এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ২১:৫৪407820
  • ideological dogmatism is equally dangerous.
  • b | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ২১:০৯407819
  • ফ্রি ডেলিভারি বলেছে।ফ্রি শিপিং তো বলে নি।
  • Ekak | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ২১:০১407818
  • তাহলে, পিনকোড দিলেই, শিপ্পিঙ্গ চার্য এড হচ্চে কেন।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:৩৯407817
  • বলল তো সর্বত্র
  • Ekak | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:১০407816
  • বিনা ডেলিভরি চার্য মানে, কল্কাতার মধ্যে ? সেটা উল্লেখ থাকা ভালো।

    আর ডিস্কাউন্ট এর কোড কী ? লেখা নেই দেখছি।
  • sm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৮:৩৩407815
  • জানতাম, গুজু,মাড়োয়ারিরা ভালো ব্যবসায়ী হয়।অনিল আম্বানি,নীরব মোদি, চকসি,রুংতা, কোঠারি,এদের দেখে তো মনে হচ্ছে,ব্যবসার কিছুই জানে না।নয়তো এতো এতো কোটি টাকা লোকসান করে আর ব্যাংকের টাকা চুরি করে!অদ্ভুত লাগে।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৮:২০407814
  • আচ্ছা, গুরুর আর অন্য বইপত্তর এখন বিনা ডেলিভারি চার্জে আর অনেক ছাড়ে দেবে জানিয়েছে। নববর্ষ উপলক্ষে।

  • চারুবাবু | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৫:০৬407811
  • "neoliberalism" is one transitional state on the way to fascism. Imperialism has no other destination.
  • deshbhaag | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:২৯407810
  • দেশ ভাগ না হলেই ভালো হতো--- ভাগটা মুলতঃ বাংলার জন্য ই হয়েছে। বাঙালী "প্রাতঃস্মরনীয়" পলিটিসিয়ানদের, বুদ্ধিজীবী দের চুড়ান্ত ব্যর্থতা।
    ১৯০৫ ঠিক ঠাক আবেগবর্জিত ভাবে সিদ্ধান্ত নিলে আর নেগোসিয়েট করলে হয়্তো দেশ ভাগ হতো না। রাজধানী ও কলকাতা থেকে সরত না।

    কিন্তু ধর্মের ভিত্তি তে যখন দেশ ভাগ হলই তখন তখন এক্সচেন্জ টা পুরোপুরি হওয়া উচিত ছিলো। ওদিকের সংখ্যালঘু সব এদিকে চলে এলো, আসতেই থাকলো, আর এদিকের কেউ গেলো না বা গেলেও সামন্য-- এই ব্যাপারটা অ্যাভয়েড করা যেতো। বাংলাদেশে স্বাধীনতার সময় ৩০% হিন্দু ছিলো এখন ৮%। কমার ট্রেন্ড অব্যাহত। পাকিস্তানে ২ % সংখ্যালঘু

    সংখ্যালঘু বিনিময় সপ্পুর্ন হলে বহু ঝামেলা থেকে তিনটে দেশ ই মুক্তি পেতো
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:১২407809
  • টেলিকম, এয়ারলাইন, ব্যাংকিং - এই সেক্টরগুলোতে সরকারের কখনোই নাক গলানো উচিত না। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি টেলিকম সেক্টর রেগুলেট করবে, ডিজিসিএ এয়ারলাইনগুলোকে রেগুলেট করবে, আর রিজার্ভ ব্যাংক ব্যাংকিং সেক্টরকে রেগুলেট করবে। আর প্রাইভেট এনটিটিরা ব্যবসা করবে। বিএসএনএল, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন অবশ্যই বিক্রি বা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
  • dipanjan | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৪৭407808
  • "কিন্তু কোনো ক্যালকুলেশন না থাকলে কীকরে হবে। ওঁকে কংগ্রেস সভাপতির পদটা কে ছাড়তে বলেছিল।"

    ত্রিপুরী কংগ্রেসে ওয়ার্কিং কমিটি সুভাষের সাথে কাজ করবে না বলে পালাবার পর গান্ধী সুভাষকে একটা টেলিগ্রাম পাঠান। সেই টেলিগ্রামে পরিষ্কার দুটো রাস্তা দেখানো ছিল - হয় নিজের ওয়ার্কিং কমিটি বানাও অথবা পদত্যাগ করো।

    নিজের কমিটি বানানো যে যাবে না সেটা সুভাষ জানতেন। প্রথমত গান্ধী ও গান্ধীবাদীদের চটিয়ে কাজ করা মুশকিল। তারপর কাদের নিয়ে করবেন? ১৫৮০-১৩৭৭ ভোটে জিতেছিলেন ঠিকই, কিন্তু যারা সুভাষকে ভোট দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক ঐক্য ছিল না। গান্ধীর-শত্রু-আমার-বন্ধু আর আমি-কংগ্রেসি-নরমপন্থীদের-থেকে-বেশি-ব্রিটিশবিরোধী - এর ভিত্তিতে ওয়ার্কিং কমিটি হয় না। সুভাষের ক্যারিশমায় আর গান্ধীর ঘৃণায় ভোট নামলেও কাজ নামবে না।

    একটা কথা ভুললে চলবে না যে সুভাষের রাজনীতির ঘরানাটি সমস্যামূলক তিরিশের ভারতে। প্রথমত শতাব্দীর শুরুতে জাতীয়তাবাদী হিন্দুত্বঘেঁষা মিলিটারিস্টিক রাজনীতি ইংরেজি শিক্ষিত এলিটদের মধ্যে কাটতো, কিন্তু তিরিশে পুরোনো হয়ে গেছে। তারপর সুভাষের কিছু ব্যক্তিগত ফ্যাসিবাদী প্রবণতা সোসালিষ্ট লেফটিস্টদের কাছে প্রব্লেমেটিক ছিল।

    তৃতীয় রাস্তা ছিল বাংলাকে কংগ্রেসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে চাপ তৈরী করা। কিন্তু সেটাও প্র্যাকটিকাল ছিল না। বাংলা কংগ্রেসেও বসু ব্রাদার্সদের একাধিপত্য ছিল না। কলকাতা কর্পোরেশন চালানোর সূত্রে অনেক বিভীষণ। একটা বড় অংশ গান্ধীকে রাগাবার বদলে বসুদের বেকায়দার সুযোগ নিয়ে নিজেদেরটা গোছানোর চেষ্টাই করতেন।

    পদত্যাগ ছাড়া তখন আর উপায় ছিল না। দেরি হয়ে গেছে। আরও আগে অন্যভাবে খেলতে হতো।

    ওয়ার্কিং কমিটির সাথে সম্পর্কটা এতটা খারাপ হতো না যদি না ত্রিপুরী কংগ্রেসের কিছুদিন আগে সুভাষ প্রেসকে দেওয়া একটা স্টেটমেন্টে গান্ধী ও গান্ধীবাদীদের দেশপ্রেমের অভাব ও ব্রিটিশদের সাথে আপোস নিয়ে কড়া মন্তব্য করতেন। মন্তব্য অমূলক ছিল না, কিন্তু প্রমান ছিল না আর পলিটিকালি ইনকারেক্ট। তার ওপর ১৯৩৫-এ ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল ইউরোপ প্রকাশ পেলেও ১৯৩৮ অব্দি ভারতে পাওয়া যেত না। তাতে গান্ধীর সম্পর্কে কিছু লেখা ছিল যা ঠিক শ্রদ্ধানম্র নয়। ভোট হারার গোদের ওপর এই দুই ঘটনা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ায়।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৪২407807
  • ও আচ্ছা, আগের পোস্ট খেয়াল করি নি। হ্যাঁ, তবে এটাই ব্যাপার আর কি।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৪০407806
  • লসাগুদা সেটা নিয়েও লিখেছি আগে।
    "কিন্তু কোনটা লস মেকিঙ্গ, কোনটা প্রফিট মেকিঙ্গ, কোনটা এফিশিয়েন্ট এগুলো সময় ও টেকনলজির সাথে সাথে পাল্টায়।"
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩৮407804
  • S,
    তুমি যেটা বলছ যে ভারতের পরিপ্রেক্ষিতে এয়ারলাইন্স পরিষেবা একটি বিলাসিতার ব্যাপার, কোনো জরুরী পরিষেবা নয়। এটা ঠিক এবং ঠিক নয়। একটা সময় এটা জরুরী পরিষেবা হবে। বা, কিছু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে। এবার আমি হায়্দ্রাবাদ থেকে কলকাতার ফ্লাইটে দেখলাম অনেক পেশেন্ট, চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন, ফেরত যাচ্ছেন, হয়ত জরুরী অপারেশন বা তেমন কিছু। একে জরুরী বলতে হবে।

    যেমন ধরো, দেড় দশক আগেও মোবাইল ফোন বিলাসিতা ছিল, এখন কিন্তু প্রয়োজন। এরকম আর কি।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩৮407805
  • "চায়না দাবী করে তারা একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেসি-র মডেলে দেশ চালাচ্ছে।"

    ওটা ওদের দাবী যাতে ডেমোক্র্যাসি আনতে না হয় আর পলিটব্যুরোর হাত থেকে ক্ষমতা না যায়। এখন তো আজীবন চেয়ারম্যান। কোনও বাম নেতা এই স্টেপ সমর্থন করতে পারেনা।

    পলিটিকাল প্রসেস আর ইকনমিক মডেলকে আলাদা করা খুব মুশকিল। ইকনমিস্টরা ভালো বলতে পারবেন কেন? আমার মনে নেই।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩৩407803
  • হ্যাঁ, এই মুহুর্তে আর বিশেষ অপশনও নেই।
    যেমন, চায়না দাবী করে তারা একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেসি-র মডেলে দেশ চালাচ্ছে। অন্য দেশ বলে যে না ওদের পার্টিসিপিটেরি ডেমোক্রেসি নেই, জনগণ ভোট দিয়ে পার্টি বেছে নিতে পারে না। কিন্তু সেটা পলিটিক্যাল প্রসেসটা, ইকনমিক প্রসেস কিন্তু মোর অর লেস সোশ্যাল ডেমোক্রেসির মডেলেই (যদিও এখনও গভর্নমেন্ট রেগুলেশন একটু হেভি)। কিন্তু ধরো ট্যাক্সিং - প্রগ্রেসিভ ট্যাক্স সিস্টেম - ৩% থেকে ৪৫% -- আয় অনুযায়ী। মানে এগুলো তো সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মডেলের অংশ।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩২407802
  • পাবলিক ট্রান্সপোর্ট নিয়েও লিখেছি ঃ))

    এয়ারলাইন্স আমাদের দেশে এখনো লাকজারিয়াস চয়েস। ফলে ওখানে ভর্তুকি দেওয়া মানে বড়লোকদের ভর্তুকি দেওয়া। ওর থেকে রেলওয়েজে দিক। ওটা সাধারণ গরীব লোকেরা ব্যবহার করে।

    ভর্তুকির এক পয়সাও যেন বড়লোকেরা না পায়।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২৬407800
  • @r2h আপনার বলা সমস্যাটার সমাধান দিয়েছি পরে।

    কিন্তু আসল সমস্যা হলো "উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে যাদের চিকিৎসা, পড়াশোনার জন্যে অন্যত্র যেতে হয় তাদের বলুন।" এইটা। কেন যেতে হবে অন্যত্র? সেইজন্যই তো বলছি সরকারের উচিত গুছিয়ে ট্যাক্সো বসিয়ে এই দুটো ক্ষেত্রে ইমিডিয়েট উন্নতি করা উচিত।

    সমস্যা হলো আমাদের মধ্যে অনেকেরই বেশি ট্যাক্স দিতে হবে বললেই মাথা গরম হয়ে যায়। তাদের বক্তব্য হলো যেকোনো সিস্টেম ভালো অ্যাজ লঙ্গ অ্যাজ আমাকে বেশি ট্যাক্স দিতে না হয়। এদিকে আবার বামপন্থী ঢংটাও করতে হবে।
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২৬407801
  • "Social democracy thus aims to create the conditions for capitalism to lead to greater democratic, egalitarian and solidaristic outcomes."

    এক্স্যাক্টলি। এটার যে নামই দেওয়া হোক না কেন, বেসিক মডেলটা হলো ক্যাপিটালিস্ট ইকোনমি উইথ সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যান্ড রেগুলেশান। যেসব দেশে এটা অ্যাপ্লাই করা হয়েছে সেগুলো মোটামুটি ভালোই চলছে, তার মধ্যেও টানাপোড়েন তো আছেই, তবে কিনা একেবারে বসে পড়েনি। য়ুরোপ এর বেশ কয়েকটা দেশে, অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ড, ফার ইস্ট এশিয়ার নানা দেশে কিছুটা ফ্রি মার্কেট, কিছুটা রেগুলেশান, কিছুটা ওয়েলফেয়ার দিয়ে সরকার চলছে। এসব দেশে স্বাস্থ্য আর শিক্ষাতেও পাবলিক স্পেন্ডিং লেভেল হাই।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২৫407799
  • মানে ধরো, r2h যে কথা বলেছে, মানে, হেল্থকেয়ার আর পাবলিক ট্রান্সপোর্ট দুটোঅই দরকার।
  • r2h | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২৩407798
  • ওহ আচ্ছা, পড়লাম, আগে দেখিনি।

    তবে প্রত্যন্ত অঞ্চল মানেই ডিমান্ড সামান্য নয় - আগরতলার কলকাতা, টিকিট পাওয়াই একেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে, দিনে গোটা চারেক ফ্লাইট তো বোধয় চলে।

    আর, প্রফিট মেকিং সেকটর থেকে সরকার হাত গুটিয়ে নেবে, প্রফিট মেকাররা আরো প্রফিট করতে থাকবে সেটা অবশ্য গোলমেলে, তবে আপনি রেগুলেশনের কথাও লিখেছেন - আরেকটু মন দিয়ে পড়তে হবে।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২২407797
  • পাবলিক ট্রানসিট-ও এখন, মানে এ যুগে
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২১407796
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য জরুরি পরিষেবা।
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৯407795
  • Opposing Govt. regulations and rules to promote open market economy, is like "kill the goose that lays the golden eggs."

    Free market economics are not perfect, actually they can not be, but neither are completely regulated economies.

    দুটোতেই ১০০% সহমত। রুলস অ্যান্ড রেগুলেশানস থাকতেই হবে, সেগুলো সরকার ঠিক করবে আর প্রাইভেট কোম্পানি সেগুলো মেনে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজ করবে। যারা রেগুলেশানস মেনে ব্যবসা করতে পারবে তারা টিঁকে থাকবে, যারা পারবে না তারা উঠে যাবে। অনেক দেশে মোটামুটি রেগুলেশান মেনে ফ্রি মার্কেট আছেও, আবার সেসব দেশে সাধারন লোকও বেশ ভালো আছে। এবার বাস্তবে সরকার আর কোম্পানিগুলোর মধ্যে নানা গিভ অ্যান্ড টেক, টানাপোড়েন তো চলতেই থাকে, তবে ওভারল রেগুলেশান মেনে ব্যবসা অনেক দেশেই চলে। আমাদের দেশের মতো যাচ্ছেতাই ক্রোনি ক্যাপিটালিজম অনেক দেশেই নেই। রেগুলেটেড মার্কেটে প্রাইভেট এনটিটি ব্যবসা করলে খ দা আপত্তি কি?
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৮407794
  • "এয়ারলাইন্স কোনো জরুরি সার্ভিস নয়। প্রফিট মেকিঙ্গ বিজনেস। সেখানে সরকার অচল।"

    এখন এটা তো সব কিছুতেই প্রযোজ্য, এডুকেশন-ও কোনো জরুরী সার্ভিস নয়, উহা প্রফিট মেকিং বিজনেস। ওখানেও তাহলে সরকার অচল। অবশ্য সরকারি স্কুল অচল করে দেবার চেষ্টাই চলছে।
    বা, রেলওয়েস।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৬407793
  • প্রত্যন্ত অন্চল নিয়েও লিখেছি পরে। দেখে নিন।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৪407792
  • জেট এয়ারলাইন্স-এর কেসটা বোঝা যাচ্ছে না। আবার এখন শুনলাম এসবিআই নাকি টাকা দেবে না বলেছে। অনেকে বলছে আল্টিমেটলি ফেইল নাকি করবে, ভোট অবধি ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।
  • r2h | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৩407791
  • "এয়ারলাইন্স কোনো জরুরি সার্ভিস নয়। প্রফিট মেকিঙ্গ বিজনেস। সেখানে সরকার অচল।" - উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে যাদের চিকিৎসা, পড়াশোনার জন্যে অন্যত্র যেতে হয় তাদের বলুন। আর্ধেক জায়গায় রেলপথই নেই। ত্রিপুরাতে এই সেদিনও ছিলনা। প্রতিদিন আগরতলা কলকাতা ফ্লাইটে অন্তত একটা স্ট্রেচার ও দু থেকে তিনটি হুইল চেয়ার যায় (সূত্র দৈনিক সংবাদ, আগরতলা)। টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়াতে হাহাকার।

    আমাদের ছাত্রাবস্থায় শুধু ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স ছিল, ভর্তুকিতে চালাতো, স্টুডেন্ট কন্সেশন পেতাম ৪০% মত। এখন প্রাইভেট এয়ারলাইন গুলি চালায়, কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশাল কিছু উন্নতি হয়নি - রেল এসেছে ঠিকই, তবু কলকাতা যাওয়া মানে তো সেই উত্তরবঙ্গ ঘুরে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত