাম বুজী-দেরই ছিল সেই সময়ে। আমার বিচারে এই অবস্থানটাই সম্পুর্ণ ভুল। মমতা সেই সুযোগ নিয়ে কোন দিশা তৈরির চেষ্টাটুকুও না করে লালবাড়ির দখল নিয়েছেন বুজীদের ছাগল বানিয়ে।

    বুজীরা সিপিএমকে তাড়ানোর কথা বলবে কেন? সে দায় তো সাধারণ মানুষের। আসলে আমরা সবাই কি চেয়েছিলাম? আইনের শাসন এবং আইনের শাসন। ঔদ্ধত্য ইত্যাদি সব বাজে কথা-আইনের শাসন থাকলে ঔদ্ধত্যকেও বাগে আনা যায়। এই আইনের শাসন চাওয়া হয়নি বলেই বিভাস-শাঁওলী ইত্যাদিরা ফাঁসে আটকে গিয়েছেন। বাকিরা দল বদলানোর জন্য আট-ভাট কথা বলে নিজেদের নির্বুদ্ধিতা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    তাওয়াতে রুটির দিক বদলে কি বেনোজল আটকানো যায়? তাতে কংগ্রেস গিয়ে বিজেপি আসে-শুধু মাঝে গুচ্ছের লোক প্রধানমন্ত্রীত্ব পায় যাদের নাম মনে রাখা যায়না।

    এর পরে কোন বুজী "তৃণ যাক যেই আসুক" না কেন বললেও আমি তাদের বিশ্বাস করব না সেটা আগেই জানিয়ে রাখলাম। কেননা এরা এইসব করে একধরণের নৌরাজ্যবাদকেই তোল্লাই দেয়।
  • b | 122.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:১৪520134
  • শুধু ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিবেকানন্দ তৈরী করা যায়? এক মত হলাম না শিবু দা।

    PT দার কোন বক্তব্য আজ অবধি ভুল প্রমাণিত হয়েছে? জাস্ট কুউরিয়াস!! ঃ))
  • pinaki | 132.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৩৭520135
  • কমঃ প্পন, এই রিপোর্টটা কোনো গোপন রিপোর্ট নয়। এটা তখন থেকেই প্রকাশিত। মজাটা এক্কেবারে তুমি যে প্রশ্নটা করেছ সেখানটায়। সরকার বারবার বলছিল যে ৯৫২ একর জমির মালিকের লিখিত সম্মতি পাওয়া গেছে। কিন্তু আসল কথাটা জানা গেল এই স্ট্যাটাস রিপোর্টের পরে ৩১ শে ডিসেম্বরে আর একটা স্ট্যাটাস রিপোর্ট বেরোয় - সেইখানে। দেখা যায় ১৮৯৪ র জমি অধিগ্রহণ আইনে আসলে 'সম্মতি' জানানোর কোনো প্রভিশনই নেই। তাহলে কিসের ভিত্তিতে বলা হচ্ছিল ৯৫২ একরের সম্মতি পাওয়া গেছে? একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে। আর সেটা আসলে 'অশ্বত্থামা হত - ইতি গজ' কেস। বেসিক্যালি, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪ নং ধারা অনুযায়ী সরকার যদি কোথাও জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি জারি করে, তাহলে সেই নোটিশ পড়ার এক মাসের মধ্যে তুমি অবজেকশন জানাতে পারো। যদিও তার মানে এই নয় যে জমি অধিগ্রহণ হবে না। আমার ধারণা হয়তো এই নিয়ম জানা না থাকার কারণে বা আন্দোলনের তীব্রতার কারণে এই লিখিত অবজেকশন জানানোর রাস্তায় লোকজন যান নি। আর যেহেতু অবজেকশন জমা পড়ে নি, অতএব সরকার রটিয়ে দিয়েছে ৯৫২ একরের জমি মালিকের 'সম্মতি' পাওয়া গেছে। এটা বুঝেও যে 'সম্মতি' জানানোর কোনো অপশন ঐ আইনে নেই। এবার তুমিই বল, এই সরকারকে 'মিথ্যেবাদী' বলাটায় ভুল কোথায়? সমস্যা হল, এই মিথ্যেবাদিতার ফল কিন্তু পেয়েছে অলরেডি। অথচ দ্যাখো, যেই আবাপ একটু সাপোর্ট দিতে শুরু করেছে অম্নি সেই এক মিথ্যেগুলো আওড়ানো শুরু হয়ে গেছে। দুদিন বাদে আবার বলতে থাকবে নন্দীগ্রামে গুলি চালানোটা অনিবার্য ছিল। কারণ নইলে মাওবাদীরা গুলি চালিয়ে পুলিশদের মেরে ফেলত। আর ২০১৬ তে যদি ফিরে আসে তারপর বলবে আমরাই ঠিক ছিলাম। মানুষ ভুল করেছিলেন। এখন ভুল বুঝতে পেরে আমাদের ফিরিয়ে আনলেন। এগুলো ঘটবে। ঘটবেই। মিলিয়ে নিও। এখানে লেখা রইল। ঃ-)
  • PT | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৫৫520136
  • এইসব নিয়ে সব চাইতে ভাল তথ্য অরুণাভ ঘোষের কাছে আছে। তিনি আইনের পরিভাষায় এগুলোকে ব্যাখ্যা করেছেন অনেকবার। বাম সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর একটা বক্তব্য ছিল যে অনিচ্ছুক চাষীরা অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারত-সরকার সেটা entertain করেনি। কিন্তু সেই আপিল "না করার" কারণে নাকি ধরে নেওয়া যায় যে সম্মতি ছিল।

    (শুনে যেটুকু বুঝেছি তাই লিখলাম-ভুল হতে পারে)।
  • প্পন | 190.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২০:৪৯520137
  • পিনাকী, প্রশ্নগুলি সহজ আর উত্তরও তো জানা! ঃ)
  • প্পন | 190.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২০:৫১520138
  • আর আবাপ এসে পালে বাতাস দিয়ে দিচ্ছে এইটা সবচয়ে মজার। ঃ)
  • a | 132.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৩৫520139
  • যে জমি অধিগ্রহণ হয়ে গেছে তাকে আর ফেরানো যায় না, যে কারণে নতুন আইন টেকেনি।
    যদ্দুর আমার মনে আছে, ভুলও হতে পারে, যে তখন একটা নিয়ম হয়েছিল যে কালেক্টরের অফিসে এসে সম্মতিপত্র দিয়ে যেতে হবে, এবং সেই লিস্ট মিলিয়ে কম্পেনসেশন দেওয়া হবে। তার সাথে অধিগ্রহণের সম্পর্ক নেই। এইদুটোকে মিলিয়ে দেওয়াটা ভুল। কোথাও দেখাতে পারবেন সরকার বলেছে যে ৯৫২ একর জমির সম্মতি পাওয়া গেছে বলে অধিগ্রহণ হয়েছে/হয়নি? সরকার তথা সিপিয়েম বার বার বলেছে
    ১। অধিগ্রহন হয়েছে, এখন আর ফিরিয়ে দেওয়া যায় না জমি। এটা অরুনাভ ঘোষ থেকে বিকাশ বলেছে, আইনি দিক থেকে
    ২। পুনর্বাসনের জন্যে সম্মতি দিয়েছে ৯৫২ একর জমির মালিক, এবং চেক নিয়ে গেছে ৬৩৫ একর জমির মালিক।

    মিডিয়া আর বিরোধীদের পক্ষ থেকে একটা ধুয়ো তোলা হয়েছিল যে বাকি ৪০০ একর জমির মালিক "অনিচ্ছুক", অর্থাৎ যারা চেক নেননি তার সবাই অনিচ্ছুক।

    এখন সেটাও সমস্যা যে আজ নতুন আইন যদি সুপ্রীম কোর্টে পাস হয়েও আসে, খুব বেশি হলে ৪০ একর জমি ফেরত দিতে পারা যাবে, কারণ বাকিরা অলরেডি পুনর্বাসন নেবে বলে সম্মত। এক যদি যারা সম্মত কিন্তু চেক নেয়নি তারা জমি ফেরত পেতে পারে। সেক্ষেত্রেও যারা চেক নিয়েছে তারা মামলা করবে জমি ফেরত পাবার জন্যে, লজিকালি।

    কিন্তু, এতে লাভ কি হল? জানি বাজারি মিডিয়ার কথাই বলছি, তবু জানতে চাই যারা চাষীর আত্মসম্মন নিয়ে পাতা ভরিয়েছেন সে সময়, আজ সেই চাষীদের ফুড কুপন নিতে মারামারি করতে দেখে তাদের কেমন লাগছে?
  • aranya | 154.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫০520140
  • 'চাষীদের ফুড কুপন নিতে মারামারি করতে দেখে' যাবতীয় আমরা-ওরা, সবারই অত্যন্ত খারাপ লাগছে বলে মনে হয়, যাদের এট্টু-আধটু বিবেক -টিবেক আছে। রাজ্যপালের সাথে শেষ মিটিং-টা, যেটায় মমতা কারখানা করতে দিতে অলমোস্ট রাজী হয়েও ফাইনালি হলেন না - বড় দুঃখ দিয়েছিল। ঐ টাইম পয়েন্টে, যেখানে অধিকাংশ জমি আর চাষযোগ্য নেই, সিমেন্ট ঢেলে কারখানার মেঝে হয়ে গেছে, জীবনে আর সেখানে চাষ হবে না, ফ্যক্টরি ৮০-৯০% কমপ্লিট, ব্যাপক আন্দোলনের দরুন সরকার নরম হয়েছে, অনেক বেশি ক্ষতিপূরণ দেবে প্রথমে যা বলা হয়েছিল তার থেকে - এই অব্স্থায় শুধুমাত্র নিজে সিএম হওয়ার জন্য মমতা যা করলেন - জঘন্য, ন্যক্কারজনক, নিজের স্বার্থ-কে রাজ্যবাসীর স্বার্থের অনেক ওপরে স্থান দিলেন :-((
  • pinaki | 132.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২৩:৫৫520142
  • "যদ্দুর আমার মনে আছে, ভুলও হতে পারে, যে তখন একটা নিয়ম হয়েছিল যে কালেক্টরের অফিসে এসে সম্মতিপত্র দিয়ে যেতে হবে, এবং সেই লিস্ট মিলিয়ে কম্পেনসেশন দেওয়া হবে। তার সাথে অধিগ্রহণের সম্পর্ক নেই। এইদুটোকে মিলিয়ে দেওয়াটা ভুল। কোথাও দেখাতে পারবেন সরকার বলেছে যে ৯৫২ একর জমির সম্মতি পাওয়া গেছে বলে অধিগ্রহণ হয়েছে/হয়নি? সরকার তথা সিপিয়েম বার বার বলেছে"

    প্রিসাইসলি সরকার এটাই দাবী করেছিল যে ৯৫২ একরের মালিক 'জমি দিতে' সম্মতি দিয়েছে। একেবারে সুনির্দিষ্ট করে এটাই ছিল অধিগ্রহণের স্বপক্ষে যুক্তি। অর্থাৎ কিনা অধিকাংশ চাষীই ইচ্ছুক। তাহলে মাত্র অল্প কজন অনিচ্ছুকের জন্য কেন বলপূর্বক অধিগ্রহণ নয়? এটা প্রমাণ করতে গেলে ২০০৬ সালের অগাস্ট থেকে ডিসেম্বর অব্দি রোজকার খবরের কাগজ ঘাঁটতে হয়। সেটা সম্ভব নয়। আর তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া যায় যে ৯৫২ একর জমির মালিক ক্ষতিপূরণ নিতে সম্মতি জানিয়েছে তাহলেও দুটো প্রশ্ন থেকে যায় -

    ১) যেখানে এটা পরিষ্কার যে অধিগ্রহণ হওয়ার আগে জমি দেওয়ার সম্মতি আর অধিগ্রহণ হয়ে যাওয়ার পরে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার সম্মতি দুটো গুণগতভাবে আলাদা ব্যাপার, সেখানে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার সম্মতিকে জমি দিতে ইচ্ছুক বলে চালানোর কারণ কী?

    ২) সরকারকে বারবার বলা সত্ত্বেও কেন তারা ক্ষতিপূরণ নিতে ইচ্ছুক ৯৫২ একর জমি মালিকের তালিকা প্রকাশ করে নি? তার মানে তো এটাই দাঁড়ায় যে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার সম্মতিপত্রও সরকারের কাছে ছিল না।

    নিয়মটা হল, কালেক্টরের অফিসে এসে অধিগ্রহণের একমাসের মধ্যে জমি দেওয়ার সম্মতিপত্র নয়, ক্ষতিপূরণ নেওয়ার সম্মতিপত্র দিয়ে যেতে হবে। এটা অধিগ্রহণ আইনের ১১(২) ধারা অনুযায়ী। আগেই বলেছি জমি দেওয়ার ব্যাপারে কোনো সম্মতি/অসম্মতি কিছুই জানানোর স্কোপ নেই। অধিগ্রহণ হওয়ার পর অবজেকশন জানানোর স্কোপ আছে শুধু। তবে সেই অবজেকশনের জন্য অধিগ্রহণ আটকাবে না। আইনটা ১৮৯৪ সালের। ব্রিটিশদের বানানো। সেইজন্যেই এত কথা।
  • pinaki | 132.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:০১520143
  • আর লাভ-লোকসানের বিতর্কটা আলাদা বিতর্ক। হতেই পারে আন্দোলন পুরো ভুল ছিল। কিন্তু তাই দিয়ে ইচ্ছুক-অনিচ্ছুকের হিসেবটা তো মিথ্যে হয়ে যায় না। এখন যদি হঠাৎ দেখি ২০১৩ র ৪০ একর অনিচ্ছুক জমি মালিকের হিসেব দিয়ে এটা প্রমান করার চেষ্টা হচ্ছে, যে সিঙ্গুরে আসলে বুদ্ধবাবু যা দাবী করেছিলেন, অর্থাৎ ৯৫২ একরের মালিকই জমি দিতে ইচ্ছুক ছিল ২০০৬ সালে, সেটাই ঠিক - সেটা তো অনৃতভাষণ। উনি তো এরকম মিথ্যেকথা বহুবার বলেছেন।
  • aranya | 154.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:০৮520144
  • ২০০৬-এ আন্দোলন পুরো ঠিক ছিল বলে আমার মনে হয়। গা জোয়ারী করে পুলিশ নামিয়ে জমি দখলের বিরোধিতা ঠিক ছিল। আরও একটা কারণেও ঠিক ছিল - পঃ বঙ্গের অন্য জায়গায় অ-কৃষি জমি পাওয়া যেত কিনা সেভাবে দেখাই হয় নি। কল্যাণীতেই যেমন ১০০০ একর মত জমি ছিল, ইড্রাস্টির জন্য ডেজিগনেটেড জোনেই, তখন কাগজে বেরিয়েও ছিল।
    আন্দোলন করে যখন সরকার-কে হটানো গেল না, ৮০% কারখানার কাজ হয়ে গেল আন্দোলন সত্ত্বেও, তখন, ২০০৯-সালে সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোন মানে দেখি না।
    মমতাকে রাইটার্সে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ২০০৯-এ রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলনের আর কোন প্রয়োজনীয়তা ছিল না।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৩৪520145
  • আপনার কথিত বুজীরাও জনগণেরই একটা অংশ। আর সিপিএমকে ওরা নয় জনগণই তাড়িয়েছে, শুধু আপনারাই এটা মানতে চাইছেন না।
    আর বুজীরা, তাড়াবার বা বদলাবার বা আনাবার কথা যদি বলে তো সেটা তাদের অব্স্থান। আপনি সেটা বলতেও দেবেন না? আর আপনি যদি ওদের বিশ্বাস না করেন তো সেটা আপনার ব্যাপার।
    আর আপনাদের ভাষায় সব কিছুই জনগণ করে। তাহলে কাউকেই কিছু করার কথা কেন বলতে হবে? যা করার তো সেই জনগণই করবে। আপনার পছন্দ সই জনগণ ছাড়া কারো কোন কথা বলার অধিকার নেই?
    আপনার বক্তব্য কিন্তু কারো কোন কথা বলার অধিকারকেই নাকচ করছে। আর অনবধানে আপনি কিন্তু একটি ফ্যাসিস্ট অবস্থানে চলে যাচ্ছেন।
    রুটি পালটাতে গিয়ে যদি বিজেপি কি বিএসপি আসে তো কি, সেতো আপনি আমি নয়, জনগণই আনবে!!
    আর বক্তব্য কে চ্যালেঞ্জ করুন, তার অন্তর্বিরোধ দেখান, কিন্তু যদি কোন পক্ষের ইন্টিগ্রিটিকেই অবিশ্বাস করেন তাহলে আর ডায়লগ হয় না। মতবিরোধ সত্ত্বেও পারস্পরিক বিশ্বাস আলোচনার প্রথম আবশ্যিক শর্ত।
  • aranya | 154.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৪১520146
  • আর একটা দিকও আছে। কিছু বুদ্ধিজীবি বা কর্মজীবি, ভাটজীবি ইত্যাকার জীবি-রা হয়ত ভেবেছিলেন যে সিপিএম -কে একবার ৩৪ বছরের মৌরসীপাট্টা থেকে সরানো গেলে, তারা ভবিষ্যতে আবার ক্ষমতায় এলে অনেক কাইন্ডার, জেন্টলার সিপিএম-কে পাওয়া যাবে, বিরোধীর 'লাইফ হেল' করে দেওয়া সিপিএম আর ফিরে আসবে না।
    সেটা কিন্তু এখনও সম্ভব। ২০১৬-তে সিপিএম আবার ক্ষমতায় এলে সেই সরকার, সেই পার্টির মুখ হয়তো অনেক মানবিক দেখাবে।
  • a | 132.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:৪০520147
  • ১৯শে জুলাই নোটিফিকেশন হল অধিগ্রহণ। আর ৪ঠা ডিসে র রিপোর্টে দেখাচ্ছে ৯৫২ একর জমির ক্ষতিপূরণ নিতে সম্মতি পাওয়া গিয়েছে। তো পরের টা আগেরটার কারণ হিসাবে কেউ দেখায় না কি? এইটা একটু হ্যাজ হয়ে গেল। বোধহয় খবরের কাগজগুলো আরেকবার ফিরে পড়লে ভালো করবেন। দেখবেন, "অনিচ্ছুক" কথাটা মার্কেটে আগে এসেছিল। সেটাকে কাউন্টার করতে সরকার বারবার বলেছে ৯৫২ একর জমির মালিক ক্ষতিপূরণ নিতে সম্মত হয়েছে। নাথিং মোর, নাথিং লেস।
    আর দুঃখিত, আপ্নার কাছে কি ইচ্ছুক অনিচ্ছুকের কোন তালিকা আছে? ঐ ৯০০০+ লোকের? যদি না থাকে, আপনি জানলেন কি করে সত্যি কত জন "অনিচ্ছুক" ছিল?

    আর আইনের কথা যদি বলেন, আমি দুঃখিত আজকের ডেটে এটাই আইন। কাল পাল্টালে, নিশচয় মেনে নেব, নিতে বাধ্য। তবে তার আগে, এইটা অন্তত বোঝা গেল যে আন্দোলন যে ভুল হতেও পারে, সেটা কনসিডারেশন এ এসেছে।
    অরণ্যবাবুর বক্তব্যের একটা পার্ট একমত, জমি ব্যান্ক না বানিয়ে দুম করে কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছিল বোকার মত। কিন্তু আরেকটা পার্ট, অর্ধসত্য। শুধু মমতা নয়, বহু খুচরো পার্টি, হয়তো মাওবাদীরাও, নিজেদের প্রাসংগিকতা বজায় রাখতে ওনাকে জঙ্গী মদত দিয়েছিল।

    যক, এত কথা আপনার "অনিচ্ছুক" জাইবটা থেকে এল, পিনাকিবাবু। আসলে, শুরুর দিকে আমিও আন্দোলনের সমর্থনেই ছিলাম, কিন্তু টাটা চলে যাবার ফলে আজ যে পরিস্থিতি হয়েছে, সে তো চোখে দেখা যায় না। এটাই খুব খারাপ লাগে। তো, কি আর হবে ঃ)
  • aranya | 78.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৫:১৫520148
  • @a, গুছিয়ে লিখতে পারিনি। ২০০৯-এর আন্দোলনে মমতা ছাড়া আর কারও কোন লাভ হয় নি, এইটা বলতে চেয়েছিলাম। নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখতে কোন কোন দল আন্দোলন করেছে। এমন কি ২০০৯-এও কিছু আন্দোলনকারী হয়ত আন্তরিক ভাবেই ভেবেছে টাটা-রা চলে গেলে চাষীদের কিছু লাভ হবে - হয়ে থাকতেই পারে এমনটা। তবে এই শেষোক্ত গ্রুপে, মানে চাষীদের লাভের জন্য আন্দোলন করছেন, এই গ্রুপে মমতা ডেফিনিটলি ছিলেন না। ওনার পাখির চোখ ছিল রাইটার্স, আর কিছু নয়।
  • SC | 81.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৪২520149
  • সিঙ্গুরের চাষীদের জমি না ফিরে পাওয়াটা ভারতের আইনের ব্যর্থতা বলব।
    একটা কোর্টে কেস বছরের পর বছর ঝুলে আছে, গরিব মানুষ হাপিত্যেশ করে বসে আছে, এটা দেশের আইনব্যবস্থার খামতি দেখায়। আর পয়সা ও ক্ষমতা থাকলে যে এভাবেই কেস ঝোলানো যায়, তাই দেখা গেল।
    আর মমতার সরকারের আরো সময় নিয়ে আইন বানানো উচিত ছিল। দুম করে বানিয়ে দিলাম আইন, এরকম হয়না। মমতা ভেবেছিলেন এত ভোটে জিতেছি, যা ইচ্ছে আইন বানাতে পারি। কিন্তু এরকম হয় না.।

    কিন্তু এর কোনকিছুই সিঙ্গুরের আন্দোলনকে কোনমতেই খাটো করে না। এখনো মনে করি আন্দোলন সঠিক ছিল। মমতা সেই আন্দোলনে নিজের স্বার্থ গোছাতে এসেছিলেন, সে নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে এটাও ঠিক, মমতা না থাকলে ওই আন্দোলন খুব বেশিদূর যেতে পারত না।
  • Sibu | 84.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৪৩520150
  • রঞ্জনদা ১২ঃ৩৪ এএম।

    বুজীরা কথা বলবেন তাতে কে আপত্তি করেছে? কিন্তু উল্টোপাল্টা কথা বলে ওঁরা ওঁদের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন। কেউ কেউ চেটেপুটে ক্ষীর খেয়ে ব্যক্তিগত বিশ্বাসযোগ্যতাও হারিয়েছেন। কথা ওঁরা বলতে চাইলে বলুন। অসুবিধা কি আছে?
  • Sibu | 84.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৫০520151
  • ঐতিহাসিক যুগে বাঙালীর অ্যাচিভমেন্ট নিয়ে একটা অন্য টই খুল্লে হয়। আপাততঃ এখানে একটা ছোট্ট মন্তব্য। ইংরেজ আমলে কেন বাঙালী একটা ছোট সময়ের জন্য অনেক কিছু অ্যাচিভ করেছিল।

    আমার হাইপোথিসিস হল পশ্চিমের সাথে হঠাৎ ইন্টেলেকচুয়াল পরিচয়ে বাঙালীর চোখ ঝলসে গিয়েছিল। তাই শ্রেষ্ঠ বাঙালীরা "ঊষঢ় তর্কপ্রবণতা" কিছু দিনের জন্য বাদ দিয়ে এই নতুন উজ্জ্বল জিনিষগুলো আয়ত্ত করতে লেগে যায়। তার সাথে প্রথমবারের মত ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকার সুবিধা মিলিয়ে ঐ সময়ের জন্ম, যেটাকে আমরা বাংলার নবজাগরণ বলি।
  • SC | 81.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৫৩520153
  • বিশ্বাসযোগ্যতা থাকুক আর না থাকুক, বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে অত মাতামাতির কি আছে, আমি এমনিতেও বুঝি না।
    সমীর আইচ, ছবি আঁকেন, দুনিয়ার বিষয় সম্পর্কে তার মতামত।
    মতামত তার থাকতেই পারে, তিনি প্রকাশও করতে পারেন, কিন্তু টিভি চ্যানেলের তা নিয়ে অত মাথাব্যথা কেন?
    চাঁদে মানুষ গেছে কিনা, কিংবা গ্লোবাল ওয়ার্মিং হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে আমার পাড়ার চায়ের দোকানে লালু কি বললো, আর ছবি আঁকিয়ে আইচ কি বললো, খুব বেশি আলাদা কি?
    এই বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে আদিখ্যেতা ভারতে, ভারতের বাইরে আর কথাও আছে বলে দেখিনি।
  • aka | 85.*.*.* | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৮:০৯520154
  • একটা জাতি একেবারে খারাপ, অলস, কুচুটে কেমন করে হয় বুঝতে পারলাম না। মানে কি বাঙালী জেনেটিকালি এরকম? আর যদি সত্যি হয় তাহলে বোধ্হয় সাদারা যে কলার তুলে ঘুরে বেড়ায় তার কিছু সত্যতা আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন