এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ১০:৫৩407850
  • দেশ ভাগ আর যেভাবে ভাগ হলো তো জলবত তরলম--

    ১। বাংলা এক থাকলে আজ ভারতে বাঙালী সংখ্যা হত ২০+১০ = ৩০ কোটি। মনে ভারতের জনসংখ্যার ২৫ % --- সংখ্যাটা ১৯৪৭ সালে নিশ্চই আরো ঝামেলা জনক ছিলো। মানে ভারতের একক বৃহত্তম জাতি গোষ্ঠি হত বং গোষ্ঠী। এর সাথে আসাম আর ওরিসা যোগ হলে তো কথাই নেই। পাওয়ার সেন্টার ভারতের কোন দিকে কোথায় থাকত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কোলকাতা আর সন্নিহিত অন্চল কে রাখা দরকার ছিলো ওয়েল্থ ট্রান্স্ফার করার জন্য। যেটা করার অন্যতম টুল ছিলো মাসুল সমীকরন-- স্বাধীনতার ঠিক পরে

    ২। ওদিকে পাকিস্তান কোলকাতা কে নিতে রাজি ছিলো না। কারন কোলকতা পাকিস্তানে থাকলে পকিস্তানের রাজধানী কলকাতা না হওয়া অসম্ভব ছিলো। কলকাতার সাথে করচীর তুলনাই হতো না সেইকালে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের রাজনৈতিক/অর্থনৈতিক ভরকেন্দ্র হত পুর্ব পাকিস্তান। যা পাকিস্তানের প্রবক্তারা ভাবতেও পারতেন না।

    তাই যা হবার তাই হয়েছে।

    প্রশ্ন তা নয়। বাংলার তাবর রাজনিতিক রা কি করছিলেন। ১৯৪৭ একদিনে হয় নি। এই শতাব্দীর শুরু থেকে একটু একটু করে হয়েছে। তারা কি করছিলেন ?

    পুর্ব ভারতের সাথে পঃ+ উত্তর ভারতের রাজনৈতিক প্রভাবের লড়াই আজকের নয়।। মহাভারতের সময় থেকে। কিভাবে আমাদের নেতারা চোখ বন্ধ করে রইলেন আর এটা হতে দিলেন?
  • Kaushik | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ১০:৩৩407849
  • সকলকে জানাই শুভ নববর্ষ - ভালো থাকবেন সবাই।
  • b | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩৬407848
  • অ্যাকোয়া টাইকোটিস খাবেন। ১ ঢিলে ২ পাখি। অম্বল কমবে। ওদিকে ৩৫% ইথাইল অ্যালকোহল ভল্যুম বাই ভল্যুম।
  • Atoz | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:০২407847
  • বাদামভাজাতেও অম্বল হয় না। আর হলেই বা কী? একটু ক্ষার খেয়ে নেবেন। লবণ আর জল হয়ে যাবে সমস্ত অম্বলে ক্ষারে মিলে। ঃ-)
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৫৮407846
  • শুভ নববর্ষ। সিঙারা খেলে অম্বল হবে, তাই শুধু রসগোল্লাটাই খেলাম।
  • Atoz | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৪৬407845
  • না না, লোকে বলতে চায়, বাঙালি নিজভূমে দলবদ্ধ হয়ে "প্রচুরতম মানুষের প্রভূততম সুখসাধন" এর সাধনা করতে কেমন একটু কিন্তু কিন্তু করে। আর মাঝে মাঝেই "হ্যাঁ রে হ্যাঁ রে তুই নাকি কাল সাদাকে বলেছিলি লাল?" এইরকম করে ঝগড়া করে। শেষে অবশ্য "ভেরি ভেরি সরি, মশলা খাবি?" ও বলে।
    ঃ-)
  • dc | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৪৫407844
  • গতোকাল ছিল তামিল নিউ ইয়ার, থাই রেস্টুরেন্টে গিয়ে পেট ভর্তি করে সিফুড খেয়ে এসেছি। আর আজ বাঙালি নববর্ষ, আজ পিজা খাবার প্ল্যান আছে।
  • dc | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৪২407843
  • কিন্তু বাঙালির দ্বারা কিছু হয় না, এটা ভুল কথা। সারা পৃথিবীতেই তো দেখি গুচ্ছের বাঙালি ছড়িয়ে আছে, তারা দিব্যি করেকম্মে খাচ্ছে। অনেকে বড়ো বড়ো গবেষনা করছে, অনেকে ভালো ভালো চাকরি করছে, অনেকে ব্যবসায়ে দেদার প্রফিট করছে। ভালোই তো আছে।
  • Atoz | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৪০407842
  • খুব ভালো গান। থ্যাংকস পিটি। ঃ-)
    শুভ নববর্ষ।
    সবাইকে সিঙ্গারা আর রসগোল্লা। মেলা থেকে পাঁপড়ভাজা আর বালিতে ভাজা আস্ত চীনেবাদাম ভাজাও আনতে গিয়েছেন ইন্দুদিদি, এলেন বলে। ঃ-)
  • PT | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১৮407841
  • আজকের গান। সবাই ভাল থাকবেন।
  • Amit | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৫৪407840
  • একেবারে ঠিক। একটা পুরো রাজ্যকে মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। ওই রকম একটা জনসংখ্যার চাপ আর ইকোনমিক রিসোর্স ভেঙে পড়া থেকে উঠে দাঁড়ানো সহজ কাজ নয়। অবিভক্ত বাংলা ইন্ডিয়ার সবথেকে ডেভেলপেড প্রদেশ ছিল, সেই হিংসা থাকায় আশ্চর্য নয়।

    ১৯০৫ এর আন্দোলন আর তার ফলে ১৯১১ এ রাজধানী শিফট হয়ে যাওয়াটা একটা বড়ো স্ট্রাটেজিক মিসটেক। কলকাতা রাজধানী থেকে গেলে আজকে বাঙালির ইতিহাস পুরো অন্য রকম হতো।
  • S | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০৯407839
  • ঈশানদার প্রত্যেকটা কথা একদম ফ্যাক্ট। এর পরের কেন্দ্র সরকারও পান্জাবে যতটা ইনভেস্ট করেছিলো, বাংলায় একদমই করেনি।
  • aranya | ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০৭407838
  • বাংলার ওপরে একটা খার ছিল মনে হয়, নেহেরু আদি হিন্দী বেল্টের নেতাদের।

    ঈশেন যা লিখল, সবই সত্যি।
  • Atoz | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৫৬407837
  • ইতিহাসের সমস্ত ডিটেলস মেইনস্ট্রীমে আসা উচিত। ভারতের স্বাধীনতা কি সত্যি সত্যি হয়েছিল? একদল বেনিয়ার হাত থেকে আরেকদল বেনিয়ার হাতে পড়ল দেশ (কেজানে গোপণে কী শর্ত হয়েছিল, বছরে বছরে কত প্রণামী দিতে হত কেজানে, সেগুলো আসতো কাদের ভাতকাপড় মেরে তাই বা কেজানে)। দেশভাগটাও হয়তো ঐ বেনিয়াশর্তেরই অংশ ছিল। দু'পাশ থেকে দু'টো টুকরো করে দিয়ে দাও সেই ব্যাটা অন্য টাইপের ঘাড়ব্যাঁকা বেনিয়াদের, যাতে তারা বেশি ট্যাঁ ফোঁ না করে। মাঝ থেকে মরুক কিছু উদ্বাস্তু, উজার হোক কিছু রাজ্য, কী এসে যায়? কোল্যাটেরাল ড্যামেজ।
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৪৪407836
  • সুভাষ নিয়ে পরে লিখছি। এই এপ্রিলের মাঝামাঝি এখানে তেড়ে স্নো শুরু হল কেন কে জানে।
  • Ishan | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৪৩407835
  • ম্যান্ডেটারি ছিলনা। কিন্তু পাঞ্জাবে সরকারি উদ্যোগে দেশত্যাগীদের মধ্যে সম্পত্তি বিনিময় হয়েছিল। ধরুন জনৈক সম্পত সিং লাহোরের সাতমহলা বাড়ি ছেড়ে এদিকে চলে এসেছেন, আর এপারের আজিজুল হাসান অমৃতসরের ছোটো বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন ওদিকে। এবার, আজিজুল হাসানের বাড়ি পেলেন সম্পত সিং, আর সম্পত সিং এর বাড়ি পেলেন আজিজুল। একদম মাপে-মাপ হল তা নয়, কিন্তু কিছু পেলেন। এইটা সরকারি উদ্যোগে করা হয়েছিল। এছাড়াও রিহ্যাবিলিটেশনকে কেন্দ্রীয় সরকার তার দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছিল। উদ্বাস্তুদের স্বীকার করেছিল।

    ভাবতে আশ্চর্য লাগে, পূর্বদিকে এর কোনোটাই করা হয়নি। সম্পত্তি বিনিময় নয়, পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেওয়া নয়, এবং ভাবতে আশ্চর্য লাগে, উদ্বাস্তুদের স্বীকৃতি দেওয়া নয়। পঞ্চাশের শুরুতে নেহরু-লিয়াকত একটি চুক্তি হয় কেবলমাত্র পূর্ব দিকের জন্য। সেখানে তাঁরা চুক্তি করেন, যে, বাংলার সব উদ্বাস্তু এবার নিজনিজ ভূমে ফিরে যাবে। অতএব কেউ আর উদ্বাস্তু থাকবেনা। তাদের পুনর্বাসনেরও প্রশ্ন নেই। যারা ভুল করে এসে পড়েছে তাদের একটু ক্যাম্প ট্যাম্প বানিয়ে কদিন থাকতে দিলেই ল্যাটা চুকে যাবে। তারপরও যারা থেকে গেল, দায়িত্ব তাদের। এইভাবেই হাত ধুয়ে ফেলা হয়। উদ্বাস্তুরা যারা জান বাঁচাতে পালিয়ে এসেছে, তারা কীকরে এমনি-এমনি নিজের এলাকায় ফিরে যাবে, সে প্রশ্নের কোনো সমাধান না করেই।

    ফলে যা হবার তাইই হয়। উদ্বাস্তু মুসলমানদের একটা বড় অংশ এপারে ফিরে এলেও, হিন্দুদের প্রায় কেউই ওপারে যাননি। তাঁদের কোনো দায়িত্ব নেহরু সরকার নেয়নি। পুরোটাই রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। এদিকে রাজ্য সরকার ছিল ঠুঁটো জগন্নাথ। তাদের কেন্দ্রীয় বরাদ্দও কমিয়ে দেওয়া হয়। পাটশিল্পের ডিউটি ছিল রাজ্যসরকারের উপার্জন। সেটাও কমিয়ে নগণ্য করে দেওয়া হয়। পরে চালু হয় মাশুল সমীকরণ। পাট শিল্প ধুঁকছিল কাঁচামালের অভাবে। প্রেসক্রিপশন হিসেবে বলা হয় পাটচাষ করতে। সেটা শুরু করার ফলে খাদ্যশস্যের অভাব দেখা যায়। খাদ্য আন্দোলন এসব শুরু হয়। আর হ্যাঁ, ১৯৬১ সালে পশ্চিমবঙ্গের জনসমষ্টির অন্তত ১০% শতংশ ছিলেন উদ্বাস্তু। জনসংখ্যা বেড়েছিল এক তৃতীয়াংশেরও বেশি। কেন্দ্রীয় সরকার এঁদের স্বীকার করেননি। সমাধান করার জন্য রাজ্য সরকারের হাতে কত পয়সা ছিল আগেই বললাম।

    এবং এর পরে বাংলার পতন শুরু হলে বাঙালি বুদ্ধিজীবিরা দিল্লিওয়ালাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বলতে থাকেন, বাঙালির দ্বারা কিচ্ছু হয়না।
  • aranya | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৩৭407834
  • জয়েন্ট আর এমবিএ -এই দুটির বিষময় প্রভাব নিয়ে একটা প্রবন্ধ এলে ভাল হয়। এমনিতে তেমন প্রবন্ধানুরাগী না হলেও অমনিতে এই বিশেষ প্রবন্ধটি মন দিয়ে পড়ব :-)
  • aranya | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৩৪407833
  • দেশভাগ-এর এই পোস্ট-টা মিসিয়েছিলাম -
    'কিন্তু ধর্মের ভিত্তি তে যখন দেশ ভাগ হলই তখন তখন এক্সচেন্জ টা পুরোপুরি হওয়া উচিত ছিলো। ওদিকের সংখ্যালঘু সব এদিকে চলে এলো, আসতেই থাকলো, আর এদিকের কেউ গেলো না বা গেলেও সামন্য-- এই ব্যাপারটা অ্যাভয়েড করা যেতো। বাংলাদেশে স্বাধীনতার সময় ৩০% হিন্দু ছিলো এখন ৮%। কমার ট্রেন্ড অব্যাহত। পাকিস্তানে ২ % সংখ্যালঘু

    সংখ্যালঘু বিনিময় সপ্পুর্ন হলে বহু ঝামেলা থেকে তিনটে দেশ ই মুক্তি পেতো'

    - ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়ে ছিল ঠিকই, কিন্তু ম্যানডেটরি কোন এক্সচেঞ্জের ব্যাপার তো ছিল না। ভারত-পাকিস্তান, কোন দেশ থেকেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু-দের অন্য দেশে চলে যেতে হবে এমন কোন সরকারী নির্দেশ ছিল না।
  • b | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৮:০৭407832
  • বসন্তশেষের গান
  • collegestreet.net | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৫:০৫407831
  • @ন্যাড়া: না এখনো হয় নি।।তবে আসা করি এই মাসের শেষে নতুন ওয়েবসাইট এ সেটা ঠিক হয়ে যাবে। তাতো দিন আমায় হোয়াটস app করলেও আপনি বই পেয়েযাবেন @8910203388
  • | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:২৬407829
  • আধুনিকতার বড়াই থাকবে, অথচ ইউরোপের প্রাক আধুনিক যুগের একটা বড় সময়ের যেরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন ধারণা যে ধর্মীয় অভিন্নতা ই স্থিতিশীলতা র পূর্ব শর্ত, সেটাকে বেশ কমন সেন্সের আড়ালে ঢাকা, এ এক অপূর্ব ইল্লী আর কি। বেশ ঘরোয়া ফ‍্যাসিজম, রাঁধতে ও পারে, জয়েন্ট ও পেতে পারে
  • | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:২৬407830
  • আধুনিকতার বড়াই থাকবে, অথচ ইউরোপের প্রাক আধুনিক যুগের একটা বড় সময়ের যেরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন ধারণা যে ধর্মীয় অভিন্নতা ই স্থিতিশীলতা র পূর্ব শর্ত, সেটাকে বেশ কমন সেন্সের আড়ালে ঢাকা, এ এক অপূর্ব ইল্লী আর কি। বেশ ঘরোয়া ফ‍্যাসিজম, রাঁধতে ও পারে, জয়েন্ট ও পেতে পারে
  • | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:০২407828
  • দেশভাগ তো ফাইনাল সলিঊশন পন্থী দেখা যাচ্ছে। একেবারেই ফ‍্যাসিস্ট ধ‍্যান ধারণা আর কি।
  • ন্যাড়া | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১১407827
  • কলেজস্ট্রীটবাবু, আ্যমেরিকান ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে?
  • tempering | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ১১:২৭407826
  • aranya | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:১৩407825
  • ধন্যবাদ। যোগাযোগ করব
  • collegestreet.net | ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:১১407824
  • আমেরিকা তে আমরা পাঠাই।। এই নম্বর এ মেসেজ করুন ৮৯১০২০৩৩৮৮।।
  • aranya | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৩৮407823
  • ভারতের বাইরে, যেমন আমেরিকায়, কি আপনারা বই পাঠান? @collegestreet.net
  • collegestreet.net | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৩১407821
  • শিপিং চার্জ / ডেলিভারি চার্জ ৫০০ টাকার উপর এ ফ্রি।। সব বই তে ২৫% ডিসকাউন্ত।। আসুবিধা হলে ৮৯১০২০৩৩৮৮ নম্বর এ হোয়াটস অ্যাপ কারুন |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত