এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দু | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৮:২৩407070
  • ভাইপো বউ সোনা শুদ্ধ কাস্টমস এর হাতে ধরা পড়ল ভাইপোবউ। মাফিয়ারানী গুন্ডাপুলিশ দিয়ে ছাড়িয়ে আনলো।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৮:১৪407069
  • কে? অরবিন্দ কেজরিওয়াল? তিনি তো আছেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

    কেজরিওয়াল সরকার নাকি দিল্লির সরকারি স্কুলের হাল বদলে দিয়েছে। ১০০০-এর মতন সরকারি স্কুলের শিক্ষককে সিঙ্গাপুর আর ফিনল্যান্ডে পাঠানো হয়েছিল টিচিং মেথড শিখে আসার জন্য। এছাড়া সরকারি স্কুলের ক্লাসরুম গুলো আপগ্রেড করা (নতুন রং, বোর্ড, প্রোজেক্টর...), ভদ্রস্থ বেঞ্চ-চেয়ার, বাথরুম আপগ্রেড, ল্যাবে ইকুইপমেন্ট, এসব করেছে, কিছু সরকারি স্কুলে নাকি সুইমিং পুল-ও করেছে।
    ২০১৮ সালে সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষায় দিল্লিতে সরকারি স্কুলগুলো বেসরকারি স্কুলের থেকে গড়ে ভাল ফল করেছে।

    আর একটি খবর শুনেছিলাম, প্রাইভেট স্কুলগুলো মাঝেমধ্যেই দুমদাম ফি বাড়িয়ে দেয়, তো কেজরিওয়াল সরকার নাকি দিল্লির প্রায় ২০০টি স্কুলে নোটিশ পাঠিয়ে দেয় যে ফি বাড়ানো চলবে না, এবং ঐ স্কুলের কর্তৃপক্ষ সেই ফরমান অনুযায়ী বর্ধিত ফি ফিরিয়ে নিয়েছেন।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৭:৪৭407068
  • আচ্ছা, সেই কেজরিবাবুর কী খবর? অনেকদিন তো তেমন কিছু সাড়াশব্দ পাই না! আর, সেই অনেককাল আগের সেই অন্না হাজারেবাবু? তাঁরই বা কী হল?
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৭:৪৫407067
  • এঁদের মতন লোকদের ভারতে আমদানি করে পলিটিশিয়ানের পোস্টগুলো দিন। তারপরে খেলা দেখুন। ঃ-)
  • Amit | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৭:৩২407066
  • নিউ জিলান্ড এর প্রাইম মিনিস্টার কে দেখে মনে হচ্ছে দুনিয়াতে এরকম লিডার আরো থাকলে অনেক বেশি শান্তি থাকতো পৃথিবীতে।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:২৬407065
  • নিক বেচারারও ছবি আছে। একেবারে সদ্য পালক ছাড়ানো কচি মোরগের মতন। ভ্যাবাচ্যাকা মুখে হাসছে। পাশেই দাঁড়িয়ে চোপড়া। ঃ-)
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:২২407064
  • গলায় ইয়াম্মোটা সাতলহর মোতির মালা। ঃ-)
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:২০407063
  • আরে গুগল কাকুকে যেই প্রিয়াংকা চোপড়া টাইপ করে দিলাম, কী ভয়ানক এক মহিলা হাজির! সদ্য ঋষি খাওয়া মোটা লাল ঠোঁট! ওরে বাবা! ঃ-)
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:১৭407062
  • নিক জোনাস কে? প্রিয়াঙ্কাই বা কোন্‌ প্রিয়াঙ্কা? চোপড়া না বাটরা?
  • একক | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:১০407061
  • ইন্ডিয়াতে ; শীতকালে ট্রাভেল করলেও, মধ্যবিত্ত সিঙ্গল ট্রাভেলার মহিলারা ট্রেনে এসির টিকিট কাটেন। নন এসি "সেফ নয় "। এরকম কেন ???

    এই দেশটা পার্সেপশনেই চলে। তার কিছুটা এক্সপিরিয়েন্স ব্যাকড ও বটে।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:০৯407060
  • "ইন্ডিয়া একটা লম্বা স্পাইরাল -এ পড়ে গ্যাছে "

    একদম, আর স্পাইর‌্যাল-টার স্প্যান বাড়ছে।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:০৪407059
  • প্রাইভেট সিস্টেম হল একটা মানসিকতা, একটা বিশ্বাস।

    অনেকে দেখি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে যে টাকাপয়সা খরচা না করলে ভালো লেখাপড়া হয় না, সে তুমি যতই মেধাবী হও না কেন। যত বেশি খরচা করবে তত ভালো লেখাপড়া হবে। শুধু লেখাপড়া নয়, চিকিৎসা থেকে রেস্তোঁরা সবেতেই। এবং যারা এরকম ভাবছেন তারা নিজেরাও এরকম প্রাইভেট সিস্টেমের মধ্যে দিয়ে উঠে এসে আর্থিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া লোকজন। তাদের চিন্তাভাবনা হচ্ছে - আমারও এমন ভাবেই হয়েছে, পরের প্রজন্মের এমনভাবেই হবে। এটি স্বাভাবিক চিন্তাধারা।

    ক্যাপিটালিজ্‌ম্‌ এই বিশ্বাস প্রোমোট করে ঠিক কথা। কিন্তু একই সঙ্গে একথাও ঠিক যে ক্যাপিটালিস্ট দেশগুলো হিউম্যান ক্যাপিট্যালে ইনভেস্ট করে। আমার কষ্টার্জিত আয়ের থেকে যে পয়্সা ট্যাক্সে দিই, তা দিয়ে কি হয় বা কি হওয়া উচিত সেটি খেয়াল রাখাও আমার কর্তব্য। যে সিস্টেম আমাকে এই বেসিক প্রশ্নটা ভুলতে বলছে সেটি তো প্রশ্নযোগ্যই।
  • S | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৬:০২407058
  • এইসব কথা ভালো লাগছেনা। এডুকেশন পলিসি নিয়ে আলোচনা বড্ড বোরিং। তার থেকে নিক জোনাস প্রিয়ান্কার নামে কি টুইট করলো একটু জানাবে প্লিজ। বা দীপিকা-রনভীর কোথায় হানিমুনে গেলো। প্লিজ সেই নিয়ে একটু কথাবাত্তা বলুন তো।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৫৮407057
  • এলসিএম, এইটাই আসলে প্রশ্ন। যাদের সামর্থ্য নেই তারা কী করবে? এইসব মহার্ঘ্য প্রাইভেট সিস্টেমের খুবই উপযোগিতা আছে এটা মেনে নেওয়া মানেই সরকারের (সমাজের ) আর কোনো দায়-দায়িত্ব থাকে না। সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট। যার যার কিনে নেবার সামর্থ্য আছে তারা বাঁচবে, যার যার নেই তারা সাবাড় হয়ে যাবে অথবা পথের পাঁচালির মতন অবস্থায় থাকবে। এইরকম একটা ব্যাপারেরই লেজিটিমেসি এসে যায়।
  • একক | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৫৫407056
  • "প্রশ্ন হল যাদের এই সামর্থ্য নেই তারা কি করবে?"

    এর উত্তর ছোট্ট -সহজ ও এট্টু অসব্য : তারা চুষবে।

    সিরিয়াসলি স্পীকিং, ইন্ডিয়া একটা লম্বা স্পাইরাল -এ পড়ে গ্যাছে। হাই এযুকেটেড ক্লাসের যা এস্পিরেশন তা সরকারি চাকরি মেটাতে পারবেনা, এদিকে সরকারি সেক্টর ছাড়া পরিষেবার বিনিময়মূল্য নাবিয়ে রাখা (এই মডেলে) সম্ভব না।

    এইভাবেই হেলথ সেক্টর হাতের বাইরে চলে গ্যাছে। একজন মাস্টার্স করা ডাক্তারের এস্পিরেশনকে সরকার একোমোডেট করতে পারেনি। এডুকেশন ও যাচ্ছে ও যাবে। আমরা যখন সরকারকে খেস্তাই, বড়লোকদের খেস্তাই তখন সযত্নে এই এস্পিরেশনের ইকুয়েশন টা সরিয়ে রাখি, হুইচ ইস একচুয়াল গেম চেঞ্জার। মনে হয়না অদূর ভবিষ্যতে ইন্ডিয়া এটা সামলাতে পারবে। যতই পার্টি বদলে বদলে আসুক। অতএব, যারা পারবেনা তারা চুষবে।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৪৫407055
  • সরকার এসব করবে কেন? বলবে, "যা ব্যাটারা, নিজ নিজ বুদ্ধি কৌশলে লড়ে খা। আমার বলে রাফালে টাফালে আম্বানি টাম্বানি কত ইম্পোর্ট্যান্ট জিনিস নিয়ে কারবার, তা না এনারা এলেন ঘ্যানকীর্তন নিয়ে। বিরক্তির একশেষ। যা যা ম্যালা বকিস না, অনেক ভিডিও করা বাকী। "
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৪৩407054
  • কোটা কোচিং সেন্টার নিয়ে - এখানে লিখেছিলাম আগে।

    একটা ছেলেকে জানতাম, আইটি-র চাকরি করত স্যান হোসে এলাকায়। ও কোটা-তে ওইরকম কোচিং নিয়েছিল। বিহারে এক গ্রামের স্কুলে পড়ত, লেখাপড়ায় ভাল ছিল, কিন্তু যে স্কুলে পড়ত সেখানে টিচিং স্টাফ অত ভাল ছিল না, বাড়িতে বিশেষ হেল্প ছিল না। ক্লাস টেন পাশ করার পর ওর বাবাকে অন্য অনেকে পরামর্শ দেয় যে ছেলের পড়াশোনায় মতিগতি আছে, টাকাপয়্সা জোগাড় করে কোটা পাঠিয়ে দাও, ওর বাবা খানিকটা জমি বেচে ওকে পাঠিয়ে দেয় কোটা-তে। ওখানে থেকে ও পড়াশোনা করে। সমমনস্ক এবং মোটামুটি একইরকম আর্থিক অবস্থার মধ্যে থেকে আসা অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ওর কোনো অসুবিধে হয় নি, আইআইটি পায় নি, কিন্তু এন`আইটি পেয়েছিল। সেই সূত্রে চাকরি এবং জীবিকা। ওর মতে কোটা-য় পড়ে ওর অনেক সুবিধে হয়েছিল, পরবর্তী জীবনে কলেজ এবং জীবিকা - যেটা গ্রামে থাকলে সম্ভব হত না।

    সুতরাং, কোটা বা কোটার মতন সিস্টেম - এগুলোর কিন্তু ইউজ-কেস আছে। প্রশ্ন হল যাদের এই সামর্থ্য নেই তারা কি করবে?
  • Ekak | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৪১407053
  • এবার ভেবে দেখুন ওই টিচাররা অটো কম পয়সায় ওই ইংলিশ মিডিয়াম ইস্কুলে পড়ান কেন ?পড়ান, কেননা সরকারি রিক্রুটমেন্টের ঠিক ঠিকানা নেই এবং সরকারি স্কুলে "প্যারা টিচার " হলে মাইনে আরও কম এবং সম্মান দ্বিতীয় শ্রেণীর।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:৩৩407052
  • বহু প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কিন্তু টিচারদের ঐ ফুটো কলসী মার্কা মাইনেই দেয়। দোয়ানি সিকি আধলা ছুঁড়ে দেয়ার মতন। অথচ স্টুডেন্টদের থেকে নানারকম কায়্দায় লাখো লাখো ফী আখমাড়াই কলের মতন বার করে নেয়।
    অবশ্য, হুজুর মাবাপ, এমন তো করবেনই।
    ভারতের অবস্থা ওই মধূসূদন বিদ্যাসাগরের আমলে যেমন ছিল তেমনই প্রায় আছে। তখনও লাখ বেলাখ ছড়ানো জমিদারেরাই লেঠেলরাজ চালাতো, এখন কোটি শ'কোটির "নয়া জমিদারেরা" ঠিক সেটাই করে। তার বাইরে বিশাল পথের পাঁচালি।
  • একক | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:২৯407051
  • সরকারকে এডুকেশন সেক্টরে মাইনে বাড়াতে হবে, ফেসিলিটিস বাড়াতে হবে আর ওই বয়েসের সীমারেখা ফেখা ওসব ঢপের কীর্তন তুলে দিতে হবে। বছরের পর বছর না ঝুলিয়ে রিক্রুট করতে হবে। নইলে, ভারতে যে রেটে উচ্চশিক্ষিত সম্প্রদায় বাড়ছে তাতে, তারাই প্রাইভেট এডুকেশনকে কাঁধে করে বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রি বানিয়ে দেবে। আর কিছু লাগবে না। এখনো, একাডেমিয়ার একটা বড় অংশ সরকারি চাকরিকে প্রায়োরিটি দেয়। কিন্তু এই জঘন্য রিক্রুটমেন্ট এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সিস্টেম চলতে থাকলে এই গল্প বেশিদিন নয়।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:১৭407050
  • হ্যাঁ, শিক্ষার মতন ব্যাপারকে প্রাইভেটাইজ করে দেওয়াই ভালো। যার যেমন কড়ি সে তেমন কিনে নেবে। সত্যি কথা বলতে, এ তো ইনভেস্টমেন্টই। পাঁচ পয়্সা ইনভেস্ট করো, ফুটো কলসীর বাড়ি খেয়ে দিন কাটাও। পাঁচ কোটি ইনভেস্ট করো, পাঁচশো কোটির রোশনি ছড়িয়ে মিডিয়া জোড়া বিয়ে লাগাও।
  • S | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৫:১৩407049
  • দিল্লির আশে পাশে যেসব এম্বিএ কলেজগুলো রয়েছে, তারা পোচ্চুর মাইনে দিয়ে পড়ানোর লোক রাখে। সেই তুলনায় আইআইএমের প্রফরা খুবই অল্প মাইনে পান। ডিস্পাইট বেটার পেডিগ্রী অ্যান্ড রিসার্চ।
  • Ekak | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৪:৫৩407048
  • বারো লাখ নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন কি ? শহরে এক কামরার একটা ফ্ল্যাটের দাম তো পঁয়ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ লাখ। সেই হিসেবে, সন্তানের পড়াশোনার পেছনে এটা কী এমন খরচ ? আমি অবস্সই যাঁরা মাসে লাখ দেড়েক অন্তত পান তাঁদের কথা বলছি। বা যাঁরা গ্রামের কয়েক বিঘে জমি বেঁচে লাখবিশেক জোগাড় করতে পারেন।

    এই সংখ্যাটা কিন্তু বর্তমান ভারতে কম নয়। দূর থেকে দেখলে গোটা ভারতকে কেমন একটা পথের পাঁচালী টাইপ লাগে। আদতে ভারতের একটা বড় অংশ, একদম আকালের সন্ধানে। তাদের মিড্ ডে মিল জোটেনা কাজেই আপনি বারো লাখ দিয়ে ছেলেমেয়েকে পড়ান নাকি ওই টাকা মাটির তলায় পুঁতে রাখেন তা দিয়ে এমনিতেও কিস্যু যায় আসেনা। আর বাকি রইলো আম্বানির বিয়ের ভিডিওতে লাইক দেওয়া এসপিরান্ট ক্লাস। তারা তো চাইবেই কাচ্চাবাচ্চা আর কিছুনা হোক একটু দুধে ভাতে থাকুক চাকরি পেয়ে। এরা বিশাল বোকা ও ভালোমানুষ, সবাই এদের ঠকিয়ে নিচ্ছে এরকম আদৌ নয়। এস্পিরেশন আছে, তার দাম দিচ্ছে।

    ফাইন্যালি ; ইন্ডিয়াতে প্রাইভেট এডুকেশন সেক্টর দাঁড়িয়ে আছে শুধুই চাহিদার ওপর নয়। মিডল এজ ইঞ্জিনিয়ার থেকে, সরকারি কলেজে চাকরি না পাওয়া / মাইনেতে না পোষানো ডক্টরেট / পোস্ট ডক .........এই রিসোর্স পুলটা ইন্ডিয়াতে দিনদিন বাড়ছে। এরাই রিক্রুটেড হচ্ছেন প্রাইভেট এ। এই যোগান দিনদিন বাড়বে, কমবে না।

    যে দেশে এমএসসিতে দুর্দান্ত রেজাল্ট করেও সরকারি চাকরির আশায় রাস্তায় ধর্ণা দিতে হয় সেখানে, প্রাইভেট সেক্টরকে আটকাবে কে :) যাঁরা ছাত্রদের কাছ থেকে ১২ লাখ নিচ্ছে, তারা টিচারদের কী প্যাকেজ দেয় দেখুন। গল্পটার আগা -মাথা বোঝা যাবে :) প্রচুর প্রাইভেট এডুকেশন ইন্সটি টাকা মেরে দেয়, কিন্তু প্রাইভেট টপ ইন্সটিগুলো এই মুহূর্তে যা প্যাকেজ দেয়, তা কোনো গভ এডুকেশন সেক্টর দেবেনা।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০২:৪১407047
  • টিম,
    দেখেছো রিপোর্টটার শয়তানি? পয়সার কথা একেবারে হে হেঁ হেঁ !!!! যেন "তিনপয়সার প্যালা দিয়ে মিলে গেল ডানা! বিপুল উৎসাহে গিয়ে দিলাম তখন হানা "। কী ধরণের শয়তান! এইধরণের জিনিস যারা লেখে তারা ওদেরই নিযুক্ত করা পোষা রিপোর্টদাতা।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০২:৩৫407046
  • থ্যাংকু টিম।
    এই সেদিন জানতে পারলাম কালীদা নাকি শুঁড়িখানার মালিক। তাই তো বলি, এত কালীদা কালীদা ক্যানো করে লোকে? দরদ উথলে পড়ে। ঃ-)
  • Tim | ২২ মার্চ ২০১৯ ০২:১৩407045
  • এই রিপোর্টে মোটামুটি বলা আছে কীভাবে কোটা আজকের অবস্থায় পৌঁছলো।

    https://www.indiatoday.in/india/story/how-kota-became-coaching-factory-for-cracking-iit-58936-2009-10-21

    এতজকে বলি, মানুষ অল্পস্বল্প পড়ালেখা করবে, করে ভদ্রস্থ চাকরি করবে আর বাকি জীবনটা মোটামুটি আলস্যে কাটিয়ে দেবে এটাই নর্ম। এবং সেসব নিশ্চিত করার জন্য আইনি উপায়ে যতদূর সম্ভব যাবে --- এতে দোষের কিছু নেই। হ্যাঁ খুব একটা ইনস্পায়ারিং কিসুনা তা কী আর করা যাবে। সবাই তো বলছে এটাই নাকি জীবন, ডিফাইন্ড বাই কালীদা। ঃ-)
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০১:২১407044
  • বছরে বারোলাখ টাকা আক্কেলসেলামী দিয়ে কোটার কোচিং এ মুর্গী হতে যারা যায়, তারা আবার ওখানে বাবা অথবা মাকেও সঙ্গে নিয়ে যায়। ইন ফ্যাক্ট ওখানে বছর দুই কি তিন সপরিবারে বাস করে। নানাদিকে ব্যবসা। চমৎকার। কোচিং এর ব্যবসা তো আছেই মহার্ঘ্য, প্লাস থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা যেসব, সেও তো সমান্তরাল বিজনেস। সাধে কি আর গলায়মাল্য এদের?
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ মার্চ ২০১৯ ০০:৫৯407043
  • কোচিং এ না গেলে রেজাল্ট ভাল হবেনা, এ ধারণাটা আমার সময়ে কিন্তু বেশ বদ্ধমূল ব্যাপার ছিল। রোজ স্কুলে ভাল পড়াচ্ছে, বাড়িতে একজন গৃহশিক্ষকও আছে তবুও কোচিঙে যেতেই হবে। আমি নাইনে জোর করেই কোচিঙে ভর্তি হয়েছিলাম। মনে হয় ওই ক্রেজ প্লাস কোচিঙে যাওয়া একটা অ্যাডাল্ট ব্যাপার মত।
    তবে একটা উপকার হয়েছিল, সব স্কুলে একটা ghetto-ed পরিবেশ থাকে, সেটার বাইরে আমরা কিছু ভাবতে পারতাম না, অন্যান্য অনেক স্কুলের ছেলে, মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশা করার সুযোগ হয়েছিল।
  • Atoz | ২২ মার্চ ২০১৯ ০০:৪৮407042
  • এইসব কোচিং সেন্টারগুলো মধ্যবিত্তকে মুর্গী বীনানোর কল। এই না হলে এরা ধনপতি হয়ে গলায়মাল্য নেয়?
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ মার্চ ২০১৯ ০০:৩৫407041
  • এই কোচিং সেন্টারগুলো এক একটা ব্র্যান্ডনেম হয়ে যায়। এখন 'আকাশ' না কি একটা যেন আছে। আমাদের সময়ে ছিল নালন্দা, স্কিম্যাটিক। এগুলোতে ভর্তি হয়ে রেগুলার ক্লাসে না গেলে স্ট্যাটাস থাকত না। প্লাস টু তে ভাল স্কুলে সায়েন্স আর তারপর জয়েন্টে পেতে হলে একদম মাস্ট। আমি বিজ্ঞান নিয়ে না পড়ায় সে বালাই ছিল না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত