এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৪:২২405659
  • "ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হলে সেখানে আম্রিগা নাক গলাবেই।" ---

    এটা ১৯৯০ পর্যন্ত ঠিক ছিল। সোভিয়েত ভেঙ্গে যাবার পরে এখন আর সেই সিচুয়েশন নেই।

    তবে যুদ্ধ হলে চিন নাক গলাবে সেটা প্রায় নিশ্চিত।

    কারণ এই মুহুর্তে চিনের প্রচুর ইন্সভেস্টমেন্ট পাকিস্তানে (ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার, রেলোঅয়েস, হাইওয়ে, মেট্রো ট্রেন, পাওয়ার প্লান্ট, সোলার প্লান্ট, সি পোর্ট...) -
    সব মিলিয়ে চিনের ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রায় ৬২ বিলিয়ন ডলার -- China–Pakistan Economic Corridor (CPEC) is a collection of infrastructure projects that are currently under construction throughout Pakistan. The value of CPEC projects is worth $62 billion as of 2017।

    আরব সাগরের তীরে সমুন্দ্র বন্দরটি চিনের দরকার - CPEC became partly operational when Chinese cargo was transported overland to Gwadar Port for onward maritime shipment to Africa and West Asia...
    ইরান থেকে ন্যাচারাল গ্যস বহন করবার জন্য পাইপলাইন বসছে - A network of pipelines to transport liquefied natural gas and oil will also be laid as part of the project, including a $2.5 billion pipeline between Gwadar and Nawabshah to eventually transport gas from Iran
    এছাড়া ফাইটার জেট থেকে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র - এসব তো আছেই।

    সুতরাং চিন-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন আর সামরিক নয়, এখন পুরোপুরো অর্থনৈতিক - CPEC will result in the creation of upwards of 2.3 million jobs between 2015–2030, and add 2 to 2.5 percentage points to the country's annual economic growth...

    ভারত-পাকিস্তান কনফ্লিক্টে পিক্চারে চিন আসবে।
  • S | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:৫৬405658
  • কান্দাহার নিয়ে কিছু বলার নেই। ঐসময় বোধয় যেকেউই ঐ ধরনের কাজই করতো। তখন পাব্লিক সেন্টিমেন্টও সেরকমই ছিলো। পলিসি তখনও আপডেটেড ছিলোনা, এখনো নেই। এইযে সেপারেটিস্টদের প্রোটেকশান সড়িয়ে দিলো, এটা প্রচন্ড রিয়্যাকশনারি।

    ডোভালকে নিয়ে অন্তত এখন সমালোচনা কেন করা হবেনা? এনেসে তো ক্যাবিনেট র‌্যান্ক বা ইকুইভ্যালেন্ট। ওকে এক লাথি মেরে বের করে দেওয়া উচিত।
  • S | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৯405657
  • ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হলে সেখানে আম্রিগা নাক গলাবেই। তার মানে আম্রিগা তার অ্যাসেটগুলোকে এদিকে মোবিলাইজ করবে। সেটা চীনের জন্য খুবেকটা সুখবর হবেনা। তাছাড়া এইমুহুর্তে দুটো দেশেই চীনের প্রচুর ইনভেস্টমেন্ট রয়েছে। সেটাও চৌপাট হয়ে যাবে। আর যেকোনও শক্তি খুব বড় ডমিনেটিঙ্গ পজিশনে চলে গেলে স্টেটাস কুয়ো মেইনটেইন করতে চায়। এইধরনের যুদ্ধ সেই স্টেটাসকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
  • Atoz | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:১৭405656
  • আস্তে আস্তে তখন সাবকন্টিনেন্টের প্রথম ইউনিয়ন শুরু করবো আমরা। প্রথম দুই সদস্য ভারত ও পাকিস্তান। ক্রমে অন্যেরা যোগ দেবে। টেনশনভরা সীমান্তে গুলি গোলা বন্দুক মিসাইলের খরচ তখন কমবে, ট্যাকস পেয়ারের টাকা তখন দুই দেশেরই দারিদ্র দূরীকরণ, স্কুল, হসপিটাল, শিল্প, সাহিত্য এইসব ভালো কাজে আর একটু বেশি ব্যবহৃত হবে। চাকরিও বাড়বে সেগুলো করতে গেলে। আর, তখন দুই দেশই নিজ নিজ টেররিস্টদের হয় মূল স্রোতে ফেরাবে নয়তো জেলে ঢোকাবে।
    ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চেয়েও অনেক বেশি জরুরী সাবকন্টিনেন্টের ইউনিয়ন, কারণ এখানে এখনও সর্বদাই যুদ্ধ- যুদ্ধ ভাব, মধ্যযুগের মতন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আধুনিক যুগে আসা আশু প্রয়োজন।
  • S | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০২:৪৮405655
  • বলছি। একটু সময় দিন।
  • Atoz | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৭405654
  • চীনের কী ক্ষতি হবে ভারত পাকিস্তানে যুদ্ধ লাগলে? এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, এইটা জানা গেলে কারণটাকে জিয়াতে হবে, তাহলে চীনই আমাদের যুদ্ধ করতে না দিয়ে অনেক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে দেবে।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২২:৩৪405653
  • সুকির টইয়ে লিখে তো এলাম, কিন্তু চিন্তা হচ্ছে, ওখানে কোন রাজনৈতিক আন্ডারটোন নেই তো? যা দিনকাল।
  • S | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২২:৩৩405652
  • খনুদা আপনি ডেমোক্র্যাসি নিয়ে যতটা নিস্চিত আমি অতটা নই। ইলেকশন হয়তো হবে। সেখানে লোকে নিস্চিন্তে ভোটও হয়তো দেবে। কিন্তু সেই ভোটারদের ওপিনিয়ন যদি ম্যানিপুলেটেড থাকে, বিয়িঙ্গ লিবারেল যদি আমজনতার কাছে মহাপাপের সমান হয় যায়, সব ইস্যু যদি একটাই পার্টি তৈরী করে দেয়, এবং আরো অনেক পোস্ট ইলেকশন ম্যানিপুলেশন সম্ভব ইত্যাদি তাহলে সেই ব্যবস্থাকে, ডিসপাইট ফেয়ার ইলেকশন, ডেমোক্র্যাসি বলতে আমি রাজি নই।

    লোকে অত ভাবে টাবে না। ভিয়েতনাম যুদ্ধ বহুদিন ধরে চলেছিলো, তারপরে বডি ব্যাগ দেখে আম্রিগানদের হোঁস ফেরে। তাছাড়া ওখানে তেল ছিলোনা, তাই রিটার্ণ কিছু দেখতে পাচ্ছিলো না। ইরাক যুদ্ধে রিয়্যাকশন রিলেটিভলি তাড়াতাড়ি হয়েছিলো কারণ রিসেশন। তখন ক্যান্ডিডেট ওবামা ডিক্লেয়ার করেছিলেন বুট পুল আউট করার পলিসি।

    আর মিডিয়া বলবে তাই যুদ্ধে যাবে ইন্ডিয়া, তা নয়। কিন্তু মিডিয়াকে দিয়ে একদল লোক বলাচ্ছে, যারা যুদ্ধে যেতে চায়। এর ফল কি? পাকিস্তানকে না মারতে পারি, পাড়ার মুসলমানটাকে তো মারি। এইটাই হবে আলটিমেটলি। এই ইলেক্শনে মাইনরিটি ভোট অনেক অনেক কম পড়বে বলেই মনে হচ্ছে।
  • dc | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২২:০৮405651
  • "অথবা কেন মনে করছে প্রতিটি টেররিস্ট অ্যাটাক ই সিনিকাল চক্রান্ত, বা এই বুঝি যুদ্ধ শুরু হল"

    যুদ্ধ হবে বলে আমার মনে হয়না। তার জন্য জিওপলিটিকাল কারন আছে, চীন কোনভাবেই ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হতে দেবেনা, তাতে চীনের বিস্তর ক্ষতি। তবে এই টাইমিংটা আমার খুব বেশী মেছো গন্ধওলা লাগছে। এখন দুতিন মাস এটা নিয়ে নিয়ে বাজার গরম থাকবে, চাকরি-কৃষি ইত্যাদি ইস্যুগুলো ব্যাকসিটে চলে যাবে। আর হয়তো এক দু মাসের মধ্যে আমাদের তরফ থেকেও উরি২ বা ওরকম কিছু করা হবে, নির্বাচনের প্রধান ইস্যু ওটাই হয়ে উঠবে। কাজেই যুদ্ধটা আদৌ আসল ইস্যু না। আসল ইস্যু নির্বাচন।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২১:৪১405649
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২১:৪১405650
  • পৃথিবীর কোন মিডিয়ার যদি রিপাবলিক টিভির থেকেও কম ক্রেডিবিলিটি থাকে সেটা চাই নিজ স্টেট মিডিয়ার।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২০:০০405647
  • কিন্তু তার সঙ্গে কান্দাহার এর ভূমিকা র সম্পর্ক কম, এখনকার ভূমিকা র সমালোচনা, ইনভেস্টিগেশন ঠিক হলে, ক‍রা যেতেই পারে, ক‌ংগ্রেস বয়ানে লিবেরালরা কথা বলে লাভ কি।
  • sm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:৫৫405646
  • না, না চীন, পাকিস্তান দূরপাল্লার মিসাইল, পারমাণবিক অস্ত্র বানিয়ে চলুক।আর চাইকি,যুদ্ধ তো কোন দিন হবে না।চাইনিজ গুলো বোকা তাই চাউমিন ছেড়ে এসব অস্ত্র শস্ত্র বানিয়ে চলেছে।
    আর একটা কথা, গোপন বলে জানিয়ে দিচ্ছি,হানু গোটা কয়েক প্রবন্ধ চাইনিজে অনুবাদ করে পাঠিয়ে দিলে,এমনিতেই চীনে গুলো ভেবলে যাবে।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:৫২405645
  • শৌর্য দোভালকে নিয়ে আরো অনেক বেশী চর্চা হওয়া দরকার। এক ত কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। দ্বিতীয়ত ওরই মাধ্যমে পেট্রোডলার স্পনসর্ড টেরোরিজম ঢুকছে ও মদত পাচ্ছে কিনা জানা দরকার।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:২৮405644
  • আজ এই লাস্ট বাণী, প্রমিস। আরেকটি কথাও আমি বুঝি না, ডোভাল বা এন ডি এ কে লোকে কান্দাহার কান্ডের জন্য এত দোষ দেয় কেন, এক প্লেন যাত্রী থাকলে, এনিমি স্টেটে, প্লেন গ্রাউন্ডেড থাকলে, অনেকেই এটা করত। আমেরিকা যে লাদেন কে মেরেছে অ্যাবটাবাদে গিয়ে, সেটার লাইভ ছবি হোয়াইট হাউজে দেখা গেছে, এই পার্ট টা ছাড়া উত্তেজনা টা কোথায়? পাকিস্তান সরকার সহযোগিতা না করলে, কোন কাউবয় এটা করতে পারতো না। সার্জিকাল সার্জিকাল বলে চেচানো পার্টি রা দোভালের কান্দাহারের বেলায় যাতে প্যাঁচে পড়ে তাই লোকে এরকম রেটোরিকের টেনিস করে, কিন্তু একটা অফিসার কে সমালোচনা টার্গেট করে সমালোচনা করাটাই বা কেমন, তৎঅকালীন সরকার কে সমালোচনা করা তাও যায়। বলছি যে এই শৌর্য্য চর্চা, ডোভাল আসলে ভীতু, বা মনমোহন এর আসল বস সোনিয়া এই বিচিত্র চাপান উতোর থেকে বেরোনো উচিত। মানে কংগ্রেস বিজেপি করুক, কিন্তু তার প্রভাব জনমানসে যাতে কম পড়ে সেটা দেখা লিবেরেল দের একটা বড় কাজের মধ্যে পড়া উচিত।

    অকারণ এত শৌর্য্য চর্চার কি প্রয়োজন তাও বুঝি না। ডোভাল এর এখনকার ভূমিকার প্রচন্ড সমালোচনা করা যেতেই পারে, (আরো খবর নিয়ে, প্রভাব টা কতদূর জেনে নিয়ে) তাঁর প্রচন্ড প্রভাব পলিসি তে রয়েছে বলে, কিন্তু এখন কার ফেলিয়োর আর ঐ ঘটনা টা এক কথা না। আবার উল্টো দিকে বালোচিস্তানে ইনসারজেন্সী টি তাঁর ই মস্তিষ্ক প্রসূত, এটা দাবী করতে গেলেও আরেকটু ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম করে তার পরে বলাই ভালো। এখানে কেউ বলে নি, কিন্তু পাড়ার আলোচনায় আর পেরে উঠছি না উত্তেজনা থরো থরো আলোচনা ;-((( মানুষের আসলে এমপাওয়ারমেন্ট নাই, তাই যত ক্ষমতাবানের ব্যাপারে যত বাজে স্পেকুলেট করে। এভিডেন্স না নিয়েই একটা ঘোষণা হল অমুক লোক বল্লো আমি বোমা ফাটিয়েছি, অমনি সেটা ধরেই জার্নালিজম শুরু হয়ে গেল, এটা আমার মনে হয় একটা ডেন্জারাস ট্রেন্ড, এটার কঠিন নাম টা হল এম্বেডেড জার্নালিজম, আর সোজা নাম টা হল ঢ্যামনামি।
  • de | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:১৮405642
  • শুদু পড়চি - কিছু বলার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েচে - সিরিয়াসলি -
  • Ekak | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:১৮405643
  • লোকে মোগলাই পরোটা খেতে খেতে মোল্লাদের মুন্ডু নিতে চাইছে। কোনো হিন্দুস্থানি ক্লাসিকালের মন্চে নয়, ঘরোয়া আলোচনায় দেখুন কী বিষ উঠে আসে।

    ভদ্রোলোক হিন্দু দ্বারা মুস্লিম কাল্চারের এপ্রোপ্রিএশন কে, সৌভ্রাত্রিত্ব ভাবার কী কারন বুঝি না। ঐ মুস্লিম গায়োকের গলায় উপনিষদের মন্ত্র অব্ধি ঠিক আছে। উল্টো টা কোনোকলেই লার্জ্লি এক্সেপ্টেব্ল না।
  • Kaju | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:১৫405641
  • আপনারা হাসবেন জেনেও একটা কথা বলছি। ভারত মোস্ট ফেভার্ড নেশন তুলে নিয়েছে পাকিস্তানের থেকে, ২০০% শুল্ক বসিয়েছে পাকিস্তানের রপ্তানি করা সমস্ত পণ্যে। এটাই যদি আরো এক্সটেন্ড করে ওদের সঙ্গে একেবারে সব রকম বিজনেস বন্ধের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়? যে দেশগুলো পাশে আছি বলছে মুখে, তাদেরও একই আবেদন যদি করা যায়, যে পাক-এর সঙ্গে কোনো রকম বিজনেস ডিল করা না হয়। এর সামগ্রিক প্রভাবে ওদের দেশেই বিক্ষোভ বিদ্রোহের মুখে পড়বে পাক প্রশাসন। ঘরে বাইরে কোণঠাসা হয়ে পড়ার কথা এতে। অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়বে, জঙ্গীদের এত যে জামাই আদর করে শেল্টার দিয়ে রেখেছে, অস্ত্র কিনছে, তার সামর্থ্য গুঁড়িয়ে যাবে। এতে ধাক্কা দেয়া যেত অনেক বেশি এই যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা আর সার্জিকাল স্ট্রাইকের চেয়ে। অনেক তো লাফালাফি হল। কাল ২ জনকে মেরে আমাদের ৪ জন আবার শহীদ হল। যুদ্ধের বদলা কেমন বোঝা তো গেল নিশ্চয়ই?

    হ্যাঁ মাথার ওপর ছাতা ধরে আছে চীন, ভেটো ব্যবহার করে জৈশকে আন্ত্রজাতিক জঙ্গী বলে ঘোষণা করতে বাধা দিচ্ছে, ভারত আজও UN-এর সদস্য হতে পারল না ওদের বিরোধিতায়। একই পন্থা নেয়া যেতে পারত চীনের জন্যেও, বাণিজ্যিক ভাবে বয়কট করা সব দেশের পক্ষ থেকে। ভারত ও আমেরিকাকে চাপে রাখতে পাক-কে তোল্লাই দেয়ার আগে তখন ভাবত না কি একটু? খুব কি অসম্ভব অবাস্তব এই পন্থা-টা?

    বড় বড় বোদ্ধারা যুদ্ধ ছাড়া কিছু ভাবতেই পারছেন না, যুদ্ধ হলে আমরা কীভাবে ভুগব সেই নিয়ে জল্পনা। আমরা তো ট্যাক্স দিয়ে এদেশে থাকি, প্রতি ব্যাপারে আকাশ ছোঁয়া GST, এইটুকু বলার অধিকার নিশ্চয়ই আমাদের আছে? সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে শুধু পড়ে পড়ে মার খাওয়া কি খুব সমীচীন?

    নিন হাসুন এবার। কথা শেষ। একটু কমিক রিলিফ দিতে পারলাম বোধ হয়।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:০৫405640
  • ভারতের প্রোকিয়োর মেন্ট বাজেট সবচেয়ে বেশি, আইডিয়ালি আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত থাকার কথা। এই একটা ব্যাপারে মাইরি সরকা আমার টাকা নিয়ে কি করলো এই প্রশ্ন আমি করি না ঃ-))))) না করাই ভালো, ফ্র্যাংকলি, জারোস্লাভ হাসেকের শোয়াইক এর যুদ্ধ প্রস্তুতির সম্পূর্ণ প্যান্টখোলা অবস্থার পক্ষে বলতে পারেন, তবে সকলকে বলি না, আপনি নিজের লোক বলে বললাম ;-)

    এখানে যুদ্ধ কেউ চেয়েছে বলে দেখিনি, আমি যেটা কে অ্যাটাক করছি এবং আপনি হয়তো খ্যাল করেন নি এস এম দা, সেটা হল, যুদ্ধ বিরোধী রা বা সেকুলার রা কেন মনে করছে পাবলিক স্পেসে তারা সাংঘাতিক কর্নার্ড অথবা কেন মনে করছে প্রতিটি টেররিস্ট অ্যাটাক ই সিনিকাল চক্রান্ত, বা এই বুঝি যুদ্ধ শুরু হল, এটা আমি বুঝতে পারছি না। যুদ্ধ শুরু করার মত মুর্খ আমরা যদি হই, তাহলে শহীদ পরিবারেই আপত্তি উঠবে। এটুকুই বলছি। আর ফ্লড ভারতীয় গণতন্ত্রের অ্যাচিভমেন্ট গুলো কে মনে রাখতে বলছি, সেটা ঠিক নেতাকৃত না এটুকু বলছি।

  • sm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:০২405639
  • এটা বেশ ঘাঁটা পোস্ট হলো।এর থেকে নির্যাস বের করা বেশ টাফ
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৫৮405638
  • হ্যা কিন্তু ফ্র্যাংকলি আসামে যে জাতিগত ঘৃণা তৈরী করা গেছে, সেটা আর কোথাও তৈরী করা যায় নি, এবং শ্রীকৃষ্ণের লীলা খেলায়, তারাও অনেকে বিজেপি বিরোধী। খ

    ঘটনাটা আমি এরকম ভাবে দেখি। এন আর সি টা এবং তার পরের আইন টা, হল ভারতের সংবিধানের উপরে অনেক বড় আঘাত, এবং তার বিপদ, একটা টেররিস্ট অ্যাটাকের পরে উত্তেজনার থেকে বেশি। সুতোরাং দ্য ফান ইজ ইন দ্য ইস্ট নট এনিহোয়ার এল্স। উত্তর ভারতে সহাবস্থানের একটা লম্বা ইতিহাস আছে। এই যে ধরো কুম্ভো ম্যালা। এটার সবচেয়ে পূণ্য স্নান টার নাম এখনো শাহী স্নান। তো সহাবস্থানের এই চিহ্ন গুলি ভারতীয় রাষ্ট্র বহু প্রচেষ্টায় এখনো মুছে ফেলতে পারে নি, তাজমহল ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিলেও, হিন্দুস্থানী ক্লাসিকাল মিউজিক ভেঙ্গে গোঁড়ানো জাবে না। সাধারণত কল্পিত ইম্পেরিয়াল সেন্টার উত্তর ভারতে এ হিন্দুত্ত্ব আইডিওলোজির মানসক্ষেত্র, সেটাই গ্লোরিয়াস অ্যান্টিকুইটির ইতিহাসচর্চা ইত্যাদি অতএব আমাদের ন্যাশনালিজম এর ফাউন্ডেশনাল মিথ গুলি র স্থানাংক টা সেখানে, কিন্তু বিজেপি এবং পেরিফেরাল স্টেট গুলির ক্ষমতাবান অংশের দ্বারা করে তোলা সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল, সীমান্তবর্তী অঞ্চল গুলিকেই ন্যাশনালিজম ডিবেটের এপি সেন্টার করে তোলা এবং তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি আদায় করা। এবং আমাদের ফেডেরাল পন্থী রাও এর জন্য প্রস্তুত না, এটা পোলিটিকাল এবং কালচারাল ডিবেট, এটা অর্থনৈতিক ডিবেট ই না। এটার জন্য রেজিস্টান্স তৈরী করাটা বড় কাজ। হ্যাঁ এবার উত্তর পূর্ব সবাই মিলে কাশ্মীরি শাল ওয়ালা দের ধরে ধরে মারলে কি আর হবে, সরকার কে বাধ্য করতে হবে ব্যবস্থা নিয়ে, ইন্ডিভিজুয়াল কেস এ, জেনেরাল ন্যারেটিভ তৈরী টা আমাদের পক্ষে যাবে না।

    [আমি জানি না অবশ্য আমি এমন ভাবে কথা বলছি কেন, আমার কথা শুনে তো কেউ চলবে না ঃ-)))) জেনেরালি বলছি আর কি, ধরে ন্যাও আমি পান্নালাল দাশগুপ্ত, বল্লভপুর বা পাঁচশোয়াতে থাকি, কিন্তু জবাহরের মেয়ে ফোন টোন করে ঃ-)))))]
  • sm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৪৯405637
  • এখানে কেউই তো যুদ্ধের পক্ষে বক্তব্য রেখেছে বলে চোখে পড়ছে না,একসেপ্ট বিভাষ সাহা।
    টিভি চ্যানেল যখন ইচ্ছে মতামত ঘুরিয়ে দিতে পারে।এখন টি আর পি গরম,তাই যুদ্ধ, যুদ্ধ বলে চেঁচানি চলবে কিছুদিন।
    সকলেই মোটামুটি জানে,একটা যুদ্ধ বাঁধলে,রেশন দোকানে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হবে।মিলবে কিনা স্থিরতা নেই।
    তবে একটা কথা,প্রস্তুতি রাখতে হবে।কারণ যুদ্ধ যে হয়না, এমনটা নয়।অপ্রস্তুত দেশ হলে তো চলবে না।
  • Ekak | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৩৭405636
  • লঙ্গ টার্মে এগুলো সবই সত্য। মন্বন্তর দাঙ্গা মহামারি থেকে আবার উঠে দান্রাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

    শর্ট টার্মে, জনতা "ওদের কে" শিক্খা দেওআর জন্যে আবার মেতে উঠেছে। এর সঙ্গে ফেস্বুকের সম্পোর্কো নেই।

    কর্নটক এ আর কিছু না কাত্তে পেরে, কিছু লোক মিলে এক্টা কশ্মিরি এম্পোরিউম ভান্গ্চুর করেচে।

    তো, চিন্তা যুদ্ধের না। চিন্তা এই গূন এলিমেন্ট গুলো ফ্রি হ্যান্ড পেয়ে জাওআয়। কারোন আম্রা আগেও তো সেম নাটক দেখেছিলুম। এঙ্গার বিল্ড করে, তর্পর ফ্রী হ্যান্ড দেওআর খেলা।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৩৪405635
  • এয়ারে বসন্ত, কিন্তু আপাতত পৃথিবীর যত চুমু সকলের র পক্ষে ই সুকির পানে ধাওয়া করাই উচিত হবে, কি কলম, টোটাল টোটাল। খ
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:১৯405634
  • দেখুন যুদ্ধ করার মত বোকা যদি আমরা সত্যি ই হই, তাহলে যুদ্ধ শুরু হলেই যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনমত ঐ পরিবার গুলি থেকেই আসবে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের বডি ব্যাগ এর এফেক্ট আপনাদের জেনারেশন এর ভোলার কথা না, ইন ফ্যাক্ট এই যে আমেরিকা ফার্স্ট এর এত বাজার এখন, সেটা কে ইরাক এর বডি ব্যাগ এর এফেক্ট বলা যেতে পারে, ওখানে জটিলতার আরো স্তর আছে, কিন্তু এন্ড অফ দ্য ডে, আমেরিকা চীন ট্রেড ওয়ার এর ক্ষেত্র ভারত পাকিস্তান হতে চাইবে কিনা সেটা ভাবার একটাও লোক থাকবেনা এত বড় দেশে, এটা ভাবতে ইচ্ছা করে না।

    দেখুন আমি রাষ্ট্র নেতা নই, খুব বোদ্ধাও কেউ নেই, মুলত ডেস্ক স্কাইভিং ইডিয়ট, কিন্তু টেলিভিসন এ লোকে চেচালেই যুদ্ধ হবে এটা ভাবতে ইচ্ছা করে না। আর একটা কথা আছে, যেটা এই গান্ডু রা না বুঝলেও কেউ না কেউ বুঝবে ( ফর একজাম্পল, উরি র যে কম্যান্ডার স্টেটমেন্ট দিয়েছে, ফর্মার জিও সি ইন সি নর্দার্ন কমান্ড, লং টার্ম সলিউশনের পক্ষে কথা বলেছেন, র এর প্রাক্তন চীফ অ্যাগ্রেসিভ ডিপ্লোমাসির কথা বলেছেন ইত্যাদি, এরা তো কেউ বামপন্থী না পেশার দিক থেকে লিবেরাল বলে দুর্নাম ও নেই), ফক্স নিউজ চেচালো, বোম পড়লও বাগদাদে, এই মস্তিটা আমাদের নেই, দিল্লী বম্বে চেচালে করাচি, লাহোর খুব দূরে না, সম্ভাব্য হিউম্যান ট্র্যাজেডি কষ্ট কল্পনার ব্যাপার না।

    আর একটা কথা এটা বোধহয় সবারি মনে রাখা উচিত, এ সমস্যার ফাইনাল সলিউশন নেই, লো স্কেল দেওয়া নেওয়া টাই আপাতোতো নরমাল আর এটা এই এসকালেটেড অবস্থায় চিরটাকাল ছিল না।
  • sm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৭:২৮405633
  • এক্ষুনি হয়তো কোন চ্যানেল দেখিয়ে দেবে অনেক শহীদের পরিবারের লোকজন চাইছেন,উপযুক্ত বদলা।তখন কি পাওনা থাকবে?
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৬:৪২405632
  • এহ!
  • T | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৬:৩০405631
  • না, ভি সি করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের না, ভুঁড়িতে চুমু।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত