এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:৩০408000
  • ক্লাস ৩ এর বাচ্চা হোমওয়ার্ক এর ভয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে বলে ওকে প্রোগ্রামিং শেখানো হবে -? আপনার হবে দাদা, অন্য লেভেল একেবারে। আপনার আর বাচ্ছাটার জন্য শুভেচ্ছ রইলো।
  • dc | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২৮407999
  • তা ঠিক।

    একটা ছানা দুদিনের মধ্যেই মরে গেছিল, অন্যটা বেশ ফুলে ফেঁপে বড়ো হয়ে উঠছে। অনেক সময়ে আমি টেবিলে বসে যখন কাজ করি তখন আবার আমারই পায়ের পাতার ওপর এসে বসে বসে ঘুমায়। জানেনা কার কাছে আসছে।
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২৪407998
  • ক্লাস থ্রীর বাচ্চাকে প্রোগ্রামিং শেখানো আর পুর্ণ বয়স্ক লোকের টাইপিং শেখা একই ব্যাপার। কোনো কাজে লাগবে না। সে বাচ্চা যতদিনে বড় হবে, ততদিনে প্রোগ্রামিং কন্সেপ্টটাই থাকবে না/ আমুলে পাল্টে যাবে। তাছাড়া অন্ক টন্কে ভালো হলে ওজিনিস শিখতে কয়েকমাস লাগে। সে বড় হয়ে শিখে নেবেখন।

    আমার ব্যক্তিগত ভাবে কখনো মনে হয়নি যে কেন আরো আগে প্রোগ্রামিং শিখলাম না। বরন্চ মনে হয় কেন গীটার বাজানো শিখলাম না? কেন থিয়েটার করলাম না? এইসব।

    মুরগীছানা দুটোর কি অবস্থা? প্রোগ্রামিংয়ের থেকে অনেক বেশি ইন্টারেস্টিঙ্গ জিনিস ওসব। ওদেরকে বড় করাটা বেস্ট সামার প্রজেক্ট হতে পারে।
  • Ekak | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:০৮407996
  • এগুলো স্টিরিওটাইপ :) ডাবর লাল দন্তমঞ্জন মানে হিন্দিভাষী বলয় নয়।

    তুমি বরং বানারস টকিজ পড়ে দেখো। ক্যাম্পাস লিটারেচার বেসিক্যালি। ইউপির কলেজ ক্যাম্পাস -খিল্লি -রাজনীতি সব নিয়ে। সত্য ব্যাসের। রিসেন্ট হিন্দি ফিকশন লিখিয়েদের একটা আন্দাজ পাবে। মহৎ সাহিত্য কিছু নয় কিন্তু ডাবর লাল ও নয়। বাংলায় জনপ্রিয় ফিকশন বুক যেমন হয়।
  • dc | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:০৮407997
  • হুঁ সবাই ঠিকই বলেছেন, বেচারাকে এখনই প্রোগ্রামিং শিখিয়ে কাজ নেই। গরমের ছুটিতে এমনিই খেলে বেড়াক, আমরা নিজেরাও তো তাই করেছি।
  • dc | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:০৬407995
  • আকাকে ধন্যবাদ, এই পেজটাও সাজেস্ট করবো।

    আসলে যে শিখবে সে আমার শালাবাবুর ছেলে, এনার গল্প বলি। ক্লাস থ্রিতে পড়ে, ওর মা বাবা দুজনেই কাজে অন্যত্র গেছে, ওকে রেখে গেছে ওর মাসির বাড়ি (দুটো ফ্যামিলিই ব্যাঙ্গালোরে থাকে)। তা প্রথম দুদিন তো তিনি মনের আনন্দে খেলে আর ঘুরে বেড়িয়ে কাটিয়েছেন, সাথে মাসতুতো দিদিও তাল দিয়েছে। দুদিন পর মা ভিডিও কল করেছে আর খুব বকেছে - নাকি হোমটাস্ক দিয়ে গেছিল, সেসবের কাছ দিয়েও যায়নি। কল শেষ হয়ার পর মাসি আস্তে করে বলেছে এবার তাহলে বইটা বার করে দি? তাতে তাঁর চোখে জল এসে গেছে, তখন মাসি বলেছে আচ্ছা কাল সকালে পড়িস তাহলে। আজ সকালে মাসি বলেছে পড়ার টেবিলে গিয়ে বস, একটু হোমওয়ার্ক করে নে, নাহলে তো মা আবার বকবে। তখন সে গেছে পড়ার ঘরে (মানে মাসতুতো দিদির পড়ার ঘরে)। তারপর সব চুপচাপ। খানিক পর মাসি আর মাসির মেয়ে পড়ার ঘরে উঁকি মেরে দেখে তিনি টেবিলে বসে কপালে হাত দিয়ে হতাশভাবে বসে আছেন। তখন মাসি (মানে আমার স্ত্রীর বড়ো দিদি) নিজের বোনকে (মানে আমার স্ত্রীকে) ফোন করেছে, বাবাকেও ফোন করেছে (ওর দাদু), সবাই বলেছে ওকে ছেড়ে দে পড়াতে হবেনা, কদিন ছুটি কাটাক, মাবাবা ফিরে এসে আবার ধরবে নাহয় (ওর বাবা হলো আমার শালাবাবু)। এই হলো গপ্পো। আমি ভাবলাম গরমের ছুটিতে প্রোগ্রামিং শিখুক, হয়তো ইন্টারেস্ট পাবে আর মাসতুতো দিদিও একটু শিখিয়ে দিতে পারবে।
  • T | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:০১407994
  • একটা ক্লাশ থ্রীর বাচ্চা প্রোগ্র্যামিং শিখবে!! অবস্থা কী অ্যাতটাই খতরনাক প্রভো! কীইই মাইরি।
  • T | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৫৬407993
  • একক সর্ব্বদা ডিসেন্ট্রালাইজেশনের ফরে কথা কয়ে আজ এ কী বলে দিল। :))

    আবাপ দেখুন, হেডিং হচ্চে 'দিল্লী কার'। ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এইসব ষাটের দশকে মানা যেত। তো, অ্যাদ্দিন ধরে অ্যাতটা ফেডারেল পথে হাঁটার পরেও এই চূড়ান্ত আবালপনা (মানে লোকসভা ভোটকে 'দিল্লী কার' - এতে নামিয়ে আনা) চলতেই থাকছে কারণ যে ইউরোপিয়ান স্ট্রাকচারালিজম ইত্যাদি একক বর্ণিত অ্যাট্রিবিউট দিয়ে একদা একটি বাঘ পরিগণিত হ'ত, সেইসব ক্রমশঃ হোলসেল সিলেবাস এবং ব্যক্তিগত চর্চার পরিসর থেকে সরে যাওয়ার দরুন মূষিক ফূষিক হয়ে একেবারে যা তা অবস্থা। এরপর হিন্দী ঢোকালে ষোলোকলা পূর্ণ হয়ে পুরোটাই ছাগসমাজে পরিণত হবে। যে ভাষা প্রধাণতঃ ব্যবহার করা হয়েছে এবং লালন করা হয়েছে ডাবর লাল দন্তমাঞ্জন ও ছেলেমেয়েদের বলিউড চেনানোর জন্য (উদা ডিসির মন্তব্য), বা বড়জোর ভদ্রলোকের হিন্দী কঁহানিয়া গোত্রের কিশু প্রাথমিক চর্চায়, সে ভাষার অ্যামন ক্ষমতা কিছু নেই যে নিজের জোরে যে কোনো ধরণের স্ট্রাকচারালিজমকে অ্যাকোমোডেট করতে পারবে। জাস্ট ঢপ একটা।

    ভবিষ্যত পুরোটাই হতে চলেছে ডিসেন্ট্রালাইজড ক্ষমতার ইকোসিস্টেম। ইনফ্যাক্ট সব স্টেটের ইন্টারেস্ট আগলাতে গিয়ে আজ কংগ্রেসের যেমন অবস্থা হয়েছে, দুদিন পরে একই অবস্থা বিজেপিরও হবে। প্যান ইন্ডিয়ান পার্টি হওয়া সম্ভব নয়। এমনি এমনি অ্যাত অ্যাত আঞ্চলিক দল সারভাইভ করছে না। সেখানে বাঙালি দিয়ে দিল্লী ঘিরে লাভ কী?
  • Ekak | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৫৫407992
  • হ্যাঁ মাইরি :) পুঁচকে বাচ্চা লেগো নিয়ে খেলুক -ধুলো ফুল ঘাঁটুক, তা নয় প্রোগ্রামিং !

    স্ক্র্যাচ বেশ ভালো। ইভেন্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং হওয়ায় বাচ্ছারা চটপট বোঝে।
  • aka | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৫১407990
  • তবে, কেন? থাক না ক্লাস থ্রির মতন।
  • aka | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪৯407989
  • কানাহাইয়া কুমারকে বক্তিমে ছেড়ে কাজ করতে হবে। বক্তিমে সস্তা, করে দেখানো অনেক শক্ত।
  • dc | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩৯407988
  • আচ্ছা ক্লাস থ্রির বাচ্চাকে প্রোগ্রামিং শেখানোর মতো কোন ইন্টারেস্টিং বই আছে? নাকি রিচি আর কার্নিহ্যান এর বইটাই রেকো করবো? গরমের ছুটিতে শিখবে।
  • Ekak | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২৬407987
  • আর ভাষা শেখার দুটো পর্যায় আছে। ককাজ চালানোর ভাষা, যেটা নিয়ে লোকের খুব ভুলভাল ধারণা আছে। একচুয়ালি একজন মেদিনীপুরের গ্রামের পাইকার অনেক সহজে একজনবিহারীর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ভাষা তুলে নেন। ওনারা লিখতে পারেন না। দরককার নেই পারার। সম্মাজের শিক্ষিত অংশ হিন্দি ভালো করে লিখতে শিখলেই হবে। হিন্দি রাজনীতির যে স্ট্রাকচার তা - সেন্টারে ভদ্রলোকের হিন্দি ও প্রান্তিকে জাতি উপজাতির ভাষা -সেটাই কপি হতে পারে এক্ষেত্রে।

    তবে, এনিওয়ে, এটা আমি চাই বা না চাই হতে চলেছে : রাজ্যের স্কুলে স্কুলে হিন্দি চালু হলো বলে। এবং সেটাই ভবিষ্যতে বাঙালির -ন্যাশনাল পলিটিক্সে যাওয়ার পজিটিভ স্টেপ হবে। দেখে নিয়েন :)
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:১৯407986
  • ঈশানদার জবাবের জন্য অপেক্ষা করছি। জানি কোথায় ধরবেন উনি। ঃ))

    তারপরে আমি বলবো।
  • Ekak | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:১৭407985
  • মানে, এটা আমার দীর্ঘদিনের ধারণা বা পেট প্রজেক্ট যাই বলো আর কি :) "বাঙালি দিয়ে হিন্দি ঘেরো "। বাংলা দিয়ে নয়। বাঙালির আসল গল্প তার মাথার ভেতরে। ওটা হিন্দিবলয়ে প্রভাব ফেলতে পারেনা, কারণ বাঙালি "ভদ্রলোকের হিন্দি" বলতে ও লিখতে পারেনা। যে জিনিসগুলোর জন্যে বাঙালিকে চিহ্নিত করা হয় - পড়াশোনা -চুলকানো রাডিক্যালিজম - তর্কপ্রবণতা - ইংরেজি সাহিত্য থেকে পাওয়া ইউরোপিয়ান স্ট্রাকচারালিজম ..........এগুলো থেকে হিন্দি বলয় অনেক দূরে কারণ বাঙালি চিরকাল ভুলভাল হিন্দিবলে ব্যঙ্গ করে ও ব্যাঙের পাত্র হয়ে কাটিয়ে দিলো। বাঙালি হিন্দিতে গল্প -কবিতা লিখলো না। হিন্দিতে ভাষণ দিলোনা কোনো লিবারাল হিন্দিভাষী পরিমন্ডলে গিয়ে। বাঙালির উচিত এগুলো করা। এটাই হবে চরম সাবোটাজ। হিন্দীওয়ালাদের চিন্তাভাবনায় বাঙালিয়ানা ঢোকাতে গেলে বাঙালিকে হিন্দিতে কলম ধরতেই হবে।
  • Ekak | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:১০407984
  • কিন্তু, এইভাবে হবেনা। যে মডেলে দক্ষীন নিজের ভাষা ও রাজনীতি মেন্টেন করেছে, তা বাংলায় কপি পেস্ট করা সম্ভব না।

    ঈশেন যা বলছে, বোধহয় বুঝছি, একটা বাংলার মফস্বলের কলেজের জিএস যেদিন কেন্দ্রে গিয়ে বলার মতো পলিটিকাল ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখতে পারবে, সেইদিন পবর পলিটিকাল স্ট্রেন্থ ফিরবে। আর সেটার জন্যে দরকার বাংলা ভাষার। ঐসব জ্যোতি বসুর আমল ফামল টেনে লাভ নেই কারণ পলিটিক্স এর মডেল চেঞ্জ হয়ে গেছে, পলিটিক্স এখন ক্রিকেটের মতো একটা দৃশ্য -শ্রাব্য এন্টারটেনমেন্ট মাধ্যম -যেখানে ভাষা রাজনীতি কন্ট্রোলিং ফ্যাক্টর। আমরা বাড়ি তে -গাড়ি তে সর্বক্ষণ হিন্দি বলয়ের মেইনস্ট্রিম বক্তাদের দেখবো -শুনবো আর অকেশনালি কাঁদবো, কেন বাংলা থেকে একটা এরকম নেতা আসেনা, এ ভাবের ঘরে চুরি।

    বুঝলুম। কিন্তু, মনে হয়না বাংলার প্রচারকে সেই জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে এই লড়াইটা লড়ার মতো ক্যাপিটাল কেও ঢালবে। এখানে একটা সার্কুলার গল্প আছে, কিন্তু সেটা ব্যবসায়িকভাবে সত্যি, তাই ইনভেস্টমেন্ট আসবে না। এবং রাধাও নাচবে না।

    শিক্ষিত বাঙালি, বাংলার পাশাপাশি হিন্দি শিখুক। মুখে বলার ভুলভাল হিন্দি না, লেখার মতো হিন্দি। তাহলে তবু একটা সম্ভাবনা আছে, যে পার্টিসিপেশন বাড়বে এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ প্রাধান্য পাবে।
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৩৯407983
  • ডিসির বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় সমস্যাটা কত গভীর।
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:২২407982
  • বাংলায় নাকি স্ট্যান্ডাপ কমেডিয়ান নেই? এই দেখুনঃ

  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:২০407981
  • @খ
    ক্ষুধার্ত বাংলাঃ রাষ্ট্র ও বেনিয়াতন্ত্রের গণহত্যার দলিল
    সম্পাদকঃ মধুময় পাল
    দীপ প্রকাশন
  • Atoz | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:২২407980
  • আমার কেবল সেই লোকটির মতন বলতে ইচ্ছে করে, "বাপু, হিন্দি মিন্দি কইও না। " ঃ-)
  • dc | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১০407979
  • হিন্দি বলা বা হিন্দি আধিপত্যবাদ নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। ছোটবেলার থেকে হিন্দি সিনেমা দেখে আর হিন্দি গান শুনে বড়ো হয়েছি, তাই সবাই মিলে হিন্দি বললেও অসুবিধ নেই, না বললেও নেই।
  • agantuk | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:২৯407978
  • পকেট ভর্তি নুড়ি পাথর
    আবছা আলো, অন্ধকার
    প্রজাপতি, পাখির পালক
    লেখেন লীলা মজুমদার।।

  • agantuk | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:২৫407977
  • পেরিস্তান - The World of Lila Majumdar

  • Du | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:১৬407976
  • কেন বাংলার লিডারকেও এন্ডিটিভিতে কম তোল্লাই দেয় না কি? প্রতিদিন আরবিট হেডলাইন এবং তাও ভালো অ্যাম্গেল এ ফটো সহ ঃ)
  • Amit | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০২:৪৯407975
  • ২০ বছর অনেক, অনেক সময়। এই মোদির বা যোগীর মতো লিডার ২০ বছর টিকে গেলে ইন্ডিয়া একটা সিঙ্গেল দেশ হিসেবে আদৌ শান্তিতে থাকবে কি না, নাকি কঙ্গোর মতো সিভিল ওয়ার এর মধ্যে থাকবে, সেটাই ঠিক নেই। এর মধ্যে, অন্তত এই মহুর্তে হিন্দি, বাংলা, তামিল, মারাঠি ন্যারেটিভে আনার কোনো ফায়দা দেখছি না।
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০২:১৯407974
  • আর খ দেখলাম খাদ্য আন্দোলন এবং পাটচাষের সম্পর্কের রেফারেন্স চেয়েছে। বইটই পরে দেব। কিন্তু পশ্চিমবাংলায় কৃষির বৃদ্ধি দেখলেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। ডেটাটাও নেই এই মুহূর্তে সেটাও পরে দেব। কিন্তু মূল কথাটা হল ৫১-৬১ এই সময়ে খাদ্যশস্যের উৎপাদনবৃদ্ধি নগণ্য, পাটচাষের প্রভূত উৎপাদন বৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি মোটামুটি ৩৫%। একটা আইসোলেটেড সিস্টেমে এরকম হলে খাদ্যের অভাব হওয়াটা স্বাভাবিক পরিণতি।

    এবার, কথা হল সিস্টেমটা তো আইসোলেটেড ছিলনা। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে ছিল। ফলে আরও নানা ফ্যাক্টর, বঞ্চনা ইত্যাদি এসেই যায়। সে কথা ঠিক। এইটার অনেক রকম অ্যানালিসিস আছে। কেন্দ্রীয় ফান্ডিং এর কলটা এত কমপ্লিকেটেড, ইচ্ছে করেই করে রাখা হয়েছে, যে, ব্যাপারটা এক কথায় বোঝা মুশকিল। এক্সাইজ ডিউটি, ইনকাম ট্যাক্সের শতাংশ, এইগুলো সোজা। কিন্তু বাকি বরাদ্দ গুলোর তথ্য সহজে পাওয়াও যায়না, গেলেও বোঝা মুশকিল। আমি একটা সহজ সূত্র নামাতে পারলে লিখব। পারিনি এখনও। সময়েরও অভাব আছে।
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০২:০৭407973
  • এই লেখাটা নিয়েও একই রকম বক্তব্য। লেখিকা লিখেছেন উনি বিহারের সঙ্গে একাত্ম, কারণ বিহার রবিশ কুমার বা কানহাইয়াকে দিয়েছে। দুজনেই খুব ভালো লোক, রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে অনেকটাই একমত। কিন্তু তার পরেও, এই ধরণের 'জাতীয়' নায়ক বিহার, ইউপি বা অন্য কোনো হিন্দিভাষী রাজ্য থেকেই উঠে আসবে। বাংলা বা তামিলনাড়ু থেকে নয়। কারণ 'জাতীয়' চ্যানেলগুলি হিন্দি বা ইংরিজি। কোনো বাঙালির বাচ্চার 'জাতীয়' হবার কোনো চান্সই নেই।

    এই সমস্যা ১৯৮০ র আগে কম ছিল। তখন রেডিও ছিল। যদি কেউ মনে করতে পারেন, তো জানবেন, দিল্লি থেকে 'জাতীয়' খবর বাংলা ভাষায় সম্প্রচারিত হত। টিভি আসার পরে সেসব পাট চুকল। বাধ্যতামূলক ভাবে 'জাতীয়' হিন্দি পাঠক্রম শুরু হল। রোজ রাত সাড়ে আটটায়। আজকের রবিশ কুমার বা কানহাইয়া, খুব ভালো লোক হবার পরেও সেই প্রক্রিয়ারই ফসল।

    স্বাধীনতার আগে আমরা 'জাতীয়' নেতাদের নিয়ে লাফাতাম। ফাঁকতালে বাঙলাকে ভাগ করে দিয়ে চলে গেলেন জাতীয় নেতারা। কুড়ি তিরিশ পঞ্চাশ বছর ধরে আমরা বিলাপ করেছি, তখন কেন বুঝলামনা, আমাদের নেতারা কেন বুঝলেননা। আজ আবার 'জাতীয়' নেতা নির্মান, হিন্দি যাদের 'স্বাভাবিক' ভাষা। হিন্দির উপর স্বাভাবিকত্ব আরোপ। এবং কুড়ি বছর পরে এই নিয়ে আবার বিলাপ হবে।
  • Ishan | ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০৬407972
  • উঠে আসুক, কিছু আসছেও, আসবেও। কিন্তু আমি যেটা পয়েন্ট আউট করছি, তা হল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের চূড়ান্ত অভাব।
  • pi | ১৬ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:০০407971
  • একি, ত্রিপুরায়
    ভোট পিছাল!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত