এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৫ মে ২০১৯ ০৭:২১408810
  • আমার ও ভালো লাগে রাস্তায় হাটতে টোটাল ফ্যা ফ্যা ইজ বেস্ট, যে শহর গুলোর নাম বল্লেন, তার মধ্যে দুটোয় যাবার সুযোগ হয়েছে। আমার কিছু ফেবারিট এলাকা আছে, কিন্তু ঘটনা হল একটু ঘাঁটলেই এত খবর পাবেন যে ফালতু পরিশ্রম করে টাইপ করছি না, তাছাড়া বেশি টাইপ করলে সি ই ও হবার সম্ভাবনা কমে যায়, তার উপরে সেদিন বি যা খাটালো এবং সম্পূর্ণ ফাল্তো।
  • Du | ০৫ মে ২০১৯ ০৭:১৯408809
  • অর্জুন অভিষেক ডালাসে আপনাদের কেউ আছে?
  • aranya | ০৫ মে ২০১৯ ০৭:০৩408808
  • আমার তো নিউ ইয়র্কের রাস্তায় হাঁটতে দারুণ লাগে, রাস্তার পাশে বসে লোক দেখতেও ভাল লাগে। বিশেষতঃ গ্রীনিচ ভিলেজ
  • S | ০৫ মে ২০১৯ ০৩:৩৯408807
  • এখন খুব গরম। কিন্তু এরপরে পড়বে বৃষ্টি। এদিকে এখন আবার গরমের ছুটি, তাই মারাত্মক ভীড়।
  • S | ০৫ মে ২০১৯ ০২:৪৯408806
  • নিউ ইয়র্ক সিটি আমার দুনিয়ার সবথেকে জঘণ্য শহর লেগেছে। কি লোক, নোংরা, ট্রাফিক।
  • S | ০৫ মে ২০১৯ ০২:৪৭408805
  • গাড়ি চালানোর মতন কেউ আছে?
  • S | ০৫ মে ২০১৯ ০২:২৭408804
  • বলছি একটু সময় দিন।
  • অর্জুন অভিষেক | ০৫ মে ২০১৯ ০২:২৩408803
  • নিউ ইয়র্ক, ডি সি, বোস্টন ঘুরতে যেতে চায় আমার বাবা- মা। আছে ডালাসে। বুড়ো-বুড়ি। লজিং, সিটি ট্রিপ, সাইট সিইং নিয়ে কেউ আইডিয়া দিলে ভাল হয়। মোটামুটি খরচ! পরশু গেছে, থাকবে সেপ্টেম্বর অবধি। কোন সময়টা এর মধ্যে বেস্ট!
  • অর্জুন অভিষেক | ০৫ মে ২০১৯ ০২:১৮408802
  • @S খিচুড়িটা মন্দ হয়নি। সঙ্গে মাছ ভাজা আর চিকেন কোষা। তবে আজ এক ফোঁটা বৃষ্টি হয়নি।
  • aranya | ০৫ মে ২০১৯ ০১:০৮408801
  • জাস্ট রাস্তার ধারে কফি নিয়ে বসে থাকা
  • aranya | ০৫ মে ২০১৯ ০১:০২408800
  • নিউ ইয়র্ক শহরটা খুব টা নে
  • pi | ০৫ মে ২০১৯ ০০:৫৪408799
  • আমাদের গাড়ি তো মেঘালয়ে আটকে, সে নাকি এমন অবস্থা, গাড়ি দুলছে তো দুলছেই। পুরো রাস্তা জুড়ে গাড়িরা দাঁড়িয়ে।

    এখানেও আজ স্টেশনে যা জোর ঝড় এল, ট্রেনে বসে দুলুনি টের পাচ্ছিলাম।

    কিন্তু এসব নিয়ে ওয়ার্নিং খবর থোড়াই হয়!!
  • Du | ০৫ মে ২০১৯ ০০:৩১408798
  • শিলং এ তো ঝড়ের প্রবল তান্ডব হয়েছে। ময়্সিনরামের রাস্তায় নদী মউলাই এ পেট্রল পাম্পে আগুন লেগেছে দেখলাম
  • | ০৪ মে ২০১৯ ২২:৪৯408797
  • সিরিয়াসলি পড়ে দেখতে পারেন, অবশ্য পড়া থাকার সম্ভাবনাই বেশি।স্ট‍্যানডার্ড সলিড কনসাইজ রেফারেন্স।আর্ট হিস্টোরি র কোর্সে।
  • | ০৪ মে ২০১৯ ২২:২৯408796
  • বাই দ‍্য ওয়ে অশোক ভট্টাচার্য র ভারত শিল্প ইতিহাস ও ঐতিহাসিক আমার বাড়িতে ছিল আমি জানতাম না, পুঁটির মার হতে পারে, দেখলাম মেয়ে নাড়া চাড়া করছে, আমি ও একটু নেড়েচেড়ে দেখলাম, খুব বিষান, ইন্দ্রানী দিদি র কথা মনে হচ্ছিল, আর মাইরি অর্জুন অভিষেক এর কথাও খুব মনে হচ্ছিল, চারিদিকে আদি ব্রাহ্ম সমাজ।
  • র২হ | ০৪ মে ২০১৯ ১৭:৩৬408795
  • কলকাতা এয়ারপোর্ট পুরো ধূধূ। কোথাও কোন লাইন ভিড় ক্যাও কিচ্ছু নেই! এমন ফাঁকা দমদম এয়ারপোর্ট কোনদিন দেখিনি!
    প্লেন অবশ্য সময়মতই উড়ছে।
  • র২হ | ০৪ মে ২০১৯ ০৯:২৯408794
  • আমার আজ সন্ধ্যায় আগরতলার ফ্লাইট, উড়বে কিনা বুঝছি না :/
  • dc | ০৪ মে ২০১৯ ০৮:৩৬408793
  • বাঃ সকাল সকাল ম্যাজিক গাড়ির যাত্রার বর্ণনা পড়েই মন ভালো হয়ে গেল। এরকম একটা ট্রিপে যদি যেতে পারতাম!
  • pi | ০৪ মে ২০১৯ ০৭:৩৭408791
  • কাল ত্রিপুরাতেই যা খেল দেখলাম। টেন ফেনের গণ্ডগোলে হুড়মুড়িয়ে লোকজন মিলে একটা ম্যাজিক গোছের গাড়িতে ওঠা হল, বলা ভাল গাদাগাদি করে ঠাসানো হল। এতই সুজন আমরা যে গাড়িতে পনের জন। আর রাস্তা ও তেমনি, কোথাও কোথাও প্রায় হেয়ারপিন লুপ,তেমনি বৃষ্টি আর পাহাড় বেয়ে আসা লাল মাটির উপর পিছলে পিছলে চলা, এমনি এক বাঁকে দরজা গেল খুলে, আমি ধারে পুরো পপাত চ হতে হতে মথাটা রাস্তায় ঠোকা থেকে বাঁচলাম, সে আবার বোধহয় ঐ গাআগাদির কারণেই। সামনের সিটে পাশে বসা আরো দুই সহযাত্রী ( হুম, ঠিকই পড়ছেন, সামনে চারজন বসে), হাত পা ধরে টেনে তুললেন বলে আপাতত গা ঘাড় পিঠ কোমর ব্য়্থার উপর দিয়েই গেছে।
    এরওঅর দরজা বাঁধা হল গামছা দিয়ে!
    তারপর তো আরো চিত্তির। তুমুল ছাঁট, একদিকের বাঁক ঘুরতেই, এদিকে জানলার কাঁচ ওঠেনা। জানলা দিয়ে ছাতা খুলে ধরে প্রবল হাওয়ার সংগে যুদ্ধ করতে করত যাওয়া। তবে আশেপাশের দৃশ্য এতই, এতই সুন্দর, এত ভয়ন্কর সুন্দর, পাশেই মেঘ পাহাড়, জংগল, বৃষ্টি সব নিয়ে, আর তারপর যেরকম কালো করে আকাশছোঁয়া দৈত্যের মত মেঘ দেখলাম, আমি তো ভেবেছি, পাহাড়, আর ভাবছি, এদিকের ছোটো ছোটো পাহাড় এমনি এমনি লম্বা পর্বত আবার হয়ে গেল কবে থেকে, তো এ জিনিস দেখার জন্য সব সয়, সব সয়।

    কিন্তু আজও যা বৃষ্টি, ভোরের ট্রেন মিস গেল, কে জানে কপালে কি। ওদিকে গুচ্ছ লোকজনের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসার কথা, ভায়া কোলকাতা ফ্লাইট তো ভোগে। তারপর আবর কোনরকমে ফ্লাইট এলেও এই রাস্তা দিয়ে
    কীকরে সবাইকে আনা যাবে কে জানে! জঙ্গলে মশা ধরাধরিই বা কীকরে চালানো হবে!
    ওদিকে অরুণাচল প্রান্ত থেকে গাড়ি সারিয়েসুরিয়ে একদল আসছে, মশা ধরার জিনিসপত্র বোঝাই করে, সে তো গাড়ির সারাই কিছু ঠিক করে হয়নি শুনছি, ওদিকে খাসি হিল রিজিয়নে তুমুল ওয়ার্নিং! আসাম থেকে ত্রিপুরার রাস্তা এমনিতেই ভয়ন্কর আর বেহাল, তারপর এই।

    আর কী কী ঘণ্ট খিচুড়ি পাকবে ভাবছি। উঠে দেখি ভোর পাঁচটায় দিল্লি থেকে হেডের মেইল, দিল্লি থেকে বিগ বসেরা জুমে যুক্ত হতে চান! যেখানে পাওয়ার থাকবে কিনাই জানিনা!
    হুলিয়ে কাজ বাকি।
    পপিলেশন হোক কি ম্যালেরিয়া কেস বা মশারি লিস্টি,
    সরকারি ডাটাপত্তরের শ খানেক নথি পাগলের মত ঘেঁটেঘুটেযাই হিসেব করতে যাই যাই, পাঁচটা ভার্শন বেরয় আর পঁচিশটা ভুল। নিজেরা কাজ করে বের করলে তার একটির সঙ্গেও মেলে না!
    সেসব দেখাব বললে লোকে বলে ডিপ্লোমাটিক হতে শেখ, ভুলকে সোজাসুজি ভুল বলবে না, বিশেষ করে ভুলটা যারা করেছে তাদের সামনে। সেতো আর এজন্মে হতে পারব বলে মনে হয়না। চল্লিশটা ছেলেপুলের কাজে আশি রকমের ফ্যাকড়া।
    তারউপরে লাল ফিতে তো আছেই, সেসব যা একেকটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে!

    মা মা গো, এখন আমার বোধহয় খুবই টেনশন করার কথা, বুঝতে পারছিনা, মনে হয় করছি বলেই সব ছেড়েছুরে ভাটে ঘ্যানঘ্যানাচ্ছি।

    নিজেই বাঁশ নিয়েছি, তাই কারুর ঘাড়ে সব চাপানোর শান্তিটুকুও নেই ঃ(

    লিখতে লিখতে কারেন্টও ভোঁকাট্টা! দেখা যাক, আর কী কী হয়।
  • pi | ০৪ মে ২০১৯ ০৭:৩৭408792
  • কাল ত্রিপুরাতেই যা খেল দেখলাম। টেন ফেনের গণ্ডগোলে হুড়মুড়িয়ে লোকজন মিলে একটা ম্যাজিক গোছের গাড়িতে ওঠা হল, বলা ভাল গাদাগাদি করে ঠাসানো হল। এতই সুজন আমরা যে গাড়িতে পনের জন। আর রাস্তা ও তেমনি, কোথাও কোথাও প্রায় হেয়ারপিন লুপ,তেমনি বৃষ্টি আর পাহাড় বেয়ে আসা লাল মাটির উপর পিছলে পিছলে চলা, এমনি এক বাঁকে দরজা গেল খুলে, আমি ধারে পুরো পপাত চ হতে হতে মথাটা রাস্তায় ঠোকা থেকে বাঁচলাম, সে আবার বোধহয় ঐ গাআগাদির কারণেই। সামনের সিটে পাশে বসা আরো দুই সহযাত্রী ( হুম, ঠিকই পড়ছেন, সামনে চারজন বসে), হাত পা ধরে টেনে তুললেন বলে আপাতত গা ঘাড় পিঠ কোমর ব্য়্থার উপর দিয়েই গেছে।
    এরওঅর দরজা বাঁধা হল গামছা দিয়ে!
    তারপর তো আরো চিত্তির। তুমুল ছাঁট, একদিকের বাঁক ঘুরতেই, এদিকে জানলার কাঁচ ওঠেনা। জানলা দিয়ে ছাতা খুলে ধরে প্রবল হাওয়ার সংগে যুদ্ধ করতে করত যাওয়া। তবে আশেপাশের দৃশ্য এতই, এতই সুন্দর, এত ভয়ন্কর সুন্দর, পাশেই মেঘ পাহাড়, জংগল, বৃষ্টি সব নিয়ে, আর তারপর যেরকম কালো করে আকাশছোঁয়া দৈত্যের মত মেঘ দেখলাম, আমি তো ভেবেছি, পাহাড়, আর ভাবছি, এদিকের ছোটো ছোটো পাহাড় এমনি এমনি লম্বা পর্বত আবার হয়ে গেল কবে থেকে, তো এ জিনিস দেখার জন্য সব সয়, সব সয়।

    কিন্তু আজও যা বৃষ্টি, ভোরের ট্রেন মিস গেল, কে জানে কপালে কি। ওদিকে গুচ্ছ লোকজনের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসার কথা, ভায়া কোলকাতা ফ্লাইট তো ভোগে। তারপর আবর কোনরকমে ফ্লাইট এলেও এই রাস্তা দিয়ে
    কীকরে সবাইকে আনা যাবে কে জানে! জঙ্গলে মশা ধরাধরিই বা কীকরে চালানো হবে!
    ওদিকে অরুণাচল প্রান্ত থেকে গাড়ি সারিয়েসুরিয়ে একদল আসছে, মশা ধরার জিনিসপত্র বোঝাই করে, সে তো গাড়ির সারাই কিছু ঠিক করে হয়নি শুনছি, ওদিকে খাসি হিল রিজিয়নে তুমুল ওয়ার্নিং! আসাম থেকে ত্রিপুরার রাস্তা এমনিতেই ভয়ন্কর আর বেহাল, তারপর এই।

    আর কী কী ঘণ্ট খিচুড়ি পাকবে ভাবছি। উঠে দেখি ভোর পাঁচটায় দিল্লি থেকে হেডের মেইল, দিল্লি থেকে বিগ বসেরা জুমে যুক্ত হতে চান! যেখানে পাওয়ার থাকবে কিনাই জানিনা!
    হুলিয়ে কাজ বাকি।
    পপিলেশন হোক কি ম্যালেরিয়া কেস বা মশারি লিস্টি,
    সরকারি ডাটাপত্তরের শ খানেক নথি পাগলের মত ঘেঁটেঘুটেযাই হিসেব করতে যাই যাই, পাঁচটা ভার্শন বেরয় আর পঁচিশটা ভুল। নিজেরা কাজ করে বের করলে তার একটির সঙ্গেও মেলে না!
    সেসব দেখাব বললে লোকে বলে ডিপ্লোমাটিক হতে শেখ, ভুলকে সোজাসুজি ভুল বলবে না, বিশেষ করে ভুলটা যারা করেছে তাদের সামনে। সেতো আর এজন্মে হতে পারব বলে মনে হয়না। চল্লিশটা ছেলেপুলের কাজে আশি রকমের ফ্যাকড়া।
    তারউপরে লাল ফিতে তো আছেই, সেসব যা একেকটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে!

    মা মা গো, এখন আমার বোধহয় খুবই টেনশন করার কথা, বুঝতে পারছিনা, মনে হয় করছি বলেই সব ছেড়েছুরে ভাটে ঘ্যানঘ্যানাচ্ছি।

    নিজেই বাঁশ নিয়েছি, তাই কারুর ঘাড়ে সব চাপানোর শান্তিটুকুও নেই ঃ(

    লিখতে লিখতে কারেন্টও ভোঁকাট্টা! দেখা যাক, আর কী কী হয়।
  • Atoz | ০৪ মে ২০১৯ ০৩:৪৯408790
  • ১ :১.৫৭৯৩৮
    ঃ-)
  • aka | ০৪ মে ২০১৯ ০৩:৪২408789
  • ১ঃ২ - চাল আর ডাল।
  • Atoz | ০৪ মে ২০১৯ ০৩:১৬408788
  • ফণীর খবর কী? সে কি উড়িষ্যাতেই এখনও?
  • Atoz | ০৪ মে ২০১৯ ০৩:১৫408787
  • ডালটা সোনামুগ হলে খুব ভালো। থাবা থাবা ঘী ঢালুন নামানোর আগে। ঃ-)
  • অর্জুন অভিষেক | ০৪ মে ২০১৯ ০২:৪৪408786
  • থ্যাংক ইউ। আর ঘীয়ের মধ্যে জিরে গরম করে খিচুড়িতে ছড়িয়ে দিলে আরও টেস্টি।
  • S | ০৪ মে ২০১৯ ০২:৪১408785
  • ১ঃ১ মিনিমাম। যত বেশি ডাল দেবেন, তত বেশি টেস্ট। ঘি ঢালবেন প্রানভরে।
  • অর্জুন অভিষেক | ০৪ মে ২০১৯ ০২:৩৯408784
  • খিচুড়ির রেসিপি দেবেন। চাল, ডালের পরিমাণটা আমার হয়না ঠিক।
  • S | ০৪ মে ২০১৯ ০১:২৭408783
  • The idea of nonprofit organizations providing essential services to the deprived is a very sad one and a regressive one, too. This should be the primary responsibility of elected governments (at various levels) in a democracy. Taxes are paid and collected so that, among other things, the part of society destitute of education, health can avail these services even when they can't afford to do so. The very fact that such a large number of nonprofits are operating around us clearly demonstrates the lack of government's efficiency in using tax dollars (in this case rupees). While supporting these nonprofits may be a noble gesture, government should be made accountable. Questioning government's priorities is much more essential if we really want to see a meaningful change in the way our society functions.

    Nonprofits run on charities and, therefore, their existence and the availability of these services to the unprivileged segment completely depend on the temper and will of the benefactors. This problem can be avoided if government can be made fully operational and accountable in such social sectors. Higher taxation of those who make too much is preferred to the gesture of a few good souls. It will make these essential services reliable and continuous, without any uncertainty, for the people who need them.

    In a country where government is operational everywhere in running airlines to making defense equipment, often at a gigantic loss, it is regretful to find government having to share no accountability when it comes to serving the ones who need its services the most.
  • অর্জুন অভিষেক | ০৩ মে ২০১৯ ২০:৪৫408782
  • CESC থেকে জানিয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্যে power cut হতে পারে। তাই সবাই মোবাইল, ল্যাপটপ চার্জে বসান ও মোমবাতি, দেশলাই সংগ্রহে রাখুন ও খাবার জল ভরে রাখুন।
  • dc | ০৩ মে ২০১৯ ১৮:৫১408781
  • "তামিল নাদু তে পার্টিকুলার্লি পিডিএস ডেলিভারি এবং অন্য সার্ভিস ডেলিভারি তে অভূতপূর্ব কাজ হয়েছে, এবং সেটা এন জি ও র জন্য না, অ্যাকাউন্টেবল সরকারি ইনটারভেনসন থাকার জন্যই হয়েছে"

    এটা তো একদম ঠিক কথা। ইন ফ্যাক্ট আগের বার আম্মা যে সেকেন্ড টার্ম পেলো সে তো ভালো কাজ করেছিল বলেই! আম্মা ক্যান্টিন চালু করেছিল, আম্মা ভেজিটেবিল শপ, আম্মা নীর (খুব কম দামে ফিল্টার জল), আরো বেশ কিছু চালু করার প্ল্যান করেছিল, বেচারা তার আগেই টপকে গেল। তামিল নাড়ুতে সাধারনত প্রতিবার সরকার পাল্টায়, কিন্তু আগেরবার এসবের জন্য লোক আম্মাকে জিতিয়ে দিয়েছিল।

    আসলে আমি বলেছিলাম চেন্নাইয়ের লোকজন কলকাতার মতো ওভার্টলি পলিটিকাল বা পলিটিসাইজড না। তবে সেটা একেবারেই আমার নিজের অবজার্ভেশান, আমার স্যাম্পল সাইজ এতো ছোট যে সেন্ট্রাল লিমিট থিওরেম এর ধারেকাছেও যায় না। আমার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত